নতুন ভ্রমন

নতুনভ্রমন নিয়ে কি ভাবছো?

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর পার্বত্য জেলা বান্দরবানে রয়েছে অনেক গুলো দর্শনীয় স্থান। পাহাড়, ঝর্না, লেক ও প্রাকৃতিক বনভূমির যোগসূত্র বান্দরবান জেলার সৌন্দর্য্যকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিয়েছে। ভ্রমন পিপাসু বন্ধুরা আপনারা যারা বান্দরবান ঘুরতে যাবেন তাদের সাথে বান্দরবানের দর্শনীয় একটি স্থানের পরিচয় করিয়ে দেব যার নাম নাফাখুম (নাফাখুম ঝর্না)। বান্দরবন গিয়ে নাফাখুম ঝর্না না দেখে বাড়ি ফিরলে আপনার ভ্রমন অপূর্ণ রয়ে যাবে।

নাফাখুম ঝর্নার অবস্থানঃ

বান্দরবন জেলার একটি উপজেলা হচ্ছে থানচি। এই উপজেলার একটি এলাকার নাম রেমাক্রি। এটি একটি মারমা অধ্যুষিত এলাকা। বান্দরবান জেলার যে স্থানগুলোর কারণে এই জেলাটি পর্যটকদের পছন্দের শীর্ষে থাকা জেলাগুলোর তালিকায় স্থান করে নিয়েছে তার একটি হচ্ছে ‘নাফাখুম ঝর্না’ । আর এই রেমাক্রি গ্রামটিকে কেন্দ্র করেই এই নাফাখুম  ঝর্নাটি অবস্থিত।

রেমাক্রি থেকে প্রায় ২ থেকে ৩ ঘন্টার হাটা দূরত্বে এই ঝর্নাটি  অবস্থিত। রেমাক্রি খালের পানি প্রবাহ এই স্থানে এসে বাক খেয়ে প্রায় ৩০ ফুট নিচে পতিত হয়ে প্রকৃতির অপরূপ ছোয়ায় সৃষ্টি হয়ে অসাধারণ এই ঝর্নাটি।

নাফাখুম ঝর্না সম্পর্কে প্রচলিত গল্পঃ
ইতিহাস ও স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানা যায়, স্থানীয় মারমা ভাষায় ‘খুম; শব্দের অর্থ ঝর্না। এছাড়া রেমাক্রী নদীতে এক ধরনের মাছ পাওয়া যায়, যার নাম নাফা মাছ। এই মাছ সবসময় স্রোতের ঠিক বিপরীত দিকে চলে। বিপরীত দিকে চলতে চলতে মাছগুলো যখন লাফিয়ে ঝর্না পার হতে যায় ঠিক তখনই উপজাতীয়রা লাফিয়ে ওঠা মাছগুলোকে জাল বা কাপড় দিয়ে ধরে ফেলে। এ থেকে এই ঝর্নার নাম দেওয়া হয়েছে নাফাখুম ঝর্না।

নাফাখুম ঝর্নার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যঃ
উপরে খোলা আকাশে রৌদ্র-মেঘের লুকোচুরি আর নিচে খরস্রোতা নদীর ধেয়ে আসা ছল ছল শব্দ। সব মিলিয়ে এ যেনো স্রষ্টার এক অপরূপ সৃষ্টি। চারিদিকে পাহাড়-পর্বত, নদী ও পাথুরে খাল দেখে যে কারো মনে হতে পারে যেনো শিল্পীর আকা কোনো ছবি চোখের সামনে ভাসছে। বর্ষাকালে ঝর্না দিয়ে তীব্র গতিতে বড় হয়ে পানি নিচের দিকে পতিত হয় এবং গ্রীষ্মকালে তীব্রতা কমে যায় ও ঝরনার আকার ছোট হয়ে আসে। তবে যারা নাফাখুম ঝর্নার প্রকৃত সৌন্দর্য দেখতে চান তারা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসের মধ্যে ভ্রমণ করলে তা দেখতে পারবেন। এই সময় উপর থেকে আছড়ে পড়া পানির প্রচন্ড আঘাতে ঝর্নার চারপাশে অনেকটা স্থান জুড়ে সৃষ্টি হয় ঘন কুয়াশার সেই সাথে উপর থেকে নিচে পানি পতিত হওয়ার আওয়াজ তো রয়েছেই। বাতাসের সাথে উড়ে যাওয়া পানির বিন্দু পর্যটকদের দেহ মন সব আনন্দে ভিজিয়ে দেয়। যা কিনা মুহুর্তের মধ্যে যে কারো মন ভালো করতে সক্ষম। এই স্থানের কিছু কিছু পাহাড় বেশ উচু। দেখে মনে হবে সেই সেই পাহাড়গুলোর চুড়া মেঘের আবরণে ঢাকা পড়েছে। পাহাড়ের ঢালে মাঝে মাঝে রয়েছে টিনের ঘরবাড়ি। এই এলাকার নদীগুলোর গভীরতা খুব কম। কোনো কোনো স্থানে পানির নিচের মাটি দেখা যায়। তবে নদীগুলো সবসময় প্রচন্ড স্রোত থাকে। তাই পথ চলতে অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়।

