নাস্তিক

নাস্তিক নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

"৩১ শে অক্টোবর হলো সেল্টিক জাতির বছরের শেষ দিন। এই সেল্টিক জাতি হলো খ্রিষ্টপূর্ব ৭ হাজার বছর পূর্বের অর্থাৎ লৌহযুগের মূর্তিপূজক বর্বর জাতি গোষ্টি। এদের বর্তমান অবস্থান গ্রেট ব্রিটেন ও স্কটল্যান্ডের কিছু অংশে।

তো এই ৩১ শে অক্টোবরকে বলা হয় " ডে অফ সামহীন" । সামহীন হলো মৃত্যূর দেবতা। সেল্টিক জাতির বিশ্বাস অনুযায়ী এই দিনে মৃত্যূর দেবতা সকল মৃতদের আত্মাকে উন্মুক্ত করে দেন, যাতে করে তারা দুনিয়ায় ফিরে আসে, যদি কেউ এইসব মৃতদের জীবত থাকার সময় অন্যায় করে থাকে তবে এই মৃত মানুষেরা আসে তার প্রতিশোধ নিতে, তবে এবার আর ভালো মানুষ হিসেবে নয় শয়তানের শক্তি নিয়ে। এই শয়তানী শক্তি তাদেরকে এতো শক্তিশালী করে যে সেদিন জীবত আর মৃত মানুষের মধ্যে কোন ব্যবধান থাকেনা।

তখন এইসব মৃত শয়তানদের খুশি করার জন্য সামহীন দেবতার পূজা-অর্চনা করা হয়। যেটাকে বলা হ্যালোইন।

আবার খ্রিষ্টান ধর্ম অনুযায়ী এ দিবসের নাম " ডে অফ অল সেন্টস" । ইউরোপ বিশেষ করে স্পেন,নরওয়ে,গ্রেট ব্রিটেনের গির্জার ধর্মযাজকেরা এই দিনে একসাথে মিলিত হয়, তারা বিভিন্ন খ্রিষ্টিয় উপাসনা ও আনন্দ উৎসব করে এই দিনে।

হ্যালোয়েন এ যা যা করা হয়ঃ

ট্রিক অর ট্রিটিংঃ শিশুরা ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষের কাছে বিভিন্ন সাহায্য চায়, এটি এ জন্য হয়েছিলো যে তখন "অল সেন্টস ডে" উৎসব পালনের জন্য প্রচুর খাবার দাবার প্রয়োজন হতো,শিশুদের মাধ্যমে তাই ধর্মযাজকদের উৎসবের জন্য খাবার ও অর্থকড়ি সংগ্রহ করা হতো। আমেরিকায় অনেক মুসলমান না জেনেই তাদের সন্তানদের মানুষের বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয় চকলেট সংগ্রহের জন্য, সেখানে এমন কোন হ্যালোয়েন নেই যে বার কোন শিশু ধর্ষিত হয়নি কিংবা শারীরিক নির্যাতনের স্বীকার হয়নি।

বাদুর ও কালো বিড়ালের সঙ এ সাজাঃ সেল্টিক জাতির বিশ্বাস হলো বাদুর ও কালো বিড়ালদের বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে মৃত আত্মাদের সাথে মিলিত হবার,তাই তারা এ সাজে সজ্জিত হতো। যে বিশ্বাস মুসলমানদের ইমান ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট,কারন আমরা বিশ্বাস করি আমাদের আল্লাহ আমাদের মৃত মানুষদের সাথে দেখা করাবেন শেষ দিবসে।

জ্যাক ও ল্যানটার্নঃ (মিষ্টি কুমড়ার প্রদিপ) কেল্টিক বিশ্বাস অনুযায়ী জ্যাক নামের এক লোক একবার শয়তানকে তার সাথে মদ পান করার জন্য ডাকলেন। শয়তান তার আহবানে সাড়া দিয়ে মদ পান করতে আসলো জ্যাক এর সাথে, মদ পান শেষ করে জ্যাক বললো আমার কাছে তো টাকা নাই তুমি কি নিজে কয়েন হতে পারবে যাতে আমি মদের টাকা শোধ করতে পারি, শয়তান সরল মনে তাকে বিশ্বাস করলো এবং কয়েন হয়ে গেলো, কিন্তু দেখা গেলো জ্যাক তাকে পকেটে ঢুকিয়ে আর বের করছেনা,শেষে শয়তান অনেক অনুনয় বিনয় করতে লাগলো তাকে ছেড়ে দেবার জন্য, জ্যাক তার কথায় রাজি হলো এই শর্তে যে শয়তান আর কখনো তাকে বিরক্ত করবেনা এবং তার মৃত্যূর পর তাকে দাবি করবেনা।

