পাখির বাসা

পাখিরবাসা নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: বাবুই পাখিরে ডাকি, বলিছে চড়াই, “কুঁড়ে ঘরে থেকে কর শিল্পের বড়াই, আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকা পরে, তুমি কত কষ্ট পাও রোধ, বৃষ্টির, ঝড়ে।” এই ছড়াটি আবার মনে করে দিলো আমার বাসার ছোট বারান্দায় খড়কুটো জুড়ে এনে সংসার পাতা চড়ুই দম্পতি, সম্প্রতি তাদের সংসারে আবার কিছু চড়ুই ছানাও জন্ম নিয়েছে l অফিস থেকে বাসায় ফিরে তাদের কিচিরমিচির শব্দ শুনতে বেশ ভালোই লাগে l সকালে তাদের জন্য চাল মুড়ি নাস্তার ব্যবস্থা করে দিতেই দেখি খুটখুট করে খাচ্ছে, আহা ! কি দৃশ্য (লজ্জা২)

*চড়ুইপাখি* *পাখিরবাসা*
ছবি

সাদাত সাদ: ফটো পোস্ট করেছে

বাবুই পাখির বাসা

বরই গাছে বাবুই পাখির বাসা। জীবনে প্রথম দেখলাম, তাও আবার বিদেশের মাটিতে (ইয়েয়ে)

*পাখিরবাসা* *বাবুইপাখি* *আমারছবি* *সাদফটোগ্রাফি* *ফটোগ্রাফি* *সাদ* *গাছ* *বিচিত্রছবি* *অন্যরকমছবি* *আরব* *প্রকৃতি*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রায় বছর পাঁচেক হলো বাবুই পাখির বাসা চোখে পড়ে নি। অথচ আগে হরহামাশাই দেখা মিলত বাবুই পাখির। কিন্তু এখন আর খুঁজে পাওয়া যায় না মনোরম সুন্দর সেই বাসাটি। স্কুলে যখন  কবি রজনীকান্ত সেনের কালজয়ী কবিতা- “বাবুই পাখিরে ডাকি বলিছে চড়াই, কুঁড়ে ঘরে থেকে করো শিল্পের বড়াই” কবিতাটি পড়েছি তখন পড়তাম আর বাইরে বাবুই পাখির বাসার সাথে মিলিয়ে নিতাম। কিন্তু সময়ের বিবর্তন ও পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে আজ হারিয়ে যাচ্ছে শিল্পী,সম্প্রীতি এবং সামাজিক বন্ধনের কারিগর বাবুই পাখি ও তার বাসা। গ্রামবাংলায় এখন আর আগের মতো বাবুই পাখির বাসা চোখেই পড়ে না।

কোথায় গেল বাবুই পাখি?
কালের বিবর্তনে বিলুপ্তির দিকে বাবুই পাখি। বাবুই আবহমান বাংলার শোভন পাখি । তালগাছের পাতায় দলবেধে বাসা বাঁধে তারা। তাদের বাসা সুউচ্চ তালগাছ আরও নয়নাভিরাম করে তোলে। এমন সুন্দর চমৎকার নিপুণ কারিগরী বাসা আর কোন পাখি বুনতে পারেনা। জানা মতে, মানুষের পক্ষেও সম্ভব নয় এমন সুন্দর বাসা তৈরী করা । তাই বাবুই পাখির শিল্পিত বাসা নিসর্গকে যেমন দৃষ্টিনন্দন তাদের বাসা ঠিক তেমনি মজবুত। প্রবল ঝড়-বাতাসেও টিকে থাকে তাদের বাসা। খড়ের ফালি, ধানের পাতা, তালের কচিপাতা, ঝাউ ও কাশবনের লতাপাতা দিয়ে উঁচু তালগাছে চমৎকার আকৃতির বাসা তৈরি করত বাবুই পাখিরা। একান্নবর্তী পরিবারের মত এক গাছে দলবদ্ধ বাসা বুনে এদের বাস। বাবুই পাখি একাধারে শিল্পী, স্থপতি এবং সামাজিক বন্ধনেরও প্রতিচ্ছবি। শক্ত বুননের এ বাসা দিনে দিনে উজার হচ্ছে তালগাছ। তার সাথে উজার হচ্ছে বাবুই পাখির বাসা। দুই চার বছর আগেও গ্রাম-গঞ্জের তাল, নারিকেল ও সুপারি গাছে ব্যাপকভাবে বাবুই পাখির বাসা চোখে পড়ত।

