নববর্ষ

নববর্ষ নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: [বসন্ত-শুভেচ্ছা] নিশি অবসান প্রায় ঐ পুরাতন বর্ষ হয় গত, আমি আজ ধুলিতলে জীর্ণ জীবন করিলাম নত l বন্ধু হও শত্রু হও যেখানে যে রও ক্ষমা করো আজিকার মত পুরাতন বর্ষের সাথে পুরাতন অপরাধ যত শুভ হোক সকলের নববর্ষ ll

*শুভনববর্ষ* *নববর্ষ* *পহেলাবৈশাখ*
ছবি

দীপ্তি: ফটো পোস্ট করেছে

নববর্ষের উপহার

শৈশবে খেলার সাথি খুঁজে পাওয়ার আগেই হয়তো পুতুলের সঙ্গে ভাব হয়। বেড়ে ওঠাও যেন পুতুল সঙ্গে নিয়েই। পুতুল সাজানো, পুতুলের ঘর বানানো, পুতুলের জন্য কত্ত কিছু! পুতুল খেলার দিনগুলো একসময় হারিয়ে যায়। কিন্তু কেউ কেউ কখনোই সেই দিনগুলো ভুলতে পারেন না। আবার কেউ অনেক বড় হয়েও পুতুলের জন্য ভালোবাসা জমিয়ে রাখেন। আমি সেই রকমই একজন মানুষ, যার পুতুল খেলার দিন যেন এখনো পেরোয়নি। আর মাটির পুতুলে গ্রামীন আবহমানতা, মাটি সোদা গন্ধ আমাকে অনেক বেশি মুগ্ধ করে তোলে। (চরকি) (ঘোড়া) (ঘুড়ি) (হাড়ি-১) ছোট এক ভাইয়ের দেয়া উপহারগুলোতে আমি দারুন অভিভূত (খুকখুকহাসি)

*নববর্ষ* *উপহার*

সো হা গ: শুভ নববর্ষ ১৪২৩ :D (ঘুরোঘুরির এক ফাকে ধানমণ্ডি রবীন্দ্র সরোবরে তোলা ছবি)

*নববর্ষ*

একজন 'র': কথা হল কি! যদ্দুর জানি তাতে তো বাংলা বছরের প্রথম দিন আবিষ্কার করা হয়েছিল কর আদায় করার জন্যে। কর আদায়ের দিন কিভাবে *শুভ* দিনে পরিণত হইল এইটাই এই নাদান বান্দার কপোট্রনে ক্যাচ করছে না (ব্যাপকটেনশনেআসি৩)

*নববর্ষ* *বৈশাখ* *শুভ*

জি.এম. আব্দুল্লাহ পন্নি: [বৈশাখ-আলপনা]শুভ নববর্ষ-১৪২৩

*নববর্ষ*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজ ৩০ চৈত্র ১৪২২। বাংলা সনের শেষদিন। শেষদিন ঋতুরাজ বসন্তেরও। আজ চৈত্র সংক্রান্তি। বাংলা বছরের শেষ দিনে ‘(হাড়ি-১) (হাতি) (কুলা) (লাটিম) (মাছ) (মুখোশ-১) (মুখোশ-২) (মুখোশ-৩) (মুখোশ-৪) (পাখা) (পুতুল)

মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা’।

ক্রান্তি মানে কিনারা। সংক্রান্তি মানে এক ক্রান্তি বা এক কিনারা থেকে আরেক কিনারায় যাওয়া। অর্থাৎ ক্রান্তির সঞ্চার বা সাঁতার। মহাকালের অনাদি ও অশেষের মাঝে ঋতুর বদল করতে করতে সূর্য এবং আরও অনেক গ্রহ-উপগ্রহ-গ্রহাণু ও উল্কার সাঁতরে চলা। চক্রের মতো, চরকার মতো সূর্য সাঁতরে চলে। ঋতুরা ফিরে ফিরে আসে। ঘুরে ঘুরে ফিরে আসে সময়, দিন, সপ্তাহ, মাস, বছর। এখানে নতুনও নেই, পুরাতনও নেই। আছে সংক্রান্তি। অর্থাৎ এক কিনারা থেকে আরেক কিনারায় যাওয়ার ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। (হাড়ি-১) (হাতি) (কুলা) (লাটিম) (মাছ) (মুখোশ-১) (মুখোশ-২) (মুখোশ-৩) (মুখোশ-৪) (পাখা) (পুতুল)

