প্রিয়মুভি

প্রিয়মুভি নিয়ে কি ভাবছো?

একজন 'র': একটি বেশব্লগ লিখেছে

ভিক্টর হুগো সাহেবের লেখা 'লা মিজারেবল' উপন্যাসটা পড়েছিলাম প্রায় বছর খানিক আগে। উপন্যাসটিতে জাঁ ভালজাঁর জীবনের সাথে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনার মোড় তুলে ধরেছেন তিনি। আমি সাধারণত কথায় কথায় 'চমৎকার' শব্দটা ব্যবহার করি, কিন্তু ভালজাঁর ঘটনা গুলিকে তুলে ধরাকে আমি চমৎকার বলতে পারছি না। কারণ, শুধু মাত্র "চমৎকার" বলে যদি উপমাও দিতে যাই তবে সেটা ঘোরতর অন্যায় হয়ে যাবে।

তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে ভিক্টর হুগো সাহেবের এই উপন্যাসের আলোকে ২০১২ সালে তৈরি করা Les Miserables মুভিটি আমি উপন্যাসটি পড়ার পূর্বেই দেখেছিলাম। সাধারণত একটা উপন্যাস থেকে কোন মুভি তৈরি করা হলে সর্বোচ্চ ঐ উপন্যাসের মাত্র ২০ শতাংশ ঐ মুভিতে ডিরেক্টর, এবং অভিনেতা, অভিনেত্রীরা তুলে ধরতে পারে। আর তার উপর ভিক্টর হুগো সাহেবের এই 'লা মিজারেবল' উপন্যাসটিতে এত বেশি ঘটনার বর্ণনা রয়েছে যে, কেউ যদি একে হুবহু কোন মুভিতে তুলে ধরতে চায় তবে তাকে ঐ মুভি কেবলমাত্র স্বপ্নেই তৈরি করতে হবে।

IDMB'র সেরা মুভি গুলির লিস্ট দেখতে দেখতে Les Misérables মুভিটি আজ আবারও সামনে চলে আসে। মজার ব্যাপার হচ্ছে এই একই টাইটেল দিয়ে সাতটি ফুলটাইম মুভি এবং দুইটি টেলিফ্লিম গোছের মুভি সহ মোট নয়টি মুভি তৈরি হয়েছে (IMDB'র তথ্যানুসারে*)। প্রথমে অনলাইনেই ১৯৯৮ সনে তৈরি হওয়া মুভিটি দেখতে বসেছিলাম। সেখানে উপন্যাসে বর্ণিত ভালজাঁর বোনের পরিবারের অল্প কিছু দুর্দশা আর তারপর ভালজাঁ'র রুটি চুরি করা হতে মুভিটির শুরু হয়। তারপর সেটাকে রেখে আবারও দেখা শুরু করলাম ২০১২ সালে নির্মিত হওয়া মুভিটি। ভিক্টর হুগো সাহেবের মূল লেখাটি উপন্যাস হলেও এই মুভিতে ডায়লগ গুলিকে ছন্দ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। গুটি কয়েক ডায়লগ বাদ দিলে পুরো মুভির কথোপকথনই ছিল ছন্দ নির্ভর।

উপন্যাসে বর্ণিত ঘটনার অনেক ঘটনাই মুভিতে অনুপস্থিত। এখানে শুরুটাই হয়েছে ভালজাঁ'র দণ্ড দিবসের শেষ দিন দিয়ে, যেখানে জেলার জাভেয়া তাকে শর্তসহ মুক্তির কাগজ ধরিয়ে দেয়। তারপর উপন্যাসে বর্ণিত ঘটনার মতই এগিয়ে চলে ঘটনা। মুভিতে ব্যবহৃত কিছু ভালোলাগা ছন্দময় উক্তি এখানে তুলে ধরলাম।

 ককয়েদীর উপর নির্যাতন এবং তাদের দিয়ে অমানুষিক কাজ করিয়ে নেয়ার একটা চিত্র এখানে স্পষ্ট ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। যেখানে একই সাথে কয়েদীদের ভীতিকর জীবনও চলে এসেছে ছন্দময় উক্তিতে। তারা তাদের দৃষ্টিকে উপরে না উঠবার তাগিদ দিচ্ছে। যাতে একই সাথে কোন প্রহরীর কাছে তাদের ঐ দৃষ্টি ক্রোধের দৃষ্টি হিসেবে মনে না হয় এবং উপরের দিকে তাকিয়ে জীবনের স্বাধীনতা খোঁজার স্বপ্ন না দেখে -সেই ব্যাপারটাই বোঝানো হয়েছে।

Look down, look down
You'll always be a slave
Look down, look down
You're standing in your grave.

শর্তসাপেক্ষে মুক্তি মিলল, মিলল নতুন স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে থাকবার আশা। সে আশাই মন থেকে বের হয়ে আসল ছন্দ রূপে-

Freedom at last-
How strange the taste!
Never forget the years- the waste,
Nor forgive them
for what they’ve done.
They are the guilty-
Everyone!
The day begins
And now lets see
What this new world
Will do for me!