কিন্তু এখন আগের মতো বাবুই পাখির চোখে পড়ে না। এসব বাসা শুধু শৈল্পিক নিদর্শনই ছিল না, মানুষের মনে চিন্তার খোরাক যোগাত এবং স্বাবলম্বী হতে উৎসাহিত করত। এদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো “তারা রাতের বেলায় ঘর আলোকিত করার জন্য জোনাকি পোকা ধরে নিয়ে বাসায় রাখে। সকাল হলেই আবার তাদের ছেড়ে দেয়”। সাধারণত তাল, খেজুর, নারিকেল, সুপারি ও আখক্ষেতে বাসা বাঁধে।  অনেকেই বলছেন  তাল জাতীয় গাছ হারিয়ে যাবার কারনে বাবুই পাখিও হারিয়ে যাচ্ছে।  আমারও কেন জানি তাই মনে হয় আগের মতো তাল গাছো নাই আর বাবুই পাখিও নাই। তাহলে এখন কি হবে? আমাদের ছেলে-মেয়েরা তো আর কবিতার সাথে মিল খুঁজে পাবে না!
*বাবুইপাখি* *পাখিরবাসা* *বাসা* *বাংলাদেশেরপাখি*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

বাবুই পাখি

*পাখিরবাসা*

দীপ্তি: বারান্দার কোণে বা করিডোরে বা ঘুলঘুলিতে (ভেন্টিলেটর) অনেক সময় পাখি বাসা বাঁধে, ব্যাপারটা ভালো লাগে কিন্তু ঘর নোংরা করে জন্য আর সেই ভালো লাগাটা নষ্ট হয়ে যায়। এই জন্য ঘরের দরজা, জানলা সব বন্ধ করে ঘরে খানিকটা কর্পূর জ্বালিয়ে দেখুন পাখি চলে যাবে (খুকখুকহাসি)

*পাখিরবাসা* *গৃহস্থালিটিপস*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পাখিদের বাসা বানাতেই হয়। নইলে পাখিরা ডিমই বা পাড়বে কোথায়, আবার ডিম থেকে ছানাই বা ফোটাবে কোথায়? দুনিয়ার বেশির ভাগ পাখিই বাসা বানাতে জানে। অল্প কিছু কেবল বাসা বানানোর ধার ধারে না। অন্য পাখির বাসায় ডিম রেখে ছানা ফুটিয়ে দিব্যি বংশ বিস্তার করে যাচ্ছে।

বাসা বানানো পাখির সংখ্যাই বেশি। আর পাখির সেসব বাসা যেমন বৈচিত্রময় তেমনি বিচিত্র তাদের বাসা বানানোর ধরনে। কিছু পাখি বাসা বানানোর জিনিসপত্র কেবল একটার উপর আরেকটা রেখেই একটা বাসা বানিয়ে ফেলে। কোনোরকম বাসা। আবার কিছু পাখি রীতিমতো ঠোঁট দুটোকে সুঁইয়ের মতো কাজে লাগিয়ে চিকন চিকন আঁশ দিয়ে বাসা বানায়। যেমন আমাদের দেশের বাবুইপাখি। এজন্য বাবুইয়ের নামই হয়ে গেছে শিল্পীপাখি।

