প্যাঁচা

প্যাঁচা নিয়ে কি ভাবছো?
ছবি

সুমনা হোসেন: ফটো পোস্ট করেছে

মাঝে মাঝে এভাবে প্যাঁচারাও গাছে ঝুলে বাদুর এর মত...@TheOwl00

*প্যাঁচা*

সাদাত সাদ: এই নিশি রাতে মস্ত বড় গাছের নিচে বসে আছি, গাছের মগডালে একটা প্যাঁচা আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমার ভয় ভয় লাগে, হাতে আগরবাতি জ্বলছে জ্বলছি আমিও

*রাতেরবেশতো* *শেষরাত* *প্যাঁচা*

পাগলী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পেঁচিঃ রাস্তায় হাটার সময় কোন মেয়ের দিকে তাকাবানা। ওকে??
প্যাঁচাঃ-- হুম।
পেঁচিঃ- ফেসবুকে কোন মেয়ের ছবিতে লাইক দিবা না। ওকে??
প্যাঁচাঃ-- হুম।
পেঁচিঃ- দেখবাও না। ওকে??
প্যাঁচাঃ-- হুম।
পেঁচিঃ- খালি জিরো ডট ফেসবুক চালাবা। ওকে??
প্যাঁচাঃ-- হুম।
পেঁচিঃ- টিভি কম দেখবা। মুভিও দেখবানা। আর দেখলে নায়িকাদের দিকে তাকাবানা। ওকে??
প্যাঁচাঃ-- হুম।
পেঁচিঃ- পেপার পড়বা। বিনোদন পাতার দিকে যাবা না। আর মহিলা টেনিস প্লেয়ারদের খেলা যেদিন থাকবে তার পরের দিন পত্রিকা রাখবানা।
প্যাঁচাঃ-- ওকে।
পেঁচিঃ- সব ক্লাস করবা। খালি নতুন ডাক্তার মেয়ে টিচারগুলার ক্লাস করবানা। খালি আইটেম দিবা। আর একা আইটেম দিবানা। আইটেম দেয়ার সময় টিচারের দিকে বেশীক্ষন তাকায় থাকবানা।
প্যাঁচাঃ-- আচ্ছা।
পেঁচিঃ- মোবাইলে উল্টা পাল্টা ভিডিও দেখলে চোখ গাইল্লা ফেলবো।
প্যাঁচাঃ-- হুম।
পেঁচিঃ- ডাক্তার হলে খালি ছেলে রোগী দেখবা।
প্যাঁচাঃ-- আমার তো রোগী দেখার ইচ্ছা নাই। আমি টিচার হবো।
পেঁচিঃ- তাইলে বয়েজ মেডিকেলে পড়াবা। ঠিক আছে?
প্যাঁচাঃ-- বয়েজ মেডিকেল নাই তো! খালি গার্লস অবশ্য আছে্‍
পেঁচিঃ- তাইলে টিচার হবার স্বপ্ন দেখা ছেড়ে দাও।
প্যাঁচাঃ-- আচ্ছা।
পেঁচিঃ- তোমার বাসা মহিলা কলেজের সামনে না??
প্যাঁচাঃ-- হুম।
পেঁচিঃ- বাসা চেঞ্জ করো।
প্যাঁচাঃ-- আমার বাবার বাড়ি!!
পেঁচিঃ- বাড়ি বেচে দাও।
-
প্যাঁচাঃ- আমার বাবা শুনলে ...
পেঁচিঃ- তাইলে বাসা ছেড়ে মেসে থাকবা। এমন বাড়িতে যে বাড়ির মালিকের কোন মেয়ে নাই। থাকলেও ওই মেয়ের দিকে তাকাবানা।
প্যাঁচাঃ-- আচ্ছা।
পেঁচিঃ- মনে থাকবে??
প্যাঁচাঃ-- এত্ত বড় লিস্ট!! সব তো মনে নাই।
পেঁচিঃ- আবার বলবো??!
প্যাঁচাঃ-- আবার!
পেঁচিঃ- মনে না থাকলে আবার বলতে হবে।
-
প্যাঁচাঃ- থাক থাক!! এত বড় লিস্ট দিয়ে কাজ নাই। তুমি বরং এমন কোন লিস্ট দাও যেই লিস্টে খালি আমি কোন কোন দিকে তাকাতে পারবো সেই লিস্ট থাকবে।
পেঁচিঃ- ভালো বুদ্ধি। তুমি তোমার পায়ের বুড়া আঙ্গুলের দিকে তাকাবা খালি। এভাবে নিচের দিকে তাকায় চলাচল করবা। ওকে??
প্যাঁচাঃ-- হুম। ওকে!!
পেঁচিঃ- দ্যাটস মাই বয়! এই নাও ফ্লায়িং পাপ্পি!!
প্যাঁচাঃ-- এত কিছুর পর যে পাপ্পি দিলা ওইটাও ফ্লায়িং!!
পেঁচিঃ- কিছু বললা??
প্যাঁচাঃ-- নাহ!! এখন আসি তাইলে??
পেঁচিঃ- যাও।

