নাটোর

নাটোর নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বনলতা সেনের নাটোর জেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য আর নজরকাড়া প্রাচীন সব স্থাপত্যশৈলী ঘুরে দেখার পাশাপাশি মন কেড়ে নেওয়া কাঁচাগোল্লার স্বাদ নিতে দেশী-বিদেশী হাজারও পর্যটক প্রতিদিন রাণী ভবানীর রাজ্যে ভিড় জমান। ভ্রমনপিপাসু যারা নাটোর ভ্রমনে যাবেন তারা ভ্রমনের পাশাপাশি যদি নাটোরের ঐতিহ্যবাহী  মিষ্টি কাঁচাগোল্লা  না খেয়ে ফিরে আসেন তাহলে নাটোর ভ্রমন অপূর্ণ রয়ে যাবে। চলুন নাটোরের ঐতিহ্যবাহী কাঁচাগোল্লা সম্পর্কে জেনে নেই।
 
নাটোরের কাঁচাগোল্লা
কাঁচাগোল্লা নাটোর জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী  মিষ্টি ।  নাটোরের কাঁচাগোল্লা নাটোরের বনলতা সেনের মতোই আলোচিত। এ মিষ্টি গোলও নয় আবার কাঁচাও নয় তবুও নাম তার কাঁচাগোল্লা। আসল কাঁচাগোল্লা হালকা বাদামী রং এর হয়। এই রং আগুনে কিছুক্ষণ জ্বাল দেবার জন্য হয়ে থাকে। দেশব্যাপী কাঁচাগোল্লা এর স্বাদের জন্য  খুব বিখ্যাত । দুধ ও চিনি ব্যবহার করে  কাঁচাগোল্লা  তৈরি করা হয়। কাঁচাগোল্লা নাটোরের যে কোন মিষ্টির দোকানে পাওয়া যায়।  তবে লালবাজারের মধুসূদন পালের দোকান, জয়কালী মিষ্টান্ন ভান্ডার, নীচা বাজারের মৌচাক মিষ্টান্ন ভান্ডার, কুন্ডু মিষ্টান্ন ভান্ডার, অনুকূল দধি ও মিষ্টান্ন ভান্ডার খাঁটি কাঁচাগোল্লার সরবারহের জন্য নামকরা। কাঁচাগোল্লা কিনতে পারবেন ২০০থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে। 
 
যেভাবে তৈরী হয় কাঁচাগোল্লা
গরুর খাটিঁ দুধের ছানা ও চিনি কাঁচাগোল্লা তৈরীর প্রধান উপাদান। ১ কেজি কাঁচাগোল্লা তৈরী করতে প্রায় ১ কেজি কাঁচা ছানা ও ৪০০ গ্রাম চিনির প্রয়োজন। কড়াইতে চিনি পানি সহ জ্বাল দেয়া হয়। এরপর কড়াইয়ে ছানা ঢেলে জ্বাল দেয়া এবং একই সাথে কাঠের খন্তা দিয়ে নাড়তে হয়। এভাবেই ৩০ থেকে ৪০ মিনিট ধরে নাড়তে নাড়তেই পরিপূর্ণ কাঁচাগোল্লা তৈরী হয়ে যাবে। তবে এই নাড়াচাড়ার মধ্যেই রয়েছে শৈল্পিক কৌশল।
 
যারা নাটোর যাননি তারা কিভাবে কাঁচাগোল্লার স্বাদ নিবেন?
নাটোরের কিছু উলেখযোগ্য দোকান ছাড়া কাঁচা গোল্লা কিনলে ঠকার সম্ভাবনা বেশি। এজন্য আপনাকে হয় নাটোর যেতে হবে নতুবা যার বিশ্বস্থতার সাথে নাটোর জেলার ঐহিত্যবাহী কাঁচাগোল্লা সরবারহ করে তাদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। যতদূর জানি, দেশের জনপ্রিয় অনলাইন শপ আজকের ডিল সরাসরি নাটোর থেকে মিষ্টি ঢাকা শহরে সরবারহ করে। এজন্য আপনারা যারা বাড়তি কষ্ট না করে বাড়িতে বসে কাঁচাগোল্লার স্বাদ নিতে চান তারা আজকের ডিলের ওয়েবসাইটে নক করতে পারেন। 
নাটোরের কাঁচা গোল্লা কিনতে ক্লিক করুন
*কাঁচাগোল্লা* *নাটোর* *কেনাকাটা* *স্মার্টশপিং*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

