পলাশীর যুদ্ধ

পলাশীরযুদ্ধ নিয়ে কি ভাবছো?

সাদাত সাদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পুরোনো ইতিহাস নতুন করে বলা, জানি
 অনেকেই জানেন তবুও নতুন করে আবার পড়বেন
 এটাই আশা করছি।  পলাশী যুদ্ধ-
১৭৫৭ সালের ২৩জুন বাংলার শেষ
স্বাধীন
নবাব সিরাজউদ্দোলা ও বৃটিশ
ইস্ট
ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে মুর্শিদাবাদের
ভাগীরথির নদীর
তীরে আমবাগানের
পলাশী নামক স্থানে যে যুদ্ধ হয়
তাকেই
পলাশী যুদ্ধ বলে। ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নবাবের
বাহিনী পরাজিত হয় ইস্ট
ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে।
বিশ্বাসঘাতক
জগৎশেঠ, উমিচাঁদ, রায়দুর্লভ, মীর
জাফর, ঘষেটি বেগম,রাজবল্লভ প্রমুখ
কৌশলী চক্র
ইংরেজদের সাথে হাত
মিলিয়ে সিরাজউদ্দোলাকে ক্ষমতাচ্যুত
করার গোপন নকশা তৈরী করে।
২৩ জুন পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও লর্ড ক্লাইভের
মধ্যে এক
যুদ্ধ নাটক মঞ্চায়িত হয়।
এতে নবাব
বাহিনীর
পক্ষে সৈন্যসংখ্যা ছিল প্রায় ৬৫ হাজার এবং ইস্ট
ইন্ডিয়া কোম্পানির
পক্ষে ছিল মাত্র ৩ হাজার।
যুদ্ধের
ময়দানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার
প্রধান সেনাপতি মীরজাফর ও তার
অনুসারী প্রায়
৪৫ হাজার সৈন্য নিরব দর্শকের
ভূমিকা পালন করে।
ফলে যুদ্ধে স্বাধীনতার
স্বপক্ষ শক্তির পরাজয় অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায়।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি তাদের
সেবাদাসদের
সাহায্যে এভাবেই বাংলায়
আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়।
এরপর সাম্রাজ্যবাদী শক্তি দীর্ঘ ১৯০
বছর
এদেশে শাসন শোষণ করে।
কোটি কোটি টাকার অর্থ সম্পদ
ইংল্যান্ডে পাচার করে।
বাংলাদেশ থেকে লুটকৃত পুজিঁর সাহায্যে ইংল্যান্ডে শিল্প
বিপ্লব ঘটে।
আর এককালের প্রাচ্যের স্বর্গ
সোনার
বাংলা পরিণত হয় শ্মশান
বাংলায়, স্থান পায় বিশ্বের দরিদ্রতম দেশে।
এ যুদ্ধের রাজনৈতিক ফলাফল ছিল
ধ্বংসাত্মক ও সুদূরপ্রসারী। এ
যুদ্ধে জয়ের
মাধ্যমে ধীরে ধীরে বাংলা ব্রিটিশদের
অধিকারে চলে আসে। বাংলা অধিকারের পর
ক্রমান্বয়ে ব্রিটিশরা পুরো ভারতবর্ষ
এমনকি এশিয়ার অন্যান্য অংশও
নিজেদের
দখলে নিয়ে আসে।
পলাশীর রক্তাক্ত ইতিহাস, পরাধীনতার
ইতিহাস, মুক্তিসংগ্রামীদ ের পরাজয়ের
ইতিহাস, ষড়যন্ত্র ও
বিশ্বাসঘাতকতার
ইতিহাস, ট্রাজেডি ও বেদনাময়
এক শোক
স্মৃতির ইতিহাস
*পলাশীরযুদ্ধ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★