পার্টিসাজ

পার্টিসাজ নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

লেহেঙ্গা কিনতে ক্লিক করুনবর্তমান সময়ের মেয়েরা যথেষ্ঠ গ্ল্যামার সচেতন। তাইতো ফ্যাশনে ভিন্ন স্বাদ আনতে অনেকেই বেছে নিচ্ছেন আকর্ষণীয় ফ্যাশনেবল সব পোশাক। বর্তমান সময়ে বিয়ে কিংবা যেকোন পার্টিতে তরুণীদের প্রধান পরিধেয় বাহারি সাজের লেহেঙ্গা। বিয়ের কিংবা জন্মদিনের পার্টিতে রাজকীয় লকু আনতে লেহেঙ্গার জড়ি নেই। বন্ধুরা আজকের আয়োজন নির্বাচিত ১০টি লেহেঙ্গা নিয়ে। চলুন তাহলে দেখেনেই।

০১. সেমিস্টিচড জর্জেট এমব্রয়ডারি লং পার্টি স্যুট (কপি)

 

০২. ব্রাইডাল লেহেঙ্গা

 

০৩. স্টাইলিশ লেহেঙ্গা

০৪. ডিজাইনার লেহেঙ্গা

০৫. সেমি-স্টিচড ইন্ডিয়ান শিফন জর্জেট গাউন

০৬. আনস্টিচড রেপ্লিকা জর্জেট এমব্রয়ডারি লেহেঙ্গা

০৭. আনস্টিচড ইন্ডিয়ান কালি সিল্ক 

০৮. আনস্টিচড রেপ্লিকা জর্জেট এমব্রয়ডারি লেহেঙ্গা

০৯. রেপ্লিকা জর্জেট লেহেঙ্গা

১০. গর্জিয়াস পিঙ্ক জর্জেট লেহেঙ্গা

বর্তমানে অনেক শপিং কমপ্লেক্স আছে যেখানে আপনি লেহেঙ্গার অনেক কালেকশন দেখতে পাবেন। সেখানে বিদেশী অনেক ডিজাইনার লেহেঙ্গা দেখতে পারবেন। আপনি আপনার বাজেট অনুযায়ী এখান থেকে আপনার লেহেঙ্গাটি বাছাই করতে পারেন। আপনি সকল কালেকশন থেকে খুব সহজেই বাজেট অনুযায়ী সেরা লেহেঙ্গাটি ঠিক করতে পারবেন। এছাড়াও আপনি আপনার ফোনে কিছু কালেকশন সেভ করে নিতে পারেন। তারপর আপনি বসে অনেক ভেবে চিন্তে নিজেই লেহেঙ্গা ডিজাইন করতে পারবেন। তাড়াহুড়ো করে কোন সিদ্ধান্ত নিবেন না। একটু সময় নিয়ে নির্বাচন করুন। কারন এই দিনে আপনিই হবেন সবার চোখের আকর্ষণীয় ব্যক্তি।

আপনি নিশ্চয় জানেন যে কোন রঙে আপনাকে সবচেয়ে বেশি সুন্দর লাগে। তাই আপনার গায়ের রং, উচ্চতা, আপনি মোটা না চিকন তার উপর ভিত্তি করে লেহেঙ্গা বাছাই করতে হবে। লেহেঙ্গার নকশা কারু-কাজ সাধারনত অনেক বেশি জমকালো থাকে, এর চাকচিক্য ও সুন্দর একটি লেহেঙ্গা আপনার আকর্ষণীয়তা আপনাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে প্রিয় মানুষের চোখে এবং সেই সাথে সবার চোখে।

জনপ্রিয় এই লেহেঙ্গা গুলো পেয়ে যাবেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপ আজকের ডিল ডটকমের ওয়েবসাইটে। দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে লেহেঙ্গা কিনতে এখানে ক্লিক করুন।

*লেহেঙ্গা* *স্মার্টশপিং* *ওয়েডিংপার্টি* *পার্টিসাজ*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রতিদিনকার সাজ হোক বা ঈদ, গরমকালে আপনার মেক আপ করলেই কিছুক্ষন পরে তা ঘেমে একেবারে ধুয়েমুছে একাকার হয়ে যায়, এই ঈদে যাতে মেকআপের অনেকক্ষণ পরেও ঠিক থাকে আপনার মেকআপ আর  বিশেষ দিনে দিনভর যাতে আপনাকে সুন্দরী দেখায় তারই সমাধান নিয়ে আসছি।

