পুরানো ঢাকা

পুরানোঢাকা নিয়ে কি ভাবছো?

Moinul Imran Munna: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 গভীর রাতে পুরান ঢাকার খাবার কে কে খেয়েছেন? অভিজ্ঞতা জানতে চাইছি।

উত্তর দাও (৮ টি উত্তর আছে )

.
*রাতেরঢাকা* *বাইরেখাওয়া* *ঢাকাইয়াখাবার* *পুরানোঢাকা*
ছবি

দীপ্তি: ফটো পোস্ট করেছে

মামুন বিরিয়ানি ৮৩ নাজিমউদ্দিন রোড, ঢাকা

*পুরানোঢাকা* *বিরিয়ানি* *বাইরেখাওয়া* *ঢাকাইয়াখাবার*
ছবি

ইসরাত: ফটো পোস্ট করেছে

প্রানের শহর পুরনো ঢাকা

*পুরানোঢাকা*

দীপ্তি: খুজিস কোথা জগত জুড়ে, পেলাম তোর আপন ঘরে (লজ্জা২) https://www.youtube.com/watch?v=2sdJ6IJWNDE

*ভ্রমন* *কক্সবাজার* *রাঙামাটি* *বান্দরবান* *সিলেট* *পুরানোঢাকা*

নাহিন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

৪০০ বছরে পুরোনা এক শহর ঢাকা। বিভিন্ন সময়ে এখানে শাসন করে গেছেন বিভিন্ন অঞ্চলের শাসকেরা। সমৃদ্ধ এই শহরকে কেবল বড় বড় সেনাপতিরাই আকর্ষণ করেনি বরং ব্যবসা কিংবা ধর্মপ্রচার করতেও এখানে এসেছেন বহু মানুষ। পৃথিবীর বিভিন্ন যায়গা থেকে আসা এইসব মানুষেরা ঢাকার মানুষের খাদ্যাভ্যাসেও এনেছে বিশেষ পরিবর্তন। বাইরে থেকে আসা কিছু খাবার এখানে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছে, তারপর ধীরে ধীরে পরিণত হয়েছে ঢাকার ঐতিহ্যে। শুধু ঢাকাবাসীই নন, ঢাকার বাইরের লোকেরাও ঢাকা এলে এসব খাবারের স্বাদ নেবার চেষ্টা করেন। এসব ঐতিহ্যবাহী কিছু খাবারের আবার অদ্ভুত নামও রয়েছে, যেমন- জগা খিচুরি, বড় বাপের পোলায় খায়, পাগলার গেলাসী, খেতা পুরি, ইত্যাদি। ঢাকার অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী খাবারের মধ্যে রয়েছে- হাজির বিরিয়ানী, নান্না মিয়ার মোরগ পোলাও, রয়েলের বোল পোলাও, নিরব হোটেলের নানান ভাজি-ভর্তা, বাকরখানি, আনন্দ বেকারী, চকবাজারের ইফতার সামগ্রী, নবাবপুরের সূতলী কাবাব, টানা পরোটা, বুন্দিয়া, নূরানী লাচ্ছি, বিউটি লাচ্ছি এবং লাবাং। আসুন আজকে জেনে নিই এরকম কিছু ঐতিহ্যবাহী খাবার সম্পর্কে- বাকরখানি : মুঘল আমলের খাবারগুলো মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত বাকরখানি রুটি। লোকমুখে প্রচিলত আছে আগা বাকেরের নাম অনুসারে এই রুটি তৈরী হয়েছে। এই রুটি আফগানিস্তান