ধারাভাষ্য

ধারাভাষ্য নিয়ে কি ভাবছো?

খেলার খবর: একটি বেশব্লগ লিখেছে

স্পোর্টস এরিনায় ক্যারিয়ার গড়ার  চিন্তা যারা করছেন তারা বেছে নিতে পারেন উপস্থাপনা,  ধারাভাষ্য কিংবা ক্রীড়া সাংবাদিকতার যেকোন একটি। কারণ স্পোর্টস বর্তমান সময়ের সবচেয়ে ঝুঁকিমুক্ত ক্যারিয়ার সেক্টর। তাছাড়া এখন প্রায় সব ধরনের খেলাধুলাই কোন না কোন টিভি কিংবা রেডিওতে  প্রচার হচ্ছে। খেলাধুলার জনপ্রিয়তা এবং এফএম রেডিওর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় স্পোর্টস উপস্থাপনা, সাংবাদিকতা এবং ক্রীড়া ধারাভাষ্যকারদের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই এখনি সুযোগ এই সেক্টরে নিজেকে মেলে ধরার। 

আপনারা যারা ক্রীড়া ধারাভাষ্য ও উপস্থাপনায় ক্যারিয়ার গড়তে চান তাদের জন্য প্রশিক্ষণের দারুণ সুযোগ নিয়ে এসেছে খোদা বকশ মৃধা ফাউন্ডেশন। বাংলা ধারাভাষ্যের অন্যতম রূপকার বিশিষ্ট ক্রিড়া ধারাভাষ্যকার প্রয়াত খোদা বক্স মৃধার নামে প্রতিষ্ঠিতি এই ফাউন্ডেশনটির আয়োজনে তিন দিনব্যাপী ধারাভাষ্য এবং উপস্থাপনা শীর্ষক প্রশিক্ষণ কোর্সটি ২৫-২৭ মে/২০১৭ রাজধানী ঢাকার পান্থপথে ড্যাফোডিল আই.টি ভবনে অনুষ্ঠিত হবে। 

যাদের কথাবলায় জড়তা আছে সুন্দর ভাবে গুছিয়ে কথা বলতে চান তারাও এই কোর্সটিতে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন। কোর্সটির রেজিষ্ট্রেশন ফি ধরা হয়েছে ২৫০০/- টাকা।  আগ্রহী ছেলে ও মেয়েরা কোর্সে অংশ গ্রহণের জন্য নিবন্ধন করতে  ০১৮৭৬৮৮৬৭৭৯ মোবাইল নম্বরটিতে দ্রুত যোগাযোগ করুন।

উল্লেখ্য, দেশের বরেণ্য ধারাভাষ্যকার এবং ক্রীড়া সাংবাদিকরা ধারাভাষ্য এবং উপস্থাপনা শীর্ষক প্রশিক্ষণ কোর্সটিতে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। পুরো কোর্সটি পরিচালনা করবেন টেলিভিশন ও বেতারের জাতীয় ধারাভাষ্যকার জনাব মোঃ সামসুল ইসলাম ।

*ধারাভাষ্য* *প্রশিক্ষণ* *কোর্স*

খেলার খবর: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলাদেশ বেতার এবং টেলিভিশন এর জনপ্রিয় ক্রীড়া ভাষ্যকার মোহাম্মদ মুসার চতুর্থ প্রয়াণ দিবস আজ। ২০১৩ সালে ১৭ জানুয়ারি তিনি পরলোক গমন করেন। জন্ম ১৯৪৮ সালের ১ নভেম্বর পশ্চিমবংগের বারাসাতে। বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে সকলের প্রিয় মুসা ভাই তাঁর নম্রতা, ভদ্রতা আর বিনয়ের জন্য অধিক পরিচিত ও জনপ্রিয় ছিলেন। অজাতশত্রু্ এই মানুষটি খুব সহজেই সবার সাথে মিশে যেতেন বন্ধুর মতো।

পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনার বারাসাতে জন্মগ্রহণকারী মুসার বাবা মোঃ মোসলেম আলী এবং মাতা মহিদুননেসা খাতুন। মতিঝিল সেন্ট্রাল গভঃ বয়েজ হাই স্কুলেই তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু। জগন্নাথ কলেজ থেকে আইএসসি এবং বিএসসি পাশ করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় ডিপ্লোমা এবং এম.এ পাশ করেন। ছাত্র জীবন থেকেই খেলোয়াড় হিসেবে ক্রিকেট, ফুটবল, হকি এবং এ্যাথলেটিকসের বিভিন্ন ইভেন্টে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেতেন।ছাত্রজীবনে সাংবাদিকতা পেশার সাথেও যুক্ত হন।

