প্রিয়লেখক

প্রিয়লেখক নিয়ে কি ভাবছো?

Tanvir Ahmed Rifat: *প্রিয়লেখক* রকিব হাসান। উনার গোয়েন্দা উপন্যাস ‘তিন গোয়েন্দা’ এখনো অনেক ভাল লাগে। তারপর হুমায়ন আহমেদ।

আদনান অমিন: আমার *প্রিয়লেখক* জাহির রায়হান। হাজার বছর ধরে উপন্যাসটি পাঠ্য ছিল । এরপর অনেক পরে পড়েছিলাম "বরফ গলা যদি"। তারপর একে একে আরেক ফাল্গুন, শেষ বিকেলের মেয়ে, তৃষ্ণা, কয়েকটি মৃত্যুর গল্প, আর কতদিন পড়ে ফেললাম। উনার উপস্থাপন চমৎকার। আফসোস বেশিদিন ছিলেন না।

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আপনার প্রিয় বাংলা লেখক কে? এবং কেন?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*প্রিয়লেখক* *বাংলা* *বাংলালেখক*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আপনার প্রিয় লেখক কে এবং কেন? তাঁর কোন লেখা আপনার মন কেড়েছে?

উত্তর দাও (৭৬ টি উত্তর আছে )

.
*প্রিয়লেখক* *বইমেলা* *লেখক*

নিপু: আহমদ ছফা আমার প্রিয় লেখকদের মধ্যে অন্যতম, উনার লেখনির জাদুকরী ক্ষমতায় উনি সক্ষম ছিলেন অনেক কঠিন কঠিন কথা অবলীলায় শ্রুতিমধুর ভাবে বলে যেতে, বছর শুরু হয়েছে উনার গাভী বিত্তান্ত দিয়ে আর এখন বাঁধা পরেছি সূর্য তুমি সাথীর অসম্ভব সুন্দর গল্প এবং বর্ণনায় - "আইচ্ছা মা, সব মানুষ এক মানুষ নয় ক্যা ? ধর্ম দুই রকম, হিথার লায় ধর্ম দুরকম ক্যা ? " বিভেদ আর বিভেদ সেই বহু বছর আগেও ছফা তুলে ধরেছিলেন সেই বিভেদ, ভালো থাকবেন ছফা !

*প্রিয়লেখক* *আহমদছফা*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আপনার প্রিয় লেখক কে?

উত্তর দাও (১৫ টি উত্তর আছে )

.
*প্রিয়লেখক*

নিমা তাসনিম: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কোন লেখকের বই সবচেয়ে বেশী পরেছেন?

উত্তর দাও (১২ টি উত্তর আছে )

.
*বাংলাসাহিত্য* *প্রিয়লেখক*
জোকস

হাফিজ উল্লাহ: একটি জোকস পোস্ট করেছে

৫/৫
[বল্টু-বাত্তিপাইছি] শিক্ষক—তোমার প্রিয় লেখক কে? বল্টু : জর্জ ওয়াশিংটন। শিক্ষক— কিন্তু উনি তো কোনো বই লেখেননি! বল্টু : এই জন্যই তো তাঁকে আমার এত ভালো লাগে।
*প্রিয়লেখক* *কমেডিয়ানহাফিজ* *জোকস* *রসিকতা* *বেশম্ভব*

আরিফ হাসনাত তানভীর: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আপনার প্রিয় কবি কে?

উত্তর দাও (১১ টি উত্তর আছে )

.
*প্রিয়কবি* *প্রিয়লেখক*
জোকস

হাফিজ উল্লাহ: একটি জোকস পোস্ট করেছে

৪/৫
[বাঘমামা-শরমলাগে] মুন্নার @mustafijulmunna টিভি সাক্ষাতকার... প্রশ্ন: আপনার প্রিয় লেখক কে? মুন্না: আমার প্রিয় লেখক সামসু, স্কুল কলেজের পরীক্ষাগুলো ওর খাতা দেখে লিখতাম...!
*সাক্ষাতকার* *রসিকতা* *কমেডিয়ানহাফিজ* *প্রিয়লেখক*

