পহেলাবৈশাখ

পহেলাবৈশাখ নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: [বসন্ত-শুভেচ্ছা] নিশি অবসান প্রায় ঐ পুরাতন বর্ষ হয় গত, আমি আজ ধুলিতলে জীর্ণ জীবন করিলাম নত l বন্ধু হও শত্রু হও যেখানে যে রও ক্ষমা করো আজিকার মত পুরাতন বর্ষের সাথে পুরাতন অপরাধ যত শুভ হোক সকলের নববর্ষ ll

*শুভনববর্ষ* *নববর্ষ* *পহেলাবৈশাখ*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা কবে, কিভাবে ইউনেস্কোর বিশ্ব সংস্কৃতির অংশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*পহেলাবৈশাখ* *মঙ্গলশোভাযাত্রা* *বৈশাখীউৎসব* *ইউনেস্কো* *বিশ্বস্বীকৃতি*

মেঘবালক: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

ময়নার মা, কর কি?
বসন্ত যাইয়া পয়লা বৈশাখ আইয়্যা পরতাছে, তোমার লাইগ্যা দামি পান্তা ভাতের রেসিপি খুঁজতাছি(শয়তানিহাসি)
*পহেলাবৈশাখ*

ঈশান রাব্বি: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

পহেলা বৈশাখের দিন পান্তাভাত খেয়ে ঘুমিয়েছিলাম এই মাত্র ঘুম ভাঙল (নাআআআ)
*ফালতুপোস্ট* *পহেলাবৈশাখ* *বৈশাখ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

ইলিশ মাছের বড় অভাব তার উপর বড্ড বেশি দাম কি করে কিনবো ইলিশ !!!?? তবে কি আমি বাঙালী হতে পারবো না ???
*বাঙালী* *ইলিশ* *মাছ* *পহেলাবৈশাখ*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পুরান ঢাকা একদা এই রাজধানী শহরের প্রাণকেন্দ্র ছিল। কেবল বাংলাদেশের নয়, বুড়িগঙ্গা তীরবর্তী এই প্রাচীন জনপদের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে উপমহাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশও। দিনবদলের পরিক্রমায় পরবর্তী সময়ে জৌলুস বেড়েছে নতুন ঢাকার। পুরান ঢাকার ঐতিহ্য তাতে পুরোপুরি ম্লান না হলেও ঢাকা পড়েছে অনেকাংশে।

বর্ষবরণ আর চৈত্রসংক্রান্তি—দুই উপলক্ষেই জমে ওঠে পুরান ঢাকা। শুধু রমনা পার্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চারুকলা বা ধানমন্ডি নয়, ঘুরে দেখতে পারেন পুরান ঢাকাও। পুরান ঢাকার নানা মেলার মধ্যে চৈত্রসংক্রান্তির দিন শুরু হওয়া মেলার আবেদন অন্য রকম। আগে চকবাজার, কামরাঙ্গীরচর, ধূপখোলা মাঠ, ধোলাইখাল, শ্যামপুর, ফরিদাবাদ, শাঁখারীবাজারসহ পুরো ঢাকায় মেলা বসত। আগের মতো ততটা ব্যাপক না হলেও পুরান ঢাকাবাসীর কাছে সেই মেলার আকর্ষণ কিন্তু একটুও কমেনি। এছাড়াও শাঁখারীবাজার ও তাঁতীবাজার এলাকায় নববর্ষের দিন হালখাতা অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারেন।
শাঁখারীবাজারের বর্ষবরণ বা গদিসাইদ অনুষ্ঠানটিও আকর্ষণীয়।

গেন্ডারিয়া এলাকার ধূপখোলা ময়দানের মেলার একসময় খুব নামডাক ছিল। ধূপখোলা এখন কেবল নামেই আছে। তবে পুরোনো ঐতিহ্য ধরে এখানে মেলা বসে প্রতিবছর। একই কথা খাটে ধোলাইখালের বেলায়।
এখানকার মেলার আদিরূপ, সেই জৌলুশ এখন আর নেই। তবে ঐতিহ্য বলে কথা! সুতরাং, নববর্ষে এখানে মেলা বসা যেন সেই প্রাচীন রীতি। সেই রীতি মেনেই এখনো ঢাকেশ্বরী মন্দিরে প্রতিবছর আয়োজন করা হয় বর্ষবরণের মেলা।

 