(৪ ঘন্টা পর)

পেঁচিঃ- বেবী তুমি কই??
-
প্যাঁচাঃ- হাসপাতালে।
পেঁচিঃ- কেনো??
প্যাঁচাঃ-- তোমার কথা শুনে পায়ের বুড়া আঙ্গুলের দিকে তাকায়া বাইক চালাইসিলাম। তারপর কিছু মনে নাই। উঠে দেখি হাসপাতালে আছি!
পেঁচিঃ- তাই!!! সাবধান!! নার্সের দিকে তাকাবানা!!!
*জোকস* *প্যাঁচা* *পেঁচি* *বেশম্ভব*

পাগলী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমাদের প্যাঁচা দাদা ঘুমের কারনে কখনোই
সময় মতো অফিসে যেতে পারেন না।
অফিসের বস একদিন তাকে ডেকে বলে
দিলেন যদি কাল থেকে সময় মতো অফিসে
আসতে না পারো তো আর অফিসে আসার
দরকার নই।
প্যাঁচা দাদা  খুব চিন্তিত হয়ে পড়লেন
কারন
তিনি তার ঘুমকে নিয়ন্ত্রন করতে পারেন না। একবার ঘুমালে আর তার ঘুম ভাংতেই চায়না।
তিনি তার এক বন্ধুকে সমস্যার কথা বললেন।
তার বন্ধু তাকে পরামর্শ দিয়ে বললেন, তুমি
ঘুমের ঔষধ খেয়ে ঘুমাও,  কারন ঘুমের ঔষধের
একটি মেয়াদ থাকে ৬ ঘন্টা বা ৭ ঘন্টা। প্যাঁচা দাদা ভাবলেন, বুদ্ধি খারাপ না।
যেই ভাবা সেই কাজ, রাতে ঘুমের ঔষধ
খেয়ে ঘুমালেন।
 প্যাঁচা দাদার সকালে ঘুম ভাঙল।
তিনি দেখলেন একদম ঠিক টাইমে উঠেছেন।
তিনি সঠিক টাইমে অফিসে পৌছে গেলেন।
 আজ দাদা মনে মনে অনেক খুশি। বন্ধুকে এস এম এস করে ধন্যবাদ দিতেও ভুল্লেন না।
তিনি ভাবলেন, এইবার  বসের সাথে দেখা করে
তাকে দেখানো দরকার যে তিনি ঠিক টাইমে এসেছেন।
তাই চলে গেলেন বসের রুমে। গিয়ে বললেন, "বস,
দেখেন আজ আমি একদম ঠিক
টাইমে এসেছি?"
বস বললেন, " আজ না হয় ঠিক টাইমে
এসেছেন কিন্তু গতকাল ছিলেন (শয়তানিহাসি)
*জোকস* *প্যাঁচা* *ঘুম* *অফিস*