ও রাশিয়ার মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় পাওয়া যায়। প্রকৃত বাকরখানি খাঁটি ময়দা, ঘি, মাওয়ার খামির ও দুধ দিয়ে তৈরী করা হয়। ঢাকা শহরে এখন বড় বড় রেষ্টুরেন্ট, চাইনীজ রেষ্টুরেন্ট এমনকি নামী-দামী ফাষ্ট ফুড দোকানে সয়লাব হয়ে গেছে, যেখানে বিত্তশালী লোকেরা সামান্য কিছু খাবারের পেছনে বিস্তর টাকা পয়সা খরচ করে। অথচ তারা কি কখনো এই সু-স্বাদু, মজাদার এবং মুখরোচক বাকরখানি রুটির কথা শুনেছেন, বাকরখানি রুটি কি, এর স্বাদই বা কেমন, দামই বা কত ইত্যাদি ইত্যাদি। কথার কোন ছল নয়, নয় লেখনীর কোন শব্দ আকর্ষন। একেবারে সহজ সাধা সিধে কথা। কাচ্চি বিরিয়ানী : পুরনো ঢাকা মানেই যেন জিভে জল এসে যাওয়ার মতো সব খাবার-দাবার। স্বাদে, গন্ধে ও গুণগতমানে কোনটিই কোনটির চেয়ে কম নয়। এমন ধরনের একটি খাবার হচ্ছে কাচ্চি বিরিয়ানী। পুরনো ঢাকার কাজী আলাউদ্দিন রোড, নাজিমুদ্দিন রোড, উর্দ্দু রোড, বংশাল, সিদ্দিকবাজার, চকবাজার, নবাবপুর, ইসলামপুর, ওয়ারী, মালিটোলা এবং মৌলভীবাজার এলাকায় কাচ্চি বিরিয়ানীর দোকানগুলো গড়ে উঠেছে। ভাল মান এবং ভাল স্বাদের জন্য কাজী আলাউদ্দিন রোডের হাজীর বিরিয়ানী, হানিফ বিরিয়ানী, মৌলভীবাজার রোডের নান্না মিয়ার বিরিয়ানী, উর্দ্দু রোডের রয়েল বিরিয়ানী, নারিন্দার ঝুনার কাচ্চি বিরিয়ানী, মালিটোলার ভুলুর বিরিয়ানী, নবাবপুরের ষ্টার হোটেলের কাচ্চি বিরিয়ানী, সুরিটোলার রহিম বিরিয়ানী এবং নাজিমুদ্দন রোডের মামুন বিরিয়ানী ঢাকায় বিখ্যাত। এখানে প্রস্তুতকৃত কাচ্চি বিরিয়ানির অতুলনীয় স্বাদ এবং গন্ধের কারনে ঢাকার বিভিন্ন প্রান্তের লোকজন ছুটে আসেন এই পুরনো ঢাকায়। দোকানগুলোর পাশ দিয়ে হেঁটে গেলেই সুস্বাদু কাচ্চি বিরিয়ানির সুঘ্রাণ পাওয়া যায়। লাবাং : এটি দুগ্ধজাতীয় পানীয়। ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবারের মধ্যে লাবাং অন্যতম। এই পানীয় সম্পর্কে যতদুর জানা যায় যে, এটি মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশসমূহে প্রচলিত একটি পানীয়। সুস্বাদু এই পানীয় দেখতে দুধের মতো, স্বাদ ঝাঝালো, তবে বোরহানী নয়। বিশেষ করে চক বাজারে রমজান মাসে ইফতারিতে লাবাংয়ের নানা আয়োজন লক্ষ্য করা যায়।
*পুরানোঢাকা* *মজারখাবার* *বাকরখানি*

