নারী

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কখনো ভালোবাসি না শোনা মেয়েটাও
বছরের পর বছর
প্রতিক্ষায় থাকে।

তারপর একদিন অপেক্ষার পথ ছেড়ে
সেও হয়তো শক্ত হাতে জীবন গোছায়
বুকের গহীন তিরতিরে বয়ে চলা নদীটা
শুকায়না কখনো
লুকিয়ে থাকে গহীনে, গোপনে

রিমঝিম কাঁচের চুড়িগুলো হয়ত
আর হাতে পড়া হয়না
কিন্তু চুরি ভাঙ্গার যন্ত্রণাটা
মাথার ভেতরে ঠিকি গেঁথে থাকে।

সেই যে সেদিন ভিড়ের ছুতায়
আলতো ছুঁয়ে দিয়েছিলো কেউ
সেই গা ঘিনঘিনে অনুভুতিও
সে মাথায় সাজিয়ে রাখে যত্নে ।

আনমনা কোন বিকেলে
তার ঠিকি ইচ্ছে হয়
ঝুম বৃষ্টিতে ভিজতে।
ইচ্ছেগুলো সামনে আসার আগেই
চাপা দিয়ে দেয় খুব গোপনে।

মেয়েরা সব সাজিয়ে রাখে
মনের প্রকোষ্ঠে।
যে আঘাত আপনি মনেও রাখেননি
সে হয়তো এখনো কাঁদে সে কথা ভেবে,
যে হাত সে পায়নি কখনো
হয়তো এখনো হাতড়ে খোঁজে ,
রোজ বিকেলের চায়ের কাপে
হয়তো মিশে থাকে
একটুকরো দীর্ঘশ্বাসের ধোঁয়া ।

*প্রিয়কবিতা* *নারী* *আঘাত* *আবেগ* *বাস্তবতা* *সমাজ*
খবর

ফিটকিরি: একটি খবর জানাচ্ছে

মেজর জেনারেল সুসানে গীতি ১৯৮৫ সালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। ১৯৮৬ সালে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নারী চিকিৎসক হিসেবে ক্যাপ্টেন পদবিতে যোগ দেন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশন এবং বিভিন্ন সামরিক হাসপাতালে প্যাথলজি বিশেষজ্ঞের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ২০০৭ সালে লাইবেরিয়া মিশনে যাওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে বলেন, সেখানকার মানুষ চিকিৎসকদের বেশ পছন্দ করত। গ্রামে ফ্রি ফ্রাইডে ক্লিনিক, মশারির নিচে ঘুমানোর পরামর্শ দেওয়া, রক্তের গ্রুপ করা, কম্পিউটার কোর্স করানোসহ বিভিন্ন কাজ দেশটির সাধারণ মানুষ খুব পছন্দ করেছিল। অন্য যে নারীরা সেনাবাহিনীর উচ্চ পদে আসতে চান, তাঁদের জন্য সুসানে গীতির পরামর্শ—চাকরির প্রতি যত্নবান হতে হবে। সেনাবাহিনীর নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। নারী সেনাপ্রধান হয়েছেন সে দৃশ্য দেখা সম্ভব কি না? সুসানে গীতি বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন হচ্ছে। সেনাবাহিনীর নারীরা বেশ ভালো করছেন। তাই নারীদের সেনাপ্রধান হতে তো কোনো সমস্যা নেই। আর একজন শিক্ষিত মা–ই পারেন শিক্ষিত জাতি উপহার দিতে। নারীরা শিক্ষিত হচ্ছেন, অন্যদিকে পারিবারিক নির্যাতনের হারও বাড়ছে এ প্রসঙ্গে সুসানে গীতি বলেন, সংসারে স্বামী ও স্ত্রী দুজনেই যদি দুজনকে সম্মান না করেন, বুঝতে না পারেন, তাহলে নির্যাতনের মাত্রা বাড়বেই। দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, চিকিৎসকেরা দিনরাত পরিশ্রম করছেন, তারপরও গণমাধ্যম শুধু চিকিৎসকদেরই সমালোচনা করে। তবে এটা সত্য যে শহরে চিকিৎসাব্যবস্থা যতটা উন্নত, তৃণমূলে এখন পর্যন্ত অনেক কিছুর ঘাটতি আছে। সাক্ষাৎকার নেওয়ার পর ছবি তোলা ও ভিডিওর জন্য হেঁটে ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন জায়গায় যেতে অনুরোধ করা হলো তাঁকে। হাঁটতে হাঁটতেই সুসানে গীতি বললেন, ‘আমি আস্তে হাঁটতে পারি না, আমি তো আর্মি স্টাইলে হাঁটি।’
https://www.prothomalo.com/we-are/article/1562460/
মেজর জেনারেল সুসানে গীতি ...বিস্তারিত
*নারী* *সুসানেগীতি*
৩২ বার দেখা হয়েছে