একদিন জ্যাক মারা গেলো স্রষ্টা জ্যাককে স্বর্গে নিতে চাইলোনা কারন সে মদখোর আর শয়তান তাকে নরকে নিতে পারছেনা যেহেতু সে ওয়াদা করেছ,তারপর শয়তান কয়েক টুকরা জ্বলন্ত কয়লা সহ জ্যাককে ছেড়ে দিলো অন্ধকার ঘরে, জ্যাক সেখানে একটা মিষ্টী কুমড়া পেলো যাকে ছিদ্র করে তার ভেতরের সব উপাদান বের করে জলন্ত কয়লা রাখলো এবং অনেক বেশি আলোকিত হলো। সেই থেকে জ্যাক এর আত্মা সারা দুনিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।

চিন্তা করে দেখুন এখানে শয়তানকে জাহান্নামের মালিক বানিয়ে দেয়া হয়েছে অথচ এই জান্নাত জাহান্নাম সব কিছুর একক মালিকানা আমাদের মহান রবের।

ইসলাম কি বলেঃ পুরো বর্ননার কোথাও কি গুরুত্বপূর্ন পালনীয় কিছু পেয়েছেন? আসলে পাননি। আপনি কি মুসলিম? তাহলে কি করে আপনি বিশ্বাস করেন বিড়াল বাদুরের সাথে মৃত মানুষের দেখা হয়, আপনি কি করে বিশ্বাস করেন জ্যাক নামের মানুষ শয়তানকে পকেটে বন্দী করে, কি করে আপনি বর্বর মূর্তিপূজক জাতির ঐতিহ্য আপনার বুকে লালন করেন?

এই বর্বর জাতিয়তাবাদকে মুছে দেবার জন্যই তো ১৪ শ বছর আগে আমাদের দয়াল নবী এ দুনিয়ায় এসেছেন,এ অন্ধকার দূর করার করার জন্যই তো তিনি সংগ্রাম করেছেন,তাহলে আপনারা কি করে আবার সে অন্ধকারে প্রবেশ করছেন?

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীঃ “যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের সাথে সামঞ্জস্য রাখল সে তাদের অন্তর্ভুক্ত”। [আবু দাউদঃ ৩৫১৪]

তাহলে আমরাও কি মুসলিম থেকে বর্বর ক্যালটিক জাতি হতে চাই? প্রশ্ন রইলো মুসলমানের বিবেকের কাছে।"

তথ্যসূত্রঃ
১. http://www.history.com/
২. https://en.wikipedia.org/
৩. http://islam.about.com/
৪.Toby Ibbotson’ Mountwood School for Ghosts
৫.All Things Halloween by natasha

*হ্যালোয়েন* *ইতিহাস* *মুর্তিপূজারী* *নাস্তিক*

প্যাঁচা : আমাকে দেখে নাকি *আস্তিক* মনে হয় না। এই কথা গতকাল শুনে খুবই অবাক হইছি।হাহাহা...কেবল জিগেস করছি,"কেন আস্তিকরা কেমন হয় দেখতে"? সারাদিনে পাচটা লোক হাত পাতছে, আমি সাহায্য করলাম তিনজনরে, আপনি করলেন না একজনেরেও অথচ সেই আপনিই আমারে *নাস্তিক* বলে ধারণা করতেছেন। কোথায় যে যাইতাছে আমাদের মানসিকতা।সবই কি কেবল দেখাবার জন্য করা? খুবই সংকিত এবং বিপর্যস্ত, প্রতিনিয়ত মনে হচ্ছে,কিছু অতিব তুচ্ছ ধ্যান ধারণার কাছেই হেরে যাচ্ছি।কবে যে একটু অবস্থানের দিকে নজর দিতে পারব?(হাসি-৩)

*আস্তিক* *নাস্তিক*

প্যাঁচা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রশ্নঃ আস্তিক বলতে কি বুঝায় ? আমরা আসলে আস্তিক কাদের বলি আর নাস্তিকই বা কাদের বুঝাই ? একটু ভেবে উত্তর দেবেন কিন্তু ?

