প্রতারণা

প্রতারণা নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 অনলাইন কেনাকাটায় প্রতারণার শিকার হলে কি করণীয়?

উত্তর দাও (৭ টি উত্তর আছে )

.
*অনলাইনকেনাকাটা* *অনলাইনশপিং* *প্রতারণা*

হাফিজ উল্লাহ: কি আজব আমরা-আজব মুখুশে ডাকা ছলনার আড়ালে মিথ্যেকে ফুটিয়ে তোলা, উপরটা দেখে চকচকা- ভিতরটা ফাঁকা এভাবে ঘুরছে প্রতিনিয়ত মিথ্যের চাকা l মিথ্যে ভালোবাসার অভিনয়ে বন্দি সকলে বেলা শেষে সব হারিয়ে হাত উঠে কপালে, সুখে থাকার নিদারুন মিছে চেষ্টা কি আজব দুনিয়া-আজব মানুষ আমরা l - হাফিজ উল্লাহ

*মুখুশ* *প্রতারণা*

নিরাপদ নিউজ: রানা প্লাজার আহত সেজে ইউসুফের বিস্ময়কর প্রতারণা! (ভিডিও) জীবনে কত রকমের প্রতারণার শিকার হওয়া কিংবা চাক্ষুষ করার অভিজ্ঞতা আমাদের হয়। কিন্তু হাসপাতাল, দেশি-বিদেশি সংস্থা থেকে শুরু করে খোদ সরকার- একই সময়ে সবার সঙ্গে টানা মাসের পর মাস ...বিস্তারিত পড়ুন- http://www.nirapadnews.com/2016/04/22/news-id:148180/

*ভাগ্য* *আড্ডা* *বেশম্ভব* *প্রতারণা* *রানারপ্লাজা*

ইমরান নাজির লিপু: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পশ্চিমা ‘ব্লাক ফ্রাইডে’র আদলে ‘ফাটাফাটি ফ্রাইডে’ অফার দিয়ে গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করেছে অনলাইনে পণ্য বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান দারাজ ডটকম ডটবিডি। ক্রেতা ও ব্যাবসায় অংশীদার উভয়ের পক্ষ থেকেই এই অভিযোগ পাওয়া গেছে। অপরদিকে এই ধরনের প্রতারণা দেশের ই-কমার্স খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত ৪ ডিসেম্বর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিয়ে ‘ফাটাফাটি ফ্রাইডে’ নামে একটি হুলুস্থুল অফার দেয় অনলাইনে পণ্য বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান দারাজ ডটকম ডটবিডি। প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে ক্রেতাদের দৃষ্টি কাড়তে সহযোগি করে মোবাইল অপারেটর রবি-কে। টিভি ও পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে বাজারও মাতায়। ব্যাপক সাড়া দেখে ২৪ ঘণ্টার এই অফার বাড়ানো হয় ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এর ফলে দারাজের দাবি অনুযায়ী, অফার চলাকালীন সময়ে কয়েক কোটি টাকা পণ্যের অর্ডার আসে।  কিন্তু অফার শেষের এক সপ্তাহ পরেও ফরমায়েশ করা পণ্য হাতে পাননি অনেক ক্রেতাই।

তাদেরই একজন অনলাইন ঢাকা’র সিটিও রনি মন্ডল। তিনি জানান, প্রথম দিনই তিনি দুইটি টেলিভিশন ও একটি সিম্ফোনি স্মার্টফোন অর্ডার করেন। কিন্তু এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি তা হাতে পাননি।

আদৌ তার ফরমায়েশ করা জ্যাকেট, রানার মেশিনসহ ৫০হাজার টাকার পণ্য হাতে পাবেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অরেকজন ক্রেতা ফ্রিল্যান্সার অপূর্ব হাসানও। তিনি বলেন, যে অফার পূরণ করতে পারবে না না তা কেনো দিলো তা আমার মাথায় আসে না। এ ধরনের কাজ সত্যি লজ্জার।

