নিরাপত্তা

নিরাপত্তা নিয়ে কি ভাবছো?

Mahi Rudro: . নারীর নিরাপত্তা দেয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব--- মানলাম। কিন্তু যে নারী প্রতি রাতে স্বামীর হাতে ধর্ষিতা হয়, তার নিরাপত্তা কে দেবে ? যে কিশোরী কাকা মামা দাদা'র হাতে ধর্ষিতা হয়, তার নিরাপত্তা কে দেবে ?

*নিরাপত্তা*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নিজের প্রিয় আবাসস্থল  বা কাজের জায়গা নিরাপদে থাকুক, এ তো সবাই চায়। বর্তমান বিশ্বে আবাস বা কর্মস্থলের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্ব নিচ্ছে বিভিন্ন রকম নিরাপত্তা ডিভাইস। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে অফিস, রেস্তোরাঁ, হোটেল এসব স্থান ছাড়া এসব ডিভাইস সাধারণ বাসা-বাড়িতে খুব একটা নজরে আসে না। তবে সচেতন মানুষ হিসেবে প্রযুক্তির এই কল্যানগুলো আমাদের ব্যবহার করে নিজেকে, নিজের পরিবারকে, নিজের আবাস্থল, নিজের কাজের জায়গাকে নিরাপদে রাখার দায়িত্ব কিন্তু আপনার উপরই বর্তায়। কে জানে, হয়তো সামান্য অসাবধানতাই হতে পারে সারাজীবনের কান্না। আপনার বাসায় বা অফিসে সিকিউরিটি ডোর অ্যালার্ম আছে তো ! না থাকলে আজই লাগান।  

জানতে চান কেন প্রয়োজন এই সিকিউরিটি ডোর অ্যালার্মের ?

এ ডিভাইস বসানোর পর অনাকাঙ্ক্ষিত কেউ দরজার লক খুলতে পারবে না। অপরিচিত কেউ যদি দরজা খোলার চেষ্টা করে তাহলে ডিভাইস একটি অ্যালার্ম দেবে। শুধু বাসা-বাড়ি বা অফিসই নয়, ব্যাংক, জুয়েলারি দোকান, আইটি সার্ভার রুম, এডুকেশন ইন্সটিটিউশন, দোকান, ইত্যাদির জন্য সিকিউরিটি ডোর অ্যালার্ম খুবই চমৎকার একটি ডিভাইস। 

তাহলে এবার আপনার সিদ্ধান্ত। এই প্রয়োজনীয় ডিভাইসটি সহজেই পেয়ে যেতে পারেন আজকের ডিল থেকে। কিনতে চাইলে এক্ষুনি ক্লিক করুন ছবিগুলোতে। 

 

*নিরাপত্তা* *ডিভাইস* *ডোরঅ্যালার্ম* *সিকিউরিটি* *জরুরিপণ্য* *অনলাইনশপিং*

শুভাশীষ: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 গাড়ি চালানোর সময় গাড়ির চালকগণ নিরাপত্তার কারণে সিটবেল্ট বাঁধেন কেন?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*পদার্থবিজ্ঞান* *শিক্ষা* *জানাঅজানা* *সিটবেল্ট* *নিরাপত্তা*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঈদের আগের পুরো সময়টাই থাকে রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতায় পূর্ণ। ঈদের আনন্দ যেন প্রতিবারই নতুন হয়ে আসে। হতে পারে যে কোনো বয়সেই। আর ঈদ-উল-আযহা’তে কোরবানির আমেজ তো ভিন্ন মাত্রা ছড়ায়-ই। বিশেষ করে কোরবানির ঈদ এলেই ছেলে -বুড়ো সকলের একটি বিশেষ প্রতীক্ষা শুরু হয়—কোরবানির পশুর হাটে যাওয়া! তবে হাটে যাওয়ার পর বেশকিছু বিষয় মাথায় রাখতে হয়, সেগুলো  খেয়াল রাখুন। ঈদের সময় হাটে গিয়ে অসতর্ক থাকার দরুন নাস্তানুবাদ হতে হয় অনেকেরই, আর তাই এবার ঈদে হাট থেকে যেন সবাই সহি সালামতে গরু/ছাগল নিয়ে ঘরে ফিরতে পারেন তা নিশ্চিত করতেই প্রয়োজন একটু খানি সচেতনতা। 

