ধূমপান

ধূমপান নিয়ে কি ভাবছো?

লুসিফার: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

*ধূমপান*
অনেককে বলতে শুনি *ধূমপান*নাকি মানসিক শান্তি এটসেট্রা এটসেট্রা দেয় !!
আরে ভাই তোর মানসিক অশান্তিগুলা কি এতই হালকা যে ধোঁয়ার ধাক্কার ছু মন্তর হয়ে যায় ??!! হোক না নিকোটিন,তবু তো ধোঁয়াই ,নাকি ! তাই বলি ভাবের কথা ছাড়েন ,দাম দিয়ে যন্ত্রনা কেনা থামান !!!
*ধূমপান*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: *ধূমপান* ধূমপান মানব দেহের অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উপকার সাধন করে কিন্তু ক্ষতি যেটা করে সেটা বিশাল তার সামনে এই ছোট উপকার কিছুই না ।। তাই বলবো ধূমপান করিবেন নিজ দায়িত্বে করিবেন কাউকে ক্ষতি করে নয় ।। রাস্তা ঘাটে প্রকাশ্যে নয় ।।

M.A. Samium Basir : একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ধূমপান ছাড়ার সহজ কোনো উপায় অথবা পদ্ধতি জানা আছে কারো?

উত্তর দাও (১০ টি উত্তর আছে )

.
*ধূমপান* *সিগারেট* *লাইফস্টাইলটিপস*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একটি সিগারেটের ধোঁয়ায় থাকে দুশো’রও বেশি বিষাক্ত পদার্থ যা শরীরের জন্য একটি বোঝা। কিন্তু ধূমপান বন্ধ করার ঠিক পরপরই শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে কী ভাবে পরিবর্তন ঘটে, তারই কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকছে  এই প্রতিবেদনে।

  • মাত্র ২০ মিনিট বিরতির পর

শেষ ধূমপানের মাত্র ২০ মিনিট পরেই শরীরের রক্তচাপ ও নাড়ির গতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। ধূমপানের সময় সিগারেটের নিকোটিন শরীরের নার্ভ সিস্টেমকে সক্রিয় রাখার ফলে যতটুকু বেড়ে গিয়েছিলো তা আবার নামিয়ে নিয়ে আসে।

  • ১২ ঘণ্টা ধূমপান না করলে যা হয়

সিগারেটের জ্বলন্ত আগুন থেকে বের হওয়া যে বিষাক্ত গ্যাস শরীর গ্রহণ করেছিলো, তা ১২ ঘণ্টা পর থেকে স্বাভাবিক হয়ে আসে। এবং শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়তে থাকে কারণ ধূমপান করার সময় রক্তে অক্সিজেন যাতায়াত বাধাগ্রস্ত হয়ে থাকে।

  • সিগারেট ছাড়া দুই দিন

ধূমপানের কারণে স্বাদ ও গন্ধ নেওয়ার যে ক্ষমতা কমে গিয়েছিলো, তা ধূমপান বন্ধ করার মাত্র দুইদিন পরেই বাড়তে শুরু করে। 

  • ধূমপান বন্ধের তিনদিন

ধূমপান থেকে বিরত থাকার তিনদিন পরে থেকেই বুকের ভেতরটা হালকা মনে হয় এবং শ্বাস ক্রিয়া সহজ হয়, কারণ তখন আর শরীরের ভেতরে নিকোটিন থাকেনা। আর সে কারণেই ধূমপান না করার লক্ষণগুলো ভালোভাবে ধরা পড়ে বা বোঝা যায়। তখন মাথাব্যথা, বমিভাব, প্রচণ্ড ক্ষুধা পাওয়া, হতাশা বা আতঙ্কভাব হয়ে থাকে৷

  • ধূমপান বন্ধের কয়েক মাস পর

ধূমপান বাদ দেওয়ার কয়েকমাস পরেই দেখা যায় শরীরে রক্ত চলাচল অনেক ভালোভাবে হচ্ছে৷ আর আগের তুলনায় ফুসফুস শতকরা ৩০ ভাগ বেশি অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে এবং কাশিভাবও কমতে শুরু করে।

  • ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার এক বছর, ১০ বছর বা ১৫ বছর পর

ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার এক বছর পর থেকেই হৃদরোগের ঝুঁকি অর্ধেক কমে যায়৷ তাছাড়া দশ বছর ধূমপান না করলে একজন ধুমপায়ীর ফুসফুসের ক্যানসারে মারা যাওয়ার ঝুঁকির তুলনায় অর্ধেক কমে যায়। শুধু তাই নয়, ১৫ বছর ধূমপান থেকে বিরত থাকলে তার করোনারি হৃদরোগ হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়, যে জীবনে কখনো ধূমপান করেনি তার মতো।