আসুন জেনে নেই এর গরমে মেকাপ অটুট থাকতে কিছু মেকআপ ট্রিকস –

♦ প্রাইমার: মেক আপ শুরু করুন প্রাইমার লাগিয়ে । সব থেকে ভালো হয় সানস্ক্রিন যুক্ত প্রাইমার ব্যবহার করলে । প্রাইমার লাগানোর ফলে মেক আপ অনেক্ষণ অবধি ঠিক থাকবে । এটা লাগালে ঘাম ও অনেক কম হবে । উপরন্তু আপনার ত্বক অনেকটা উজ্জ্বল দেখাবে । মেক আপ শুরু করার আগে ময়শ্চাইজারে অল্প একটু প্রাইমার ভালো করে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন ।

♦ ওয়াটারপ্রুফ মেকআপ: এই সময় ওয়াটারপ্রুফ মেক আপ লাগানো খুবই জরুরী। আপনি নিশ্চই চাইবেন না বিয়ে বাড়িতে গেছেন এবং একটু পরে দেখলেন ঘামের সঙ্গে আপনার পুরো মেক আপ ঘেঁটে গেছে। চোখের জন্য অবশ্যই ওয়াটারপ্রুফ মাসকারা এবং আই লাইনার পছন্দ করুন। এইসময় আই শ্যডো না লাগালেই ভালো। একান্ত যদি লাগাতেই হয় তাহলে ক্রিম আই শ্যাডো লাগান। পাউডার আই শ্যাডো ঘামের সঙ্গে খুব সহজেই মুছে যেতে পারে।

♦ হালকা মেকআপ: গরমকালে হেভি মেক আপ একেবারেই এড়িয়ে চলুন। হেভি মেক আপ সহজেই মুছে যায়। এছাড়াও হেভি মেক আপ করলে ঘামবেনও বেশি। আপনার ত্বকের রঙের কাছাকাছি বেস মেক আপ লাগান। এই সময় ত্বক খুব তেলতেলে হয়ে যায় তাই অয়েল কন্ট্রোল প্রডাক্ট ব্যবহার করুন। সব সময় খেয়াল রাখবেন আপনার ত্বক যেন শুকনো থাকে।

♦ পাউডার ব্লাশন: ক্রিম ব্লাশন অনেক্ষণ থাকে । এছাড়াও পাউডার ব্লাশনের তুলনায় ক্রিম ব্লাশনা অনেকটাই স্মুদ দেখায় । তাছাড়াও ঘামে ভেজা ত্বকে এটা লাগানো অনেক সহজ । প্রথমে ক্রিম ব্লাশন লাগান এরপর তার ওপর ফেস পাউডার লাগিয়ে নিন । আঙুলের ডগা দিয়ে ক্রিম ব্লাশন লাগাবেন ।

♦ সানস্ক্রীন: বাইরে বের হতে হলে মেকআপের আগে উচ্চ এস পি এফ যুক্ত সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সানস্ক্রিন লোশন লাগানোর পর ত্বক তেলেতেলে হয়ে যায় । তাই বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে ত্বকের সঙ্গে মানানসই ফাউন্ডেশন লাগিয়ে নিন।

তাহলে ট্রিক্সগুলো তো জেনেই নিলেন, এই ঈদে আপনার মেকআপ হোক ঘামমুক্ত।

*ঈদেরসাজ* *পার্টিসাজ* *মেকআপ* *বিউটিটিপস*

শ্রীময়ী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমাদের অনেকেরই চোখের পাতা খুব বেশি ঘন হয় না। সেক্ষেত্রে পুরো মুখে প্রপার মেকআপ করলেও চোখটা একটু ফাঁকা, ফাঁকা বা অস্পষ্ট দেখায়। আইল্যাশ ঘন দেখাতে চাইলে কি কি করতে পারি, সেটাই এবার দেখে নেব।


