পানীয়

পানীয় নিয়ে কি ভাবছো?
ছবি

দীপ্তি: ফটো পোস্ট করেছে

স্বাস্থ্যকর আপেল-পুদিনা জুস

আপেল ও পুদিনা পাতার মিশ্রণে তৈরি স্বাস্থ্যকর জুসের রেসিপি। খুব সহজে তৈরি করতে জেনে নিন, কী কী উপকরণ লাগবে এই রেসিপিতে এবং কীভাবে তৈরি করবেন এই জুস। উপকরণ সবুজ আপেল কুচি এক কাপ, পুদিনা পাতা চার/পাঁচটি, চিনি দুই চা চামচ, বরফ কুচি সামান্য, লবণ সামান্য ও গোলমরিচের গুঁড়া সামান্য। প্রস্তুত প্রণালি প্রথমে একটি ব্লেন্ডারে সবুজ আপেল কুচি, পুদিনা পাতা, চিনি, লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া নিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করুন। এবার একটি গ্লাসে ঢেলে এর ওপর বরফ কুচি দিন। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল ঠান্ডা ঠান্ডা আপেল-পুদিনা জুস।

*আপেল-পুদিনা* *জুস* *পানীয়*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

দেহের বিষ দূর করতে ৪টি জাদুকরী জুস-১

গ্রিন স্মুথি : এটা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, কার্ব, ফাইবার, মিনারেল এবং প্রোটিনে পূর্ণ এক পানীয়। আর বিষাক্ত উপাদান বের করতে দারুণ কার্যকর। উপাদান : টাটকা পালং শাকের ১০-১২টি পাতা, ১/২টি অ্যাভোকাডো, ১টি ছোটো ঠাণ্ডা কলা এবং ১৫০ গ্রাম দই। প্রক্রিয়া : এ সব উপাদান ব্লেন্ডার মেশিনে পিষে ফেলুন। এতে যতটুকু পানি প্রয়োজন হয় দিন। এবার খেয়ে ফেলুন। দেহের বিষ দূর করতে ৪টি জাদুকরী জুস ফ্রুট জিঞ্জার স্মুথি : এটা দারুণ পুষ্টিকর এবং বিষাক্ত উপাদান দূর করতে ওস্তাদ। এটা প্রোটিনের একটি আদর্শ পানীয় যাতে অন্যান্য স্বাস্থ্যকর উপাদান রয়েছে। উপাদান : ১ কাপ ফ্রেশ কমলার জুস, ১ টেবিল চামচ পানিতে ভিজিয়ে রাখা ১ টেবিল চামচ চিয়া সিড, ঠাণ্ডা করা ১ টেবিল চামচ নারকেল তেল অথবা বাদামের বাটার, ১ টেবিল চামচ আদা কুচি এবং ১৫০ গ্রাম দই। প্রক্রিয়া : সব উপাদান ব্লেন্ড করুন। ব্লেন্ডারে ২-৩টি বরফের টুকরা দিয়ে নিন। এগুলো কমলার জুসের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার উপভোগ করুন। দেহের বিষ দূর করতে ৪টি জাদুকরী জুস

*জুস* *পানীয়*

কবি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কোকাকোলা, বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় কোমল পানীয়। তবে তার পিছনে Coca-Cola ওয়ার্ডমার্কের বিখ্যাত লোগোরও অবদান আছে। সেজন্যই বিশ্বের প্রায় সকল আর্ট ও ডিজাইন স্কুলে কিংবা বিজনেস স্কুলের ব্র্যান্ডিং কোর্সের শুরুতে পড়ানো কমন টপিকের একটি Coca-Cola লোগো।


১৮৮৬ সালে John S Pemberton যখন তার নতুন কোমল পানীয় বানানো শুরু করেন, তার পার্টনার Frank M Robinson তখন Coca-Cola নাম প্রস্তাব করেন। সেই সময়ে কোকাকোলার লোগো হিসাবে Slub Serif ফন্ট দিয়ে লেখা COCA-COLA ব্যবহার করা হয়।