সূত্র: কলকাতা২৪*৭

*ধূমপান*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অনেকে ধূমপান ছেড়ে দিতে চান কিন্তু পারেন না। যারা ধূমপান বা জর্দা চিরতরে ছেড়ে দিতে চান, রোজার মাস তাদের জন্য উপযুক্ত সময়। কেননা এ মাসে রোজাদারকে ১৫-১৬ ঘণ্টা এগুলো গ্রহণ না করেই থাকতে হয়। আর রোজা রাখা ধরনের প্রতি তার বিশ্বাস আর তার প্রবল ইচ্ছাশক্তির কারণে হয়। এই সময়ে ধূমপান ছাড়ার জন্য রয়েছে কয়েকটি পরামর্শ।

  • ধূমপানের সব ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে তো আপনি জানেনি এবং ছাড়ার পক্ষে যথেষ্ট যুক্তি আছে, শুধু থাকে নিজের কাজে নিজের কমিটমেন্টের অভাব, তাই রমজান মাসে নিজের কাছে নিজে প্রতিজ্ঞা করুন ধূমপান ছাড়া, বিশ্বাস করুন চাইলেই আপনি পারবেন ।]
  • এবার নিজের মনকে ওই যুক্তিগুলোর আলোকে ধূমপান ছাড়ার জন্য প্রস্তুত করুন।
  • পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনো এক বিশেষ দিনে ইফতার করার পর আর ধূমপান করবেন না।
  • ধূমপানের তীব্র ইচ্ছা হলে অন্য কাজে বা চিন্তায় নিজেকে ব্যস্ত রাখুন।
  • এ বিষয়ে পরিবারের সদস্য ও বন্ধুবান্ধবের কাছ থেকে কিছু সাহায্য নিন।
  • আপনজন কাউকে আপনার ধূমপান ত্যাগের দায়িত্ব বা কর্তৃত্ব নিতে দিন।
  • কারও সঙ্গে বাজি ধরুন যে আপনি কিছুদিনের মধ্যেই ধূমপান ছেড়ে দেবেন; যেমন এই রমজান মাসেরই একটি দিন।
  • একটা শুভ দিন ঠিক করুন, প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে সিদ্ধান্ত নিন, কোন দিন থেকে এ কাজ শুরু করবেন। এমন একটি দিন ঠিক করুন, যেদিন আপনার কোনো মানসিক চাপ বা উত্তেজনা থাকবে না। এক দিন আগে ঘরের সব সিগারেটের প্যাকেট, ছাইদানি ও লাইটার কিংবা ম্যাচ বাক্স ছুড়ে ফেলে দিন।

 