মোহাম্মদ মূসা বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতির আজীবন সম্মাননা পাওয়া একজন সদস্য। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি দৈনিক ইনকিলাবের সহকারী সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি ১৯৭৭ সালে বেতারে এবং ১৯৮২ সালে টেলিভিশনে তিনি ক্রীড়া ভাষ্যকার হিসেবে কাজ করা শুরু করেন। মৃত্যুর আগ পযর্ন্ত প্রায় ৩৫ বছরব্যাপী তিনি ক্রীড়া ভাষ্যকার হিসেবে কাজ করেছেন। ফুটবল, ক্রিকেট এবং হকিসহ যেকোন ইভেন্টেই ভাষ্যকার হিসেবে তিনি ছিলেন খুবই সাবলীল। সংশ্লিষ্ট খেলা সমন্ধে প্রচুর হোমওয়ার্ক, পরিসংখ্যান সংগ্রহ এবং উপস্থাপনে তিনি ছিলেন অনন্য। বিভিন্ন বিখ্যাত মনিষীদের উক্তি, নানা রকম উপমা-উদাহরণ, স্মৃতি রোমন্থন করতেন তাঁর ধারাভাষ্যে, যা তাঁকে খুব সহজেই অন্যদের চেয়ে আলাদা করে চেনাতো শ্রোতা-দর্শকদের কাছে।
তিনি লড়াই এবং গুগলি নামে দুটি সাইন্স ফিকশন উপন্যাস লিখেছেন।
ঢাকার মাঠের অনেক কালজয়ী খেলার বর্ণনা তিনি বেতারের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন ইথারে। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আমরা তাঁকে গভীর শ্রদ্ধা এবং ভালবাসায় স্মরণ করছি। তার প্রয়ান দিবসে আমরা ক্রীড়া ভাষ্যকারদের পক্ষ থেকে তার আত্মার শান্তি কামনা করছি।

নিউজ সহযোগিতা: 

মো. সামসুল ইসলাম, ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার।

*ধারাভাষ্য* *বাংলাধারাভাষ্য*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলা ধারাভাষ্যকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছেন বাংলাদেশের মহান রেডিও চ্যানেলগুলো। শুরুতে শুধু ওভারের ফাঁকে ফাঁকে বিজ্ঞাপন দিত। তারপর শুরু হইলো, বাউন্ডারি- উইকেট পতনের পরেও বিজ্ঞাপন দেয়া। এখন শুরু হইছে প্রতিটা টার্ম স্পন্সর করা, যেমন, প্রাণ ফ্রুটো স্কোর, প্রাণ লেয়ার পার্টনারশিপ, পাওয়ার এনার্জি ড্রিংক পাওয়ার-প্লে, ফ্রেশ চার, এলপেনলিপে ডাবল রান, তিব্বত কদুর তেল ছক্কা।
 
এইভাবে চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে কমেন্ট্রি যে রকম হতে পারে, গ্রামীনফোন থ্রিজি স্পিডে দৌড়ে আসছেন মুস্তাফিজুর রহমান, পাওয়ারড বাই রবি ফোর জি। ফ্রেশ সয়াবিন প্রান্ত থেকে বল করছেন তিনি। কদুর তেল আম্পায়ারকে অতিক্রম করলেন, জাম্প কেডস ছোট্ট একটা লাফ দিলেন, মেন্টোস ফ্রেশ বল করলেন। ওপাশে প্রস্তত ব্যাটসম্যান ওয়ালটন শেন ওয়াটসন, পেছনে স্যামসাং গ্লাভস হাতে প্রস্তুত উইকেটকিপার মুশফিকুর রহিম,পাওয়ার্ড বাই গোল্ডমার্ক বিস্কুট। মেন্টস বল করলেন মুস্তাফিজ, পেপসি গুডলেংথ বল, রাঁধুনি অফ কাটার, বাটা ফ্রন্টফুটে এসে হরলিকস কাভার ড্রাইভ করলেন ওয়ালটন ওয়াটসন। প্রাণ চাটনি বল চলে গেল রুপায়ন সিটি মাটি কামড়ে টেলিটক সীমানার দিকে, ডাচ- বাংলা
ব্যাংক চার হওয়ার সম্ভাবনা! কিন্তু না! সাকিব আল হাসান, পাওয়ার্ড বাই বাংলালিংক, লাইফবয় ঝাঁপিয়ে পরে বাঁচালেন নিশ্চিত ল্যাবএইড চার! তবে
ম্যাগি নুডুলস দুই রান নেয়া থেকে বিরত রাখতে পারলেন না দুই ফেয়ার এন্ড হ্যান্ডসাম ব্যাটসম্যানকে! প্রাণ ফ্রুটো স্কোর আপডেট, ইয়েলো অস্ট্রেলিয়া দুই রান, কোকাকোলা শূন্য উইকেটের বিনিময়ে! 
(সংকলিত)
*বাংলাধারাভাষ্য* *ধারাভাষ্য* *রেডিও* *বিজ্ঞাপন* *বেশম্ভব*
ছবি

