পায়েল

পায়েল নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পায়ের সাজে গয়নার প্রচলন বহু দিনের। আজও সেই প্রচলন শেষ হয়ে যায়নি । আপনিও আপনার পা জোড়াকে সুন্দর কিছু অলংকারে সাজিয়ে সবার সামনে উপস্থাপন করতে পারেন আকর্ষণীয় ভাবে। এতে নিজের কাছেও অনেক ভালো লাগবে। এ জন্য যে খুব বেশি সময় খরচ করতে হবে তা কিন্তু নয়। বরং নিজের জন্য সপ্তাহের কিছুটা সময় বরাদ্দ করে নিন। টুকটাক যত্ন নিয়ে খানিকটা সাজিয়ে রাখুন আপনার পদযুগল। 
 
 
 
বসনের ঐশ্বর্য যেমনই হোক সাথে মানানসই অলংকার যেন নারীদের অহংকারের অংশ। রূপসজ্জ্বায় যুগে যুগে তাই গয়না ছিল নারীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে। শরীরের নানা অংশে নানা আকৃতির গয়নার প্রচলন আছে আমাদের এই দেশে। এসব গয়না প্রতিটি নিজের জায়গা থেকে স্বকীয়। কিন্তু সারা গায়ে ভর্তি গয়নার মাঝে একজোড়া গয়না থাকে যা কিনা বেজে চলে রিনঝিন সুরে। সেটি নূপুর। 
 
 
নিটোল পায়ে একজোড়া নূপুর রমণীর পায়ে রিনঝিন সুরে মাতিয়ে তুলতে পারে জগৎ সংসার। রমণীর পায়ের নূপুর কখনো সুর তোলে তার মনের আনন্দ কথার। আবার বিষাদের সময়ও নূপুর বেজে চলে বেদনার সুরে। রবীন্দ্রনাথের গল্প-উপন্যাস থেকে শুরু করে এযুগের আধুনিক মেয়ে সবারই পদযুগল সাজায় নূপুর। হাঁটতে গেলে আওয়াজ করে এমন গয়না হওয়াতে অনেক বাঙালি বাড়িতে একসময় নূপুর ছিল নিষিদ্ধ। একটা সময় ছিল যখন নূপুরের জায়গা ছিল শুধুমাত্র নৃত্যশালায়। ধীরে ধীরে নূপুর উঠে এসেছে বাঙালিদের ঘরে ঘরে। 
 
 
পায়ের অন্যান্য অলংকারঃ রুপার আংটি আর রুপার মলের চল এখনও রয়েছে ছোট বা বড় উৎসবভেদে সব সময় এ ধরনের অলংকার মেয়েরা পায়ে পরে থাকেন। তবে এখনকার তরুণীদের হাই ফ্যাশনের তালিকায় আছে মেটাল, সুতা, পুঁতির তৈরি ম্যাচিং কন্ট্রাস্ট মল। যেগুলো তাঁরা কখনো জোড়ায় জোড়ায় পরছেন, আবার কখনো তপুর গানে সাড়া দিয়ে এক পায়ে পরছেন। যেকোনো পোশাকের সঙ্গেই চলতে পারে এ ধরনের মেটালের পায়েল। তাই তরুণীরা এগুলো বেশ পছন্দ করছেন। 
 
ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে মধ্যবয়সী সবার পায়ে এখন নূপুর সাজে। হাল সময়ে নুপুরের জনপ্রিয়তা বুঝি একটু বেশিই বেড়ে গেছে। এর কারণ হলো পরিধানের পোশাকে কিছুটা পরিবর্তন। মেয়েদের সালোয়ার, প্যান্ট, জিনস সবকিছুই এখন দৈর্ঘ্যে কিছুটা সংকুচিত। ফ্যাশনের এই নতুন ধারায় গা ভাসিয়েছেন সবাই। জিনস্‌টাকে গুটিয়ে উপরে তুলে রাখা, সালোয়ার একটু খাটো করে তৈরি করা, আর থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট পরা এসবকিছুই এখন ফ্যাশনের অংশ। আর যেখানে পায়ের অনেকটা অংশই উন্মুক্ত সেখানে খালি পা সাজাতে একচিলতে নূপুর না হলেই নয়।
 