নাহিন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শাঁখারীবাজার, তাঁতিবাজার, কেজি গুপ্ত লেন, শ্যামাপ্রসাদ চৌধুরী লেন, আনন্দমোহন দাস লেন, ঈশ্বর দাস লেনসহ পুরনো ঢাকার যেদিকেই দু'চোখ যায় সেদিকেই যেন হাতছানি দিচ্ছে মৃত্যু! একের পর এক পুরনো জরাজীর্ণ আবাসিক ভবন! খসে পড়ছে পলেস্তারাসহ ইট। কোন ভবনে সিঁড়ির অস্তিত্ব নেই। ব্যবহার করা হচ্ছে বিকল্প সিঁড়ি। ভেঙ্গে গেছে বারান্দার কার্নিশসহ ভবনের বিভিন্ন অংশ। বসবাসযোগ্য মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বছরের পর বছর এসব ভবনে বাস করছে লাখো মানুষ! অনেক ভবন টিকিয়ে রাখা হয়েছে বাঁশের ঠিকা দিয়ে! ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর মধ্যে বেশিরভাগই চার থেকে ছয় তলা পর্যন্ত। নিয়মনীতি উপেৰা করে আবাসিক এলাকাগুলো ব্যাপকভাবে বাণিজ্যিকীকরণ করা হয়েছে। এ্যাসিডের গুদাম থেকে শুরু করে বিষাক্ত রাসায়নিক অনেক কিছুর গুদাম পুরনো ঢাকার বেশিরভাগ বাড়িতে। কমতি নেই বিভিন্ন রকমের কারখানারও। সব মিলিয়ে মৃত্যুঝুঁকিতে পুরনো ঢাকার প্রায় ৩০ লাখ মানুষ। ডিসিসি ও রাজউকের তথ্য মতে, পুরনো ঢাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার। এর মধ্যে ২২ হাজার ভবন মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এসব ভবনে বসবাস তো দূরের কথা, আশপাশ দিয়ে পথচলাও বিপজ্জনক! সব মিলিয়ে স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি নেই এ এলাকার মানুষের। নানা দুর্যোগ তাদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে মৃত্যুর মিছিলে। সাম্প্রতিক সময়ে পুরনো ঢাকার বেশকিছু ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করলেও এখনও ভাঙতে পারেনি রাজউক। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুরনো ঢাকাকে বাঁচাতে জনগণের অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পরিকল্পনা জরুরী। যে কোন মূল্যে অতিমাত্রায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো দ্রুত ভাঙ্গার সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ঢাকার মেয়র বললেন, এ ব্যাপারে সরকারীভাবে সিদ্ধান্তই যথেষ্ট। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরনো ঢাকাবাসী নিজেরাই নিজেদের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে। এখন শুধু বিপর্যয়ের অপেক্ষা। যে কোন সময় দেখা দিতে পারে বিপর্যয়। তাঁরা বলছেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো থেকে লোকজন সরিয়ে নেয়া উচিত। ব্যবহারের অনুপযোগী ভবনগুলো যে কোন মূল্যে ভাঙতে হবে; কমাতে হবে লোকজন। সরাতে হবে স্থানীয় বাসিন্দাদের। এজন্য প্রয়োজন আরবান রিনিউয়ালসহ শিল্পকারখানা স্থানান্তরসহ নতুন করে শহর পুনর্গঠন করা। বাস্তবায়নে সরকারীভাবে দলীয় বিবেচনার উর্ধে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। প্রয়োজন কমিউনিটি প্ল্যানিং। সেই সঙ্গে ঢাকার আশপাশে স্থাপন করতে হবে শিল্পপল্লী। সার্বিক পরিকল্পনায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ বসবাসকারীদের যুক্ত রাখতে হবে। বাড়ি ভেঙ্গে প্রশস্ত করতে হবে রাস্তা। নগর উন্নয়নে বিভিন্ন সংস্থানে পৃথক পৃথক দায়িত্ব দিতে হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব কাজ করা না গেলে ভবিষ্যতে কোন দুর্ঘটনা নিমতলীর ভয়াবহতার রেকর্ড অতিক্রম করতে পারে।
*পুরানোঢাকা*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলাদেশের রাজধানী শহর ঢাকার অদুরে পুরান ঢাকার অবস্থান। পুরান ঢাকায় বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী দর্শনীয় স্থান রয়েছে । প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী স্থানসমূহ পরিদর্শনে আসেন হাজার হাজার দর্শনার্থী। 
অনেকেই পুরান ঢাকায় ঘুরতে গেলেও সব ঐতিহ্যবাহী স্থান গুলোর নাম জানেন না। তাই আমি আজ আপনাদের কে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী স্থান সমূহের সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো।

পুরান ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহঃ

 আহসান মঞ্জিল, লালবাগের কেল্লা, হোসেনী দালান, শাঁখাবাজার, ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল, বড় কাটরা, ছোট কাটরা, বাহাদুর শাহ পার্ক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, সদরঘাট, বেগমবাজার মসজিদ, খান মুহাম্মাদ মসজিদ, বিনাত বিবির মসজিদ, রূপলাল হাউজ, আর্মেনীয় গীর্জা, চকবাজার শাহী মসজিদ, শাহেস্তা খান জামে মসজিদ ইত্যাদি