মুক্তি পেয়েও মুক্ত হতে পারে নি জাঁ ভালজাঁ। সমাজে তার কোন অবস্থান নেই, নেই সাধারণের মত বেঁচে থাকবার সুযোগ। দাড়ে দাড়ে গিয়ে কুকুরের মত তাড়া খেয়ে বেড়াতে থাকে সে। অবশেষে এক গির্জায় আশ্রয় মেলে।

কিন্তু অভাব যে স্বভাব নষ্ট করেছে তার সেই স্বভাবই তাকে দিয়ে করিয়ে নেয় আরেক ভুল। রাতের অন্ধকারে তার ভয় আবারও তাকে চোর বানিয়ে দেয়। চুরি করে জাঁ ভালজাঁ। ধরাও পড়ে যায় সকাল নাগাদ। সত্যতা জানার জন্যে যখন গির্জায় ফিরিয়ে নিয়ে আসে পুলিশ তখন গির্জার যাজক জানায় চুরি যাওয়া সকল জিনিষই সে ভালজাঁকে দান করেছে।

এই ঘটনায় অনুতপ্ত হয়ে ভালজাঁ হাঁটু গেড়ে বসে সৃষ্টিকর্তার সামনে -

What have I done,
Sweet Jesus, what have I done?
Become a thief in the night
Become a dog in the run!
Have I Fallen s Far
And is the hour so late
That nothing remain
but the cry of my hate?
The cries in the dark
that nobody hears
Here where I stand at the turning of the years.

 

অনুতপ্ত হয়েও নিজের জীবনকে এভাবেই বর্ণনা করে যায় ভালজাঁ-

If there's another way to go,
I missed it twenty long years ago.
My life was a war that could never be won.
They gave me a number and murdered Valjean.
When they chained me and left me for dead
Just for stealing a mouthful of bread!

 

যাপিত জীবনে নিজের বিশ্বাসকে তুলে ধরে এই লাইন কয়েক দিয়ে-

Take an eye for an eye!
Turn your heart into stone!
This is all I have lived for!
This is all I have known!

যাজকের কথা আর নিজের অনুতপ্ত মনকে ভীত ধরে নতুন জীবন গড়ার উদ্দেশ্য তৈরি করে ভালজাঁ। নতুন মানুষ হয়ে বাঁচার শপথ নিতে থাকে-

I'll escape now from that world-
From the world for Jean Valjean.
Jean Valjean is nothing now!
Another story must begin!

 

সময়ের দরিদ্রতা তুলে আসে নিচের ছন্দগুলিকে ভর করে-

At the end of the day
you’re another day older
And that’s all you can say
for the life of the poor.
It’s a struggle!
It’s a war!
And there’s nothing
that anyone’s giving.
One more day standing about- What is it for?
One day less to be living.
At the end of the day
you’re another day colder
And the shirt on your back
doesn’t keep out the chill.
And the righteous hurry past
They don’t hear
the little ones crying
And the plague is coming on fast
Ready to kill-
One day nearer to dying!
At the end of the day
there’s another day dawning
And the sun in the morning is waiting to rise
Like the waves crash on the sand
Like a storm that’ll break any second
There’s a hunger in the land
And there’s gonna be hell to pay
At the end of the day!

ওদিকে ভাগ্যহত এক মা তার সন্তানকে দত্তক দিয়ে তার ভরণপোষণের জন্যে কাজ করে যাচ্ছিল ভালজাঁর প্রতিষ্ঠানে। কিন্তু ঘটনা বসত সে ঐ প্রতিষ্ঠান থেকে বিতাড়িত হয়। সন্তানের খচর বহন করতে নিজের অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সাথে সাথে নিজেকেও বিকিয়ে দেয়। তাতেও দায় মেটে না। আরও অর্থের প্রয়োজন! আরও আরও অর্থ! দেরিতে হলেও জানতে ঘটনাটা পারে জা ভালজাঁ। মৃত্যুপথযাত্রী ঐ মা'কে কথা দেয় তার সন্তানকে ভালজাঁ নিজের দায়িত্ব হিসেবে তুলে নিলো। কিন্তু ততদিনে আবারও বিপদে পড়েছে ভালজাঁ। সার্জেন্ট জাভেয়া চলে আসে তাকে ধাওয়া করে। পালায় ভালজাঁ। 

দত্তকে দিলেও সেখানে কাজের মেয়ে হিসেবেই থাকতে হচ্ছিল কজেটকে। কজেটের দিন যাপনের দুঃখ আর স্বপ্নের ভুবনটা তার ছন্দেই উঠে আসে-

There is a castle on a cloud
I like to go there in my sleep.
Aren’t any floors for me to sweep,
Not in my castle on a cloud.
There is a lady all in white
Holds me and sings a lullaby.
She’s nice to see and she’s soft to touch
She says, Cosette, I love you very much.
I know a place where no one’s lost
I know a place where no one cries.
Crying at all is not allowed,
Not in my castle on a cloud.

