পাগল

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একটি দুষ্টুমিষ্টি পাগলির নাম। পাগলের মতো এঁদের জটলা চুল না থাকলেও পাগল করে দেয়ার মতো সুরভিত রেশমি চুল ঠিকই থাকে...+

উপকারিতা:

----------------

এঁদের দ্বারা উপকার ছাড়া অপকার সম্ভব নয়। কেননা, এঁদের বক্র চাহুনিতেও হৃদয় প্রশান্ত হয়। যেটা আপনার হার্টের জন্য উপকারী...+

ক্রেডিট:

-----------

এঁদের মাঝে কথা বলার যাদুকরি শক্তি বিদ্যমান। দিন শেষে ক্লান্ত বদনে ঘরে ফিরলেও এঁদের দুষ্টু হাসির মিষ্টি কথায় মুহূর্তেই মনঃসমুদ্রে ভালোবাসার প্রাণোচ্ছল ঢেউ তুলবে...+

এঁদের_শখ:

----------------

এঁদের কাছে চটপটি-ফুচকা, আইস্ক্রিম, আমসত্তা আর চকলেট সোনার চেয়ে দামি হলেও দিন শেষে প্রিয় স্বামীর একটু সান্নিধ্য এঁদের কাছে হীরার চেয়েও দামি..+

চাহিদা:

----------

অন্তত সপ্তাহে ১ বার হলেও রাতে বাসায় ফিরবার সময় একটি অর্ধফুটন্ত গোলাপ এনে খোঁপায় গুজে দিতে হবে। আর মাঝেমাঝেই চাঁদনিরাতে পরষ্পর হেলান দিয়ে তারা গুনতে হবে...(অনেকের ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্নও হতে পারে)

কার্যকারিতা:

-----------------

সারাদিন প্রিয় স্বামীর ঘরে ফিরবার অপেক্ষায় মনটা আকুপাকু (ছটফট) করতে থাকবে, আর ঠিক সময়ে ঘরে ফিরে এলেও অভিমানী কণ্ঠে 'আজ এতো দেরি করেছেন কেন? এই বলে একাএকাই কিছুক্ষণ ঝগড়া করে গাল-নাক ফুলিয়ে কান্না জুড়ে দিবে, কারণ কিছুই নয়, কারণ আপনার একটু ভালবাসা পাওয়া...+

অধিকার:

--------------

স্বামী সত্যি-সত্যিই একটু দেরি করে ফিরলে, সেদিন রাত্রিকালীন রোজা ফরজ করে ছাড়বে। আর নাকের পানি ও চোখের পানির স্রোতে চোখের কাঁজল দিয়ে এলিয়েন সাজবে। খবরদার! তখন কিন্তু আপনি তার প্রতি মনোনিবেশ ছাড়া অন্য কিছু ভুলেও করতে যাবেন না, তখন তার সাথে Compromise করুন লাভ আপনারই হবে .....+

স্বভাব:

----------

ধার্মিকা স্ত্রীরা খুবই বিনম্র। তবে স্বামীর সাথে দুষ্টুমিতেও চ্যাম্পিয়ন। যা আপনার কল্পনাকেও হয়ত হারিয়ে দেবে...+

Extra কিছু:

----------------

সে আপনাকে নিয়ে বৃষ্টিতে ভিজতে খুবই আগ্রহী। তাই সকাল-দুপুর কিম্বা বিকেল যেকোনো সময় বৃষ্টি নামলে তাকে নিয়ে ছাদে বা উঠনে বৃষ্টিতে ভিজুন, দেখবেন এ এক অন্যরকম অনুভূতি...+

ইবাদত:

-----------

নফল ইবাদত গুলো এক সাথে করবেন। মনে রাখবেন 'ওজু শেষে স্ত্রীকে Lip-Kiss করাও কিন্তু সুন্নৎ'।

আরো হাজারটা Options লেখা যায়! আর লিখলেও তা হবে না শেষ।

তাই মহান আল্লাহর পবিত্র বাণী দিয়েই ইতি টানি:

وَمِنْ ءَايٰتِهِۦٓ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوٰجًا لِّتَسْكُنُوٓا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً ۚ إِنَّ فِى ذٰلِكَ لَءَايٰتٍ لِّقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ

আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে- তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য হতে সৃষ্টি করেছেন তোমাদের স্ত্রীদের- যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও এবং তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন, চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য এতে অবশ্যই বহু নিদর্শন রয়েছে।

(সূরা রূম আয়াত ২১)

অতএব যারা এখনো অবিবাহিত তারা বিয়ে করে ফেলুন

মহান আল্লাহ বলেন:

----------------------------

وَأَنكِحُوا الْأَيٰمٰى مِنكُمْ وَالصّٰلِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَآئِكُمْ ۚ إِن يَكُونُوا فُقَرَآءَ يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِۦ ۗ وَاللَّهُ وٰسِعٌ عَلِيمٌ

আর তোমরা তোমাদের মধ্যকার অবিবাহিত নারী-পুরুষ ও সৎকর্মশীল দাস-দাসীদের বিবাহ দাও। তারা অভাবী হলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময় ও মহাজ্ঞানী।

(সূরা নূর আয়াত ৩২)

কপিপোষ্ট

*বৌ* *উপকার* *ভালোবাসা* *পাগলী* *পাগল* *আবেগ* *রসিকতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: " বৌ " একটি দুষ্টুমিষ্টি পাগলির নাম। পাগলের মতো এঁদের জটলা চুল না থাকলেও পাগল করে দেয়ার মতো সুরভিত রেশমি চুল ঠিকই থাকে. এঁ

*বৌ* *পাগল* *ভালোবাসা* *চুল* *রেশমি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: [পিরিতি-তোমারজন্য]আমি যে পাগল সেকথা লুকোতে গিয়েই তোমাকে প্রেমিকা বলা।

*প্রমিকা* *পাগল* *আবেগ*
জোকস

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি জোকস পোস্ট করেছে

একদিন বউ স্বামীকে বলছে আমি মরে গেলে তুমি কি করবে? স্বামী বললো, পাগল হয়ে যাবো! তখন বউ বললো, অন্য নারীকে বিয়ে করবে না তো? তখন হাজবেন্ড বললো, পাগলে কি না করে! .
*জোকস* *বউ* *পাগল*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 

আলেয়া চাকুরী জন্য শহর ছেরে গ্রামে । আধুনিক নারী হলেও সে কিন্তু গ্রাম কে নিজের মতো করে নিয়েছে । গ্রামের পিছিয়ে পরা মানুষের জন্য তার এন জি ও কাজ করে যাচ্ছে । গ্রাম কে যারা টিভি র পর্দায় দেখে আসলে গ্রাম তার চেয়ে সুন্দর । গত এক বছরে মানুষের জীবনের দুঃখ কষ্ট গুলো খুব কাছে থেকে দেখেছে । এই গ্রামে পাঁচ টাকা মানুষের কাছে পাঁচশত টাকার সমান । আলেয়া বাসায় কাজ করে একটা মেয়ে নাম তার কুমকুম । মাথায় সব সময় তেল দিয়ে থাকে । পান খায় । নাকে অনেক বড় একটা নাক ফুল । পায়ে কোন দিন জুতা পড়তে দেখে নাই আলেয়া কুমকুম কে । মেয়েটা কালো হলেও সাহস আছে । ঘরের সব কাজ একবার বলে দিয়েছিল আলেয়া তার পড় আর কোন দিন বলতে হয় নাই । কাজের শেষে আলেয়ার গল্প করার মানুষ হল কুমু । কুমকুম কে আলেয়া সখ করে কুমু ডাকে ।

আলেয়া যখন এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে যায় মানুষের কাজের উন্নতি কি ভাবে করতে হয় । দল গত কাজের সাফল্য কি ভাবে হয় । আমাদের কৃষি আমাদের কি ভাবে সফলতা নিয়ে আসে তাই শিখায়। আজ অন্যদিনের মতো কাজ থেকে ফিরছে আলেয়া । জমিতে কাজ করছে কিছু মানুষ তারা সবাই আলেয়া দেখলে বলে এন জি ও আপু । সবাই সালাম দিয়ে কথা বলে । ভিবিন্ন পরামর্শ জন্য আসে । আলেয়া লক্ষ করলো তার পিছনে একটা মানুষ প্রায় অনেক দূর থেকে হেঁটে আসে । এত দূর থাকে যে তার সাথে কথা বলা হয় না। প্রতিদিনই দেখে কিন্তু বিষয়টা গত ছয় মাসে তার চোখে পড়ে নাই । আজ তার কাছে বিষয় টা পরিষ্কার । জমি থেকে একজন বলল এন জিও আপু আপনার পিছনে রোজ পাগলা গফুর হেঁটে যায় । ও কিন্তু পাগল । একটু দূরে থাকবেন । তার পড় আলেয়া বুঝতে পারলো হ্যা সত্যি তো । আলেয়া গত দুই তিন যাবত দেখতে পাচ্ছে । কিন্তু গফুর তো অনেক দূরে থাকে ।

