নিউজিল্যান্ড

নিউজিল্যান্ড নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে হামলার কারণ কি?

উত্তর দাও (৭ টি উত্তর আছে )

.
*নিউজিল্যান্ড* *ক্রাইস্টচার্চ*

খেলার খবর: একটি বেশব্লগ লিখেছে

খেলার শেষ পর্যন্ত টান-টান উত্তেজনা। কারা খেলবে এবারের বিশ্বকাপের ফাইনাল হতাশায় দুই দলের খেলোয়াড় ও সমর্থকরা। নিউজিল্যান্ডের দুই বলে দরকার ছিল ৫ রান কিন্তু একবল বাঁকী থাকতেই ছক্কা হাকিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে পৌঁছে গেল কিউইরা। এটিই নিউজিল্যান্ড দলের ১ম ফাইনাল এর আগে তারা বেশ কয়েকবার সেমিফাইনাল খেললেও একবারও ফাইনালে উঠতে পারেনি। আজকের এই জয়ের মাধ্যমে তাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হলো। বেশতোর পক্ষ থেকে  নিউজিল্যান্ড দলের জন্য রইলো অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

সেমিফাইনালের তালা ভেঙ্গে নিজেদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠেছে নিউজিল্যান্ড। ১১তম আসরে প্রথম সেমিফাইনালের বৃষ্টিবিঘ্নিত উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৪ উইকেটে হারিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে পা রেখেছেন কিউইরা। তাও আবার ৪৩ ওভারে ২৯৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করে! অপরদিকে চতুর্থবারের মতো সেমিফাইনালে উঠেও বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকার।

মঙ্গলবার অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে টস জিতে আগে ব্যাট করে বৃষ্টির কারণে ৪৩ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে ৫ উইকেটে ২৮১ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে ৪৩ ওভারে নিউজিল্যান্ডের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৯৮ রান। তবে ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, কোরি অ্যান্ডারসন ও গ্র্যান্ট ইলিয়টের দারুণ ফিফটিতে ৪ উইকেট ও ১ বল হাতে রেখে জয় তুলে নেয় নিউজিল্যান্ড।

দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারত-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের জয়ী দলের বিপক্ষে আগামী ২৯ মার্চ মেলবোর্নে ফাইনাল খেলবে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের দল।

লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ডকে ঝোড়ো সূচনা এনে দেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। প্রকৃতির বৃষ্টিতে ভেজা ইডেন পার্কে চার-ছক্কার বৃষ্টি নামান কিউই অধিনায়ক। মাত্র ২২ বলে ঝোড়ো ফিফটি তুলে নেন তিনি। তবে দলীয় ৭১ রানে মরনে মরকেলের বলে বিদায় নেন ম্যাককালাম। ডেল স্টেইনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ২৬ বলে ৮ চার ও ৪ ছক্কায় ৫৯ রান করেন ম্যাককালাম।

এরপর স্কোরবোর্ডে আর ১০ রান জমা হতেই বিদায় নেন কেন উইলিয়ামসন (৬)। ওই মরকেলের বলে বোল্ড হন তিনি। তৃতীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন মার্টিন গাপটিল ও রস টেলর। তবে দলীয় ১২৮ রানে ইমরান তাহিরের ওভারে রানআউটের শিকার হয়ে ফেরেন গাপটিল। ৩৮ বল খেলে তার সংগ্রহ ৩৪ রান। দলীয় ১৪৯ রানে রস টেলরও ফিরে যান। জেপি ডুমিনির বলে কুইন্টন ডি ককের গ্লাভসবন্দি হন ৩০ রান করা টেলর।

১৪৯ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন গ্র্যান্ট ইলিয়ট ও কোরি অ্যান্ডারসন। পঞ্চম উইকেটে ফিফটি রানের জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন দুজন। দলীয় ২০৪ ও ব্যক্তিগত ৩৪ রানে জীবন ফিরে পান অ্যান্ডারসন। সহজ রান আউট মিস করেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। স্টেইনের বলে ননস্ট্রাইকার প্রান্ত থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন অ্যান্ডারসন। তিনি ক্রিজে ফেরার আগেই বল পেয়ে যান ডি ভিলিয়ার্স। কিন্তু বলের আগে হাত দিয়ে স্ট্যাম্প ফেলে দেন প্রোটিয়া অধিনায়ক। এরপর অ্যান্ডারসন-ইলিয়ট দুজনই ফিফটি তুলে নেন।

