প্রতিবাদ

প্রতিবাদ নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আল্লাহর নবী ইউসুফ আলাইহিস সালাম প্রেম করেছেন?? মুর্খতা কিংবা দু:সাহস কোথায় গিয়ে ঠেকলে একজন নবীর ওপর বিবাহ বহির্ভুত নষ্টামীর মিথ্যা অভিযোগ আনা যায়!! সুরা ইউসুফ জুড়ে এই নবীর পবিত্রতা ও সচ্চরিত্রের ভূয়সী প্রশংসা করছেন স্বয়ং আল্লাহ তা’আলা। বিষদ বিবরণ রয়েছে তাঁর চরিত্র হেফাজতের সফল যুদ্ধের বিরত্বগাঁথা। অথচ উক্ত ঘটনাকে বলা হচ্ছে ‘অমর প্রেম কাহিনী’! জুলায়খার নোংরামীর প্রস্তাব অমর, নাকি ইউসুফ আঃ এর পবিত্রতা? পথভ্রষ্ট ইরানী শিয়াদের নির্মিত ফার্সী ফিল্ম বাংলায় ডাবিং করে প্রচার করছে এসএ টিভি। এই ফিল্ম সম্পর্কে মুসলিম বিশ্বের বড় বড় স্কলারগনকে প্রশ্ন করা হলে তাঁরা একবাক্যে এই ফিল্ম প্রস্তুত ও প্রদর্শন করাকে হারাম ও কুরআন বিকৃতি বলে অভিহিত করেছেন।

প্রথমত: নাটক সিনেমা মানেই খেল তামাশা ও কল্পিত গল্প। চরিত্রের প্রয়োজনে অনেক মুখরোচক অবাস্তব ডায়ালগ দরকার হয় এইসবে। করতে হয় অনেক কৃত্রিতমা ও লৌকিকতা। যার কোনটিই কোন নবীর শানে বেমানান। অথচ এর সবই করা হয়েছে ইউসুফ-জুলেখা সিরিজে।

দ্বিতীয়ত: এই সিরিজে ভুল ও মিথ্যা তথ্যে ভরপুর। এতে উপস্থাপিত অনেক কাহিনীই কুরআনের বিপরীত। যেমন (ক) ইউসুফ আ: এর ছোট ভাইকে তাঁর সৎ ভাইরা নিজেরাই ইউসুফ আ: এর কাছে বিক্রি করেছেন বলে ফিল্মে প্রদর্শিত হয়েছে। (খ) ইউসুফ আ: কে ফিরআউনদের যুগের বলে সাব্যস্ত করা হয়েছে। (গ) ফিরআউনদেরকে তাওহীদবাদী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এর সবই মিথ্যাচার এবং কুরআন বিকৃতি।..

তৃতীয়ত: পৃথিবীর যে কোন ব্যক্তিকে আল্লাহর যে কোন নবীর আকৃতিতে উত্থাপন করা নবীদের মর্যাদার চরম অবমাননা। নবীগনের চরিত্রের কোন নকল হতে পারে না। সেখানে সিনেমার একজন ফাসেক নায়ককে আল্লাহর নবীর আকৃতি ও চরিত্রে উপস্থাপন নবীর শানে চরম ধৃষ্ঠতা ছাড়া কি হতে পারে? এর ফলে নবীদের প্রতি মানুষের আকাশচুম্বী শ্রদ্ধাবোধ কমে যাবে।

চতুর্থত: এসব ফিল্মে কিছু লোক কাফেরদের চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে কাফেরদের স্থালাভিষিক্ত হয়ে তাদের গর্হিত কথা ও কাজের নকল করতে হয়! নবীদের ওপর মিথ্যারোপসহ নানা আপত্তিকর কথা বলতে হয়! এসব কথা কাফেরদের উক্তির স্রেফ বর্ণনা হিসেবে বলা হয় না, রীতিমত কাফের সেজে বলা হয়!! বিষয়টি চরম জঘন্য। যেই অভিশপ্তদের নামে নামকরণও চরম নিন্দনীয়, সেই কাফেরদের আকার ধারণ ও তাদের স্থলাভিষিক্ত হয়ে অভিনয় করা রীতিমত দু:সাহস এবং মারাত্মক দায়িত্বজ্ঞানহীনতা জঘন্য অপরাধ।