বাংলা বছরের হিসাব চলে সূর্যের সঙ্গে তাল মিলিয়ে। তাই সৌরবছর আমাদের। এখানে সময়ের শেষ বা শুরু বলে কিছু নেই। বারো মাসে বছর। বছরের শেষ মাস চৈত্র। চৈত্রের শেষ দিনটার ‘সংক্রান্তি’ হয় আগামী বছরের সঙ্গে। উপমহাদেশের সনাতন প্রথা অনুসারী মানুষরা এই দিনটিকে খুবই পূণ্যের দিন বলে মনে করে। সনাতন পঞ্জিকা মতে দিনটিকে গণ্য করা হয় মহাবিষুব সংক্রান্তি। (হাড়ি-১) (হাতি) (কুলা) (লাটিম) (মাছ) (মুখোশ-১) (মুখোশ-২) (মুখোশ-৩) (মুখোশ-৪) (পাখা) (পুতুল)

লৌকিক আচার অনুযায়ী, এ দিনে ব্যবসায়ী সম্প্রদায় বিশেষ করে বিদায় উত্সব পালন করে। দোকানপাট ধুয়ে-মুছে বিগত বছরের সব জঞ্জাল-অশুচি দূর করে পহেলা বৈশাখের দিন খোলা হবে ব্যবসায়িক হিসাব-নিকাষের নতুন খাতা। সে উত্সবের লোকায়ত নাম ‘হালখাতা’। ওই উত্সবে ধূপ-ধুনোর সুগন্ধি ভারী করে রাখে দোকানঘর ও বিপণিবিতানের পরিবেশ। তদুপরি অভ্যাগত এলেই গোলাপ-পানি ছিটিয়ে করা হয় অভ্যর্থনা। সারা বছরের খরিদ্দারদের কাছে বকেয়া টাকা তুলতে বছরের এই দিনকে অন্তর্ভুক্ত করে নেয়ার রেওয়াজ কতশত বছরের তা রীতিমতো গবেষণার বিষয়। (হাড়ি-১) (হাতি) (কুলা) (লাটিম) (মাছ) (মুখোশ-১) (মুখোশ-২) (মুখোশ-৩) (মুখোশ-৪) (পাখা) (পুতুল)

এছাড়াও চৈত্রসংক্রান্তি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বসেছে মেলা। বাংলাপিডিয়া সূত্রে জানা গেছে, অতীতে চৈত্রসংক্রান্তি মেলা উপলক্ষে গ্রামাঞ্চলের গৃহস্থরা নাতি-নাতনিসহ মেয়েজামাইকে সমাদর করে বাড়ি নিয়ে আসত। গৃহস্থরা সবাইকে নতুন জামাকাপড় দিত এবং উন্নতমানের খাওয়া-দাওয়ারও আয়োজন করত। মেলার কয়েকদিন এভাবে তারা সবাই মিলে আনন্দ উপভোগ করত। বর্তমানে শহুরে সভ্যতার ছোঁয়া লাগায় আবহমান গ্রামবাংলার সেই আনন্দমুখর পরিবেশ আর আগের মতো নেই। তবে এখন শহরাঞ্চলের নগর সংস্কৃতির আমেজে চৈত্রসংক্রান্তি উত্সব বা মেলা বসে, যা এক সর্বজনীন মিলনমেলায় পরিণত হয়।নানা আয়োজনে আজ যখন চৈত্রসংক্রান্তির পার্বণ, তখন একই সঙ্গে দুয়ারে কড়া নাড়ছে বাঙালির সবচেয়ে বড় অসাম্প্রদায়িক উত্সব পহেলা বৈশাখ। (হাড়ি-১) (হাতি) (কুলা) (লাটিম) (মাছ) (মুখোশ-১) (মুখোশ-২) (মুখোশ-৩) (মুখোশ-৪) (পাখা) (পুতুল)