ছবিসূত্রঃ রবি 

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ : পশুর হাট ! কোরবানির পশু কিনে খুশি মনে হাট থেকে ফিরে আসার জন্যে সতর্ক থাকবেন যেভাবে : 

আলাদা-আলাদা টাকা রাখুন: পর্যাপ্ত টাকা সঙ্গে রাখুন তবে হাটে গিয়ে এক জায়গায় টাকা না রাখাই উচিৎ কারণ টাকা কিংবা এটিএম কার্ড হারিয়ে গেলে বিপদে পড়তে হবে! আর তাছাড়া হাটে ছিনতাই কারীর অভাব তো নেই, তাই সাবধান। প্যান্টের পেছন পকেটে মানিব্যাগ বা পার্স রাখা এড়িয়ে চলুন। জ্যাকেটের সামনের পকেটে রাখার চেষ্টা করুন। এছাড়া কোমরে শার্টের নিচে আলাদা বেল্টওয়ালা ব্যাগও সঙ্গে রাখতে পারেন। 

দালাল বা অপরিচিত কিংবা আগন্তুক থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন: হাটে কিন্তু দালাল বা খপ্পড়বাজদের অভাব নেই মোটেও, তাই দালাল বেশধারী আগন্তুক কিংবা অপরিচিতদের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলুন। কারণ তারা আপনার সর্বনাশের কারণ হতে পারে। তাই তাদের এড়িয়ে চলাই উত্তম। অজ্ঞান পার্টি বা মলম পার্টি থেকে সাবধান।

প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থাও সঙ্গে রাখুন: যে গরম পড়েছে আর হাটে যত মানুষের ভিড় থাকে, তাতে করে নিজে বা পরিবারের অন্য কেউ হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে যেতেই পারে। বা আপনি অসুস্থ্য হয়ে পড়লেন কিংবা গরুর গুতা খেয়ে সামান্য আহত হয়েছেন! তখন কি করবেন? হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যেতে পারছেন না। সেক্ষেত্রে কাছে থাকা বিভিন্ন ওষুধ বা প্রাথমিক ওষুধপত্র কাজে লাগবে। পর্যাপ্ত পরিমানে পানি, স্যালাইন, শুকনো খাবার নিজের সাথে রাখুন। মোটা জুতা ছাড়া হাটে, পড়তে পারেন কিন্তু ঘোর বিপাকে। প্রচন্ড গরমে রক্তে শর্করাস্বল্পতা হলে অস্থির লাগে, বুক ধড়ফড় করে, ঘাম হয়, হাত-পা কাঁপে। তৎক্ষণাৎ চিনি বা মিষ্টি খেলে তা ভালো হয়ে যায়। তাই চকলেট রাখতে পারেন সাথে।

কালো চশমা পরা যাবে না: হাটে যাওয়ার সময় হিরোর মতো কালো চশমা না পড়াই উত্তম। বিশেষ করে কালো চশমা পড়ে তাজা গোবরকে মাটির স্তূপ মনে করে আরামসে পাড়া দিয়ে দিলেন আর সাথে সাথে কাত-চিত্ হয়ে পড়লেন তাগড়া গরুর গাত্রে, আর এতে করে গরু মোটেও বুঝবে না আপনি বিপদে পড়ে তার গাত্রে পড়েছেন, গরু সরাসরি তার শিং দিয়ে আপনাকে দু-একটা গুঁতো দেবে আর সেই গুঁতোর ঠেলায় চরম ব্যথা নিয়ে হাট ত্যাগ করবেন, তাই এ যাত্রায় চশমা না পরাই সর্বোত্তম!

