নিঝুম দ্বীপ

নিঝুমদ্বীপ নিয়ে কি ভাবছো?
ছবি

ট্রাভেলার: ফটো পোস্ট করেছে

চিত্রা হরিণের অরণ্য, নিঝুম দ্বীপ

এই শীতে সঙ্গী নিয়ে ঘুরে আসুন চিত্রা হরিণের অরণ্য, নিঝুম দ্বীপ থেকে..

*ট্রাভেল* *ভ্রমন* *বান্দরবান* *নিঝুমদ্বীপ*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অপার সম্ভাবনাময় প্রাকৃতিক সম্পদ আর নজরকাড়া সৌন্দর্যে ভরপুর রূপসী বাংলাদেশে রয়েছে হাজারও ভ্রমন স্পট। ভিন্নধর্মী সব বৈশিষ্ট্যের কারনে ভ্রমন পিপাসুদের কাছে সব ভ্রমন স্পটের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। ভ্রমন পিপাসুদের কাছে তেমনি গুরুত্বপূর্ণ একটি  ভ্রমন স্পট হচ্ছে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার ছোট্ট দ্বীপ, নিঝুম দ্বীপ। একে 'দ্বীপ' বলা হলেও এটি মূলত একটি 'চর'। নিঝুম দ্বীপের পূর্ব নাম ছিলো চর-ওসমান। নানা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য এ ভরপুর ও চিত্রা হরিণের আবাস্থল হিসেবে নিঝুম দ্বীপ বেশ জনপ্রিয়।

নিঝুম দ্বীপের যে সৌন্দর্য্য গুলো আপনার মন কেড়ে নিতে সক্ষম হবেঃ
নিঝুম দ্বীপে আছে একটি জাতীয় উদ্যান যেখানে রয়েছে অসংখ্য চিত্রা হরিণ। নিঝুম দ্বীপের মতো  অন্য কোন বনে কাছাকাছি থেকে এত বেশি চিত্রা হরিণ দেখা যায় না। শীতে নানান রকম অতিথি পাখি এই দ্বীপে বেড়াতে আসে। অতিথি পাখির বিচরণ ও চিত্রা হরিণের ছোটাছুটি সহজেই আপনার মন কেড়ে নিতে সক্ষম। শীতকালে নিঝুম দ্বীপের সৌন্দর্য্য বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। তাই ইচ্ছে থাকলে সঙ্গী নিয়ে, ঘুরে আসতে পারেন চিত্রা হরিণের দেশ থেকে। অবশ্য নিঝুম দ্বীপে পর্যটকদের থাকার ভালো ব্যবস্থাও আছে।

নিঝুম বনে আরও আছে উদ্বিড়াল, মেছো বাঘ, খেকশিয়াল ইত্যাদি। দ্বীপে পাখিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল— নিশি বক, কানিবক, গোবক, পানকৌড়ি, ধূসর বক, কাদাখোঁচা, বালিহাঁস, লালপা, নানান জাতের মাছরাঙ্গা ইত্যাদি। পৃথিবী বিপন্ন ইন্ডিয়ান ইস্কিমার বা দেশী গাঙচষার অন্যতম বিচরণস্থল এই দ্বীপ।

নিঝুম দ্বীপে বেড়ানোর মূল আকর্ষণ এখানকার বন। ভালোভাবে জঙ্গল দেখতে হলে ‘নামা’ বাজারের পাশের খাল ধরে নৌকায় চড়ে যেতে হবে চৌধুরীর খালে। এই খাল একেবারে জঙ্গলের ভেতরে চলে গেছে। বেশি হরিণ দেখতে হলে নৌকায় কিংবা বনের পাশে কোথাও নিজেদের আড়াল করে নীরবে অপেক্ষা করতে হবে। এছাড়া নিঝুম দ্বীপে আছে সমুদ্র সৈকত। জনমানবহীন এই সৈকতেও বেড়াতে পারেন। আর এখানকার অধিবাসীদের জীবনযাত্রা দেখতে ভুলবেন না।