১। প্রথমে চোখের পাতা আইল্যাশ কার্লার দিয়ে সুন্দর করে উপরদিকে টানব। এতে চোখের পাতাগুলো যদি অবিন্যস্ত থাকে, সেটা সুন্দর সাজানো হয়ে যায়।


২। এবার চোখের পাতায় অল্প ট্রান্সলুসেন্ট পাইডার দিয়ে নেব। এটা আইল্যাশে ঘনত্ব অ্যাড করে।

৩। আই মাসকারা দিয়ে চোখের পাতায় উপরে ও নীচে ভাল করে মাসকারা লাগিয়ে নেব। প্রথম কোটের মাসকারা শুকিয়ে গেলে আর-এক কোট মাসকারা লাগাতে পারি (যদি দরকার পড়ে)।


৪। কোনও অনুষ্ঠান থাকলে আমরা নকল আইল্যাশও লাগাতে পারি চোখের উপর। এক্ষেত্রে আইল্যাশটা প্রথমে চোখের আপারলিডে লাগিয়ে নিয়ে, তারপর আই মেকআপ করতে হবে। নকল আইল্যাশে অল্প আঠা লাগানো থাকে। তাই আইল্যাশ খোলার সময় বা মেকআপ তোলার সময় সাবধান থাকতে হবে।

৫। আইল্যাশ ঘন দেখানোর জন্য মাসকারা লাগানোর আগে কাজল পেনসিল দিয়েও আইল্যাশে ঘনত্ব অ্যাড করতে পারি। এক্ষেত্রে কাজল পেনসিলটা আইল্যাশ বরাবর উপর দিকে টানতে হবে।


৬। আইল্যাশের মেকআপ করা যতটা সময়সাপেক্ষ, আইল্যাশের মেকআপ তোলাও ততটাই সময় নিয়ে করতে হবে। প্রথমে কোনও ময়শ্চারাইজ়ার বা ক্রিম দিয়ে চোখের উপরের মেকআপটা একটু নরম করে নিতে হবে। তারপর ফেসওয়াশ দিয়ে মেকআপটা তুলব। বেশি জোরে ঘষব না বা মেকআপ রিমুভিং টিস্যু দিয়ে কখনও আইল্যাশের মেকআপ তুলতে নেই। টিস্যুর ঘষা খেয়ে চোখের পাতা পড়ে যেতে পারে।
*বিউটিটিপস* *সৌন্দর্য্যচর্চা* *আইল্যাশ* *ফ্যাশন* *পার্টিসাজ*

পূজা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সাজগোজের ক্ষেত্রে মেকআপ নেওয়ার সময় যে নামটি সর্ব প্রথমে আমাদের মাথায় আসে তা হল ফাউন্ডেশন । তবে আমরা অনেকেই জানি না যে কোন ফাউন্ডেশনটি নিজের ত্বকের জন্য মানানসই,অথবা ফাউন্ডেশনের শেড বাছাই করতে গিয়ে কি পড়ে যাই বিপাকে! যদি এমন হয়ে থাকে আপনার সমস্যাগুলো তাহলে আর চিন্তা না করে পড়ে নিন আর্টিকেলটি ।আশা করি সে সমস্যার সমাধান হবে সহজেই।

জেনে নিন ফাউন্ডেশনের ধরণ :
বাজারে অনেক রকমের ফাউন্ডেশন পাওয়া যায় । এর মধ্যে রয়েছে
লিকুইড,স্টিক,ক্রীম,মুজ,ম্যাট লিকুইড,পাউডার,,বিবি ক্রীম ইত্যাদি ।

এবার আপনাদের মনে প্রশ্নের আসতেই পারে কে কোনটি ব্যবহার করবেন । তাই চলুন প্রতিটি টাইপ সম্পর্কে জেনে নেই বিশদভাবে –