কীভাবে যাবেন?
বান্দরবান শহর থেকে থানচি উপজেলা সদরের দূরত্ব ৮২ কিঃমিঃ। রিজার্ভ চাঁদের গাড়ীতে বান্দরবান থেকে থানচি যেতে সময় লাগবে ৩ ঘন্টা। বর্ষায় ইঞ্জিনবোটে থানচি থেকে তিন্দু যেতে সময় লাগবে আড়াই ঘন্টা। তিন্দু থেকে রেমাক্রি যেতে লাগবে আরও আড়াই ঘন্টা। এই পাঁচ ঘন্টার নৌ-পথে আপনি উজান ঠেলে উপরের দিকে উঠতে থাকবেন। শীতের সময় ইঞ্জিন বোট চলার মত নদীতে যথেষ্ট গভীরতা থাকেনা। তখন ঠ্যালা নৌকাই একমাত্র বাহন।

ভ্রমন প্রিয় বন্ধুরা, আপনারা যদি সত্যিকারের সৌন্দর্য্য পিপাসু  হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই নাফাখুম ঝর্না দেখে আসতে ভুল করবেন না। আর পাশাপাশি আপনার ভ্রমনের দুঃসাহসিক অভিযানের কথা আমাদের মাঝে শেয়ার করুন। 
*ভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড* *নতুনভ্রমন* *বান্দরবান* *নাফাখুমঝর্না* *ঘুরেএলাম* *ট্রাভেল*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অপার সম্ভাবনাময় প্রাকৃতিক সম্পদ আর নজরকাড়া সৌন্দর্যে ভরপুর রূপসী বাংলাদেশে রয়েছে হাজারও ভ্রমন স্পট। ভিন্নধর্মী সব বৈশিষ্ট্যের কারনে ভ্রমন পিপাসুদের কাছে সব ভ্রমন স্পটের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। ভ্রমন পিপাসুদের কাছে তেমনি গুরুত্বপূর্ণ একটি  ভ্রমন স্পট হচ্ছে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার ছোট্ট দ্বীপ, নিঝুম দ্বীপ। একে 'দ্বীপ' বলা হলেও এটি মূলত একটি 'চর'। নিঝুম দ্বীপের পূর্ব নাম ছিলো চর-ওসমান। নানা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য এ ভরপুর ও চিত্রা হরিণের আবাস্থল হিসেবে নিঝুম দ্বীপ বেশ জনপ্রিয়।

নিঝুম দ্বীপের যে সৌন্দর্য্য গুলো আপনার মন কেড়ে নিতে সক্ষম হবেঃ
নিঝুম দ্বীপে আছে একটি জাতীয় উদ্যান যেখানে রয়েছে অসংখ্য চিত্রা হরিণ। নিঝুম দ্বীপের মতো  অন্য কোন বনে কাছাকাছি থেকে এত বেশি চিত্রা হরিণ দেখা যায় না। শীতে নানান রকম অতিথি পাখি এই দ্বীপে বেড়াতে আসে। অতিথি পাখির বিচরণ ও চিত্রা হরিণের ছোটাছুটি সহজেই আপনার মন কেড়ে নিতে সক্ষম। শীতকালে নিঝুম দ্বীপের সৌন্দর্য্য বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। তাই ইচ্ছে থাকলে সঙ্গী নিয়ে, ঘুরে আসতে পারেন চিত্রা হরিণের দেশ থেকে। অবশ্য নিঝুম দ্বীপে পর্যটকদের থাকার ভালো ব্যবস্থাও আছে।

নিঝুম বনে আরও আছে উদ্বিড়াল, মেছো বাঘ, খেকশিয়াল ইত্যাদি। দ্বীপে পাখিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল— নিশি বক, কানিবক, গোবক, পানকৌড়ি, ধূসর বক, কাদাখোঁচা, বালিহাঁস, লালপা, নানান জাতের মাছরাঙ্গা ইত্যাদি। পৃথিবী বিপন্ন ইন্ডিয়ান ইস্কিমার বা দেশী গাঙচষার অন্যতম বিচরণস্থল এই দ্বীপ।

নিঝুম দ্বীপে বেড়ানোর মূল আকর্ষণ এখানকার বন। ভালোভাবে জঙ্গল দেখতে হলে ‘নামা’ বাজারের পাশের খাল ধরে নৌকায় চড়ে যেতে হবে চৌধুরীর খালে। এই খাল একেবারে জঙ্গলের ভেতরে চলে গেছে। বেশি হরিণ দেখতে হলে নৌকায় কিংবা বনের পাশে কোথাও নিজেদের আড়াল করে নীরবে অপেক্ষা করতে হবে। এছাড়া নিঝুম দ্বীপে আছে সমুদ্র সৈকত। জনমানবহীন এই সৈকতেও বেড়াতে পারেন। আর এখানকার অধিবাসীদের জীবনযাত্রা দেখতে ভুলবেন না।