কিভাবে নিঝুম দ্বীপে যাবেন জেনে নিনঃ
ঢাকা থেকে দুই উপায় নিঝুম দ্বীপ  যাওয়া যায়। তুলনামূলক আরামদায়ক ও সহজ পথ হল ঢাকার সদরঘাট থেকে লঞ্চে হাতিয়ার তমরুদ্দী।

সদরঘাট থেকে একটি করে লঞ্চ প্রতিদিন তমরুদ্দীর উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। ঢাকা থেকে বিকেল পাঁচটায় ছেড়ে তমুরুদ্দী পৌঁছাতে পরদিন সকাল হয়ে যায়। সেখান থেকে বন্দরটিলা ঘাট এ যেতে অটো রিকশা এ সময় লাগে । রিজার্ভ নিলে ভাড়া ৪শ’ থেকে ৫শ’ টাকা। যাওয়া যাবে তিন থেকে চারজন। সেখানে ট্রলারে চ্যানেল পার হলেই বন্দরটিলা। এরপর আবার নিঝুম দ্বীপের নামা বাজার যেতে হবে রিকশা কিংবা অটো রিকশায়। ভাড়া ৮০ থেকে দেড়শ টাকা। তারমানে সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে যাত্রা করে পরদিন দুপুরে পৌঁছানো যাবে নিঝুম দ্বীপে।

নিঝুম দ্বীপে যাওয়ার অন্য রাস্তা হল সড়ক পথ...
প্রথমে যেতে হবে নোয়াখালীর সোনাপুর। সেখান থেকে অটো রিকশা নিয়ে যেতে হবে চর জব্বার ঘাটে। এরপরে সি ট্রাক কিংবা ইঞ্জিন নৌকায় চড়ে যেতে হবে হাতিয়ার নলচিরা ঘাট। সেখান থেকে আবার বাস কিংবা অটো রিকশায় জাহাজমারা বাজার। জাহাজমারা বাজার থেকে আবার ইঞ্জিন নৌকায় যেতে হবে নিঝুম দ্বীপ। তবে ভ্রমণে গেলে ঢাকার সদরঘাট থেকে লঞ্চে যাওয়াই ভালো।

যা না খেয়ে ফিরবেন নাঃ
রসভরি পিঠা - রসে টইটুম্বুর থাকে বলেই এই পিঠার নাম রসভরি। এই পিঠা নোয়াখালীর একেবারেই নিজস্ব, ভাল হাতে তৈরী হলে এই পিঠা স্বাদে অতুলনীয় হয়ে ঊঠবে।

থাকবেন কোথায় আর খরচ কেমন হতে পারেঃ
নিঝুম দ্বীপে থাকার জন্য একমাত্র ভালো মানের জায়গা হল অবকাশ পর্যটনের নিঝুম রিসোর্ট। এখানে দুই শয্যার কক্ষ ভাড়া ১ হাজার ৫শ’ টাকা। তিন শয্যার কক্ষ ১ হাজার ৮শ’ টাকা। চার শয্যার কক্ষ ২ হাজার টাকা। ৫ শয্যার ডরমিটরির ভাড়া ১৮ হাজার টাকা। ১২ শয্যার ডরমিটরি ৩ হাজার টাকা।

বুকিং সুবিধা
ঢাকা থেকে এ রিসোর্টের বুকিং দেওয়া যায়। যোগাযোগ: অবকাশ পর্যটন লিমিটেড, শামসুদ্দিন ম্যানশন, ১০ম তলা, ১৭ নিউ ইস্কাটন, ঢাকা। ফোন: ০২-৮৩৫৮৪৮৫, ৯৩৪২৩৫১, ০১৫৫২৪২০৬০২।

নিঝুম দ্বীপে প্রচুর হরিণ দেখতে হলে ভ্রমণকালীন কিছু বিষয় মাথায়রাখা উচিত। যেমনঃ-
১.বনের ভেতরে চলতে হবে নিঃশব্দে। সামান্য হৈচৈ করলে এখানে হরিণের দেখা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
২.জঙ্গলে ট্রেকিংয়ের সময় যথা সম্ভব সবাই হালকা রংয়ের সুতি পোশাক পরবেন। বন্য প্রাণীদের দৃষ্টি খুব প্রখর। বেশে উজ্জ্বল রং এর পোশাকের কারণে দূর থেকে দেখে ফেলতে পারে।