মাসুম: একটি বেশব্লগ লিখেছে

[বসন্ত-শুভেচ্ছা]
ইনার সাথে খুব একটা কথা হয়নি। এইজন্য আসল নামটাই জানা হয়নি এমনকি জানাননি কখনো (পাগলীর দাদা হিসেবে বেশ মিল আছে বলতে হয়) তবে ইনার দেয়া পোস্টের আলোকে কিছু লিখতে ইচ্ছা হল যেটুকু আমার ধারণাতে এসেছে। প্রথমেই বলে নিই আমি যে কতটা মুর্খ তা আগেই বলেছি। আবারও বললাম আমি মুর্খ কারণ এনার পোস্ট পড়ে আমি খুব বেশি কিছু বুঝিনা। তবে সব মিলিয়ে শেষে একটা উপলব্ধি আসে এনার লেখার সম্পর্কে আর সেটা হল ইনি অনেক বাস্তব সম্মতভাবে সব কিছু লেখার চেষ্টা করেন। বেশ দারুণভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেন গুছিয়ে, সাজায়ে। আমি সব কিছু বুঝিনা, কিন্তু উপলব্ধিটা সেই ছোটবেলায় যখন শরৎ বাবুর বা এইচ এস সি তে থাকাকালীন বঙ্কিম বাবুর ঘোরানো পেচানো দুর্বোধ্য শব্দবহুল উপন্যাস পড়ে প্রতিটা লাইনের সব কটা শব্দের অর্থ না বুঝলেও সম্পুর্ণ বই পড়ে যেটুকু বুঝতাম সেরকম। আসল কথা উনি উনার লেখাগুলো এমনভাবে পেঁচিয়ে লিখেন যে আমি পড়তে গিয়ে নিজে প্যাঁচ খেয়ে যায়। পড়া শেষে বুঝি উনার নামটা মনে হয় স্বার্থক এই দিক থেকে। আমার এই অভিযোগটা উনার প্রতি অনেক আগে থেকেই। উনি মনে হয় এই কারণে বিরক্তও বটে।

মাঝে মাঝে উনার লেখা পড়ে যখন কিছু বুঝিনা তখন উনার লেখায় ব্যবহৃত অসংখ্য হাহাহা শব্দ দেখে আমিও হাহাহা বেশ দিয়ে দিই (মাইরালা) আমার এই সব আচরণেও উনি বেশ বিরক্ত হন। সেটা বুঝি তারপরও খেয়ালে বা বেখেয়ালে এই কাজটা আমি করেই চলি। (মাফচাই)

উনি খুব সাদামাটা মানুষ এটা বুঝেছি। তাই রসিকতাকে অনেক ভালো ভাবে সামলিয়ে উঠে স্বাভাবিকভাবে চলতে চেষ্টা করেন। তবে খুব কম কথা হয়। বেশতোতে আসেন ধুমকেতুর মত। হয়ত কিছু লিখতে ইচ্ছা হল-- ব্যস লিখেই ফুড়ুৎ। হয়তবা বাইক নিয়ে হাওয়া হয়ে যান নতুবা পেঁচিরে ( আমাদের পাগলী আপুর দেয়া উনার ভালবাসার মানুষের নাম, মনে হয় খুব বেশি ভালোবাসেন, সমীহ করেন, ভক্তি করেন) সময় দেন। বেশতোতে সময়টা দেন ঠিক সিগারেট খাওয়ার মত করে। যখন একটু খেতে ইচ্ছা করে সাথে সাথেই খাওয়া শুরু করেই খাওয়াও শেষ বেশতোর জানালার কপাটও বন্ধ।(হাসি২)

এর বেশি কিছু লেখার মত ধারণা আমার মাঝে নেই। তবে অসাধারণ যে লেখেন সেটা বলতে পারি। আর মানুষ হিসেবে সাদা মনের, ভালোবাসার মানুষকে নিখাদ ভালোবাসেন, বাইক চালাতে খুব বেশি পছন্দ করেন, নিজের বন্ধু মহলের সাথে বেশ আড্ডা দেন। তবে একটা কথা মনে হয় সত্য হতে পারে। সেটা হল পেঁচিরে বেশ সমীহ করেন (মানে ভয় পান আরকি) (ভাগোওওও)

সবশেষ উনার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধায় জানাই অকৃত্রিম শুভেচ্ছা, *শুভজন্মদিন* @TheOwl00  !!
 আরো সুখময় হোক আপনার ব্যক্তি জীবণ আর আপনার চারপাশ। শত বসন্ত পেরিয়ে যান প্রিয় মানুষগুলোর ভালোবাসায় এই কামনা করি।(কেক)(তালি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)

*শুভজন্মদিন* *ইউজারপরিচিতি* *প্যাঁচা* *দুখোব্লগ* *খোলাচিঠি* *শুভজন্মদিন*

পাগলী: প্যাঁচা কয় প্যাঁচানি, খাসা তোর চ্যাঁচানি! শুনে শুনে আন্‌‍মন নাচে মোর প্রাণমন! মাজা‐গলা চাঁচা সুর আহ্লাদে ভরপুর! গল‐চেরা গমকে গাছ পালা চমকে, সুরে সুরে কত প্যাঁচ গিট্‌‍কিরি ক্যাঁচ্ ক্যাঁচ্! যত ভয় যত দুখ দুরু দুরু ধুক্ ধুক্, তোর গানে পেঁচি রে সব ভুলে গেছি রে— চাঁদামুখে মিঠে গান শুনে ঝরে দু’নয়ন। (সুকুমার রায়)(খিকখিক)

*প্যাঁচা*
ছবি

প্যাঁচা : ফটো পোস্ট করেছে

অন্ধকারে...