অনেকে মনে করেন, এসব ফিল্ম প্রচারের ফলে নবীদের ইতিহাস মানুষ যতোটা রপ্ত করতে পারবে ততোটা নিছক ওয়াজ-আলোচনা দ্বারা সম্ভব নয়। একথা আংশিক সত্য হলেও এর ক্ষতিকর দিকগুলো অনেক ভয়াবহ। তাছাড়া আল্লাহর নবীগনের কেউ দ্বীন প্রচারে এ ধরণের ভ্রান্ত পদ্ধতি অবলম্বন করেননি। অথচ তাঁরা সকলেই যুগে যুগে তাঁদের দাওয়াতী কাজে সফল হয়েছেন। পক্ষান্তরে এসব ফিল্ম দেখে কেউ মুত্তাকী হয়ে গেছে কিংবা কোন অবিশ্বাসী ঈমান এনেছে- এমন কোন নজীর নাই! অনেকে মনে করেন, কিরণমালা আর হিন্দি ফিল্মের চেয়ে তো ভালো! প্রিয় বন্ধু, কিরণমালার মুকাবেলা ইউসুফ-জুলেখা দিয়ে নয়। এসব আদর্শ ও চিন্তার দৈন্যতার ফসল।

মূলত: নাটক-সিনেমার মতো বাস্তবতাবিবর্জিত নেকামো আজ আমাদের জীবনের অংশ। তাই সবকিছুকেই সিনেমার আয়নায় দেখতে চাই। দ্যা ম্যাসেজ কিংবা ইউসুফ-জুলেখা সিরিজ- নিজেদের সিনেমা দেখার নিষিদ্ধ খাহেশ পুরা করার উছিলা মাত্র। শয়তানের নেক সুরতে ধোঁকা। বাংলাদেশের কোন টিভি চ্যানেল ইতিপূর্বে এমন ধৃষ্টতা দেখানোর দু:সাহস করেনি। আসুন, যার যার অবস্থান থেকে প্রতিবাদ করি। এসএ টিভির এই ফিল্ম প্রদর্শন বন্ধ করা হোক।*

*ইউসুফ* *জুলেখা* *সিরিয়াল* *প্রতিবাদ* *সমাজ* *ব্যাদবী* *নবী* *এসএটিভি*
ছবি

বিম্ববতী: ফটো পোস্ট করেছে

দেখা হবে বন্ধুগণ- বাঁচাতে গর্বের সুন্দরবন,,,,,,(নতুনদিন),,,,

*সুন্দরবন-বাঁচাও* *সুন্দরবন* *প্রতিবাদ*

বিম্ববতী: [বাকের-কুনোচিন্তাকরবানা] (ডুগডুগি) (দেবী) (আতশবাজি) Saturday, August 20 at 10 AM - 7 PM in UTC+06 (ঢাক) (দেবী) (প্রদীপ) https://www.facebook.com/events/534489970087710/

*সুন্দরবন-বাঁচাও* *সুন্দরবন* *গণ-অবস্থান* *প্রতিবাদ* *আন্দোলন*

বিম্ববতী: "উন্নয়ন’ শব্দটা আমাদের নিকট যতটা পরিচিত ঠিক ততটাই অনুচ্চারিত-প্রকৃত অবস্থা জেনে নিতে অতি জরুরী প্রশ্নগুলো,কার উন্নয়ন?কীসের উন্নয়ন?উন্নয়ন কী কেবলই আকাশ চুম্বী দালান?নাকি শুধুই ছুটে চলা ফ্লাইওভার?নাকি বন উজাড় করা বিদ্যুৎ প্রকল্প?উন্নয়নের বেলুনে চড়ে ভেসে বেড়ানোর কালে অতি জরুরী এই প্রশ্নগুলো করা দরকার বার বার" (দেবী) পারলে ঠেকা (দেবী),,,ইতিহাস দেবে অমরতা নিরবধি (দেবী) https://www.facebook.com/deceptionofdevelopment/videos/210283232707616/?pnref=story