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 নারী ও পুরুষভেদে রক্তে হিমোগ্লোবিনের স্বাভাবিক মাত্রা কত?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*রক্ত* *হিমোগ্লোবিন* *নারী* *পুরুষ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: “ রমনী এক রকম অনাবশ্যক ইচ্ছা বিবর্ণ ঝাঁঝাঁলো সম্প্রতি নারী শুধু কাচের ছায়া, অপ্রতিবিম্ব কাচ, শুধুমাত্র কাচ ”

*রমনী* *নারী* *ইচ্ছা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 

আলেয়া চাকুরী জন্য শহর ছেরে গ্রামে । আধুনিক নারী হলেও সে কিন্তু গ্রাম কে নিজের মতো করে নিয়েছে । গ্রামের পিছিয়ে পরা মানুষের জন্য তার এন জি ও কাজ করে যাচ্ছে । গ্রাম কে যারা টিভি র পর্দায় দেখে আসলে গ্রাম তার চেয়ে সুন্দর । গত এক বছরে মানুষের জীবনের দুঃখ কষ্ট গুলো খুব কাছে থেকে দেখেছে । এই গ্রামে পাঁচ টাকা মানুষের কাছে পাঁচশত টাকার সমান । আলেয়া বাসায় কাজ করে একটা মেয়ে নাম তার কুমকুম । মাথায় সব সময় তেল দিয়ে থাকে । পান খায় । নাকে অনেক বড় একটা নাক ফুল । পায়ে কোন দিন জুতা পড়তে দেখে নাই আলেয়া কুমকুম কে । মেয়েটা কালো হলেও সাহস আছে । ঘরের সব কাজ একবার বলে দিয়েছিল আলেয়া তার পড় আর কোন দিন বলতে হয় নাই । কাজের শেষে আলেয়ার গল্প করার মানুষ হল কুমু । কুমকুম কে আলেয়া সখ করে কুমু ডাকে ।

আলেয়া যখন এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে যায় মানুষের কাজের উন্নতি কি ভাবে করতে হয় । দল গত কাজের সাফল্য কি ভাবে হয় । আমাদের কৃষি আমাদের কি ভাবে সফলতা নিয়ে আসে তাই শিখায়। আজ অন্যদিনের মতো কাজ থেকে ফিরছে আলেয়া । জমিতে কাজ করছে কিছু মানুষ তারা সবাই আলেয়া দেখলে বলে এন জি ও আপু । সবাই সালাম দিয়ে কথা বলে । ভিবিন্ন পরামর্শ জন্য আসে । আলেয়া লক্ষ করলো তার পিছনে একটা মানুষ প্রায় অনেক দূর থেকে হেঁটে আসে । এত দূর থাকে যে তার সাথে কথা বলা হয় না। প্রতিদিনই দেখে কিন্তু বিষয়টা গত ছয় মাসে তার চোখে পড়ে নাই । আজ তার কাছে বিষয় টা পরিষ্কার । জমি থেকে একজন বলল এন জিও আপু আপনার পিছনে রোজ পাগলা গফুর হেঁটে যায় । ও কিন্তু পাগল । একটু দূরে থাকবেন । তার পড় আলেয়া বুঝতে পারলো হ্যা সত্যি তো । আলেয়া গত দুই তিন যাবত দেখতে পাচ্ছে । কিন্তু গফুর তো অনেক দূরে থাকে ।