লিকুইড ফাউন্ডেশন :
লিকুইড ফাউন্ডেশন হচ্ছে ফাউন্ডেশনের চিরাচরিত রূপ । যখন থেকে বাজারে ফাউন্ডেশন আসতে শুরু করেছিল,তার শুরুই হয়েছিল লিকুইড ফাউন্ডেশন দিয়ে। আজ যত রকমের ফাউন্ডেশন আমরা বাজারে দেখি তার সবই লিকুইড ফাউন্ডেশনের রূপভেদ । লিকুইড ফাউন্ডেশনও কয়েক প্রকারের হয়ে থাকে,ভিন্ন ভিন্ন ত্বকের জন্য বিশেষ ভাবে তৈরি হয় একেকটি। এটি লিকুইড থাকার কারণে ব্যবহার করা অনেক সহজ। তবে প্রচলিত লিকুইড ফাউন্ডেশন তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কিছুটা অনুপযোগী ,কিছু সময় পরে ত্বককে আরো তেলতেলে করে দেয় যদি না ফাউন্ডেশনের গায়ে ওয়েল ফ্রি কথাটা লেখা থাকে ।তবে শুষ্ক ত্বকে তা আদর্শ । মিশ্র ত্বকেও মানিয়ে যায় সহজেই।


ক্রিম ফাউন্ডেশন :
ক্রিম ফাউন্ডেশন অনেকটা লিকুইড ফাউন্ডেশনের মতই। এটি আরেকটু থিক হয়। সাধারণ ক্রিমের মতই ব্যবহার করা যার ।শুষ্ক ত্বকে এ ধরণের ফাউন্ডেশন ব্যবহার করা হয় । তবে শীতে অন্যান্য ত্বকেও ব্যবহার করা যাবে ।


পাউডার ফাউন্ডেশন :
আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বাজারে এসেছে পাউডার ফাউন্ডেশন । এটি ব্যবহার করা যেমন সহজ,তেমনি কম সময় সাপেক্ষ ।তাই এই ব্যস্ত জীবনে পাউডার ফাউন্ডেশন খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে । আর এর সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে ব্যবহার করলে এতে পাওয়া যায় লিকুইড ফাউন্ডেশনের ইফেক্ট । তবে কভারেজ পাওয়া যায় একটু কম । পাউডার ফাউন্ডেশন সব ধরণের ত্বকে মানানসই,শুষ্ক ত্বক হলে আগে একটু ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিলেই হবে । গরমের দিনে এর চেয়ে ভাল কিছু হতে পারে না ।


মুজ ফাউন্ডেশন :
তৈরির প্রযুক্তিগত দিক থেকে মুজ ফাউন্ডেশন এখনো পর্যন্ত সব গুলোর শীর্ষে । এটি যেমন কভারেজও দেয় ভাল তেমনি সব সময় সবখানে ব্যবহার করা যায় সহজেই । আর সব ধরণের ত্বকেও মানিয়ে যায় । এটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ । অনেকেই তৈলাক্ত ত্বকে ফাউন্ডেশন ব্যবহার করতে চান না,তাদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি এই মুজ ফাউন্ডেশন। এর গঠন অনেক মসৃণ হয়,তাই ত্বকের সাথে খুব সহজেই মানিয়ে যায়।


বিবি ক্রিম :
বিবি ক্রিমএকটি আধুনিক ফাউন্ডেশন ।খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে ভীষণ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বিবি ক্রিম । এটি খুবই আরামদায়ক এবং হালকা অনুভূতিপূর্ণ । এটি যেমন ফাউন্ডেশনের ঝক্কি কমায় তেমনি চেহারায় আনে প্রাকৃতিক কোমলতা ও মসৃণতা যার জন্য এটি এত বেশি সমাদৃত । সব ধরণের ত্বকেই মানানসই এই বিবি ক্রিম । ভাল ব্র্যান্ডের বিবি ক্রিমগুলোতে শেডও পাওয়া যায়।
স্টিক ফাউন্ডেশন :
স্টিক ফাউন্ডেশনের একটি অসুবিধা হচ্ছে এটি লাগানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই কেকি হয়ে যায় ,আর সাদা সাদা হয়ে ত্বককে অসুন্দর করে দেয়। তাই যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা এই ফাউন্ডেশনটি এড়িয়ে চলাই ভালো। এটি শুষ্ক ত্বকের জন্য বেশি ভাল । অনেক ভারী মেকআপ নিতে গেলে প্রয়োজন পড়ে স্টিক ফাউন্ডেশনের।