বন্ধুরা, জানা হলো অনেক কিছু এবার তাহলে বেড়িয়ে আসার পালা। ঘুরে আসুন নিঝুম দ্বীপ থেকে আর চিত্রা হরিণের অরণ্য, নিঝুম দ্বীপ  ঘুরে কেমন লাগল তা আমাদের মাঝে শেয়ার করতে একদম ভুল করবেন না।


*ভ্রমন* *ঘুরেএলাম* *নিঝুমদ্বীপ* *বান্দরবান* *ভ্রমনগাইড* *নতুনভ্রমন* *ছুটিতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের একটি ছোট্ট দ্বীপ।এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অর্ন্তগত ।একে 'দ্বীপ' বলা হলেও এটি মূলত একটি 'চর'। নিঝুম দ্বীপের পূর্ব নাম ছিলো চর-ওসমান। ওসমান নামের একজন বাথানিয়া তার মহিষের বাথান নিয়ে প্রথম নিঝুম দ্বীপে বসত গড়েন। তখন এই নামেই এর নামকরণ হয়েছিলো। পরে এই নাম বদলে নিঝুম দ্বীপ নামকরণ করা হয়। মূলত বল্লারচর, চর ওসমান, কামলার চর এবং চুর মুরি- এই চারটি চর মিলিয়ে নিঝুম দ্বীপ। প্রায় ১৪,০৫০ একরের দ্বীপটি ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দের দিকে জেগে ওঠে। এখানে ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দের আগ পর্যন্ত কোনো লোকবসতি ছিলো না, তাই দ্বীপটি নিঝুমই ছিলো। বাংলাদেশের বনবিভাগ ৭০-এর দশকে তাদের কার্যক্রম শুরু করে। প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে চার জোড়া হরিণ ছাড়ে। নিঝুম দ্বীপ এখন হরিণের অভয়ারণ্য। অভয়ারণ্য। ম্যানগ্রোভ বনের মধ্যে সুন্দরবনের পরে নিঝুম দ্বীপকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন বলে অনেকে দাবী করেন।

কেন যাবেন নিঝুম দ্বীপ ?

এখানে সমুদ্রের বুকে হেলে পড়ে অস্তগামী সূর্য, হাজার পাখির কলতান নিস্তব্দতার ঘুম ভাঙ্গায়, মায়াবী হরিনের পদচারনায় মুখরিত হয় জনপদ, সারি সারি কেওড়া গাছের কোল ঘেষে বয়ে চলে নদী, চুপিসারে কাছে ডাকে, মায়াবী ইন্দ্রজানে বেধে ফেলে মনুষ্যপ্রজাতীকে। সমুদ্রকোল হতে সরু খাল সবুজের বুক চিরে চলে গেছে গহীন বনে। সে যে সবুজ আর নোনা জলের কি এক প্রেমকাব্য না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। যেন সবুজ গালিচা বিছিয়ে দেয়া হয়েছে সমুদ্রের তলানী পর্যন্ত। স্বচ্ছ পানির নিচে সবুজ ঘাষ আর মাছেরা খেলা করে আপন খেয়ালে। দেখলেই মন চাইবে ঝাপিয়ে পড়ে পরাণ জুড়াই। এ এমনই এক মায়াবী প্রকৃতি যা শহুরে কর্মচঞ্চল মানুষদের নতুন এক জীবন দেয়। নিঝুম দ্বীপ- সত্যিই নিঝুম।