*উন্নয়ন* *ফুলবাড়ী* *উচ্ছেদ* *আন্দোলন* *প্রতিবাদ* *সুন্দরবন-বাঁচাও* *সুন্দরবন*

বিম্ববতী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমরা, আমাদের মতো দরিদ্র দেশের মধ্যবিত্তদের, তথাকথিত প্রগতিশীল মধ্যবিত্তদের কথা বলছি- এহেনও মধ্যবিত্তদের কিছু অদ্ভুদ দোদ্যুলমান  গুনের মধ্যে একটা হলো এরা ঢালাওভাবে মাদ্রাসাকে মৌলবাদী বা জঙ্গি তৈরির কারখানা বলতে দ্বিধা করেনি! তবে খুব বেশি নড়ে চড়েও যে বসেছে তাও নয়! ঐটুক বলেই এক পংক্তিতেই ডুব!! কিন্তু তার চেয়েও অদ্ভুদ একটা মনোভাব হলো প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তাদের একটা কেমন দনো -মনো ভাব! যদিও এখন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মধ্যবিত্তরাও পড়াশোনা করছে,,,তবে কিছু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এখনো বেশিরভাগ মানুষের নাগালের বাইরেই রয়ে গেছে! যার মধ্যে অন্যতম হলো নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি! কিন্তু মজা হোক বা নিষ্ঠুরতা ই হোক না কেন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছেলে-মেয়েরাই কিন্তু বেশি এগিয়ে যাচ্ছে এই কর্পোরেট যুগে,,শুধু তা নয় প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা সাংস্কৃতিক ক্ষেত্র থেকে শুরু করে দেশ বিদেশের মাটিতে উজ্জ্বল ছাপ রেখে চলেছে যা অনেক ক্ষেত্রেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেশি অগ্রগামী,,,যেখানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হয়ে গ্যাছে তথাকথিত রাজনৈতিক দলগুলোর অপ-ব্যবহারের জঘন্যতম আখঁড়া,,,,মনের দরজা খুলে আকাশ স্পর্শে দেয়ার মতো বিশ্ববিদ্যালয় (পাবলিক কিংবা প্রাইভেট), দুঃখজনক হলেও সত্যি যে এখন আমাদের এই অভাগা দেশে রূপকথা ই হয়ে গ্যাছে!

নাহ আমি পাবলিক আর প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে প্রতিযোগিতা করতে বসিনি,,,আমি শুধু আমাদের মধ্যবিত্তদের একটা দোদ্যুলমান নগ্নতা বলতে চাইছি,,,যখন জানা গেলো শুধু মাদ্রাসা নয় নর্থ সাউথ এর মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া কেউ জঙ্গিতে নাম লিখিয়েছে, তখন যেন আমাদের এই তথাকথিত শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সমাজ খুব আয়েশ করে পায়েস খাওয়ার অবস্থায় বিরাজ করছেন! কিন্তু ভুলে যাচ্ছেন ঐ বিশ্ববিদ্যালয়টা পাড়ার নয়, আমাদের ঘরের! কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উপর আঙ্গুল না উঁচিয়ে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন,,,জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন,,,,সোচ্চার হোন অপ-রাজনীতির বিরুদ্ধে!,,,ইতিহাস থেকে সহজেই অনুমেয় শিক্ষিত তরুণরাই এইসব পথে আগে অগ্রসর হয়! কারণ সেখানে যেমন ই হোক একটা আদর্শ তুলে ধরা হয় সে যে নষ্ট পথেই আদর্শ তোলা হোক না কেন! আমরা কি পেরেছি পাল্টা কোনো আদর্শ তাদের সামনে বা আপনারা কি পেরেছেন আমাদের সামনে তুলে ধরতে? আমরা কাজ চাই,,,,আমাদের রক্ত টগবগ করে কিছু করার নেশায়,,,নেশাই বলবো , আকাঙ্খা তো আরো পরিণত বয়সের ব্যাপার!,,,নেশার মধ্যে তুলে দিলেন মাদক-দ্রব্য আর ভারতীয় সেইসব সংস্কৃতি যা নষ্ট (ভালো টা নয়) ! নতুবা আজকে এই যে সুন্দরবন বাঁচাও সুন্দরবন বাঁচাও বলে চিৎকার করছি তবু তো কই কিছু হচ্ছে না তো?,,,আমাদের শক্তি কোথায়! আমরা নিজেদের শক্তিহীন দেখছি আবার তা মেনে নিতেও পারছি না! আমরা আপনাদের নষ্ট রাজনীতি করতে পারছি না,,,সঠিক দাবি করলে গলা চেপে ধরা হচ্ছে,,,,,আমাদের তাহলে কাজটা কি??,,,পাঠ্যবই এ মুখ ডুবিয়ে রাখা! প্রতিবাদের জায়গাগুলো আমরা ভুলে যাচ্ছি,,,,আমরা নষ্ট মিডিয়া দ্বারা এতোটাই মোহ গ্রস্থ হয়ে পড়ছি যে বুঝে উঠতে পারছি না কোথায় প্রতিবাদ করতে হবে! হয়ে পড়ছি দিক-হারা! আর এটাও সত্য যে- যে দেশে বিরোধী দলকে অকার্যকর করে দেয়া হয় সে দেশে জঙ্গি তৈরি হবেই,,,,এটা একটা ক্রোধ! গণতন্ত্রের ন্যূনতম অনুপস্থিতির ক্রোধ!,,যেটা দেখা যায় না,,,ধীরে ধীরে মানুষে মানুষে ছড়িয়ে পরে গভীরে,,,,