৪/৫

রানি ভবানীর রাজপ্রাসাদ আর দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি। উত্তরের জেলা নাটোরের অতি পরিচিত দুটি ঐতিহাসিক স্থাপনা

এক দিন সময় করে দেখে আসতে পারেন প্রাসাদদুটি। এ ভ্রমণে প্রথমেই দেখতে পারেন রানি ভবানী রাজপ্রাসাদ। নাটোর জেলা শহরের বঙ্গজ্জল এলাকায় এর অবস্থান

*দর্শণীয়স্থান* *নাটোর*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বনলতা সেনের নাটোর জেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য আর নজরকাড়া প্রাচীন সব স্থাপত্যশৈলী দেখার জন্য দেশী-বিদেশী হাজারও পর্যটক প্রতিদিন রাণী ভবানীর রাজ্যে ভিড় জমান। ঐতিহাসিক রাজবাড়ী, উত্তরা গণভবন আর চলন বিলের জন্য নাটোর খুব বিখ্যাত। কিন্তু ভ্রমনপিপাসু যারা নাটোর ভ্রমনে যাবেন তারা ভ্রমনের পাশাপাশি যদি নাটোরের তিনটি ঐতিহ্যবাহী খাবার না খেয়ে আসেন তাহলে নাটোর ভ্রমন অপূর্ণ রয়ে যাবে। আজকে নাটোরের জনপ্রিয় তিনটি খাবার নিয়ে আলোচনা করব, যে তিনটি খাবার না খেলে আপনার নাটোর ভ্রমনের আনন্দটাই মাটি।

নাটোরের ঐতিহ্যবাহী তিনটি খাবার...

১. নাটোরের কাঁচাগোল্লাঃ
কাঁচাগোল্লা নাটোর জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী  মিষ্টি । দেশব্যাপী কাঁচাগোল্লা এর স্বাদের জন্য  খুব বিখ্যাত । দুধ ও চিনি ব্যবহার করে  কাঁচাগোল্লা  তৈরি করা হয়। কাঁচাগোল্লা নাটোরের যে কোন মিষ্টির দোকানে পাওয়া যায়। সবচেয়ে বিখ্যাত কাঁচাগোল্লা পাওয়া যায় কালিবাড়ী মন্দির গেট ,মৌচাক মিষ্টান্ন ভান্ডারে। দাম প্রতি কেজি ৩০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা।

২. অবাক সন্দেশঃ
কাঁচা গোল্লার পরে অবাক সন্দেশ নাটরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন। অবাক সন্দেশ অত্যন্ত সুস্বাদু, মুখরোচক। অন্যান্য জায়গায় পাওয়া যায় না বলে এই মিষ্টা্ন্নটি এতটা সুপরিচিত না। তবে নাটোর ও এর আশেপাশের কয়েকটি জেলায় অবাক সন্দেশের যথেষ্ঠ সুনাম রয়েছে। এই মিষ্টান্নটি নাটোর সদরের প্রতিটি মিষ্টির দোকানেই পাওয়া যাবে। দাম প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা।

৩. রাঘব শাহীঃ
রাঘব শাহী নাটোরের অন্যতম একটি জনপ্রিয় মিষ্টান্ন। এটি অত্যান্ত সুস্বাদু ও মজাদার। রাঘবশাহী মিষ্টি উতকৃষ্ঠ মানের দুধী মিষ্টি। নাটোর ছাড়াও বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জেলায় এই মিষ্টি পাওয়া যায়। তবে নাটোরেই এর উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। নাটোর জেলার প্রায় প্রতিটি স্থানেই এই মিষ্টি পাওয়া যায়। দাম ৩০০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা প্রতি কেজি। 
*মিষ্টান্ন* *কাঁচাগোল্লা* *নাটোর* *ভ্রমন* *খাবার* *ভ্রমনটিপস* *সন্দেশ*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রাজশাহী নামের উৎপত্তি সম্পর্কে তেমন বৈজ্ঞানিক কোন ব্যাখ্যা নেই। অনেকে বলেন রাজশাহী হল প্রাচীন রাজ রাজাদের দেশ।  তাই রাজশাহী নামের উৎপত্তি হয়েছে রাজার রাজ আর রাজাদের বংশের উপাধি শাহী থেকে।
তবে রাজশাহী নামের উৎপত্তি নিয়ে অনেকের মধ্যে দ্বিধা দ্বন্দ্ব আছে। অনেকে বলেন রাজা নেই রাজ্য নেই এটা আবার কিসের রাজশাহী। তবে এখন রাজা না থাকলেউ এক সময় ছিল। প্রাচীন রাজবাড়ী আর প্রাচীন সব স্থাপনা স্বাক্ষ্য দেয় রাজশাহী রাজ রাজাদের দেশ ছিল।