খেলাধুলা: ফটো পোস্ট করেছে

এশিয়া কাপে নায়করাজ রাজ্জাক ধারাভাষ্যকার হিসেবে অভিষেক ঘটছে।

বুধবার বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের এশিয়া কাপের আসর। আর এই আসরে আছেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গণের কিংবদন্তি নায়করাজ রাজ্জাক। জানা গেছে, নায়করাজ রাজ্জাক এবার ক্রিকেটের ধারাভাষ্য দেবেন। এশিয়া কাপ ক্রিকেটে রেডিও ভূমিতে তার ধারাভাষ্যকার হিসেবে অভিষেক ঘটছে। তার সঙ্গে থাকবেন আরেক কিংবদন্তি অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা। বরাবরই বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলা দেখেন রাজ্জাক। বেশ কয়েকজনের খেলা তার দারুণ ভালো লাগে। এর মধ্যে সাকিব আল হাসান, মাশরাফি বিন মুর্তজা, মুশফিকুর রহিম ও মুস্তাফিজুর রহমান রয়েছেন।

*টি-২০* *এশিয়া* *কাপ* *ক্রিকেট* *ধারাভাষ্য*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সেই ছোটবেলা থেকেই রেডিওর পাগল ছিলাম। তবে কোন গানের অনুষ্ঠানের না। পাগল ছিলাম খেলার ধারাভাষ্য শোনার। টিভিতে ভলিউম মিউট করে খেলা দেখতাম আর রেডিওতে ধারাভাষ্য শুনাতম। তখন রেডিওতে পাগল করা কিছু কণ্ঠ ভেসে আসতো যা এখনো প্রাণে বাজে। ধারাভাষ্যকার খোদা বক্স মৃধা, আব্দুল হামিদ, মোহাম্মদ মুসা, মঞ্জুর হাসান মিন্টু, আলফাজ উদ্দিন আহম্মেদ এর কণ্ঠ এবং বিশ্লেষণ আমাকে এখনো বারবার রেডিওর কাছে টেনে নিয়ে যায়। তবে বাংলা ধারাভাষ্যের তখনকার সেই আমেজ ও ইমেজ এখন আর কানে বাজে না। বর্তমানে দুই চার জন ছাড়া, বাঁকি সবগুলো ধারাভাষ্যকারদের কথা, ভুলভাল উচ্চারণ এবং গোজামিল শুনে অবাক হয়ে যাই। 
 
 
আসল কোথায় আসি, শুনলাম আসন্ন টি২০ ওয়ার্ল্ড কাপ ক্রিকেট উপলক্ষে প্রাচীন, ঐতিহ্যবাহী এবং জনপ্রিয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ বেতার কয়েকজন ধারাভাষ্যকার নির্বাচিত করেছে। এবং সেটা নিয়ে অনলাইনে ব্যপক তোলপাড় চলছে। কাকে কাকে নির্বাচন করা হয়েছে সে বিষয়ে আমার কোন মাথা ব্যাথা নেই। মনে রাখতে হবে শ্রোতারা সবসময় তথ্যবহুল কমেন্ট্রি শুনতে চায়। আউ ফাউ কথা শোনার টাইম শ্রোতাদের নেই। এক্ষেত্রে ধারাভাষ্যকার নির্বাচনের সময় মেধা, যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং জৈষ্ঠ্যতাকে প্রাধান্য দেওয়া উচিৎ। উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে কিংবা চাপে পড়ে বারবার একই ব্যক্তিকে নির্বাচিত না করে বেতার কর্তৃপক্ষের উচিৎ সবাইকেই একে একে সুযোগ দেওয়া। কারণ নতুনদেরও তো জায়গা করে দিতে হবে তাই নয় কি? নতুনরা তো আস্তে আস্তে শিখবে, সে সুযোগটা তো তাদের দিতে হবে। তাছাড়া মায়ের পেট থেকে পড়েই কিন্তুু কেউ হাঁটা শুরু করে না! 
 