আমি একটা দিক আকর্ষণ করতে চাই এহেনও মধ্যবিত্ত মানুষদের মানসিকতা নিয়ে,,,এই যে জঙ্গি ইস্যু নিয়ে কথা হলেই বারবার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিকে ঢালাওভাবে দোষারোপ করছেন, এর ফলাফলটা ভেবে দেখেছেন?,,,যদিও জীবন ধারণ করতেই আমাদের নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে ভাবনার জায়গা কোথায়! তবু আমাদের ই ভাবতে হবে! ইতিহাসে উজ্জ্বল - যে কোনো সমস্যায় এই দোদ্যুলমান মধ্যবিত্তরাই আগে প্রতিবাদ করেন, এদের মাঝ থেকেই বুদ্ধিজীবীরা উঠে আসেন!,,,একটা প্রতিষ্ঠানকে যখন ঢালাও ভাবে দোষারোপ করা হয় তখন সেই প্রতিষ্ঠানের মেধাবী ছাত্র-শিক্ষকদের কথা ভেবে দেখেছেন কখনো?,,,তারা দেশ বিদেশে এখন কিভাবে দিন কাটাচ্ছে?,,,,যেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া হলেই জঙ্গি!! আশ্চর্য!! এইসব মেধাবী  ছাত্ররা যখন দেশের বাইরে উচ্চ শিক্ষার জন্য বা ভালো কোনো প্রতিষ্ঠানে বা গবেষণার জন্য যেতে চাইছে তাদের কি ধরণের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে?,,,,জানার প্রয়োজন বোধ করেন নি!,,,,কেননা নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিকে এখনো আমরা প্রাশ্চাত্য সংস্কৃতি বলে যেভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে চাই তা আসলে কিছু ঠিক মতো জানতে না চেয়ে নিজের দুর্বলতা ঢাকার ই অভিপ্রায় মাত্র,,,,অনেকেই মুখ ফুটে বলেন আর অনেকে বলেন না,,,কিন্তু প্রতিটা মধ্যবিত্ত মানুষের ভিতর ই একটা কি যেন ক্ষোভ কাজ করে এইসব ইউনিভার্সিটি নিয়ে,,,,এইসব দৌন্যতা দূর করতে হবে!,,এই মেধাবী প্রতিষ্ঠানের পাশে এসে দাঁড়াতে হবে নিজেদের স্বার্থে!,,,অন্যথায় এইভাবে দোষারোপ করতে থাকলে বিদেশের মাটিতে আমরা হেয় প্রতিপন্ন হবো,,,মাথা নিঁচু হয়ে আসবে!,,, হয়তো এইসব মানুষদের ধারণাতেই নেই বিদেশের মাটিতে দেশের এহেনও অবস্থায় কিভাবে দিন কাটাতে হয়!,,,অথচ তারাই দেশের মুখ বিদেশে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে,,,অন্ধকারে কিছুটা হলেও আলো ফোটাচ্ছে!

আসুন একটু ভেবে নিয়ে কথা বলি,,,আপনি হয়তো নিজেকে খুব ক্ষুদ্র ভাবছেন! ভাবছেন আমার একটা কথায় কি এসে যায়! এসে যায় অনেক কিছুই,,,,মানুষের মুখের কথাতেই এক সময় সব ধ্বংস করার মতো মারণাস্ত্র তৈরি হয়ে যায়,,,,আর আপনি আমি হলাম সমাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ - শিক্ষিত মধ্যবিত্ত অংশ,,,,

নিজেকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরুন,,,,নিজেকে শ্রদ্ধা করুন!,,,,,(বৃষ্টি),,