@ZAHIRHASAN

উত্তরঃ 

 

প্রশ্নটা দেখে উত্তর দিতে মন চাচ্ছিল না কিন্তু প্রশ্নকর্তার নাম দেখেই দেবার সাহস করলাম।কারণ আজকাল এসব নিয়ে অনেকেই আছেন ভীষণ সংকীর্ণ চিন্তা করেন,তাদেরকে কিছু বলতে গেলেই তারা আপনাকে নাস্তিক বা আপনি ওনার ধ্যান ধারণার বিপক্ষে ধরে নিয়েই আপনার সাথে কোমরবেধে তর্ক করতেই পছন্দ করেন। এধরনের মানুষ একটা কথা আগেই জিজ্ঞেস করবে,"আপনি কি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন?"হাহাহা...

এখন আসল উত্তরে আসি।প্রথম কথা,আমি নিজের মতেই আস্থা রাখি কারণ সেটা আমার জন্য টেইলরড।আবার আমার জন্য সুবিধাজনক সেটা বলছি ভেবে ভুল করবেন না।তবে সবকিছুতো আর টেইলারিং করা যায় না। তাই কেউ যদি এরূপ একটা কনসট্যান্ট কিছুর মুখোমুখি হয় যা সে পাল্টাতে পারে না নিজের জন্য,আমার মতে সে-ই আস্তিক হবার সম্ভাবণা রাখে।

অনেকেই বলেন,সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করেন যিনি তিনি আস্তিক, আসলে এটা কেবল আস্তিক শব্দের অর্থ।যেমন- God বা Allah শব্দের অর্থ সৃষ্টিকর্তা। এখন যদি আমি বলি, I see god all around me  তাহলে যে কেউ বুঝে নেয় যে আসলে যা বোঝানো হয়েছে তা হচ্ছে,  I see the sign of god all around me কারণ সৃষ্টিকর্তাকে দেখার একমাত্র উপায় হচ্ছে তার কাজসমূহ তথা তার সৃষ্ট সকলকিছু বিশ্লেষণের মাধ্যমে তার উপস্থিতি বা মাহাত্মের অনুসন্ধান লাভ করা।তাই একইভাবে আস্তিক শব্দের অর্থ যদিও “সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস” কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে কেউ আস্তিক বা কেউ আস্তিক না এটা কেবল তার কাজসমূহের নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের মাধ্যমে, যিনি সেই ব্যক্তিকে তৈরী করেছেন তিনিই কেবল এই সীদ্ধান্তে উপনিত হতে পারবেন বা সীদ্ধান্ত দেবার ক্ষমতা রাখেন।

আবার একেশ্বরবাদের কথাও বলতে পারেন,আবার যে বিধর্মী সে যদি একেশ্বরবাদেও বিশ্বাস করে সে কি আস্তিক হবে?আবার আস্তিক যদি নিজেকে স্রস্টার সমপর্যায়ে নিয়ে আসে নিজেকে যেমন-আমি আরেকজনকে নাস্তিক বলে দিলাম বা কোন অপরাধের জন্য কাউকে মেরে ফেললাম, তাহলে সে কি আস্তিক থাকবে?হাহাহা...কি জানি।আমি আস্তিক হয়ে যদি আরেকজন নাস্তিককে কেবল নাস্তিকতার জন্য ঘৃণা করি বা এড়িয়ে চলি তাহলে এই বৈষম্যতার জন্ম দেয়ার কারণে কি আমার আস্তিকতা প্রশ্নের মুখোমুখি হবে?

আমার জানামতে, ইসলাম সাম্যবাদের কথা বলে।তাহলে আমি যদি খৃষ্টানকে খৃষ্টান হবার কারণে নাস্তিক বলি তাহলে সেখানে কি সাম্যবাদ তথা ইসলাম থাকল আর যেখানে আমি নিজেই ইসলামকে ধারণ করতে পারলাম না সেখানে আমার আস্তিকতা কি টিকে থাকল?

আবার আমি একেশ্বরে বিশ্বাসী হলাম কিন্তু তার দেয়া আদেশ নিষেধ মানলাম না,তাহলে আমি কি আসলে সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করলাম?সেই মতে আমাকে যদি বলা হয় তুমি নামাজ পড় না পাঁচ ওয়াক্ত তাহলে তুমি নাস্তিক,আমারতো আসলে বলার কিছু নাই।কিন্তু যিনি বলছেন আমাকে নাস্তিক,তিনি কি আসলে আস্তিক?হয়ত উনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন,একেশ্বরেও বিশ্বাস করেন কিন্তু উনি একজন বিধর্মীকে কেবল বিধর্মী হবার কারণে নাস্তিক বলছেন বা একজন মুসলিমকে তার ভুল বিশ্বাসের কারণে নাস্তিক বলছেন যা ওনার করার কথা না বরং সৃষ্টিকর্তার তা নির্ধারণ করার কথা।উনি খুব বেশি হলে ঐ ভুল বিশ্বাসীকে সঠিক বিশ্বাসের দেখা পাবার জন্য সহায়তা করতে পারেন কিন্তু ঐ ভুল বিশ্বাসীর বিচার উনি নিজের হাতে তুলে নিতে পারেন না।নিজেই জাজ,জুরি হতে পারেন না।