আপনি যেই হাট থেকে গরু কিনবেন, সেখানে ভিড় যদি বেশী হয়ে থাকে, তাহলে আগেভাগেই প্রস্তুতি নিয়ে নিন। কারণ গরু ও মানুষের চাপাচাপিতে অনেকসময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ভীড়ের মাঝে গরুর পাশে থাকার চেষ্ট করবেন, পিছে বা পাশে না। তবে গরু কিনে বের হবার সময় অবশ্যই গরুর পিছে থাকবেন। 

 

 

*গরুরহাট* *নিরাপত্তা* *কোরবানিরপশুরহাট* *ঈদআনন্দ* *হাটেরঅভিজ্ঞতা*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মেটাল ডিটেক্টরের কালেকশন বর্তমান পরিস্থিতি ও জঙ্গি হামলার পর থেকে নিজেকে কেউ আর নিরাপদ মনে করছেন না। নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে এখন আলোচনা চলছে সর্বত্র। আইনশৃংখলা বাহিনীর নানা তৎপরতা এবং আশ্বাসে শংকামুক্ত হতে পারছেন না দেশের সাধারণ মানুষ। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে অনেকে ব্যক্তিগতভাবেই নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেন। এজন্য অফিস কিংবা বাড়িতে ব্যবহার করতে পারেন মেটাল ডিটেক্টর।

আল্ট্রাসাউন্ড অথবা তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ ব্যাবহার করে কোনো কিছুর মধ্যে মেটাল বা ধতব পদার্থের উপস্থিতি নির্ণয় করার যন্ত্রকে মেটাল ডিটেক্টর বলে। বড় বড় মার্কেট ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা নিশ্চেত করতে মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে।  হঠাৎ করে নিরাপত্তা নিয়ে শংকা দেখা দেয়ায় এসব সামগ্রীর বেচাবিক্রিও বেড়ে গেছে কয়েকগুণ।

চলুন মেটাল ডিটেক্টরে কি আছে এবং এর ব্যবহার সম্পর্কে জেনে নেই...

সেনসিটিভিটি

মেটাল ডিটেক্টর কিনুন

এই Garrett Handheld Metal Detector টিতে রয়েছে খুবই উন্নতমানের সেন্সর যার ফলে ৯ ইঞ্চি দূর থেকেই যে কোন প্রকার মেটাল সে ডিটেক্ট করতে পারে অনায়াসেই।ধরুন একজন অপরাধী যদি তার জামার নিচে কোন প্রকার পিস্তল লুকিয়ে রাখে তবে আপনি তার উপর দিয়ে স্ক্যান করলেই এই মেশিন সেটা ধরে ফেলতে সক্ষম। আবার অনেকেই পিস্তল ছাড়াও চাকু বা অন্যান্য অস্ত্র নিয়ে চলাফেরা করে। সেগুলোর ভেতর যদি মেটাল জাতিও কিছু থেকে থাকে তবে সেটাও ডিটেক্ট করতে পারে  এই Garrett Handheld Metal Detector ।

অ্যালার্ম

মেটাল ডিটেক্টর কিনুন

যখন কোন কিছু স্ক্যান করে ধরা পড়বে তখন একটা স্পষ্ট অ্যালার্ম শুনতে পাওয়া যাবে যার ফলে বুঝতে হবে যে কিছু একটা ধরা পড়েছে।

এলইডি সিগন্যাল
নরমালি ৩ টা এলইডি থাকে হলুদ,সবুজ এবং লাল। কোন কিছু স্ক্যান করার সময় সবুজ বাতি জলে থাকবে এবং যদি কিছু ডিটেক্ট করতে পারে তবে লাল কালার উজ্জ্বল এলইডিতে সিগন্যাল দেবে।

ব্যাটারি

মেটাল ডিটেক্টর কিনুন

এটি যেহেতু ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র সেহেতু এটা চালানোর জন্য পাওয়ার এর দরকার হবেই। সেক্ষেত্রে এর ব্যাটারিকে আমরা চার্জ করে বার বার ব্যাবহার করতে পারি।

