পূজার সাজ

পূজারসাজ নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ছেলেদের পূজা ফ্যাশনফ্যাশনে লেগেছে নতুন হাওয়া। বিশেষ করে শারদীয় দূর্গাপূজাকে ঘিরে ফ্যশন হাউজ গুলোতে চলছে সাজ সাজ ভাব। সাজসজ্জার ধারাও অবশ্য পাল্টেছে। মেয়েদের তুলনায় ছেলেরাও ফ্যাশনে একদম পিছিয়ে নেই। তাইতো এবার পূজায় মেয়েদের চেয়ে ছেলেদের পোশাক আশাকেই বেশি ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে। অন্যান্য দিনের চাইতে কিছুটা ফিটফাট থাকতে হয় পূজার সময়। আর সেকারণেই কিছুটা আলাদা সাজগোজ। ছেলেদের তো আর মেয়েদের মতো ত্বকের দিকে খুব বেশি লক্ষ্য করতে হয় না এবং মেকআপের ঝামেলায় যেতে হয় না। ছেলেদের ক্ষেত্রে শুধু পোশাক আশাক ও অন্যান্য এক্সেসরিজের দিকে লক্ষ্য রাখলেই চলে। চলুন ছেলেদের কিছু পোশাক দেখে নেই।


পূজায় ছেলেদের পোশাক ফ্যাশন

কিনতে ক্লিক করুন

পূজায় সব ফ্যাশন হাউজগুলোই ছেলেদের পোশাকের বেশ সমরাহ দেখা যাচ্ছে। পূজার ক্ষেত্রে ধুতি-পাঞ্জাবি-উত্তরীয় সাধারণত পুরুষদের জন্য ঐতিহ্যবাহী পোশাক হলেও তরুণরা ধুতি পাঞ্জাবী একটু কমই পড়েন। তরুণ বয়েসী ছেলেরা টি-শার্ট, শার্ট, প্যান্ট, ফতুয়া পড়তেই বেশি আগ্রহী।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনতবে পূজায় এখনও পাঞ্জাবি আর ধুতির আবেদনটাই একেবারে আলাদা। তবে অনেকেই আজকাল স্টাইলে জিন্স ও টিশার্ট  ব্যবহার করছে। দেশের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজে ইতোমধ্যেই উঠে গিয়েছে নানান স্টাইলের পাঞ্জাবি। তবে পূজার পাঞ্জাবির ক্ষেত্রে সাদার রঙই পছন্দ সকলের। এর পাশাপাশি চলে ঘিয়া রঙের পাঞ্জাবীও। পাঞ্জাবীর জন্য এন্ডি সিল্ক, সিল্ক, জামদানি, মসলিন , সিল্ক , জামদানি, মসলিন, রেশমী কটন, ধুপিয়ান কাপড় পছন্দ অনেকের। তবে এক্ষেত্রে দিনের বেলা হালকা রঙের পাঞ্জাবিই প্রাধান্য দেন ছেলেরা। সাদা, ঘিয়ার পাশাপাশি শরতের স্নিগ্ধতা বজায় রাখতে নীল রঙও অনেকে ব্যবহার করেন পাঞ্জাবীর জন্য। এবং রাতের জন্য গাঢ় রঙের পাঞ্জাবী নির্বাচন করাই ভালো। লাল, কালো, সবুজ, চকলেট, মেরুন ইত্যাদি রঙের পাঞ্জাবী নির্বাচন করতে পারেন।

এক্সেসরিজঃ  

কিনতে ক্লিক করুন

পূজায় পোশাকের পাশাপাশি এক্সেসরিজের দিকে লক্ষ্য রাখার প্রয়োজন রয়েছে। পূজার সময় মণ্ডপের আশেপাশে থাকতেই বেশি আনন্দ। সে আনন্দ দ্বিগুণ করে দিতে পারে সঠিক এক্সেসরিজ নির্বাচন।