আপনি আজকে আস্তিক মানেই কি কালকেও আপনি আস্তিক থাকবেন? কাল কি আপনি কোন ভুলের কারণে নাস্তিকতার পরিচয় দেবেন না বলে কি আপনি নিশ্চিত? আপনি যদি নিশ্চিত হন, তাহলে আপনি কি নিজের উপর আস্থা থেকে বলছেন? নাকি অহংকার থেকে বলছেন? নাকি নিজেকে সৃষ্টিকর্তার সমপর্যায়ে নিয়ে আসছেন? আর তাহলে কি আপনি শিরক করছেন না আর তাহলে কি আপনি নিজেও ভুল বিশ্বাসের কাজ করছেন না, যা হয়ত আরেকজন করছেন বলেই আজকে এই আস্তিক-নাস্তিকের সংজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন আসছে?

সুতরাং আস্তিক-নাস্তিকের সংজ্ঞার কথা কোনদিনই আপনার আমার মাঝে আসা উচিৎ না বা কেবল সংজ্ঞা দিয়ে আস্তিকতা-নাস্তিকতা যাচাই করা সম্ভব নয়। আর সেজন্যই এই দুটো সংজ্ঞা মুছে দিয়ে এইটা বরং ভাবা উচিৎ, যে সৃষ্টিকর্তাকে আপনি বিশ্বাস করেন,তিনি যদি হিন্দু,বৌদ্ধ,খৃষ্টান,ইহুদী,মুসলমান সবাইকে একইভাবে তৈরী করতে পারেন এবং একই প্রক্রিয়ায় পৃথিবীর আলোতে তাদের থাকার ব্যবস্থা করতে পারেন তাহলে আমি বা আপনি সেখানে ওনার কাজের বিচার করার ঔদ্ধত্য দেখালে কি তার সামনে আমার মান বাড়বে?হাহাহাহা...কি জানি? আমার আবার মাথায় অনেক সমস্যা আর তার উপর ভয় লাগে নাকি ভয় করে...হুমম...

ভাল থাকবেন। আশা করি উত্তর পাননি কারণ উত্তর দেয়াটা সম্ভব নয় কারণ তাহলে নিজেকে নিয়েই সন্দেহ জাগবে।হাহাহাহা... এমন আরো অনেক প্রশ্ন আছে যার মুখোমুখি আপনি যদি নিজেকে করেন তাহলে আপনি কোন সদুত্তর পাবেন না বা কোণ কংক্রিট মাপকাঠি পাবেন না। যেমন আপনি জানেন না আপনি বেহেশতে যাবেন নাকি দোজখে যাবেন? যেমন আপনি জানেন না আপনি একটি কাজে সফল হবেন নাকি হবেন না?

একইভাবে বললে, আপনি কখনি যেখানে নিশ্চিত হতে পারবেন না কে আসলে আস্তিক সেখানে কে নাস্তিক  তা বলবেন কিভাবে? তাই আপনি যদি নিশ্চিত হন, আপনি আস্তিক তাহলেই আপনি হয়ত আস্তিক বা নাস্তিক এর সংজ্ঞা দিতে পারবেন সঠিকভাবে, না হলে কেবল শব্দটির অর্থ বলতে পারবেন এর চেয়ে বেশি কিছু না।

(এর পরের অংশটি প্রশ্নের উত্তরের সাথে সংযুক্ত নয় তবে সামাঞ্জস্যপূর্ণ মনে হতেই পারে,তাই পড়া না পড়া আপনার দায়িত্ব।)