হাতল
আপনি যে হাতল দিয়ে এই ডিভাইসটি পরিচালনা করবেন সেটি সম্পূর্ণ ওয়েদারপ্রুফ। মানে শীত গ্রীষ্ম বর্ষা যে কোন ঋতুতে এটি সমানভাবে কাজ করতে সক্ষম। সমানভাবে বললাম এই কারনে যে শীতের কারনে এর উপরে বরফ জমে থাকবে না,গরমে এটা ঘেমে যাবে না,এবং বর্ষাকালে হাল্কা পানিতে ভিগে গেলেও মুছে ফেললেও আবার ঠিকভাবে কাজ করবে।

সহজ ব্যবহার

মেটাল ডিটেক্টর কিনুন

আপনি খুব সহজেই এই চমৎকার যন্ত্রটি ব্যাবহার করতে পারবেন। তাছাড়া এটি ব্যাবহার করা সমস্যা মনে হলে এই ভিডিওটি দেখতে পারেন।

সাথে যা যা থাকছে
আপনি এর সাথে পাবেন একটি চার্জার,হেডফোন,লেদার বেল্ট লুপ (বেল্ট এর সাথে ঝুলিয়ে রাখার জন্য),বেল্ট হোল্ডার।

আপনি যদি এই প্রোডাক্টটি কিনতে চান তাহলে এখনি এই লিংকে ক্লিক করুন

*ডিটেক্টর* *ডিটেকটর* *স্মার্টশপিং* *নিরাপত্তা*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

“নিরাপত্তা” এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ যা আমাদের প্রতিদিন প্রতিটি মুহুর্তেই প্রয়োজন। বর্তমান প্রেক্ষাপট আর  যুগের সাথে পরিবর্তনের অঙ্গিকারে প্রযুক্তির উপহারে আরো উন্নত এবং নিখুত হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আর নিরাপত্তা বাবস্থাকে আরো এক ধাপ নিশ্চিত করে নানান ধরণের সিসিটিভি ক্যামেরা। বর্তমান চাহিদা অনুযায়ী দুই ধরনের রঙ্গীন সিসিটিভি মনিটরিং সিষ্টেম বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। ষ্ট্যান্ড এ্যালোন এমবেডেড ডিভিআর (ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ডার) সম্বলিত সিসিটিভি মনিটরিং সিষ্টেম এবং পিসি বেজড সিসিটিভি মনিটরিং সিষ্টেম।

সিসিটিভি ক্যামেরা সিষ্টেম এর ব্যবহার আমাদের দেশে দুই-তিন দশক আগে থেকে মোটামোটিভাবে শুরু হলেও পশ্চিমা দেশগুলোতে আরো বহু আগে থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। যদিও সিসিটিভি ক্যামেরা সিষ্টেম তখন ছিল শুধু সাদা-কালো, এসব ক্যামেরায় অল্প আলোতেই পরিষ্কার ছবি দেখা যেত। পরবর্তিতে রঙ্গীন ক্যামেরা বাজারে আসলেও স্বচ্ছ ছবির জন্য প্রচুর আলোর প্রয়োজনীয়তার কারনে ব্যবহার সীমিত হয়ে পড়ে। বর্তমানে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে অনেক কম আলোতেই রঙ্গীন ক্যামেরায় পরিষ্কার ছবি দেখতে পাওয়া যায়। ফলে এখন আর সাদা-কালো সিসিটিভি ক্যামেরা বা সিষ্টেম উৎপাদন হচ্ছেনা।

বর্তমান চাহিদা অনুযায়ী দুই ধরনের রঙ্গীন সিসিটিভি মনিটরিং সিষ্টেম বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। ষ্ট্যান্ড এ্যালোন এমবেডেড ডিভিআর (ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ডার) সম্বলিত সিসিটিভি মনিটরিং সিষ্টেম এবং পিসি বেজড সিসিটিভি মনিটরিং সিষ্টেম। ব্যবহারের ভিন্নতার কারনে বর্তমানে রঙ্গীন সিসিটিভি ক্যামেরা বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে। যেমনঃ সাধারন ক্যামেরা, ডোম ক্যামেরা, হিডেন ক্যামেরা, স্পাই ক্যামেরা, স্পীড ডোম পিটিজেড ক্যামেরা, হিডেন ক্যামেরা, স্পাই ক্যামেরা, ডে-নাইট ক্যামেরা, জুম ক্যামেরা, ভেন্ডাল প্রুফ ক্যামেরা এবং আই পি ক্যামেরা উল্লেখযোগ্য। যারা একটু কম খরচে সিসিটিভি মনিটরিং বা রেকর্ডিং সিষ্টেম চান তাদের জন্য পিসি বেজড সিসিটিভি মনিটরিং এবং রেকর্ডিং সিষ্টেমই ভাল।