জুতো ও স্যান্ডেলঃ

   কিনতে ক্লিক করুন     
পূজায় অনেক হাঁটতে হয় এবং মন্দিরে প্রবেশের সময় জুতো খুলে ঢুকতে হয়। তাই এইসময় জুতো পরার কোনো প্রয়োজন নেই। স্যান্ডেল জাতীয় জুতো পড়ুন যা পড়ে আপনি আরামে হাঁটতে পারবেন এবং দ্রুত খুলে ফেলতে পারবেন। এছাড়া পাঞ্জাবীর সাথে স্যান্ডেলই মানাবে। অন্যান্য পোশাকের মধ্যে ফতুয়া বা টী-শার্ট পরলেও স্যান্ডেল পড়তে পারবেন। আর একটু ট্র্যাডিশনাল সাজে থাকতে চাইলে কোলাপুরি স্যান্ডেল তো রয়েছেই।

সানগ্লাসঃ

কিনতে ক্লিক করুন
দিনের বেলা রোদের কারণে এবং ধুলোবালি থেকে বাঁচতে হাতের কাছে অবশ্যই রাখবেন সানগ্লাস।

আর পূজোর সাজ পোশাকে নিজেকে বদলে নিতে আজই ঢুঁ মারুন আজকের ডিল ডটকমে

*পূজোরসাজ* *পূজারসাজ* *কেনাকাটা* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অন্য রকম টি-শার্ট কালেকশনপূজোয় পাঞ্জাবি ফতুয়া নাকি টি-শার্ট কোনটিতে আপনাকে বেশি মানাবে? আমার মনে হয় অনেকেই টিশার্টকেই ১ম পছন্দের তালিকায় রাখবেন। কারণ এই গরেমে স্বস্তি ও স্মার্টনেস দুটোই ধরে রাখতে টিশার্টের বিকল্প নেই। তাছাড়ও টি-শার্টে  যদি থাকে শারদীয় সাজ তাহলে তো কথায় নেই। আসছে পূজা উপলক্ষ্যে বিভিন্ন অনলাইনশপ ও ফ্যাশন হাউসগুলো টিশার্টে ভিন্নভিন্ন ঐতিহ্য ও মোটিভ ফুটিয়ে তুলেছে। রঙ বে রঙের ডিজাইন আর ছাপায় অন্যরকম ভাব উঠে এসেছে এবারের পূজার টিশার্ট ফ্যাশনে। চলুন পূজার ট্রেন্ডি কিছু টিশার্ট দেখে নেই।

টিশার্ট কিনতে ক্লিক করুন
অনেক ফ্যাশন হাউস ও অনলাইন শপিংমল গুলো পূজার জন্য আলাদাভাবে গুরুত্ব দিয়েই করেছে তরুণদের জন্য শার্ট বা টি-শার্ট। তরুণদের চাহিদামতোই সবগুলো ফ্যাশন হাউসেই ক্যাজুয়াল শার্ট, পোলো টি-শার্ট পাওয়া যাচ্ছে। প্রাচ্যের সঙ্গে এখানে পাশ্চাত্যের স্টাইলের মিশেল ঘটিয়ে করা হয়েছে পোশাকের কাট ও নকশা।’

টিশার্ট কিনতে ক্লিক করুনটিশার্ট কিনতে ক্লিক করুন
তরুণদের পোশাকে টি-শার্টের চাহিদা যে একটা বড় জায়গা দখল করে আছে, সেটা ফ্যাশন হাউসগুলোতে ঘুরলেই চোখে পড়বে। কাপড়ের ক্ষেত্রে সুতিকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছে ফ্যাশন হাউসগুলো। আর এসব পোশাকের কাটে ও নকশায় বৈচিত্র্য আনা হয়েছে। শার্ট বা টি-শার্টে বরাবরই এক রঙ বেশি চলে। সুতি ও লিনেন কাপড়ের শার্ট বা টি-শার্ট এবার বেশি চলছে। ক্রেতারাও গরমের কথা ভেবেই বেছে নিচ্ছেন এমন কাপড়। রঙের ক্ষেত্রে গোলাপি, নীল, সাদা, লেবু, হলুদ, কমলা, ছাই বা সবুজ চলছে।

দরদাম ও কেনাকাটা:

টিশার্ট কিনতে ক্লিক করুনটিশার্ট কিনতে ক্লিক করুন

টি-শার্ট পাওয়া যাবে গোল গলা হলে ২৮০ থেকে ৭০০ টাকায়, পোলো টি-শার্ট (কলার যুক্ত) হলে ৩৫০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায়। টিশার্ট কিনতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সবগুলো ফ্যাশান হাউসে ঢুঁ মারতে পারেন। তাছাড়াও হাজারও কালেকশনের মধ্য থেকে আপনার পছন্দেরটি বেছে নিতে চাইলে অনলাইন মার্কেটপ্লেস আজকের ডিলের ওয়েবসাইটে নক করতে পারেন। ঘরে বসে স্বাচ্ছন্দে পূজার কেনাকাটা করতে এখানে ক্লিক করুন।

টিশার্ট কিনতে ক্লিক করুনটিশার্ট কিনতে ক্লিক করুন

*টি-শার্ট* *পূজারসাজ* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পূজার শাড়ি কালেকশনশাড়িতে অনন্যা বাঙ্গালি ললনা। সত্যিই বাঙ্গালি নারীর চিরচেনা ঐতিহ্য আর রূপের ঝলকানির ঝলক বৃদ্ধিতে শাড়ীর কোন বিকল্প নেই। বাঙ্গালি নারীর চাহিদার কথা চিন্তা করেই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শপিংমল আজকের ডিল শারদীয় দূর্গা উৎসবকে টার্গেট করে বিশাল শাড়ির সংগ্রহ গড়েছে। বাহারি রঙের শাড়ি দেখতে ও কিনতে দেশের ব্যস্ত মানুষগুলো হিট করছেন আজকের ডিলের ওয়েবসাইটে। এখন পর্যন্ত আজকের ডিলে বিক্রি হওয়া সেরা ১০টি শাড়ির চিত্র নিচে তুলে ধরা হল।

ছবিতে সর্বাধিক বিক্রিত ১০টি শাড়ি:

শাড়ি কিনতে ক্লিক করুনশাড়ি কিনতে ক্লিক করুন

শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে বাহারি সব শাড়িতে ভরে উঠেছে বিভিন্ন শপিংমল। তবে এবারে রোদ ও প্রচন্ড গরমের কারণে ব্যস্ত মানুষগুলো শাড়ি ও অন্যান্য শপিংয়ের জন্য অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলো থেকেই কেনাকাটা সেরে নিচ্ছেন।

শাড়ি কিনতে ক্লিক করুনশাড়ি কিনতে ক্লিক করুন
বরাবরের মত এবারেরও শাড়ি অন্যান্য পোশাকের চেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে। অনলাইন থেকে এখন পর্যন্ত যেসব শাড়ি বেশি বিক্রি হচ্ছে সেগুলোর মধ্যে টাঙ্গাইলের কটন, হ্যান্ডলুম কটন সংখ্যায় বেশি। তাছাড়াও সিল্প, কোটা, বুটিক, জর্জেট ও প্রিন্টের শাড়িও বেশ বিক্রি হচ্ছে।

শাড়ি কিনতে ক্লিক করুনশাড়ি কিনতে ক্লিক করুন
দাম ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের কারণে এবারের পূজোয় প্রিন্টের শাড়ি গুলোও বেশ ভাল বিক্রি হচ্ছে। আজকের ডিলের টপ সেলার শাড়ি গুলোর মধ্যে প্রিন্টের বাহারি শাড়ি রয়েছে।
বাহারি ডিজাইনের ফ্যাশনেবল এই শাড়িটি গুলো আপনাকে আরও স্টাইলিশ ও সুন্দরী করে তুলবে। এবারের পূজোয়  নিজেকে নতুন করে সাজাতে শাড়ির বিকল্প নেই। যেকোনো উৎসবে মানানসই এই সব শাড়ি পরতেও খুব আরামদায়ক।

শাড়ি কিনতে ক্লিক করুনশাড়ি কিনতে ক্লিক করুন
সাশ্রয়ী মূল্যে শাড়ির সেরা কালেকশনগুলো একসাথে পাওয়ায় ক্রেতারা অনলাইনেই এসব শাড়ি কিনছেন। আজকের ডিলের টপটেন সেলার শাড়িগুলোর দাম খুব একটা বেশি না। এই শাড়ি গুলো আপনি কিনতে পারবেন মাত্র ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে।