অবশ্য অফারের সহযোগী প্রতিষ্ঠান রবি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট ইকরাম কবির জানান, চুক্তি অনুযায়ী, দারাজ আমাদের চ্যানেল পার্টনার। সেই সূত্র ধরে আমরা তাদের সঙ্গে এই চুক্তিতে আবদ্ধ হই। তিনদিনের অফার চালাকালে সাইট হ্যাং হয়ে যাওয়ায় আমরা কিছুটা সমস্যায় পড়েছিলাম। তারপরও রবি বান্ডেল অফারসহ ৫ হাজারের বেশি হ্যান্ডসেট বিক্রি হয়েছে। গ্রাহকদের আগ্রহের কারণে আমরা এখন আমাদের সেবা কেন্দ্র থেকে অফারটি অব্যাহত রেখেছি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রবি’র সংশ্লিষ্ট বিভাগের অপর একটি সূত্র দারাজের সঙ্গে এই চুক্তিকে একটি ব্যাড ডিল হিসেবে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, রবি একাই এই অফারটি দিলে আরও সাড়া পেতো।

এদিকে কেবল গ্রাহক এবং সহযোগীরাই নন, দরাজের বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে এখানকার ই-শপ মালিকদেরও। অভিযোগ রয়েছে গত ৪ থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলমান ফাটাফাটি ফ্রাইডে অফারের প্রেক্ষিতে যেসব ভুল অর্ডার এসেছে সেগুলোও লোকসান দিয়ে গ্রাহকদের দিতে চাপ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে শর্ত ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করার কারণে বিপাকে পড়েছেন অরিজিনাল এশিয়ান স্কাইশপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী হোসেন।  তার পণ্য বিক্রয়ে চুক্তি ভঙ্গ করে অতিরিক্ত ছাড় দিয়ে এখন তা গ্রাহককে সরবরাহ করতে চাপ দেয়া হচ্ছে। তিনি জানান, এসব বিষয়ে দারাজের বিজনেস ডেভেলপার অফিসারের কাছে অভিযোগ করার পর উল্টো তার ই-স্টোর বা প্যানেল কোন নোটিশ ছাড়াই ব্লক করে দেওয়া হয়।

তিনি জানান, শুধু ৪-৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘ফাটাফাটি ফ্রাইডে’র অফারের আওতায় তার প্রতিষ্ঠানে সব মিলে ১২ লাখ টাকার অর্ডার আসলেও এসব পণ্য তিনি ডেলিভারি দিতে পারেননি। কারণ দারাজের সাথে এশিয়ান স্কাইশপের শুধুমাত্র হেলথ অ্যান্ড বিউটি পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার ব্যাপারে লিখিত চুক্তি হলেও দারাজ নিজেদের ইচ্ছা মতো প্রায় সকল পণ্যেই ৫০ শতাংশ ছাড় দিয়েছে। এর মধ্যে সাইকেল, স্পোর্টস অ্যান্ড ফিটনেস, রানিং ম্যাশিন, ম্যাগনেটিক এক্সারসাইজ বাইক, নিউ সিক্স প্যাক কেয়ার উইথ এক্স-বাইক, টুয়িস্টার, এবি স্লিমারসহ বেশ কয়েকটি পণ্যে সবচেয়ে বেশি অর্ডার পায় প্রতিষ্ঠানটি। অথচ দারাজের সাথে এসব পণ্যের ক্ষেত্রে কোন ছাড় দেওয়ার চুক্তি হয়নি”।

তিনি জানিয়েছেন, “৪ ডিসেম্বর সকাল থেকে ৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দারাজ থেকে এশিয়ান স্কাইশপের ই-স্টোরে ১২ লাখ টাকার অর্ডার জমা হয়। এর মধ্যে হেলথ অ্যান্ড বিউটি প্রোডাক্ট রয়েছে ৩৫ হাজার টাকার এবং বাকি ১১ লাখ ৬৫ হাজার টাকায় অন্যান্য পণ্যের অর্ডার এসেছে। প্রস্তুতি হিসেবে তিনি ১৫ লাখ টাকার পণ্য অতিরিক্ত কিনেছিলেন। কিন্তু দারাজের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে তার পণ্য আটকে থাকবে”। তিনি বলেন, “আমি ব্যবসায়ী মানুষ। ১৫ লাখ টাকার পণ্য আটকে থাকলে আমার ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে”।

