পুরস্কার

পুরস্কার নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 "ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদক" --- সংগীতের এই বিশেষ পুরস্কারটি কবে, কিভাবে প্রচলিত হয়েছিল?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*ফিরোজাবেগমস্মৃতিস্বর্ণপদক* *সংগীত* *পুরস্কার* *মিউজিক্যালঅ্যাওয়ার্ড*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বাংলাদেশের সংগীতে সবচেয়ে বড় পুরস্কার কি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*সংগীত* *পুরস্কার* *মিউজিক্যালঅ্যাওয়ার্ড*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 অস্কার পুরস্কার ২০১৮ পেলেন কারা কারা?

উত্তর দাও (৪ টি উত্তর আছে )

.
*অস্কার* *অস্কারঅ্যাওয়ার্ড* *পুরস্কার*

বেশতো Buzz: (হ্যালো)বন্ধুরা, ট্রাই নেশন ক্রিকেট সিরিজের ফাইনাল ম্যাচের খেলা দেখতে চাও বেশতো প্রশ্নের উত্তর দাও(কিমজা) যা যা করতে হবেঃ ১. যেকোন প্রশ্নের মানসম্মত উত্তর দিতে হবে। ২. উত্তরের সাথে প্রাসঙ্গিক ছবি ব্যবহার করলে উত্তরটিকে বেশি গ্রহণযোগ্য বিবেচনা করা হবে। ৩. ন্যূনতম ২০টি মানসম্মত উত্তর দিলে তবেই পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবে। ৪. বেশতো জুড়ি বোর্ড মোট ১০ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করবে। বিজয়ীরা পাবে ফাইনালের টিকিট। ২৫ জানুয়ারি বিকেলে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।

*পুরস্কার* *ফাইনালখেলা* *বেশতোরিওয়ার্ড* *কন্ট্রিবিউটর*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সম্মাননা ও পুরস্কারের মধ্যে পার্থক্য কি?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*সম্মাননা* *পুরস্কার*

পূজা: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 'এপিকটা পুরস্কার' কি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*বিসিএসপ্রস্তুতি* *চাকরিরপ্রস্তুতি* *সাধারণজ্ঞান* *বাংলাদেশবিষয়াবলি* *এপিকটা* *পুরস্কার*

প্রশ্নের পোকা: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার কেন ও কোন বিষয়ের উপর দেওয়া হয়?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*পুরস্কার* *দাদাসাহেব-ফালকে*

পাগলা হাওয়া: [বেশবচন-ছন্দাহয়েগেলাম] (খুশীতেআউলা)(খুশীতেআউলা)(খুশীতেআউলা)হুররে.. এই প্রথম অনলাইনে কোন প্রতিযোগিতার পুরস্কার পেলাম(খুশীতেআউলা)(খুশীতেআউলা)(খুশীতেআউলা) ধন্যবাদ বেশতো কে(লালালা)(লালালা)(লালালা)@Beshtobuzz (গুরু)(গুরু)(গুরু)

*পুরস্কার*

নিউজ ফ্ল্যাশ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে অত্যান্ত শ্রদ্ধেয় এবং জনপ্রিয় ক্রীড়া সাংবাদিক ও কলাম লেখক জনাব ইকরামুজ্জামান খুব সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য এআইপিএস এশিয়া এ্ওয়ার্ড অর্জন করায় বাংলাদেশ স্পোর্টস কমেন্টেটরস ফোরামের (বিএসসিএফ) পক্ষ থেকে তাঁকে অভিনন্দন জানান হচ্ছে। এক অভিনন্দন বার্তায় ফোরামের সভাপতি আলফাজ উদ্দিন আহমেদ, শামিম আশরাফ চৌধুরী, ডা. অনুপম হোসেন, সাঈদুর রহমান, সামসুল ইসলাম এবং জৈষ্ঠ ক্রীড়া ভাষ্যকারগণ ক্রীড়া সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে জনাব ইকরামুজ্জামানের  কৃতিত্বপূর্ণ অবদানকে কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন এবং দেশের জন্য সম্মান বয়ে নিয়ে আসায় তাঁকে বিশেষ অভিনন্দন জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তুর্কেমেনিস্তানের রাজধানী আসখাবাদে তুর্কেমেনিস্তান স্পোর্টস  মিডিয়া ফোরামের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস প্রেস এসোসিয়েশন (AIPS) এশিয়ার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস এসোসিয়েশনের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ জনাব ইকরামুজ্জামান এ সম্মাননা অর্জন করেন। এশিয়া, অফ্রিকা এবং ইউরোপের প্রায় ২৯টি দেশের বেতার, টেলিভিশন এবং প্রিন্ট মিডিয়ার স্পোর্টস ব্রডকাস্টার এবং ক্রীড়া সাংবাদিকগণ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ইকরামুজ্জামান AIPS এশিয়ার নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সহ-সভাপতি হিসেবে ২০০২-২০১০ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, AIPS ১৯২৪ সালে এর যাত্রা শুরু করে কিন্তু AIPS-এশিয়া তাদের কার্যক্রম শুরু করে ১৯৭৮ সাল থেকে।