অনলাইনেও কিনতে পারেন, আজকের ডিলেও উন্নত ফিচার সহ ভালোমানের সিসিটিভি ক্যামেরা পাওয়া যাচ্ছে। http://ajkerdeal.com/Category/54/596/672/gadgets/cc-camera এই লিংকে গেলে সবগুলো মডেল এবং সেগুলোর দরদাম সমন্ধে জানতে পারবেন। কিনতে চাইলে সেখানে আপনার পছন্দের পণ্যটি অর্ডার করতে পারেন।

*নিরাপত্তা* *সিসিটিভিক্যামেরা*

ঈশান রাব্বি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

১. জন্ম তারিখ
অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

২. শিশু কোথায় পড়াশুনা করে
গত কয়েক বছরের যৌন ও শিশু বিষয়ক অপরাধগুলো গবেষণা করে ইংল্যান্ডের শিশু বিষয়ক সংস্থা এনএসপিসিসি জানান, অধিকাংশ অভিভাবক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে অসচেতন ছিলেন। এজন্য অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো ঘটেছে।

অথচ অনেক অভিভাবক শিশুদের নিয়ে অবেগাপ্লুত হয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন। সেইসঙ্গে স্ট্যাটাসে জানিয়ে দেন, তার শিশু কোন প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করছে। এটি শিশুর জন্য নিরাপদ নয়। এতে শিশু অপহরণের ঘটনা ঘটার সম্ভবনা রয়েছে।

৩. শিশুর ছবি
অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইনস্টিটিউশনের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক বলেন, ‘শিশুদের নিয়ে যেকোনো তথ্য পাবলিকের কাছে শেয়ার করার বিষয়ে সবাইকে সতর্ক হতে হবে। যদিও অনেকেই শিশুদের ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেন। এতে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ে। দেখা গেল, শত্রুরা আপানার শিশুকে চিনে রাখলো। এরপর সুযোগ বুঝে শিশুটিকে অপহরণ করলো।’

৪. বর্তমান অবস্থান
যেখানে সেখানে সেলফি তুলে লোকেশন ট্যাগ করে দেওয়াটা অনিরাপদ। এর মাধ্যমে যে কেউ আপনার সবশেষ অবস্থান জানতে পারে। ফলে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ে। দেখা গেল, আপনার অবস্থান জেনেই শত্রুপক্ষ আপনার ওপর হামলা করলো।

৫. কখন এবং কোথায় যাচ্ছি
দেখা যায়, আমরা কখন, কোথায় যাচ্ছি কিংবা ভ্রমণে বের হচ্ছি সে বিষয়টি ফেসবুকে জানিয়ে দিই। যা মোটেও নিরাপদ নয়। এই বিষয়গুলো জেনে আপনার প্রতিপক্ষ ক্ষতি করতে পারে। হয়তো শত্রুপক্ষ আপনার এমন তথ্য পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলো। সেটি জেনে আপনার ওপর হামলা করতে পারে। ফেসবুকে এসব বিষয়ের জানান দেওয়া নিজের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

৬. নির্দিষ্ট স্থান ট্যাগ করা
অনেক সময় ফেসবুকে নিজের অবস্থানের নির্দিষ্ট স্থান ট্যাগ করে দেন অনেকেই। ওই সময় আপনার প্রোফাইল যে ভিজিট করবে, সে জানতে পারবে এখন আপনি কোথায় আছেন। সেটি বাসায় কিংবা অফিসে হোক। দেখা গেল, এভাবে কেউ আপনার বাসা ও অফিসের ঠিকানা সংগ্রহ করে রাখলো। পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে আপনার ক্ষতি করলো। আর এ জন্য ফেসবুকে লোকেশন ট্যাগ করা মোটেও নিরাপদ নয়।