ঝিঁঝিপোকা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

... এসডিপিও সাহেবের মেজো ছেলে জাফর ইকবাল ভয়ে ভয়ে বলল, আপনি কোথায় থাকেন?
জ্বী‌ন বলল, আমি থাকি কোহেকাফ নগরে।
-বাংলাদেশ কি স্বাধীন হবে?
-কোনোদিন হবে না।
-স্বাধীন কেন হবে না?
-আমরা সব জ্বী‌ন একত্র হয়ে পাকিস্তানের জন্য দোয়া করি। পাকিস্তান জিন্দাবাদ।
জ্বী‌ন আরও কিছু প্রশ্নের জবাব দিল। সবার মাথায় হাত রেখে দোয়া করল এবং বলল, সে আর বেশিক্ষণ এখানে থাকতে পারবে না। কারণ তার চলে যাবার সময় এসেছে। পাকিস্তানের তরক্কির জন্য জ্বী‌ন সমাজে আজ বিশেষ দোয়া হবে। তাকে সেই
দোয়ায় সামিল হতে হবে।
ফয়জুর রহমান সাহেব এবং তার স্ত্রী দু'জনেই জ্বী‌ন যে সত্যি এসেছিল- এই বিষয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত হলেন। কফিলউদ্দিকে ভালো বকশিস দিয়ে বিদায় করা হলো। জ্বী‌ন নামানোর এই অদ্ভুত কর্মকান্ড তাঁরা কেউই আগে দেখেন নি। 'বাংলাদেশ স্বাধীন হবে না' -এই ভয়ঙ্কর কথা যদি জ্বী‌ন না বলত, তাহলে জ্বী‌ন অনুভবের আনান্দ ষোল আনা হতো।
জাফর ইকবাল বলল, দেশ স্বাধীন অবশ্যই হবে। কারণ জ্বী‌ন আসে নাই। জ্বী‌নের সব কথাবার্তা আমি টেপ রেকর্ডারে টেপ করেছি। জ্বী‌ন যদি সত্যি আসতো, সে দেখত আমি এই কান্ড করছি তখনই সে রেগে যেত। সমস্তই কফিলুদ্দির কারসাজি।

ফয়জুর রহমান সাহেব তাঁর মেজ ছেলের সাহস দেখে চমৎকৃত হলেন। সে এই ফাঁকে জ্বী‌নের কথাবার্তা রেকর্ড করে ফেলেছে। এই চিন্তা তো তাঁর নিজে মাথায় আসে নি।
তাঁর জন্য আরও বড় চমক অপেক্ষা করছিল। তাঁর বড় ছেলে জ্বী‌নের কথাবার্তার রেকর্ড বাজিয়ে পুরোটা শুনে জ্বী‌ন যে আসে নাই সে বিষয়ে কঠিন প্রমাণ উপস্থিত করল। জ্বী‌ন কথাবার্তার এক পর্যায়ে পুরোপুরি বরিশালের ভাষায় বলেছে, 'পরথম'।
তার যুক্তি হচ্ছে, জ্বী‌ন থাকে কোহেকাফ নগরে, সে বরিশালের অঞ্চলিক ভাষায় 'প্রথম'কে 'পরথম' বলবে না।
'দেশ স্বাধীন হবে না' এই কথায় মন খারাপ করার কোনো কারণ নেই। কারণ জ্বী‌ন আর কেউ না, কফিলুদ্দি নিজে!

╰▶ জোছনা ও জননীর গল্প_ হুমায়ূন আহমেদ

*জোছনাওজননীরগল্প* *হুমায়ূনয়াহমেদ* *প্রিয়বই* *প্রিয়লেখক*

জোবায়ের রহমান: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রহরী

মি প্রথম প্রহরীকে অতিক্রম করে গেলাম। তখন আমি ভয় পেলাম, আবার দৌড়ে ফিরে এলাম এবং প্রহরীকে বললাম, ‘আপনি যখন অন্যদিকে খেয়াল রাখছিলেন আমি তখন এখান দিয়ে দৌড়ে গিয়েছিলাম।‘ প্রহরী তার সামনের দিকে তাকিয়ে থাকল এবং কিছুই বলল না। ‘আমার মনে হয় আসলে আমার এমনটি করা উচিত হয় নি’, আমি বললাম। প্রহরী তবুও কিছুই বলল না। ‘আপনার নিরবতা কি আপনাকে অতিক্রম করে যাওয়ার অনুমতির ইঙ্গিত দেয়?’

পরের গ্রাম

মার দাদা সবসময় বলতেন, ‘জীবন বিস্ময়কর রকমের ছোট
আমার কাছে, পেছন ফিরে তাকালে জীবন এতই ছোট মনে হয় যে আমি খুব সামান্যই এর অর্থ বুঝতে পারি। ধরা যাক, একজন তরুণ কীভাবে কোন দুঃশ্চিন্তা ছাড়া পাশের গ্রামে যাওয়ার কথা ভাবতে পারে- কোন দুর্ঘটনা ছাড়াই এমন কী স্বাভাবিক সুখের মুহূর্তে ওরকম একটি ভ্রমণের জন্য যে সময়ের প্রয়োজন সে বিবেচনা করলেও জীবন অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত মনে হবে।’