ইকরামুজ্জামান ১৯৬৭ সালে দৈনিক আজাদের মাধ্যমে ক্রীড়া বিষয়ক লেখালেখি শুরু করেন। পরবর্তিতে তিনি দেশের একাধিক প্রথম শ্রেণীর পত্র-পত্রিকায় বাংলা এবং ইংরেজিতে ক্রীড়া বিষয়ক কলাম লিখতেন। ইকরামুজ্জামান কৃতজ্ঞতার সাথে আরো জানান ১৯৬২ সালে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ঢা.বি সাংবাদিকতা বিভাগের প্রফেসর, ক্রীড়া লেখক এবং ক্রীড়া ভাষ্যকার আতিকুজ্জামান খাঁনের সভাপতিত্বে পূর্ব পাকিস্তান ক্রীড়া লেখক সমিতির যাত্রা শুরু হয়েছিল এবং স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ, ক্রীড়া লেখক, সাংবাদিক এবং জনপ্রিয় ক্রীড়া ভাষ্যকার আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতির যাত্রা শুরু হয়েছিল। একই বছর বন্দর নগরী চট্রগ্রামের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট ক্রীড়া লেখক, সাংবাদিক, ক্রিকেট সাহিত্যিক এবং জনপ্রিয় ক্রীড়া ভাষ্যকার বদরুল হুদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতি চট্রগ্রাম বিভাগীয় শাখার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। এই তিনজন বিশিষ্ট ব্যাক্তির নিকট ইকরামুজ্জামান বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ কারন এদের সান্নিধ্যেই তিনি তৎকালীন সময়ে তাঁর ক্রীড়া সাংবাদিকতা ক্যারিয়ার শুরু করে এগিয়ে নিতে পেরেছিলেন। 

*ক্রীড়াসাংবাদিক* *পুরস্কার* *খেলাধূলা*

ঈশান রাব্বি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অফিসে বসে ঝিমোনো চলবে না। রাতে ভালো করে ঘুমাতে হবে। তাহলে প্রত্যেক কর্মী বাড়তি অর্থ পাবেন। বছরে ৩০০ মার্কিন ডলার। অ্যাটনা নামের একটি মার্কিন বিমা প্রতিষ্ঠান এই বন্দোবস্ত করেছে।
ঘুমের ঘাটতি হলে কাজকর্মে ভাটা পড়ে। ব্যাপারটাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছে অ্যাটনা কর্তৃপক্ষ। এ জন্যই তারা সেখানকার কর্মীদের একটি চুক্তিতে উৎসাহিত করেছে। এর আওতায় তাঁদের প্রতি রাতে কমপক্ষে সাত ঘণ্টা চোখ বন্ধ রাখতে হবে।
২০০৯ সালে এ ব্যবস্থা চালু হয়। এতে গত বছর অ্যাটনার মোট ২৫ হাজার কর্মীর মধ্যে প্রায় ১২ হাজার কর্মী অংশ নেন। এ সংখ্যা ২০১৪ সালের চেয়ে ১০ হাজার বেশি। কর্মীরা বিশেষ হাতঘড়ির সাহায্যে নিজেদের ঘুমের পরিমাণ (সময়) রেকর্ড করতে পারেন। ঘড়িটির সঙ্গে অ্যাটনার বিভিন্ন কম্পিউটারের সংযোগ থাকায় সেই তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষিত হবে। আবার কর্মীরা ব্যক্তিগতভাবেও ঘুমের ওই হিসাব রাখতে পারেন।
অ্যাটনার কর্মী সুবিধা শাখার উপপ্রধান কে মুনি বলেন, ‘কর্মীদের কাছ থেকে আমরা সুস্থ-স্বাভাবিক আচরণ আশা করি। এ জন্যই তাঁদের পর্যাপ্ত ঘুমের বিনিময়ে পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।’ কিন্তু কেউ যদি নির্ধারিত সময় না ঘুমিয়েই প্রতিষ্ঠানকে ফাঁকি দিয়ে বাড়তি আর্থিক সুবিধা নেন, তাহলে? মুনি অবশ্য এটা নিয়ে মোটেও চিন্তিত নন। কারণ, অ্যাটনার কর্মীদের প্রতি তাঁদের যথেষ্ট আস্থা রয়েছে।
পর্যাপ্ত ঘুম হলে কর্মীরা কাজ ভালো করেন। এ বিষয়ে বেশ কয়েকটি গবেষণার ফলাফল আমলে নিয়েছে অ্যাটনা। আমেরিকান একাডেমি অব স্লিপ মেডিসিন ২০১১ সালে এক প্রতিবেদনে জানায়, কেবল যুক্তরাষ্ট্রে অনিদ্রার কারণে গড়পড়তা একজন কর্মীর প্রতিবছর ১১ দশমিক ৩ কর্মদিবসের অপচয় হয়, যার অর্থমূল্য ২ হাজার ২৮০ ডলার। এতে সব মিলিয়ে মার্কিন অর্থনীতির বার্ষিক ক্ষতির পরিমাণ ৬ হাজার ৩২০ কোটি ডলার