৭. ফোন বা মোবাইল নম্বর
অনেকেই মোবাইল কিংবা ফোন নাম্বার ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। যা সম্পূর্ণভাবে অনিরাপদ। দেখা গেলো, শত্রুপক্ষ আপনার মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে এবং সুযোগ বুঝে কাজ করে। পাশাপাশি যে কেউ আপনার মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে, সময়ে অসময়ে কল দিয়ে বিরক্ত করার সুযোগ পায়। মোবাইল বা ফোন নম্বর ব্যক্তিগত গোপনীয় জিনিস। পরিচিত ব্যক্তিদের ছাড়া কাউকে ফোন কিংবা মোবাইল নম্বর দেওয়া নিরাপদ নয়।

৮. ক্রেডিট কার্ডের তথ্য
ক্রেডিট কার্ড হচ্ছে গোপন ও স্পর্শকাতর বিষয়। ক্রেডিট কার্ডের তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া কোনোভাবেই নিরাপদ নয়। তবে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ক্রেডিট কার্ডের তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান কিংবা ওয়েবসাইট বুঝেই দিতে হবে। যাতে আপনার দেওয়া তথ্য তাদের কাছে সুরক্ষিত থাকে

*ফেসবুক* *নিরাপত্তা*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

হযরত শাহজালাল অার্ন্তজাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্ব পেল ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান রেডলাইন তাও অাবার মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে (অবাক) দেশ অামার অার নিরাপত্তা দিবে বিদেশীরা! খুবই লজ্জার বিষয়!!!
*নিরাপত্তা*
ছবি

খেলাধুলা: ফটো পোস্ট করেছে

পাকিস্তানের পর এবার বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিয়ে বেশ চিন্তিত ভারত

৮ মার্চ থেকে অনুষ্ঠেয় টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তান ও বাংলাদেশকে দলকে নিয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও নিশ্ছিদ্র করছে ভারত। তবে পাকিস্তান দলের জন্য একটু বেশিই সতর্ক আয়োজকরা। তাদের ট্যাঙ্ক মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ক্রিকেট অ্যসোসিয়েশন। শুধু পাকিস্তান নয় ভারতীয় পুলিশ নাকি আফগানিস্তান, বাংলাদেশ টিমের নিরাপত্তা নিয়েও বেশ চিন্তিত। তাই এই তিন দলকেই রাখা হবে কলকাতার একই হোটেলে, মানে আলাদা আলাদা হোটেলে নয়। অবশ্য বাংলাদেশ ও আফগান্তিনের মূল পর্বে ওঠা সাপেক্ষে। আইসিসির পূর্নাঙ্গ সদস্য দেশ হওয়া সত্বেও বাছাই পর্ব খেলতে হবে বাংলাদেশকে। বাছাই পর্বের গ্রুপ ‘এ’তে রয়েছে বাংলাদেশ। এই গ্রুপরে অপর দলগুলো হলো, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড ও ওমান। বাংলাদেশকে নক আউট পর্বে যেতে হলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে হবে। বাছাই পর্ব হবে ধর্মশালাতে। সেখানেও বাংলাদেশ দলকে দেওয়া হবে বিশেষ নিরাপত্তা। অন্য দিকে এবার বাছাই পর্বের গ্রুপ ‘বি’তে আছে আফগানিস্তান। এই গ্রুপের অন্য তিনটি দল হচ্ছে, জিম্বাবুয়ে, স্কটল্যান্ড ও হংকং। আফগানিস্তান যদি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে পারে তাহলে কলকাতায় ম্যাচ থাকছে তাদের। অনুরূপভাবে কলকাতায় ম্যাচ থাকবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানেরও। আর এমনটি ঘটলে এই তিন দলকে একই হোটেলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিএবি। আফগানিস্তান যদি মূল পর্বে না আসতে পারে তাহলে কলকাতা আসার দরকার পড়বে না তাদের। আর সেটা হলে পাকিস্তানও বাংলাদেশকে রাখা হবে এক হোটেলে। দেওয়া হবে বিশেষ নিরাপত্তা। জানা গেছে, শুধু কলকাতায় নয়, ভারতের যে কোন ভেন্যু বা হোটেলে এই তিন দলের নিরাপত্তায় বিশেষ সজাগ থাকবে ভারতীয় পুলিশ। ভারতীয় গোয়েন্দার মতে, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান দলকে টার্গেট করতে পারে জঙ্গিরা।