কুমু বলল আলেয়া আফা চিন্তা করবেন না। সে পাগল হলেও কারো ক্ষতি করে না তবে সে আগে ডাকত ছিল । যাবত জীবন জেল হয়েছিল । ১৪ বছর জেল খেটে বের হয়েছে । বাড়িতে এসে দেখে তার বউ অন্য মানুষ কে বিয়ে করে অনেক বছর আগেই শহরে চলে গেছে । তার পড় থেকে পাগল । পাগল হয়েছে সাত আট বছর । গ্রামের মানুষের সাথে সে চলে না। একা একা চলে জমি যা আছে তাতে ভাল করেই চলে যায় ।

আলেয়া বলল লোকটা আমার পিছনে হাটে কেন । আমি কিন্তু ওকে ভয় পাই । মুখ ভর্তি দাড়ি মুছ । চুল গুলো আর গাঁয়ের জামা এত ময়লা দেখলেই খারাপ লাগে । গরমের মধ্যে একটা চাদর দিয়ে থাকে । কুমু বলল থাক আফা এইতা নিয়ে চিন্তা করবেন না। সে ডাকাত হলে কি হবে আমাদের কোন গ্রামে কোন দিন ডাকাতি করে নাই । সে যখন কারো খতি করে নাই আপনার ও করবে না। আলেয়া বলল দেখা যাক । চেয়ারম্যান কে বিষয়টা বলতে হবে । পরের দিন চেয়ারম্যান কে বলল আলেয়া । তার অফিস কে জানালো । অফিসের ম্যানেজার বিষয়টা শুনে এক গাল হেসে বলল ম্যাডাম আপনি এই সব নিয়ে মোটেও চিন্তা করবেন না। পাগলের সুখ মনে মনে । চেয়ার ম্যান বলল আরে আপনি শহরের মেয়ে আপনার হাটা চলা হয়ত পাগলের কাছে ভাল লাগে । আমি হলাম বুড়া চেয়ার ম্যান । তারপড় ও তো আপনাকে দেখলে আরেক বার দেখি । এই কথা বলে চেয়ারম্যান একটা হাসি দিল । আলেয়া নিজেও একটু হাসি দিয়ে বলল আপনি

অনেক মজার মানুষ , তাই বার বার পাশ করে চেয়ারম্যান হয়ে জান । চেয়ারম্যান বলল বইন সবেই আল্লার ইচ্ছা গরীব মানুষের জন্য কাজ করে যাই আর কি ? আলেয়া মনে মনে বলে তাই গ্রামের মধ্যে সুন্দর বাড়িটা আর জমি আপনারেই বেশি ।

আলেয়া চলে আসে তার বাসায় । কুমু চা নিয়ে আলেয়ার হাটে দেয় । আর বলে আফা চিন্তা করবেন না। ঐ পাগলে কিছুই করতে পাড়বে না। আমরা আছি না।

এমন সময় অন্য গ্রামের একজন আলেয়া কে তার মেয়ের বিয়ে দাওয়াত দিতে এলো । আলেয়া কে বলল বোন আপনার জন্য আমার মেয়ে কলেজে পড়ে । ছেলে ভাল পেয়েছি তাই বিয়ে । আপনি না গেলে আমার মেয়ে কষ্ট পাবে । আপনি কুমু কে নিয়ে যাইয়েন । আলেয়া বলল ঠিক আছে যাব কিন্তু আসতে আসতে যে রাত হয়ে যাবে । কুমু বলল চিন্তা নাই আমি আছি না আর চাঁদনী রাত নদীর পার দিয়ে হেঁটে চলে আসব ।