শেষ ৪২ বলে নিউজিল্যান্ডের জয়ের জন্য প্রয়োজন পড়ে ৪৭ রান। তবে ইনিংসের ৩৮তম ওভারে মরকেলের শেষ বলে ফিরে যান অ্যান্ডারসন। ৫৭ বলে ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৫৮ রান করেন তিনি। দলীয় ২৬৯ রানে সাজঘরে ফেরেন লুক রনকি। তখন নিউজিল্যান্ডের জয়ের জন্য প্রয়োজন পড়ে ১৭ বলে ২৯ রান।

এরপর নিউজিল্যান্ডের জয়ের জন্য শেষ ৬ বলে প্রয়োজন পড়ে ১২ রান। স্টেইনের করা ওভারের তৃতীয় বলে ড্যানিয়েল ভেট্রোরি চার মেরে এবং পঞ্চম বলে ইলিয়ট ছক্কা হাঁকিয়ে নিউজিল্যান্ডকে রুদ্ধশ্বাস জয় এনে দেন। ৭৩ বলে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৮৪ রানে অপরাজিত থাকেন ইলিয়ট। ম্যাচসেরার পুরস্কারও জেতেন তিনি।

এর আগে টস জিতে আগে ব্যাট করে বৃষ্টির কারণে ৪৩ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে ৫ উইকেটে ২৮১ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে ৪৩ ওভারে নিউজিল্যান্ডের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৯৮ রান। 

দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সর্বোচ্চ ৮২ রান করেন ফাফ ডু প্লেসিস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৫ রানে অপরাজিত থাকেন এবি ডি ভিলিয়ার্স।

টস জিতে ব্যাট করতে নামা প্রোটিয়াদের শুরুতেই বিপদে ফেলে দেন নিউজিল্যান্ডের পেসার ট্রেন্ট বোল্ট। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে দলীয় ২১ রানে ওপেনার হাশিম আমলাকে বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান বোল্ট। ১৪ বল মোকাবিলা করে ২ চারে ১০ রান করেন আমলা। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে প্রোটিয়া ‍শিবিরে আবার অাঘাত হানেন বোল্ট। এবার আরেক ওপেনার কুইন্টন ডি কককে টিম সাউদির ক্যাচে পরিণত করেন এই কিউই পেসার। ডি ককের সংগ্রহ ১৪ রান।

ডি ককের উইকেট নিয়ে রেকর্ড বুকে নাম লেখান বোল্ট। বিশ্বকাপের এক আসরে নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ শিকারের রেকর্ড করেন তিনি। ডি ককের উইকেট নিয়ে অাসরে বোল্টের উইকেটসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১টি। এর আগে ১৯৯৯ বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের হয়ে ২০ উইকেট নিয়েছিলেন জিওফ অ্যালট।

৩১ রানেই ২ উইকেট হারানোর পর তৃতীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন ফাফ ডু প্লেসিস ও রিলে রুশো। ফিফটি রানের জুটি গড়ে দলকে ভালোই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন দুজন। তবে রুশোকে ফিরিয়ে ৮৩ রানের জুটি ভাঙেন কোরি অ্যান্ডারসন। রুশোকে মার্টিন গাপটিলের ক্যাচে পরিণত করেন তিনি। ৫৩ বলে ২ চার ও এক ছক্কায় রুশোর সংগ্রহ ৩৯ রান।

চতুর্থ উইকেটে এবি ডি ভিলিয়ার্সকে সঙ্গে নিয়ে বড় জুটি গড়ে তোলেন ফাফ ডু প্লেসিস। দুজনই ফিফটি তুলে নেন। ৩৮ ওভার শেষে দলের সংগ্রহ যখন ৩ উইকেটে ২১৬ রান তখন বৃষ্টি হানা দেয় অকল্যান্ডে। বৃষ্টির কারণে ২ ঘন্টা খেলা বন্ধ থাকায় ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমে ৪৩ ওভারে নেমে আসে।