 

কজেটকে নিয়ে পালায় ভালজাঁ। সার্জেন্ট জাভেয়া পাগলের মত খুঁজতে থাকে তাকে। এভাবেই সময় পার হতে থাকে। সময়ের সাথে চলে আসে সমসাময়িক অবস্থার বর্ণনা। বিদ্রোহ তখন শহর জুড়ে। তেমনই এক বিদ্রোহীর কথায় উঠে আসে ঐ সময়ের অবস্থার বর্ণনা-

There was a time we killed the King
We tried to change the world too fast.
Now we have got another King,
He is no better than the last.
This is the land that fought for liberty-
Now when we fight we fight for bread!
Here is the thing about equality-
Everyone’s equal when they’re dead.
Take your place! Take your chance!
Vive la France! Vive la France!

 

 তেমনই এক বিদ্রোহী মারিয়াস। সেই মারিয়াসের সাথেই শহরের এক প্রান্তে দেখা হয় কজেটের সাথে। কজেট ততদিনে অবশ্য প্রাপ্তবয়স্ক এক মেয়েতে পরিণত হয়েছে। কজেটও দেখতে পায় মারিয়াসকে। মারিয়াস আর কজেট দুজনেই দুজনের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে প্রথম দিন থেকেই। এই আকর্ষণে কিছুটা হলেও বিদ্রোহ থেকে মন ছুটিয়ে নেয় মারিয়াসের। তার প্রমাণ মেলে তার কথায়। যেখানে বিদ্রোহীদের কাছে লাল আর কালো রঙ এর মানে-
– Red!
– The blood of angry men!
– Black!
– The dark of ages past!
– Red
– a world about to dawn!
–Black
– the night that ends at last!

সেখানে মারিয়াসের কাছে লাল আর কালো রঙ এর মানে হয়ে যায় এমন-
– Red!
– I feel my soul on fire!
– Black!
– My world if she’s not there!
– Red!
– The colour of desire!
– Black!
– The colour of despair!

ভীরের মাঝেই কজেটকে হারিয়ে ফেলে মারিয়াস। মরিয়া হয়ে উঠে তার দেখা পাবার জন্যে। বান্ধবী এপনিকে অনুরোধ করে হারিয়ে ফেলা কজেটের খোঁজ নিয়ে আসার জন্যে। মারিয়াস জানত না এই এপনিই হচ্ছে কজেটকে দত্তক নেয়া দম্পতির সন্তান। আরও জানত না যে এমপনি তার মনে মারিয়াসকে অনেক আগেই স্থান দিয়ে বসে আছে। তবুও এপনি মারিয়াসের অনুরোধে খুঁজে বের করে কজেটের ঠিকানা। পৌঁছে দেয় মারিয়াসকে কজেটের বাড়ির বাগানের প্রান্তে।

 

 

বিদ্রোহীরা অংশগ্রহণ করে শোক প্রদর্শনে। সেখানেই তাদের বিক্ষোভ শুরু করে তাদের ছন্দে-

Do you hear the people sing
Singing the song of angry men?
It is the music of a people
Who will not be slaves again!
When the beating of your heart
Echoes the beating of the drums
There is a life about to start
When tomorrow comes!

 

উপস্থিত জনতাকে আহ্বান জানাতে থাকে বিদ্রোহীরা-
Will you join in our crusade?
Who will be strong and stand with me?
Beyond the barricade
Is there a world you long to see?
Then join in the fight
That will give you the right
To be free!

 

 শুরু হয়ে যায় বিদ্রোহ। এর মাঝে গেভ্রোস বের করে দেয় তাদের মাঝেই লুকিয়ে থাকা ইন্সপেক্টর জাভেয়াকে। জাভেয়া চেয়েছিল ভুল তথ্য দিয়ে সহজেই বিদ্রোহীদের কাবু করতে। কিন্তু সেই উদ্দেশ্য ধরা পরে যায় চতুর বাচ্চা গেভ্রোসের কারণে। তাকে বন্দী করা হয়। এদিকে জাঁ ভালজাঁ জানতে পারে তার মেয়ে কজেট প্রেমে পড়েছে মারিয়াসের। আরও জানতে পারে তার জীবন এখন সংকটময় মুহূর্তে আছে। মেয়ের ভালোবাসাকে বাঁচাতে ছুটে যায় ভালজাঁ। বিদ্রোহীদের সাথে বন্ধু হয়ে যোগদান করে। কৌশলে মুক্ত করে দেয় ইন্সপেক্টর জাভেয়াকে।

এপনির আকস্মিক মৃত্যুতে কিছুটা মনোবল হারায় বিদ্রোহীরা। বারুদ শেষ হয়ে আসলে বারুদের সংগ্রহে বাইরে যেতে ভীত হয়ে থাকে সবাই। সাহস যোগাতেই ঐ ছোট বিদ্রোহী বাচ্চা গেভ্রোস কণ্ঠে ছন্দ নিয়ে উৎসাহ দিতে থাকে সঙ্গীদের।


Do you here the people sing
Singing the song of angry men
It is the music of the people
Who will not be slaves agian.
When the beating of your heart
Echoes the beating of the drums
There is a life about to start
When tomorrow comes!