নূপুরের ধরনঃ একসময় নূপুর দু’পায়ে একই ডিজাইনে জোড়া বেঁধে পরার রেওয়াজ থাকলেও হাল ফ্যাশনে নূপুরের আচরণটা কিন্তু একটু ভিন্ন। এখন এক পায়ে পাঁচ ছয়টা নূপুর ঝোলানোও স্টাইলের পর্যায়ে পড়ে। নূপুরের এক পায়ে উঠে আসার স্টাইলটা ঢাকাতে পুরনো। চিকন, সুক্ষ্ম কাজের এসব নূপুর অনেকেই ২/৩টা পেঁচিয়ে পায়ে জড়িয়ে থাকেন। তৈরি উপকরণের হিসেবে নূপুর বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। স্বর্ণের দাম আকাশচুম্বি হওয়াতে সোনার নূপুর এখন অনেকটাই উপন্যাসের পাতায় ঠাঁই পেয়েছে। আর সেখানে জায়গা করে নিয়েছে রুপা, ইমেটেশন সহ আরো নানা উপকরণের নূপুর। ঢাকাতে স্বর্ণের নূপুরের তুলনায় ইমেটেশনের নূপুরই বেশি জনপ্রিয়। খুব জমকালো নূপুরের ডিজাইনের প্রচলন এখন আর নেই বললেই চলে। এখন নূপুরের স্টাইলটা খুব হালকা ধরনের। সাথে থাকতে পারে পুঁতি, স্টোন, কৃত্রিম মুক্তা আর ইমেটেশনের নানান ইলাস্ট্রেশন। এছাড়া স্বর্ণের নূপুরগুলোও ডিজাইনে অনেকটাই হালকা হয়ে এসেছে। কিছু পুঁতি আর মিনার কাজ করা নূপুর মানিয়ে যাবে যে কোন পোশাকের সাথে।
 
কোথায় পাবেন নূপুরঃ যদি স্বর্ণ কিংবা রুপার নূপুর কিনতে হয় তাহলে যেতে হবে সোনারুর দোকানে। ঢাকার চাঁদনী চক, মৌচাক, তাঁতিবাজার, বাইতুল মোকাররম আর বড় সবগুলো শপিং মলেই আছে কম বেশি স্বর্ণের দোকান। যেখানে স্বর্ণ বা রুপার নূপুর কিনতে পাওয়া যাবে। এছাড়া ক্যাটালগ দেখে কিংবা নিজের ডিজাইন অনুযায়ী অর্ডার করেও তৈরি করতে পারেন নূপুর। সেজন্য যেতে পারেন বাইতুল মোকাররম কিংবা তাঁতিবাজার এলাকায়। যদি ইমিটেশনের নূপুর কিনেত হয় যেতে পারেন ঢাকার যে কোন শপিং মলগুলোতে। সব শপিংমলই কম বেশি ইমেটেশনের গয়নার দোকান থাকে। তবে যারা নূপুরে বিশেষ ধরনের স্টোন বা ডিজাইন ব্যবহার করতে চান তারা যেতে পারেন বসুন্ধরা সিটির নিচতলায় ইরানি ইম্পোরিয়ামে। এছাড়া ঢাকার অন্যতম প্রসিদ্ধ ইমেটেশন গয়নার দোকান জেমস্‌ গ্যালারির প্রায় সবগুলো শাখাতেই পাওয়া যাবে নানান আকৃতি ও উপকরণের নূপুর। ইমেটেশন আর স্বর্ণ এর মাঝামাঝিও এক ধরনের নূপুর বাজারে এখন জনপ্রিয় এটি হচ্ছে রুপার নূপুরের উপরে স্বর্ণের ইলেক্ট্রোপ্লেটিং পদ্ধতিতে প্রলেপ দেয়া। এই ধরনের গয়না খুব সহজে রং নষ্ট হয় না পাশাপাশি দামেও তুলনামূলকভাবে স্বর্ণের গয়না থেকে অনেকাংশেই কম। নূপুর যেমনই কিনুন না কেন খেয়াল রাখবেন খুব বিরক্তি শব্দ তৈরি করে এমন নূপুর পায়ে না ঝোলানোই ভালো। পাশাপাশি কেনার সময় দেখে কিনুন আপনার পায়ে যেন নূপুরটি আটসাট হয়ে অস্বস্তিকর ভাব তৈরি না করে। এছাড়া আজকের ডিল তো আছেই।
 