*বর্ষবরণ* *পহেলাবৈশাখ* *পুরানঢাকা*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কড়া নাড়ছে বৈশাখ। এর সঙ্গে সমানতালে বাড়ছে গরম ও রোদের প্রখরতা। সব বাধা পেরিয়ে বছরের প্রথম দিনকে ঘিরে আনন্দ আয়োজনের জন্য আপনি নিশ্চয়ই তৈরি , তবে ভাবছেন সতেজতা নিয়ে l  চিন্তা নেই, চলুন জানিয়ে দেই পয়লা বৈশাখে সারা দিনের জন্য সুন্দর থাকার নানা পরামর্শ :

 বৈশাখের শুরুতে রোদের তাপ বেশিই থাকে। তাই রোদ থেকে ত্বককে বাঁচাতে করতে হবে হালকা মেকআপ। সাজটি হবে সজীব ও সুন্দর। গরমে মুখের ঘামের সমস্যা কমাতে মেকআপের আগে ত্বকে কিছু সময় বরফ ঘষে নিন। বিশেষ করে তৈলাক্ত ত্বক যাঁদের, তাঁরা তো অবশ্যই।
 মেকআপ দীর্ঘ সময় ধরে সুন্দর রাখার জন্য ফাউন্ডেশনের পরিবর্তে বেছে নিন মেকআপ প্রাইমার। ক্রিমের মতো এই সাজ উপাদানটি পাবেন যেকোনো ভালো প্রসাধনীর দোকানে। হাতের কাছে এটি না পেলে পানিযুক্ত ময়েশ্চারাইজারেও কাজ সারতে পারেন।
 চোখের নিচের কালি ও মুখে কোনো দাগ থাকলে তা ঢাকতে ব্যবহার করুন কনসিলার। এবারে পুরো মুখে ত্বকের ধরনের সঙ্গে মানানসই কমপ্যাক্ট পাউডার বুলিয়ে নিন।
 সারা দিনের ক্লান্তির ছাপ ফুটে ওঠে চোখের কোণে। তাই চোখের সাজের শুরুতে চোখে সাদা পাউডার বুলিয়ে নিতে পারেন। গরমের দিনে আইলাইনার ব্যবহার না করে রঙিন আই পেনসিল ব্যবহার করুন। কাজল ব্যবহার করলে একই রঙের আইশ্যাডো মিশিয়ে চোখে লাগান। এতে ঘামে কাজল ছড়াবে না। মাশকারা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। ব্যবহার করতে চাইলে পানিনিরোধক মাশকারা বেছে নিন।
 গরমে গাঢ় কিংবা লালচে ব্লাশ-অন না লাগিয়ে হালকা বাদামি রঙের ব্লাশ-অনের পরশ বুলিয়ে নিন গালে।
 এ সময়ে লিপস্টিকের চলটা চড়া লাল রঙের হলেও দিনে স্নিগ্ধতা ফুটিয়ে তুলতে হালকা রঙের ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করুন। দিনের বেলায় লিপ গ্লস এড়িয়ে চলুন।
 সাজের শেষ পর্বে মুখে ব্রোনজার কিংবা শাইনিং পাউডার বুলিয়ে নিন। এতে আপনাকে উজ্জ্বল দেখাবে।
 আপনি যদি ভোরে বের হন, সে ক্ষেত্রে চুলটা খোলা রেখে একটা লাল ফুল গুঁজে নিন। তবে রোদ চড়া হতে থাকলে একটা হাতখোঁপা করে নিতে পারেন। তাতে একগাছি বেলি ফুলের মালা গুঁজে দিলে আপনার স্নিগ্ধতা বাড়বে বৈ কমবে না।
 বৈশাখী সাজে বের হয়ে যাওয়ার আগে ব্যাগে ঝটপট কয়েকটা জিনিস নিয়ে নিন। পলিথিনে মোড়ানো একটা ভেজা পাফ, একটা চিরুনি আর ছোট একটা আয়না। গরমে ঘেমে উঠলে ভেজা পাফ দিয়ে হালকা করে চাপ দিয়ে ঘাম শুষে নিন।
 তাই সারা দিনের ঘোরাঘুরির ফাঁকে প্রচুর পানি পান করুন। ডাবের পানি খেতে পারেন।
 পয়লা বৈশাখের দিন অনেকেই দুপুরে ঘরে ফিরে আবার বিকেলে বের হন। তাঁদের জন্য পরামর্শ হলো, এই অল্প সময়ের জন্য সাজ পুরো না তুলে সেটা আবার একটু ঠিকঠাক করে নিন। আগের সাজের ওপর আবার একটু কমপ্যাক্ট পাউডার বুলিয়ে নিন। কাজলটা দিন আরও গাঢ় করে। এবার টকটকে লালে রঙিন করে নিন ঠোঁট। সাজ সম্পূর্ণ।
 ঘরে ফিরে সময় নিয়ে যত্ন সহকারে মেকআপ তুলে নিন। জলপাই তেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা পানি মিশিয়ে তুলায় লাগিয়ে প্রথমে চোখের কাজল ও ঠোঁটের লিপস্টিক তুলে নিন। এবার মুখের মেকআপ তুলুন হালকা ম্যাসাজ করতে করতে। এরপর ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।
 ত্বকের সারা দিনের রোদে পোড়া ভাব দূর করতে পাকা টমেটো বা গোল আলুর রসের সঙ্গে আটা বা ময়দা মিশিয়ে ৫ থেকে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন।
 সারা দিনে চুলের ওপর ও ঝক্কি-ঝামেলা কম যায় না। তাই ঘরে ফিরে চুলের গোড়ায় ভালোভাবে তেল মালিশ করে নিন। শ্যাম্পু করাটা রেখে দিন পরদিনের জন্য।