এখানে নেই পর্যটনের চাকচিক্য, রং চংগা বাতির ঝলক কিংবা যান্ত্রিক কোন বাহনের বিকট শব্দ । শীতে নদী শান্ত থাকে বলে প্রকৃতিকে ভিন্ন স্বাদে উপভোগ করতে ভ্রমণপিয়াসীরা ছুটে যায় নিঝুম দ্বীপে। চিত্রা হরিনের চঞ্চল ছুটে চলা আর পাখির কলতান উপভোগ করার জন্য যেন প্রকৃতি আমাদেরকে বিলিয়ে দিয়েছে এই সম্পদ। প্রায় ৬০ হাজারেরও  বেশি হরিণের ছুটোছুটিতে এ দ্বীপের অরণ্য থাকে সর্বদাই মুখরিত। যারা বনবাদাড় মাড়িয়ে পায়ে হেঁটে সৈকত আর সমুদ্র বালুচর দেখতে আগ্রহী তাদের জন্য আরও আকর্ষণীয় এখন নিঝুম দ্বীপ। শীতের সময় শরীরকে একবার চাঙ্গা করে নিতে হলে এখন ঘুরে আসতেই হয় বঙ্গোপসাগরের চোখসদৃশ এ দ্বীপে।

কিভাবে যাবেন ?

নিঝুম দ্বীপে যেতে হলে, ঢাকা থেকে আপনাকে প্রথমে হাতিয়া যেতে হবে। সদরঘাট থেকে হাতিয়ার উদ্দেশ্যে নিয়মিত লঞ্চ/স্টীমার ছেড়ে যায়, এম.ভি.ফারহান অথবা এম.ভি.টিপু হলে খুব ভালো হয়, ভোর নাগাদ আপনি হাতিয়া পৌছে যাবেন। হাতিয়া তমুরুদ্দী ঘাট থেকে ভাড়া করা ইঞ্জিন বোটে করে নিঝুম দ্বীপ যেতে হবে, ২-৩ ঘন্টা সময় লাগবে। নিঝুম দ্বীপে থাকার জন্য একমাত্র হোটেল হচ্ছে, হোটেল অবকাশ। কিছু বোর্ডিং রয়েছে, কিন্তু সেগুলোর অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। খুব ভালো হয় যদি সাথে ক্যাম্পিং এর জিনিসপত্র নিয়ে যেতে পারেন। খাওয়া-দাওয়ার জন্য ওখানে কিছু রেস্টুরেন্ট পাবেন। চাইলে হোটেল অবকাশ থেকে বাবুর্চি ভাড়া করতে পারেন। বার.বি.কিউ. করার জন্য হোটেল অবকাশের নিজস্ব ভালো ব্যবস্থা রয়েছে। নিঝুম দ্বীপে যাবার সবচেয়ে ভালো সময় হচ্ছে, অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারী। যদি বড় বড় ঢেউয়ের রোমাঞ্চ পেতে চান, তাহলে জুন-জুলাই মাসে যেতে পারেন।

ট্রেনে যেতে চাইলে প্রথমে কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে নোয়াখালী রেলওয়ে ষ্টেশন যেতে হবে। এরপরে বাসে নোয়াখালী চ্যায়ারঘাট যেতে হবে, তারপরে সী ট্রাকে হাতিয়া নলছাড়া যাবেন। হাতিয়া নলছাড়া থেকে ট্যাক্সিতে জাল্যাখালী (জালিয়াখালী) ঘাট যেতে হবে। তারপর, নদী পারাপারের নৌকাতে বন্দরটিলা ঘাট পার হয়ে রিক্সা অথবা টেম্পুতে নামার বাজার গিয়ে নামবেন।

অপরুপ সৌন্দর্যের নিঝুম দ্বীপ :

লম্বা পথের ভ্রমন শেষে আপনি যখন নিঝুম দ্বীপে পৌছাবেন এখানকার কচি ডাব আপনার ক্লান্তি দুর করবে নিশ্চয়ই। কক্সবাজার বা কুয়াকাটার মত এখানে ডাবের বিকিকিনি হয় না। যাদের ডাব গাছ আছে তাদেরকে অনুরোধ করলে হয়তো অর্থের বিনিময়ে পেয়ে যাবেন এই প্রাকৃতিক পানীয়। এখানে একটি স্থানীয় বাজার আছে, নামাবাজার। আপনি ইচ্ছা করতে এখান হতে চা, নাস্তা, দুপুর আর রাতের খাবার পেতে পারেন।

