প্রেম

প্রেম নিয়ে কি ভাবছো?

ফিটকিরি: [পিরিতি-আমারকলিজা২]তোমায় বাসবো ভালো মনে প্রাণে তুমি আমার প্রাণের সখি জানবে জনে জনে পিতিবি থেকে পেম উঠে যাচ্ছে (মনখারাপ) শুধু বেড়ে যাচ্ছে স্বার্থ হাসিলের নোংরা খেলা কে কাকে চরিত্রহীন বানিয়ে নিজে বড় হবে সেই কুবুদ্ধি হে সৃষ্টিকর্তা তোমার পয়গাম্বর / দেবতা / মসিহদের সেই সময় পাঠানো ভুল ছিল তাদের এখনকার সময়ে খুব দরকার || পৃথিবী প্রেমময় হোক | জগতের সবাই শান্তিতে থাকুক ||| (হার্ট)(হার্ট)(হার্ট)

*প্রেম* *রাজনীতি* *চরিত্রহীন* *পৃথিবী*

ফিটকিরি: [পিরিতি-আওলাভকরি] আসলে পরকীয়া বলে কিছু সয় না | যা হয় তা হচ্ছে ভালোবাসা | দুজন মানুষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র, আইন, আদালতের হস্তক্ষেপ করার কোনো অধিকার নেই | দুজন মানুষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশ্বাসটাই মূল | বিশ্বাস যদি থাকে তাহলে তাদের কোনো আইন আদালত লাগে না | এমনকি বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠানেরও দরকার পরে না |

*প্রেম* *ভালোবাসা* *বিশ্বাস* *পরকীয়া* *আইন* *আদালত*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: আমি কাউকে ম্যানেজ করে চলতে পারিনি পটাতেও পারিনি তাই বলে কি আমার প্রেম হবে না? আমাকে ও কেউ ম্যানেজ করে চলে না পটাতে ও চেষ্টা করে না করেওনি কোনদিন তাই বলে কি আমার কোন দিন প্রেম হবে না?

*আবেগ* *প্রেম* *বাস্তবতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সম্পর্ক কিংবা সংসার; একটা ছেলে যদি উদাসীন কিংবা উড়নচণ্ডী হয়, তবুও টিকিয়ে রাখা সম্ভব। একটা মেয়ে চাইলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সে কাজটা সফলতার সাথে করতে পারে, যদি সে কমিটেড হয়। কারন মেয়েদের মধ্যে স্রষ্টা অসাধারণ কিছু ক্ষমতা দিয়েছেন; দিয়েছেন মায়া। তাই একটা ছেলে সময়ের স্রোতে উপলব্ধি করতে বাধ্য, সে যে ভুল।

.

কিন্তু সংসার কিংবা সম্পর্কে একটা মেয়েই যদি হয় উদাসীন কিংবা উড়নচণ্ডী?

ঐ সংসার কিংবা সম্পর্ক ভাঙ্গতে বাধ্য; লিখে রাখুন। একটা ছেলে যতোই চাক, যে ভাবেই চাক; বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই টিকাতে পারবে না বন্ধনটি! কারন পাথরে ফুল ফোটানোর ক্ষমতা হাজারে হয়তো একটা ছেলেকেও দেননি স্রষ্টা; যা প্রতিটা মেয়েকে দিয়েছেন।

.

প্রশ্ন করতে পারেন, কি ভাবে? এসব কথার ভিত্তি কি? আমাদের বাপ-দাদাদের আমল দেখুন। তখন কি সব ছেলে/পুরুষ দুধে ধোয়া তুলসী ছিলো? মোটেই তেমন না। বরং তারা সংসারী হতে বাধ্য হয়েছিলেন ঘরে থাকা লক্ষী প্রতিমা প্রেয়সী মায়ায়। আর এখন কি হচ্ছে? কোর্টের বারান্দায় রিলিফ গ্রহনের মতো ডির্ভোসের লাইন। আর প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক ভাঙ্গাটাতো সকালে উঠে পেট পরিষ্কার করতে টয়লেটে যাবার মতোই। করান কি জানেন? মায়ার যাদুতে সম্পর্কের অপর মানুষ এবং সম্পর্কটি মুগ্ধ করে রাখার কথা ছিলো যার/যাদের, তারাই আজ মায়াহীন হয়ে গেছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে। মায়াবীরা আজ উশৃঙ্খল জীবনকেই কেন যেন বেছে নিতে বেশি আগ্রহী। তারা আজ মুক্ত-অবাধ স্বাধীনতার জীবন পেতে মরিয়া। তারা ছুটছে তো ছুটছেই, আকাশকে ছুঁয়ে দিতে; শিকড়কে ছাড়িয়ে, শিকড়ের মায়া ছেড়ে!