দোলনচাঁপা

*ক্লিকক্লিক-প্যাঁচা* *প্যাঁচা* *প্যাঁচার-গোলটেবিল* *লাইফ-পথে-পথে*

প্যাঁচা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমাদের যে পরিমাণ রাগ তার সবটুকু যদি প্রকাশ করা যেত তাহলে এই পৃথিবীটাকে আর হয়ত এত সুন্দর মনে হত না।অনেক কিছুই তাহলে বিচ্যুত হত,ভেঙ্গে পড়ত এতদিনের সযত্নে লালিত অনেকগুলো নিয়ম,আমাদের দেশের নিয়ম বা সংস্কৃতি।তাই বলে কি আমরা আমার দেশটাকে ভালবাসি না?নাকি ভালবাসি না এই পৃথিবীটাকে?অবশ্যই বাসি, হয়ত কারো কারো থেকে বেশি কিংবা কম।

এই যে ভালবাসা আর তার থেকে জেগে ওঠা ক্ষোভ,এটাকে কি বলা উচিত? হাহাহা...এখানে আসলে মূখ্য কোনটা?আসলে কি ক্ষোভের থেকেই ভালবাসা নাকি ভালবাসা থেকেই ক্ষোভ।কিসের বিরুদ্ধে এই ক্ষোভ?মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ।এখন এই ক্ষোভের মুক্তিতে কি অধিকাংশের লাভ হবে?যদি না হয়,তাহলে এই ক্ষোভটা কি আসলে ভাল?নাকি এই ক্ষোভটা থাকা উচিত?কিন্তু এটাও তো সত্য,পরিবর্তণ কখনোই আসলে অধিকাংশের জন্য রাতারাতি উত্তম কিছু এনে দিতে পারে না।এটাকেও লালণ করতে হয় অনেকদিন।

দীর্ঘদিন ঘষা মাজা থেকেই এই পরিবর্তণ আসলে শানিত হয়,পুরাতণ জরা জীর্ণতাগ্রস্ততাকে কেটে পরিষ্কার করে নতুনকে আসার রাস্তা করে দিতে।এখন হাত-পা গুটিয়ে যদি কেবল আশা করেই যাই,তাহলে কি পরিবর্তণ আসলে আসবে?নাকি পরিবর্তণ কেবল তখনই আসে যখন অধিকাংশই এটা আশা করে বসে থাকে?কিন্তু কথা হচ্ছে যদি সবাই আশা করে বসেই থাকে তাহলে এই পরিবর্তণের যাত্রা হয় কিভাবে?হাহাহা...

কে শুরু করে এই পরিবর্তনের বীজবপণ?

আর কত আসলে চুপচাপ বসে থেকে ভেসে যাব,কখনো কি আসলে এতটা ক্ষোভের জন্ম হবে না যখন মনে হবে,যথেষ্ট হয়েছে,এবার সামনে চলার সময়।আর পিছু হটার সুযোগ নেই।হাহাহা...কিন্তু সেখানেও কি বাধা আসবে না?বাধা আসলে কোথায় থাকে না?নাকি যা সহজ,কেবল তাই হাত বাড়িয়ে নিয়ে নেয়া।যদি সবকিছু সহজ হত তাহলে কি আসলে তার প্রাপ্তি এতটা মধুর,আনন্দদায়ক হত?হাহাহা...তাই সবকিছুকে অপরিবর্তিত রেখে কি কোন পরিবর্তণ আনা সম্ভব?হাহাহা...এটা পড়তে গেলেই তো কেমন হাসি চলে আসে।তাহলে পরিবর্তণটা আসলে কোথায় আসলো?