মনে রাখবেন

শাড়ি কিনতে ক্লিক করুন

অনলাইন শপিং এর মাধ্যম মানেই আজকেরডিল ডট কম। এই উৎসবে আজকের ডিল থেকে শপিং করুন ঝড়ের গতিতে আর ডেলিভারী নিন তুফানের বেগে। আর মাথা নষ্ট আকর্ষণীয় ও নান্দনিক ডিজাইনের শাড়ি পেতে চোখ রাখুন আজকের ডিলে

*পূজারসাজ* *শাড়ি* *স্মার্টশপিং*

বেশতো Buzz: বন্ধুরা কেমন কাটলো আপনাদের ঈদ ও পূজা। ঈদ ও পূজার ছুটিতে কোথায় কোথায় ঘুরলেন আর ভিন্ন ভিন্ন রেসিপির কে কি খাবার খেলেন? ঝটপট লিখে আমাদের বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন। লিখুন *ঈদেবেড়ানো* *কোরবানীঈদ* *পূজারখাবার* *ঈদরেসিপি* *ছুটিতেভ্রমন* *ঈদেরখাওয়া* দিয়ে।

*ঈদেবেড়ানো* *কোরবানীঈদ* *পূজারখাবার* *ঈদরেসিপি* *ছুটিতেভ্রমন* *ট্যুরপ্যাকেজ* *অল্পতেভ্রমন* *বিদেশভ্রমন* *অতিভোজ* *পূজারসাজ* *ঈদেরখাওয়া* *ঈদফিস্ট* *ঈদেবেড়ানো* *কোরবানীঈদ* *পূজারখাবার* *ঈদরেসিপি* *ছুটিতেভ্রমন* *ঈদেরখাওয়া*

বেশতো Buzz: পূজা আর ঈদের আনন্দে উত্তাল সারা দেশ। আনন্দে মাতোয়ারা সমগ্র জাতি, আনন্দিত আমরা সবাই।আসুন আমরা লিখি *পূজারখাবার* *ঈদরেসিপি* *অতিভোজ* *পাঞ্জাবি* *পূজারসাজ* *ঈদফ্যাশন* *হাটেরঅভিজ্ঞতা* *কোরবানীঈদ* স্টারড ওয়ার্ড দিয়ে আর লিখার মাধ্যমে আনন্দ ছড়াই সবার মাঝে

*পূজারখাবার* *ঈদরেসিপি* *অতিভোজ* *পাঞ্জাবি* *শাড়ি* *পূজারসাজ* *ঈদফ্যাশন* *হাটেরঅভিজ্ঞতা* *কোরবানীঈদ* *ঈদপূজারকেনাকাটা* *পূজারখাবার* *ঈদরেসিপি* *অতিভোজ* *পাঞ্জাবি* *পূজারসাজ* *ঈদফ্যাশন* *হাটেরঅভিজ্ঞতা* *কোরবানীঈদ*

শ্রীলা উমা: [ফুলকি-বড়ইসুন্দরজ্জ]আমার আজকের *পূজারসাজ* হবে *শাড়ি*... পূজায় অন্তত একটা দিন শাড়ি না পড়লে মনে হয় "ধুর এবার সাজাই হলো না" (লজ্জা)

*পূজারসাজ*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

বেশতো Buzz: বন্ধুরা সামনে ঈদ ও পূজা দুই অনুষ্ঠান এক সাথে তাইতো আনন্দের শেষ নেই। তাই আসুন আনন্দে আনন্দে লিখি *পূজারখাবার* *ঈদরেসিপি* *অতিভোজ* *পাঞ্জাবি* *শাড়ি* *পূজারসাজ* *ঈদফ্যাশন* *হাটেরঅভিজ্ঞতা* *কোরবানীঈদ* *ঈদপূজারকেনাকাটা* ইত্যাদি স্পেশাল স্টারড ওয়ার্ড দিয়ে।