সৈন্যদের তোয়াক্কা না করে ঐ বিদ্রোহী বাচ্চা গেভ্রোস এগিয়ে যায় বারুদ সংগ্রহে, প্রাণ হারায় সেখানেই। গেভ্রোসকে হারিয়ে তাদের বিদ্রোহী চেতনা আরও দৃঢ়টা লাভ করে। যদিও সৈন্যদের কামানের সামনে তারা বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারে না। তবুও নিজেদের শেষ সময় পর্যন্ত তারা আক্রমণ চালিয়ে যায়। সাহসের সাথেই মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে।

এদিকে গুরুতর আহত অবস্থায় মারিয়াসকে নিয়ে সুড়ঙ্গপথে সেখান থেকে বের হয়ে যায় জাঁ ভালজাঁ। সুরঙ্গ মুখে শেষ প্রান্তে এসে আবারও দেখা মেলে ইন্সপেক্টর জাভেয়ার। অনেক দেরিতে হলেও জাভেয়া বুঝতে পারে ভালজাঁকে নিয়ে তার ভুল ধারণাটাকে। নিজেকেই প্রশ্ন করে উত্তর খুঁজে বেড়ায় জাভেয়া-

Who is this man?
What sort of devil is he?
To have caught me in a trap
And choose to let me go free?
It was his hour at last
To put a seal on my fate
Wipe out the past
And wash me clean off the slate!
All it would take Was
a flick of his knife
Vengeance was his
And he gave me back my life!

আত্মদহন সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করে জাভেয়া।

ওদিকে নিজের বাসায় ধীরে ধীরে সুস্থ হতে থাকে মারিয়াস। মোটামুটি সুস্থ অবস্থায় ফিরে যায় তাদের আড্ডা-স্থলে। বুলেট আর কামানের গেলায় শত ছিন্ন সেই আড্ডার সেই শূন্য চেয়ার টেবিল তাকেও তার মনটাকেও দহনে জ্বালাতে থাকে। বন্ধুদের সৃতিতে কাতর হয়ে তার কণ্ঠে চলে আসে ছন্দ-

There’s a grief that can’t be spoken
There’s a pain goes on and on
Empty chairs at empty tables
Now my friends are dead and gone.
Here they talked of revolution
Here it was they lit the flame
Here they sang about tomorrow
And tomorrow never came…
From the table in the corner
They could see a world reborn
And they rose with voices ringing
And I can hear them now!
The very words that they had sung
Became their last communion
On the lonely barricade…... at dawn.
Oh my friends, my friends, forgive me
That I live and you are gone
There’s a grief that can’t be spoken
There’s a pain goes on and on…
Phantom faces at the window
Phantom shadows on the floor
Empty chairs at empty tables
Where my friends will meet no more.
Oh my friends, my friends...... don’t ask me
What your sacrifice was for
Empty chairs at empty tables
Where my friends will sing…... no more.

 

শেষ পর্যন্ত দায়বদ্ধতা থেকে মুক্ত হয় জাঁ ভালজাঁ। প্রাণের চেয়ে প্রিয় কন্যা সমতুল্য কজেটকে তার প্রিয়পাত্রের হাতে তুলে দিয়ে তাদের জীবন থেকে অনেক দূরে চলে আসে। প্রার্থনা করতে থাকে কজেটের সুখী জীবনের জন্যে, ক্ষমা প্রার্থনা করে তার পাপের জন্যে। একদম অন্তিম মুহূর্তে কজেটের উপস্থিতি ঘটে আবার। নিজের জীবনের কথাগুলিকে অক্ষরে বন্দী করে বিদায় নেই ভালজাঁ।

 

 

অভিনয় নিয়ে বলার মত তেমন কিছুই নেই। প্রতিটা চরিত্র চেষ্টা করেছে তাদের সত্তাটাকে ঢেলে দিতে। উপন্যাসের সাথে তুলনা করলে হয়ত অনেক কিছুই অনুপস্থিত, তবে অভিনেতা আর অভিনেত্রীদের অভিনয় সেই অংশটুকুকে পূর্ণতা দান করেছে। Wolverine খ্যাত Hugh Jackman এর Real Steel এ তার অভিনয়টাকেই এতদিন তার ভালো কাজ হিসেবে ধরে নিয়েছিলাম। আজবের পর সেই ধারণা অবশ্যই পাল্টে গেছে। Les Misérables তার সবচেয়ে ভালো কাজগুলির মধ্যে অন্যতম এটা বলতে আমার মোটেও কোন দ্বিধা নেই। এছাড়াও Russell Crowe এর অভিনয় বরাবরের মতই চমৎকৃত করেছে। খল একটা চরিত্র দেখার পর অভিনয়ের মাঝেই যখন তার প্রতি বিদ্বেষ মনে না আসে ততক্ষণ পর্যন্ত খল চরিত্রটা কোনভাবেই সার্থক হতে পারে না। Russell Crowe সেই হিসেবে অতিমাত্রায় সার্থক অভিনেতা। মুভিতে কিছু কিছু সময় তার অভিনয় সার্জেন্ট জাভেয়া চরিত্রটাকে এত বেশি পারফেকশন দিয়েছে যে প্রায়ই মন বিদ্বেষে ভরে উঠত।