*টি-২০* *বিশ্বকাপ* *ক্রিকেট* *নিরাপত্তা*

নিরাপদ নিউজ: বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাবে না যাত্রীরা! (ভিডিও) কোনো বিপদ কিংবা হামলার মুখোমুখি হলে বিমান থেকে কেবিন পুরোপুরি আলাদা হয়ে যাবে....বিস্তারিত জানতে- http://bit.ly/1UjI2mz

*বিমানদুর্ঘটনা* *নিরাপত্তা* *ভাগ্য* *বেশম্ভব* *আড্ডা* *বিজ্ঞান* *নতুনআবিস্কার*

নিরাপদ নিউজ: পাসওয়ার্ড ছাড়া লগইন আনছে গুগল | গুগল জানিয়েছে তারা পাসওয়ার্ড ছাড়া অন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে গুগল একাউন্টে প্রবেশ করার পদ্ধতি নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা শুরু করেছে..আরো : http://bit.ly/1Oejon0

*নিরাপত্তা* *গুগল* *পাসওয়ার্ড*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলাদেশের মত ক্রিকেট পাগল জাতির জন্য অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফরে না আসার ঘোষণা সত্যিই দুঃখজনক। আর যাই থাক খেলাধুলার মাঝে কোন জঙ্গিবাদের স্থান বাংলাদেশে নেই। শুনে হতবাক হয়ে গেছি আমরা নাকি জঙ্গিবাদ করি। আমরা নাকি টিম অস্ট্রেলিয়াকে নিরাপত্তা দিতে পারবনা?

অথচ, নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট টিম বাংলাদেশ সফর স্থগিত করার একদিন পরই অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরে পুলিশের সদর দফতরের সামনে বন্দুকবাজের গুলিতে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। সিডনির পশ্চিমাঞ্চলে নিউ সাউথ ওয়েলসে চার্লস স্ট্রিটে পুলিশের সদর দফতরের সামনে বন্দুকবাজরা এলোপাথাড়ি গুলি ছুঁড়তে শুরু করে। একজন সাধারণ নাগরিককে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে দেখে ওই দুষ্কৃতীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় পুলিশ। গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয় দু’জনের। প্রশ্ন হলো অস্ট্রেলিয়া কতটুকু নিরাপদ? 

আমরা যতটুকু জানি, বাংলাদেশের মত ক্রিকেট প্লেয়িং ফিল্ডে এসে কোন দল নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় ভুগেছে এমনটি আগে কখনো ঘটেনি। আশারাখি ভবিষ্যতে কোন দল এধরনের সমস্যার সম্মুখীন হবে না। আমরা মনে করি, অস্ট্রেলিয়ার এই সিদ্ধান্ত একান্তই মনগড়া। এধরনেরে অভিযোগের বাস্তবিক কোন ভিত্তি আছে কিনা তা বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে খুব শিগগিরই খতিয়ে দেখা দরকার। 

উল্লেখ্য, ঢাকায় অজ্ঞাতপরিচয় কিছু ব্যক্তির হামলায় এক ইতালি নাগরিকের মৃত্যুর পরই বাংলাদেশ সফর স্থগিত করার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়া।
*খেলাধুলা* *ক্রিকেট* *বাংলাদেশ-না-অস্ট্রেলিয়া* *অস্ট্রেলিয়া* *নিরাপত্তা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★