*বাস্তবতা* *সমাজ* *প্রেম* *মায়া* *মোহ* *আবেগ* *মেয়ে* *স্রষ্টা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মেয়ে একটা ব্যাকডেটেড ছেলে খুঁজে নাও। যে ভালোবাসি বলবে কম, ভালবাসবে বেশী। মেয়ে তুমি এত বোকা কেন। খোঁচা খোঁচা দাড়ির কালোতে ভুল, ১৮০ সিসি বাইকের আলোতে ভুল, সিগারেটের ধোয়াতে ভুল। চশমার সাথে সত্যিই ভালোবাসার কোন সম্পর্ক নেই। মেয়ে তুমি তবুও চশমার কাঁচে ভুল…

মেয়ে একটা ব্যাকডেটেড ছেলে খুঁজে নাও। যে গ্ল্যালাক্সি এনে দেয়ার স্বপ্ন না দেখিয়ে তোমাকেই পুরো গ্যালাক্সি বানাবে। চাঁদ কে দেখিয়ে দেবে প্রিয়তমার রূপ। উচ্ছল চোখে নিউ মার্কেটের ফুটপাথ থেকে কেনা লেইস ফিতার বাক্স থেকে দুলটা নিয়ে হাতে দুলিয়ে বলবে "কেমন। সুন্দর না!।"

মেয়ে তুমি সেই ছেলেকে খুঁজে নাও যে সপ্তাহের প্রতিটা দিন একটি করে লিপস্টিক তোমার হতে তুলে দিয়ে বলবে, লিপস্টিকের ফ্লেভার আমার ভীষণ পছন্দ। তোমার হতে হাত রেখে বাড়ির ছাদের রেলিং ধরে দাড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলবে এই আকাশ তোমায় দিলাম….

মেয়ে একটা ব্যাকডেটেড ছেলে খুঁজে নাও। যে ফ্ল্যাটের রাস্তা না স্বপ্নের সিঁড়িটা দেখাবে। শরীরের ভাজে লুকানোর চেয়ে তোমার অভিমানের পাহাড় ডিঙ্গানোর উৎসাহ যার সবচেয়ে বেশি।

মেয়ে তারপর কোন এক বসন্ত বিকেলে,বাতাস কে সাক্ষী রেখে সে পাগলটার ঠোটের আটলান্টিকে ডুব দাও। তোমার লিপস্টিকের পূর্ণ ফ্লেভার তাকে উপভোগ করেতে দাও। মেয়ে একটা ব্যাকডেটেড ছেলে খুঁজে নাও, ভালোবাসার থার্মোমিটার ফাটিয়ে দাও……

 

*মেয়ে* *ছেলে* *আবেগ* *প্রেম*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: [পিরিতি-আমারকলিজা১]কৃষ্ণ আখি মেয়ে , আমি তোর চোখের দিকে তাকিয়ে ১০১ টা নির্ঘুম রাত পার করে দিতে চাই ।। তোর চোখ যে সুন্দর লাল আভাময় তার মাঝে আমি হারিয়ে যেতে চাই ।। জানিস তোর চোখের দিকে তাকিয়ে যে কোন ছেলে হারিয়ে যেতে পারে কিন্তু কাউকে তুই পাত্তা দিস না প্লিজ তোর ওই চোখের মাঝে আমি হারিয়ে যেতে চাই । মরে যেতে চাই ওই কাজল মাখা দু চোখের মাঝে ।।

*কৃষ-আখি* *প্রেম*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রতিটা মানুষের জীবনে এমন একজন দরকার, যে তাকে শাসন করবে। সকাল গড়িয়ে দুপুর পর্যন্ত না খেলে জোর করে খেতে পাঠাবে। সামনে থাকলে মুখে তুলে খাইয়ে দিবে।