 

 

ঘটনার বর্ণনায় পুরোটাই স্পয়লার হয়ে গেছে। তবুও নিজের ভালোলাগা অংশগুলিকে না বলে থাকা যাচ্ছিল না। তাই কিবোর্ডকে অত্যাচার করে লিখেই ফেললাম। যারা সময় নিয়ে পড়লেন তাদের জন্যে বেশ অনেক অনেক অসমবেদনা রইল (ভেঙ্গানো)

 

 

*মুভিকথন* *প্রিয়মুভি* *ডায়েরি*
ছবি

অঞ্জলি: ফটো পোস্ট করেছে

Md. Morttuza Kamal: *প্রিয়মুভি* তালিকায় অনেক মুভি আছে। হিন্দি + দক্ষিনি = কমেডি+ অ্যাকশন। ইংলিশ= Action ,Crime ,Fantasy ,Horror ,Sci-Fi , Martial arts ,Mystery , এই টাইপের মুভি দেখি।

সাদাত সাদ: *প্রিয়মুভি* হল : শাবানা আন্টি এবং আলমগীর আঙ্কেল অভিনীত জনপ্রিয় মুভি "ভাত দে"

জাহিদ অভাজন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

খুব বেশী সময় নয়, মাত্র ১০৫ মিনিটের একটি মুভি অথচ এই অল্প সময়ের মধ্যেই নবীন পরিচালক কৃষ আলিন আধুনিক জীবনের যে গভীর সঙ্কটের যে চিত্র তুলে ধরেছেন তা শুধুই ফিকশন বলে ফেলে দেয়া যায় না।



হায় জীবন!!
এই জীবনে আর একটু বেশী সাফল্য, আর একটু বেশী সুখের জন্য মানুষ কত কিছুই না করে!
কিন্তু সেই জীবনের সংজ্ঞা কিংবা উদ্দেশ্য কিছুই সে অনুধাবনের চেষ্টা করে না।
জীবনটা সুন্দর করতে সবাই চায়।
কিন্তু কি ভাবে? কি ভাবে!??
প্রশ্ন যখন আছে, উত্তর তো থাকতেই হবে। হ্যাঁ, উত্তর নিশ্চয়ই আছে।
কিন্তু সেই উত্তরের সন্ধান কত জন করে?
কেউ করে কেউ করে না। কেউ বা পথভ্রষ্ট। কেউ বা বিভ্রান্ত।
এই খানে এসেই মানুষে মানুষে তৈরী হয় বৈচিত্র্য।





এক সৎ পরিশ্রমী চাকুরীজীবী ও তার উচ্চাকাঙ্ক্ষী স্ত্রীর গল্প ‘অন্তিম শ্বাস সুন্দর’। সমুদ্রের তীরে ভেসে আসা একটি মৃতদেহের গলায় পাওয়া একটি হার তাদের জীবন পাল্টে দেয়। হারটিতে যেন যাদুর ছোঁয়া আছে। এটি পাওয়ার পর তারা বৈষয়িক সমৃদ্ধি লাভ করলেও এর বিনিময়ে চরম মূল্য দিতে হয়।

জীবনটা সুন্দর করতে যে অঢেল টাকার প্রয়োজন নেই, সেটা এর আগে অনেক মুভিতেই দেখানোর চেষ্টা করা হলেও এই মুভিটা আমার মতে সার্থক।

কৃষ আনিল পরিচালিত সিনেমাটিতে অভিনয় করেন ইন্দ্রাণী হালদার, সুব্রত দত্ত, পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, কৌশিক ব্যানার্জি প্রমূখ।

ছবিটা আমার কাছে মনে হয়েছে প্রত্যেকটা মানুষের দেখা উচিত, জীবনের উদ্দেশ্য, একটু হলেও অনুধাবনের জন্যে।

জীবনে সবাই সফল হতে চায়, কিন্তু জীবনে সফল হওয়ার পর কি হবে, আমাদের জীবনে এই প্রশ্ন এবং উত্তর দুইই অনুপস্থিত।
আপনার ইন্টিলিজেন্সের অন্যতম উদ্দেশ্য হওয়া উচিৎ সৃষ্টি ও স্রষ্টার মেলবন্ধন।
সৃষ্টি ও সৃষ্টা – টু আন্ডারস্টান্ড দ্য বোথ।
নাথিং টু নো, ইউ হ্যাব টু জাস্ট আন্ডারস্ট্যান্ড।
*প্রিয়মুভি* *মুভিরিভিউ*

জাহিদ অভাজন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এটি কোরিয়ার সিনেমা, পরিচালক কিম কি-দুক। ২০০৩ সালে মুক্তি পায়। সিনেমাটা দেখে আমি অভিভূত। কেন এর আগে দেখলাম না সেটা নিয়ে চরম আফসুস হল। কিম কি-দুকের ছবিতে সবসময় সংলাপ কম থাকে। এটিও ব্যতিক্রম না। সংলাপ কম, হাতে গোনা কয়েকটি চরিত্র আর একটাই লোকেশন।