রাজশাহী নামকরণের বিস্তারিত বর্ণনাঃ
রাজশাহী শহরের প্রাচীন নামটি ছিল মহাকাল গড়। পরে রূপান্তরিত হয়ে দাঁড়ায় রামপুর-বোয়ালিয়া থেকে রাজশাহী নামটির উদ্ভব কিভাবে হলো এর সুস্পষ্ট কোন ব্যাখ্যা নাই । ব্রিটিশ আমলের প্রাথমিক যুগের ইতিহাসে ও রাজশাহী নামক কোন জনপদ বা স্থানের উল্লেখ নাই । অনেকে মনে করেন, এই জনপদ একদা বহু হিন্দু, মুসলিম, রাজা, সুলতান আর জমিদার শাসিত ছিল বলে নামকরণ হয়েছে রাজশাহী।

ঐতিহাসিক ব্লকম্যানের (Bolch Mann) মতে, খ্রিষ্টীয় ১৫শ শতকে গৌড়ের মুসলিম সালতানাত এই জেলার ভাতুড়িয়ার জমিদার রাজা গণেশ কতৃর্ক আত্মসাতের সময় থেকে রাজশাহী নামের উদ্ভব হয়েছে। হিন্দু রাজ আর ফারসী শাহী এই শব্দ দুটির সমন্বয়ে উদ্ভব হয়েছে মিশ্রজাত শব্দটির। কিন্তু ব্লকম্যানের অভিমত গ্রহণে আপত্তি করে বেভারিজ (Beveridge) বলেন, নাম হিসেবে রাজশাহী অপেক্ষা অর্বাচীন এবং এর অবস্থান ছিল রাজা গণেষের জমিদারী ভাতুড়িয়া পরগনা থেকে অনেক দূরে। রাজা গণেশের সময় এই নামটির উদ্ভব হলে তার উল্লেখ টোডরমল প্রণীত খাজনা আদায়ের তালিকায় অথবা আবুল ফজলের আইন-ই-আকবরী নামক গ্রন্থে অবশ্যই পাওয়া যেত।

ডব্লিউ ডব্লিউ হান্টারের মতে, নাটোরের রাজা রামজীবনের জমিদারী রাজশাহী নামে পরিচিত ছিল এবং সেই নামই ইংরেজরা গ্রহণ করেন এই জেলার জন্য। অনেকে এসব ব্যাখ্যাকে যথার্থ ইতিহাস মনে করেননা। তবে ঐতিহাসিক সত্য যে, বাংলার নবাবী আমল ১৭০০ হতে ১৭২৫ সালে নবাব মুশির্দকুলী খান সমগ্র বাংলাদেশকে রাজস্ব আদায়ের সুবিধার জন্য ১৩ (তের) টি চাকলায় বিভক্ত করেন। যার মধ্যে 'চারুলা রাজশাহী' নামে একটি বৃহৎ বিস্তৃতি এলাকা নির্ধারিত হয়। এর মধ্যে প্রবাহিত পদ্মা বিধৌত 'রাজশাহী চাকলা' কে তিনি উত্তরে বতর্মান রাজশাহী ও দক্ষিণে মুর্শিদাবাদের সঙ্গে অপর অংশ রাজশাহী নিজ চাকলা নামে অভিহিত করেন। প্রথমে সমগ্র চাকলার রাজস্ব আদায় করতেন হিন্দু রাজ-জমিদার উদয় নারায়ণ। তিনি ছিলেন মুর্শিদ কুলির একান্ত প্রীতিভাজন ব্যক্তি। যে জন্য নবাব তাকে রাজা উপাধী প্রদান করেন।

দক্ষিণ চাকলা রাজশাহী নামে বিস্তৃত এলাকা যা সমগ্র রাজশাহী ও পাবনার অংশ নিয়ে অবস্থিত ছিল, তা ১৭১৪ সালে নবাব মুর্শিদকুলী খান নাটোরের রামজীবনের নিকট বন্দোবস্ত প্রদান করেন। এই জমিদারী পরে নাটোরের রাণী ভবানীর শাসনে আসে ও বহু অঞ্চল নিয়ে বিস্তৃতি লাভ করে। রামজীবন প্রথম নাটোর রাজ ১৭৩০ সালে মারা গেলে তার দত্তক পুত্র রামকান্ত রাজা হন। ১৭৫১ সালে রামকান্তের মৃত্যুর পরে তার স্ত্রী ভবানী দেবী রাণী ভবানী নামে উত্তরাধীকারী লাভ করেন।