যদিও বেতার কর্তৃপক্ষ আমার চেয়ে বেশি বুঝে তারপরও একটি কথাই বলবো দেশের মাটিতে যাই হোক অন্তত্ব বিশ্বকাপের মত আসরে গোজামিল দেওয়া ধারাভাষ্যকারদের নির্বাচন করার পূর্বে একটি বার ভেবে দেখুন
*ধারাভাষ্য* *খেলাধুলা* *বাংলাদেশবেতার*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

লাখো লাখো দর্শক শ্রোতাকে হতাশার সাগরে ভাসিয়ে ৫ বছর আগে ঠিক এই দিনটিতে অজানা পথে পাড়ি জমিয়েছিলেন বাংলা ধারাভাষ্যের অন্যতম রূপকার বিশিষ্ট ক্রিড়া ধারাভাষ্যকার খোদা বক্স মৃধা। যেকজন গুণী ধারাভাষ্যকারদের হাত ধরে  বাংলা ধারাভাষ্য প্রতিষ্ঠা লাভ করতে সক্ষম হয়েছে তাদের মধ্যে মরহুম খোদা বক্স মৃধা অন্যতম। সাবলীল উচ্চারণ আর সুমিষ্ট কণ্ঠের জাদু ছড়িয়ে বাংলা ধারাভাষ্যেকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন খোদা বক্স মৃধা। মরহুম আব্দুল হামিদ, মুহাম্মদ মুসা , মুঞ্জুর হাসান মিন্টু ও খোদা বক্স মৃধার মত প্রতিষ্ঠিত ক্রিড়া ব্যক্তিত্বদের অনুপ্রবেশ বাংলা ধারাভাষ্যে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছে।

আজ ৩০ মার্চ জনপ্রিয় ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রফেসর খোদা বক্স মৃধার ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। এ উপলক্ষ্যে তাঁর পরিবার, খোদা বক্স মৃধা ফ্যান ক্লাব এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানারকম কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। তার আত্মার শন্তি কামনা করে সোমবার বাদ আসর রাজশাহীর বাসভবনে মৃধার পরিবারের পক্ষ থেকে ফাতেহা পাঠ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। মৃধা ১৯৪৫ সালের ২২ জানুয়ারী রাজশাহীর হেতেমখাঁতে জন্ম গ্রহণ করেন।

১৯৭০ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪০ বছরব্যাপী বেতার ও টেলিভিশনে ক্রীড়া ধারাভাষ্য দিয়ে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। বেতারের প্রথম শ্রেনীর সংবাদ পাঠক ও সংগীত শিল্পিও ছিলেন তিনি। প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটার ও ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও তাঁর ব্যপক সুনাম ছিল। বাংলাদেশ স্পোর্টস কমেন্টেটরস ফোরামের সভাপতি ছিলেন খোদা বক্স মৃধা। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এই দিনটি স্মরণ করবে
বাংলাদেশ স্পোর্টস কমেন্টেটরস ফোরাম। ২০১০ সালের ৩০ মার্চ দেশের খ্যাতনামা ধারাভাষ্যকার খোদা বক্স মৃধা ইন্তেকাল করেন ।

*ধারাভাষ্য* *খোদাবক্সমৃধা* *বাংলাধারাভাষ্য* *মৃতুবার্ষিকী*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সাধারণত আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলাকালীন সময়ে স্টার স্পোর্টস ইংরেজিতে ধারাভাষ্য দিয়ে থাকে। গত কয়েক বছর ধরে হিন্দিতেও ধারাভাষ্য দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে চ্যানেলটি। তবে এবার প্রথমবারের মতো বাংলায় ধারভাষ্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চ্যানেল কর্তৃপক্ষটি। বিশ্বকাপ ক্রিকেট থেকেই বাংলায় ধারাভাষ্য দেওয়া হবে।

বাংলাসহ মোট ছয়টি ভাষায় এবারের বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো সম্প্রচার করবে স্টার স্পোর্টস। ভারতের দিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। বাংলা ছাড়াও ইংরেজি,হিন্দি,তামিল,কানাড়া ও মালয়ালম ভাষায় বিশ্বকাপের  ধারাভাষ্য শোনা যাবে।

আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ১১তম ওয়ানডে বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানসহ প্রতিটি ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করবে স্টার স্পোর্টস।
(সংকলিত)