কোরিয়ান যেকোনো একটা গহীন বনে অবস্থিত একটা বৌদ্ধ মঠে একজন বুড়ো ভিক্ষুর কাছে শিক্ষানবিশ রয়েছে এক শিশু ভিক্ষু। শিশুটি বৃদ্ধ গুরুর থেকে প্রার্থনা, সংযম, চিকিৎসাবিদ্যা ইত্যাদি শিখছে। এই শিশুকে ঘিরেই গল্প এই কবিতার। শিশুটি একসময় বড় হয়। আর তার জীবনের বিভিন্ন বয়স থেকে ৫ টা ঋতু আমরা দেখতে পাই। বিভিন্ন ঋতু তার জীবনে নিয়ে আসে প্রেম, যৌনতা, ঈর্ষা, ঘৃণা এবং রাগ এর মতো অনুভুতিগুলো। তার জীবনে অনেক ভুল আসে, যেটা স্বাভাবিক। কিন্তু তারপরেও সে বেছে নেয় এই ভাসমান বৌদ্ধ মঠ। বার-বার ভুল শেষে, যৌবনের ঋতুতে সে চিরস্থায়ীভাবে আবার ফেরে এই মঠে। আর প্রতিটি মানুষ যার জন্য ছোটে, শেষ-মেষ সে পেয়ে যায় জীবনের অর্থ। পরিপুর্ন হয় তার শিক্ষা।



-





কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ
এসব কিছুই লিখেছন সামহোয়ারইনব্লগ(ডট)কম এর দীপ ও আমারবন্ধু(ডট)কম এর শওকত মাসুম ভাই।
*প্রিয়মুভি*

জাহিদ অভাজন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমরা যারা সহজে সত্যকে মেনে নিই, যারা সত্যকে বিচার করি না, তাকে যাচাই করি না, যারা শুধুমাত্র মেনে নিতেই শিখেছি, তাঁদের কাছে উৎসাহ উদ্দিপনা সবই হারিয়ে যায় আসল সত্যের আড়ালে, যখন সত্য বলতে কোন একটা বিষয় কে বোঝায় না অনেক গুলি বিষয়ের মেলবন্ধনকে বোঝায়। সত্য কখনও একটা হতে পারে না, সবসময়ই তা একের অধিক হ্য়। আর সেখানেই গ্যাংস অফ ওয়াসেপুর এর নিজস্বতা কোন একটা সত্যের উন্মোচন করতে গিয়ে একের অধিক সত্য আমাদের সামনে উন্মোচিত হয়। পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ বরাবরই একটু ভিন্ন স্বাদের ছবিই পরিচালনা করেন। আর তাই তাতে বলিউডের ট্রেডমার্ক থাকে না। তাই এই ছবিটি কান চলচ্চিত্র উৎসবে ডিরেক্টরস' ফোর্টনাইট বিভাগে প্রদর্শিত হওয়ার পর এক সমলোচককে বলতে হয় এই ছবি ভারতীয় সিনেমাতে এক নতুন দিশার উন্মোচন করল।




আমাদের ছবির জগতে গ্যাংস অফ ওয়াসেপুর নিছক একটা ছবি হয়ে থাকবে শুধুমাত্র তার গল্পের জন্য নয়, গল্পের ব্যবহারিক করন, গল্পে চরিত্রের প্রয়োগ, গল্পের মাধ্যমে তথ্য প্রদান সবকিছু মিলে।

তাই বর্তমান ঝাড়খণ্ড রাজ্যের ধানবাদ শহরের অনতিদূরে অবস্থিত ওয়াসেপুর যখন মানচিত্রে থেকেও আমাদের মনে থাকে না, সেই একটা জনপদের গল্প গ্যাংস অফ ওয়াসেপুর। যে স্বাধীনতার প্রাক্কাল থেকেই অনেক ইতিহাসের সাক্ষী।

পরিচালক এক বিরাট সময়ের কথা এখানে বলতে চেয়েছেন যেখানে সময়টা স্বাধীনতার আগে থেকেই শুরু হয়েছে। ভারতবর্ষের অন্যতম খনিজ সম্পদ "কয়লা" এর খনির জন্য বিখ্যাত ধানবাদ ও তার আশেপাশের অঞ্চল খনির সাথে সাথে খুনিদের ও দেখে এসেছে।

একটা জনপদ যেখানে দুটি গোষ্টি যাদের কাজ এর থেকে কুকাজই বেশী। তারা মালবাহী রেলগাড়ি থামিয়ে লুট করেই প্রধানত লুটের সাম্রাজ্যে লুটতরাজ হয়। এ হেন এক লুটতরাজ শাহিদ খান। যে শত্রু পক্ষের হাত থেকে পালিয়ে প্রাণে বেঁচে সংসার নিয়ে বাসস্থান ত্যাগ করে । সময় পাল্টায় কিন্তু নতুন দিন ও কালো মুখোশ পরে নেমে আসে। তাই মনোজ বাজপায়ি ওরফে সর্দার খানকে তাঁর বাবার মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার পালা শুরু করতে হয় অনেক ছোটো থেকেই কেশহীন হওয়ার সুচনার সময়কালে।