কিভাবে নিঝুম দ্বীপে যাবেন জেনে নিনঃ
ঢাকা থেকে দুই উপায় নিঝুম দ্বীপ  যাওয়া যায়। তুলনামূলক আরামদায়ক ও সহজ পথ হল ঢাকার সদরঘাট থেকে লঞ্চে হাতিয়ার তমরুদ্দী।

সদরঘাট থেকে একটি করে লঞ্চ প্রতিদিন তমরুদ্দীর উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। ঢাকা থেকে বিকেল পাঁচটায় ছেড়ে তমুরুদ্দী পৌঁছাতে পরদিন সকাল হয়ে যায়। সেখান থেকে বন্দরটিলা ঘাট এ যেতে অটো রিকশা এ সময় লাগে । রিজার্ভ নিলে ভাড়া ৪শ’ থেকে ৫শ’ টাকা। যাওয়া যাবে তিন থেকে চারজন। সেখানে ট্রলারে চ্যানেল পার হলেই বন্দরটিলা। এরপর আবার নিঝুম দ্বীপের নামা বাজার যেতে হবে রিকশা কিংবা অটো রিকশায়। ভাড়া ৮০ থেকে দেড়শ টাকা। তারমানে সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে যাত্রা করে পরদিন দুপুরে পৌঁছানো যাবে নিঝুম দ্বীপে।

নিঝুম দ্বীপে যাওয়ার অন্য রাস্তা হল সড়ক পথ...
প্রথমে যেতে হবে নোয়াখালীর সোনাপুর। সেখান থেকে অটো রিকশা নিয়ে যেতে হবে চর জব্বার ঘাটে। এরপরে সি ট্রাক কিংবা ইঞ্জিন নৌকায় চড়ে যেতে হবে হাতিয়ার নলচিরা ঘাট। সেখান থেকে আবার বাস কিংবা অটো রিকশায় জাহাজমারা বাজার। জাহাজমারা বাজার থেকে আবার ইঞ্জিন নৌকায় যেতে হবে নিঝুম দ্বীপ। তবে ভ্রমণে গেলে ঢাকার সদরঘাট থেকে লঞ্চে যাওয়াই ভালো।

যা না খেয়ে ফিরবেন নাঃ
রসভরি পিঠা - রসে টইটুম্বুর থাকে বলেই এই পিঠার নাম রসভরি। এই পিঠা নোয়াখালীর একেবারেই নিজস্ব, ভাল হাতে তৈরী হলে এই পিঠা স্বাদে অতুলনীয় হয়ে ঊঠবে।

থাকবেন কোথায় আর খরচ কেমন হতে পারেঃ
নিঝুম দ্বীপে থাকার জন্য একমাত্র ভালো মানের জায়গা হল অবকাশ পর্যটনের নিঝুম রিসোর্ট। এখানে দুই শয্যার কক্ষ ভাড়া ১ হাজার ৫শ’ টাকা। তিন শয্যার কক্ষ ১ হাজার ৮শ’ টাকা। চার শয্যার কক্ষ ২ হাজার টাকা। ৫ শয্যার ডরমিটরির ভাড়া ১৮ হাজার টাকা। ১২ শয্যার ডরমিটরি ৩ হাজার টাকা।

বুকিং সুবিধা
ঢাকা থেকে এ রিসোর্টের বুকিং দেওয়া যায়। যোগাযোগ: অবকাশ পর্যটন লিমিটেড, শামসুদ্দিন ম্যানশন, ১০ম তলা, ১৭ নিউ ইস্কাটন, ঢাকা। ফোন: ০২-৮৩৫৮৪৮৫, ৯৩৪২৩৫১, ০১৫৫২৪২০৬০২।

নিঝুম দ্বীপে প্রচুর হরিণ দেখতে হলে ভ্রমণকালীন কিছু বিষয় মাথায়রাখা উচিত। যেমনঃ-
১.বনের ভেতরে চলতে হবে নিঃশব্দে। সামান্য হৈচৈ করলে এখানে হরিণের দেখা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
২.জঙ্গলে ট্রেকিংয়ের সময় যথা সম্ভব সবাই হালকা রংয়ের সুতি পোশাক পরবেন। বন্য প্রাণীদের দৃষ্টি খুব প্রখর। বেশে উজ্জ্বল রং এর পোশাকের কারণে দূর থেকে দেখে ফেলতে পারে।