বড় পাখিদের বাসা দেখতে আহামরি তেমন একটা সুন্দর হয় না। বিশেষ করে শিকারি পাখিদের বাসা। হয়ত শিকারের পিছনে ছুটতে ছুটতে বাসা বানানোর দিকে অতটা নজর দিতে পারে না ওরা। ঈগল, শকুন, কাক, চিল, বাজ- এসব পাখির বাসা কোনোরকম। অগোছালো। কোনোরকমে কিছু শুকনো ডালপালা, খড়, শুকনো পাতা- এসব জোগাড় করে গোলাকার বাসা বানায়। পাখির আকার অনুযায়ী এদের বাসার আকার বেশ ছোট। কোনোরকম ঝামেলা না হলে এরা বাসা বদলায় না। যখন ডিম পাড়ার সময় হয় এরা পুরনো বাসাকেই ঠিকঠাক করে নেয়। এদের বাসা বানাতে সময়ও লাগে কম। সাধারণত উঁচু গাছের সবচেয়ে উঁচু ডালই এরা বাসা বানানোর জায়গা হিসেবে নির্ধারণ করে। এদের বাসা অতটা মজবুত হয় না। যে কারণে অনেক সময় দেখা যায় প্রচণ্ড ঝড়ের পরে এদের বাসা ভেঙে পড়ে বা পুরো বাসাটাই নিচে পড়ে যায়।

ছোটখাটো পাখির বাসা আবার বেশ মজবুত হয়। এই যেমন বাবুই, টুনটুনি, মৌটুসি, ফিঙে, ঘুঘু, পাপিয়াদের বাসা। দেখতেও যেমন সুন্দর, তেমনি বাসা দেখলেই বোঝা যায় প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়েছে। বাসা তৈরির পিছনে এরা প্রচুর সময় ব্যয় করে। এদের বাসায় যেমন রয়েছে শিল্পের ছাপ তেমনি বাসাও অনেকখানি নিরাপদ। ছোট পাখি সবসময়ই বড় পাখিদের সামনে হুমকির মুখে থাকে। কেবল বড় পাখি নয়, বিড়ালসহ নানা প্রাণীর বিপদ তো লেগেই থাকে। তাই বাসাটা হওয়া চাই সেরকম বিপদমুক্ত। যত বিপদ যাতে বাসার ওপর দিয়ে যায়। যাতে ছানা বা ডিমের কোনো ক্ষতি না হয়- বাসা বানানোর সময় সেদিকে ওদের কড়া খেয়াল থাকে। বাবুইপাখির বাসার কথাই ধরা যাক। একেকটা বাসা তো নয় যেন দুর্গ। বাসার এপাশ দিয়ে ঢুকে ওপাশ দিয়ে বেরোনো যাবে। শুধু তাই নয়, বাসাও ঝুলন্ত। তাও আবার বেশির ভাগ বাসা তালগাছের পাতায় পাতায় ঝুলে থাকে। লম্বা একটা শক্তপোক্ত বোঁটার আগায় এমনভাবে ঝুলে থাকে, মনে হয় যেন দোলনা। অমন বাসা বানানোর কারণে কোনো প্রাণীই ওদের নাগাল পায় না। চিকন চিকন পাতা উলের মতো বুনে বুনে বাসা বানায় বাবুইরা। দেখতেও খুব সুন্দর। একটু বাতাসেই দোল খায়। আর যত জোরেই বাতাস আসুক, তালপাছ থেকে বাবুইয়ের বাসা খুব একটা খসে পড়ে না। যদি কখনো ঝড়ে পড়েও থাকে, সেটা খুবই সামান্য। বিশেষ করে বাসা খুব বেশি পুরনো হয়ে গেলে।