তিনি আরও বলেন, দারাজের বিজনেস ডেভেলমেন্ট এক্সিকিউটিভ আশরাফ-উল-আলম রানা এশিয়ান স্কাইশপের সাথে প্রাথমিক চুক্তির সকল আনুষ্ঠানিকতা করেছিলেন। সমস্যার বিষয়ে তাকেও অবহিত করা হয়। উত্তরে তিনি বলেন, অর্ধেক মূল্যে পণ্য দিতে না পারলে সবাইকে অজুহাত দেখিয়ে অর্ডার বাতিল করে দিন। অন্যথায় আমাদের থেকে চলে যান। এরপর হঠাৎ করেই ৫ ডিসেম্বর কোন পূর্ব নোটিশ ছাড়াই তার অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেওয়া হয়।   নিয়মানুসারে দারাজের সাথে কাজ শুরু করতে হলে প্রথমে ৩৫ হাজার টাকার বিনিময়ে একটি অনলাইন অ্যাকাউন্ট (ই-স্টোর/প্যানেল) খুলতে হয়। এরপর এই অ্যাকাউন্টের একটি আইডি ও পাসওয়ার্ড দেওয়া হয় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠাকে। এরপর তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কোন পণ্যের অর্ডার আসলে এর ওপর ১৭ শতাংশ কমিশন কেটে রাখে দারাজ। সকল চুক্তিই দু প্রতিষ্ঠানের সম্মতির ভিত্তিতে হয়। চুক্তি বা শর্ত পরিবর্তন বা নতুন চুক্তির বিষয়েও আনুষ্ঠানিক চুক্তি করা হয়। এসব নিয়মের সবই মানা হয়েছে এশিয়ান স্কাইশপের সাথে। কিন্তু বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নিয়ম ভঙ্গ করে নিজেদের ইচ্ছে মতো একক সিদ্ধান্ত নেওয়াতে অনেকেই দারাজ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দেশের শীর্ষ স্থানীয় একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী বললেন, দারাজের ওয়েবসাইটে ওই সময় যেসব চমকপ্রদ অফার দেওয়া হয়েছিল তার অনেকাংশই ছিল সাজানো। আবার কিছু সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুমতি ছাড়াই নিজেদের মতো অফার ঠিক করে দেওয়া হয়েছিল। ফলে দারাজে পণ্যের অর্ডার দিয়েও হতাশ হতে হয়েছে গ্রাহকদের।  অনেকের সাথেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করার খবর পাওয়া গেছে।

এসব বিষয়ে কথা বলতে দারাজের পাবলিক রিলেশন বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা নওশাবা সালাহউদ্দিন এক ই-মেইল বার্তায় এই ঘটনাটিকে অনাকাক্ষিত উল্লেখ করে দু:খ প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, তাদের অফারে ব্যাপক সাড়া পাওয়ায় সময়মতো পণ্য ডেলিভারি দিতে পারেননি। তাবে এখনো রাত-দিন কাজ করে যাচ্ছেন। ই-মেইল ও ফোনে এ বিষয়ে ক্রেতাদের অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু সক্ষমতা যাচাই না করেই কেন এমন অফার দেয়া হলো প্রশ্নের জবাবে কোনো উত্তর  দিতে পারেনি দারাজ। একইসঙ্গে তাদের ব্যবসায় অংশীদারদের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গের বিষয়ে সরাসরি কোনো উত্তর না দিয়ে তা আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করা হচ্ছে বলে জানানো হয়।

এসব বিষয়ে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন ই-ক্যাব সভাপতি রাজিব আহমেদ এ বিষয়ে ক্রেতা ও ভুক্তোভোগী ব্যবসায় অংশীদারদের লিখিত অভিযোগ করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, এ ধরনের কাজ ই-কমার্স ব্যবসায় ধস নামাতে পারে। এটা সম্ভাবনাময় এ খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। দারাজের উচিত কিছুটা আর্থিক ক্ষতি হলেও বিষয়টির সুরাহা কার। এতে তাদের দীর্ঘ মেয়াদে ভালোই হবে।

সূত্র http://hifipublic.com/bn/2015/12/15/%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A1%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A6/
*প্রতারণা* *ফ্রড*

আলোকিত বাংলাদেশ: একটি বেশব্লগ লিখেছে



পরকীয়ার ব্যাপারটি বিবাহের মতই পুরোনো। আমাদের সমাজে এমন অনেকে আছেন যারা প্রতারণা করে  পরকীয়ায় জড়ান। তারা বৈবাহিক সম্পর্ক রক্ষা করার ব্যাপারে একেবারেই উদাসীন। পরকীয়া সম্পর্ক তারাই জড়ান যারা বাড়তি আনন্দ পেতে চায়।

সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ সারিকা পাইলট চৌধুরী বলেন, মজার ব্যাপার হচ্ছে, একটি জরিপে ৪১ শতাংশ স্বামী স্বীকার করেছেন তারা পরকীয়ায় আসক্ত। বিষয়টি একেবারেই নতুন কিছু নয়। তবে দিন দিন এর পরিমাণ বাড়ছে।   

রাহুল খান ও তার স্ত্রী খুবই সুখী দম্পতি ছিল। তাদের বোঝাপড়া চমৎকার ছিল এবং ভাবা হতো তাদের সম্পর্ক কখনো চিড় ধরবে না। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা যায়, নির্জনা নামে অন্য শহরের এক মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে রাহুল।

কারণ হিসেবে রাহুল বলেন, আমি আমার স্ত্রীকে ভালোবাসি। কিন্তু বিয়ে হয়েছে অনেকদিন। আমাদের সম্পর্কে একঘেয়েমিতা চলে এসেছে। তাই একটু নতুনত্ব দরকার ছিল। নির্জনাও বিবাহিত। ফলে কোনো সমস্যা নেই। যখন অফিসের কাজে দূরে কোথাও যাই, তখন নির্জনা আমাকে সঙ্গ দেয়। তখন আমরা দু’জনে একান্তে সময় পার করি। ওই সময়টা আমরা খুবই উপভোগ করি।

বিশেষজ্ঞের মতামত: মনোচিকিৎসক ডা: হিমাংশু সাক্সেনা বিশ্বাস করেন, পুরুষরা প্রকৃতিগতভাবেই বহুগামী। তিনি স্বীকার করেন, এখনকার মানুষ খুব সহজেই সেক্স বিষয়ে আলাপ করতে পারে। প্রায়ই দেখা যায়, বৈবাহিক বিরোধ বা অমিল স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে নষ্ট করে পরকীয়ার দিকে নিয়ে যায়। পারাবারিকভাবে অনুষ্ঠিত বিয়েতে স্বামী-স্ত্রীর বনিবনা একটু কম হয়। তাই তারা অনেক সময় বিকল্প খোঁজে। সাধারণত মানুষ বিপরীত লিঙ্গের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়। যা মানুষকে আবেগ ও যৌনতার কারণে কাছে টানে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন একসাথে থাকার কারণে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে একঘেয়েমিতা চলে আসে। তখন নতুন একজনের সঙ্গ পেলে ভালোলাগার অনুভূতি তৈরি হয়।    

অপরাধবোধ না হওয়া: স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনো কিছুতে ঘাটতি থাকলে অন্য কেউ তা পূরণ করে। সেটা যৌন বা মানসিক উদ্দীপনা হতে পারে।

একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন রাতুল কর্মকার। ১২ বছর হলো বিয়ে করেছেন। সম্প্রতি পুত্র সন্তানের বাবা হয়েছেন। রাতুল পরকীয়ায় আসক্ত।

রাতুল তার পরকীয়া সম্পর্কের ব্যাপারে বলেন, আমি নিজেকে অপরাধী ভাবি না। আমার স্ত্রীর অভিযোগের কোনো কারণ নেই। স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য যা দরকার স্বামী হিসেবে সব দিচ্ছি। আমার ‘মেয়েবন্ধু’ আদর্শ সঙ্গী এবং প্রেয়সী। একজন মানুষ অনেককেই ভালোবাসে কিন্তু প্রত্যেককেই বিয়ে করতে পারে না। ঠিক বললাম কী না?

সুস্মিতা নামে এক নারী বলেন, এটা শুধুই শারীরিক সম্পর্কের জন্য। আমি আমার স্বামীকে অনেক ভালোবাসি এবং তাকে ছাড়া আমার জীবনে অন্য কাউকে ভাবতে পারি না। দুর্ভাগ্যবশত, আমার স্বামীর যৌন ক্ষমতা কমে গেছে। আমার বয়স অনেক কম। শারীরিক সম্পর্ক ছাড়া বেঁচে থাকাটা আমার জন্য অনেক কষ্টকর। তাই কেউ যদি আমার অভাব পূরণে আগহী হয়, তাহলে অবশ্যই তার সঙ্গ ভোগ করা উচিত।

যৌন আসক্ত কিছু ব্যক্তি ভাবেন, নতুন কারো সাথে যৌন সম্পর্ক মানেই হলো আরও উপভোগ্য আরও মজার।