*রমজানমাস* *রোজা* *ধূমপান* *লাইফস্টাইলটিপস*

মোঃ হাবিবুর রহমান (হাবীব): কিছু সাধারণ বিষয় নিয়মিত মানলেই ত্যাগ করা যাবে ধূমপান। মানুষ অভ্যাসের দাস। আর অভ্যাসটা যদি ধূমপান হয় তাহলে তো কথা নেই। যে কোনো অভ্যাস ত্যাগ করতে প্রথম কয়েকটা দিনই সবচেয়ে কঠিন সময়। ধূমপান ত্যাগ করার ক্ষেত্রে এই কঠিন সময়টি পার করার কয়েকটি উপায় । ঠাণ্ডা পানি: সিগারেট টানার অভ্যাসের বদলে স্ট্র দিয়ে ঠাণ্ডা পানি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। গবেষণা অনুযায়ি, এটি ‘ডোপামিন’ নিঃসরণ করে। একটি ভালো লাগার অনুভূতি উদ্রেককারী মস্তিষ্কের রাসায়নিক উপাদান যা মন ভালো রাখে। তাৎক্ষনিক উপকার: ধূমপান মুক্ত জীবনের সুবিধাগুলো উপভোগ বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়না। তাই চোখে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপকারী দিকগুলোর তালিকা করে রাখতে পারেন। সুবিধাগুলোর মধ্যে থাকতে পারে আত্মনিয়ন্ত্রণ, খরচ কমে যাওয়া, মুখে দুর্গন্ধ না থাকা, খাবারের স্বাদ স্পষ্টভাবে বুঝতে পারা ইত্যাদি। ঘনঘন দাঁত মাজা: ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার তাৎক্ষনিক উপকারগুলোর মধ্যে অন্যতম হল মুখের স্বাদ বেড়ে যাওয়া এবং দুর্গন্ধ না হওয়া। ঘনঘন দাঁত মাজলে সিগারেট জ্বালানো এবং পরিষ্কার মুখটাকে নষ্ট করার তাড়না কমে আসবে। মদ্যপান এড়িয়ে চলুন: সিগারেটের আসক্তিতে ফিরে যাওয়ার অন্যতম প্রচলিত কারণ মদ্যপান। কারণ অ্যালকোহল নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা নষ্ট করে। ফলে ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার মনোবল নষ্ট হয়। অনেকে আবার মদ্যপানের সময় ধূমপান করেন। ফলে তারা মদ্যপান করলে ধূমপানের তাড়নাও অনুভব করেন। সময় কাটান ‘নো স্মোকিং জোন’য়ে: ধূমপানের তাড়না অনুভব করলে এমন জায়গার যান যেখানে ধূমপান করা নিষেধ। হতে পারে তা সিনেমা হল, গ্রন্থাগার, দোকান ইত্যাদি। স্থানটি আপনার জন্য যত বেশি আকর্ষণীয় হবে, ধূপমানের তাড়না দূরে রাখা ততটাই সহজ হবে। কেনো ছাড়ছেন তা মনে রাখুন: ধূমপান ছাড়ার সিদ্ধান্ত কেনো নিয়েছেন তার একটি তালিকা তৈরি করুন। যেসব জায়গার আপনার বেশিরভাগ সময় কাটে যেমন অফিস, রান্নাঘর, কম্পিউটার টেবিল ইত্যাদি, সেসব জায়গায় এই তালিকা ঝুলিয়ে দিতে পারেন। যা ধূমপান ছাড়ার কারণগুলো আপনাকে মনে করিয়ে দেবে। প্রাক্তন ধূমপায়ীদের মতে, এই তালিকার পাশে পরিবার ও ভালোবাসার মানুষগুলোর ছবি রাখা তাদের সফল হতে বেশ সাহায্য করেছে। কর্মচঞ্চল থাকুন: তাড়না এড়ানোর একটি শক্তিশালী হাতিয়ার শরীরচর্চা। শরীর সক্রিয় থাকলে তা প্রাকৃতিক রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে, যা মন ভালো রাখে এবং মানসিক চাপ কমায়। বেশিরভাগ মানুষের জন্য সবচেয়ে সহজ ব্যায়াম হাঁটাহাঁটি। তবে বিভিন্ন ধরনের শরীরচর্চা অনুপ্রেরণা বাড়াতে সহায়ক। শরীরচর্চার জন্য সময় আলাদা করে রাখতে হবে। বিশেষ করে ধূপমান ছেড়ে দেওয়ার পর প্রথম এক মাস। ব্যস্ত থাকুন প্রিয় কাজে: ধূপমান ত্যাগ করার পর প্রথম কয়েক সপ্তাহ নিজেকে পছন্দের কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান এবং ধূমপানের তাড়না ভুলে থাকার চেষ্টা করুন। যত বেশি ব্যস্ত, ভুলে থাকা ততটাই সহজ হবে। মুখে রাখুন অন্য কিছু: ধূমপানের তাড়নার একটি অংশ হল মুখে কিছু থাকা। তাই সিগারেটের পরিবর্তে চুইংগাম, ক্যান্ডি বা অন্যান্য স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস খেয়ে এই তাড়না প্রশমিত করতে পারেন। ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলে বেছে ক্যালরি কম থাকে এমন স্ন্যাকস খাওয়া যেতে পারে। কাউকে পাশে রাখুন: এক্ষেত্রে সবচাইতে উত্তম হবে একজন বন্ধু, যে নিজেও একজন ধূমপায়ী ছিল। তবে আপনার প্রতি যত্নবান এবং চায় যে আপনি ধূপমান ছেড়ে দেন এমন যে কেউ কঠিন সময়গুলোতে সহায়তা করার জন্য যথেষ্ট। কফি কমান: কর্মক্ষমতা বাড়াতে অনেকের ক্ষেত্রেই কার্যকর কফি। তবে কেউ আবার কফির কারণে চিন্তিত, ভীত, মানসিক চাপও অনুভব করেন। নিকোটিন কমে যাওয়ায় এই অনুভূতিগুলো আরও বেড়ে যেতে পারে। কফি যদি আপনাকে অস্থির করে তোলো তাহলে পরিমাণ কমাতে হবে। মন খারাপ থেকে সাবধান: নেতিবাচক আবেগ যেমন- মানসিক চাপ, ক্রোধ, হতাশা ইত্যাদি পুনরায় ধূমপানে আসক্ত হওয়ার অন্যতম কারণ। সমস্যাগুলো সবারই হয়। আপনার ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বেশি হতে পারে। নিজেকে অন্যমনস্ক রাখার উপায় বের করতে হবে। ঝামেলা এড়ান: যদিও পরিবার এবং বন্ধুমহলের উচিত আপনাকে সাহায্য করা, সবসময় তা হয় না। ধূমপান ত্যাগ করার সিদ্ধান্তে কারও অসম্মতি থাকতে পারে। আপানাকে প্ররোচণাও দিতে পারে। এদের এড়িয়ে চলতে হবে। যদি এড়ানো সম্ভব না হয় তবে আপনার সিদ্ধান্তের গুরুত্ব তাদের বুঝিয়ে বলতে হবে। ধৈর্য রাখুন, অটল থাকুন: দুই সপ্তাহ পার করতে পারলেই ধূমপান ছেড়ে দিতে পারবেন সারা জীবনের জন্য। তবে ভুলভ্রান্তির জন্যও প্রস্তুত থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে, একবার ভুল করা মানেই আপনি ব্যর্থ নন। ভুল খুঁজে করুন এবং পরে একই ভুল থেকে সাবধান থাকুন।

