পুষ্টিগুণ

পুষ্টিগুণ নিয়ে কি ভাবছো?

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সজিনা পাতার পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানতে চাই?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*সজিনাপাতা* *পুষ্টিগুণ*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ডিম পোচ নাকি সেদ্ধ? স্বাস্থ্যগত দিক থেকে কোনটি ভালো?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*ডিমপোচ* *ডিমসেদ্ধ* *পুষ্টিগুণ*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ব্রকোলির কি কি পুষ্টিগুণ রয়েছে? ব্রকোলি খেলে কি ধরণের স্বাস্থ্য উপকারিতা মেলে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*ব্রকোলি* *ব্রোকোলি* *পুষ্টিগুণ* *স্বাস্থ্যউপকারিতা* *হেলদিফুড*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঘি না মাখন, আমাদের শরীরের জন্য কোনটা বেশি স্বাস্থ্যকর?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*ঘি* *মাখন* *হেলদিফুড* *স্বাস্থ্যকর* *পুষ্টিগুণ*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 পেঁয়াজপাতার পুষ্টিগুণ সমন্ধে বিস্তারিত জানতে চাই l

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*পেঁয়াজপাতা* *পুষ্টিগুণ* *পেঁয়াজকলি*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ক্যাপসিকামের পুষ্টিগুণ সমন্ধে জানতে চাই l

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*ক্যাপসিকাম* *পুষ্টিগুণ*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঝিঙের স্বাস্থ্য উপকারিতা সমন্ধে জানতে চাই l

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*ঝিঙে* *স্বাস্থ্যউপকারিতা* *পুষ্টিগুণ*

সাদাত সাদ: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 গরুর দুধ নাকি ছাগলের দুধ কোনটাতে পুষ্টিগুণ বেশী?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*গরুরদুধ* *দুধ* *পুষ্টিগুণ* *ছাগলেরদুধ*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রমজানে ইফতার করা প্রত্যেক মুসলমানদের জন্যই আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত। সারাদিন রোজা রাখার পর বেশিরভাগ সময় মানুষ খেজুর দিয়ে ইফতার করে। খেজুর দিয়ে ইফতার করা সুন্নত। তাই রমজানে এর কদরও বেড়ে যায় অনেক বেশি। খেজুর অতি পরিচিত একটি ফল হলেও মিষ্টি মধুর ছোট এই ফলটির রয়েছে অনেক গুণ। কারণ সারা দিনের ক্লান্তি দূর করতে প্রত্যেকের জন্য প্রতিদিন একটি করে খেজুরই যথেষ্ট। 

রমজান মাস শুরু হলেই বাজারে খেজুর কেনার ধুম পরে যায়। সারাদিন রোজা রেখে খেজুর খাওয়া সুন্নত, কিন্তু এই একটি সুন্নতের পেছনেও যে কতো উপকারিতা আছে সে সম্পর্কে হয়তো অনেকেই জানিনা। রোজা শেষে ইফতারে এটি শুধু ক্লান্তি দূর করে না, বরং শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিনেরও জোগান দেয়।

ইফতারে খেজুর কেন খাবেন: খেজুরে রয়েছে এমিনো এসিড, প্রচুর শক্তি, শর্করা ভিটামিন ও মিনারেল। রোজায় দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকার কারণে দেহে প্রচুর গ্লুকোজের ঘাটতি দেখা দেয়। খেজুর শরীরের এই প্রয়োজনীয় গ্লুকোজের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন ইফতারে খেজুর খাওয়া উচিত। 

তাই আজ জানবো খেজুরের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা সমন্ধে: 