তাহলে আর দেরি না করে বেছে নিন আপনার ত্বক উপযোগী ফাউন্ডেশনটি আর সাজুন আপনার মনমতো।
*ফ্যাশনটিপস* *ত্বকেরযত্ন* *বিউটিটিপস* *মেকআপ* *পার্টিসাজ*

লিজা : একটি বেশব্লগ লিখেছে


পার্টির সিজনে কী করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না৷ মানে আপনার চশমাটা পরবেন না খুলে রাখবেন! কন্ট্যাক্ট লেন্স পরতেই পারেন৷ তবে ঠিকঠাক ফ্যাশন স্টেটমেন্ট মেনে চললে চশমাতেও আপনি হয়ে উঠবেন আকর্ষণীয়া৷

১) গোল মুখের জন্য দৈর্ঘ্যে-প্রস্থে সমান এরকম আয়তাকার চশমা বাছুন৷চৌকো মুখের জন্য এভিয়েটর লুক আর লম্বা ফেস কাটিংয়ের জন্য লম্বাটে গোল ধাঁচের চশমা পারফেক্ট৷
২) পার্টিতে চশমা পরে যেতে হলে চুলটা স্ট্রেট হলে ভালো৷ চুল খুলে চশমা পরলে স্মার্ট লাগবে৷
৩) তবে চশমা পরার আগে একটা স্মোকি আই মেকআপ করে নিতে ভুলবেন না৷ চশমার ফাঁক দিয়ে চোখটা আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে৷
৪) একটু কোঁকড়া চুল হলে চুলটাকে হাল্কা ব্রাশ করে সামনের দিকে এনে রিমলেস চশমা পরলে চেহারায় ফুটে উঠবে আলাদা গাম্ভীর্য৷
৫) আপনার চশমাটা যদি মোটা কালো ফ্রেমের হয়, তাহলে সাইড পার্টিং করে টাইট জিন্স আর টপের সঙ্গে দিব্যি মানিয় যাবে৷
৬) ব্লু জিন্স আর সাদা বা ফেডেড টপ পরে বের হলে, তার সঙ্গে সোনালি ওভাল ফ্রেমের চমা দারুণ মানানসই৷
৭) একটু অফবিট ফ্যাশন চাইলে মুনগ্লাসও পার্টিতে ব্যবহার করতে পারেন৷ তবে লেন্সের কালার যেন আপনার পোশাকের সঙ্গে ম্যাচিং না হলেও মানানসই হয়৷
৮) পার্টিতে সবসময় চশমা চোখে রাখবেন না৷ কখনও বা মাথার উপরে তুলে, কখনও বা হাতে নিয়ে, কখনও বা মুঠিতে ধরে পোজ দিন৷ আর সঙ্গে রাখুন আত্মবিশ্বাস৷ পার্টিতে সকলেই একবার আপনার দিকে না তাকিয়ে পারবে না৷ (সংগ্রহীত)
*সাজগোজ* *ফ্যাশন* *সানগ্লাস* *চশমা* *পার্টিসাজ*

শ্রীময়ী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রথমে হাল্কা গরম জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন | ভাল কোনও ফেস ওয়াশ দিয়ে | এরপর ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে ভাল করে মুখ পরিষ্কার করে নিন | লোশন বা ময়শ্চারাইজার লাগাতে ভুলবেন না | কিন্তু তা যেন অবশ্যই অয়েল ফ্রি হয় |

এরপর আপনার গায়ের রঙ অনুয়াযী ফাউন্ডেশন লাগান | এরপর হাল্কা করে সিমার পাউডার বুলিয়ে নিন | চিক বোনস আর কপালের ধারে এবার ব্লাশার লাগিয়ে নিন |

চোখের জন্যে: প্রথমে চোখের পাতায় আই শ্যাডো লাগান | এই বছর মেটালিক কালারস যেমন কপার, ডার্ক সিলভার, গোল্ড,লাইট সিলভার আর রোজ গোল্ড খুব ইন | এর থেকে যে কোন একটা বেছে নিন | 