*ভ্রমন* *ঈদেভ্রমন* *পুরানোঢাকা* *ভ্রমনটিপস* *অল্পতেভ্রমন*

আমানুল্লাহ সরকার: অযত্ন আর অবহেলায় ঐহিত্যবাহী পুরানো ঢাকার অনেক স্থাপনা আজ তার নিজস্ব সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলেছে। আমাদের দীর্ঘ দিনের ঐহিত্যকে ধরে রাখতে হলে নব উদ্যমে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে এবং আমাদের ইতিহাস ও ঐহিহ্য কে রক্ষা করতে হবে।

*পুরানোঢাকা*

নাহিন: পুরনো ঢাকার কথা মনে হলেই ঐতিহাসিক সব ভবন, কাঠের বারান্দার জমিদারি হাল হকিকতের কথা যাদের মনে হয় বা যারা একটু নস্টালজিয়ায় ভোগেন তাদের জন্য দু:সংবাদ! কারণ ঢাকার ঐতিহ্যবাহী পুরনো ভবনগুলো একে একে ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে। সর্বশেষ ২০০৯ সালে ৯৩ টি ভবনকে হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল।

*পুরানোঢাকা*

নাহিন: পুরনো ঢাকা বলতে এক সময় যে এলাকাকে বোঝানো হতো এখন সেই এলাকা অনেকটাই বদলে গেছে। বহুতল ভবন আর বিপণী বিতান পাল্টে দিয়েছে তার চেহারা। বাসিন্দাদের অনেকে আস্তে আস্তে চলে যাচ্ছেন অন্য এলাকায়।

*পুরনোঢাকা* *পুরানোঢাকা*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ছুটির দিনে অলস ভাবে বসে না থেকে ঘুরে আসতে পারেন পুরানো ঢাকার বাহদুরশাহ পার্ক থেকে। ঢাকার পুরানো এলাকার সদরঘাটের সন্নিকটে লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান বাহদুরশাহ পার্ক নির্মান করা হয়েছে।

পার্কটি ডিম্বাকৃতি এবং পার্কটি লোহার রেলিং দিয়ে ঘেরা। এর পূর্ব এবং পশ্চিম পাশে দুটো প্রধান ফটক বা গেট রয়েছে। পার্কটির ভেতরে রেলিং এর পাশ দিয়ে পাকা রাস্তা করা হয়েছে।

পার্কটি ঢাকার অন্যতম প্রধান নৌবন্দর সদরঘাট এলাকায় ঢুকতেই লক্ষ্মীবাজারের ঠিক মাথায় অবস্থিত।পার্কটি কে ঘিরে ৭টি রাস্তা একত্রিত হয়েছে। এর চারপাশে সরকারী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সহ বেশ কিছু স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় থাকার কারণে এটি পুরনো ঢাকার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচিত।

আঠার শতকের শেষের দিকে এখানে ঢাকার আর্মেনীয়দের বিলিয়ার্ড ক্লাব ছিল। যাকে স্থানীয়রা নাম দিয়েছিল আন্টাঘর। বিলিয়ার্ড বলকে স্থানীয়রা আন্টা নামে অভিহিত করত। সেখান থেকেই এসেছে "আন্টাঘর" কথাটি। ক্লাব ঘরের সাথেই ছিল একটি মাঠ বা ময়দান যা আন্টাঘর ময়দান নামে পরিচিত ছিল। ১৮৫৮ সালে রানী ভিক্টোরিয়া ভারতবর্ষের শাসন ভার গ্রহণ করার পর এই ময়দানেই এ সংক্রান্ত একটি ঘোষনা পাঠ করে শোনান ঢাকা বিভাগের কমিশনার। সেই থেকে এই স্থানের নামকরণ হয় "ভিক্টোরিয়া পার্ক"। ১৯৫৭ সালের আগে পর্যন্ত পার্কটি ভিক্টোরিয়া পার্ক নামে পরিচিত ছিল। 