*বৈশাখেরসাজ* *পহেলাবৈশাখ* *সতেজতা*

পূজা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পয়লা বৈশাখে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশই মেতে উঠবে উৎসবে। নতুন বাংলা বছর ১৪২৩ আসবে নানা আয়োজনে। রমনার বটমূলে সূর্যোদয়ের সময়টাতে ছায়ানট বরণ করে নেবে নতুন বছরকে। পয়লা বৈশাখে ঢাকার নানা জায়গায় থাকবে নানা মেলা, বিভিন্ন আয়োজন—সব মিলিয়েই হবে নববর্ষ উদ্যাপন। সে রকম কিছু আয়োজনের খোঁজখবর থাকছে এখানে।

রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ উৎসব শুরু হবে সূর্যোদয়ের সময় থেকে। ছায়ানটের শিল্পীদের পরিবেশনায় থাকবে দলীয় গান, একক গান ও আবৃত্তি। সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গাওয়ার মাধ্যমে শেষ হবে এ আয়োজন। সকাল আটটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে বের হবে মঙ্গল শোভাযাত্রা। বাঙালি সংস্কৃতির নানা উপকরণে সজ্জিত শোভাযাত্রাটি রূপসী বাংলা হোটেল হয়ে চারুকলার সামনে এসে শেষ হবে। ঢাকা শিশুপার্কের প্রধান ফটকের সামনে সকাল থেকেই চলবে ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠীর অনুষ্ঠান।

ধানমন্ডির রবীন্দ্রসরোবরে আয়োজন করা হয়েছে নানা রকম অনুষ্ঠানের। সকাল ছয়টায় শুরু হয়ে বেলা ১১টা পর্যন্ত চলবে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান। এতে থাকবে নাচ, গান ও আবৃত্তি। সন্ধ্যা সাতটা থেকে শুরু হবে আরেক দফা সংগীতানুষ্ঠান, চলবে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত। নববর্ষের দিন সকালে বাংলা একাডেমির নজরুল মঞ্চে থাকবে আলোচনা সভা, গান ও আবৃত্তি। একাডেমি প্রাঙ্গণে আরও থাকবে কারুপণ্য প্রদর্শনী এবং বইয়ের আড়ং। 
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর খোলা মাঠে ৩০ চৈত্র বর্ষবিদায় এবং পয়লা বৈশাখ বর্ষবরণ অনুষ্ঠান হবে। থাকবে সমবেত সংগীত, একক সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি, বাউলগান ইত্যাদি।

কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের মাঠে আয়োজন করা হবে বৈশাখী মেলার। ১২ এপ্রিল শুরু হয়ে মেলা শেষ হবে ১৪ এপ্রিল পয়লা বৈশাখের দিন। মেলায় লোকজ পণ্যের বিকিকিনির পাশাপাশি থাকবে পালাগান, বাউলগান, সাপ খেলা, বানর খেলা ও বায়োস্কোপ প্রদর্শনী। এ ছাড়া সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের লোকজ সংগীতের আসরসহ শহরজুড়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নানা রকম অনুষ্ঠান থাকছে দিনের বিভিন্ন সময়ে।

তথ্যসূত্র: ছায়ানট, কলাবাগান ক্রীড়া চক্র, ধানমন্ডি ক্লাব, ইন্টারনেট, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী, বাংলা একাডেমি