  • কোলেস্টেরল এবং ফ্যাট:
    খেজুরে কোন কোলেস্টেরল এবং বাড়তি পরিমাণে চর্বি থাকে না। ফলে আপনি সহজেই খেজুর খাওয়া শুরু করে অন্যান্য ক্ষতিকর ও চর্বি জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকতে পারবেন।
  • প্রোটিন:
    প্রোটিন শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় অত্যাবশ্যকীয় একটি উপাদান। খেজুর প্রোটিন সমৃধ ফলে পেশী গঠন করতে সহায়তা করে এবং শরীরের জন্য খুব অপরিহার্য প্রোটিন সরবরাহ করে।
  • ভিটামিন:
    খেজুরে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন যা শরীরের জন্য অত্যাবশ্যক। যেমন, B1, B2, B3 এবং B5। এছাড়াও ভিটামিন A1 এবং সি ভিটামিন পাওয়ার আরও একটি সহজ মাধ্যম হচ্ছে খেজুর। খেজুর দৃষ্টি শক্তি বাড়ায়। সেই সাথে রাত কানা রোগ প্রতিরোধেও খেজুর অত্যন্ত কার্যকর।
  • আয়রন:
    আয়রন মানব দেহের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। খেজুর প্রচুর আয়রন রয়েছেও ফলে এটা হৃৎপিন্ডের কার্যমতা বাড়ায়। তাই যাদের দুর্বল হৃৎপিন্ড খেজুর হতে পারে তাদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ঔষধ।
  • ক্যালসিয়াম:
    ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে সহায়ক। আর খেজুরে আছে প্রচুর পরিমান ক্যালসিয়াম। যা হাড়কে মজবুত করে। খেজুর শিশুদের মাড়ী শক্ত করতে সাহায্য করে।
  • ক্যানসার প্রতিরোধ:
    খেজুর পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ এবং প্রাকৃতিক আঁশে পূর্ন। এক গবেষনায় দেখা যায় খেজুর পেটের ক্যানসার প্রতিরোধ করে। আর যারা নিয়মিত খেজুর খান তাদের বেলায় ক্যানসারে ঝুকিটাও কম থাকে। খুব সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে যে খেজুর Abdominal ক্যান্সার রোধে কার্যকর ভুমিকা পালন করে এবং অবাক করা বিষয় হচ্ছে এটি অনেকসময় ওষুধের চেয়েও ভাল কাজ করে।
  • ওজন কমায়:
    মাত্র কয়েকটা খেজুর কমিয়ে দেয় ক্ষুধার জ্বালা। এবং পাকস্থলীকে কম খাবার গ্রহনে উদ্বুদ্ধ করে। এই কয়েকটা খেজুরই কিন্তু শরীরের প্রয়োজনীয় শর্করার ঘাটতি পূরন করে দেয় ঠিকই।
  • কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর করে:
    খেজুরে আছে এমন সব পুষ্টি গুন। যা খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে। এবং কোষ্ঠ কাঠিন্য রোধ করে। কখনো কখনো ডায়রিয়ার জন্যেও এটা অনেক উপকারী।
  • সংক্রমন:
    যকৃতের সংক্রমনে খেজুর উপকারী। এছাড়া গলা ব্যথা, বিভিন্ন ধরনের জ্বর, সর্দি, এবং ঠান্ডায় খেজুর উপকরী। খেজুর অ্যালকোহল জনিত বিষক্রিয়ায় বেশ উপকারী। ভেজানো খেজুর খেলে বিষক্রিয়ায় দ্রুত কাজ করে।
  • রক্তশূন্যতা রোধ করে:
    প্রচুর মিনারেল সাথে আয়রন থাকার কারণে খেজুর রক্তশূন্যতা রোধ করে। তাই যাদের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কম তারা নিয়মিত খেজুর খেয়ে দেখতে পারেন।
  • কর্মশক্তি বাড়ায়:
    খেজুরে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি থাকার কারণে খেজুর খুব দ্রুত শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। সারাদিন রোজা রাখার পর রোজাদাররা যদি মাত্র ২ টি খেজুর খা্ন তবে খুব দ্রুত কেটে যাবে তাদের ক্লান্তি।
  • স্নায়ুতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায়:
    খেজুর নানা ভিটামিনে পরিপূর্ণ থাকার কারণে এটি মস্তিষ্কের চিন্তাভাবনার গতি বৃদ্ধি রাখে, সাথে স্নায়ুতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ছাত্র-ছাত্রী যারা নিয়মিত খেজুর খায় তাদের পারফরম্যান্স অন্যদের তুলনায় ভাল থাকে।
  • হৃদরোগ প্রতিরোধ করে:
    খেজুরে রয়েছে পটাশিয়াম যা বিভিন্ন ধরণের হৃদরোগ প্রতিরোধ করে এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে খেজুর শরীরের খারাপ ধরণের কোলেস্টেরল কমায় (LDL) এবং ভাল কোলেস্টেরলের (HDL) পরিমাণ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

রোজায় দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকার কারণে দেহে প্রচুর গ্লুকোজের ঘাটতি দেখা দেয়। খেজুর শরীরের এই প্রয়োজনীয় গ্লুকোজের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন ইফতারে খেজুর খাওয়া উচিত। আর বাকি উপকারিতা গুলো তো জানলেনই, তাই শুধু রমজান মাসেই নয়, আমাদের খেজুর খাওয়া উচিত সারাবছর, প্রতিদিন।

খেজুর কোথায় পাবেন এবং খেজুরের দামদর

রমজান মাস সহ, বছরের বিভিন্ন সময়ে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, আলজেরিয়া, তিউনেশিয়া, ইরাক ও ইরান থেকে খেজুর আমাদানি করা হয়। তবে বেশি আমদানি করা হয় সংযুক্ত আমিরাত থেকে।বাজারে বিভিন্ন দামের খেজুর পাওয়া যায়, তবে সবচেয়ে ভাল মানের খেজুর সৌদি ও তিউনিশিয়ার। এদের দামও বেশি।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতি কেজি দাবাশ ১০০ টাকা, প্রতি কেজি তিউনিশিয়া ২০০ টাকা, বস্তা প্রতি কেজি ৫৫ টাকা, নাগাল ব্রাউন প্রতি ১০ কেজি ১৪৫০ টাকা, দারাশ প্রতি ২৫ কেজি ২২০০ টাকা, বারিআরি প্রতি ১২ কেজি ২৬০০ টাকায় ও রেজিশ প্রতি ১২ কেজি ১১০০ টাকায় বিক্রি হয়। ফরিদা প্রতি ৫ কেজি খেজুর ৮৫০ টাকা থেকে ৯০০ টাকায়, মরিয়ম প্রতি ১০ কেজি ১২০০ টাকায়, রেজিশ প্রতি ১০ কেজি ১১০০ টাকায়, নাগাল তেরে প্রতি ৬ কেজি ১৩০০ টাকা। তবে, দোকান ভেদে প্রতিকেজি খেজুরের মূল্য ২ থেকে ৩ টাকা কম-বেশি হতে পারে। এই সব প্রায় সব জাতের খেজুরই আপনি কারওয়ান বাজার কাচা বাজারের ভেতরে ফলের বাজার, টাউন হল বাজারের ভেতরের ফলের বাজার, নিউ মার্কেট কাচা বাজারের ভেতরের ফলের বাজারে পেয়ে যাবেন ; তবে, দামের বেশ তারতম্য হতে পারে। আর যদি এসব ঝক্কি এড়াতে চান,তাহলে সুপার শপ বা অনলাইন শপ থেকেও কিনতে পারেন, তবে এক্ষেত্রে বেশ কিছু বাড়তি নোট গুনতে হবে।

 

*ইফতার* *খেজুর* *রমজান* *পুষ্টিগুণ* *হেলদিফুড*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★