এরপর আইলাইনার লাগিয়ে নিন | পোশাক অনুযায়ী ব্লু, বা গ্রিন আই লাইনার লাগাতে পারেন | যদি এই রঙ গুলো নিয়ে কনফিডেন্ট না থাকেন তাহলে কালো আইলাইনার ব্যবহার করুন | এরপর ২, ৩ কোট মাস্কারা লাগান | সব শেষে আই ব্রো পেন্সিল দিয়ে ভ্রূ এঁকে নিন |

ঠোঁটের জন্য : প্রথমে আই লাইনার দিয়ে ঠোঁট একে নিন | ব্রাশের সাহায্যে লিপ স্টিক লাগান এরপর | এই বছর 'রেড লিপ্স' খুব ইন | গায়ের রঙ যাই হোক‚ লাল রং কিন্তু মোটামুটি সবাইকে ভাল লাগে | এছাড়া ইলেকট্রিক অরেঞ্জও ট্রাই করে দেখতে পারেন | এক্সট্রা লিপস্টিক ট্যিসু পেপার দিয়ে ব্লট করে নিন | এরপর যদি মনে হয় লিপ গ্লস লাগাতে পারেন | কিন্তু মনে রাখবেন লিপ গ্লস খুব সহজেই উঠে যায় তাই একটুক্ষণ পর পর রিটাচ করতে ভুলবেন না |

নখের জন্যে: নখ পরিষ্কার করে শেপ করে নিন | কালারলেস বেস লাগান প্রথমে | শুকিয়ে গেলে নেইল পলিশ লাগান | ১০ মিনিট পরে আর এক কোট লাগান | কালারলেস বেস কোট আরও একবার লাগিয়ে নিন | সবশেষে‚ সিলভার বা গোল্ড নেইল পলিশ লাগাতে পারেন |
*ভ্যালেনটাইনসাজ* *পার্টিসাজ* *সাজগোজ* *ঠোটেরযত্ন* *নখেরযত্ন* *ভ্যালেনটাইনডে*

পূজা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কনের নখপট নেইলপলিশ ও গ্লিটারের প্রয়োগে হয়ে উঠুক তার মেকআপের মতোই আলাদা, বিশেষ কিছু। বেছে নিন লাল, মেরুন, ম্যাজেন্টা বা পোশাকের সঙ্গে মানানসই রঙের গাঢ় নেইলপলিশ আর সোনালি বা রুপালি গ্লিটার

যা লাগবে
 গাঢ় লাল বা মেরুন নেইলপলিশ
 সোনালি গ্লিটার বা গ্লিটার পাউডার
 টপ কোট


যেভাবে করবেন
 হাত ও নখ পরিষ্কার করে ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিন
 বেস হিসেবে লাগান গাঢ় লাল বা মেরুন নেইলপলিশ। এবার নখের গোড়ার দিকে মুনলাইনে হাফসার্কল করে গ্লিটার লাগিয়ে নিন। যদি গ্লিটার পাউডার ব্যবহার করেন, তাহলে আগে স্বচ্ছ নেইলপলিশে হাফসার্কল আঁকুন। শুকিয়ে যাবার আগেই তাতে ছড়িয়ে দিন গ্লিটার পাউডার
 শুকিয়ে যাবার পর সফট ব্রাশের সাহায্যে লুজ গ্লিটার সরিয়ে নিতে হবে। এবার সার্কলের ধার ঘেঁষে ডটলাইন এঁকে নিন
 শুকিয়ে যাবার পর টপ কোট দিন

কৃতজ্ঞতা: পারসোনা 
*নেইলআর্ট* *সাজগোজ* *পার্টিসাজ*

শান্তা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কাজলের রঙে চোখ রাঙ্গানোর প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে নেই ফ্যাশন প্রিয়সী নারীরা। বাহারি রঙের কাজলে চোখ রাঙ্গাতে অভ্যস্ত তারা। তবে সব ধরনের কাজলে মধ্যে কাল কাজল অন্যতম হলেও রঙ্গিন কাজলের চাহিদা একটু ভিন্ন রকম। চোখে কাজলের ব্যবহার আপনার চেহারায় চমৎকার একটা ভাব তৈরি করবে, যদি সঠিকভাবে লাগাতে পারেন। রঙ বাছাই করার ক্ষেত্রে খুব একটা মনোযোগ না দিলেও হবে। পোশাকের সঙ্গেও যে রঙ মিলতে হবে, তা-ও নয়। দু-তিন এমনকি চার-পাঁচটা রঙও মিশিয়ে লাগাতে পারেন।