*ধূমপান* *উপায়* *লাইফ*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সিগারেট মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও আমরা প্রতিনিয়তই সিগারেট খাই। সিগারেট খাবার পর অনেকের শরীর ও মুখ থেকে বিরক্তিকর গন্ধ বের হয়। কেউ বার গন্ধ দূর করতে  সিগারেট খেয়ে বাড়ি ঢোকার আগে চুউইগাম, সোজা বাথরুমে গিয়ে ব্রাশ সেরে নেন। কিন্তু তাতেও তো কি মুক্তি হয়? আসলে ধূমপান করলে শুধু মুখ থেকেই যে গন্ধ বেরোয় এমনটা নয়। চুল, জামাকাপড়, গোটা শরীর, হাত, নিশ্বাস সব কিছু থেকেই গন্ধ বেরোয়। তাই সিগারেট খেলে এই সব কিছুরই খেয়াল রাখতে হবে। জেনে নিন কী ভাবে গন্ধ দূর করবেন।

টুপিতে ‘টুপি’:
 সিগারেট খেলে সবচেয়ে বেশি গন্ধ বেরোয় চুল থেকে। চুল বড় হলে ধূমপান করার সময় তাই চুল বেঁধে নিন। না হলে মাথায় টুপি পরে নিন। পরে টুপিতে ডিওড্রেন্ট স্প্রে করে নিলেই হবে। যদি এর কোনওটাই সম্ভব না হয় তবে চেষ্টা করুন ধোঁয়া চুল থেকে যতটা সম্ভব দূরে রাখতে। সিগারেট খাওয়ার পর চুলে সাইট্রাস স্প্রে করে নিন।

পোশাকে আড়ালে: 
সবচেয়ে ভাল হয় ধূমপানের পর যদি পোশাক বদলে নেওয়া যায়। কিন্তু তা সব সময় সম্ভব হয় না। তবে ধূমপানের সময় কোনও জ্যাকেট বা স্কার্ফ পরে নিতে পারেন বুদ্ধি করে। পোশাক থেকে ধোঁয়ার গন্ধ বেরোলে ড্রায়ার বা অডার এলিমিনেটর স্প্রে করে নিন।


যাক ধুঁয়ে আজি পানিতে: 
অনেক সময়ই ধূমপানের পর আমরা গন্ধ নিয়ে বেশি সচেতন হয়ে যাই। যতটা গন্ধ বেরোয় তার থেকে অনেক বেশি আমরা ভাবি, এমনটা মনে হলে ভাল করে স্নান করে লোশন বা ডিওডর্যা ন্ট লাগিয়ে নিন।

নিশ্বাসে গন্ধ আছে:
নিশ্বাসের গন্ধ দূর করার সহজ উপায় চিউইং গাম বা মিন্ট। তবে বেশি বেশি করে ফেলবেন না। তাহলে বোঝা যাবে আপনি কোনও কিছু লুকোতে চাইছেন। বেশি ধূমপান করলে মুখে চিউইং গাম রাখলেও নিশ্বাসে গন্ধ ছড়াতে পারে। কারণ, মুখ ও নাক সংযুক্ত।

হাত ছাড়া হওয়ার উপায় নাই:
যারা ধূমপান করেন তারা জানেন হাত থেকে গন্ধ বেরোয়। বিশেষ করে ধোঁয়া টানার সময় আঙুলে গন্ধ ছড়ায়। তাই সিগারেট খাওয়ার সময় কোনও কাগজ বা র্যা পার দিয়ে মুড়ে ধরতে পারেন। হাতে স্যানিটাইজার লাগাতে পারেন ধূমপানের পর।

সমাধানে বাথরুমে আমি আছি :
যদি টয়েলট পেপার টিউব বা ড্রায়ার শিট রোল টিউবের মধ্যে থেকে ধূমপান করেন তবে কোনওভাবেই ধোঁয়ার গন্ধ ছড়াবে না।
(সংকলিত)
*সিগারেট* *ধূমপান* *টিপস* *লাইফস্টাইলটিপস*

নিরাপদ নিউজ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

সহজেই দূর করুন ধূমপানের কটু গন্ধ
মুখ থেকে গন্ধ দূর করতে দেদারচ্ছে চিবাচ্ছেন চুইনং গাম। এতেও কোন সমাধান মিলছে না...পড়ুন- http://www.nirapadnews.com/2016/01/18/news-id:123803/
*ধূমপান* *দুর্গন্ধ* *মুখেরগন্ধ* *আড্ডা*

নিরাপদ নিউজ: সহজেই দূর করুন ধূমপানের কটু গন্ধ মুখ থেকে গন্ধ দূর করতে দেদারচ্ছে চিবাচ্ছেন চুইনং গাম। এতেও কোন সমাধান মিলছে না। এতো কিছু সত্ত্বেও ধরা পড়ে যাচ্ছেন?...কি করবেন তাহলে ....বিস্তারিত- http://www.nirapadnews.com/2016/01/18/news-id:123803/