আমরা যেভাবে যা কিছু দেখতে অভ্যস্ত,তার থেকে চোখ তুলে না তাকালে কি পরিবর্তণের হাতছানি দেখতে পেতাম?আর যদি মাথা বেরই করলাম তাহলে হাতছানি দেখে সাড়া দিতে কেন এত ভয় কাজ করে?সেটা কি পুরাতণকে ফেলে দেয়ার ভয় নাকি আসলে এখানেও সেই একই হিসাব?সেই একই পরিবর্তণের ভয় নাকি অপারগতা নাকি সেই একই কি আছে বা কি পাবো তার হিসাব।তাহলে কিসের জন্য আমাদের এই আকুপাকু,যার কারণে খুজে বেড়িয়েছি এই পরিবর্তিত সময়ের হাতছানি।হাহাহা নাকি নিজেকেই নিজে টেনে নিয়ে এসেছি এই পরীক্ষাগারে,কেবলই নিশ্চিত হবার জন্য যে আমি কি আদৌ বেচে আছি নাকি বিদায়ের ঘন্টা বাজছে?আসলে তুমিও কি সেই একই সুরধ্বনি শুনেই চোখে তুলে তাকিয়েছিলে,হাহাহা,অদ্ভূত তোমার আমার এই এক সুতো দিয়ে বাধা দুটি ছুরির এপার ওপারের আসা যাওয়া।এদিকে আসলেও মরণ,ওদিকে গেলেও মরণ।

মাঝে মাঝে আসলেই খুব ভাল লাগে।এতটা নিশ্চিত আসলে কখনই ছিলাম না কোনকিছুর ব্যাপারে।হাহাহা...এখানে আসলে কোথাও কোন আশ্রয়স্থল নাই,সবখানেই যুদ্ধ-বিদ্রোহ লেগেই আছে।তাই তো,সমানে চিৎকার করি,কেন তাহলে এই তুচ্ছতাকে কেন্দ্র করে নিজেদের বেধে রাখা বা বেধে রাখার কারণ খোঁজা?কেন নিজেদের মত করেই হারিয়ে যেতে পারি না,এমন কোথাও যেখানে এসব প্রাপ্তি বা বিয়োগ বা একাকীত্ব বা নিয়মের বেড়াজালে নিজেদের আর সপে দিতে হবে না।কোথায় যেন সেই জায়গা?হাহাহা...

মাঝে মাঝে আসলেই আদিমতাকে বড্ড মিস করি...সভ্যতা কি আমাদের কাপুরুষ করে দিচ্ছে?নাকি কাপুরুষরাই সভ্যতার জন্ম দিয়েছে?হাহাহা...একসময় হয়ত এর ভেতর থেকেই কেউ কেউ ছিড়ে বেরিয়ে যাবে অনিশ্চয়তার টানে।নিজেই আবার আবিষ্কার করবে আরেক জনপদ যেখানে আদিমতাই সাজিয়ে দেবে নতুন করে নতুন আরেক সভ্যতা।আদিমতা আর এই সভ্যতার পেশিযুদ্ধে আমার মত আরো কতজন যে পিষ্ট হয়ে গেল,কে রাখে তার হিসাব...হাহাহাহহা...এই দুয়ের মাঝেই আটকা পড়ে গেছে আমাদের ইচ্ছাগুলো,এর বাহিরের আর কিছুই তাই চোখে পড়ে না।পরিবর্তণের হাতছানিতে গা শিউরে ওঠে না...

আর কি?মনে হয় তো আর কিছু বলার নাই,নাকি আছে?উফফ,পেঁচি থাকলে একটু হয়ত গুছিয়ে দিতে পারত।কাজের সময় কি আর পাওয়া যায়?পালটে দিলে এটা কি আর প্যাঁচার কথা হবে? হাহাহাহা...মর জ্বালা...ধুর...সিমপ্লি, ওয়েইক আপ...

*পরিবর্তণ* *হাতছানি* *প্যাঁচা* *প্যাঁচার-গোলটেবিল* *উপলব্ধি* *মেজাজগরম* *চিৎকার*

প্যাঁচা : যা আমি হারাচ্ছি তা আর ফিরা পাবো না নিশ্চিত,তবে কি হারাচ্ছি আর কি তার বিনিময়ে তুলে নিচ্ছি,দুটাকে পাশাপাশি দাড় করাতেও ভয় লাগতেছে।প্রথম যে জিনিসটা হারাচ্ছি তা হচ্ছে আমার ফোকাস বিনিময়ে যা নিচ্ছি তা হচ্ছে শান্তি।কিন্তু এটা কি ভাল সমীকরণ?এটা কি ঠু আর্লি?(হাসি-৩)

*প্যাঁচা*

প্যাঁচা : ঘুমে চোখ জ্বলতেছে কিন্তু ঘুম আসে না,কি করি এখন?মাঝে মাঝে আসলেই অন্যদের উপর মেজাজ খারাপ হয়,আমার ঘুম সব গেল কই?হাহাহাহাহা...আজিব।