আলেয়া বিয়েতে খুব মজা করে গীত গাইলো সবার সাথে । বড় এলো রাত আট টায় । বিয়ে শেষ হল , হাইজেক লাইটের আলোতে সবাই খুব খুশিতে সময় পার করলো । রাত ১১ টায় বর মেয়ে নিয়ে চলে গেল । আলেয়া কে কিছুটা রাস্তা এগিয়ে দিয়ে গেল কনের বাবা।

নদীর পার দিয়ে চাঁদনী রাতে আলেয়া আর কুমু হেঁটে যাচ্ছে । কিছুটা পথ যাওয়ার পর কুমু বলল আলেয়া আফা চরে কিন্তু খিরাই ভাল হইছে । চলেন কিছু খিরাই নিয়ে যাই । আলেয়া বলল না মানুষের জমির জিনিস না বলে খাওয়া ভাল না । আর অল্প একটু রাস্তা বাকি আছে তারাতারি চল । রাস্তা বাক নিতেই কিছু বুঝে উঠার আগে সাত আট জন মানুষ আলেয়া আর কুমুকে কাপড় দিয়ে ডেকে হাট পা নদীর চরের দিকে কুলে করে নিতে লাগলো । কুমুর মুখ বাঁধা আলেয়ার মুখ বাঁধা । তাঁদের হাঁতে টর্চ লাইন । চার দিক নীরব । আলেয়া খুব চেষ্টা করছে ছুটতে একজন চুলের মুট ধরে বলছে বেশি চালাকি করবি তবে তাহলে মাগি জানে মেরে ফেলব । কিছু বুঝে উঠার আগে তাঁদের নদীর চরের মাঝে নিয়ে এসেছে , সবাই মুখ কাপড়ে বাঁধা । একজন বলছে খুব ফিস ফিস করে বলছে এন জি ও আফা কে আগে আগে হাত দিস না । সাব আগে তার কাজ শেষ করুক । তার পড় । সবার মুখে হাসি । একজন বলল এটা তো সাব হাত দিব না । এটা আমরা নিয়ে যাই । আলেয়া আর কুমুর হাত চোখ বাঁধা শরীরের সব কাপড় খুলে ফেলেছে । আলেয়া মনে মনে আল্লাহ আল্লাহ করছে । এমন সময় একজন বলল সাব চলে আসছে । চোখ বন্ধ আলেয়ার পিছনে হাত বাঁধা । কুমুর একেই অবস্থা । সাব এসে খুব আসতে করে বলল মেয়ে মানুষ নরম জাত এত শক্ত করে কেউ বাঁধে । নৌকা থেকে চাটিটা নিয়ে আয় । কুমু ঠিক কণ্ঠ চিনতে পারলো । সেই চেয়ারম্যানের কণ্ঠ । দুই জন মিলে আলেয়া কে নিয়ে চাটির উপর রাখলো । চোখ মুখ বাঁধা কিছুই বলতে পাড়ছে না। ভয়ে আলেয়ার সারা শরীর শীতল হয়ে গেছে । চেয়ারম্যান আলেয়ার শরীরের হাত দিয়ে বলে গরমের দিন কি ঠাণ্ডা শরীর । এমন সময় মা বলে কে জানি একটা চিৎকার দিল । কেউ এদের মারছে । আলেয়া আর কুমু কিছুই বুঝে উঠতে পাড়ছে । একজন বলছে ভাই আমারে মারিস না । আমি কিছুই করে নাই । আরেক জন বলল গফুর