কুমু বলল আলেয়া আফা চিন্তা করবেন না। সে পাগল হলেও কারো ক্ষতি করে না তবে সে আগে ডাকত ছিল । যাবত জীবন জেল হয়েছিল । ১৪ বছর জেল খেটে বের হয়েছে । বাড়িতে এসে দেখে তার বউ অন্য মানুষ কে বিয়ে করে অনেক বছর আগেই শহরে চলে গেছে । তার পড় থেকে পাগল । পাগল হয়েছে সাত আট বছর । গ্রামের মানুষের সাথে সে চলে না। একা একা চলে জমি যা আছে তাতে ভাল করেই চলে যায় ।

আলেয়া বলল লোকটা আমার পিছনে হাটে কেন । আমি কিন্তু ওকে ভয় পাই । মুখ ভর্তি দাড়ি মুছ । চুল গুলো আর গাঁয়ের জামা এত ময়লা দেখলেই খারাপ লাগে । গরমের মধ্যে একটা চাদর দিয়ে থাকে । কুমু বলল থাক আফা এইতা নিয়ে চিন্তা করবেন না। সে ডাকাত হলে কি হবে আমাদের কোন গ্রামে কোন দিন ডাকাতি করে নাই । সে যখন কারো খতি করে নাই আপনার ও করবে না। আলেয়া বলল দেখা যাক । চেয়ারম্যান কে বিষয়টা বলতে হবে । পরের দিন চেয়ারম্যান কে বলল আলেয়া । তার অফিস কে জানালো । অফিসের ম্যানেজার বিষয়টা শুনে এক গাল হেসে বলল ম্যাডাম আপনি এই সব নিয়ে মোটেও চিন্তা করবেন না। পাগলের সুখ মনে মনে । চেয়ার ম্যান বলল আরে আপনি শহরের মেয়ে আপনার হাটা চলা হয়ত পাগলের কাছে ভাল লাগে । আমি হলাম বুড়া চেয়ার ম্যান । তারপড় ও তো আপনাকে দেখলে আরেক বার দেখি । এই কথা বলে চেয়ারম্যান একটা হাসি দিল । আলেয়া নিজেও একটু হাসি দিয়ে বলল আপনি

অনেক মজার মানুষ , তাই বার বার পাশ করে চেয়ারম্যান হয়ে জান । চেয়ারম্যান বলল বইন সবেই আল্লার ইচ্ছা গরীব মানুষের জন্য কাজ করে যাই আর কি ? আলেয়া মনে মনে বলে তাই গ্রামের মধ্যে সুন্দর বাড়িটা আর জমি আপনারেই বেশি ।

আলেয়া চলে আসে তার বাসায় । কুমু চা নিয়ে আলেয়ার হাটে দেয় । আর বলে আফা চিন্তা করবেন না। ঐ পাগলে কিছুই করতে পাড়বে না। আমরা আছি না।

এমন সময় অন্য গ্রামের একজন আলেয়া কে তার মেয়ের বিয়ে দাওয়াত দিতে এলো । আলেয়া কে বলল বোন আপনার জন্য আমার মেয়ে কলেজে পড়ে । ছেলে ভাল পেয়েছি তাই বিয়ে । আপনি না গেলে আমার মেয়ে কষ্ট পাবে । আপনি কুমু কে নিয়ে যাইয়েন । আলেয়া বলল ঠিক আছে যাব কিন্তু আসতে আসতে যে রাত হয়ে যাবে । কুমু বলল চিন্তা নাই আমি আছি না আর চাঁদনী রাত নদীর পার দিয়ে হেঁটে চলে আসব ।

আলেয়া বিয়েতে খুব মজা করে গীত গাইলো সবার সাথে । বড় এলো রাত আট টায় । বিয়ে শেষ হল , হাইজেক লাইটের আলোতে সবাই খুব খুশিতে সময় পার করলো । রাত ১১ টায় বর মেয়ে নিয়ে চলে গেল । আলেয়া কে কিছুটা রাস্তা এগিয়ে দিয়ে গেল কনের বাবা।