*পূজারখাবার* *ঈদরেসিপি* *অতিভোজ* *পাঞ্জাবি* *শাড়ি* *পূজারসাজ* *ঈদফ্যাশন* *হাটেরঅভিজ্ঞতা* *কোরবানীঈদ* *ঈদপূজারকেনাকাটা*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

খবর

আমানুল্লাহ সরকার: একটি খবর জানাচ্ছে

বর্ণিল সাজে দেবী দুর্গা
http://mzamin.com/details.php?mzamin=NDM1NjI=
দুয়ারে কড়া নাড়ছে শারদীয় দুর্গোৎসব। সবখানে সাজ সাজ রব। রাজশাহী মহানগরীর ও জেলার পাড়া-মহল্লায় চলছে মণ্ডপ সাজানো ও প্রতিমা তৈরির শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে প্রতিমার কারিগররা ততই ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন। তবে অনেককেই আবার খড়-বাঁশ ও মাটির কাজ শেষে প্রতিমাকে রং-তুলির আঁচড়ে জীবন্ত করে তোলার অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে। এবার রাজশাহীতে ৪০৮টি পূজামণ্ডপে পূজা দেয়া হবে। এদিকে মহালয়ার দিন ভোরে থেকে নগরীর মন্দিরগুলোতে শঙ্খের ধ্বনি ও শ্রী শ্রী চণ্ডীপাঠের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে আবাহন জানানো হয়। পঞ্জিকা মতে এবার ২৯শে সেপ্টেম্বর দেবীর বোধন ৩০শে সেপ্টেম্বর ষষ্ঠী ১লা অক্টোবর মহাসপ্তমী ২রা অক্টোবর মহাষ্টমী ও ৩রা অক্টোবর একই দিনে মহানবমী ও বিজয়া দশমী পালন করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বর থেকে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন হতে যাচ্ছে। চলবে ৩রা অক্টোবর পর্যন্ত। অন্যান্যবার ৫ দিনের মহোৎসব চললেও এবারে চলবে ৪ দিন। প্রতিমা বিসর্জন হবে ৪ঠা অক্টোবর। এবার রাজশাহী মহানগর ও জেলায় ৪০৮টি পূজামণ্ডপে পূজা করা হবে। এর মধ্যে ৬৭টি মহানগরীতে। এর মধ্যে বোয়ালিয়ায় ৪৪টি রাজপাড়ায় ১০টি শাহ মখদুমে ৭টি এবং মতিহারে ৬টি। এছাড়া জেলার তানোর উপজেলায় ৫১টি গোদাগাড়িতে ৩৮টি পবায় ১৯টি মোহনপুরে ২২ বাগমারা উপজেলায় ৭১টি দুর্গাপুরে ১৯টি পুঠিয়ায় ৪৬টি চারঘাটে ৩৪টি এবং বাঘা উপজেলায় ৪১টি মণ্ডপে পূজা করা হবে বলে পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্র নিশ্চিত করেছে। স্থানীয় পূজারিরা জানান এ বছর দেবীর আগমন হচ্ছে নৌকায়। মা রেখে যাবেন শান্তি সমৃদ্ধি ও কল্যাণের বাণী-আশীর্বাদ। দেবীর আগমনে ধরণী হবে শস্যভাণ্ডারে পূর্ণ। নিয়ে আসবেন সৃষ্টির সমস্ত  সুখ সমৃদ্ধি আর দূর করবেন যাবতীয় অন্যায় ও অবিচার। পূজার দিন থেকে মণ্ডপে মণ্ডপে ঢাক-ঢোল কাঁশি বাঁশি উলুধ্বনিতে মুখরিত হবে আকাশ-বাতাস। পূজা উপলক্ষে মন্দিরগুলোতে ধোয়া-মোছার কাজ চলছে। আবার অনেক মন্দিরকেও রং চুনকাম করা হচ্ছে। সরেজমিন দেখা গেছে প্রতিবারের মতো এবারও মণ্ডপের সামনে নানান সাজে নির্মাণ করা হচ্ছে বিশাল বিশাল বাহারি গেট। নগরীর বৃহৎ পূজামণ্ডপ হিসেবে খ্যাত কসমস উৎসর্গ টাইগার ও লাঠিয়াল মণ্ডপের রাস্তায় ও মণ্ডপের চারিপাশে আলোকসজ্জা করা হচ্ছে। এই মণ্ডপগুলোতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা ছাড়াও মহানগর