আমাকে মাফ করে দে । গফুর বলল যারা আমাদের ভাল হবার জন্য গ্রামে আসে তোদের জন্য তারা গ্রামে থাকতে পারে না। কিছু সময় পড় আলেয়া চোখ খুলে দিয়ে বলল নে মা কাপড় পড়ে নে । কুমু কে কাপড় দিয়ে বলল নে পড়ে নে । আলেয়া চেয়ে দেখে চার পাশে মানুষের লাশ । চেয়ারম্যান সহ সবাই কে দা দিয়ে কুপিয়ে মারা হয়েছে। গফুরের সারা শরীর রক্ত । হাঁতে দায়ে রক্তে ভরা । আলেয়া জামা পড়ে বলল আপনি কই থেকে আসলেন । গফুর বলল মা কিছু মনে কইর ন। আর একটা খুন করতে হবে । তুমি যে বিয়েতে যাবে এটা তুমি আর কুমু ছারা কেউ জানে না। এই কুমু চেয়ারম্যানের টাকা খেয়ে তোমারে ভুল পথে নিয়ে আসছে । আসলে এই ছেরি অভিনয় করছে । আলেয়া কুমুর দিকে তাকাতে কুমু মাথা নিচু করে ফেলেছে । গফুর বলল মা এই গ্রামে ভাল মানুষের ভিতরে কে সয়তান। কে ভাল চেনা মুশকিল । আমরা যদি কুমুরে বাচাই তাহলে আমাদের ফাঁসী হতে পারে । কুমু পাগলা গফুরের পায়ে ধরে বলল গফুর ভাই আমার ভুল হয়েছে । গফুর বলল আমি গফুর কাউরে ক্ষমা করি না। ক্ষমা করে আল্লায় । এই বলে দা দিয়ে আরেকটা কুব দিল কুমুরে । আলেয়া কিছু বলতে পাড়ছে না । গফুর বলল আরে তরে দেখলে আমার মেয়ের মতো লাগে তাই তোর পিচ পিচ হাটি মা। ভাগ্য ভাল আজ আমি পিছু পিছু ছিলাম । আলেয়া গফুর কে জরিয়ে বলে আমাকে বাচাতে আপনি কত গুলো মানুষ কে খুন করছেন । এখন কি হবে । গফুর বলল আরে মা এরা কেউ মানুষ না যদি মানুষ হবে তাহলে কি কেউ তোমার মতো একটা ফুল কে নষ্ট করতে নদীর চরে নিয়ে আসে । তুমি ভয় পাইও না। আমি নদী থেকে রক্ত পরিষ্কার করে নেই । গফুর নদীর পানিতে রক্ত পরিষ্কার করে বলে চল মা তকে বাড়িতে রেখে আসি । ঐ দেখ মসজিদ থেকে আল্লার ডাক আসছে , কেউ ঘুম থেকে উঠার আগে আমাদের চর থেকে চলে যেতে হবে । কুমুর কথা কেউ বললে বলবি তকে বাসায় রেখে সে রাতেই চলে গেছে ।

পাগল গফুর পরম মমতায় আলেয়ায় কে বাসায় নিয়ে আসলো । গফুর বলল মনে করবা একটা স্বপ্ন দেখছ । এই চেয়ারম্যান কে বা কারা মেরেছে সেটা পুলিশ চিন্তা করবে । আমি পাগল । পাগল কে কেউ সন্দেহ করবে না।। গফুর পাগল চলে যায় । আলেয়ার চোখে সামনে শুধু অন্ধাকার দেখতে থাকে ।। কি হল ? কি ভাবে হল? সে ভাবত পাগল খারাপ আসলে এই সমাজে ভদ্র মানুষ গুলোই বেশি খারাপ ।।

 

*কুমকুম* *নারী* *শয়তান* *সমাজ* *পাগল*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: আমি যে পাগল সেকথা লুকোতে গিয়েই তোমাকে প্রেমিকা বলা।