পরিণাম কী ভাল হয়: সনু ওয়াসেন নামে এক ব্যক্তি বলেন, বৈবাহিক সম্পর্কে স্পন্দন আনার জন্য অন্য একটি সম্পর্ক অণুঘটক হিসেবে কাজ করে।

গণসংযোগ কর্মকর্তা অর্জুন সাহানি বলেন, মানুষ একগামী নয়। আপনি যদি মনে করেন পরকীয়ার ব্যাপারটি ঠিক আছে এবং আপনার সঙ্গীও চাচ্ছে তাহলে চালিয়ে যান। ভিন্নতা সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করে। সুত্রঃ আলোকিত বাংলাদেশ 


*পরকীয়া* *সম্পর্ক* *প্রতারণা* *মেয়েবন্ধু* *বহুগামী* *একঘেয়েমিতা*
ছবি

অনি: ফটো পোস্ট করেছে

প্রতারণা করে শেষ রক্ষার চেষ্টা সাকার!!!!!!!!!!!!

*প্রতারণা* *স্বাধীনতাবিরোধী*

শামীম অরণ্য: প্রতারক ভিক্ষুকের মাসে আয় ৪০,০০০ টাকা। দেখুন প্রতারণার কৌশল। http://m.youtube.com/watch?v=ntHjQfvQi8k&itct=CGwQpDAYAiITCJ_O1a29qsgCFdR1fgodM-0G1TIKZy1oaWdoLXJjaA%3D%3D&client=mv-google&hl=en-GB&gl=US

*প্রতারণা*

রং নাম্বার: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

পাকি শেহজাদের সততার একটি নমুনা। মনে করছে বডি দিয়া ক্যামরা ঢাকা যায়
এই ভিডিওটা পাকি ক্রিক বলদ রমিজ রাজার জন্য উৎসর্গকৃত। টাইগারদের সমালোচনা না করে আগে নিজেদের আন্ডাবাচ্চাদের খেলা শেখাও। ক্রিকেট ভদ্রলোকের খেলা, চোর চোট্টাদের জন্য নয়।
http://youtu.be/L_mrP62YYWY
*খেলাধুলা* *ক্রিকেট* *বিনোদন* *প্রতারণা*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

"অপরাধী হয়ে লিখছি, বাংলাদেশের বিপদে রাখার সব আয়োজন সম্পূর্ণ ছিল চিরচেনা এমসিজিতে" - মাইকেল ক্লার্ক,অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক

"আমি মনে করি পৃথিবীর সবচেয়ে সহনীয় ক্যাপ্টেন হলেন মাশরাফি; সুরেশ রায়না আর রোহিত শরমার ক্রিজে থাকার কোন অধিকার নাই।"
- ভিভিএস লক্ষন, সাবেক ভারতীয় ব্যাটসম্যান

"রিভিউ চাওয়ার পরও আউট দেয়া হলো না কেন???" - হরভজন সিং, সাবেক ভারতীয় স্পিন বোলার

"আমার এই মূহর্তে মনে পড়ছে সেই ক্রিকেট পাগল জাতির কথা, তারা নিশ্চয় বড় কিছু আশা করেছিল আর এটাই স্বাভাবিক।" - শন পোলক, সাবেক সাউথ আফ্রিকান স্পিড স্টার

"আমায় যদি কেউ বলে বাংলাদেশ ম্যাচে লড়াই করেছে কি না..?? আমি সরাসরি বলবো বাংলাদেশ ভারত তথা সারাবিশ্বকে ক্রিকেট খেলাটা কি তা বুঝিয়ে দিয়ে গেলো।" - ব্রায়ান লারা, সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিজ লিজেন্ড

"৯০ রানে ব্যাটিং করা রোহিতকে আউট না দেওয়াটা ছিল আম্পায়ারের ভুল" - মাইকেল হোল্ডিং,সাবেক উইন্ডিজ পেসার

"এটা নো বল ছিল না। খুবই বাজে স্বীদ্ধান্ত। আম্পায়াররা অবশ্যই প্রযুক্তির সাহায্য নিতে পারতেন" - শেন ওয়ার্ন, সাবেক অস্ট্রেলীয় স্পিনার

"রোহিতের ৪৭ আর রায়নার ৬৫ ছিল আম্পায়ারের দান, এটা ভুলবো না। বাংলাদেশ ইজ রিয়েল টাইগার।" - ক্রিস গেইল, ওয়েস্ট ইন্ডিজ হার্ড হিটার