বৃষ্টিতে বেশি ভিজলে কপট চোখ দেখাবে। পর মুহূর্তে বলবে, আচ্ছা যাও ভেজো। জ্বর আসলে বলবে, ওষুধ না খেলে কিন্তু নেক্সট এক উইক কথা বলবো না।

রাতে সময় মত ঘুমাতে না গেলে নিজের ফোন বন্ধ রেখে বলবে... চোখ বন্ধ। ঘুম চলে আসবে।
আমি বলে দিচ্ছি ঘুমকে চলে যেতে তোমার কাছে।

ব্যস্ত রাস্তা পার হওয়ার আগে অন্তত একবার বলবে, সাবধানে পার হয়ো... প্রশ্ন না করে প্রতিটা কথা মন দিয়ে শুনে বলবে, প্যাচাল অনেক হল। এবার মাথা থেকে ভুত নামাও সব।

ফাইনালের আগে একটা কড়া ধমক, ফেসবুকে দেখলে আমার আইডি থেকে ব্লক করে দিব
বলে দিলাম। পরে হাজার বললেও অ্যাড করব না। শাসন শুধু ভালবাসার মানুষ করবে এমনও না।

একজন বন্ধুও হতে পারে।"সে" হতে পারে। "তুমি" হতে পারো।
একটা জীবন পার করতে সব সময় সাথে থাকা মানুষটা হতে পারে।
সবার জীবনে এমন একজন থাকুক। না আসলে আসুক।
যে তাকে তার প্রতিটা ভুলের জন্যে বাকি সবার মত ভুল না বুঝে বলবে, ঘুরে আসি চলো
কোথাও থেকে। সত্যিই যদি প্রতিটি মানুষের জিবনে এমন যত্নশীল কেউ থাকত !!

আমি ও চাই কেউ একজন আসুক প্রবল বেগে আমায় নাড়া দিক মনের করিডোরে । নিজেকে আর কতো আবদ্ধ করে রাখবো ।।

*ভালোবাসা* *শাসন* *আদর* *ধমক* *প্রেম*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 চিঠির মাধ্যমে প্রেমের প্রস্তাব কে কে দিয়েছিলেন? সফল /বিফল হবার গল্পটা কেমন ছিল?

উত্তর দাও (৪ টি উত্তর আছে )

.
*প্রেমেরচিঠি* *প্রেম* *প্রস্তাব* *প্রেমেরপ্রস্তাব*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: আমার সবসময় প্রেমিকার হাত ধরে হাঁটতে ভালো লাগবে না,কাঁধে মাথা রেখে প্রেমিকার প্রকৃতি উপভোগ করা টা ভালো লাগবে না,আমি "নিয়মের" বেড়াজালে আটকে না থেকে হুটহাট নিয়ম ভঙ্গ করবো । আমার হুট করে প্রেমিকা কে চুমু খেতে ইচ্ছে করবে । দীর্ঘসময় ধরে চুমু খাবো । একটানা চুমু খেয়ে একটা বড়ো নিঃশ্বাস ফেলবো । প্রেমিকার "না" স্বত্তেও জোর করে চুমু খাবো । লজ্জা পেয়ে প্রেমিকা মুচকি হেসে আমাকে বলবে, "তুমি একটা নির্লজ্জ অবাধ্য চুমুখোর প্রেমিক" (ভালবাসি)

*চুমু* *প্রেম* *ভালোবাসা* *আবেগ* *অবাধ্য*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ক্লোজআপ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাপলদের জন্য ভালবাসা দিবস উপলক্ষে ফ্রি রঙ্গিন রিক্সা চড়ার আয়োজন করেছে,

.

রিক্সায় উঠার শর্ত হলো প্রেমিক প্রেমিকা হতে হবে!

.

বহুজাতিক কোম্পানীটি অবশ্যই সাধুবাদ পেতো যদি তারা আরেকটি শর্ত জুড়ে দিতে পারতো 'শুধু প্রেমিক প্রেমিকা হলে হবে না তাদের বিবাহ্ বন্ধনেও আবদ্ধ হতে হবে'

.

আপনার ছেলে মেয়েকে আপনি পড়াশুনা করতে পাঠিয়েছেন তারা এখন প্রেমের নামে দিনের বেলায় রিক্সায় পুরো ক্যাম্পাস ঘুরছে গর্ব সহকারে,

.