বন্ধুরা, জানা হলো অনেক কিছু এবার তাহলে বেড়িয়ে আসার পালা। ঘুরে আসুন নিঝুম দ্বীপ থেকে আর চিত্রা হরিণের অরণ্য, নিঝুম দ্বীপ  ঘুরে কেমন লাগল তা আমাদের মাঝে শেয়ার করতে একদম ভুল করবেন না।


*ভ্রমন* *ঘুরেএলাম* *নিঝুমদ্বীপ* *বান্দরবান* *ভ্রমনগাইড* *নতুনভ্রমন* *ছুটিতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রাচীন প্রত্নতত্ত্ব ও নয়নাভিরাম সৌন্দর্য্য মন্ডিত কারুকার্যে ভরপুর ঐতিহাসিক স্থাপনাশৈলীর নিদর্শন সমৃদ্ধ পর্যটন স্থান রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা। প্রাচীন সব স্থাপনার কারনেই পুঠিয়ার সুনাম দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত হয়েছে। পুঠিয়াতে রয়েছে ঐতিহাসিক ৫টি স্থাপনা যা বাংলাদেশের অন্য কোথাও নেই! প্রাচীন করিগরদের নিপুন হাতে তৈরী প্রাচীন সব স্থাপত্যশৈলী দেখার জন্য দেশী বিদেশী শতশত পর্যটক পুঠিয়া উপজেলায় ভিড় করে। এতক্ষণে নিশ্চয় জানতে ইচ্ছে করছে কি কি রয়েছে পুঠিয়া উপজেলায়? আর কেনই বা শতশত পর্যটক পুঠিয়াতে ভিড় জমায়? বলবো সবি, তবে আপনি যদি সত্যিকারের ট্রাভেলার হয়ে থাকেন তাহলে রাজশাহীর পুঠিয়ার যে পাঁচটি জিনিস না দেখলে আপনার ভ্রমন বৃথা হতে পারে। তেমনই ৫টি স্থাপনা সাথে আজকে আপনাদের পরিচিত করিয়ে দেব।

পুঠিয়ার যে ৫টি স্থাপনা না দেখলেই নাঃ
পুঠিয়া নামক ছোট্ট উপজেলাটিতে দেখার মত অনেক কিছুই রয়েছে। ভ্রমন পিপাসুদের কাছে যা অনেক আনন্দেরও। চলুন জেনে নেই পুঠিয়ার সেই ৫টি জিনিস সম্পর্কে যা বাংলাদেশের অন্য কোথাও নেই!

১. শিব মন্দির
শিব মন্দির পুঠিয়ার অন্যতম ঐতিহ্য। এতো বড় প্রাচীন শিব মন্দির বাংলাদেশের আর অন্য কোথাও নেই। পরিসংখ্যান মতে এটিই এশিয়ার সবচেয়ে বড় শিব মন্দির।

ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের পুঠিয়া বাসস্টান্ড থেকে দেড় দুই কিলোমিটার সামনে রাস্তা ধরে দক্ষিণ দিকে  রিক্সা অথবা ভ্যান ধরে কিছুটা পথ সামনে গেলেই বিশাল একটা চুঁড়া জানান দিবে মন্দিরের অবস্থান। রাজবাড়ীর প্রবেশ পথে পুকুরের পাড়ে নিশ্চুপ দাড়িয়ে থাকা মন্দিরটির নাম শিব মন্দির। মহারাণী ভুবন মোহনী দেবী ১৮২৩ সালে এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন।  সিঁড়ি বেয়ে মন্দিরের দোতলায় উঠলেই দেখা যাবে এর চার পাশের বারান্দা এবং একটি মাত্র কক্ষ যা দুই স্তর বিশিষ্ঠ বারান্দাকে ঘিরে রেখেছে। মন্দিরের মূল কক্ষের অভ্যন্তরে রয়েছে কষ্ঠি পাথরের বিশাল এক শিব লিঙ্গ। সমগ্র মন্দিরের দেয়ালে পৌরাণিক কাহিনী চিত্র খচিত আছে। শিব মন্দিরের কোল ঘেঁষে লাগানো পূর্ব পাশে গোল গুম্বুজ আকৃতির আরেকটি ছোট মন্দির আছে।

২. দোল মন্দির বা হাজার দুয়ারী ঘর
দোল মন্দির বা হাজার দুয়ারী ঘর এটিও বাংলাদেশের আর অন্য কোথাও নেই। শিব মন্দির পেরিয়ে দক্ষিণ দিকে গেলেই চোখে পড়বে চার তলা বিশিষ্ঠ  মন্দিরটি যার নাম দোল মন্দির। চার পাশে প্রায় ১০০০ টি দরজা সম্বলিত এই মন্দিরটি স্থানীয় লোকজনের কাছে হাজার দুয়ারী ঘর নামে পরিচিত। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে রাণী হেমন্ত কুমারী দেবী এ মন্দিরটি নির্মাণ করেন।