"এটা অস্বাভাবিক সিদ্বান্ত, যার কোন প্রয়োজন ছিল না" - গ্রায়াম স্মিথ, সাবেক সাউথ আফ্রিকা অধিনায়ক

"ইয়ান গোল্ড, আলিম দার, স্টিভ ডেভিস গুড জব বয়েস, তোমরা শুধু একটি দলকে না একটি জাতিকেও মেরে ফেলেছো" - নাসির হুসেন, সাবেক ইংল্যান্ড ব্যাটসম্যান

"আমি বুঝলাম না সাকিব মাঠে কেন চুপ করে থাকলো, সে বড় মাপের খেলোয়ার তারপরেও আবার সে বাংলাদেশ দলের সহ-অধিনায়ক, সে অনেক আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে তার অভিজ্ঞতা বেশি। সে কেন চুপ করে থাকল?" - মনোজ তিউয়ারি, ইন্ডিয়ান ব্যাটসম্যান, সাকিবের কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গী

"ক্রিকেট হেরেছে, কিন্তু ইন্ডিয়া জিতেছে" - কপিল দেব, ইন্ডিয়ার ৮৩ এর বিশ্বকাপ জয়ী ক্যাপ্টেন

"কষ্ট লাগছে, সব ফেয়ার থাকলে হয়তো ম্যাচের রেজাল্ট ভিন্ন কিছু হলেও হতে পারতো, এই ম্যাচটা বাংলাদেশকে নয়, ভারতকে আগামী ম্যাচে ভোগাবে, কারন তারা ম্যাচটা আম্পায়ারের সাহায্যে জয় পেয়েছে, গুড লাক টাইগার্স" - সৌরভ গাঙ্গুলি, সাবেক ইন্ডিয়ান অধিনায়ক

"আম্পায়ারের কিছু ভুল সিদ্ধান্তের কারনে আজ হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে, আমি মনে করি এই ম্যাচ যদি আবার খেলানো হয় তাহলে বাংলাদেশই জিতবে।" - রিকি পন্টিং, অস্ট্রেলীয় বিশ্বকাপজয়ী সাবেক অধিনায়ক

"নিশ্চয় বাংলাদেশ সেমি- ফাইনালিস্ট, তবে বাংলাদেশের বদলে ভারতকে দেখতে হবে ইডেন পার্কে, অকল্যান্ডে" - স্টিফেন ফ্লেমিং, সাবেক নিউজিল্যান্ড ক্যাপ্টেন

- সংগৃহিত
*ক্রিকেটবিশারদ* *ক্রিকেটবিশ্বকাপ* *বিশ্বকাপ২০১৫* *টুইট* *টাইগার্স* *প্রতারণা*
৫/৫

আমানুল্লাহ সরকার: ভিখারীর মাসে আয় ৪০,০০০ টাকা, ৩ মাসে এক বার যায় বিদেশে, দেখুন কি দারুন তার অভিনয়! https://www.youtube.com/watch?v=aq44Z2WqGJo

*প্রতারণা* *ভিক্ষুক* *ভিক্ষা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দশম শ্রেণিতে উঠার পর মেয়েটির বিয়ে হয় ।স্বামী প্রবাসে থাকে পড়ালেখায় স্কুলের গন্ডি পার হতে পারে নি।গ্রামীণ পরিস্হিতিতে বিয়ের পরে মেয়েদের পড়ালেখা করা নিতান্তই যুদ্ধে জয়ী হওয়ার মত ।তবে তার স্বামীর শিক্ষার প্রতি যথেষ্ট অনুরাগ ছিল ।স্বামীর কাছে তার মনের আকুতি জানায়, পড়ালেখা করার ইচ্ছে ।স্বামী বেচারাও একমত হয়ে গেল ।আবার শুরু হল সেই বই হাতে স্কুল পানে যাত্রা ।স্বামী ছুটি কাঁটিয়ে চলে গেল আবার প্রবাস জীবনে ।এদিকে চলছে মেয়েটির পড়ালেখা ।স্কুল শেষ করে কলেজে পা দিয়েছে ।এর মাঝে কোলে এসেছে একটি ফুটফুটে কন্যাসন্তান ।ভালই চলছে জীবন ।পড়ালেখায় মেয়েটির সুনাম আছে ।ভাল রেজাল্ট করে এইস.এস.সি পাশ করলো ।এবার স্বামীর কাছে বায়না ধরলো অনার্স করবে ।স্বামীতো আর ইচ্ছে করলেই সব করতে পারে না ।বাবা, মা, পরিবারের সবাইকে রাজি করাতে হবে ।তবুও সায় দিয়ে দিল ।মেয়েটি অনার্সে ভর্তি হলো ।ধীরে ধীরে অনার্সও শেষের দিকে ।বিসিএস পরীক্ষার প্রতি তার ঝোঁক ।একসময় সেই বিসিএস ও দিল ।