প্রস্থান

মি আমার ঘোড়াটিকে আস্তাবল থেকে নিয়ে আসার আদেশ দিলাম। ভৃত্য আমার আদেশ বুঝতে পারল না। তাই আমি নিজেই আস্তাবলে গেলাম, ঘোড়ায় চাপালাম এবং ঘোড়ায় চড়লাম। দূরে ট্রাম্পেট বাজানোর শব্দ শুনতে পেলাম এবং আমি ভৃত্যকে জিজ্ঞেস করলাম এর মানে কী। সে কিছুই জানত না এবং কিছু শোনেওনি। গেটে সে আমাকে থামাল এবং জিজ্ঞেস করলঃ ‘প্রভু কোথায় যাচ্ছেন?’ ‘আমি জানি না,’ বললাম, ‘শুধু এই এলাকার বাইরে, এর বাইরে, বাইরে, আর কিছু নয়, এটাই একমাত্র পথ যাতে আমি লক্ষ্যে পৌঁছতে পারি।‘ সে জিজ্ঞেস করল, ‘তাহলে আপনি আপনার লক্ষ্য জানেন?’ ‘হ্যাঁ’, ‘আমি জবাব দিলাম, ‘আমি এইমাত্র তোমাকে বলেছি। এর বাইরে- সেটাই আমার লক্ষ্য।

একটি ছোট্ট উপকথা

‘হায়,’ ইঁদুর বললো, ‘দুনিয়াটা প্রতিদিনই ছোট হয়ে আসছে। শুরুতে এটা এত বড় ছিল যে আমি চিন্তিত হয়ে গিয়েছিলাম, আমি দৌড়াতেই থাকি, দৌড়াতেই থাকি এবং অবশেষে আমি দূরে ডানে ও বাঁয়ে দেয়াল দেখে খুশি হই, কিন্তু এই দেয়াল দুটো ক্রমশ সরু হয়ে যেতে থাকে আর আমি ততক্ষণে কামরার শেষে এসে দাঁড়াই এবং ওইখানে এককোণায় ফাঁদ পাতা রয়েছে যা অবশ্যই অতিক্রম করে যেতে হবে আমাকে।‘
‘তোমার শুধু পথটা বদলানো দরকার ছিল’ বিড়াল বলল এবং ওটাকে খেয়ে ফেলল।

গাছ

মরা যেন তুষার আবৃত গাছের কান্ড। আপাতভাবে মনে হয় তারা খুব কোমলভাবে দাঁড়িয়ে আছে এবং একটু ধাক্কা তাদের ফেলে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। না, তেমনটি করা যাবে না, কেন না, তারা গভীরভাবে মাটির সঙ্গে একাত্ম। কিন্তু দেখো, এমন কী এটাও শুধুই আপাতভাবে মনে হয়।

অন্যমনস্কের জানালা-দর্শন

ক্রমশ এগিয়ে আসছে যে বসন্ত দিনগুলি তা নিয়ে আমরা কী করব? আজ খুব সকালেই আকাশ ছিল ধূসর, কিন্তু তুমি যদি এখন জানালার কাছে যেতে তাহলে বিস্মিত হতে এবং গরাদহীন জানালার পাল্লায় তোমার চিবুক রাখতে।
ইতিমধ্যে সূর্য ডুবে যাচ্ছে, কিন্তু তুমি  দেখবে সে নিচে অলসভাবে যে মেয়েটি হাঁটছে তার মুখে আলো ফেলছে এবং একইসময়ে সে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে, তাকে অতিক্রমরত একটি লোকের ছায়ার কারণে। তারপর লোকটি চলে গেছে এবং ছোট্ট মেয়েটির মুখ যথেষ্ট উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে।