*ঘুম* *প্যাঁচা*

প্যাঁচা : এখানে প্যাচটা কোথায়...আমি মিথ্যা বলি না,মিথ্যা সহ্য করতেও ঝামেলা হয়ে যায়।আরো কাছের কেউ হলে তো কথাই নাই।আমি নতুন করে কারো সাথে খুব ঘনিষ্ট হই না এবং ভবিষ্যতে আর কারো সাথে খুব ঘনিষ্ট হবোও না।যারা আছে তাদের হলেই আমার চলে যাবে।আমি একটুও হাসি নাই কিন্তু।

*প্যাঁচা*

প্যাঁচা : পাশে ভেসে থাকা মেঘের কোলে পা ছড়িয়ে যে মেয়েটি বসে থাকে,সূর্যের আলো যাকে ছুয়ে পৃথিবীতে আসে আরেকটি দিনের সূচনা করতে,যার এলোচুলে অন্ধকার করে নামে রাত,তাকেই ভেংচি কেটে দিলাম।কাঁদতে কাঁদতে হেসে বলল,"আমাকে কেন এত জ্বালাও তুমি"?হাহাহা..মায়াজালে বাধা আমি,তাই(হাসি২)(হাসি-৩)

*প্যাঁচা*
ছবি

পাগলী: ফটো পোস্ট করেছে

@TheOwl00 এত হাসিমুখের প্যাঁচা থাকতে তুমি এমন পঁচা প্যাঁচার ছবি দিয়েছ কেন প্র পিক এ?

*প্যাঁচা*

পাগলী: প্যাঁচা কয় প্যাঁচানি, খাসা তোর চ্যাঁচানি ! শুনে শুনে আন্‌মন নাচে মোর প্রাণমন ! মাজা-গলা চাঁচা সুর আহ্লাদে ভরপুর ! গলা চেরা গমকে গাছ পালা চমকে, সুরে সুরে কত প্যাঁচ (নিচেদেখ)

*প্যাঁচা* *হাসি*

পাগলী: প্যাঁচা একমাত্র পাখি যে নীল রঙ দেখতে পারে। আর প্যাঁচা চোখের পাতা ফেলে না , তুলে ! মানে চোখের উপরের পাতা নামায় না, নিচের পাতা তুলে দেয়। শুধু তাই না, প্যাঁচার চোখের পাতা ৩ টি ! একটা দিয়ে পাতা ফেলে, একটা বন্ধ করে ঘুমায়, আরেকটা দিয়ে চোখ পরিষ্কার রাখে, এজন্যে প্যাঁচাকে দেখে মনে হয় ঘুমাচ্ছে, কিন্তু সে আসলে সম্পূর্ণ সজাগ তখন। (নিচেদেখ)

*প্যাঁচা*
জোকস

সাঈদ: একটি জোকস পোস্ট করেছে

আপনারা যা দেখছেন তা আসলে একটা প্রশ্নপত্র। সাধারন জ্ঞান পরীক্ষায় প্রশ্ন ছিলো- ‘বাংলাদেশের রাজধানীর নাম কি? ’প্রাইমারি ক্লাসের এক ছাত্র উত্তরে লিখছে- ‘সেখা চিনা’। তার অসাধারন জ্ঞানে হতে হয় মুগ্ধ, বাকরুদ্ধ!(ব্যাপকটেনশনেআসি)(মাইরালা)(মাইরালা)(হাসি২)(হাসি২)(হাসি২)
*রসিকতা* *জোকস* *পঁচানি* *প্যাঁচা* *Lame-jokes* *ঢাকারবিনোদন*
জোকস

সাঈদ: একটি জোকস পোস্ট করেছে

গাড়ি আজকাল ব্যবহৃত হচ্ছে লেপ তোষক শুকানোর কাজেও (হাসি২)
*ঢাকারবিনোদন* *মূদ্রাদোষ* *Lame-jokes* *প্যাঁচা* *জোকস*
জোকস

পাগলী: একটি জোকস পোস্ট করেছে

আপনি প্রেসিডেন্টের নাতনী হলে আমারে একটা ৬০০সিসি বাইকের কাগজপত্র কইরা দেন না...প্লিজ... এই যে দাদা শুধু কাগজপত্র না একেবারে বাইকটাই দিয়া দিলাম । @TheOwl00
*জোকস* *মোটরসাইকেল* *প্যাঁচা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★