নদীর পার দিয়ে চাঁদনী রাতে আলেয়া আর কুমু হেঁটে যাচ্ছে । কিছুটা পথ যাওয়ার পর কুমু বলল আলেয়া আফা চরে কিন্তু খিরাই ভাল হইছে । চলেন কিছু খিরাই নিয়ে যাই । আলেয়া বলল না মানুষের জমির জিনিস না বলে খাওয়া ভাল না । আর অল্প একটু রাস্তা বাকি আছে তারাতারি চল । রাস্তা বাক নিতেই কিছু বুঝে উঠার আগে সাত আট জন মানুষ আলেয়া আর কুমুকে কাপড় দিয়ে ডেকে হাট পা নদীর চরের দিকে কুলে করে নিতে লাগলো । কুমুর মুখ বাঁধা আলেয়ার মুখ বাঁধা । তাঁদের হাঁতে টর্চ লাইন । চার দিক নীরব । আলেয়া খুব চেষ্টা করছে ছুটতে একজন চুলের মুট ধরে বলছে বেশি চালাকি করবি তবে তাহলে মাগি জানে মেরে ফেলব । কিছু বুঝে উঠার আগে তাঁদের নদীর চরের মাঝে নিয়ে এসেছে , সবাই মুখ কাপড়ে বাঁধা । একজন বলছে খুব ফিস ফিস করে বলছে এন জি ও আফা কে আগে আগে হাত দিস না । সাব আগে তার কাজ শেষ করুক । তার পড় । সবার মুখে হাসি । একজন বলল এটা তো সাব হাত দিব না । এটা আমরা নিয়ে যাই । আলেয়া আর কুমুর হাত চোখ বাঁধা শরীরের সব কাপড় খুলে ফেলেছে । আলেয়া মনে মনে আল্লাহ আল্লাহ করছে । এমন সময় একজন বলল সাব চলে আসছে । চোখ বন্ধ আলেয়ার পিছনে হাত বাঁধা । কুমুর একেই অবস্থা । সাব এসে খুব আসতে করে বলল মেয়ে মানুষ নরম জাত এত শক্ত করে কেউ বাঁধে । নৌকা থেকে চাটিটা নিয়ে আয় । কুমু ঠিক কণ্ঠ চিনতে পারলো । সেই চেয়ারম্যানের কণ্ঠ । দুই জন মিলে আলেয়া কে নিয়ে চাটির উপর রাখলো । চোখ মুখ বাঁধা কিছুই বলতে পাড়ছে না। ভয়ে আলেয়ার সারা শরীর শীতল হয়ে গেছে । চেয়ারম্যান আলেয়ার শরীরের হাত দিয়ে বলে গরমের দিন কি ঠাণ্ডা শরীর । এমন সময় মা বলে কে জানি একটা চিৎকার দিল । কেউ এদের মারছে । আলেয়া আর কুমু কিছুই বুঝে উঠতে পাড়ছে । একজন বলছে ভাই আমারে মারিস না । আমি কিছুই করে নাই । আরেক জন বলল গফুর