*পাগল* *প্রেমিকা* *আবেগ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এলাকার মান্যগণ্য সকলের আলোচনার ভিত্তিতে সিমিনের নতুন নাম দেয়া হলো ধর্ষিতা। তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে এই নতুন নাম দেয়া হলো। নামটা যদিও নতুন নয়, এর আগেও অনেককে এমন নাম দেয়া হয়েছিলো। তাদের সবাই ছিলো নারী । ব্যাকরণ এবং মানব সমাজের ভাষায় এ নাম শুধুমাত্র স্ত্রীলিঙ্গের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য । এই ঘটনার উপর ভিত্তি করে হঠাৎ এলাকায় বুদ্ধিজীবীদের সংখ্যা বেড়ে গেলো । ধর্ষণের কারণ এবং ধর্ষণের পেছনে ধর্ষিতার কী কী উপসর্গ এবং অনুসর্গ ছিলো তা নিয়ে চলছে অলিতে গলিতে চুলচেরা আলোচনা । যাবতীয় জ্ঞানগর্ব উক্তি এবং উদাহরণ দিয়ে একে অপরকে বুঝাচ্ছে সিমিনের শারীরিক অঙ্গভঙ্গি, পোষাক পরিচ্ছদ এবং চারিত্রিকগতভাবে কতটুকু ইন্ধন জুগিয়েছিল এই ধর্ষণের পেছনে । এ সুবাদে সুরজের চায়ের ব্যবসা হয়ে গেল চাঙ্গা, সে চা বানাতে বানাতে বারবার একটা দ্বন্ধের মধ্যে পড়ে যায় সিমিন মেয়েটার দোষ কোথায় তা ভেবে । সে যতটুকু সিমিনকে দেখেছে বা জানে তাতে সিমিন ভদ্র পরিবারের একজন নম্র ভদ্র এবং শালীন পোশাক পরেই চলাফেরা করা একটা মেয়ে। সিমিনকে দেখে সিরাজও মাঝে মাঝে ভাবতো তার ছোট্ট মেয়েটাকে সিমিনের মত বানাবে।

এলাকার এই উত্তাপের মধ্যে হঠাৎ পানি ঢেলে দিলো কুদ্দুস পাগলা, সে বলে বেড়াচ্ছে এই ধর্ষণের পেঁছনে সিমিনের কোন দোষ নাই, তোরা যারা সিমিনের দোষ দিচ্ছিস সবাই নরকে পুড়বি । এ কথা শুনে সবাই একটু ঘাবড়ে গেলো। কারণ কুদ্দুস পাগলাও একসময়ের ধর্ষক ছিল । এরপর থেকেই সে পাগল । সেই রাতে এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটলো । যারা যারা সিমিনের দোষ দিয়েছিলো তারা স্বপ্ন দেখলো, ফুলসজ্জার নরম বিছানায় তাদেরকে ধর্ষণ করছে একদল পুলিঙ্গধারী নারী। রক্তে লাল হয়ে যাচ্ছে বিছানা। আর সিমিন তা দেখে হো হো করে হাসছে। পরদিন সকালে পাগলের বেশে একদল পুরুষ ধর্ষিতা কুদ্দুস পাগলের পেঁছন পেঁছন এলাকা থেকে বের হয়ে গেল, সিরাজ তাদের দিকে তাকিয়ে আছে।

*ধর্ষন* *সমাজ* *পাগল* *পাপ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: যাকে পাওয়ার সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায়, আপনার তাকেই ভালো লাগবে! আপনি জানেন আপনি মিছেমিছি তাকে নিয়ে পড়ে আছেন, আপনার সময় নষ্ট হচ্ছে, তাকে তো পাবেন ই না, তবুও আপনি তাকেই ভাবেন । এইগুলা হচ্ছে পাগলামী । একটা সময় এইসময় গুলার কথা মনে করে হাসতে হাসতে ভাববেন 'আমি কি পাগল ছিলাম!'

*পাগল* *ভালোবাসা*
জোকস

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি জোকস পোস্ট করেছে

এক পাগল কুয়ার ধারে দাঁড়িয়ে খুব হাসছে আর চিৎকার করে বলছে- পাঁচ পাঁচ পাঁচ... একজন পথিক কৌতুহলী হয়ে পাগলকে বলল, ভাই শুধু পাঁচ পাঁচ বলছেন কেন? কি হয়েছে? পাগল বলল, এখানে আসুন বলছি। ভদ্রলোকটি কুয়ার কাছে আসতেই ভদ্রলোককে কুয়ার মধ্যে ফেলে দিয়ে আবার চিৎকার করে বলতে লাগলো- ছয় ছয় ছয়।
*জোকস* *রসিকতা* *পাগল* *কুয়া*

বিম্ববতী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পাগলের সাথে মহার্ঘ্য সখ্যতার খাতিরে আমি জানতাম যে পাগলেরা দান দক্ষিনা নেন না,,,,তবুও আজকে এই লেখাটা পড়ে নতুন করে উপলব্ধি করলাম যে আমরা আসলে পাগল না,,,,, (খুশীতেআউলা),,,,,মহার্ঘ্য আনন্দিত বোধ করছি,,,(ইয়েয়ে),,হিঃ হিঃ হিঃ,,,যাই হোক লেখাটা শেয়ার করছি,,,,,(বৃষ্টি),,