প্রমিথিউস

প্রমিথিউসকে কেন্দ্র করে চারটি কিংবদন্তি আছেঃ
প্রথম কিংবদন্তি অনুযায়ী, তাকে ককেসাস পর্বতে পাথরের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছিল, দেবতাদের গোপনীয়তা মানুষের কাছে প্রকাশ করে প্রতারণা করার অভিযোগে এবং দেবতারা তার হৃদয় ছিঁড়ে খাওয়ার জন্যে ঈগল পাঠাতো আর অবিরাম সে হৃদয় পুননির্মিত হতো।
দ্বিতীয় কিংবদন্তি অনুযায়ী, প্রমিথিউস প্রতিনিয়ত বিদীর্ণ হওয়ার যন্ত্রণায় নিজেকে ক্রমশ পাথরের গভীরে ঠেলে দিয়েছিল যতক্ষণ না সে পাথরেরই অংশ হয়ে গেছে।
তৃতীয় কিংবদন্তি অনুযায়ী, হাজার বছরের সময় পরিক্রমায় প্রমিথিউসের প্রতারণার কথা ভুলে যাওয়া হয়, ভুলে যান দেবতারা, ভুলে যায় ঈগল এবং প্রমিথিউস নিজেও।
চতুর্থ কিংবদন্তি অনুযায়ী, প্রত্যেকেই এই অর্থহীন বিষয়ে ক্লান্ত-বিরক্ত হয়ে যায়। দেবতারা বিরক্ত হয়ে যায়, ঈগল ক্লান্ত হয়ে যায় এবং ক্লান্ত বিরক্ত হয়ে ক্ষতও সেরে যায়।
সেখানে ব্যাখ্যাতীত পরিমাণের পাথর ছিল। কিংবদন্তি এই ব্যাখ্যাতীতকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছে। যখন এই সত্যের ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত হয়েছে তখন ব্যাখ্যাতীতভাবে এর সমাপ্তি ঘটেছে।


মূলঃ ফ্রাঞ্জ কাফকা
মুম রহমান অনূদিত

*অনুবাদ* *বিদেশীগল্প* *প্রিয়লেখক* *অণুগল্প* *ছোটগল্প*

শাকিল: একটি বেশব্লগ লিখেছে

‘কোথাও কেউ নেই’ সম্ভবত বাংলাদেশের ছোটপর্দার নাটকের ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় হওয়ার খেতাব পাবে। বাকের ভাই চরিত্রে অভিনয় করে তুমুল জনপ্রিয়তা পান আসাদুজ্জামান নূর। মুনা চরিত্রে সুবর্ণা মুস্তাফা ছিলেন অতুলনীয়। ধারাবাহিকটির শেষে নির্দোষ বাকের ভাইয়ের ফাঁসির আদেশ হয়। ফাঁসি বন্ধের দাবীতে দেশের বিভিন্ন স্থানে মিছিল করে দর্শক। কোনো নাটকের ঘটনা নিয়ে জনজীবনে এমন উত্তেজনা ও আবেগ বাংলাদেশে কখনও কখনও দেখা যায়নি।
*প্রিয়লেখক* *হুমায়নআহমেদ*

মনুষ্য: ''আর কোন ট্রেনে হবে না ফেরা তার গৌরীপুর জংশনে.. বিশুদ্ধ মানুষ হতে পারবে কি শুভ্র প্রশ্ন রয়েই যাবে মনে.. গৃহত্যাগী জোছনায় দরদী গলায় গাতক মতি মিয়া গাইবে না.. হাওরের মাঝি আর করবে না পারাপার, ভাটির দেশের নাও বাইবে না.. চিত্রা, বাদল, জরী, পারুল হারালো অচিনপুরেই.. শেষে, অনন্ত নক্ষত্রবীথি ছাড়া আর কোথাও কেউ নেই.." যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন...(মনখারাপ)

*হুমায়ুনআহমেদ* *প্রিয়লেখক* *মৃত্যুবার্ষিকী* *প্রিয়গান* *হুমায়ূন*

জয়া হাসান: শুয়া উড়িল, উড়িল জীবেরও জীবন, শুয়া উড়িলরে ...|| আরলাম আকানে ছিলা আনন্দিত মন ভবে আসি পিঞ্জরাতে হইলা বন্ধন। নিদয়া নিষ্ঠুর পাখি দয়া নাই রে তোর পাষাণ সমান হিয়া কঠিন অন্তর। পিঞ্জরায় থাকিয়া করলা প্রেমেরও সাধন পিঞ্জরা ছাড়িয়া যাইতে না লাগে বেদন। শীতলং ফকিরে কইন দম কর সাধন দমের ভিতর আছে পাখি করিও যতন। শুয়া উড়িল উড়িল জীবেরও জীবন, শুয়া উড়িলরে ...||

*হুমায়ূনআহমেদ* *প্রিয়লেখক* *প্রিয়গান*

জয়া হাসান: কারো উপর একবার মায়া পড়ে গেলে সে মায়া কমেনা বরং আরো বাড়ে| --- হুমায়ূন আহমেদ

*প্রিয়লেখক*

শওকত জামান (জিবন): একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আপনার প্রিয় লেখক কে ? আমার আহমদ ছফা l

উত্তর দাও (১১ টি উত্তর আছে )

*প্রিয়কবি* *প্রিয়লেখক*

এস.এম নাজমুছ-ছায়াদাত(সবুজ): আমার *প্রিয়লেখক* হুমায়ন আহমেদ ,আনিসুল হক

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★