নারী জিজ্ঞাসা

নারীজিজ্ঞাসা নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 মিডিয়া জগতে নারীদের বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয় কেন?

উত্তর দাও (৬ টি উত্তর আছে )

.
*মিডিয়া* *নারীজিজ্ঞাসা* *প্রতিবন্ধকতা*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পুরুষের পাশাপাশি নারীর ভূমিকাও অপরিসীম। তাদের দক্ষতা আর মননে মিশে আছে কাজের প্রতি শ্রদ্ধা। সময়ের সঙ্গে কর্মক্ষেত্রে নারীর অবদান উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। অথচ নিজ কর্মস্থলে কর্মজীবী নারীরা নিরাপদ তো নয়, বরং অহরহ যৌন হয়রানিসহ নানা ধরনের সমস্যায় ভোগে। বিশেষ করে সন্মান পাবার বেলায় উচ্চ পদে একজন নারী এবং একজন পুরুষের বেলায় থাকে যথেষ্ট ফারাক। 


একই পদে সন্মানের হেরফের হয় শুধুমাত্র চেয়ারটায় নারী না পুরুষ বসছে সেই ভেবে। একটি প্রতিষ্ঠানে নারীরা যথেষ্ট সন্মান সবসময় একইহারে পেয়ে থাকেন না। নারীর চাকরিতে প্রবেশই শুরু হয় বর্জনের মধ্য দিয়ে। মেয়েটি বিবাহিত হলে শুরুতেই ভাবা হয়, হয়তো কিছুদিনের মধ্যেই মাতৃত্বকালীন ছুটি দিতে হবে। আর সিনিয়র হলে তাকে তো কেউ চাকরিই দিতে চায় না।
কর্মক্ষেত্রে এই ধরনের হয়রানি আজকাল খুব সাধারণ ও স্বাভাবিক হয়ে গেছে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানিসহ অন্যান্য নিগ্রহের পরিমাণ আরও অনেক বেশি। একজন নারীর পেশায় তার রুটি-রুজি ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকে। তাই সমস্যা হলেই তা ছেড়ে আসা নারীর পক্ষে সম্ভব হয় না। আর সেই কর্মক্ষেত্রে একজন নারীকে সহ্য করে যেতে হয় পুরুষ সহকর্মীর নানা অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ। ঊর্ধতন হিসেবে তিনি নারী-পুরুষ সহকর্মীদের প্রফেশনাল হিসেবে গড়ে উঠার দিকে লক্ষ্য রাখেন। একারণেই কখনো কখনো রূঢ়ও হতে হয়। আর সেই রূঢ় আচরণ নারী কর্মী ভালভাবে মেনে নিলেও পুরুষ কর্মীটি সেটা মনে পুষে রেখে সুবিধা নেয়ার সুযোগে থাকেন। সময় সাপেক্ষ অনুযায়ী ঊর্ধতন জেনেও খোঁচা মেরে কথা বলতে পিছ পা হোন না। 


গত দুই দশকে দেশের বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বেড়েছে। নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বে বাংলাদেশ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে নানা চ্যালেঞ্জ ও বাধাগুলো সফলতার সঙ্গে অতিক্রম করা সত্ত্বেও নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। একইসঙ্গে ঘরে-বাইরে নারীর বাড়তি শ্রম মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। মাতৃত্বকালীন ছুটিসহ নারীবান্ধব সুবিধাগুলো নারীর অধিকার হিসেবে নয়, বরং বিশেষ সুবিধা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


ব্যাক্তিগতভাবে আমি মনে করি, নারীর সম অধিকার ও সম মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় পুরুষকে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। পুরুষের সহযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি করতে হবে। নারীকে সহযোগিতা করা বিশেষ সুবিধা নয়, বরং নারীর অধিকার সেটি বিবেচনায় রাখতে হবে। 
*কর্মজীবীনারী* *নারীঅধিকার* *নারীমঞ্চ* *নারীজিজ্ঞাসা* *কর্মক্ষেত্র* *নারী*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজ ৮ মার্চ, বিশ্ব নারী দিবস।
আজ পৃথিবীর সব নারীর জন্য বিশেষ একটি দিন। 
কিছু পুরুষ বলে আদিখ্যেতা, আলাদা করে কেন আবার তাদের একটি দিন দিতে হবে
আবার কিছু পুরুষ বলে, বেশ তো ! ভালোই..নারীদের একটি দিন, আর আমাদের ৩৬৪ দিন
কেউবা আবার বলে আজকের দিনটা শুধুই সেই মহিয়সী নারীদের, 
যাদের কেউ বা মাতৃমূর্তি, কেউ বা প্রেমিকামূর্তি, স্ত্রীমূর্তি আবার কেউ বা কন্যামূর্তি। 
 
নারীর উপস্থিতি সব সময়ই -- কখনো মা-রূপে, কখনো বধূ-রূপে, কখনো আবার কন্যা-রূপে
যদিও এর বাইরেও নারীর রয়েছে অনেক রূপ-মাধুরী ; 
শুধু নারীর জীবনের নানা অবস্থায় রূপভেদ হয়, পরিবর্তন হয়। 
তবে নারী তো নারীই, একই অঙ্গে নানান রূপ 
নারী হচ্ছে মা, প্রেমিকা, বধূ, কন্যা, ঈশ্বরী l 
যদিও লোকে বলে, নারী বহুরূপী 
হ্যা তো ! তাই তো বলি বহুরূপ, বহু গুণে গুণান্বিত নারী।
 
শোনো হে পুরুষ, নারীও একজন মানুষ
তোমার মতই তারও হাত-পা আছে, চোখ আছে, কথা বলতে পারে।
নারী গর্ভধারণ করতে পারে, যা তুমি পারো না ;
তাই মেনে নাও যে তোমার চেয়ে তার শক্তি বেশি
যদিও নারী কখনোই করে না শক্তি নিয়ে রেষারেষি l 
ভুলে যাও ভেদাভেদ, দাও তারে মান
মুক্ত করে দাও তারে, দাও ফিরিয়ে নারীর স্বাধীনতা ও মুক্তির অন্তরায়, বেঁচে থাকার গান
 
 
*নারীমঞ্চ* *নারী* *নারীজিজ্ঞাসা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★