নিরাপদ পানি

নিরাপদপানি নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বেশিরভাগ প্লাস্টিকের পানির বোতলে ক্ষতিকর রাসায়নিক পলিইথাইলিন থ্যালেট এবং BPA বা বিসফেনল থাকে যা আমাদের জন্য নিরাপদ নয়। এরা পানির মধ্যে প্রবেশ করতে পারে এবং আপনার স্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে। তাই আপনার প্লাস্টিকের পানির বোতলটি পরিবর্তন করা প্রয়োজন। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক কোন ধরণের বোতল ব্যবহার করা উচিৎ।

                 কিনতে ক্লিক করুন                                                                কিনতে ক্লিক করুন

১। স্টেইনলেস স্টীলের বোতল

স্টেইনলেস স্টীলের বোতল কিছুটা ভারী মনে হতে পারে, কিন্তু এরা প্রতিক্রিয়াশীল নয়। তাই এই ধরণের বোতল গরম আবহাওয়ায় বা এতে গরম তরল নিলেও তা থেকে কোন রাসায়নিক উপাদান পানিতে মিশেনা।

            কিনতে ক্লিক করুন                                                                কিনতে ক্লিক করুন

২। কাঁচের বোতল

কাঁচের তৈরি পানির বোতল গুলো একটু ভারীই হয়। কিন্তু তারা ব্যবহারের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ। এই ধরণের বোতলে কোন ধাতব উপাদান থাকেনা বলে এর ভেতর পানি নিলে বিষাক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাছাড়া এ ধরণের বোতল পরিবেশ বান্ধব এবং এদের পুনরায় ব্যবহার করা যায়। এই ধরণের বোতলে পানির স্বাদ অক্ষুন্ন থাকে। তবে অসুবিধা হচ্ছে এই ধরনের বোতল ভঙ্গুর হয় এবং এতে খুব গরম বা খুব ঠাণ্ডা তরল রাখা যায়না।

            কিনতে ক্লিক করুন                                                                কিনতে ক্লিক করুন

৩। অ্যালুমিনিয়ামের বোতল

হালকা ও টেকসই হওয়ায় অ্যালুমিনিয়ামের বোতল হতে পারে চমৎকার পছন্দ। এরা BPA মুক্ত তাই ব্যবহার করা নিরাপদ। এই ধরণের বোতল ব্যবহার করার একটি অসুবিধা হচ্ছে এরা একবার হাত থেকে পড়লে টোল পড়ে। এছাড়াও কিছু কিছু অ্যালুমিনিয়ামের বোতলে এনামেলের প্রলেপ দেয়া থাকে যা নিরাপদ বলে বিবেচনা করা হয়না। তাই নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার বোতলটি এই ধরণের প্রলেপ বিহীন কিনা।

            কিনতে ক্লিক করুন                                                                কিনতে ক্লিক করুন

৪। পলিকার্বোনেটেড

পলিকার্বোনেটেড বোতল তাপে ক্ষয় হয়না তাই এই ধরণের বোতল ব্যবহার করা নিরাপদ। এই ধরণের বোতল মাইক্রোওয়েভ-সেফ প্লাস্টিক এবং এতে থ্যালেট থাকেনা বলে এর ব্যবহার নিরাপদ।

প্লাস্টিকের বোতলের বিসফেনল এন্ডোক্রাইন সিস্টেম, ইমিউন সিস্টেম, স্নায়বিক, প্রজননগত ও বৃদ্ধিগত বিষয়ের সাথে আপোষ করে। তাই এই উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করলে ডায়াবেটিস, স্থূলতা ও ক্যান্সারের ঝুঁকি সৃষ্টি করে। তাই আজই আপনার প্লাস্টিকের পানির বোতলের পরিবর্তে স্টেইনলেস স্টীল বা গ্লাস বা পলিকার্বোনেটেড বা অ্যালুমিনিয়ামের বোতল বা BPA মুক্ত প্লাস্টিকের পানির বোতল ব্যবহার করতে পারেন আপনি যাতে কোন ধরণের রাসায়নিকের প্রলেপ দেয়া নেই।