*ধূমপান* *সিগারেট* *দুর্গন্ধ* *চুইনংগাম* *আড্ডা*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ধূমপান মৃত্যুর কারণ! তাইতো বিশ্বজুড়ে সবসময় সর্তকতা বাণী শোনানো হয় যাতে মানুষ ধূমপান থেকে বিরত থাকে। এরপরেও যারা ধূমপান ছাড়তে পারেন না তাদের জন্য প্রযুক্তিবিদরা নতুন করে চিন্তা শুরু করেছিলেন যার আউটপুট হলো ই-সিগারেট বা ইলেকট্রিক সিগারেট। বাজারে প্রাপ্ত সিগারেটের চাইতে ই-সিগারেটে ক্ষতির পরিমান কিছুটা হলেও কম। যারা ধূমপান ছাড়তে চাচ্ছেন তাদের জন্য ইলেকট্রিক সিগারেট হতে পারে পছন্দের ও উপকারি বন্ধু। আর এটি আপনাকে প্রতিদিন সিগারেন কেনার ঝামেলা থেকে মুক্তি দিবে। 
ই-সিগারেট
মূলত ই-সিগারেট হল বিশেষ একধরনের যন্ত্র। যার মাধ্যমে ধূমপায়ী ব্যক্তি ধূমপানের অনুভূতি পেয়ে থাকেন, এটা ব্যাটারি চালিত এমন এক ডিভাইস, যা দেখতে সিগারেটের মতো। তবে সাধারন সিগারেটের সাথে এর পার্থক্য হল, সাধারন সিগারেটে তামাকে নিকোটিন এর পাশাপাশি অন্যান্য অনেক ক্ষতিকর উপাদান থাকে যা শরীরের অনেক ক্ষতি করে। কিন্তু ই-সিগারেট প্রস্ততকারীদের দাবী অনুযায়ী এতে শুধু নিকোটিন স্বল্প পরিমানে থাকে যা শুধু ধুমপায়ীদের মধ্যে সিগারেটের অনুভূতি তৈরী করতে সাহায্য করে কিন্তু শরীরের তেমন কোন ক্ষতি করেনা। সিগারেটটি আগুন ছাড়াই জলবে। বিদ্যুতে চলবে এবং চার্য শেষ হয়ে গেলে পুনরায় অন্যান্য ইলেকট্রিক যন্ত্রের ন্যায় চার্য করা যাবে। ২০০৮ সালে বাজারে ছাড়া ই-সিগারেট ২০১৩ সালে বিক্রি হয়েছে তিনগুন আর এ থেকে আয় হয়েছে ১.৫ বিলিয়ন ডলার৷

কোথায় থেকে কিনবেন দাম কেমন?
দাম ও প্রাপ্তি স্থান দুই হাতের নাগালে। ঢাকার নিউ মার্কেট, বসুন্ধরা শপিং কপ্লেক্স, গুলিস্থান শপিং কপ্লেক্স্র সহ কয়েকটি অভিযাত স্থানে অবাদে বিক্র হচ্ছে এই ই-সিগারেট।  মাত্র ৭০০ থেকে ৮০০ টাকাতেই পাওয়া যাবে একটি ই- সিগারেট। যারা অনলাইনে ঘরে বসে সিগারেটটি কিনতে চান তারা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলের ওয়েব সাইট থেকে ঘুরে আসতে পারেন। ওদের ওয়েব সাইটে গিয়ে অর্ডার করলেই আপনার ঘরে সিগারেট পৌঁছে যাবে। অনলাইনে ই-সিগারেট কিনতে নিচের লিংক এ ক্লিক করুন। 