অশ্রদ্ধা দৃঢ় কণ্ঠে জানান অন্যায়ের!,,,(বৃষ্টি),,,,,,

কোনো কথা বলার আগে ভেবে নিন - সব কিছুর আগে দেশপ্রেমকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরুন!,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,

কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উপর আঙ্গুল না উঁচিয়ে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন!,,,,(বৃষ্টি),,

জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন!,,,,(বৃষ্টি),,,

সোচ্চার হোন অপ-রাজনীতির বিরুদ্ধে!,,,(বৃষ্টি),,,,,

 

(বৃষ্টি),,কে আছেন?
দয়া করে একটু আকাশকে বলুন-
সে যেন আর একটু উপরে উঠে
আমি আর দাঁড়াতে পারছি না",,,(বৃষ্টি),,,

------------------------হেলাল হাফিজ

 

*মুখের-কথা* *তরুণ* *মধ্যবিত্ত* *জঙ্গি* *প্রাইভেট-বিশ্ববিদ্যালয়* *সুন্দরবন-বাঁচাও* *গণতন্ত্র* *অপ-রাজনীতি* *রাজনীতি* *মিডিয়া* *প্রতিবাদ* *ছাত্র* *বিদেশ* *বোধোদয়* *শ্রদ্ধা*

দস্যু বনহুর: [বাঘমামা-কোপা] *সুন্দরবন* বাঁচাতে *গনপ্রতিরোধ* চাই। স্থানীয় জনতার সাথে *বুদ্ধিবৃত্তিক* ফোর্স এর মেলবন্ধনেই তা একমাত্র সম্ভব। মূল ধারার *রাজনীতিবিদ*রা যখন এর *প্রতিবাদ* করবেনা, আর কথিত *বুদ্ধিজীবি*রা যখন এসব নিয়ে লিখলে তাদের বুদ্ধি ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশংকায় আছেন তখন স্থানীয় গণমানুষের *দেশপ্রেম* আর *সচেতন* নাগরিক শক্তির *ঐক্যবদ্ধ* *আন্দোলন* ছাড়া সুন্দরবন রক্ষা করা যাবেনা।

*গনপ্রতিরোধ* *বুদ্ধিবৃত্তিক* *প্রতিবাদ* *দেশপ্রেম* *সচেতন* *ঐক্যবদ্ধ* *আন্দোলন*

বিম্ববতী: বর্তমান *পরিস্থিতি*'র ফলাফল সবাই জানি. এর জন্য প্রখর দূরদর্শিতার প্রয়োজন হয়না. বরং চিন্তাশক্তিকে মুক্ত করে সমস্যার সমাধানের জের টানতে হবে. আর তার একমাত্র সমাধান গণ জন জাগরণ.উহু কথায় নয়! সময় এসেছে রাষ্ট্র থেকে শুরু করে প্রতিটা ব্যক্তি মানুষের ব্যক্তিগত স্বার্থ ছেড়ে এক ই পথে নামার. আর তা ব্যাক্তিস্বার্থেই দাঁড়াতে হবে. রাষ্ট্রকেও এসে নামতে হবে এক ই ছায়াতলে প্রখর রৌদ্রে রাষ্ট্রের স্বার্থেই. সময়টা বড্ড প্রয়োজনের হয়ে দাঁড়িয়েছে- নিজ অস্ত্বিত্বের দাবিতে!

*রাষ্ট্র* *ব্যক্তি* *ব্যক্তি-স্বার্থ* *প্রতিবাদ* *সময়* *অস্তিত্ব*

Mahi Rudro: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অনেকক্ষণ বৃষ্টি থেমে গেছে
বৃষ্টি থেমে গেছে অনেকক্ষণ,
ফুটো চাল থেকে আর জল গড়িয়ে পড়বে না
খোকাকে শুইয়ে দাও।
খোকাকে শুইয়ে দাও
তোমার বুকের ওম থেকে নামিয়ে
ওই শুকনো জায়গাটায় শুইয়ে দাও,
গায়ে কাঁথাটা টেনে দাও
অনেকক্ষণ বৃষ্টি থেমে গেছে।
.