একটা বিশাল সময়ের কথাকে বলতে গিয়ে, একটা প্রকাশ্য আলোয় না আসা সামাজিক বিষয়ের কথা বলতে গিয়ে পরিচালক এই ছবিতে প্রচুর চরিত্রের সৃষ্টি করেছেন। যেখানে প্রতিটা চরিত্রের চলনের মাধ্যমে আমরা একটা ইতিহাসের কথা জানতে পারি, একটা স্বাধীন দেশের সাম্রাজ্যবাদী লুটতরাজদের কথা জানতে পারি।

ঐতিহাসিক গল্প সৃষ্টির মাধ্যমে গল্পের চরিত্ররাও তাই ঐতিহাসিক হয়ে উঠেছে। একটা কয়লাখনির পার্শ্ববর্তী অঞ্চল, কয়লা মাফিয়াদের বেহায়াপানা, দখলদারির জন্য খুন, জেল থেকে পালানো- সবই এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্ম অবধি অতিবাহিত হয়। তাই কোন এক আঙ্গিকে গ্যাংস অফ ওয়াসেপুর এক কাব্য হয়ে ওঠে, মহাকাব্যিক আখ্যানে হয়ত না দেওয়া গেলেও কোন অর্থে গ্যাংস অফ ওয়াসেপুর শুধু মাত্র একটা গল্প হয়ে থাকবে না।

মহাকাব্য হয়ত হয়ে উঠলেও উঠতে পারত যদি তা সর্বাগ্র ভাবে কোন পক্ষকে বিরোধী পক্ষ ঘোষণা করত, তাহলে হয়ত আমরা ও আমাদের দূরদৃষ্টিতে খুজে পেতাম মহাকাব্যের নায়ককে। জার দুঃখে হয়ত আমরাও কেঁদে উঠতাম, যার রাগে হয়ত আমরাও তাঁর বাবার খুনের বদলা নিতে তাকে সাহায্য করতাম। তাই এখানেই এই ছবি আর পাঁচটা ছবির থেকে আলাদা, মহাকাব্যের দর্শনের নীতিমূলক কাঠামোর বাইরে।

তাই মনোজ বাজপায়ির বাবার মৃত্যুতে তাঁর মত আমার কান্না পায় না, তাঁর হাতে আমিও চাই না বন্দুক উপহার দিতে, কিন্তু সেও যে বদলার আগুনে ফুটছে, তা আমার কাছে পরিস্ফুট হয় না। তাই তাঁর বদলার আগুন আমার হৃদয় কে স্পর্শ করে না।

আলাদাভাবে অনুরাগ বাবুর সিনেমাটোগ্রাফি নিয়ে বলার কিছু নেই, বারে বারেই আমরা দেখে এসেছি তাঁর ছবির সিনেমাটোগ্রাফি আর পাঁচটা বলিউডের ছবির থেকে আলাদা। ডার্ক ইমেজ ব্যাবহার করার তীব্র প্রবণতাই তাঁর ছবিকে আর পাঁচটা হিন্দি ছবির থেকে আলাদা করে তুলেছে।

ছবির সঙ্গীত ও আবহসঙ্গীত নিয়ে আলাদা করে বলতেই হবে কারন ছবির মধ্যে মহাকাব্যিক উপকরন হিসাবে সঙ্গীত একটা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে। লোকগীতির কথা লোকায়ত সঙ্গীতের পূর্ণ ব্যবহার ছবিটাকে তার পরিচালিত বৃত্তের বাইরে বেরতে দেয় নি। তাই এটা শুধু ওয়াসেপুরের কাহিনী হিসাবেই রয়ে গেছে। আর তাই কোন একটা জনপদের কাহিনী দেখতে দেখতে আমি ও আমার পারিপার্শ্বিক পরিবেশের সাথেও মিল খুজে পাই। আমি অনুভব করতে পারি আমার পরিচিত নরেন দার কথা, যার ছোট একটা টেলরের দোকান ধূলিসাৎ করে দিয়েছিল সামাজিক মাফিয়ারা, শুধুমাত্র তাঁদের না জানিয়ে দোকান ঘরটি কেনার জন্যে।

মাফিয়াবৃত্তি আমাদের দেশের কলকব্জাকে চিরদিনই গুঁড়িয়ে দেওয়ার কথাই ভাবে, তাই হয়ত ১৯৪১ ের কয়লা মাফিয়ার ওয়াসেপুর এখন চরম অন্ধকারেই তলিয়ে আছে, তা না হলে বেনারসে ছবির শুটিং এঁর সময় ছবির সহপরিচালক সোহেল সাহ এর আকস্মিক মৃত্যুও কোথাও গিয়ে খুনের ইঙ্গিত বহন করে।