*ধূমপান* *সিগারেট* *ই-সিগারেট* *শপিং* *অনলাইনশপিং*

বাবুই: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অনেকদিন ধরেই সিগারেট ছাড়তে চাইছেন? অথচ কিছুতেই পেরে উঠছেন না তাই তো? বহুবার রেজলিউশন নিয়েছেন। কিন্তু এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই যেই কে সেই। সিগারেট ধরা যতটা সহজ, ছাড়া ঠিক ততটাই কঠিন। তবে যদি সত্যিই সিগারেট ছাড়তে চান, তাহলে আপনাকে সাহায্য করতে পারে এই খাবারগুলো।
১। দুধ- দুধের পুষ্টিগুণের কথা কারও অজানা নয়। শরীরের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ ও প্রোটিন জোগায় দুধ। তবে জানেন কি এই দুধ ধূমপান ছাড়াতেও কার্যকরী? ডিউক ইউনিভার্সিটির গবেষকরা জানাচ্ছেন ধূমপানের আগে এক গ্লাস দুধ খেলে সিগারেটের স্বাদ ভাল লাগবে না। দুধের পর সিগারেট খেলে মুখ তেতো হয়ে যাবে। ধূমপান ছাড়তে চাইলে সিগারেট খাওয়ার আগে দুধে ডুবিয়ে নিন। তিতকুটে স্বাদের চোটে খেতেই পারবেন না। সেই স্বাদ এক বার মনে থাকলে ধীরে ধীরে সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছা চলে যাবে।
২। গাজর- দুধের মতোই শশা, গাজর, বেগুন, সেলারি পাতা খেলেও সিগারেটের স্বাদ তেতো লাগে। চিকিত্সকরা বলেন ডায়েটে বেশি পরিমাণ শাক-সবজি থাকলে সিগারেটের উপর নির্ভরশরীলতা কমে। তবে ভূট্টা বা কড়াইশুঁটি জাতীয় মিষ্টি সবজি থেকে দূরে থাকুন। এই সব খাবারে থাকা গ্লুকোজ সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছা বাড়িয়ে দেয়।
৩। কমলালেবু- সিগারেট শরীর থেকে ভিটামিন সি শুষে নেয়। ফলে সিগারেটের নেশা বাড়ে। যদি ধূমপান ছাড়তে চান তবে নিয়মিত কমলালেবু, মোসাম্বি বা বেদানা জাতীয় ফল খান। রোজ ফলের রসও খেতে পারেন। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি। যা সিগারেটের নেশা কমাতে সাহায্য করবে।
৪। নোনতা খাবার- যখনই সিগারেট খেতে ইচ্ছা হবে তখনই নোনতা কিছু খেয়ে নিন। নোনতা চিপস, বিস্কিট বা জিভে সামান্য নুন লাগিয়ে নিলেও সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছা চলে যাবে। নেশা কমবে।
৫। আদা- সিগারেট খেতে ইচ্ছা হলে মুখে এক কুচি আদা রেখে চিবোতে থাকুন। অবিলম্বে সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছা চলে যাবে।
আপনি কি ধূমপান করেন? এগুলো কিন্তু মাথায় রাখবেন
৬। বাদাম- প্রতি দিন একমুঠো বাদাম খেলে শরীরে প্রোটিন, প্রয়োজনীয় খনিজের ঘাটতি মেটে। নিয়মিত খেলে ধীরে ধীরে সিগারেটের নেশা কেটে যায়।
৭। ইয়োগার্ট- দুধ খেতে ইচ্ছা না হলে ইয়োগার্ট খেতে পারেন। মনে রাখবেন দুগ্ধজাত খাবার কিন্তু সিগারেটের স্বাদ তেতো করে দেয়। নিয়মিত ইয়োগার্ট খাওয়া শরীরের জন্য যেমন উপকারী তেমনই সিগারেটের নেশা কাটাতেও কার্যকরী।
৮। সুগার ফ্রি গাম- সিগারেটের নেশা কাটাতে মুখে রাখুন সুগার ফ্রি গাম। এতে সিগারেটের নেশা চলে যাবে। তবে মিষ্টি চিউইং গাম কিন্তু নেশা বাড়িয়ে দেবে। তাই অবশ্যই সুগার ফ্রি চিউইং গাম চিবোতে থাকুন। 

*ধূমপান* *হেলথটিপস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একটা স্মার্টফোন থাকলে কত কিছুর সুবিধা পাওয়া যায়। যেমন ই-মেল দেখা থেকে শুরু করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া সব কিছুই যেন নিমেষে হয়ে যায়। কিন্তু আপনার যদি ধূমপানের অভ্যাস থাকে তবে? এই স্মার্ট ফোন দিয়ে কি ধূমপান করতে পারবেন? ভাবছেন স্মার্টফোন দিয়ে কি করে ধূমপান করা যায়? এবার এমনটাই হবে। স্মার্টফোনেই এবার সিগারেটের সুখটান। 

বাজারে আসছে নয়া এক স্মার্ট ফোন, এর নাম দ্য জুপিটার IO3, এটিই প্রথম স্মোকেবল স্মার্টফোন। যা দিয়ে আপনি ধূমপান করতে পারবেন। শুধু ধূমপান করা নয়। ওই ফোনই আপনাকে জানিয়ে দেবে কত পরিমাণ ধূমপান আপনি করতে পারবেন এবং আপনার শরীর কতটুকু ধোঁয়া নেওয়ার ক্ষমতা রাখে। ফোনটির উপরিভাগে রয়েছে একটি প্ল্যাস্টিকের কভার। এখানে আছে সুগন্ধি যুক্ত তরল কার্টিজ এবং মাউথপিস। এই মাউথপিস দিয়ে ধুমপান করা যাবে। এই মাউথপিসটি দেখতে অনেকটা ফোনের অ্যান্টেনার মত। ব্যাটারি থেকে শক্তিসংগ্রহ করে বাস্প তৈরি হয়। তারপর সেই বাস্প মাউথপিসের মধ্যে দিয়ে উপরে বের হতে থাকে। ফলে হুক্কার মত টানা যায় এটি দিয়ে।

নয়া এই স্মার্ট ফোনটি তৈরি করেছে আমেরিকার একটি সংস্থা। এতে রয়েছে  'Android KitKat 4.4' অপারেটিং সিস্টেম। দুটি ব্যাটারি একটি স্মার্টফোনের জন্য অপরটি ধূমপানের জন্যে। এই স্মার্টফোনে ৮০০ রকম ফ্লেভার আপনি টেস্ট করতে পারবেন।  
-সংকলিত
*ধূমপান* *স্মার্টফোন* *তথ্যপ্রযু্ক্তি*
ছবি

নিউজ ফ্ল্যাশ: ফটো পোস্ট করেছে

অধূমপায়ী প্রত্যয়নপত্র দিয়েই মেডিকেলে ভর্তি হতে হবে!