৩. পুঠিয়া রাজবাড়ী
দোল মন্দিরের সামনে ঘাসে ঢাকা বিশাল মাঠের দক্ষিণ প্রান্তে দাড়িয়ে আছে পুঠিয়ার ঐতিহাসিক রাজবাড়ী। রাণী হেমন্ত কুমারী দেবী তাঁর শাশুড়ি মহারাণী শরৎসুন্দরী দেবীর সম্মানার্থে ১৮৯৫ সালে নির্মাণ করেন বিশাল আকৃতির বিখ্যাত এই রাজবাড়ী। পুঠিয়ার এই রাজবাড়ীটি বর্তমানে লস্করপুর মহাবিদ্যা নিকেতনের একাডেমিক ভবন হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। রাজবাড়ীর পূর্ব পাশে রাজরাণীর গোসল করার জন্য পুকুরের কোল ঘেঁসে তৈরী করা হয়েছিল সান বাঁধানো রাণী ঘাট যার অস্তিত্ব এখনো বিদ্যমান।

৪. গোবিন্দ মন্দির
পুঠিয়া রাজবাড়ীর ভেতরে পোড়ামাটির অলঙ্করণে সমৃদ্ধ একটি মন্দির আছে যার নাম গোবিন্দ মন্দির। বাংলাদেশের অন্য কোন জায়গায় রাজবাড়ীর মধ্যে এতো সুন্দর মন্দির আর নেই। বর্গাকারে নির্মিত এই মন্দিরটির চার পাশে চারটি বর্গাকার কক্ষ আছে। মন্দিরটি আড়াইশ বছরের পুরোনো বলে প্রচলিত থাকলেও এর চাকচিক্য দেখে ধারণা করা হয় এটি উনবিংশ শতাব্দীতেই তৈরী করা হয়েছিল।

৫. আহ্নিক মন্দির ও গোপাল মন্দির
গোবিন্দ মন্দিরের দক্ষিণ পাশে ছোট আরো একটি মন্দির রয়েছে। রাজবাড়ীর পশ্চিম পাশে দিঘি এবং তার পশ্চিম তীরেই রয়েছে কারুকার্য খঁচিত আকর্ষণীয় বড় আহ্নিক মন্দির। আহ্নিক মন্দিরের পাশে দক্ষিণমুখী অবস্থায় আরো একটি মন্দির দাঁড়িয়ে আছে যার নাম গোপাল মন্দির। জানা মতে, বাহারি কারুকার্য খঁচিত এতো দারুন আহ্নিক মন্দির কপি পেস্ট বাংলাদেশে আর একটিও নেই।

সুপারী ও নারকেল গাছঘেরা ঐতিহাসিক স্থাপত্য শৈলীর প্রাচীন এই নিদর্শন গুলো দেখার জন্য প্রতিদিন দেশ বিদেশের শত শত পর্যটক ভিড় জমান রাজশাহীর পুঠিয়ায়। আমি বেশ কয়েক বার পুঠিয়া রাজবাড়ীতে বেড়াতে গিয়েছি আমার খুব ভাল লেগেছে। তাই আপনাদেরকেও আমন্ত্রিত, আশাকরি আপনাদের ও খুব ভাল লাগবে। 


*ভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *পুঠিয়া* *রাজশাহী* *ঘুরেএলাম* *নতুনভ্রমন* *রাজবাড়ী* *ছুটিতেভ্রমন* *ট্রাভেল*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আকাশ ছোঁয়ার ইচ্ছে যাদের মনে তারা চাইলেই ঘুরে আসতে পারেন বাংলাদেশের দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কেওক্রাডং থেকে। সমতল থেকে কেওক্রাডং এর সর্বচ্চো চূড়াতে  পৌঁছালেই মনে হবে আকাশ আপনার কতটা নিকটে। মাঝে মাঝে আপনি মেঘের মাঝে হারিয়েও  যেতে পারেন। তবে শুষ্ক মৌসুমে মেঘের দেখা কম মিললেও বছরের অন্যান্য সময়টাতে ভ্রমনে গেলে মেঘের দেখা পাবেন-ই-পাবেন। তাই আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন যাদের আছে তারা দিনক্ষণ ঠিক করে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পড়েন।

সংক্ষেপে কেওক্রাডংঃ
কেওক্রাডং দেশের দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ। এর উচ্চতা প্রায় ৩২০০ ফুট। এটি বান্দরবান জেলার  রুমা উপজেলায় অবস্থিত। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সৌজন্যে রুমা সদর থেকে কেওক্রাডং  এর নিকটবর্তী বগালেক পর্যন্ত একটি রাস্তা নির্মিত হয়েছে। ফলে গাড়িতে চড়ে সহজেই বগালেক গিয়ে তারপর পায়ে হেটে এ পাহাড়ে যাওয়া যায়। তবে পাহাড়ে যেতে সময় লাগবে ৩ -৫ ঘন্টা।  এসময় দূর্গম পাহাড়ী দৃশ্য  ও অপার সৌন্দর্য্য ভ্রমন পিপাসুদের মন কাড়বেই।