অন্যান্য অলংকার কোথায় পাবেনঃ পায়ের সাজে রুপার পায়েল আর আংটি কিনতে পাওয়া যায় আড়ংয়ে এবং চাঁদনী চকে বা রুপার দোকানগুলোতেও। রুপার গয়নার দাম নির্ভর করে ওজন ও নকশাভেদে। এ ছাড়া পিরান, যাত্রা, দেশাল,মাদুলি, বিবিয়ানায় পাওয়া যায় মেটাল, পুঁতি বা সুতার পায়েল। এগুলোর দাম ৫০ থেকে ২৫০-এর মধ্যে জোড়া। আবার বিভিন্ন উৎসব-পার্বণে দেখা যায়, পুঁতির পণ্যের পসরা সাজিয়ে নারীরা জোড়া ১০ টাকায় বাহারি রঙের পায়েল বিক্রি করছেন। এ ছাড়া নেইল পেইন্ট, স্টোন বা প্লাস্টিকের আংটি এবং ইমিটেশন পায়েল পাওয়া যায় বড় বড় শপিং মলে। সুন্দর করে পা সাজিয়ে ঢেকে রাখলে চলবে না। পরতে হবে চুড়িদার পায়জামা বা চাপা জিন্স, সঙ্গে ফিতে বাঁধা চটি স্যান্ডেল। তবেই না পায়ের সাজ ভালো দেখাবে। আজকের ডিল তো আছেই। ক্লিক করুন এখানে
 
*পায়েল* *নূপুর* *পায়েরসাজ* *গহনা* *গয়না*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

তরুনীরা গহনা পড়তে যেমন পছন্দ করে ঠিক তেমনই গহনা উপহার হিসেবে পেলেও দারুন খুশি হয় l বড়দিন আর নতুন বছরকে সামনে রেখে ভালোবাসার মানুষটিকে ছোট্ট কোনো গহনাও উপহার দিতে পারেন। চাইলে তাকে আংটি অথবা হাতের ব্রেসলেটও দিতে পারেন। গহনার ক্ষেত্রে তরুণীদের পছন্দের শীর্ষে অবস্থান করছে পায়েল বা নূপুর। 

তবে যাই কিনুন, কেনার সময় অবশ্যই ভালবাসার মানুষটির সাথে যাতে মানানসই হয় তা ভেবে কিনবেন। চলুন জেনে নেয়া যাক এমন কিছু গহনার কালেকশন > সম্পর্কে l 





















*অর্ণামেন্ট* *গিফট* *নিউইয়ারগিফট* *রিং* *পায়েল* *চুড়ি* *স্মার্টশপিং*
শপিং

AjkerDeal.com: কেনাকাটা সংক্রান্ত একটি তথ্য দিচ্ছে

৪১০ টাকা
http://ajkerdeal.com/DealDetails.aspx?DI=6572&CatName=Valentine

*পায়েল* *গহনা* *ফ্যাশন*
১৩৭বার দেখা হয়েছে

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★