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, চিকিৎসা শিক্ষায় ভর্তি হতে আসা শিক্ষার্থীদেরকে অধূমপায়ীর প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে। চিকিৎসক হতে চাইবেন, এমন কেউ ধূমপান করেন, এটা কখনোই ভাবা যায় না। ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান মোহাম্মদ নাসিম। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তির ক্ষেত্রে ধূমপায়ীদেরকে অযোগ্য ঘোষণা করায় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমকে অভিনন্দন জানিয়েছে ধূমপানবিরোধী আন্দোলনকারী কয়েকটি সংগঠন।

*ধূমপান* *চটখবর* *মেডিকেলেভর্তি*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সিগারেটের মূল উপাদান নিকোটিন। নিকোটিন একটি আসক্তিকর রাসায়নিক। তাই ধূমপান ত্যাগ করা খুব কঠিন। নিকোটিন উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে যা নার্ভ  ও পেশিকোষ ব্লক করে দেয়৷ ফলে এরা সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না।

নিকোটিন হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। ধূমপান নিষিদ্ধ করা, স্বাস্থ্য সতর্কতা এবং বৈজ্ঞানিকভাবে ধূমপানের ক্ষতিকর দিকগুলো প্রমাণ হওয়ার পরও মানুষ বিশেষ করে পুরুষরা ধূমপান পছন্দ করে।
যারা ধূমপান করেন তাদের জন্য এমন কিছু খাবার আছে, যা খেলে শরীর থেকে নিকোটিন বের হয়ে যায়। জেনে নিতে পারেন সেই খাবার সম্পর্কে।

১। ব্রোকলি
ব্রোকলিতে উচ্চ মাত্রার ভিটামিন বি-৫ ও ভিটামিন সি থাকে। বি ভিটামিন শরীরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। ব্রোকলি খেলে মেটাবোলিজম বৃদ্ধি পায় এবং ফুসফুসকে টক্সিন থেকে রক্ষা করে। ব্রোকলিতে NRF2 জিন থাকে৷ যা ফুসফুসের কোষকে আক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

২। কমলা
কমলা বলশালী সাইট্রাস ফল, নিকোটিন ভিটামিন সি হ্রাস করে এবং চাপ বৃদ্ধি করে। কমলা খেলে ভিটামিন সি-এর স্তর পরিপূর্ণ হয় এবং স্ট্রেস ও উদ্বিগ্নতা কমে।

৩। পালংশাক
গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, ধূমপায়ীদের ফলিক অ্যাসিডের সরবরাহ কম থাকে। এই অ্যাসিড মাংসপেশি, স্নায়ু এবং ব্রেইন হেলথ ঠিক রাখার জন্য প্রয়োজন। সৌভাগ্যক্রমে পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে ফলিক অ্যাসিড থাকে।
পালংশাক ভিটামিনে ভরপুর এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান থাকে৷ যা সার্বিক স্বাস্থ্যের ভারসাম্য রক্ষা করে। অনেকেই হয়তো জানে না যে, পালং শাক খেলে স্মোকিংয়ের স্বাদ নষ্ট হয়! যদি  ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করতে চাইলে, পালং শাক খেতে হবে।

৪। গাজর
ধূমপান ছাড়ার জন্য গাজর অনেক উপকারি। গাজরের জুস খেলে কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় বেশি। প্রতি দিন এক কাপ গাজরের জুস পান করলে  শরীর ভিটামিন এ, বি, সি এবং কে দিয়ে পরিপূর্ণ হবে। যা  শরীর থেকে নিকোটিন বের করে দিতে সাহায্য করে।

৫। পানি
পৃথিবীর সবচেয়ে আন্ডাররেটেড তরল হচ্ছে খাবার পানি। নিকোটিনের দ্বারা শরীরের অভ্যন্তরের যে ক্ষতি হয় তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে পানি। জেনে আশ্চর্য হতে হয় যে, নিকোটিন শরীরকে জলশূন্য করে! প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ গ্লাস পান পান করলে শরীর রিহাইড্রেট হয় এবং মেটাবোলিজম বৃদ্ধি পায় যার ফলে শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য বের হয়ে যায়।
এছাড়াও আদা, লেবু, ডালিম, কিউই খেলে নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত থাকা যায়।

মনে রাখা দরকার, নিকোটিন ত্বকের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করা খুব সহজ নয়। মারাত্মক কোন স্বাস্থ্য সমস্যা না হলে, এটা ছাড়ার কথা চিন্তা করে না অনেকেই। খাদ্যাভ্যাসের সামান্য পরিবর্তনের মাধ্যমে এই বদ অভ্যাসটি ত্যাগ করা যেতে পারে। কার জন্য কোনটি কার্যকর তা খুঁজে বের করে ধূমপান ছাড়ার চেষ্টা শুরু করা যেতে পারে।
(সংকলিত)
*নিকোটিন* *ধূমপান* *হেলথটিপস* *স্বাস্থ্যতথ্য*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সিগারেট থেকে হওয়া ঠোঁটের কালো দাগ দূর করাটা একটা বড় সমস্যা! এর জন্য প্রথমত আপনার ধূমপান করা ত্যাগ করতে হবে। কিন্তু তাতেও সমস্যা সমাধান হয়না। অনেকের ঠোঁট বংশগত কারণেই কালচে হয়ে থাকে। তবে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি, ধূমপান, অ্যালার্জি, অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ, হরমন সমস্যা ইত্যাদি কারণেও ঠোঁটের রং কালচে হয়ে যায়। তাছাড়া নিয়ম করে যত্ন না নিলেও ঠোঁট কালো হয়ে যেতে পারে।