মেঘের পাশ দিয়ে কেমন সরু চাঁদ উঠেছে
তোমার ভুরুর মতো সরু চাঁদ
তোমার চুলের মতো কালো আকাশে,
বর্ষার ঘোলা জল মাঠ ছাপিয়ে নদীতে মিশে গেছে
কুমোরপাড়ার বাঁশের সাঁকোটা ভেঙে গেছে বোধহয়
বোধহয় ভেসে গেছে জলের তোড়ে
অভাবের টানে যেমন আমাদের আনন্দ ভেসে যায়।
নলবনের ধার দিয়ে, পানবরজের পাশ দিয়ে
গঞ্জের স্টীমারের আলো--- আলো পড়েছে ঘোলা জলে
রামধনুর মতো, রামধনুর মতো এই রাত্তির বেলা।
ধানক্ষেত ভাসিয়ে জল গড়ায় নদীতে, স্টীমারের তলায়
আমাদের অভাবের মতো
ঠিক আমাদের কপালের মতো।

.

আমাদের পেটে তো ভাত নেই
পরনে কাপড় নেই
খোকার মুখে দুধ তো নেই এক ফোঁটাও
তবু কেন এই গঞ্জ হাসিতে উছলে ওঠে
তবু কেন এই স্টীমার শস্যেতে ভরে ওঠে
আমাদের অভাবের নদীর ওপর
কেন ওরা সব পাঁজরকে গুঁড়িয়ে যায় ?
শোন, বাইরে এস
বাঁকের মুখে পরাণ মাঝি হাঁক দিয়েছে
শোন, বাইরে এস,
ধান-বোঝাই নৌকো রাতারাতি পেরিয়ে যায় বুঝি
খোকাকে শুইয়ে দাও
বিন্দর বৌ শাঁখে ফুঁ দিয়েছে।

.

এবার আমরা ধান তুলে দিয়ে
মুখ বুজিয়ে মরবো না
এবার আমরা প্রাণ তুলে দিয়ে
অন্ধকারে কাঁদবো না
এবার আমরা তুলসীতলায়
মনকে বেঁধে রাখবো না।
বাঁকের মুখে কে যাও, কে ?
লণ্ঠনটা বাড়িয়ে দাও
লণ্ঠনটা বাড়িয়ে দাও !

.

আমাদের হাঁকে রূপনারাণের স্রোত ফিরে যাক
আমাদের সড়কিতে কেউটে আঁধার ফর্সা হয়ে যাক
আমাদের হৃৎপিণ্ডের তাল দামামার মতো
ঝড়ের চেয়েও তীব্র আমাদের গতি।
শাসনের মুগুর মেরে আর কতকাল চুপ করিয়ে রাখবে?
এস, বাইরে এস---
আমরা হেরে যাবো না
আমরা মরে যাবো না
আমরা ভেসে যাবো না

.

নিঃস্বতার সমুদ্রে একটা দ্বীপের মতো আমাদের বিদ্রোহ
আমাদের বিদ্রোহ মৃত্যুর বিভীষিকার বিরুদ্ধে--
এস বাইরে এস, আমার হাত ধর
পরাণ মাঝি হাঁক দিয়েছে।

*প্রতিবাদ*

Mahi Rudro: . ....এখন, এখনও যদি ঘরে বসে নিজেকে বাঁচাই যদি বাধা না দিই, তত্ত্ব করি কী হলো কার দোষে যদি না আটকাই, আজও না-যদি ঝাপিয়ে পড়তে পারি আমার সমস্ত শিল্প আজ থেকে গণহত্যাকারী ! . --- জয় গোস্বামী।

*প্রতিবাদ*

Mahi Rudro: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

কচুর স্বাধীনতা –--দয়াল দাস।
একদিন মানুষেরা কচুদের বলে, চলো স্বাধীনতা আনি। কচুরা জানে না,স্বাধীনতার মানে। মানুষেরা বোঝায়, শুয়োরের হাত থেকে মুক্তির নামই স্বাধীনতা। কচুরা বোঝে। সেই থেকে কচু বোঝা মানে ভুল বোঝা-- ক’টা শুয়োর মেরে, লাখ কচুর কষ ঝরিয়ে স্বাধীনতা এল, কচুরা নাচল। আহা শুয়োরমুক্ত দেশ ! কেউ খাবে না কচু।
কেউ খাবে না? নোংরা কচুরা বাড়তে বাড়তে আকাশ ফুঁড়ে ঈশ্বর পেয়ে যাবে? কচুরা নাচল, নাচন থামল। মানুষও যে কচু খায় ! ক্ষণে ক্ষণে প্রতিবাদ করে কিছু কচু। সেই থেকে কচু খেলে গলা ধরে। গলা ধরে, গলা ধরে একদিন ছিড়েও ফেলবে।
*প্রতিবাদ*
ছবি