আরো কিছু কথা হয়ত না বললেই নয় আর তা হচ্ছে সৃষ্টিকর্তার অবস্থান। ভ্রূ কুচকাবেন না প্লিজ। আগে যখন মানুষ আগুন চিনত না বা ব্যবহার জানত না বা আগুন তৈরী করতে জানত না তখন আগুনের উপস্থিতি তার মাঝে সৃষ্টিকর্তার মাহাত্মের প্রতি একধরনের অগাধ বিশ্বাসের জন্ম হয়ত দিত কিন্তু যখন সে আগুন তৈরী ও ব্যবহার শিখল তখন হয়ত সে সূর্যের মাঝে সৃষ্টিকর্তার নিদর্শন দেখতে পেয়েছিল।অর্থাৎ যা কিছুই আমাদের কাছে প্রশ্নবোধক (???) তাহাই সৃষ্টিকর্তার মাহাত্ম্যের নিদর্শন বহন করবেই বা সেখানেই সৃষ্টিকর্তার দেখা পান অনেকেই।কিন্তু তাই বলে কি আগুন কি সৃষ্টিকর্তার নিদর্শন বহন করে না?এরকম দূর্বল বিশ্বাসীও আছেন যারা কেবল অজানার মাঝেই সৃষ্টিকর্তাকে দেখেন যেমনঃ পারেন তো এক ফোটা রক্ত তৈরী করে দেখান?

আমার কথা হচ্ছে, মানুষ রক্ত তৈরী করলে কি সৃষ্টি কর্তার মাহাত্ম্য শেষ হয়ে যাবে?হাহাহাহাহা...যাই হোক,অফ ট্র্যাকে চলে যাচ্ছি।মোদ্দা কথা, আগে যেখানে আমাদের সৃষ্টিকর্তার অবস্থান ছিল এখন তেমন না, সামনে এমনও থাকবে না।অর্থাৎ জ্ঞানের পরিধি যত বড় হবে আমাদের,ততই মানুষের নজর থেকে সৃষ্টিকর্তার অবস্থান ঘোলাটে হয়ে আসবে।এই কথাতে অনেকেই ক্ষেপে যেতে পারেন, কিন্তু একটা কথা ভাবুন।আগে যেমন আমাদের সৌরজগতের কেন্দ্রে পৃথিবী না সূর্‍্য এটাকেও ধর্ম তার শক্ত হাত দিয়ে প্রতিরক্ষা করত,কারণ জগতের সবকিছু সৃষ্টিকর্তার মহিমার প্রতিক ছিল কারণ মানুষের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কারণে কিছু ধূর্ত ব্যক্তি অন্যদের উপর ছড়ি ঘোরাবার জন্যই তাদের অন্ধকারাচ্ছন্ন জগতকে বাঘের ভয় দেখিয়ে জড়োসড় করে রাখত নিজেদের স্বার্থে।

কিন্তু এখন কি তা হচ্ছে?বিগ ব্যাং থিওরীর জন্য কি ইসলামের অবমাননা হয়েছেন বলে কেউ কিছু বলেছেন?হয়ত বলেছেন কেউ কিন্তু আমার জানা নেই। কথা হচ্ছে কেন এই পরিবর্তন আসলো নাকি যারা আসলে এই ধরনের দ্বন্দ্বের পুজি করে নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করে তারা আসলে “বিগ ব্যাং” নিয়ে বৈজ্ঞানিক বিশ্বের মাঝে নিজেদের কোণ স্বার্থ উদ্ধার করার মত কিছু খুজে পাননি বলেই,এই থিওরী নিয়ে কোন প্রকার ধর্মের অবমাননাকর কোনকিছুর দেখা তারা আসলে পাননি।তারাও হয়ত মেনে নিয়েছেন এই থিওরী। এই সৌরজগত তো তারই সৃষ্টি আর এর ধরন ও প্রকৃতি নিয়ে যতই কল্পণা বা থিওরী দেয়া হোক না কেন তার কারণে যদি সৃষ্টিকর্তার অবমাননা না হয়, ইসলামের অবমাননা না হয়, তাহলে এই পৃথিবীর সাধারণ নিয়ম কানুন নিয়ে কথা বললে কেন ইসলাম কিংবা সৃষ্টিকর্তার অবমাননা হবে, আমি ঠিক বুঝি না।তখনই কেন আস্তিক-নাস্তিকের সংজ্ঞা খুজতে খুজতে ডিকশনারীর সব শব্দ মুখস্থ হয়ে যেতে হবে।