*ক্রিকেট* *খেলাধুলা* *ধারাভাষ্য* *ক্রিকেটবিশ্বকাপ*

ফারহানা ইয়াছমীন নীপা বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

গ্রামের বাড়িতে বিদ্যুৎ না থাকায় রেডিওতে বাংলা ধারাভাষ্য শুনতাম। তখনকার ধারাভাষ্যকারগণও বেশ চমৎকারভাবেই এবং এমন নিখুতভাবে খেলার ধারা বর্ণনা করতেন শুনলেই মনে হত সরাসরি খেলা দেখছি। প্রত্যেকটা বলের মুল্যায়ন এমনভাবে করতেন তাঁরা। দল হারুক আর জিতুক উনাদের ধারা বর্ণনাতে আমার সর্বোচ্চ পরিমান অনুভুতি ব্যক্ত করাতে তাঁরা অসাধারণভাবে পারদর্শী ছিলেন। জিতে গেলে উনাদের বর্ণনা আমার প্রতিটা লোমকে নাড়িয়ে দিতে কার্পন্য করত না। অসাধারণ একটা শিহরণ অনুভব করতাম। ইচ্ছা করত সর্বোচ্চ পরিমান শক্তি দিয়ে চিৎকার করে গলা ফাটিয়ে সবাইকে জানিয়ে দিই। গর্বে বুকটাও তেমনি ফুলে উঠত। আর হেরে গেলে নিভৃতে বুকের ভিতরটাতে সাইক্লোন ঘটে যেত। এক কথায় উনাদের ধারাভাষ্য ছিল অসাধারণ। হয়ত আমাদের তখনকার খেলোয়াড়গণ ততবেশি ভালো খেলতেন না। কিন্তু উনাদের যেটুকু ভাল স্কোর ছিল সেটুকুতেই তাদেরকে ধন্য করতেন। খারাপ করলেও বিষয়টাতে আক্ষেপ করতেন ভুলগুলো নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করতেন। তখনকার দিনের সেই খোদাবক্স মৃধা, সদ্য গত হওয়া মন্জুরুল মিন্টু আরও অনেকের নাম মনে নেই! বর্তমানে জাফরুল্লাহ শারাফাতেরটা ভাল লাগে।

যে কারণে এই লেখা। আজ বাইরে থেকে এসে দেখি রুমমেট এফ এমে খেলার ধারা বর্ণনা শুনছেন। অনেকেই নতুন সাইদুর রহমান আর নিখিলচন্দ্র ছাড়া। কে একজন ধারাভাষ্য দিতে গিয়ে বারবার এনামুল হক বিজয়কে আনামুল আর মুমিনুল হককে মোমিনুল বলছেন। যেখানে সারাদেশের অনেকেই শুনছে সেখানে একটানা পাঁচ ওভার নাম দুটো অশুদ্ধভাবে বলে গেলেন অথচ কখনো ভুল করছেন বা বলছেন সেটাও উল্লেখ করলেন না্ আবার পাশের থেকেও কেও সংশোধন করেও দিলেন না। মনে মনে বেশ গালাগালী দিতে ইচ্ছা হল। তোরা এমন পর্যায়ে থেকে কেমনে এত ভুল করিস??

আগের ধারাভাষ্যগণ ভুল হলে সরি বলতেন। মাঝে মাঝে মন ভালো করার মত লোভনীয় রেকর্ড পরিসংখ্যান শোনাতেন। আর এখনকার গণ শুধু দায়সারাভাবে কত রান কত বল এইগুলো বলেই শেষ।

যাহোক সবশেষে বাংলাদেশ টিমের জন্য অসংখ্য শুভকামনা। আরও এগোতে চাই আমরা। জয় পরাজয়ের ভিড়ে। ভালোবেসে যাবই চিরতরে, চিরন্তন।

বারবার গাইতে চাই 
আমরা করব জয়,,
আমরা করব জয়,,
আমরা করব জয় নিশ্চয়,,,,
আহা বুকের গভীরে,,,,,,,,,,,,