আমাকে মাফ করে দে । গফুর বলল যারা আমাদের ভাল হবার জন্য গ্রামে আসে তোদের জন্য তারা গ্রামে থাকতে পারে না। কিছু সময় পড় আলেয়া চোখ খুলে দিয়ে বলল নে মা কাপড় পড়ে নে । কুমু কে কাপড় দিয়ে বলল নে পড়ে নে । আলেয়া চেয়ে দেখে চার পাশে মানুষের লাশ । চেয়ারম্যান সহ সবাই কে দা দিয়ে কুপিয়ে মারা হয়েছে। গফুরের সারা শরীর রক্ত । হাঁতে দায়ে রক্তে ভরা । আলেয়া জামা পড়ে বলল আপনি কই থেকে আসলেন । গফুর বলল মা কিছু মনে কইর ন। আর একটা খুন করতে হবে । তুমি যে বিয়েতে যাবে এটা তুমি আর কুমু ছারা কেউ জানে না। এই কুমু চেয়ারম্যানের টাকা খেয়ে তোমারে ভুল পথে নিয়ে আসছে । আসলে এই ছেরি অভিনয় করছে । আলেয়া কুমুর দিকে তাকাতে কুমু মাথা নিচু করে ফেলেছে । গফুর বলল মা এই গ্রামে ভাল মানুষের ভিতরে কে সয়তান। কে ভাল চেনা মুশকিল । আমরা যদি কুমুরে বাচাই তাহলে আমাদের ফাঁসী হতে পারে । কুমু পাগলা গফুরের পায়ে ধরে বলল গফুর ভাই আমার ভুল হয়েছে । গফুর বলল আমি গফুর কাউরে ক্ষমা করি না। ক্ষমা করে আল্লায় । এই বলে দা দিয়ে আরেকটা কুব দিল কুমুরে । আলেয়া কিছু বলতে পাড়ছে না । গফুর বলল আরে তরে দেখলে আমার মেয়ের মতো লাগে তাই তোর পিচ পিচ হাটি মা। ভাগ্য ভাল আজ আমি পিছু পিছু ছিলাম । আলেয়া গফুর কে জরিয়ে বলে আমাকে বাচাতে আপনি কত গুলো মানুষ কে খুন করছেন । এখন কি হবে । গফুর বলল আরে মা এরা কেউ মানুষ না যদি মানুষ হবে তাহলে কি কেউ তোমার মতো একটা ফুল কে নষ্ট করতে নদীর চরে নিয়ে আসে । তুমি ভয় পাইও না। আমি নদী থেকে রক্ত পরিষ্কার করে নেই । গফুর নদীর পানিতে রক্ত পরিষ্কার করে বলে চল মা তকে বাড়িতে রেখে আসি । ঐ দেখ মসজিদ থেকে আল্লার ডাক আসছে , কেউ ঘুম থেকে উঠার আগে আমাদের চর থেকে চলে যেতে হবে । কুমুর কথা কেউ বললে বলবি তকে বাসায় রেখে সে রাতেই চলে গেছে ।

পাগল গফুর পরম মমতায় আলেয়ায় কে বাসায় নিয়ে আসলো । গফুর বলল মনে করবা একটা স্বপ্ন দেখছ । এই চেয়ারম্যান কে বা কারা মেরেছে সেটা পুলিশ চিন্তা করবে । আমি পাগল । পাগল কে কেউ সন্দেহ করবে না।। গফুর পাগল চলে যায় । আলেয়ার চোখে সামনে শুধু অন্ধাকার দেখতে থাকে ।। কি হল ? কি ভাবে হল? সে ভাবত পাগল খারাপ আসলে এই সমাজে ভদ্র মানুষ গুলোই বেশি খারাপ ।।

 

*কুমকুম* *নারী* *শয়তান* *সমাজ* *পাগল*

Lutfun Nessa: অর্থ বিনিয়োগে নারী!!!!!!!!!!!!! অর্থ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সচেতন গবেষণায় জানা গেছে, পুঁজি বা শেয়ার বাজারের ক্ষেত্রে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের লাভ হয় শতকরা দুই ভাগ বেশি৷ কারণ অর্থ বিনিয়োগের ব্যাপারে মেয়েরা বেশি সচেতনতার পরিচয় দিয়ে থাকে৷(খুশী২)

*অর্থে* *নারী*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

"চাকুরী ছাড়া মেয়েরা ছেলেদের বিয়ে করতে চায়না!

আজ চাকুরী নেই বলে গার্লফ্রেন্ডের বিয়ে হয়ে গেল!

সব মেয়েই স্বার্থপর! "

খুব সহজেই কথা গুলি বলে ফেলা যায়।

একটা ছেলে যখন অনার্স, মাস্টার্স কম্পলিট করে ফেলে তখন সে যতটুকু অসহায় হয়ে পড়ে তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি অসহায় হয়ে পড়ে একটি মেয়ে কারন সামনে তার জন্য বিয়ে ছাড়া আর কিছুই কপালে লেখা নেই। কেন? কারন তো অবশ্যই আছে, আমি তো আজ সে বিষয়েই দু কলম লেখতে বসেছি।

