পুষ্টি

পুষ্টি নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ওজন কমাতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকাতে কি ধরণের খাবার রাখা উচিৎ?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*ওজন* *খাদ্যতালিকা* *হেলদিফুড* *স্বাস্থ্যতথ্য* *পুষ্টি* *ওজনসমস্যা*

নিরাপদ নিউজ: চুলের যত্নে সঠিক তেলের ব্যবহার… তেলের সঙ্গে আবার ফুল, লতাপাতার মূলের নির্যাস যোগ করে সুগন্ধিযুক্ত উপকারী তেলের ব্যবহারও দেখা যাচ্ছে। আসুন জেনে নিই কী তেল কী কাজ করে... বিস্তারিত পড়ুন - http://www.nirapadnews.com/2016/02/22/news-id:132783/

*তেল* *পুষ্টি* *চুল* *আড্ডা* *বেশম্ভব* *জানাঅজানা*

সাদাত সাদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখাসহ দেহের প্রয়োজনীয় লৌহের যোগান দিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কচু শাক। কচু শাকে চিংড়ি আর ইলিশ মাছের যেন অসাধারণ বন্ধত্ব, এর স্বাদে গন্ধে পাগল করে অনেকের মন। কচু শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’, ক্যালসিয়াম, লৌহ ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। মানবদেহের নানা রোগ সারাতে সহজলভ্য কচু শাকের তুলনা হয় না। আজ জেনে নেব কচু শাকের অসাধারণ পুষ্টিগুণ সম্পর্কে। প্রতি ১০০ গ্রাম কচু শাকে পাবেন প্রোটিন ৩৯ গ্রাম, শর্করা ৬.৮ গ্রাম, স্নেহ বা চর্বি ১৫ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২২৭ মিলিগ্রাম, লৌহ ১০ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি(থায়ামিন)২২.০ মিলি, ভিটামিন বি (রাইবোফেবিন) ২২ মিলি, ভিটামিন ‘সি’ ১২ মিলিগ্রাম ও ক্যালোরি ৫৬ কিলো খাদ্যশক্তি। - কচু শাকে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ থাকায় এর লৌহ আপনার দেহে সহজে আত্তীকরণ হয়। - এতে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ যা রাতকানা, ছানি পড়াসহ চোখের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধসহ দৃষ্টিশক্তি বাড়িয়ে দেয়। - এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, যা দেহের বৃদ্ধি ও কোষ গঠনে ভূমিকা রাখে। কচু শাকের ভিটামিন কোষের পুনর্গঠনে সহায়তা করে। - এই শাকের আয়রন ও ফোলেট রক্তের পরিমাণ বাড়ায়। ফলে অক্সিজেন সংবহন পর্যাপ্ত থাকে। এতে উপস্থিত ভিটামিন কে রক্তপাতের সমস্যা প্রতিরোধ করে। - কচুশাকে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্যআঁশ, যা অন্ত্রের বিভিন্ন রোগ দূরে রাখে। পরিপাকক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। - কচুশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম ও ম্যাংগানিজ। দাঁত ও হাড়ের গঠনে এবং ক্ষয়রোগ প্রতিরোধে এসব উপাদানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  
*কচুশাক* *পুষ্টি*

Risingbd.com: হাঁসের ডিম না মুরগির - কোনটি ভালো? প্রচলিত ধারণা হচ্ছে মুরগির ডিমে বেশি পুষ্টি থাকে। এ ছাড়া হাঁসের ডিমের রয়েছে নানা বদনাম। যেমন অনেকেই মনে করেন, হাঁসের ডিমে ....বিস্তারিত- http://bit.ly/1NMx8kF

*ডিম* *মুরগি* *জানাঅজানা* *পুষ্টি* *গুজব*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গরমে আরাম করে যা-ইচ্ছে তাই যদি আপনার শিশুকে খাওয়াতে থাকেন তাহলে ফলাফল অনুকূলে যাবার সম্ভাবনা খুবই কম। তাই এই অসহ্য গরমে শিশুদেরকে খাবার খাওয়ানোর ব্যাপারে সচেতন না হলে অল্পতেই অসুখে পড়ার আশংকা থাকে। বড়দের খাবার ব্যাপারে তো বটেই, শিশুদের খাবারের দিকেও সমান নজর দিতে হবে এই সময়ে। চলুন জেনে নিই, গরমের সময়ে শিশুকে কেমন খাবার খেতে দেয়া উচিৎ-

গরমে শিশুর খাবারঃ
১. শিশুর পর্যাপ্ত পানি পান নিশ্চিত করুন।

২. প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন শাকসবজি ও কোনো না কোনো মৌসুমি ফল। খেয়াল রাখবেন, সেখানে যেন থাকে সবুজসহ অন্য দুই তিনটি রঙের সবজি বা ফল। সবজি ও ফলের এই ভিন্ন ভিন্ন রং আসলে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিন্ন ভিন্ন অ্যান্টি অক্সিডেন্টের জোগান দেয়।

৩. দিনে-রাতের প্রধান খাবারের পাশাপাশি নাশতা হিসেবে তরল ও জলীয় খাবার বেশি রাখুন। আর দুপুর বা রাতের খাবারেও দুষ্পাচ্য ভারী খাবার এড়িয়ে চলুন।

৪. গরমের দিনে খাবারে অসাবধানতার কারণে সহজেই পেটের অসুখ, টাইফয়েড, জন্ডিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। খাবারের সমস্যা থেকে ত্বকে ব্রণের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। সচেতনতা ও সঠিক অনুপাতে সুষম খাদ্য গ্রহণ এসব সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকে অনেকটাই বাঁচাতে পারে।