একটা রঙের ওপর আরেকটা রঙের রেখা টেনে দিন। চোখের নিচে দুটো রঙের ব্যবহার করুন। আর ওপরে পরপর তিনটি রঙ। তবে সাধারণ সময়ে যে সাজটা করবেন, সেখানে বিভিন্ন রঙের কাজল একটু ব্লেন্ড করে দিতে হবে। অর্থাৎ রঙগুলো বোঝাও যাবে আবার একটার সঙ্গে আরেকটা মিশেও থাকবে। দুই রঙের কাজল পাশাপাশি লাগাতে পারেন। সে ক্ষেত্রে নাকের পাশ থেকে চোখের মাঝামাঝি জায়গা পর্যন্ত হালকা রঙ আর মাঝ থেকে চোখের কোনা পর্যন্ত গাঢ় রঙ লাগাতে হবে।

যদি আইলাইনার বা রঙিন কাজল ব্যবহারে মসৃণ রেখা টানা না যায়, আইজেল ব্যবহার করতে পারেন। বাজারে বিভিন্ন রঙের আইজেল পাওয়া যাচ্ছে। তবে চোখ বলে কথা। এ কারণে একটু ভালো ব্র্যান্ডের কাজল, আইলাইনার ও আইজেল ব্যবহার করা উচিত।

যেহেতু রঙিন কাজলের আনাগোনা বেশি, আইশ্যাডো না লাগালেও চলবে। এতে বরং কাজলের রঙগুলো বোঝা যাবে ভালো করে। চাইলে সবচেয়ে ওপরে যে রঙের কাজল লাগাবেন, তাকে একটু বেস্নন্ড করে আইশ্যাডোর মতো করে নেয়া যেতে পারে। অনেকের আইশ্যাডো মসৃণ করে পরপর লাগাতে অসুবিধা হয়। তাদের জন্য কাজলের রেখা আইশ্যাডোর মতো বেস্নন্ড করে লাগানোর পদ্ধতিটা অনেক কার্যকর।

নীল, বেগুনি, সবুজ, লাল- সব রঙই রাতে ও দিনে ব্যবহার করা যাবে। তবে দিনে হালকাভাবে লাগাতে হবে। অথবা ম্যাট রঙগুলো ব্যবহার করা যায়। রাতের বেলায় একটু গাঢ়ভাবে এঁকে তার ওপরে শিমার ব্যবহার করলে দেখতে ভালো লাগবে।

চোখের মণি যদি কালো হয়, তাহলে খুব উজ্জ্বল রঙ ব্যবহার করবেন না। একটু গাঢ় রঙের বেগুনি, সবুজ ও নীল আইলাইনার ব্যবহার করুন। উজ্জ্বল রঙ ব্যবহার করতে চাইলে প্রথমে গাঢ় রঙের কাজল মোটা করে লাগিয়ে এরপর উজ্জ্বল রঙটি হালকা করে লাগাতে পারেন।
(সংকলিত) 
*চোখেরসাজ* *পার্টিসাজ* *বিউটিটিপস* *ফ্যাশন*
ছবি

লিজা : ফটো পোস্ট করেছে

আরো দুটি আকর্ষনীয় মেহেদী ডিজাইন.....

এ দুটি ডিজাইনে হাত রাঙিয়ে সহজে নজর করতে পারেন অন্যদের ....(খুকখুকহাসি)

*মেহেদী* *সাজগোজ* *পার্টিসাজ*

প্যাঁচা : ওফ এত্ত সাজ কেন? *পার্টিসাজ* *বিয়েরসাজ*,*বাদলাদিনেরসাজ*,*গরমেরসাজ*,*শরতেরসাজ*,*শীতেরসাজ*,*বসন্তেরসাজ*,*হালকাসাজ*,*ভারীসাজ*,*হলুদেরসাজ*...এখন আবার *অফিসেরসাজ*।ছাইড়া দেওন যায় না(মাইরালা)(হাসি২)(হাসি-৩)

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★