যেভাবে যাবেনঃ
প্রথমে বান্দরবন থেকে রুমাবাজার যাবেন। রুমাবাজার থেকে গাইড নিতে পারেন অথবা আগে ভ্রমন করেছে এ রকম কাউকে পেয়ে গেলে তো ভালই হবে, তবে গাইড নিতে চাইলে গাইড চার্জ প্রতিদিন কমপক্ষে ৫০০ টাকা দিতে হবে। রুমাবাজার থেকে চান্দের গাড়িতে বগালেক। বগালেক থেকে পায়ে হেটে কেওক্রাডং যেতে হবে।

থাকবেন কোথায়ঃ
কেওক্রাডং পাহাড়ে থাকার তেমন কোন জায়গা নাই। তবে বর্তমানে ‍লালমুন থন বম কেওক্রাডং লিজ নিয়েছেন তার নিজস্ব হোটেল রয়েছে যেখানে আপনি ভাড়ায় থাকতে পারবেন। মূলত কেওক্রাডং এ গিয়ে স্বভাবতই কেউ রাত্রি যাপন করেন না। তবে যারা রাত্রি যাপনের উদ্দেশ্যে যায় তারা নিজস্ব ভাবে তাবু গেড়ে থাকেন।

ভ্রমন সর্তকতাঃ
১. আপনি যে ভাবেই যান না কেন, রুমা বাজার থেকে বাধ্যতামুলক ভাবে আর্মি ক্যাাম্পে রিপোর্ট করতে হবে। আর্মিদের ক্যাম্পে গাইডের নামসহ আপনাদের নাম-ঠিকানা লিপিবদ্ধ করতে হবে। রেজিস্টার্ড গাইড ছাড়া সামনে এগুনো নিষিদ্ধ।
২. ভাল গ্রিপের জুতা বা কেডস পড়ে গেলে ভাল। ঝিরি পথ পাড়ি দিতে চাইলে প্লাষ্টিকের গ্রিপওয়ালা স্যান্ডেল পড়তে হবে।
৩. বন্য জীবজন্তু বা পরিবেশের ক্ষতি করবেন না।
৪. পাহাড়িদের বিশেষ করে মেয়েদের বিনা অনুমতিতে ছবি নেবেন না।
৫. ঝিরি পথে হেটে যাবার জন্য সঙ্গে উপযুক্ত পরিমান খাবার নিয়ে নিতে হবে। কেননা পথে তেমন কোন হোটেল নেই। এটি দুগর্ম পথ।

ভ্রমনকালে সঙ্গে সুপেয় পানীয় জলের ব্যবস্থা রাখা জরুরি। এছাড়াও শীতকালে শীতবস্ত্র  আর ভ্রমনের প্রিয় সময়গুলো ফ্যামে বন্দি করতে অবশ্যই সাথে ক্যামেরা রাখতে ভুল করবেন না।

বন্ধুরা, জানা হল সব কিছু এবার তাহলে বেরিয়ে পড়ার পালা। বেরিয়ে পড়ুন কেওক্রাডং ভ্রমনে আর আপনাদের ভ্রমনের প্রিয় মুহুর্ত গুলোর কথা আমাদের সাথে শেয়ার করুন। জানান কেমন লাগল বাংলাদেশের দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কেওক্রাডং। 
*ভ্রমন* *বান্দরবান* *কেওক্রাডং* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড* *ঘুরেএলাম* *নতুনভ্রমন*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মন্দিরটির নাম হাটিকুমরুল নবরত্ন মন্দির। মন্দিরটি সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়ার হাটিকুমরুল ইউনিয়ানে অবস্থিত। প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী আর অপরূপ নকশার টেরাকোটায় সজ্জিত এই মন্দিরটি দেখার জন্য প্রতিদিন শতশত পর্যটক হাটিকুমরুলে ভিড় জমান। ধারণা করা হয় প্রায় পাঁচশ বছরের পুরানো প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হাটিকুমরুল নবরত্ন মন্দির। গঠন স্থাপত্যের দিক থেকে এই মন্দিরের সাথে কান্তজীর মন্দিরের অনেক মিল আছে। তবে কান্তজির মন্দিরের মতো এটি এতোটা পরিচিতি পায়নি। তবে ধ্বংশ হতে যাওয়া এই পুরাতন মন্দিরটি সংস্কার করা হয়েছে। নতুন ভাবে উপস্থাপনের জন্য এখনে পর্যন্ত ঢেলে সাজানোর কাজ চলছে তাই পুরাতনের মাজে নতুন কিছু খুঁজেপেতে চাইলে ঘুরে আসুন হাটিকুমরুল নবরত্ন মন্দির থেকে।