এখন একজন পাগল যদি আপনাকে লাঠি নিয়ে দৌড়ানি দেয় আপনি কি করেন,ভয় পান চাই না পান আপনি উলটা দৌড় দেন। কারণ পাগলের সাথে মারামারি পাগলই করবে বা যার ভেতর সাধারণ জ্ঞান নাই সে-ই করবে।যেখানে বিশ্বের বড় বড় মনিষীরা মোহাম্মদ (সাঃ) এর ব্যাক্তিত্বের কথা স্বীকার করেছেন, সেখানে কেউ একজন এসে কি বলল তাতে কি সব পালটে গেল নাকি পৃথিবীর সব মুসলমান বা যারাই ওনাকে ভিন্ন চোখে দেখেন তা পালটে গেল এবং সেজন্য আমাদের প্রতিবাদের নামে বিশৃংখলা বা অরাজকতা করার কি এসে যায়। পৃথিবীর কেউ যদি ওনার ব্যাক্ত্বিত্যের কথা স্বীকার নাও করেন তাতেই বা কি আসে যায়, আপনি নিজে করলেই তো হচ্ছে। কোরআন শরীফ সৃষ্টিকর্তা নিজে হেফাজত করবেন বলেছেন আর যতদিন তা হেফাজতে থাকবে ততদিন হাজার কটু কথাতেও কি আসবে যাবে। কিন্তু আপনি যদি ভিন্ন ভাষাভাষির হয়ে তার তরজমা-তাফসীর করতে গিয়ে ভুল করেন তাহলে কি কোরআনের দোষ নাকি আপনার?অনেকেই ধর্মের জন্য জিহাদ করার জন্য মুখিয়ে থাকেন,তাই মুসলমানদের বিরুদ্ধে কেউ কিছু করলেই আগপিছ বিচার না করেই মুসলমানদের পক্ষে কথা বলেন আর ধর্মের দোহাই দেয়া শুরু করেন,মুসলমান মুসলমান ভাই ভাই টাইপ কথা বলেন। কিন্তু একটা কথাই ভুলে যান ইসলাম হচ্ছে জীবন বিধান। মানে কেবল মুসলমানদের জন্য না,এটা সবার জন্য আর ইসলাম যাদের জন্য তারা সবাই ভাই ভাই।হাহাহাহা...অর্থাৎ আপনি ভাল-মন্দের মাঝে তফাৎ দেখে চলবেন,ধর্মের মাঝের তফাৎ না।

আজ যদি আমি বলি পৃথীবী আসলে সৌরজগতের কেন্দ্রে আছে,আমাকে যদি আপনি অপোজ করেনও, কিভাবে করবেন। আপনি ধরেই নেবেন আমি পাথরের তল থেকে এই মাত্র বের হইছি, তাই না? আপনি কি আমি আধুনিক নাকি টাইম ট্রেভেলার এমন কিছু নিয়ে কি কথা বলবেন। বলবেন না কখনই...আস্তিক নাস্তিক শব্দ গুলো তাই মুছে দেয়া উচিত,কারণ আপনি বা আমি আস্তিক কিনা সেই ব্যাপারে নিশ্চিত হবার উপায় যখন নেই, তখন আরেকজন আস্তিক না সেটা নিশ্চিত হবার উপায় কিভাবে পাবেন।

আমি কেবল আমার কথা দিয়ে কিছু কথা বললাম। আপনার ভিন্ন মত থাকতেই পারে এবং আমার ভুল হতেই পারে। তাই আমার ভুল শুধরে দিতেই পারেন আর নিজেই যাচাই করে দেখতে পারেন। ভাল থাকবেন।

প্রশ্নের লিংকঃ www.beshto.com/questionid/40776

*রেডিও-প্যাঁচা* *আস্তিক* *নাস্তিক*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

সৃষ্টিকর্তার ব্যাপারে ভালভাবে না জানাটা- আস্তিকদের জন্য কমতি, নাস্তিকদের জন্য প্লাসপয়েন্ট!
*আস্তিক* *নাস্তিক*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমেরিকার নর্থ ক্যারোলিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন মুসলিম শিক্ষার্থীকে ক্রেইগ হিকস নামক এক নাস্তিক গুলি করে হত্যা করেছে । প্রথমে আমরা সবাই ভাবছি যে ক্রেইগ হিকস হয়ত কোন কট্টর খৃস্টান কিন্তু পরবর্তীতে The New York Times ক্রেইগ হিকসের স্ত্রী কারেন হিকসের বরাত দিলে বলল যে উনার স্বামী একজন কট্টর নাস্তিক যিনি সবসময় সমকামিতা ও গর্ভপাতের পক্ষে কথা বলেছেন এবং কেউ যদি কোন অদৃশ্য শক্তির আরাধনা করত তাইলে নাকি ক্রেইগ হিকস তার উপর খেপত।