*পানিরবোতল* *নিরাপদপানি*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পানির অপর নাম জীবন হলেও, দূষিত পানির অপর নাম মরণ হতে পারে। এই সারসত্য আমরা জানি। কিন্তু বিশুদ্ধ পানি পান না করলে তা রোগবালাই এমনকি প্রাণনাশেরও কারণ হতে পারে। পানি ফুটিয়ে বিশুদ্ধ করা যায়। তবে সময় বাঁচাতে ও ঝামেলা কমাতে পানি বিশুদ্ধ করার জন্য ফিল্টার ব্যবহার করতে পারেন। খাবার পানি বিশুদ্ধ হওয়া কতটা জরুরি তার অভিজ্ঞতা আমাদের সবারই হয়েছে। খাওয়ার পানি বিশুদ্ধ না হলে অনেক জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিশুদ্ধ পানির অভাবে হতে পারে ডায়রিয়া, জন্ডিস, কলেরাসহ নানা ধরনের পানিবাহিত রোগ। তাই পানি ফিল্টারে পরিশোধন করে পান করতে পারেন। মানুষ যথেষ্ট সচেতন হয়েছেন। তাই বর্তমানে সবাই বাড়িতে পানির ফিল্টার ব্যবহার করেন। কর্মক্ষেত্রেও পানি ফিল্টার ব্যবহার করা হয়। তাই নিঃসন্দেহে পানির ফিল্টারের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। আর সেজন্য বেছে নেয়া দরকার উপযুক্ত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি ফিল্টার। অনেকে কেনার চিন্তা ভাবনা করছেন। তারা কিনতে যাচ্ছেন বা যারা পুরনোটি ফেলে দিয়ে নতুন একটি নিতে চাইছেন তাদের জন্য রয়েছে কিছু পরামর্শ।
 
জানা উচিত পানির ফিল্টার সম্পর্কে জরুরি কিছু বিষয়; যেমন:
 
পানির ফিল্টারের মডেল
হাজার রকমের মডেলে পানির ফিল্টার দেখে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগতে পারেন।
সাধারণ মানের ফিল্টারও নিতে পারেন।
আবার আরেকটু সুবিধা চাইলে বাড়ির পানির লাইনের সঙ্গে যুক্ত থাকে
এমন একটি ফিল্টার-ব্যবস্থা লাগিয়ে নিতে পারেন।
 
 
 
♦পানির ফিল্টারের স্তর
এই ফিল্টার পানির সব ময়লা-জীবাণু দূর করেত পারে না।
পানির আর্সেনিক, হেক্সাভ্যালেন্ট ক্রোমিয়াম ইত্যাদি দূর করতে হলে
রিভার্স অসমোসিস পদ্ধতির ফিল্টার বেছে নিতে হবে।
এটা পানি বিশুদ্ধকরণের এমন এক পদ্ধতি যার মাধ্যমে দূষিত পানিও নিরাপদ করে তোলে।
শতভাগ বিশুদ্ধ পানি চাইলে মূল্য দিয়ে এই পদ্ধতির ফিল্টার-ব্যবস্থা করে নিতে পারেন।
 
 
♦অ্যালকাইন ফিল্টার
এই ফিল্টারের মূল কাজ পানিকে বিশুদ্ধ করা নয়,
বরং পানিতে কিছুটা ক্ষারের পিএইচ মাত্রা বাড়িয়ে দেওয়া।
তবে এসব ফিল্টারের সঙ্গে বাড়তি অংশ হিসেবে বিশুদ্ধকরণের ব্যবস্থা থাকলেও থাকতে পারে।
 
♦আলট্রাভায়োলেট লাইট ফিল্টার
অতিবেগুনি রশ্মির মাধ্যমে এই ব্যবস্থা পানির ব্যাকটেরিয়া এবং নানা জীবাণুকে মেরে ফেলে।
কিন্তু তারা কিছু পরিষ্কার করে না।
এতে জীবাণুমুক্ত পানি খেতে পারবেন।
কিন্তু অন্যান্য রাসায়নিক উপাদানমুক্ত পানি পাবেন না।
 