৫. ফাস্ট ফুড বা বাইরের খাবার না খাওয়ার জন্য সন্তানকে জোরাজুরি না করে বা ধমক না দিয়ে বুঝিয়ে বলুন। শিশুদের জানান কোন কোন খাবারে কী কী কার্যকারিতা আর কী কী স্বাস্থ্যঝুঁকি। তাহলে ওদের মধ্যেই সচেতনতা তৈরি হবে। এখনকার ছেলেমেয়েরা কিন্তু অনেক স্মার্ট, ওদের শুধু পথটা বাতলে দিন।
*শিশুরযত্ন* *খাবার* *পুষ্টি* *টিপস* *পরামর্শ*

শ্রীময়ী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দেহের ওজন কমানোর জন্য আপনার বহু মূল্যবান খাবার বা ওষুধের প্রয়োজন নেই। আপনার হাতের কাছেই পাওয়া যায় এমন কিছু খাবার বা মসলাই নির্দিষ্ট মাত্রায় গ্রহণ করে দেহের ওজন কমানো সম্ভব। যেমন ধরুন: 


  • মুগ ডাল
  • আখরোট বাদাম
  • পালং শাক
  • করলা
  • বিট মূল
  • কাঠ বাদাম (অ্যামন্ড)
  • আপেল
  • কালো সীম
  • ফুলকপি
  • দারচিনি
  •  হলুদ
  •  মুলা
  • রসুন
  • মসুর ডাল
  • কলা
  • টমেটো
  • অলিভ অয়েল
  • বাঁধাকপি
  • ডিম
  • কফি
  • ব্রকলি 
  • ধনে পাতা, লেটুস পাতা
  • স্যালমন ফিশ
  • টুনা ফিশ 
  • সেদ্ধ আলু 
  • বীনস
  • পনির 

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে প্রকাশিত 
*হেলদিফুড* *স্বাস্থ্যতথ্য* *পুষ্টি* *ওজনসমস্যা*

কেয়া _নাহিদা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একমাত্র মৃত্যু ছাড়া সকল রোগের ঔষুধ কালোজিরা – "আল হাদিস"
কালজিরার গুণাগুণ সবাই মোটামুটি জানে কিন্তু সবাই কালোজিরা ভর্তা একই রকমভাবে করে না . আমার মা যেভাবে কালোজিরা ভর্তা করতেন -----উপকরণ -১.৪ চা চামচ কালোজিরা
                                                                      ২.২ চা চামচ সরিষার তেল
                                                                      ৩. রসুন ৪ কোআ
                                                                      ৪.পিয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ
                                                                      ৫. কাচা মরিচ ৪/৫ টা চিরে
                                                                      ৬. লবন পরিমান মত
      প্রথমে কালোজিরা ভালোভাবে বেছে পরিষ্কার করে নিয়ে একটা কড়াইতে টেলে নিতে হবে , তারপর এটাকে মিহি করে বেটে নিন . ফ্রাইপেন এ তেল গরম করে রসুন আর পেয়াজ কুচি, কাচা মরিচ চেরা , লবন  দিয়ে কিছু সময় ভাজুন লাল রং আসার আগেই কালোজিরা দিয়ে দিন . বেশি সময় রাখবেন না এবার লবন + ঝাল ঠিক মত হয়েছে কিনা দেখে নামান .
কালোজিরা এর এই ভর্তা টা টেস্ট করে জানাবেন কেমন লাগলো .
*পুষ্টি* *ভর্তা* *রেসিপি* *কালজিরা*

কেয়া _নাহিদা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

☯ গরম কালে কাঁচা মরিচ খেলে ঘামের মাধ্যমে শরীর ঠান্ডা থাকে।

☯ প্রতিদিন একটি করে কাঁচা মরিচ খেলে রক্ত জমাট বাধার ঝুঁকি কমে যায়।

☯ নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে হৃদপিণ্ডের বিভিন্ন সমস্যা কমে যায়।

☯ কাঁচা মরিচ মেটাবলিসম বাড়িয়ে ক্যালোরি পোড়াতে সহায়তা করে।

☯ কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিটা ক্যারোটিন
আছে যা কার্ডোভাস্ক্যুলার সিস্টেম কে কর্মক্ষম রাখে।

☯ নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

☯ কাঁচা মরিচ রক্তের কোলেস্টেরল কমায়।

☯ কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন এ
যা হাড়, দাঁত ও মিউকাস মেমব্রেনকে ভালো রাখতে সহায়তা করে।

☯ কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে যা মাড়ি ও চুলের সুরক্ষা করে।

☯ নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে নার্ভের বিভিন্ন সমস্যা কমে।

☯ প্রতিদিন খাবার তালিকায় অন্তত একটি করে কাঁচা মরিচ
রাখলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না।

☯ কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন সি। তাই যে কোনো ধরণের কাটা- ছেড়া কিংবা ঘা শুকানোর
জন্য কাঁচা মরিচ খুবই উপকারী।

☯ কাঁচা মরিচের অ্যান্টিঅক্সিডে ন্ট ও ভিটামিন সি শরীরকে জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে।

*হেলথটিপস* *পুষ্টি* *হেলদিফুড* *মরিচ* *কাঁচামরিচ*
ছবি

নাহিন: ফটো পোস্ট করেছে

কোন খাবারে কোন ভিটামিন জানুন।

*স্বাস্থ্যতথ্য* *পুষ্টি* *খাদ্য* *ভিটামিন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★