হাটিকুমরুল নবরত্ন মন্দিরঃ
একটি উঁচু বেদীর উপর নবরত্ন পরিকল্পনায় নির্মিত মন্দিরের প্রতিটি বাহু ১৫.৪ মিটার দীর্ঘ এবং বর্তমানে ১৩.২৫ মিটার উঁচু। ক্রমহ্রাসমান তিনতলা বিশিষ্ট এ মন্দিরটি স্থানীয়ভাবে ‘দোলমঞ্চ’ নামে পরিচিত। মন্দিরের উপরের রত্ন বা চূড়াগুলো অধিকাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। নীচতলায় ২টি বারান্দা বেষ্টিত একটি গর্ভগৃহ আছে। এর বারান্দার বাইরের দিকে ৭টি এবং ভিতরের দিকে ৫টি খিলান প্রবেশ পথ আছে। গর্ভগৃহের পূর্ব ও দক্ষিণ দিকে ২টি প্রবেশ পথ রয়েছে। মন্দিরের দ্বিতীয় তলায় বারান্দা নেই। নিচ তলা থেকে উপরের তলাতে ওঠার জন্য মন্দিরের ভেতর থেকে একটি চিকন সিঁড়ি দোতালায় উঠে গেছে।

মন্দিরটি ইট,চুন,সুরকির মসল্লা দিয়ে নির্মিত। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় নবরত্ন মন্দির। মূল অবস্থায় মন্দিরটি পোড়ামাটির চিত্রফলক দ্বারা সজ্জিত ছিল। এখনও মন্দির গাত্রে সামান্য কিছু চিত্রফলকের চিহ্ন পরিলক্ষিত হয়। মন্দিরটির ছাদ-প্রান্ত আংশিক বাঁকানো অবস্থায় আছে। এ মন্দিরে কোন শিলালিপি পাওয়া যায়নি। তবে কিছু পাঠজাত বিবরণ থেকে জানা যায় যে, নবাব মুর্শিদকুলি খানের শাসনামলে রামনাথ ভাদুড়ী নামে জনৈক তহসিলদার খ্রি.১৭০৪-১৭২৮ সালের মধ্যবর্তী সময়ে এটি নির্মাণ করেছিলেন।

মন্দিরের ভেতরে প্রবেশ করে ঘুরে ঘুরে দেখতে পারেন। এখানে কোন টিকেটের ব্যবস্থা নেই। মন্দিরের দেখাশোনার দায়িত্বে একজন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োজিত আছেন। চাইলে তার কাছে অনুমতি নিয়ে মন্দিরের দোতালায় উঠতে পারেন।

এই মন্দিরের আশেপাশে আরও দুটি ছোট মন্দির রয়েছে। যার একটি সংস্কার করে সুন্দর করে তোলা হয়েছে। মন্দিরটির গায়েও অনেক টেরাকোটার কারুকাজ দেখা যায়। মন্দিরটি অনেকটা ছোট কুঁড়ে ঘরের মত। এর ছাদও পোড়ামাটির তৈরি। মন্দিরটিতে প্রবেশ করার জন্য একটি ছোট দরজা রয়েছে।

যেভাবে যাবেন নবরত্ন মন্দিরেঃ
ঢাকা থেকে সরাসরি আপনাকে আসতে হবে সিরাজগঞ্জ রোডে। যমুনা সেতু পার হয়ে একটু সামনে সিরাজগঞ্জ রোড। ঢাকার গাবতলি ও মহাখালী থেকে অনেক বাস সিরাজগঞ্জ রোডের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল হানিফ, শ্যামলী, এস আর ট্রাভেলস, টি আর ট্রাভেলস, নাবিল, বাবলু ইত্যাদি বিভিন্ন বাস চলাচল করে এই রুটে। ভাড়া নন এসি ২৫০ টাকা। এছাড়া সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ার বাসে করেও আসতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনাকে নামতে হবে সিরাজগঞ্জ রোডে। সেখান থেকে সিএনজি চালিত অটোরিকশা অথবা ভ্যান বা রিক্সা ভাড়া করে যেতে হবে হাটিকুমরুল মন্দির। আর ব্যক্তিগত গাড়ি থাকলেতো কথাই নেই। ভ্রমণটা তাহলে আরো সহজ হয়ে যাবে। সিরাজগঞ্জ রোড থেকে হাটিকুমরুল মন্দিরের দূরত্ব ৫-৬ কিলোমিটার হবে। এর মধ্যে ১.৫ কিলোমিটার কাঁচা বা মাটির রাস্তা। মন্দিরটি ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের পাশে অবস্থিত। ট্রেনে আসতে চাইলে আপনাকে নামতে হবে উল্লাপাড়া স্টেশনে। সেখান থেকে সিএনজি চালিত অটোরিকশাতে সিরাজগঞ্জ রোড পর্যন্ত আসতে হবে। কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে সকাল ৮.৩০ মিনিটে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি উল্লাপাড়া স্টেশন হয়ে যায়।