আজ রাত পোহালেই কাল নতুন দিন। শুধু নতুন দিনই নয়, একই সঙ্গে নতুন বছরও। নতুন বছর ১৪২৩-কে স্বাগত জানাতে পুরো বাংলাদেশ এখন উন্মুখ। পুরো দেশ যেন এখন পরিণত হয়েছে এক উত্সবমুখর দেশে। সেই সংস্কৃতি এখন মূলত বছরের প্রথম দিনটিকে ঘিরেই। এরপরও বাংলা সনের শেষ দিনটিতে আজ চৈত্র সংক্রান্তির মেলা ও নানা পর্ব গ্রামবাংলায় যে একেবারেই হচ্ছে না তাও নয়। চৈত্র সংক্রান্তির আনুষ্ঠানিকতার মধ্যদিয়েই মূলত বর্ষবরণের উত্তাপ ছড়ায়। (হাড়ি-১) (হাতি) (কুলা) (লাটিম) (মাছ) (মুখোশ-১) (মুখোশ-২) (মুখোশ-৩) (মুখোশ-৪) (পাখা) (পুতুল)

চৈত্র সংক্রান্তিতে ১৪২৩-কে স্বাগত জানাতে এখন উন্মুখ বাঙালি। বৈশাখকে বরণ করার জন্য চলছে সাজগোজ আর ধোয়ামোছা। চৈত্র সংক্রান্তি ও পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বসছে বৈশাখীমেলা। লাল মলাটের হালখাতা নিয়ে নতুন বছরের অপেক্ষায় ব্যবসায়ীরা। বাংলা নববর্ষকে বরণের জন্য রাজধানী ঢাকার অন্যতম প্রধান আয়োজন ছায়ানটের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। রমনা বটমূলে শেষ হয়েছে মঞ্চ নির্মাণ। শুরু হয়েছে মঞ্চ সাজানো l (হাড়ি-১) (হাতি) (কুলা) (লাটিম) (মাছ) (মুখোশ-১) (মুখোশ-২) (মুখোশ-৩) (মুখোশ-৪) (পাখা) (পুতুল)

আমাদের লোকজ সংস্কৃতির যা কিছু সত্য, সুন্দর, শুভ ও শুচি তা টিকে থাকুক অনন্তকাল-এই হোক চৈত্র সংক্রান্তির প্রার্থনা। জয়তু চৈত্র সংক্রান্তি-১৪২২। জয়তু পহেলা বৈশাখ, জয়তু নববর্ষ ১৪২৩ (হাড়ি-১) (হাতি) (কুলা) (লাটিম) (মাছ) (মুখোশ-১) (মুখোশ-২) (মুখোশ-৩) (মুখোশ-৪) (পাখা) (পুতুল)

*চৈত্রসংক্রান্তি* *নববর্ষ*

পূজা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পয়লা বৈশাখে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশই মেতে উঠবে উৎসবে। নতুন বাংলা বছর ১৪২৩ আসবে নানা আয়োজনে। রমনার বটমূলে সূর্যোদয়ের সময়টাতে ছায়ানট বরণ করে নেবে নতুন বছরকে। পয়লা বৈশাখে ঢাকার নানা জায়গায় থাকবে নানা মেলা, বিভিন্ন আয়োজন—সব মিলিয়েই হবে নববর্ষ উদ্যাপন। সে রকম কিছু আয়োজনের খোঁজখবর থাকছে এখানে।

রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ উৎসব শুরু হবে সূর্যোদয়ের সময় থেকে। ছায়ানটের শিল্পীদের পরিবেশনায় থাকবে দলীয় গান, একক গান ও আবৃত্তি। সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গাওয়ার মাধ্যমে শেষ হবে এ আয়োজন। সকাল আটটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে বের হবে মঙ্গল শোভাযাত্রা। বাঙালি সংস্কৃতির নানা উপকরণে সজ্জিত শোভাযাত্রাটি রূপসী বাংলা হোটেল হয়ে চারুকলার সামনে এসে শেষ হবে। ঢাকা শিশুপার্কের প্রধান ফটকের সামনে সকাল থেকেই চলবে ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠীর অনুষ্ঠান।

ধানমন্ডির রবীন্দ্রসরোবরে আয়োজন করা হয়েছে নানা রকম অনুষ্ঠানের। সকাল ছয়টায় শুরু হয়ে বেলা ১১টা পর্যন্ত চলবে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান। এতে থাকবে নাচ, গান ও আবৃত্তি। সন্ধ্যা সাতটা থেকে শুরু হবে আরেক দফা সংগীতানুষ্ঠান, চলবে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত। নববর্ষের দিন সকালে বাংলা একাডেমির নজরুল মঞ্চে থাকবে আলোচনা সভা, গান ও আবৃত্তি। একাডেমি প্রাঙ্গণে আরও থাকবে কারুপণ্য প্রদর্শনী এবং বইয়ের আড়ং। 
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর খোলা মাঠে ৩০ চৈত্র বর্ষবিদায় এবং পয়লা বৈশাখ বর্ষবরণ অনুষ্ঠান হবে। থাকবে সমবেত সংগীত, একক সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি, বাউলগান ইত্যাদি।

কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের মাঠে আয়োজন করা হবে বৈশাখী মেলার। ১২ এপ্রিল শুরু হয়ে মেলা শেষ হবে ১৪ এপ্রিল পয়লা বৈশাখের দিন। মেলায় লোকজ পণ্যের বিকিকিনির পাশাপাশি থাকবে পালাগান, বাউলগান, সাপ খেলা, বানর খেলা ও বায়োস্কোপ প্রদর্শনী। এ ছাড়া সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের লোকজ সংগীতের আসরসহ শহরজুড়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নানা রকম অনুষ্ঠান থাকছে দিনের বিভিন্ন সময়ে।

তথ্যসূত্র: ছায়ানট, কলাবাগান ক্রীড়া চক্র, ধানমন্ডি ক্লাব, ইন্টারনেট, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী, বাংলা একাডেমি

*বৈশাখীআয়োজন* *বৈশাখীমেলা* *পহেলাবৈশাখ* *পয়লাবৈশাখ* *নববর্ষ*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 পহেলা বৈশাখে হালখাতা করার প্রচলন কবে থেকে শুরু হয়েছিল?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

*হালখাতা* *পহেলাবৈশাখ* *নববর্ষ*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আসি আসি করে দরজায় কড়া নাড়ছে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। আর এই বৈশাখকে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে আমাদের তরুণ তরুণীরা। নিচ্ছে হাজারো প্রস্তুতি। আর তাদের সাজগোজে পোশাকে প্রাধান্য পাচ্ছে লাল-সাদা। আর এজন্য শপিংমল থেকে শুরু করে মাঠে-ঘাটে সব জায়গায় রয়েছে কেনাকাটার ভিড়। আর কেনাকাটাতো করতেই হবে কারণ সামনেই যে পহেলা বৈশাখ বা নববর্ষ।
 
 
কিনতে ক্লিক করুন। নতুন বছর মানেই রঙের উৎসব, আলোর উৎসব, আনন্দের উৎসব। আর সর্বোপরি বাঙালিয়ানা উদ্যাপনের উৎসব। পয়লা বৈশাখে ছেলেরা পাঞ্জাবি, পায়জামা, ফতুয়া, কুর্তা, টি-শার্ট, ধুতি, ব্যাপারি শার্ট বা কুর্তা পরেন। এবারও পোশাকে লাল-সাদা রং প্রাধান্য পাবে। গোল গলার পাশাপাশি হাইনেক বা বেন্ড কলার, হাতার ক্ষেত্রে হাফ ও ফুল হাতার পাশাপাশি থ্রি কোয়ার্টার হাতা, কাটিংয়ের ক্ষেত্রে বডি ফিটিং, আঙরাখা কাট, জমিদারি কাট দেখা যাবে। অনুষঙ্গ হিসেবে বাহারি উত্তরীয় ও হালকা গয়নার ব্যবহার থাকবে। পাঞ্জাবির সঙ্গে জিনেসর প্যান্ট কমই দেখা যাবে। বরং চুড়িদার বা ধুতি কাট পায়জামাই বেশি পরবেন তরুণেরা। 
 
 
কিনতে ক্লিক করুন। উজ্জ্বল রং অথচ কাজটা খুব সাধারণ, এমন পাঞ্জাবিই তরুণদের পছন্দ। আর আরামদায়ক তো হতেই হবে। তাই সুতি কাপড়ই তাঁদের প্রথম পছন্দ। এ ছাড়া এবার অরবিন্দ কাপড়ও বেশ ব্যবহূত হচ্ছে। খাটো পাঞ্জাবির প্রতি তরুণদের ঝোঁক বেশি। তা আবার বেশ ফিটিং হতে হবে। তবে অনেকে গরমের কারণে ঢিলেঢালা পাঞ্জাবিও পরবেন। পাঞ্জাবির ঝুল যেমনই হোক, কলারটা এবার বেশ বাহারি হবে। পাঞ্জাবির সামনের অংশ জুড়ে বড় কারুকাজও চোখে পড়বে। সাথে অনুসঙ্গ হিসেবে ব্রেসলেট, রিস্টবেল্ট তো আছেই l ছেলেদের সাজসজ্জার প্রথম কথাই হচ্ছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। ছেলেরা ফতুয়া, পাঞ্জাবি, টি-শার্ট যাই পরুন না কেন, তার আগে ট্যালকম পাউডার ও সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিন পুরো শরীরে। ব্যবহার করুন ডিওডোরেন্ট। দিনটিতে প্রচন্ড গরম থাকে তাই সিনথেটিক কাপড় ব্যবহার করা ঠিক না। প্রচুর পানি ও ফলের রস বা শরবত পান করুন। সম্ভব হলে মুখে বারবার পানির ঝাঁপটা দিন। সঙ্গে অবশ্যই সানগ্লাস রাখুন।
 