,,,,,,,,,,,,

"খিলগাঁও এখন বেইলী রোড। বড়লোকদের সব খাওনের দোকান এইখানে আইনা বানানো হইছে। ফলে, ব্রেকফাস্ট খাইতে সকাল সকাল সেইরকম একটা দোকানে ঢুকছি।

দুইখানা আস্তা বার্গার শেষ কইরা ভদ্রলোকের মতো দোকানের বাইরে আইসা ঢেকুর তুইলা নিলাম! রাস্তার পানে চাইয়া এত সকালেই জগতের সব সুন্দরী মেয়েরা কই কই যে যায় এই বিষয়ে কিছু ভাবনা ভাবলাম। তাদের কি বয়ফ্রেন্ড নাই? রাত্রে কি তারা ফেসবুক করে নাই? সুন্দরিরা সব কি আর্লি টু বেড? তেমন ভাবনারত অবস্থায় আনমনে একটা সিগারেট ধরাইতেই পিছন থেকা কেউ ডাকলো, ভাই, সিগারেটটা দিবেন?

ফুতপাতে বইসা আছে এক পাগল। গায়ে একটা সুতা পর্যন্ত নাই। বয়সে লেট টিনেজার। এই মহল্লায় অনেকদিন পর এইরকম পাগল দেখলাম। নম্র ও বিনয়ি। উচ্চারন প্রমিত। শ্যামলাবর্ণ ও পরিচ্ছন্ন। ঠোটে আবদারের হাসি। আভরনহীনতার কোন অস্বস্তি তার মধ্যে বিন্দুমাত্র নাই।

তার হাসিতে আমি কিছুটা উৎফুল্লবোধ করলাম। আমি সবসময়ই রাস্তার পাগলদের সাথে একটা আত্নীয়তা ফিল করি। তাদের লগে গিয়া বইসা থাকতে ইচ্ছা হয়। কিন্তু তাতে তারা বিরক্ত হন বইলা এমন কখনো করা হয় নাই। এছাড়া, ঢাকায় আর আগের মতো পাগলদের তেমন দেখা যায় না। আমার চেনা সবচেয়ে পুরান পাগলটা দুই বছর আগেও দেখছি মালিবাগ মোড়ে ট্রাফিক কন্ট্রোল করতো। হোসাফ টাওয়ারের সামনে ফাঁকা জায়গাটায় ঘুমাইতো। ফ্লাইওভারের কাজ শুরু হওয়ার পরে তারে আর দেখা যাইতেছে না।

তো, আমি পকেট থেকা আরেকটা সিগারেট বাইর কইরা ধরাই। সেইটা তারে হাত বাড়ায়া আগায়া দিতে নিলে তিনি আমার দিকে একটা লাফ দিলেন। তারপরে আকস্মিকভাবে আমার সিগারেট ধরা হাতটা একটা জোরে ঝাঁকুনি দিতেই হাতের সিগারেট পইরা গেল। আমি একটু ডর খাইলাম!

তারপরে, মাটি থেকা কুড়ায়া নিয়া মনের আনন্দে সিগারেট টানতে থাকলেন পাগলার বাচ্চা পাগলাটা। তার মুখে তখনো সেই ইনোসেন্ট হাসি।

একজন বয়স্ক রিকশাওয়ালা রাস্তার পাশেই ঘটনাটা পর্যবেক্ষন করতেছিলেন। সেই রিকশায় চইড়াই বাসায় ফিরলাম। রিকশা চালাইতে চালাইতে উনি জানাইলেন, পাগলেরা দান দক্ষিনা নেয়া না। কিছু দিতে চাইলে তাদের দিকে ছুইড়া দিতে হয়। তারা টোকায়া নিয়া নিবে। তিনি প্রশ্ন রাখলেন, পাগলার হাতে হাতে কিছু দিতে হয় না- জানুইন না?

আমি সত্যিই ব্যাপারটা জানতাম না!"