খেলা আবার শুরু হলে বিদায় নেন ডু প্লেসিস। কোরি অ্যান্ডারসনের বলে উইকেটরক্ষক লুক রনকির গ্লাভসবন্দি হন তিনি। ১০৭ বলে ৭ চার ও এক ছক্কায় ৮২ রান করেন ডু প্লেসিস। ডি ভিলিয়ার্স-ডু প্লেসিস জুটিতে আসে ১০৩ রান। এরপর দলীয় ২৭২ রানে ডেভিড মিলার বিদায় নেন ব্যক্তিগত ৪৯ রান করে। তার মাত্র ১৮ বলের ঝোড়ো ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৩টি ছক্কার মার। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ডি ভিলিয়ার্স (৬৫) ও জেপি ডুমিনি (৮)।


*ক্রিকেটবিশ্বকাপ* *বিশ্বকাপক্রিকেট* *বিশ্বকাপ২০১৫* *ফাইনাল* *সেমিফাইনাল* *নিউজিল্যান্ড*

খেলার খবর: একটি বেশব্লগ লিখেছে

টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিল স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। বিশ্বকাপের শুরু থেকেই ফেভারিট তকমা নিয়ে খেলতে নামা নিউজিল্যান্ডকে বেশ ভয় পাইয়ে দিয়েছিল পুচকে স্কটল্যান্ড। স্কটল্যান্ডের দেয়া ১৪২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেট খুইয়ে ১৪৬ রান করে ম্যাচ জিতে নেয় নিউজিল্যান্ড। টস জিতে ব্রেন্ডন ম্যাককালাম এর ফিল্ডিং নেয়ার সিদ্ধান্ত যথাযথ ভাবেই প্রমাণ করেছে কিউই বোলাররা। 


ড্যানিয়েল ভেট্টোরির ঘুর্নি যাদুতে এবং কোরি এন্ডারসন এর নিয়ন্ত্রিত বোলিং এ ৩৬.২ ওভারেই ১৪২ রানেই অল আউট হয়ে যায় স্কটল্যান্ড । ভেট্টোরি এবং কোরি ৩টি করে উইকেট নেন , বোল্ট নেন ২ উইকেট । জবাবে ব্যাট করতে নেমে স্কটিশ পেসার ডেভি এবং ওয়ার্ডলয়ের বোলিং তোপে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে নিউজিল্যান্ড। কিন্তু কেন উইলিয়ামসন এর ৩৮ রান কিউইদের জয়ের মুখ দেখায়। দুই ম্যাচে দুই জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলে সবার শীর্ষে নিউজিল্যান্ড। 
*নিউজিল্যান্ড* *স্কটল্যান্ড* *ক্রিকেটবিশ্বকাপ* *বিশ্বকাপ২০১৫*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি ২০১৫ ক্রিকেট বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক দেশ নিউজিল্যান্ড। এমনিতেই প্রতিবছর প্রায় ২০ লক্ষ পর্যটক নিউজিল্যান্ডে বেড়াতে আসে কিন্তু বিশ্বকাপ ক্রিকেট উপলক্ষে এবছরের প্রথম দিকেই হাজার হাজার বিদেশী পর্যটক নিউজিল্যান্ডে ভিড় জমিয়েছেন। বিশ্বকাপ ক্রিকেট খেলা দেখা এবং সেই সাথে নিউজিল্যান্ডের সৌন্দর্য্য উপভোগ করাই পর্যটকদের মূল উদ্দেশ্য।

স্বপ্নের দেশ নিউজিল্যান্ডঃ
নিউজিল্যান্ডকে সাধারণত একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ দেশ হিসেবে অাখ্যায়িত করা হয়। নিউজিল্যান্ডের মিলফোর্ড সাউন্ড এবং টোঙ্গারিরো আল্পীয় ক্রসিং-এর মত প্রাকৃতিক অঞ্চলগুলি সারা বিশ্বের পর্যটকদের নজর কাড়তে সক্ষম। বান্‌জি জাম্পিং ও সাগরে তিমি দেখা পর্যটকদের মধ্যে জনপ্রিয়। বেশিরভাগ পর্যটক অকল্যান্ড আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মাধ্যমে নিউজিল্যান্ডে প্রবেশ করে। এরপর অনেকে কোচ বা ভাড়া গাড়ির মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘুরে বেড়ায়।

নিউজিল্যান্ডের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থানের ছবিঃ

মিলফোর্ড সাউন্ডের কাছে বরফাবৃত পর্বত










হোয়াংগানুই নদীর পাড়ে পাহাড়









প্রাণঘাতী গরম পানির ঝর্ণা


*ভ্রমন* *ট্রাভেল* *নিউজিল্যান্ড* *বিদেশভ্রমন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★