*ঘুম* *ডলার* *অফিস* *কাজ* *আয়* *পুরস্কার*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ভাষা, শিক্ষা, গবেষণা, সাংবাদিকতা, অর্থনীতি ও সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখায় এবছর বাংলাদেশের জাতীয় এবং সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। গৌরবোজ্জল ও প্রশংসনীয় অবদানের জন্য এবার একুশে পদক পাচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কাজী এবাদুল হক, সাহিত্যিক হায়াৎ মামুদ, সাংবাদিক তোয়াব খান ও কণ্ঠশিল্পী শাহীন সামাদসহ আরো ১৬ জন। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বুধবার ২০১৬ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে তাদের হাতে পদক তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
 
ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কাজী এবাদুল হক, ডা. সাইদ হায়দার ও ড. জসীম উদ্দিন আহমেদ একুশে পদক পাচ্ছেন। ভাষা সংগ্রামী সৈয়দ গোলাম কিবরিয়াও এবার মরণোত্তর এ পুরস্কার পাচ্ছেন।
 
শিল্পকলায় এবার একুশে পদক পাচ্ছেন অভিনেত্রী জাহানারা আহমেদ, শাস্ত্রীয় সংগীতগুরু পণ্ডিত অমরেশ রায় চৌধুরী, সংগীত শিল্পী শাহীন সামাদ, নৃত্যশিল্পী আমানুল হক। এ ছাড়া চিত্রশিল্পী কাজী আনোয়ার হোসেন মরণোত্তর এ পুরস্কার পাচ্ছেন।
 
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য এ বছর একুশে পদক পাচ্ছেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি মফিদুল হক। আর সাংবাদিকতায় এ পদক পাচ্ছেন দৈনিক জনকণ্ঠের উপদেষ্টা সম্পাদক তোয়াব খান।
 
গবেষণায় বিশেষ অবদান রাখায় অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ এবং মংছেনচীং মংছিন ২০১৬ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন।
 
আর ভাষা ও সাহিত্যে জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত, অধ্যাপক হায়াৎ মামুদ ও হাবীবুল্লাহ সিরাজী এবার একুশে পদক পাচ্ছেন।
 
পদক বিজয়ী প্রত্যেককে ১৮ ক্যারেট মানের ৩৫ গ্রাম স্বর্ণপদক এবং নগদ দুই লাখ করে টাকা দেওয়া হবে।

*একুশেপদক* *পুরস্কার*
ছবি

নিউজ ফ্ল্যাশ: ফটো পোস্ট করেছে

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০১৫

২০১৫ সালের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। এ বছর বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ১১ জন বিশিষ্ট কবি, লেখক ও গবেষক। এবারের পুরস্কারপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- কবিতায় আলতাফ হোসেন, কথাসাহিত্যে শাহীন আখতার, প্রবন্ধে যৌথভাবে আবুল মোমেন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর আতিউর রহমান, গবেষণায় অধ্যাপক মনিরুজ্জামান, অনুবাদে আবদুস সেলিম, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যে তাজুল মোহাম্মদ, আত্মজীবনী/স্মৃতিকথা/ভ্রমণ সাহিত্যে সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ফারুক চৌধুরী, নাটকে মাসুম রেজা, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও পরিবেশ বিভাগে শরীফ খান এবং শিশুসাহিত্যে সুজন বড়ুয়া। বিজয়ীরা প্রত্যেককে এক লাখ টাকা, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হবে।

*পুরস্কার* *সাহিত্যপুরস্কার* *চটখবর* *বাংলাএকাডেমি*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★