আসুন, জেনে নেওয়া যাক ঠোঁটের কালো দাগ দূর করতে যা করবেন।

১। একটি পাতলা লেবুর টুকরোর ওপরে খানিকটা চিনি ছিটিয়ে প্রতিদিন ঠোঁটে ঘষুন। চিনি ঠোঁটের মরা চামড়াগুলোকে পরিষ্কার করতে এবং লেবু সূর্যের ফলে কালো হয়ে যাওয়া ঠোঁটের চামড়াকে উজ্জল করতে সাহায্য করে।

২। মধুর সঙ্গে চিনি এবং কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে ১০ মিনিট ঠোঁটে ঘষুন।

৩। ঠোঁটকে উজ্জ্বল করতে ল্যাক্টিক অ্যাসিড খুব উপকারী। নিয়মিত দুধ খাবার সাথে সাথে খানিকটা দুধ তুলোয় করে ঠোঁটে ঘষে নিন। শুষ্ক চামড়াকে তুলে ফেলার মাধ্যমে দুধ ঠোঁটের কালো হওয়াকেও প্রতিরোধ করে।

৪। গোলাপের পাপড়িও ঠোঁটের গোলাপী ভাব আনতে সাহায্য করে। এজন্য গোলাপের পাপড়ি দুধের মধ্যে রেখে তাতে মধু ও গ্লিসারিন মিশিয়ে নিন। প্রলেপটি ১৫ মিনিট ঠোঁটে মাখুন। এরপর দুধ দিয়ে ঠোঁটকে মুছে নিন। প্রতিদিন এই প্রলেপটির ব্যবহার আপনার ঠোঁটকে করে তুলবে আকর্ষনীয়।

৫। লেবুর ভেতরের এসিড ঠোঁটের শুষ্ক চামড়াকে তুলে ফেলতে সাহায্য করে। তবে লেবুর রসের সাথে খানিকটা চিনি ও মধু মিশিয়ে ঘরে বসেই নিতে পারেন ঠোঁটের পুরোপুরি যত্ন। প্রলেপটি মাখার একঘন্টা পর ধুয়ে নিন।

৬। লেবুর রসের সাথে খানিকটা গ্লিসারিন মিশিয়ে ঠোঁটে মাখুন। কয়েকদিনেই আপনি পাবেন চমত্কার ফলাফল।

৭। বাদামের তেল, মধু ও চিনির মিশ্রন করুন। প্যাকটি আপনার ঠোঁটকে কেবল সুন্দরই করবে না, কোমলতাও বাড়াবে।

৮। ঘুমানোর আগে ঠোঁটে পালং পাতা ঘষে নিন। সাথে রাখতে পারেন জাফরানও। এই দুটি সহজলভ্য উপাদানের নিয়মিত ব্যবহার আপনার শুষ্ক ঠোঁটকে সারিয়ে তুলবে এক নিমিষেই।

৯। কমলালেবু খাবার সময় এর বীচিগুলোকে সংরক্ষণ করুন এবং নিয়মিত ঠোঁটকে এগুলোর দ্বারা পরিষ্কার করুন।

১০। প্রতিদিন টমেটো পেষ্ট করে ঠোঁটে মাখুন। আপনার ঠোঁট হবে উজ্জ্বল।

১১। শশার রসও ঠোঁটের কালো হওয়কে প্রতিরোধ করে। ফলাফল পেতে প্রতিদিন অন্তত ৫ মিনিট শসার রস ঠোঁটে ঘষুন।

মনে রাখবেনঃ
  ১. ধুমপান ঠোঁটের জন্যে ক্ষতিকর। তাই ধুমপান থেকে বিরত থাকুন।
  ২. রাতে ঘুমাতে যাবার আগে লিপস্টিক তুলে ফেলতে ভুলবেননা।
  ৩. জিহ্বা দিয়ে অবিরত ঠোঁট ভেজানো বন্ধ করুন। এতে সাময়িক আরাম মিললেও আসলে ঠোঁটের            সৌন্দর্য হানি হয়। বদলে ব্যবহার করুন লিপজেল।
  ৪. ফাস্টফুডের পরিবর্তে শাক-সব্জী খাওয়ার পরিমাণ বাড়ান।
  ৫. চা এবং কফির পরিবর্তে পানি খাবার পরিমাণ বাড়ান। প্রচুর পরিমাণে পানি আপনার ঠোঁটকে রাখতে পারে সুস্থ ও স্বাভাবিক সৌন্দর্যময়।
(সংকলিত) 
*ধূমপান* *ঠোঁটেরযত্ন* *ঠোটেরযত্ন* *কালদাগ* *দাগউঠানোরউপায়*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★