ও পার্শ্ববর্তী উপজেলা শহর থেকে অন্যান্য ধর্মের মানুষরা প্রতিমা দেখতে ভিড় করেন। এদিকে প্রতিমা এবং বিভিন্ন অনুষঙ্গ তৈরি নিখুঁতভাবে কাজ ফুটিয়ে তোলা কাজ শেষ করে তুলির আঁচড়ে জীবন্ত করার অপেক্ষায় প্রতীক্ষার প্রহর গুনছেন প্রতিমা শিল্পীরা। নগরীর আলুপট্টি এলাকার প্রতিমা শিল্পী কার্তিক চন্দ্র পাল বলেন আষাঢ়ের নয় তারিখ থেকে প্রতিমা তৈরি শুরু করেন। কাজ প্রায় শেষ। এখন প্রতিমাগুলোর নকশা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার থেকে দুর্গার প্রতিমাগুলোতে রঙ লাগানো শুরু হবে। এরপর পোশাক পরিচ্ছদে রঙিন ও সুসজ্জিত করা হবে বলে জানান তিনি। প্রতিমা শিল্পী সুশীল কুমার পাল ও অনন্ত কুমার পাল বলেন প্রতিমা তৈরিতে ব্যবসার কথা না ভেবে মনের মাধুরী মিশিয়েই প্রতিমাগুলোকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। বর্তমানে শিল্পী কমে যাওয়ায় অনেক চাপ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিমা ডেলিভারি দিতে হবে। তাই কোনদিকে চোখ ফেরানোর সময় নেই। দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে সনাতন ধর্মের শিশু-কিশোর যুবক-যুবতীসহ সব বয়সীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা আনন্দ ও উল্লাসের কমতি নেই। পূজাকে কেন্দ্র করে প্রতিমা শিল্পীরা যেমন ব্যস্ত তেমনি বাকিরা ব্যস্ত আছেন কেনাকাটা নিয়ে। দুর্গা ভাবনায় সৌহার্দ্য ও মৈত্রীর বন্ধনে এই দেশে সবাই যেন আনন্দে মেতে উঠতে চায়। সবারই প্রত্যাশা এই উৎসবে কেটে যাক সব হতাশা ও উৎকণ্ঠা। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি অনিল কুমার সরকার জানান সর্বজনীন আনন্দ-উৎসব থেকে অনাথ দরিদ্র এবং পীড়িত কেউ যেন বঞ্চিত না হয় সেটাই দেখার বিষয়। এবারের পূজায় সবাই হিংসা বিদ্বেষ ভুলে মানব ধর্মের বন্ধনে আবদ্ধ থাকতে পারি এটাই আমাদের প্রত্যাশা। মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (সদর) তানভির হায়দার চৌধুরী জানান সনাতন ধর্মের শারদীয় দুর্গোৎসব বাঙালির সর্বজনীন উৎসব। এ উপলক্ষে রাজশাহীতে কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে মহানগর পুলিশ এবং জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে থানা পর্যায়ে বিশেষ বার্তা পাঠানো হয়েছে। দেবীর বোধনের আগের দিন থেকে দশমীর প্রতিমা বিসর্জনের রাত পর্যন্ত বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে। ...বিস্তারিত
*দূর্গাপূজা* *পূজারসাজ*
৮৫ বার দেখা হয়েছে
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

কমলা সুতি পাঞ্জাবির সঙ্গে নামাবলি কটি অথবা সাদা সুতি পাঞ্জাবিতে এম্ব্রয়ডারি

মেয়েদের শাড়ি, লংকামিজ আর ছেলেদের পাঞ্জাবি ছাড়া কোন উৎসবই জমে উঠে না। তাইতো উৎসবে আর ফ্যাশনে শাড়ি পাঞ্জাবির কোন জুড়ি নেই।

*ফ্যাশন* *শাড়ি* *ঈদফ্যাশন* *ঈদেরসাজ* *পূজারসাজ* *পাঞ্জাবি*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★