ছেলেরা তো গ্রাজুয়েশন শেষে একটা না একটা চাকুরী পেয়েই যাবে কিন্তু একটা মেয়ে কি পাবে? সম্ভবত না। কারন প্রাইভেট জবে মাঝে মাঝে নাইট ডিউটিও করতে হয় যা মেয়েদের পক্ষে সম্ভব নয়। অনেকেই চায় চাকুরীজীবী মেয়েদের বিয়ে করতে কিন্তু যখনই শোনা যায় যে মেয়েটি অফিসে বন্ড সই দিয়েছে আগামী ৫ বছর কোন প্রকার সন্তান নেয়া যাবেনা বলে, ব্যাস পাত্র পক্ষের মুখ কালো হয়ে গেল, এভাবে অনেক পাত্র পক্ষই চলে যায় অর্থাৎ যখনই প্রাইভেট ইন্ডাস্ট্রি তে একটি মেয়ে জয়েন করে তখন ৫-৬ বছরের একটা বন্ড সই তাকে দিতে হয় আবার সরকারী চাকুরীতে যতটুকু শুনেছি ২টির বেশি সন্তান ধারনের বেশি ছুটি দেয়া হয় না অর্থাৎ ৩ মাস করে মোট ৬ মাস কেননা," ছেলে হউক, মেয়ে হউক দুটি সন্তানই যথেষ্ট "। বাধ্য হয়ে প্রাইভেট জব করা মেয়েটিকে জব ছেড়ে দিতেই হয় কেননা সমাজের মানুষগুলিও যে ওত পেতে থাকে একটা মেয়ের বিয়ে হয়না কেন তা নিয়ে চুলছেড়া গবেষণা করতে। এই ব্যপারগুলি যখন কম্পলিকেটেড হয়ে যায়, স্বভাবতেই একটা মেয়ে নিজেকে গুটিয়ে ফেলে, অনেকেই বোরকা পরতে শুরু করে কেননা তার যাওয়ার যে কোন স্থানই নেই আর এই ব্যপারগুলি একটা মেয়ে কাউকে শেয়ার করতে পারেনা, তার ভালবাসার মানুষটি যদি বুঝে নেয় তাহলে ভাল আর যদি অবুঝ বালক হয় তাহলে তাকে ছেড়ে চলে আসতে হয়। এজন্য কিছু মেয়েকে দেখা যায়, তারা তাদের ভালবাসার মানুষের জন্য অপেক্ষা করে, অনেকেই করেনা।

তাই সব কিছু না বুঝেই আমরা নারী বিদ্বেষী যে স্ট্যাটাস গুলি দিয়ে যাই, তা কিন্তু কোমলমতিদের ভুলই শিক্ষা দেবে, আমার না হয় কোন সহোদর বোন নেই কিন্তু প্রায় সবারই তো সহোদর বোন আছেই, আর একজন বেকারের সাথে কেউ তার বোনের বিয়ে দিতে চাইবেনা, বাবা-মাও চাইবেন না

সবাই চাইবো একটা ভাল জব অর্থাৎ পার্মানেন্ট জব তবে উচ্চাকাঙ্ক্ষী স্বপ্ন দেখাটাও বোকামি।

*নারী* *অবস্থান* *সমাজ* *ভূল*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: হলিউডের উদ্যেগে প্রায় চল্লিশ লক্ষ মানুষের ভোটের উপর ভিত্তি করে নির্বাচিত আকর্ষ‌নীয় নারী ট্রান্সফরমার মুভির নায়িকা রোজি হান্টিংটন হোয়াইটলি কিংবা অ্যামি এডাম থেকে শুরু করে অভিনেত্রী রোস বার্নস, কেট মিডেলটন, অ্যামান্ডা সেইফ্রিড, এ্যান হ্যাথাওয়ে, অ্যাঞ্জেলিনা জোলি, নওমি ওয়াটস নতুবা সঙ্গীত শিল্পী জোয়ি ডিশ্যানেল, অ্যালেসিয়া কেইসের তুলনায় একজন সাদামাটা নারীও একজন বিশেষ মানুষের কাছে অনেক বেশী আকর্ষণীয় হতে পারে! হতে পারে প্রয়োজন!