এখন আর স্বামীর প্রতি অতটা নির্ভরশীল না ।এত পড়ালেখা করেও যদি স্বামীর অনুমতির দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়ে কিরকম অদ্ভুত লাগে না !

এখন তার চিন্তা চেতনার রঙ বদলিয়েছে । স্বামীর সাথে কথা বলে মানষিক চাহিদার খোরাক জোগাতে পারে না ।অশিক্ষিত একটি লোক যে এস.এস.সি ও পাশ করে নি ।আর সে বিসিএস দিচ্ছে ।ভাবনা গুলো তার মনে আসতে আশেপাশের মানুষগুলো জ্বালানি যোগায় ।

BCS এ প্রিলিতে ভাল রেজাল্ট ।এরপর Written test এর জন্য উঠেপড়ে লাগলো ।এরপর ভাইভা ।ধীরে ধীরে সবগুলো ধাপ অতিক্রম করে সে এখন বিসিএস ক্যাডার ।

চলার পথে একজনের সাথে পরিচয় হল পড়ালেখার সুবাধে ।এখন আর সেই প্রবাসী অশিক্ষিত স্বামীর কথা তেমন একটা মনে পড়ে না ।লোকটির সাথে সম্পর্ক ধীরে ধীরে প্রেমের দিকে এগুলো ।অবশেষে সেই শিক্ষানুরাগী অশিক্ষিত স্বামীর বুকে আঘাত দিয়ে চলে গেলো ।নতুন ঘর বাঁধলো ।এর মাঝে একদিন স্বামী এসে তার মেয়েটিকে নিয়ে গেল ।সাথে একরাশ ঘৃণা দিয়ে গেল ।

এভাবেই কেটে গেল কয়েকটি বছর ।
ভাগ্যের নির্মম পরিহাস তার নতুন বাঁধা ঘরটি ভেঙে গেল ।তাকে তালাক দিলো ।হয়ত তার পূর্বের স্বামীর অভিশাপ লেগেছে ।

এখন সে একা, বড় একা ।যদিও আগের স্বামীটির কাছে ফিরে যেতে চেয়েছিল কিন্তু কাজ হল না ।মেয়েটি এখন একটা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ।তার সম্মান, টাকা কোনটার ই অভাব নাই ।কিন্তু একটি পারিবারিক বন্ধনের বড় অভাব ।তার যেই অশিক্ষিত স্বামী তাকে এতটুকু আসতে সাহায্য করলো তার মনে আঘাত দিতে একটুও দ্বিধা করলো না ? একটা মানুষের ভালবাসাকে খুব সহজে টুকরো টুকরো করে দিল ।তার অশিক্ষিত স্বামী কোন সচিবকে স্ত্রী হিসেবে চায় না সেই স্কুল জীবনের মেয়েটিকে চায় যেটা অসম্ভব।অতীতের সেই ভালবাসার নির্যাস এখন আর কোন সচিব বউ এর কাছ থেকে পাওয়া যাবে না ।
এখন সে ভাবে মেয়েটিকে এতটুকু পড়ালেখা করানোটা জীবনের বড় বোকামী ছিল ।তবে এখন তাকে গ্রহণ না করাটা সঠিক সিদ্বান্তই ভাবছে ।

*প্রতারণা*
৪/৫

আমানুল্লাহ সরকার: (মনখারাপ)(মনখারাপ)আমি ভুল না করেও বার বার তোমাকে সরি বলেছি কিন্তু তুমি বার বার ভুল করেও আমাকে একবারো সরি বলনি। হয়ত তুমিই জিতেছ কারন আমি তোমার সরল মনটা নিয়ে খেলা করিনি কিন্তু তুমি আমার সরল মনটা নিয়ে খেলা করেছ(মানিনা)(মানিনা) এটাই তোমার জয়..মতি(মনখারাপ)

*প্রতারণা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★