*বৈশাখীআয়োজন* *বৈশাখীমেলা* *পহেলাবৈশাখ* *পয়লাবৈশাখ* *নববর্ষ*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 পহেলা বৈশাখে হালখাতা করার প্রচলন কবে থেকে শুরু হয়েছিল?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

*হালখাতা* *পহেলাবৈশাখ* *নববর্ষ*

AjkerDeal.com: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণ-সঞ্জীবনী সুধা। একটি লোকজ উৎসব। বাঙালির ঐতিহ্য ও লোক-সংস্কৃতির অন্যতম অঙ্গ। এ উৎসব সর্বজনীনতায় ও স্বমহিমায় উদ্ভাসিত। শিকড়ের গন্ধমাখা কৃষ্টি। বাঙালির আত্মপরিচয়ের আয়না। আমাদের আশাজাগানিয়া দিন। তাই আমরা এ দিনটিতে পুরনোর জীর্ণতা, গ্লানি-ভেদ ভুলে নতুনকে আহ্বান করি। নব-আনন্দে মেতে উঠি। বেজে ওঠে নতুনের ঢাক, আমরা ফিরে পাই নতুনের বাঁক। পুরনো বছরের ব্যর্থতা ও গ্লানি ভুলে আমরা নতুন করে স্বপ্ন দেখি। উৎসবে উৎসবে মুখরিত করে তুলি এ দিনটিকে। বরণ করে নিই বাংলা নববর্ষকে। আনন্দে ও উচ্ছ্বাসে। এ উৎসব ধর্মনিরপেক্ষ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক। 'জাগো নব-আনন্দে'_ এ সুর-মূর্ছনায় বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্য যুগ যুগ ধরে ধারণ করে আছে পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ। তাই বাংলা নববর্ষকে স্বাগত জানাতে বাঙালি মেতে ওঠে নবরাগে, নব-আনন্দে। 
বৈশাখ মাসের অর্থাৎ বাংলা বছরের শুরুর দিনটি অনেকের কাছেই নানা তাৎপর্য বহন করে। স্মৃতিময় হয়ে থাকে ফেলে আসা বছরের ফেলে আসা দিনগুলো। রঙে রঙে স্বপি্নল হয়_ আগত বছরের আশা ও আকাঙ্ক্ষা অনাবিল সুখ ও সমৃদ্ধির প্রত্যাশায়। তাই আবহমান বাংলার আত্মার আত্মীয় হয়ে আছে পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ। এদিনে প্রতিটি বাঙালির ঘরে ঘরে তাই উৎসবের আমেজ। প্রাণে প্রাণে সঞ্জীবনী সুধার পরশ।বৈশাখ মানুষের সংকীর্ণতা দূর করে, হৃদয় বড় করে। পহেলা বৈশাখের অসাম্প্রদায়িক মিলনমেলার মধ্যদিয়েই বাঙালি একদিনের জন্য নয়, তিনশো পঁয়ষট্টি দিন ধরেই আদর্শ বাঙালি হয়ে উঠতে পারে।
এদেশের মানুষ প্রতিটি দিনই পহেলা বৈশাখের আনন্দ উদার মন নিয়ে উদ্যাপন করুক। সর্বজনীন-সার্বজনিক পহেলা বৈশাখে মানুষের মাঝে সব ভেদাভেদ দূর হয়ে যাক। মাঝে আর মাত্র চারটি দিন। এরপর রাত পোহালেই উদিত হবে বাংলা নতুন বছরের সূর্য। সার্বিক মঙ্গল কামনার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু হবে বাংলা নতুন বছর ১৪২৩। কণ্ঠে কণ্ঠে উচ্চারিত হবে কবিগুরুর পঙ্ক্তিমালা- ‘এসো হে, বৈশাখ; এসো, এসো/তাপস নিঃশ্বাস বায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে/বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক/যাক পুরাতন স্মৃতি, যাক ভুলে যাওয়া গীতি’। নতুন বছরকে বরণ করে নিতে চলছে জোর প্রস্তুতি। এ নিয়ে রাজধানীসহ সারা দেশে এখন সাজসাজ রব। সাজানো হচ্ছে বরণডালা, আত্বীয়-পরিজনদের উপহার হিসেবে তত্ব পাঠানোর ঐতিহ্য বেশ পুরনো, যেহেতু বছরের প্রথম দিন, শুভ দিন তাই এ দিনে উপহার হিসেবে মুড়ি, মুড়কি, মিষ্টির বিকল্প আর কিছু হতে পারে না l বাংলার মানুষজনও অতীতের সব দুঃখ-বেদনা, ব্যর্থতা ও গ্লানিকে বিদায় জানিয়ে নব উদ্যমে, নব প্রত্যাশায় নানা আয়োজনে বরণডালা সাজিয়েছে নতুন বছরকে বরণ করতে। তাই আপনি কেন পিছিয়ে থাকবেন l বেছে নিতে পারেন আজকের ডিলের মিষ্টির বরণডালার অফারগুলো l 
 