*ছেলেদেরসাজ* *পহেলাবৈশাখ* *নববর্ষ*

AjkerDeal.com: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আর কিছুদিন পর বাঙালির দুয়ারে আসছে ঐতিহ্যবাহী সেই দিন—পহেলা বৈশাখ। যেদিন সবাই উত্সুক হয়ে থাকবে সকালে পান্তা ইলিশ খেয়ে বৈশাখের পোশাক পরে রমনার বটমূলে প্রাণ খুলে গাইতে 'এসো হে বৈশাখ, এসো এসো'। আর বৈশাখকে উপলক্ষ করে বাজারে আসতে শুরু করেছে বৈশাখী ডিজাইনের রকমারি পোশাক। সেই সাথে পাওয়া যাচ্ছে ছেলেদের বৈশাখের পাঞ্জাবি। আর তারই খোঁজখবর রইল এবার। 
 
 
কিনতে ক্লিক করুন ছবিতে l  বৈশাখ শুধু আমাদের কাছে নতুন বছরের শুরুই নয়, বৈশাখ মানে জীবনের নতুন স্পন্দন। আর হালে এতে যোগ হয়েছে নতুন পোশাক পরার রেওয়াজ। ছেলেদের বৈশাখের পাঞ্জাবির এবারের কালেকশনে রয়েছে লম্বা বা মাঝারি দৈর্ঘ্যের পাশাপাশি জিন্সের সঙ্গে পরার উপযোগী শর্ট পাঞ্জাবিও। বরাবরের মতো এবারও বৈশাখের কালেকশনে শিশুদের জন্যও আছে ভিন্নধর্মী ডিজাইন ও বাহারি রঙের বৈশাখী পাঞ্জাবি। 
 
 
 
কিনতে ক্লিক করুন ছবিতে l  পয়লা বৈশাখের সকালবেলা চারুকলা বা বিশ্ববিদ্যাল্যয় এলাকায় যাওয়া, সন্ধ্যায় নানা নিমন্ত্রণ তো হয়ই। এদিন ছেলেদের পছন্দের পোশাক বলতে পাঞ্জাবিই আছে। তবে সকালে যেমন হালকা ও আরামদায়ক, তেমনি রাতের বেলা একটু ভারী কাজের জমকালো পাঞ্জাবি পরা ভালো। বৈশাখ মানেই পোশাকে লাল-সাদার ছড়াছড়ি। এর বাইরেও অনেকে একটু ভিন্নধর্মী কিছু চায়। উৎসবের এই সময়ে গরমের তীব্রতা থাকে। আর তাই পাঞ্জাবিতে সুতির পাশাপাশি হালকা কাপড় ব্যবহার করেছে ফ্যাশন হাউসগুলো। খাটো, লম্বা ও টিউন ফিট—এই তিন ধরনের পাঞ্জাবি পাওয়া যাচ্ছে অনলাইন শপ আজকের ডিলে।  তবে বিকেলে বা সন্ধ্যায় দাওয়াতে যেতে উজ্জ্বল রঙের লম্বা পাঞ্জাবিগুলো প্রাধান্য পাচ্ছে। এখানে পাঞ্জাবিতে চলছে ৯৯ অফার l কিছু পাঞ্জাবির সাথে আবার দিচ্ছে ফ্রি ব্রেসলেট l 
 