অনেকের মতে, প্রথম রাজা উদয় নারায়ণের উপর প্রীতি বশত এই চাকলার নাম রাজশাহী করেন নবাব মুর্শিদকুলী খান। কিন্তু ঐতিহাসিক অক্ষয় কুমার মৈত্রেয়র মতে, রাণী ভবানীর দেয়া নাম রাজশাহী । অবশ্য মিঃ গ্রান্ট লিখেছেন যে, রাণী ভবানীর জমিদারীকেই রাজশাহী বলা হতো এবং এই চাকলার বন্দোবস্তের কালে রাজশাহী নামের উল্লেখ পাওয়া যায়। নবাবী আমল থেকেই বৃহত্তর রাজশাহীর প্রশাসনিক কাযর্ক্রম পরিচালনা হতো নাটোর থেকে ।

নাটোর রাজ বৃহত্তর রাজশাহীর প্রশাসনিক প্রধানের দায়িত্ব পালন করতেন। বৃটিশ শাসনের পত্তন হলেও সে সূত্র ধরে নাটোরই প্রশাসনিক সদর ছিল। তখন রাজশাহী মহানগর তৎকালীন বোয়ালিয়া ছিল বিখ্যাত বাণিজ্য বন্দর। কিন্তু ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে নাটোর ক্রমশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে । নারদ নদীর মুখ বালি দ্বারা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে বন্যার দূষিত পানি নাটোর শহরে আটকে পড়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শহরবাসি বিভিন্ন পীড়ায় আক্রান্ত হতে আরম্ভ করে। এই দুরবস্থায় কতৃর্পক্ষ জেলা সদরদপ্তর রাজশাহীর শ্রীরামপুরে স্থানান্তরিত করে ১৮২৫ সালে। ফলে শ্রীরামপুর শহরে রূপান্তরিত হয়। কিন্তু ১৮৫০ সালে প্রবল বন্যা হয় এবং শ্রীরামপুর নদী গর্ভে ভেঙ্গে পড়ে এবং পার্শ্ববর্তী বুলনপুরে সরকারী প্রশাসনিক দপ্তর স্থানান্তরিত করা হয় ও এখনও সেখানে বিদ্যমান।


*রাজশাহী* *নাটোর* *নামকরণ*

আড়াল থেকেই বলছি: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

বিভিন্ন জেলার বিখ্যাত খাবার ও বস্তুর নাম:: ০১) নাটোর —কাঁচাগোল্লা,বনলতা সেন ০২) রাজশাহী —আম,রাজশাহী সিল্ক শাড়ী ০৩) টাঙ্গাইল —চমচম, টাংগাইল শাড়ি ০৪) দিনাজপুর —লিচু, কাটারিভোগ চাল, চিড়া, পাপড় ০৫) বগুড়া —দই ০৬) ঢাকা—বেনারসী শাড়ি,বাকরখানি ০৭) কুমিল্লা —রসমালাই, খদ্দর(খাদী) ০৮) চট্রগ্রাম —মেজবান , শুটকি ০৯) খাগড়াছড়ি—হলুদ
*নাটোর* *রাজশাহী* *টাঙ্গাইল* *দিনাজপুর* *বগুড়া* *ঢাকা* *কুমিল্লা* *চট্টগ্রাম* *খাগড়াছড়ি* *খাবার* *বিখ্যাত* *প্রথম*

খলিলুর রহমান ফয়সাল: পিচঢালা কালোপথ এখন লাশের মিছিলের রক্তেরাঙ্গা রাজপথ। প্রতিদিন গোটা দশেক মানুষের হাত পা কেটে কুটে মগজ বেড়িয়ে যায়। মানুষের জীবনের মূল্য এদেশে খুব সস্তা। জীবনের তাগিদে তবু তারা যোগ দেয় মরনানুষ্ঠানে। আজ মিছিলের শ্লোগানগুলো একটু বেশিই জোড়ালো হয়ে গেল। ৩০/৪০ টি জীবন্ত স্বপ্নকে হত্যা করা হলো।

*নাটোর* *সড়কদূর্ঘটনা* *লাশ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★