*নারী* *আবেগ* *ভালোবাসা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

♥মিস ওয়ার্ড বাংলাদেশ' প্রতিযোগিদের স্কোরশিটের একটি ছবি দেখলাম। সেখানে অংশগহণকারীদের নাম, উচ্চতা, ওজনের পাশাপাশি 'বুক', 'পেট' ও 'কোমর' এর মাপের বর্ননা থাকলেও তাদের 'শিক্ষাগত যোগ্যতা' কিংবা 'বুদ্ধিমত্তা' বিষয়ক কোন বর্ননা নেই।
শারিরিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে একজন নারীকে 'পন্য' হিসেবে বিচার করার এই পুরুষতান্ত্রিক পদ্ধতির আবিষ্কারকের নাম এরিক মোরলে নামের ব্যবসায়ী। নারীদেহকে পন্য হিসেবে উপস্থাপনের জন্যই ১৯৫১ সালে এই ব্যবসায়ী 'মিস ওয়ার্ল্ড' প্রতিযোগিতা শুরু করেছিলেন।
পন্য যাচাই বাছাইয়ের মানদণ্ড হিসেবে বাহ্যিক শারিরিক সৌন্দর্য্যকেই বিচার্য বিষয় হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা এখনো বলবত আছে। কার ত্বক কত সুন্দর? উচ্চতা অনুযায়ী ওজন কেমন? উচ্চতা ও ওজন অনুযায়ী পেট কত সরু, বুক-কোমর কত চওড়া? পা কত দীর্ঘ? হাসি কেমন? চাহুনী কেমন? বাচনভঙ্গী কেমন? মূলত এসব বিচার করেই 'বিশ্ব সুন্দরী' নির্ধারণ করা হয়। সেই সাথে পূর্বশর্ত: বিবাহিত হওয়া যাবে না, সন্তানের মা হওয়া যাবে না।
বলা বাহুল্য শারিরিক এইসব বিষয় মাপ-জোক ও পর্যবেক্ষণের জন্য অংশগ্রহনকারীদের সকলকে এক পর্যায়ে বিকিনি পরে বিচারক ও নির্বাচিত দর্শকদের সামনে হাজির হতে হয়।
বাংলাদেশের ২৫হাজার নারী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল। তার মানে তারা সবাই এই শারিরিক প্রতিযোগিতায় বিকিনি পরে নিজেদের পন্য হিসেবে উপস্থাপন করতে প্রস্তুত ছিল!
খবরে দেখলাম সেই প্রতিযোগিতায় বিজয়ীনিকে তার বিবাহের তথ্য গোপন করার কারণে খেতাব কেড়ে নেয়া হচ্ছে।
এই খবর প্রকাশের পর আমার পরিচিত অনেক বিদূষী নারীও প্রতিবাদে ফেটে পরেছেন! বিশিষ্ট নারীবাদী প্লাটফরম ওমেনচ্যাপ্টারে এই বিষয়ে পোস্ট লেখা হয়েছে এবং সেগুলো আমার ফেসবুকের হোম পেজে দেখতে পাচ্ছি। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে- তারা নারীকে পন্য হিসেবে বিচার করার প্রতিযোগিতার বিরোধিতা করছেন না, তারা বিরোধিতা করছেন সেই প্রতিযোগিতায় বিবাহিতকে বাদ দেবার নিয়মের!
মাংসের দোকানে নিজেকে পন্য হিসেবে উপস্থাপন করলে তো মাংস বিক্রির নিয়ম মেনেই সেটা করতে হবে তাই না? খরিদ্দার তো দাগী পশুর মাংস কেনার জন্য পয়সা দেয় না।
পুরুষতান্ত্রিক 'মিস ওয়ার্ল্ড' প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়াকে নারীবাদীরা ঠিক কোন কারণে সমর্থনযোগ্য মনে করেন সেটা আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে আজো বুঝতে পারিনি। এখন এইসব বাঙালী নারীবাদীদের দাবী অনুযায়ী 'বিবাহিত' কিংবা 'সন্তানের মা' নারীদের ঐ প্রতিযোগিতাতে অংশগ্রহনের অনুমতি দিলে, নারীর পন্য হিসেবে উপস্থাপনের বিষয়টা কি তাদের কাছে সঠিক হয়ে যায়!
'ওমেনচ্যাপ্টার' তাহলে নারীর যোগ্যতা হিসেবে 'শিক্ষা' এবং 'বুদ্ধিমত্তা'র মাপের চেয়ে 'ত্বক', 'বুক', 'পেট' ও 'কোমর' এর মাপকে বেশি গুরুত্বপূর্ন মনে করে!

*নারী* *পন্য* *সমাজ* *সুন্দরী*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★