এটাকে নাকি ক্লোজ আপ কাছে আসার গল্প বলে!

.

একটু পর সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে তারা যে ক্লোজ আপ দিয়ে দাঁত মাজার পর সারাদিন ফ্রেশনেসে আছে তা প্রমাণ করার জন্য লিপ্ কিস্ হবে!

.

'আসছে বছর দ্বিগুণ হবো' শিরোনাম নিয়ে ক্লোজ আপ কোম্পানী আবারো হাজির হবে নতুন অফার নিয়ে,

.

আরেকটু ক্লোজ আপের জন্য লিটনের প্লাটে ফ্রি সময় কাটানোর অপূর্ব সুযোগ!

.

প্রেম ট্রেম আগে ছিলো না বেপারটা এমন না,

.

 কোন কালে এতো সাধু ছিলাম না যে রিক্সায় সখিনাকে নিয়ে ঘুরতে না পারার ক্ষোভে লেখাটি শুরু করেছি,

.

বেপরারটা এমন,

.

আগে ছেলেটা লুকিয়ে সিগারেট টানতো মুরুব্বির সামনে পড়ে গেলে তাড়াতাড়ি সিগারেট ফেলে পা দিয়ে ঘষে হাত মাথার সামনে নিয়ে একটু মাথা নুয়ে বলতো, সালামুলাইকুম আঙ্কেল!

.

ক্লোজ আপ কোম্পানী এসে অফার ঘোষণা করলো, 'টানবি যখন মুরুব্বিদের সামনে টান এতো লজ্জার কি আছে আমরা তোদের পাশে আছি'

.

গল্পটার নাম হয়ে যাবে! সারা দেশে 'ক্লোজ আপ বেয়াদবীর গল্প' শিরোনামে গল্প আহবান করে সেরা বেয়াদবীর গল্পটি নিয়ে নাটকও রচিত হবে!!!

.

আগামীতে ক্লোজ আপ আরো কি কি প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে পারে,

.

কিস্ ডে তে দীর্ঘ চুমুর রেকর্ডকারীকে বীর ঘোষণা করে সেই ভিডিওটি বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করে পাঞ্চ লাইনে ভেসে উঠবে 'ক্লোজ আপ ব্যবহার করা ছাড়া এমন চুমু সম্ভব না'

.

হাগ ডে তে জড়িয়ে ধরে সর্বোচ্চ ঘন্টা ব্যয়কারীকে পুরষ্কার ঘোষণা হতে পারে!

.

ক্লোজ আপ টিম চিপা টিপা গলিতে গিয়ে প্রমোশন করতে পারে 'দেখিয়ে দাও না দেখা তোমায়' নামক কোন শিরোনাম নিয়ে,

.

যদিও 'দেখিয়ে দাও অদেখা তোমায়' শিরোনামে লাক্স সুপার স্টার আঠারো সালের স্টার খুঁজছে,

.

সেই বিচারে যদি জাতীয় কাকতালীয় কাক্কুকে নেওয়া হয় তাহলে বেপারটা কেমন হবে,

.

সম্মানীত বিচারক প্রতিযোগীদের উদ্দেশ্যে কিছু বলুন এমন প্রশ্নে,

.

খুব ভালো পারফরমেন্স করেছো তবে,

.

'আমি কিচ্ছু দেখিনি'

.

'সব অদেখায় রয়ে গেলো'

.

'না দেখে বিজয়ী ঘোষণা করা তো ঠিক হবে না'

.

'শিরোনামটি ফলো করে এগিয়ে যাও'

.

'খুব ভালো করেছো তবে দেখার কি আর শেষ আছে'

.

'সব দেখা যার, শেষ ভালো তার'

.

'দেখা হয়নি এখনো চক্ষু মেলিয়া......'

.

দিনশেষে কি দেখতে চায় ওরা সেই প্রশ্নের উত্তর উপরের লেখার মতো কাকতালীয় কারো সাথে মিলে গেলে লেখক দায়ী থাকবে না! মিলে গেলে লেখক দায়ী থাকবে না!