তাই ওয়াসেপুরের বাসিন্দাদের অভিযোগ কোথাও গ্রাহ্য হয় না, ছবিতে সেন্সরের কাঁচি চলে না। আধির আগ্রহে তাই অপেক্ষা করছি ছবির দ্বিতীয় অংশটির জন্য। সেখানেই হয়ত কাব্য নিছক কাব্য না হয়ে মহাকাব্যিক আখ্যান হয়ে উঠবে।।

লেখক
ছবি-কথা/ব্লগস্পট.কম

কৃতজ্ঞতা স্বীকার
উপরের এই রিভিউটি আমার খুব ভাল লাগল। কিন্তু লেখক ভাইয়ের সাথে পরিচয় নাই বিধায়, লেখাটি পুনঃপ্রকাশে তার অনুমতি নিতে পারলাম না। আশাকরি লেখক ভাই এতে অসন্তুষ্ট হবে না।
ছবি-কথা ভাইয়ের ব্লগঃ http://chabikatha.blogspot.com/
*প্রিয়মুভি*

জাহিদ অভাজন: ... হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া চলচ্চিত্র ...... ... ... ... ... ... মেঘের অনেক রং ... এ চলচ্চিত্রের পুরো কাহিনী উঠে এসেছে একটি শিশুর দৃষ্টিকোণ থেকে। সদ্যবোধসম্পন্ন যে ছেলেটি তার মাকে খুঁজে বেড়ায়। এরই ফাঁকে চলে আসে আমদের মুক্তিযুদ্ধের কথা। ... হারুন আর রশিদের পরিচালনায় 'মেঘের অনেক রঙ' ছবিটি ১৯৭৬ এ মুক্তি পায়। ... https://www.youtube.com/watch?v=aByJyIralz8

*চলচ্চিত্রেমুক্তিযুদ্ধ* *প্রিয়মুভি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: Batman v Superman --- Teaser এই মাথা নষ্ট https://www.youtube.com/watch?v=IwfUnkBfdZ4

*প্রিয়মুভি* *সুপারম্যান* *ব্যাটম্যান*
ছবি

★ছায়াবতী★ ফটোটি শেয়ার করেছে

ঢিসিয়া (কুল)

Watching: The Good The Bad and The Ugly (বস)

*প্রিয়মুভি*
৫/৫

ফাহীমা: Song: Remember when - Alan Jackson Movie: Up (2009 film) Remember when I was young and so were you and time stood still and love was all we knew You were the first, so was I We made love and then you cried Remember when Remember when we vowed the vows and walked the walked https://www.youtube.com/watch?v=TOmZ66lIzJA&spfreload=1

*প্রিয়গান* *প্রিয়মুভি*
ছবি

হাফিজ উল্লাহ: ফটো পোস্ট করেছে

নিজেকে অনুপ্রাণিত করতে যে ৩ টি অসাধারণ মুভি আপনাকে সাহায্য করবে

*অনুপ্রাণিত* *প্রিয়মুভি* *অসাধারণ* *মুভি* *সিনেমা*
ছবি

হাফিজ উল্লাহ: ফটো পোস্ট করেছে

আমার প্রিয়মুভি- দেখতে যেরাম, খাইতে সেরাম (ভেঙ্গানো২)

*প্রিয়মুভি* *মুভি* *সিনেমা*

রোমেল বড়ুয়া: [পিরিতি-আগডুমবাগডুম] "মেলেছ চুল খুলেছ ডানা, জানি আঙ্গুল ছোঁয়ানো মানা। তবু আজ-ই, আমি রাজি চাপা ঠোঁটে, কথা ফোটে, সময় শোন, আমাকে রাখো বুকের পশমে, তোমার মরমে..." জানি দেখা হবে (চুম্মা)

*প্রিয়গান* *প্রিয়মুভি*

সেলিম রেজা: আজ রাত্রি ২ টা বেজে ১৫ মিনিট একটি স্মরণীয়ঘটনা ! আপনাদের কারো মনে আছে কি?১৯১২ সালের ১৫ এপ্রিল রাত ২টা বেজে ১৫ মিনিটে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জাহাজ *টাইটানিক*একটি বরফের সাথে ধাক্কা লেগে ধ্বংস হয়ে যায়!আর এই জাহাজের ওপর নির্মিত হয় *টাইটানিক*মুভি ! মুভিটি মার কাছে খুবি ভালো লাগে । (জোস)(জোস)(হার্ট)(হার্ট)(থাম্বসআপ)

*টাইটানিক* *জাহাজ* *প্রিয়মুভি* *সিনেমা*

আফ্রোদিতির যুবরাজ: *প্রিয়মুভি* যদিও সিনেমা দেখতে খুব একটা পছন্দ করিনা। আর আওয়ারাপান মুভিটা ছাড়া আর কোন ছবি আমার মনে খুব একটা দাগ কাটতে পারেনি। তাই এটাই প্রিয়।

যন্ত্র মানব: *প্রিয়মুভি* ৩ Iddiots

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★