 
♦শাওয়ার ফিল্টার
বিশুদ্ধ খাবার পানির সঙ্গে গোসল করার পানিকেও পরিষ্কার করতে পারবেন।
কারণ সুস্থ থাকতে হলে গোসলের পানিও জীবাণুমুক্ত থাকা প্রয়োজন।
ব্যবহারের পানিতে অতিমাত্রার ক্লোরিন থাকলে তা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
এতে চুলও পড়ে যায়। তাই একটি শাওয়ার ফিল্টার লাগিয়ে নিতে পারেন।
 
 
♦ফিল্টার পরিবর্তন
ফিল্টার পদ্ধতির ভিন্নতা থাকতে পারে। কিন্তু সবগুলোর কাজই পানি বিশুদ্ধ করা।
তাই একটা সময় পর ফিল্টারের কার্টিজ বদলাতে হবে।
পানিতে কেমন ময়লা আসে তার ওপর ভিত্তি করে মূলত কার্টিজ বদলাতে হয়।
 
পানির ফিল্টারে কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়া সহজেই পানি বিশুদ্ধ করা যায় বলে এর চাহিদা বাড়ছে। সাধারণত পানির ধারণক্ষমতার ওপর পানির ফিল্টারের দামের পার্থক্য হয়ে থাকে।
 
♣যেভাবে পরিশোধন হয়
পানির ফিল্টারে পানি পরিশোধন হয় কয়েকটি স্তরে। প্রথমত, ফিল্টারের ওপরের অংশে পানি ঢেলে দিতে হবে। এরপর এ পানি একটা গোলাকার বলের স্তর ভেদ করে চুইয়ে নিচের স্তরে পড়বে। এখানে বড় কোনো ময়লা থাকলে তা ওপরেই থেকে যায়। ছাঁকন হয়ে আসা দ্বিতীয় স্তরের পানি আবার তৃতীয় বা চতুর্থ তিন স্তরের পাথর ও কাঁকরের ভেতর দিয়ে নিচে জমা হয়। ব্যস, হয়ে গেল পানি বিশুদ্ধ।
 
 
♣ফিল্টারের খোঁজখবর
বাজারে আছে নানা ব্র্যান্ডের পানির ফিল্টার। প্লাস্টিক বা ইস্পাতা দুই ধরনের উপকরণে তৈরি ফিল্টারের দেখা মিলবে বাজারে। দেশি-বিদেশি দুই ধরনের ফিল্টারই আছে। সাধারণ ফিল্টারে পানি দেওয়ার আগে ফুটিয়ে নেওয়া ভালো বলে জানান দোকানিরা। নানা ব্র্যান্ডের মধ্যে এখন চলছে পিওরেড, পিওর ইট, মিয়াকো, নোভা, কেন্ট, ডেলকোল, বাজাজ, জেসিএল, ইভা পিওর, সেঞ্চুরি ইত্যাদি।
 
 
 
♣দরদাম
ফিল্টারের দাম নানা ধরনের হতে পারে। এখানে গুণগত মান, পানির ধারণক্ষমতা ও ব্র্যান্ডের ওপর দাম নির্ধারিত হয়। আট লিটারের ফিল্টারের দাম এক হাজার থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এ ছাড়া ১৫ লিটারের দাম পড়বে এক হাজার ৮০০ থেকে তিন হাজার পর্যন্ত। ২৩ লিটার পানি ধরে এমন ফিল্টারের দাম পড়বে দুই হাজার ২০০ থেকে চার হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া আরও বেশি ধারণক্ষমতার ফিল্টার পাঁচ থেকে ১০ হাজার  টাকার মধ্যে কিনতে পারেন।
 
♣যেখানে পাবেন
ঢাকার বিভিন্ন শপিং মলে পাওয়া যাবে ফিল্টার। নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, বসুন্ধরা সিটি, মিরপুর, উত্তরা, গুলিস্তান,
রামপুরাসহ বিভিন্ন প্লাস্টিক ও গৃহস্থালিসামগ্রীর দোকানে পাওয়া যাবে পানির ফিল্টার।
এছাড়া বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলেও রয়েছে
পানির ফিল্টারের বিশাল কালেকশন l চলুন দেখে নেই একবার সেই কালেকশনগুলো l 
 
*পানিরফিল্টার* *পানিবিশুদ্ধিকরণ* *নিরাপদপানি*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★