*প্রেম* *ভালোবাসা* *বিশ্ববিদ্যালয়* *আবেগ* *কাপল* *ক্লোজ-আপ* *কাছেআসারগল্প* *বেহায়া* *বাস্তবতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

বাস্তব জীবনে ভালোবাসা পাবার থেকে কল্পনায় পাওয়া অনেক ভালো। বাস্তব জীবনের ভালোবাসায় হারানোর ভয় থাকে,কিন্তু কল্পনার মাঝে যেই ভালোবাসা সেই ভালোবাসা হারানোর কোন ভয় থাকে না।
*ভালোবাসা* *আবেগ* *প্রেম* *কল্পনা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অসাধারণ রসবোধ সম্পন্ন মানুষ ছিলেন হুমায়ুন আহমেদ। উনার জীবনেও ঘটেছে নানা রসময় ঘটনা।

নিজের জবানীতে ও অন্যের লিখনিতে তাঁর জীবনের কিছু মজার ঘটনা নিন্মে উদৃত হল।

১। আমার প্রথম স্কুলে যাওয়া উপলক্ষে একটা নতুন খাকি প্যান্ট কিনে দেয়া হল। সেই প্যান্টের কোন জিপার নেই, সারাক্ষণ হাঁ হয়ে থাকে। অবশ্যি তা নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন হলাম না। নতুন প্যান্ট পরছি, এই আনন্দেই আমি আত্মহারা। মেজো চাচা আমাকে কিশোরীমোহন পাঠশালায় ভর্তি করিয়ে দিয়ে এলেন এবং হেডমাস্টার সাহেবকে বললেন, চোখে চোখে রাখতে হবে। বড়ই দুষ্ট। আমি অতি সুবোধ বালকের মত ক্লাসে গিয়ে বসলাম। মেঝেতে পাটি পাতা। সেই পাটির উপর বসে পড়াশোনা। মেয়েরা বসে প্রথম দিকে, পেছনে ছেলেরা।

আমি খানিকক্ষণ বিচার বিবেচনা করে সবচেয়ে রূপবতী বালিকার পাশে ঠেলেঠুলে জায়গা করে বসে পড়লাম। রূপবতী বালিকা অত্যন্ত হৃদয়হীন ভঙ্গিতে সিলেটি ভাষায় বলল, এই তোর প্যান্টের ভেতরের সবকিছু দেখা যায়। ক্লাসের সব ক’টা ছেলেমেয়ে একসঙ্গে হেসে উঠল। সবচেয়ে উচ্চস্বরে যে ছেলেটি হেসেছে, তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়লাম। হাতের কনুইয়ের প্রবল আঘাতে রক্তারক্তি ঘটে গেল। দেখা গেল ছেলেটির সামনের একটি দাঁত ভেঙ্গে গেছে। হেডমাস্টার সাহেব আমাকে কান ধরে সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার নির্দেশ দিলেন।

ছাত্রছাত্রীদের উপদেশ দিলেন, এ মহাগুণ্ডা, তোমরা সাবধানে থাকবে। খুব সাবধান। পুলিশের ছেলে গুণ্ডা হওয়াই স্বাভাবিক। ক্লাস ওয়ান বারোটার মধ্যে ছুটি হয়ে যায়। এ দুই ঘণ্টা আমি কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকলাম। আমার সময়টা যে খুব খারাপ কাটল তা নয়। স্কুলের পাশেই আনসার ট্রেনিং ক্যাম্প। তাদের ট্রেনিং দেয়া হচ্ছে। লেফট রাইট। লেফট রাইট। দেখতে বড়ই ভাল লাগছে। মনে মনে ঠিক করে ফেললাম বড় হয়ে আনসার হবো।

২। ক্লাস টুতে উঠে আমি আরেকটি অপকর্ম করি। যে রূপবতী বালিকা আমার হৃদয় হরণ করেছিল, তাকে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ফেলি। প্রকৃতির কোন এক অদ্ভুত নিয়মে রূপবতীরা শুধু যে হৃদয়হীন হয় তাই না, খানিকটা হিংস্র স্বভাবেরও হয়। সে আমার প্রস্তাবে খুশী হবার বদলে বাঘিনীর মত আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। খামচি দিয়ে হাতের দুতিন জায়গার চামড়া তুলে ফেলে। সে-ই স্যারের কাছে নালিশ করে। শাস্তি হিসেবে দুই হাতে দুটি ইট নিয়ে আমাকে দু’ঘণ্টা নিলডাউন হয়ে বসে থাকতে হয়।