১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর এক প্রহসনমূলক বিচারে ইংরেজ শাসকেরা ফাঁসি দেয় অসংখ্য বিপ্লবী সিপাহিকে। তারপর জনগণকে ভয় দেখাতে সিপাহিদের লাশ এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এই ময়দানের বিভিন্ন গাছের ডালে। ১৯৫৭ সালে (মতান্তরে ১৯৬১) সিপাহি বিদ্রোহের শতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে পার্কের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক। সিপাহী বিদ্রোহ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইংরেজ শাসনের সমাপ্তি ঘটিয়ে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ এর শাসন পুনরায় আনার জন্য। তাই তাঁর নামানুসারে এর নতুন নামকরণ করা হয় "বাহাদুর শাহ পার্ক"

*ভ্রমন* *ঈদেভ্রমন* *পুরানোঢাকা* *ভ্রমনটিপস* *অল্পতেভ্রমন*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে


ছোট কাটারা শায়েস্তা খানের আমলে তৈরি একটি ইমারত। আনুমানিক ১৬৬৩ - ১৬৬৪ সালের দিকে এ ইমারতটির নির্মান কাজ শুরু হয় এবং তা ১৬৭১ সালে শেষ হয়েছিল। এটির অবস্থান ছিল বড় কাটারার পূর্বদিকে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে। ইমারতটি দেখতে অনেকটা বড় কাটারার মত হলেও এটি আকৃতিতে বড় কাটারার চেয়ে ছোট এবং এ কারণেই হয়তো এর নাম হয়েছিল ছোট কাটারা। তবে ইংরেজ আমলে এতে বেশ কিছু সংযোজন করা হয়েছিল। ১৮১৬ সালে মিশনারি লিওনার্দ ঢাকার প্রথম ইংরেজি স্কুল। বর্তমানে ছোট কাটারা বলতে কিছুই বাকি নেই শুধু একটি ভাঙা ইমারত ছাড়া। যা শুধু বিশাল তোড়নের মতন সরু গোলির উপর দাঁড়িয়ে আছে। চারদিকে অসংখ্য দোকান এমন ভাবে ঘিরে ধরেছে যে দেখে বোঝার উপায় নেই যে এখানে মুঘল আমলের এমন একটি স্থাপত্য ছিল।
বড় কাটরা ঢাকায় অবস্থিত মুঘল আমলের নিদর্শন। সম্রাট শাহজাহানের পুত্র শাহ সুজার নির্দেশে ১৬৪১ খ্রিস্টাব্দে (হিজরী ১০৫৫) বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে এই ইমারতটি নির্মাণ করা হয়। এর নির্মাণ করেন আবুল কাসেম যিনি মীর-ই-ইমারত নামে পরিচিত ছিলেন। প্রথমে এতে শাহ সুজার বসবাস করার কথা থাকলেও পরে এটি মুসাফিরখানা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এক সময় স্থাপত্য সৌন্দর্যের কারনে বড় কাটরার সুনাম থাকলেও বর্তমানে এর ফটকটি ভগ্নাবশেষ হিসাবে দাঁড়িয়ে আছে। এক সময় বড় কাটরার তোরণে ফার্সি ভাষায় শাদুদ্দিন মুহম্মদ সিরাজী লিখিত একটি পাথরের ফলক লাগানো ছিল। যেখানে এই মুসাফির খানার নির্মাতা ও এর রক্ষনাবেক্ষনের ব্যয় নির্বাহের উপায় সম্পর্কে জানা যায়।
তথ্যঃ সংগৃহীত
*ভ্রমন* *ঈদেভ্রমন* *পুরানোঢাকা* *ভ্রমনটিপস* *অল্পতেভ্রমন*

ট্রাভেলার: নতুন ঢাকার চেয়ে পুরানো ঢাকার ঈদ অনেক বেশি জাঁকজমকপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী। ঈদে চকবাজারে ঈদ মেলা হয়। মেলায় ঘুরে চলে যেতে পারেন লালবাগের কেল্লা অথবা আহসান মঞ্জিলে। এছাড়াও সদরঘাট থেকেও বেড়িয়ে আসতে পারেন। পুরানো ঢাকার অলিতে গলিতে আছে মজার মজার খাবারের দোকান। ঘুরতে ঘুরতে খিদে লেগে গেলে ঢু মারতে পারেন কিন্তু খাবারের দোকানগুলোতে, ঈদের দিন থাকে বিশেষ পদ (লজ্জা)

*পুরানোঢাকা* *ঈদেবেড়ানো* *ছুটিতেভ্রমন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★