 
কিনতে ক্লিক করুন ছবিতে l  এবার শর্ট এবং লং দুই ধরনের পাঞ্জাবিরই চল চোখে পড়ছে। যার যেমন পছন্দ বাছাই করে নিতে পারেন। পরতে পারেন জিন্স অথবা পায়জামার সঙ্গে। আর পায়ে পরুন স্লিপার অথবা নাগরা ডিজাইনের জুতা; যা আপনাকে স্বাচ্ছন্দ্যের পাশাপাশি আধুনিক লুকও এনে দেবে। যারা ফিটিংস নিয়ে ভয় পাচ্ছেন, তাঁরা চাইলে পাঞ্জাবি কিনে অল্টার করে নিতে পারেন আপনার মাপ অনুযায়ী, দর্জির দোকান থেকেই। এ ক্ষেত্রে গজকাপড় কিনে দর্জির কাছে নিজের পছন্দের ডিজাইন অনুযায়ী বানিয়ে নিন। এতে খরচটাও থাকবে আপনার হাতের নাগালে। আজকের ডিলে কিনতে ক্লিক করুন।
*বৈশাখীপাঞ্জাবি* *৯৯অফার* *পহেলাবৈশাখ* *নববর্ষ* *পাঞ্জাবি*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নববর্ষকে স্বাগত জানাতে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিল আয়োজন করেছে নবর্ষের পোশাকের একটি বিশেষ কালেকশন, স্বাগত ১৪২৩ নাম। আজকের ডিলে অর্ডার করে এই কালেকশনের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে।
 
 
প্রধানত সুতি কাপড়ে তৈরি এ কালেকশনে রং হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে সাদা ও লাল। নানা ব্র্যান্ডের উইভিং ডিজাইনে লাল-সবুজে শাড়ি, টাই অ্যান্ড ডাই শাড়ি, সালোয়ার কামিজ, ফতুয়া ও টপস, পাঞ্জাবি, টি-শার্ট, স্কার্ফ এর একটি সমৃদ্ধ আয়োজন করা হয়েছে। এ আয়োজনে শিশুদের জন্যও পোশাক থাকছে ।
 
 
ছেলে ও মেয়েদের ফতুয়ার দাম ৮৫০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা, পাঞ্জাবি ৭০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা, সালোয়ার কামিজ ১৮০০ টাকা থেকে ২৫০০ টাকা, বিভিন্ন ধরনের শাড়ি ১০০০ টাকা থেকে ১৮০০ টাকা, টি-শার্ট ২২৫ টাকা থেকে ২৭৫ টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া শিশুদের জন্য ফতুয়া, টপস ও টি-শার্ট রয়েছে। যার মূল্য ৩৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা।
 
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই অনলাইনে অর্ডার করে ঘরে বসেই পেয়ে যেতে পারেন পহেলা বৈশাখের  জন্য আপনার পছন্দের পোশাকটি l নতুন বছরে বৈশাখী সাজে লাল সাদায় হয়ে উঠুন অনন্য ও অনন্যা l 
 
এই আয়োজন দেখে নেওয়া যাবে www.ajkerdeal.com ওয়েব সাইটে এবং Facebook (www.facebook.com/ajkercrazydeal)-এ। তাছাড়াও কনটেন্টটির ছবিগুলোতে ক্লিক করেও বৈশাখী আয়োজন সম্পর্কে জানতে পারবেন। 
*নববর্ষ* *বৈশাখীসাজ* *বৈশাখেরপোশাক*

Imran Hasan: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বাংলা নববর্ষ চালু করেন কে ?

উত্তর দাও (৯ টি উত্তর আছে )

.
*নববর্ষ* *নতুনবছর* *বাংলাসন* *ইতিহাস* *বৈশাখ*

★ছায়াবতী★: [গ্রীষ্ম-অত্যাচারী]আমার প্রত্যেকটা দিন এক একটা নতুন দিন। তাই নতুন বর্ষ নিয়ে তেমন এক্সাইটেড নই।হয়ত অনেক চমক অপেক্ষা করছে। হয়ত নতুন জীবন হবে.. ভাবছি আর একটা দিন পেলাম শ্বাস নেবার জন্য (সূর্য)(নতুনদিন)(হাইতুলি-১)(কিমজা)

*নতুনদিন* *নববর্ষ*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

আজ ০১ মহররম। হিজরী ১৪৩৭ সালের প্রথম দিন। সবাইকে জানাচ্ছি হিজরী নববর্ষের শুভেচ্ছা।

(খুশীতেআউলা)

*হিজরী* *নববর্ষ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★