 
প্রসিদ্ধ বৈশাখী কম্বো অফার - ১
প্যাকেজে রয়েছে:
♦ রসগোল্লা (১০ পিস)
♦ মন্ডা (১০ পিস)
♦ চমচম (০৭ পিস)
♦ পোড়া সন্দেশ (২৫০ গ্রাম) 
♦ খৈ (২৫০ গ্রাম)
♦ আনারস (১টি)সুদৃশ্যভাবে প্যাক করা এই কম্বো অফারটি হতে পারে বৈশাখে আপনার প্রিয়জনের জন্য l 
 
প্রসিদ্ধ বৈশাখী কম্বো অফার - ২
প্যাকেজে রয়েছে:
♦ দৈ - ১ সরা (৬০০ গ্রাম)
♦ মন্ডা (১০ পিস)চমচম (০৭ পিস)
♦ পোড়া সন্দেশ (২৫০ গ্রাম) 
♦ খৈ (২৫০ গ্রাম)সুদৃশ্যভাবে প্যাক করা এই কম্বো অফারটি হতে পারে এই বৈশাখে আপনার প্রিয়জনের জন্য চমৎকার একটি উপহার !
বিঃ দ্রঃ এই প্রোডাক্ট শুধু ঢাকা শহরের ভিতর হোম ডেলিভারি দেওয়া হবে l 
 
 
৪ ধরনের মিষ্টির কম্বো প্যাক
দেশের ৪ ধরনের বিখ্যাত মিষ্টি পাচ্ছেন একসাথে ! 
কম্বোতে রয়েছেঃ 
১. টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম (১ কেজি); 
২. যশোরের জামতলার স্পঞ্জ মিষ্টি (১ বক্স-১০ পিস); 
৩. বান্দুরার রসগোল্লা (১ কেজি); 
৪. বগুড়ার দই (৭৫০ গ্রাম)সর্বোচ্চ মান ও অতুলনীয় স্বাদ অর্ডার দেবার দুই দিনের মধ্যে অর্ডার সরবরাহ করা হবে ডেলিভারী শুধু ঢাকা শহরের জন্য প্রযোজ্য l 
 
 
মালাইকারি+রাজভোগ+কালজাম+কদম্ব+প্যারা (২.৫ কেজি)
মালাইকারি+রাজভোগ+কালজাম+কদম্ব+প্যারা সন্দেশ এর কম্বো অফার ! প্রতিটিই ব্রাহ্মনবাড়িয়ার বিখ্যাত “আদর্শ মাতৃ ভাণ্ডার” এর মিষ্টি প্রতি প্রকার মিষ্টি - ৫০০ গ্রাম করে থাকবে, সর্বমোট ওজন ২.৫ কেজি 
বিঃ দ্রঃ এই প্রোডাক্ট শুধু ঢাকা শহরের ভিতর হোম ডেলিভারি দেওয়া হবে l 
 
রসমালাই+ছানা বরফি+জাফরানভোগ+মালাইকারি (২ কেজি)
রসমালাই+ছানা বরফি+জাফরানভোগ+মালাইকারি এর কম্বো অফার ! প্রতিটিই ব্রাহ্মনবাড়িয়ার বিখ্যাত “আদর্শ মাতৃ ভাণ্ডার” এর মিষ্টি প্রতি প্রকার মিষ্টি - ৫০০ গ্রাম করে থাকবে, সর্বমোট ওজন ২ কেজি l মিষ্টির দোকানের সামনে দিয়ে চলাচলের সময় নজর মিষ্টির দিকে চলেই যায় আমাদের বাঙালিদের। কারণ আমরা একটু মিষ্টি প্রিয় জাতি। খাবার শেষে একটু মিষ্টি না খেলে আমাদের অনেকেরই খাওয়া পূর্ণ হয় না।
 