আর বেশি পুরনো বাসায় বাবুইরা খুব একটা ফিরে যায় না। অনেকগুলো কারণ আছে পুরনো বাসায় ফিরে না যাওয়ার। একটা কারণ তো পরিষ্কার- সেটা হল বাসাটা বেশি পুরনো হয়ে গেলে জীর্ণ হয়ে যায়। টেকসই থাকে না। বলা তো যায় না, কখন ঝড়ো বাতাসে ঝরে পড়ে! তারচেয়ে নতুন বাসা বানানোই ভালো। এজন্য মিসেস বাবুইও পুরনো বাসায় থাকতে চায় না মিস্টার বাবুইয়ের সঙ্গে।

যুগান্তর থেকে ধারকরা, লিখেছেন 
নাসরিন সুলতানা 
*পাখিরবাসা* *বাসা*
ছবি

যারিন তাসনিম: ফটো পোস্ট করেছে

৪/৫

শালিকের ছোট্ট বাবুটা ওর বাবা মায়ের সাথেই আমাদের রান্নাঘরের বারান্দার উপরের ফোকর টাতে থাকত। নতুন হাটতে শিখা বাবুটা টুপ করে আজ বিকেলে পড়ে গেল বারান্দায় থাকা একটা টবে। ওর বাবা মা একটু পর পর এসে খাইয়ে যাচ্ছে ওকে।(খুবকিউটলাগছে) নিচে যেন পড়ে না যায় তাই আব্বু খোলা জায়গাটা শক্ত কাগজ দিয়ে আটকে দিয়েছে(আদর)(খরগোশ)

(আদর)(খরগোশ)

*পাখিরবাসা*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গাছের উপর ২০ ফুট লম্বা, ১৩ ফুট চওড়া বাসা। ভাবনাতেই আসে না বাসাটিতে কে থাকতে পারে? আশ্চর্য্যজনক হলেও সত্য এই বাসাটিতে থাকে একটি পাখি! কি আশ্চর্য হলেন?

চলুন তাহলে আশ্চর্য্যকর বিষয়টির সত্যতা জেনে নেইঃ
পাখির এই বাসার ওজন দুই হাজার পাউন্ডেরও বেশি। বাসাটি প্রায় এক শ' বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। বাসার উত্তরাধিকার বংশ পরম্পরায় পেয়ে থাকে। মোটা ঘাস, পাখির পালক, বাতাসে ভেসে আসা তুলো, খড়কুটো আর গাছের ডাল দিয়ে নিজেদের বাসা তৈরি করে সোস্যায়েবল ওয়েভার। তবে সমস্যা হল বাসাটি অক্ষুন্ন থাকলেও অনেক সময় মারা যায় আশ্রয়দাতা গাছটি। এমনকি বাসার ভারে ভেঙেও পড়ে।

আশ্চর্য এই পাখির নাম সোস্যায়েবল ওয়েভার। যা আমাদের দেশের বাবুই পাখির মতো। আজব এই পাখির বাস দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে। এই অঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা যেমন প্রচণ্ড বেশি, রাতে তার উল্টো। এ বাসাই অতিরিক্ত গরম এবং ঠাণ্ডা থেকে সোস্যায়েবল ওয়েভারকে রক্ষা করে।


একটি বাসায় এক শ'র উপরে ছোট ছোট ঘর থাকে। একটি আস্তানায় সাধারণত তিন শ' থেকে চার শ' পাখি বাস করে। তবে ছোট ছোট কুঠুরিতে আলাদা আলাদা পরিবার বসবাস করে। বাসার মাঝখানে থাকা ঘরগুলো বেশি উষ্ণ। যা রাতের হিমশীতল আবহাওয়া থেকে রক্ষা করে। আর বাইরের ঘরগুলো তুলনামূলকভাবে একটু ঠাণ্ডা। দিনের গরম থেকে রক্ষা পেতে সেই ঘরগুলোতে আশ্রয় নেয় পাখিরা।
কনটেন্ট সহযোগিতাঃ নয়াদিগন্ত
*মজারখবর* *জানো* *পাখিরবাসা*
৪/৫

রং নাম্বার: কুড়ে ঘর হোক তবু নিজ ঘরই খাসা(লালালা)

*পাখিরবাসা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★