জেনে নিন কোথায় থাকবেনঃ
সিরাজগঞ্জ রোডে থাকার মত ভাল হোটেল নেই। তাই থাকতে হলে আপনাকে যেতে হবে সিরাজগঞ্জ অথবা বগুড়াতে। যদি এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চান তাহলে বগুড়া হবে আপনার জন্য আদর্শ। ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়, ভাসু বিহার, মোহাম্মাদ আলী প্যালেস মিউজিয়াম, মহাস্থান জাদুঘর,গোবিন্দ ভিটা ইত্যাদির টানে আপনাকে বগুড়া আসতেই হবে। সিরাজগঞ্জ রোড থেকে বগুড়াতে যাবার জন্য বাস এবং সিএনজি দুটোই পাবেন। সময় লাগবে ১.৩০ মিনিট। থাকার জন্য বেছে নিতে পারেন বগুড়া শহরের হোটেলগুলি। সব ধরণের ও মানের থাকা-খাওয়ার জায়গা পাবেন এখানে। ২০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকায় রাত যাপনের ভাল ব্যবস্থা হয়ে যাবে। বেছে নিতে পারেন থ্রি স্টার হোটেল নাজ গার্ডেন, হোটেল সেফওয়ে, আকবরিয়া, সিয়াস্তা কিংবা পর্যটন মোটেল। খাবারের ব্যবস্থা আছে সবগুলিতেই।

বন্ধুরা, আপনারা যারা ভ্রমণ পছন্দ করেন, বেড়ানোর সুযোগ এলে যারা উড়িয়ে দেন সব বাধা, কাজের অংশ হিসেবে যারা ভ্রমণ করেন কিংবা যাদের খুব কমই সুযোগ হয় ভ্রমণের তারা সবাই লিখতে পারেন বেশতোতে। সবার সাথে শেয়ার করুন আপনার ভ্রমন অভিজ্ঞতা আর একটি কথা আপনার লেখার সাথে ভ্রমনপ্রিয় দর্শনীয় স্থানটির ছবি দিতে ভুল করবেন না।
*ভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *সিরাজগঞ্জ* *মন্দির* *ভ্রমনগাইড* *নতুনভ্রমন*

সৌ র ভী: সামনের বত্সর দুইটি দেশে *নতুনভ্রমন* হবে ইনশাল্লাহ | ফেব্রুয়ারী মাসে থাইল্যান্ড, মার্চ মাসে মালয়েশিয়া (খুশীতেআউলা).. পরপর দুই মাসে না হলেও কাছাকাছি সময়েই হবে আশা রাখছি ...(লালালা)

আড়াল থেকেই বলছি: *নতুনভ্রমন* এর জন্য যারা এখনো *নীলগিরি* *নীলাচল* *চিম্বুকপাহাড়* যাননি তারা সামনে শীতের ছুটিতে এই সব জায়গা থেকে ঘুরে আসতে পারেন I নীলগিরিতে কালো মেঘের হাতছানি, নীলাচলে পাহাড়ি ফলের সমাহার এবং চিম্বুকে *জুমচাষ* এর জন্য মন ভুলানো দৃশ্য I

*নতুনভ্রমন* *নীলগিরি* *নীলাচল* *চিম্বুকপাহাড়* *জুমচাষ* *ভ্রমনগাইড* *ঘুরেএলাম*

আড়াল থেকেই বলছি: *নতুনভ্রমন* *নতুনভ্রমন* নতুন স্থান ভ্রমন করার জন্য বেছে নিতে পারেন চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া থানার অন্তর্গত টংকাবতী পর্যটন এলাকা I যেখানে আছে চোখ জুড়ানো হাজার প্রজাতির *ফলজ* এবং *বনজ* গাছের সমহার,বিশাল বিশাল মাছের ঘের, সুন্দর সুন্দর বেষ্টনী I

৪/৫

বেশতো Buzz: [গুল্লু-তোমারজন্য] এ সপ্তাহের নতুন কিছু স্টারড ওয়ার্ড শুধুমাত্র ইউজারদের জন্য *নতুনভ্রমন* *ভ্রমনগাইড* *নতুনটেকনোলজি* *টেকনোটিপস* *নতুনফ্যাশন* *ফ্যাশনটিপস* এই স্টারডওয়ার্ড গুলোতে ইউজারদের পারফরমেন্সের উপর ভিত্তি করে কিছু ইউজার নির্বাচন করা হবে, যাদের মধ্যে থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানকারীর জন্য থাকবে বিশেষ উপহার (তালি) এখন শুধু অপেক্ষার পালা

*নতুনভ্রমন* *ভ্রমনগাইড* *নতুনটেকনোলজি* *টেকনোটিপস* *নতুনফ্যাশন* *ফ্যাশনটিপস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★