ক্রেইগ হিকস যদি সত্যি নাস্তিকই হন এবং মানুষের ধর্মচর্চা করা যদি ক্রেইগ হিকস অপছন্দ করেন তাইলে উনি কেন আগে গোটা কয়েক ক্যাথলিক খৃষ্টানকে খুন করল না। কারন প্রতি রবিবারে আমেরিকান খৃষ্টানরা দল বেধে চার্চে যায়। ক্রেইগ হিকসের সাথে আগে কখনো কোন ইহুদী খৃষ্টানের ঝামেলা হয়েছে এরকম কোন প্রমান কিন্তু উনার স্ত্রী দেখাতে পারে নাই। তাইলে বুঝাই যাচ্ছে ক্রেইগ হিকস হচ্ছে তসলিমা অভিজিত্‍ রায় টাইপ নাস্তিক। কোন মুসলমান ছেলে যদি নামায পড়ে বা কোন মুসলমান মেয়ে যদি হিজাব পরে তাইলেই তসলিমা গংদের গাত্রদহ শুরু হয়ে যায়। সাথে সাথে ঐ মুসলমান ছেলে কে তারা ছাগু, ধর্মান্ধ, মধ্যযুগী বলে গালি দেয়।

এতবড় নামকরা একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ জন শিক্ষার্থী কে হত্যা করা হল যাদের ২ জন Dental বিভাগে পড়ত আর আরেকজন স্থাপত্য বিভাগে পড়ত কিন্তু বারাক ওবামা এই হত্যাকান্ড নিয়ে এখন পর্যন্ত একটা কথাও বলল না। কিন্তু এই ৩ জনই Born By American যাদের পিতামাতাও অনেক আগে থেকেই আমেরিকায় বসবাস করে। এদের মাঝে শ্যাডি বারাকাত একজন ধর্মান্তরিত মুসলমান। উনি সিরিয়ান বংশোদ্ভত নয়। উনি একজন খাটি আমেরিকান মুসলমান ও তার বোন রাজন আবু সালহা এই ২ ভাইবোনই ধর্মান্তরিত মুসলমান। উনারা সিরিয়ান বংশোদ্ভত নয়। ভাইবোন ২ জনই খাটি আমেরিকান মুসলমান। তবে শ্যাডি বারাকাতের স্ত্রী ইউসোর আবু সালহা একজন আরব আমেরিকান মুসলিম। শ্যাডি বারাকাত অনেক আগে থেকেই সিরিয়ার উদ্বাস্তু মুসলমানদের জন্য কাজ করছে। উনারা তুরস্কেও গিয়েছিলেন সিরিয়ার উদ্বাস্তু মুসলমানদের কে সাহায্য করতে। ২ ভাইবোন ও রাজন আবু সালহার ভাইয়ের স্ত্রী ইউসোর আবু সালহা এই ৩ জন একই এপার্টমেন্টে থাকতেন। হিজাব, মসজিদে যেয়ে সালাত আদায় এসকল কারনে উনারা অনেক আগে থেকেই চ্যাপেল হিলে পরিচিত ছিলেন। রাজন আবু সালহার ফেইসবুক আইডিতে দেখা যায় উনি উনার অনেক বান্ধবীকেও মুসলমান বানিয়েছেন এবং অনেক আমেরিকার মেয়েকে উনি ইসলামের দাওয়াত দিয়েছেন। রাজন আবু সালহার ফেইসবুক আইডির লিংকটা হল এটা

https://www.facebook.com/razan.abusalha


গত বছর ডিসেম্বরের ২৭ তারিখে ইউসোর আবু সালহা শ্যাডি বারাকাত কে বিয়ে করেছিলেন যেটা এখনো উনার ফেইসবুক প্রফোইলে জ্বলজ্বল করছে। ইউসোর আবু সালহার ফেইসবুক আইডির লিংকটা হল এটা

https://www.facebook.com/yabusalha

যেইসব হিন্দু বৌদ্ধ মেয়ে সারাদিন হিজাবের বিরুদ্ধে কথা বলে তাদের কে অনুরোধ করছি রাজন আবু সালহা আর ইউসোর আবু সালহার ফেইসবুক আইডিতে একটু চোখ বুলাতে। ইউরোপ আমেরিকার শিক্ষিত মেয়েরা ইসলামে ঝুকছে এটা আমরা অনেক আগে থেকেই শুনছি কিন্তু রাজন আর ইউসোরারের মৃত্যুর পর আমরা জানতে পারলাম ইসলাম কত গভীরভাবে আমেরিকানদের হৃদয়ে জায়গা করে নিচ্ছে।