১৮৮৭ সালে Frank Robinson নামে এক কর্মচারী ঔ সময়ের বিখ্যাত ফন্ট স্টাইল Spencerian script এ লোগোটি নতুন করে আঁকেন এবং মূলত ঔ ওয়ার্ডমার্কটাই বিভিন্ন পরিবর্তনের সাথে এখনো ব্যবহার হয়। তবে মাঝখানে ১৮৯০-৯১ এক বছর পুরো লোগোকে একদম পাল্টে দেওয়া হয় একটা ডেকোরেটিভ ফন্ট দিয়ে। বিস্তারিত ইতিহাস দেখতে পারেন এখান থেকেঃ http://www.coca-cola.co.uk/…/hi…/advertising/the-logo-story/
কোকাকোলার ওয়ার্ডমার্কের সাথে এর লাল রঙটিও বিখ্যাত। ‪#‎fe001a‬ এই হেক্সকোডের লাল রঙটি বর্তমানে পরিচিত Coca-Cola Red বা Coke Red হিসাবে।

কোকাকোলা লোগোর অনেকগুলো মজার ব্যাপারের একটি হচ্ছে সাধারনত প্রতিটি ফন্ট বা টাইপফেসে প্রতিটি Glyphs বা অক্ষর একই হয়। কিন্তু Coca-Cola লেখার দুইটি C বড় হাতের হলেও তাদের দুইটির আকৃতি দুই রকম! 

ছবিতে কোকাকোলার বিবর্তন, সংগ্রহ করা হয়েছে boredpanda.com থেকে।

সৌজন্যেঃ https://www.facebook.com/DesignProtidin

*ডিজাইন* *লোগো* *পানীয়* *কোকাকোলা* *ব্র্যান্ডিং* *কোমলপানীয়*
ছবি

যারিন তাসনিম: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

(খুবকিউটলাগছে) কফির ডিব্বা গিফট পেলুম (খুশী)

(ভেঙ্গানো২)(খুশীতেআউলা)(ইয়েয়ে)

*কফি* *পানীয়* *হিংশুইটা-মুকতাদা*

কেয়া _নাহিদা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমলকিতে রয়েছে আশ্চর্য্য সব ভেষজ গুন। ত্বক, চুল ও চোখের যত্ন থেকে ক্যান্সারের মতো রোগ প্রতিরোধেও ক্ষুদ্র আকৃতির এই ফল রাখতে পারে বিরাট ভূমিকা। ভিটামিন সি'সমৃদ্ধ আমলকিতে রয়েছে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসের ক্ষমতা। আমলকির ফাইটো-কেমিক্যাল চোখের জন্য উপকারী। হজম ও দেহের চর্বি কমাতেও সাহায্য করে আমলকি। শারীরিক সুস্থতায় তাই প্রতিদিন অন্তত একটি আমলকি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন।
 
আমলকি সাধারণত কাঁচা চিবিয়ে খাওয়া হয়। টক ও কষটে স্বাদের কারণে অনেকের কাছে আমলকি খেতে ভালো লাগে না। তারা চাইলে উপকারী এই ফল খেতে পারেন ভিন্ন উপায়েও।
অন্য অনেক ফলের মতো আমলকিও ব্লেন্ডার দিয়ে জুস বানিয়ে খাওয়া যায়। কুচি করে কেটে সামান্য পানি দিয়ে ব্লেন্ড করে, ছাকনিতে ছেকে সহজেই বানানো যায় আমলকির জুস। কষটে স্বাদ দূর করার জন্য মেশাতে পারেন চিনি বা মধু।
 আমি যদিও এই জুস এ লবন মিশিয়ে খেয়ে ফেলি , খুব বেশি টেস্টি না হলেও উপকার এর কথা মাথায় রেখে খেয়ে ফেলি এক কাপ .

*জুস* *হেলথটিপস* *পানীয়*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★