রং নাম্বার: ফটো পোস্ট করেছে

ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

"বিজ্ঞানমনস্ক " চার্লি এবদো রসিকতা করেছে আয়্লান এর মৃত্যু নিয়েও ... ওরা ম্যাক ডোনাল্ড এর শিশুদের মীল বা খাবারে দুটো কিনলে একটা ফ্রি এঁকে লিখেছে "সে ( আয়্লান )তার লক্ষ্যের খুব কাছেই পৌছে গিয়েছিল " এখন " বিজ্ঞানমনস্ক" এই কার্টুন ও পত্রিকাকে ধিক্কার দেবেন নাকি মানবতার পক্ষে চার্লি এবদো আছে বলে তালি দেবেন ?

(ঘৃণা)(ঘৃণা)(ঘৃণা)

*প্রতিবাদ* *মানবতা*
ছবি

বিম্ববতী: ফটো পোস্ট করেছে

,,,,,শিক্ষার উপর এহেন আগ্রাসন রুখে দাও,,,,

*প্রতিবাদ* *বিশ্ববিদ্যালয়*
ছবি

বিম্ববতী: ফটো পোস্ট করেছে

,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,ছবি নিজেই ক্যাপশন,,,,,,,,,,,,,,,,,,

*বিশ্ববিদ্যালয়* *প্রতিবাদ*

বিম্ববতী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ভ্যাট শুধুমাত্র কিন্তু ইস্ট-ওয়েস্ট ভার্সিটির উপর না। সব বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর। আপনি হয়তো দাবী করতে পারেন আপনি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ না, তাই আপনি কেনো তাদের পাশে দাঁড়াবেন?

কাল যদি আপনার শিক্ষার উপরেও ব্যাবসার চিন্তায় ভ্যাট বসিয়ে দেওয়া হয় তখন?

প্রাচীন কাল থেকে একটা কথা শুনেই বড়ো হয়েছিলাম, "অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে উভয়ই সমান অপরাধী।"

ওদের পাশে এখন দাঁড়ালে একটা অন্যায়কে রুখে দেয়া যাবে আমি মনে করি। গুলি লাঠি চার্জের পরেও এখনও সড়ক অবরোধ করে আছে তারা। আমরা কি পারি না তাদের সমর্থন দিতে?

আপনাদের সকলের অংশগ্রহণ আমাদের কাম্য যে যে ভাসিটির হন না কেন,অন্যায় কে রুখে দাঁড়ানোর অধিকার সবার।

[ সম্ভব হলে এই সম্পর্কে কপি / শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে ছড়িয়ে দিয়েও তাদের সবাইকে উৎসাহ এবং আমাদের মধ্যে লুকানো সত্ত্বাকে জাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে ভুলবেন না। ]
-----------------------------------------------------অমিত কুমার দাস

*বিশ্ববিদ্যালয়* *প্রতিবাদ*
ছবি

বিম্ববতী: ফটো পোস্ট করেছে

ওদের পাশে এখন দাঁড়ালে একটা অন্যায়কে রুখে দেয়া যাবে আমি মনে করি। গুলি লাঠি চার্জের পরেও এখনও সড়ক অবরোধ করে আছে

আমরা কি পারি না তাদের সমর্থন দিতে? আপনাদের সকলের অংশগ্রহণ আমাদের কাম্য যে যে ভাসিটির হন না কেন,অন্যায় কে রুখে দাঁড়ানোর অধিকার সবার। -অমিত কুমার দাস

*বিশ্ববিদ্যালয়* *প্রতিবাদ*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

রুপালি বীন: এখন মেয়েরাও পারে ইভটিজিং এর প্রতিবাদে _!!! পরিস্থিতি যেন দিন দিন মেয়েদেরকে সচেতন থেকে আরো সচেতনতার দিকে ঠেলে দিয়েছে _ তাই তো ছেলেটার আজ এমন দশা করে ছাড়ল মেয়েটি | - ভিডিও লিংক টা সংগ্রহ করে দেখতে পারেন- http://bit.ly/1HftsUV

*ইভটিজিং* *প্রতিরোধ* *প্রতিবাদ*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

আমি কখনওই গ্যারামিন ফোন ইউজ করার পক্ষপাতী ছিলাম না। (গ্রামিনফোন)

(ঘৃণা)(হাইতুলি)(ঘৃণা)

*প্রতিবাদ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★