নিঝুমদ্বীপে যে কয়টি উপভোগ্য বিষয় আছে তার ভীতর মূল আকর্ষণ হলো হরিণ দর্শন। এখানে একটি ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট রয়েছে। আর বনবিভাগ সেটিকে ঘোষনা করছেন হরিনের অভয়ারণ্য হিসেবে। হাজার হাজার হরিনের পদচারনায় মুখরিত থাকে এ বন। হরিন দেখতে যাবার জন্য এখানে ট্রলার ভাড়া পাওয়া যায়। আপনি একটি ট্রলার ভাড়া করে চলে যেতে পারেন সেখানে। ট্রলার যখন সাগরের মোহনা হতে সরু খালে ঢোকে সে এক অভাবনীয় দৃশ্য।  গাছের ফাকে কিংবা মাঠেই দেখা যাবে হরিনের দল ছুটোছুটি করছে। কেউ কেউ জল খেতে হয়তো চলে এসেছে নদীর কিনারে। মায়াবী চিত্রা হরিনের মায়াবী টানে আপনি আরো উদগ্রীব হয়ে উঠবেন ভীতরে যাবার জন্য। বনের ভীতরে ঢুকে আপনি সম্পূর্ণ সুন্দরবনের স্বাদ পেয়ে যাবেন, শুধু বাঘ ছাড়া :)। নিঃশব্দে কিছুক্ষন বনের গহীনে এগুলেই আপনার চোখে পড়বে হরিনের পাল। সবল সতেজ হরিনের ছুটে চলা আপনাকে বিমোহিত করে তুলবে। ভোর বেলা রওয়ানা হলে হরিন দেখে আপনি দুপুরের আগেই রিসোর্টে ফিরে আসতে পারবেন।

এখানে সাগর বা নদীর পানিতে গোসলের কাজটি সেরে নিতে পারে। অসুবিধা একটাই সেটা হলো এখানে কোন বালুকাময় সৈকত নেই। কর্দমাক্ত সৈকত। তবুও ভিন্ন একটি স্বাদ পাবেন। বিকেলের সূযাস্ত আর একটি লোভনীয় দৃশ্য। কর্দমাক্ত সৈকতে দাড়িয়ে আপনি উপভোগ করতে পারেন এই দৃশ্য। মোটেও খারাপ লাগবে না। আপনি নিজেকে ভাগ্যবান দাবী করতে পারেন যদি রাতটি হয় পূর্নিমা রাত। নিঃশব্দ দ্বীপের খোলা মাঠে শুয়ে আকাশের তারা দেখার সৌভাগ্য কজনারই বা হয়?

এখানে আর একটি উপভোগ্য বিষয় হলো রাতের ক্যাম্প ফায়ার আর বারবি-কিউ। অবাক হবেন না। এখানে বিখ্যাত কোন হোটেল নেই যে আপনার জন্য বারবি-কিউ করবে। তবে নিঝুম রিসোর্টের  বারবি-কিউ করার জন্য উপযুক্ত যন্ত্রপাতি রয়েছে। আপনি খরচের টাকা দিলেই হয়ে যাবে চিকেন বারবি-কিউ। তবে আর একটি ভিন্ন রকমের বারবি-কিউ আপনি করতে পারেন। তা হলো ইলিশ বারবি-কিউ। মৌসুমটি যদি ইলিশের হয়, তবে আপনি মহা ভাগ্যবান বলতেই হবে। এই স্বাদ আপনি মনে রাখবেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত। ইলিশ বারবি-কিউ, হোটেলের পরোটা আর খোলা আকাশের নিচে গলা ভরা গান যেন এক মায়াচ্ছন্ন মুহুর্তের সৃষ্টি করবে।

(সংকলিত)

*ভ্রমণ* *নিঝুমদ্বীপ* *ছুটিতেভ্রমণ*

মহিন আহমেদ: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 নিঝুম দ্বীপ কোথায় অবস্থিত?

উত্তর দাও (৯ টি উত্তর আছে )

*নিঝুমদ্বীপ* *নোয়াখালী* *দ্বীপ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★