প্রত্যাবর্তন

প্রত্যাবর্তন নিয়ে কি ভাবছো?

মনিরুল: ১০ই জানুয়ারী।। ------------------ অতি সাধারন হয়ে ও অসাধারন। একটি কিংবদন্তী,গৌরবের ইতিহাস। একটি জাতির ভালবাসা, অস্ট পৃষ্ঠে বেধে থাক। শিরায় আসুক ঝংকৃত স্পন্দন। বয়ে যাক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে। একটি ছন্দ, হউক হাজার বছর ধরে,স্বপ্ন চির অম্লান। সেই স্বপ্নের মাঝেই একটি দেশ, একটি নাম। ------------বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।। (স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস স্মরনে:) ১৬ ডিসেম্বর প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি কাঙ্খিত স্বাধীনতা ও বিজয় অর্জন করলেও যেন বিজয় পূর্ণাঙ্গ হল না, কি যেন নেই, কি যেন নেই! আরে........ স্বাধীনতার রূপকার, স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার, বাংলাদেশী জাতির জনক, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি মহান নেতা বঙ্গবন্ধুই তো নেই...... তাকে ছাড়া কি বিজয়োল্লাস পূর্ণ হয়!! এ যেন যুদ্ধ শেষ হইয়াও শেষ হইল না, কারণ তখনও বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানীদের জেলখানায় বন্দি, বীর বাঙ্গালী প্রাণপ্রিয় মহান নেতার জন্য উৎকণ্ঠিত.............. অবশেষে এল কাঙ্খিত এই দিন............... ১০ জানুয়ারী ১৯৭২.......... বাংলাদেশীদের আরেকটি বিজয় এবং পূর্ণাঙ্গ বিজয়োল্লাসের দিন। বঙ্গবন্ধু পিআএর বিশেষ বিমানে করে লন্ডন ও দিল্লী হয়ে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করলেন। তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান জনতার ঢল নেমেছিল, লাখ লাখ জনতা উল্লাসে ফেটে পড়ল শ্লোগানে শ্লোগানে..... জয় বাংলা...... জয় বঙ্গবন্ধু আমার নেতা, তোমার নেতা........... শেখ মুজিব, শেখ মুজিব..... ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে বাঙালি জাতি প্রাণঢালা সংবর্ধণা জানানোর জন্য ১০ জানুয়ারী ভোর থেকে ছিল অপেক্ষায়। ঢাকা তেঁজগাও বিমানবন্দর থেকে তৎকালীন রমনা রেসকোর্স ময়দানে পা রাখেন। বিকেল পাঁচটার দিকে রেসকোর্স ময়দানের জনসমুদ্রে বঙ্গবন্ধু আবেগপ্রুত ভাষণ দিয়েছিলেন- "ভাইয়েরা ও বোনেরা, আমি প্রথমে স্মরণ করি আমার বাংলাদেশের ছাত্র, সৈনিক, কৃষক, বুদ্ধিজীবী, সেপাই, পুলিশ, জনগণকে, হিন্দু- মুসলমানকে হত্যা করা হয়েছে, তাদের আত্মার মঙ্গল কামনা করে এবং তাদের উপর পুষ্প নিবেদন করে আমি আপনাদের সাথে দুটো কথা বলতে চাই। আমার বাংলাদেশ আজ স্বাধীন হয়েছে, আমার জীবনের স্বাদ আজ পূর্ণ হয়েছে, আমার বাংলার মানুষ আজ মুক্ত হয়েছে ……. আমি আজ …. করতে পারবো না। বাংলার ছেলেরা, বাংলার মায়েরা, বাংলার কৃষক, বাংলার শ্রমিক, বাংলার বুদ্ধিজীবী যেভাবে সংগ্রাম করেছে, আমি কারাগারে বন্দী ছিলাম। ফাঁসী কাষ্ঠে যাবার জন্য প্রস্তুত ছিলাম, কিন্তু আমি জানতাম, আমার বাঙ্গালীকে কেউ দাবায় রাখতে পারবে না। আমার বাংলার মানুষ ….. না। প্রায় তিরিশ লক্ষ লোককে মেরে হয়েছে বাংলায়, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধেও, এবং প্রথম মহাযুদ্ধেও এতো লোক, এতো সাধারণ নাগরিক মৃত্যুবরণ করে নাই, শহীদ হয় নাই, যা আমার এই সাত কোটির বাংলাদেশে হয়েছে। আমি জানতাম না, আপনাদের একজন হয়ে আমি ফিরে আসবো। আমি খালি একটা কথা বলেছিলাম, তোমরা যদি আমাকে মেরে ফেলে দাও আমার আপত্তি নাই। মৃত্যুর পরে আমার লাশটা আমার বাঙ্গালীর কাছে দিয়ে দিয়ো, এই একটা অনুরোধ রইলো। মনে রাখা উচিত, বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। বাংলাদেশ স্বাধীন থাকবে, বাংলাদেশকে কেউ দাবাতে পারবে না। কবিগুরু রবীন্দ্র নাথ বলেছিলেন – সাত কোটি বাঙ্গালীরে, হে বঙ্গজননী রেখেছো বাঙ্গালী করে মানুষ করো নি। কবিগুরু মিথ্যা কথা প্রমাণ হয়ে গেছে, আমার বাঙ্গালী আজ মানুষ। আমি জানতাম না, আমার ফাঁসির হুকুম হয়ে গেছে। আমার সেলের পাশে আমার জন্য কবর খোঁড়া হয়েছে। আমি প্রস্তুত হয়েছিলাম। বলেছিলাম- আমি বাঙ্গালী ! আমি মানুষ ! আমি মুসলমান ! একবার মরে, দুইবার মরে না। আমি বলেছিলাম- আমার মৃত্যু এসে থাকে যদি, আমি হাসতে হাসতে যাবো, আমার বাঙ্গালি জাতকে অপমান করে যাবো না। তোমাদের কাছে ক্ষমা চাইবো না। এবং যাওয়ায় সময় বলে যাবো, জয় বাংলা। স্বাধীন বাংলা। বাঙ্গালী আমার জাতি, বাংলা আমার ভাষা, বাংলার মাটি আমার স্থান।

*বঙ্গবন্ধু* *মুক্তিযুদ্ধ* *বাঙ্গালী* *জনক* *প্রত্যাবর্তন* *১০জানুয়ারী* *১৯৭২* *বাংলাদেশ*

সাদাত সাদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

প্রত্যাবর্তন (খিকখিক)
পূরনো বন্ধুদের নতুন করে ফিরে পাবার অনূভুতি সত্যিই অন্যরকম (চুম্মা)
*প্রত্যাবর্তন* *বন্ধু*

যন্ত্র মানব: ♪হঠাৎ মনে পড়ল তোমায়, মনে পড়ে গেলো সেই ছেলেমানুষী হারিয়ে গেছে কোথায় হঠাৎ আজ মনে পড়ল তোমায় এই আমি কতবার সেই তোমার প্রেমে পড়েছি মনে আছে কি তোমার? আর ঠিক ততবার, বৃষ্টির গান লিখেছি, পিয়ানোতে সুর তুলেছি হৃদয় জুড়ে গেয়েছি, তাই আবার ফিরে যাই তাই আবার ফিরে যাই আমি আবার আরেকটা বার তোমার প্রেমে পড়তে চাই আমি আবার আরেকটা বার তোমার প্রেমে পড়তে চাই

*প্রিয়গান* *তাহসান* *প্রত্যাবর্তন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★