ধন্যবাদ সকলকে।।।

*খেলাধুলা* *ধারাভাষ্য*

মাসুম: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গ্রামের বাড়িতে বিদ্যুৎ না থাকায় রেডিওতে বাংলা ধারাভাষ্য শুনতাম। তখনকার ধারাভাষ্যকারগণও বেশ চমৎকারভাবেই এবং এমন নিখুতভাবে খেলার ধারা বর্ণনা করতেন শুনলেই মনে হত সরাসরি খেলা দেখছি। প্রত্যেকটা বলের মুল্যায়ন এমনভাবে করতেন তাঁরা। দল হারুক আর জিতুক উনাদের ধারা বর্ণনাতে আমার সর্বোচ্চ পরিমান অনুভুতি ব্যক্ত করাতে তাঁরা অসাধারণভাবে পারদর্শী ছিলেন। জিতে গেলে উনাদের বর্ণনা আমার প্রতিটা লোমকে নাড়িয়ে দিতে কার্পন্য করত না। অসাধারণ একটা শিহরণ অনুভব করতাম। ইচ্ছা করত সর্বোচ্চ পরিমান শক্তি দিয়ে চিৎকার করে গলা ফাটিয়ে সবাইকে জানিয়ে দিই। গর্বে বুকটাও তেমনি ফুলে উঠত। আর হেরে গেলে নিভৃতে বুকের ভিতরটাতে সাইক্লোন ঘটে যেত। এক কথায় উনাদের ধারাভাষ্য ছিল অসাধারণ। হয়ত আমাদের তখনকার খেলোয়াড়গণ ততবেশি ভালো খেলতেন না। কিন্তু উনাদের যেটুকু ভাল স্কোর ছিল সেটুকুতেই তাদেরকে ধন্য করতেন। খারাপ করলেও বিষয়টাতে আক্ষেপ করতেন ভুলগুলো নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করতেন। তখনকার দিনের সেই খোদাবক্স মৃধা, সদ্য গত হওয়া মন্জুরুল মিন্টু আরও অনেকের নাম মনে নেই! বর্তমানে জাফরুল্লাহ শারাফাতেরটা ভাল লাগে।

যে কারণে এই লেখা। আজ বাইরে থেকে এসে দেখি রুমমেট এফ এমে খেলার ধারা বর্ণনা শুনছেন। অনেকেই নতুন সাইদুর রহমান আর নিখিলচন্দ্র ছাড়া। কে একজন ধারাভাষ্য দিতে গিয়ে বারবার এনামুল হক বিজয়কে আনামুল আর মুমিনুল হককে মোমিনুল বলছেন। যেখানে সারাদেশের অনেকেই শুনছে সেখানে একটানা পাঁচ ওভার নাম দুটো অশুদ্ধভাবে বলে গেলেন অথচ কখনো ভুল করছেন বা বলছেন সেটাও উল্লেখ করলেন না্ আবার পাশের থেকেও কেও সংশোধন করেও দিলেন না। মনে মনে বেশ গালাগালী দিতে ইচ্ছা হল। তোরা এমন পর্যায়ে থেকে কেমনে এত ভুল করিস??

আগের ধারাভাষ্যগণ ভুল হলে সরি বলতেন। মাঝে মাঝে মন ভালো করার মত লোভনীয় রেকর্ড পরিসংখ্যান শোনাতেন। আর এখনকার গণ শুধু দায়সারাভাবে কত রান কত বল এইগুলো বলেই শেষ।

যাহোক সবশেষে বাংলাদেশ টিমের জন্য অসংখ্য শুভকামনা। আরও এগোতে চাই আমরা। জয় পরাজয়ের ভিড়ে। ভালোবেসে যাবই চিরতরে, চিরন্তন।

বারবার গাইতে চাই 
আমরা করব জয়,,
আমরা করব জয়,,
আমরা করব জয় নিশ্চয়,,,,
আহা বুকের গভীরে,,,,,,,,,,,,

ধন্যবাদ সকলকে।।।

*দুখোব্লগ* *ধারাভাষ্য* *খেলাধুলা*

নাকিব ওসমান : [বাঘমামা-প্যাচখায়াগেলাম]*মিসকরি* খোদা বক্স *চৌধুরী* এর *ধারাভাষ্য* : " কর্দমাক্ত আকাশের নিচে মেঘযুক্ত মাঠে বল নিয়ে ছুটছেন আলফাজ... এবারে গো ও ও ও ও ল... কিন্ত, না ! এবার গোল নয়, বল সীমার উপর দিয়ে মাঠের বাইরে... " (লালালা)

*চৌধুরী* *ধারাভাষ্য* *বিশ্বকাপ-ফুটবল* *কাউন্টডাউন*

মাহনূর তাবাসসুম মীম: আজ থেকে শুরু হল *বিশ্বকাপ-ফুটবল* কাউন্টডাউন! আর মাত্র ৯০ দিন!

*বিশ্বকাপ-ফুটবল* *চৌধুরী* *ধারাভাষ্য*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★