আপনারা কিছুদিন পর দেখবেন মার্কিন জুরি বোর্ড ক্রেইগ হিকস কে একজন মানসিক অসুস্থ বলে এই মামলা থেকে খালাস দিয়ে দিবে। ক্রেইগ হিকস আবার নিউইয়র্কের রাস্তায় দাঁড়িয়ে সমকামিতার পক্ষে র্যা লি করবে। যেহেতু এই ৩ আমেরিকান মুসলমান তাই BBC, CNN কেউই এই খুনের ঘটনা নিয়ে কোন উচ্চবাচ্য করবে না। আমেরিকা এই ইসলামের অগ্রযাত্রাকে রুখে দিতেই টুইন টাওয়ারের মত একটা সাজানো নাটক করেছিল। ইমিগ্রেশন ভিসা কঠিন করে না হয় মুসলমানদের আমেরিকা আসা তারা বন্ধ করল কিন্তু আমেরিকার ভিতরেই যে তাদের দেশের নাগরিকরা মুসলমান হয়ে যাচ্ছে সেটা হোয়াইট হাউস কিভাবে থামাবে ? তাই তারা 9/11 এর মত একটা সাজানো নাটক মঞ্চায়িত করল। এর দ্বারা দীর্ঘদিন তারা আমেরিকার মানুষকে মুসলমান বানানো ঠেকিয়ে রাখতে পেরেছে। আল কোরআনে নিসা নামক একটা সূরা আছে নিসা অর্থ হল স্ত্রীলোক। মেয়েদের সম্পর্কে অনেক কিছুই আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এই সূরা নিসায় আলোচনা করেছেন। বহু আমেরিকান নারীবাদী এই সূরা নিসার তাফসীর পড়েই মুসলমান হয়েছে। আল কোরআনে মরিয়ম নামে একটি সূরা আছে। হযরত মরিয়ম হলেন যীশু/হযরত ঈসার মা। বাইবেলেও মরিয়ম নামে কোন অনুচ্ছেদ নাই। বহু নান এই সূরা মরিয়ম পড়েই এখন মুসলমানের খাতায় নাম লিখিয়েছে। শিক্ষিত বিবেকবান আমেরিকানদের কে মুসলমান বানানো কোন কঠিন জিনিস না। কারন খৃষ্টানদের যীশুই হল আমাদের হযরত ঈসা আলাইহিস সাল্লাম যার নামটা আল কোরআনে মোট ২৫ বার এসেছে। একজন হিন্দু বৌদ্ধ নবী রাসূলদের সম্পর্কে কিছুই জানে না কিন্তু একটা খৃষ্টান ছেলে ইউসুফ ইসহাক ইব্রাহিম এইসব নবী রাসূলদের নাম ছোটবেলা থেকেই শুনে এসেছে। তাই ধর্ম নিয়ে আলোচনা শুরু হলে একজন খৃস্টান আর একজন মুসলমান খুব কাছাকাছি এসে পরে। আর এই কাছাকাছি এসে পরেটাকেই এখন হোয়াইট হাউস এত ভয় পাচ্ছে। চ্যাপেল হিলের এই ঘটনার পর অনেক আমেরিকান মুসলমান এখন খুব ভয়ে আছে। কারন ক্রেইগ হিকসের মত কট্টর ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিক আমেরিকার অলিতে গলিতে পাওয়া যায়। আর ক্রেইগ হিকসরা তো জানেই আমরা কয়েক বছর জেল খাটার পরেই মার্কিন বিচার বিভাগ আমাদের কে মানসিক রোগী বলে প্যারোলে মুক্তি দিয়ে দিবে। তাই যত ইচ্ছা আমেরিকান মুসলিম হত্যা কর যেন এই আমেরিকা আর কখনো মুসলিম স্পেন হতে না পারে। এই ৩ শহীদ ভাইবোনের স্মরনে Our Three Winners নামে একটি পেইজ খুলা হয়েছে। এই পেইজে আপনারা আমেরিকান মুসলমানদের দাওয়াতী কাজ সম্পর্কে জানতে পারবেন।

https://www.facebook.com/ourthreewinners
*মুসলিম* *হত্যা* *খৃষ্টান* *নাস্তিক*
*হত্যা* *খৃষ্টান* *নাস্তিক*

তাশফীন হাসান: স্ব-ঘোষিত *নাস্তিক* শফিক রেহমানের কাছ থেকে লাল গোলাপ নেয়ার সময় কিন্তু আপোষহীন নেত্রী গোলাপী ম্যাডাম খুশিতে গদোগদো হয়ে গোলাপী বর্ণ ধারন করতে একদমই দ্বিধাবোধ করেন না; কারন এই নাস্তিকটি প্রায়ই ম্যাডামের ভাষনগুলো লিখে দিয়ে থাকে।

জলিল মিয়া: *নাস্তিক* বলতে আমরা খারাপ হিসেবে নেই কেন?

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★