----------------------------#সর্বনাম (Shoaib Shorbonam)

*পাগল*
ছবি

সাইফুল ইসলাম: ফটো পোস্ট করেছে

*পাগল*

*পাগল*

প্যাঁচা : আজকে হঠাৎই মনে হলো আমার জন্য সামনে ভীষণ কোন অভিজ্ঞতা অপেক্ষা করছে যা আসলে আমাকে মানসিকভাবে বেশ খানিকটা ভারসাম্যহীন করে ফেলবে।আমার প্রতিবিম্বই আসল আমি তে পরিণত হবে তখন।খুবই বিপদজনক হতে পারে তা।আমি আর যাই হোক,পাগল হইতাম চাই না...(নাআআআ)(প্লিইইজ)(প্লিইইজ)(ভয়পাইসি)(ভাগোওওও)

*পাগল* *ভারসাম্যহীন* *মানসিক-ভারসাম্য*
ছবি

সাইফুল ইসলাম: ফটো পোস্ট করেছে

*পাগল*

*পাগল*

বিডি আইডল: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 পাগল আইন (Lunacy act) কি ? আইনটির ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে চাই।

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*পাগল-আইন* *অাইন* *পাগলআইন* *লুনাসিঅ্যাক্ট* *পাগল* *লুনাসিএক্ট*

সাদাত সাদ: [বেশবচন-বাটপারিকরস]খেলার ফলাফল যদি আগেই নির্ধারণ করা হয় তবে মানুষ দেখানোর নামে সেই রং খেলার কি ধরকার?

*ধোঁকা* *পাগল* *কানাই* *সাদ*

সাদাত সাদ: [বেশবচন-ভুয়াভুয়া](আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(খাড়াআইতাসি)(খাড়াআইতাসি)(খাড়াআইতাসি)(বেইলনাই)(মাইরালা২)(ভাগোওওও)(গ্যাংনাম)(আম্মুউউউ)(লালালা)(কিগরম)(চিন্তাকরি)(রাগী)(চিন্তাকরি)(শয়তানিহাসি)(ফুঁপিয়েকান্না)(টাইমনাই)(শয়তানিহাসি)(প্লিইইজ)(আতশবাজি)(ঘুড়ি)(কান্না২)(দেবী)(আতশবাজি)(গরুনিয়েযাওয়া)(ঘটনাটাকি)(চরকি)(ভালবাসি)(আতশবাজি)(ঈদেরচাঁদ)

*পাগল* *সাদ*

সাদাত সাদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

আমি এখন কই (চিন্তাকরি)
আমি আবার আরেকটি বার তোমার প্রেমে পড়তে চাই তোমার কোমল মনের ছোঁয়ায় আরেকবার মরতে চাই
*প্রেম* *পাগল*

ঈশান রাব্বি: শেখ মুজিব কে আমি বীর পুরুষ বলব বাংলদেশ গঠনের পিছনে ওনার ভূমিকা অপরিসীম শেখ মুজিব কে আমি শেখ হাসিনার পিতা বলব কারন দেশরত্ন শেখ হাসিনা মুজিবের কন্যা তবে ওনাকে জাতির পিতা বলতে পারবনা কারণ জাতির পিতা তথা বিশ্ব পিতা আদম (আ:) শেখ মুজিব নহে (না)

*পাগল*
জোকস

মিকু: একটি জোকস পোস্ট করেছে

পাগলা গারদে এক পাগল ছাদের সাথে দড়ি লাগিয়ে ঝুলছিল……….. এটা দেখে ডাক্তার বললঃ ওই তুই ঝুলিস কেন ? পাগলঃ আমি তো বাল্ব! ডাক্তারঃ তাইলে জলিস না কেন?? । । । । । । পাগলঃ আরে পাগল তুই কোন দেশে আছিস?! এইটা বাংলাদেশ জানস না? কারেন্ট পামু কই?!! (ভেঙ্গানো২)
*পাগল* *কারেন্ট*
জোকস

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি জোকস পোস্ট করেছে

পাগলাগারদে সব পাগল নাচানাচি করছিল। শুধু একজন বসে ছিল চুপ করে। অন্য পাগলেরা জিজ্ঞাস করল, ‘কী হে, তুমি বসে আছ কেন?’ সে উত্তর দিল, ‘দূর ব্যাটা, বিয়েবাড়িতে জামাই কখনো নাচে? *জোকস* *পাগল*
*পাগল*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★