৯ প্রকার মিষ্টির রয়্যাল অফার ! (৪.৫ কেজি)
রসমলাই+স্পঞ্জ+মাওয়া চমচম+জাফরানভোগ+ছানামুখী+ ছানা বরফি +ক্ষীর কেক+মালাইকারি+রাজভোগ এর রয়্যাল অফার ! প্রতিটিই ব্রাহ্মনবাড়িয়ার বিখ্যাত “আদর্শ মাতৃ ভাণ্ডার” এর মিষ্টি প্রতি প্রকার মিষ্টি - ৫০০ গ্রাম করে থাকবে, সর্বমোট ওজন ৪.৫ (সাড়ে চার) কেজি

 

*মিষ্টি* *বৈশাখীঅফার* *বরণডালা* *পহেলাবৈশাখ* *কম্বোঅফার*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আসি আসি করে দরজায় কড়া নাড়ছে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। আর এই বৈশাখকে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে আমাদের তরুণ তরুণীরা। নিচ্ছে হাজারো প্রস্তুতি। আর তাদের সাজগোজে পোশাকে প্রাধান্য পাচ্ছে লাল-সাদা। আর এজন্য শপিংমল থেকে শুরু করে মাঠে-ঘাটে সব জায়গায় রয়েছে কেনাকাটার ভিড়। আর কেনাকাটাতো করতেই হবে কারণ সামনেই যে পহেলা বৈশাখ বা নববর্ষ।
 
 
কিনতে ক্লিক করুন। নতুন বছর মানেই রঙের উৎসব, আলোর উৎসব, আনন্দের উৎসব। আর সর্বোপরি বাঙালিয়ানা উদ্যাপনের উৎসব। পয়লা বৈশাখে ছেলেরা পাঞ্জাবি, পায়জামা, ফতুয়া, কুর্তা, টি-শার্ট, ধুতি, ব্যাপারি শার্ট বা কুর্তা পরেন। এবারও পোশাকে লাল-সাদা রং প্রাধান্য পাবে। গোল গলার পাশাপাশি হাইনেক বা বেন্ড কলার, হাতার ক্ষেত্রে হাফ ও ফুল হাতার পাশাপাশি থ্রি কোয়ার্টার হাতা, কাটিংয়ের ক্ষেত্রে বডি ফিটিং, আঙরাখা কাট, জমিদারি কাট দেখা যাবে। অনুষঙ্গ হিসেবে বাহারি উত্তরীয় ও হালকা গয়নার ব্যবহার থাকবে। পাঞ্জাবির সঙ্গে জিনেসর প্যান্ট কমই দেখা যাবে। বরং চুড়িদার বা ধুতি কাট পায়জামাই বেশি পরবেন তরুণেরা। 
 
 
কিনতে ক্লিক করুন। উজ্জ্বল রং অথচ কাজটা খুব সাধারণ, এমন পাঞ্জাবিই তরুণদের পছন্দ। আর আরামদায়ক তো হতেই হবে। তাই সুতি কাপড়ই তাঁদের প্রথম পছন্দ। এ ছাড়া এবার অরবিন্দ কাপড়ও বেশ ব্যবহূত হচ্ছে। খাটো পাঞ্জাবির প্রতি তরুণদের ঝোঁক বেশি। তা আবার বেশ ফিটিং হতে হবে। তবে অনেকে গরমের কারণে ঢিলেঢালা পাঞ্জাবিও পরবেন। পাঞ্জাবির ঝুল যেমনই হোক, কলারটা এবার বেশ বাহারি হবে। পাঞ্জাবির সামনের অংশ জুড়ে বড় কারুকাজও চোখে পড়বে। সাথে অনুসঙ্গ হিসেবে ব্রেসলেট, রিস্টবেল্ট তো আছেই l ছেলেদের সাজসজ্জার প্রথম কথাই হচ্ছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। ছেলেরা ফতুয়া, পাঞ্জাবি, টি-শার্ট যাই পরুন না কেন, তার আগে ট্যালকম পাউডার ও সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিন পুরো শরীরে। ব্যবহার করুন ডিওডোরেন্ট। দিনটিতে প্রচন্ড গরম থাকে তাই সিনথেটিক কাপড় ব্যবহার করা ঠিক না। প্রচুর পানি ও ফলের রস বা শরবত পান করুন। সম্ভব হলে মুখে বারবার পানির ঝাঁপটা দিন। সঙ্গে অবশ্যই সানগ্লাস রাখুন।
 
*ছেলেদেরসাজ* *পহেলাবৈশাখ* *নববর্ষ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★