৩। থ্রি থেকে ফোরে উঠব। বার্ষিক পরীক্ষা এসে গেছে। বাড়িতে বাড়িতে পড়াশোনার ধুম। আমি নির্বিকার। বই নিয়ে বসতে ভাল লাগে না। যদিও পড়তে বসতে হয়। সেই বসাটা পুরোপুরি ভান। সবাই দেখল আমি বই নিয়ে বসে আছি এই পর্যন্তই। এমন এক সুখের সময়ে ক্লাসের বন্ধু ‘মাথা মোটা’ শংকর খুব উত্তেজিত ভঙ্গিতে জানাল, তার মা তাকে বলেছেন সে যদি ক্লাস থ্রি থেকে পাশ করে ফোর-এ উঠতে পারে তাহলে তাকে ফুটবল কিনে দেবেন। সে আমার কাছে এসেছে সাহায্যের জন্যে। কি করে এক ধাক্কায় পরের ক্লাশে ওঠা যায়। একটা চামড়ার ফুটবলের আমাদের খুবই শখ।

সেই দিনই পরম উৎসাহে শংকরকে পড়াতে বসলাম। যে করেই হোক তাকে পাশ করাতে হবে। দু’জন একই ক্লাসে পড়ি। এখন সে ছাত্র, আমি শিক্ষক। ওকে পড়ানোর জন্যে নিজেকে প্রথম পড়তে হয়, বুঝতে হয়। যা পড়াই কিছুই শংকরের মাথায় ঢোকে না। যাই হোক প্রাণপণ পরিশ্রমে ছাত্র তৈরি হল। দু’জন পরীক্ষা দিলাম। ফল বের হলে দেখা গেল আমার ছাত্র ফেল করেছে এবং আমি স্কুলের সমস্ত শিক্ষকদের স্তম্ভিত করে প্রথম হয়ে গেছি। ফুটবল পাওয়া যাবে না এই দুঃখে রিপোর্ট কার্ড হাতে কাঁদতে কাঁদতে বাসায় ফিরলাম।

৪। পঁচাগড় থেকে বাবা বদলি হলেন রাঙামাটিতে। রাঙামাটিতে আমরা ছিলাম পাঁচ মাসের মতো। বাবা আবার বদলি হলেন বান্দরবান। বান্দরবানের সবই ভালো, শুধু মন্দ দিকটা হলো এখানে একটা স্কুল আছে। স্কুলে আমার একমাত্র আনন্দের ব্যাপার হলো মুরং রাজার এক মেয়ে পড়ে আমাদের সঙ্গে। গায়ের রং শঙ্খের মতো সাদা। চুল হাঁটু ছাড়িয়েও অনেক দূর নেমে গেছে। আমরা ক্লাস সিক্সে পড়ি, কিন্তু তাকে দেখায় তরুণীর মতো। তার চোখ দুটি ছোট ছোট, গালের হনু খানিকটা উঁচু। আমার মনে হলো চোখ দুটি আরেকটু বড় হলে তাকে মানাত না। গালের হনু উঁচু হওয়ায় যেন তার রূপ আরো খুলেছে।

ক্লাসে আমি স্যারদের দিকেও তাকাই না। বোর্ডে কী লেখা হচ্ছে তাও পড়তে চেষ্টা করি না। এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি রাজকন্যার দিকে। সত্যিকার রাজকন্যা। আমার এই অস্বাভাবিক আচরণ রাজকন্যার চোখে পড়ল কি না জানি না, তবে একজন স্যারের চোখে পড়ল। তিনি আমাকে বিষদৃষ্টিতে দেখতে লাগলেন। প্রতিটি ক্লাসেই তিনি আমাকে প্রশ্নে প্রশ্নে জর্জরিত করেন, কিন্তু আটকাতে পারেন না; কারণ ইতিমধ্যে আমি একটা জিনিস বুঝে ফেলেছি, আমার স্মৃতিশক্তি অসম্ভব ভালো। যেকোনো পড়া একবার পড়লেই মনে থাকে। সব পড়াই একবার অন্তত পড়ে আসি।

স্যার ঠিকই একদিন আমাকে আটকে ফেললেন। সমকোণ কাকে বলে জিজ্ঞেস করলেন, আমি বলতে পারলাম না। শাস্তির ব্যবস্থা হলো। বিচিত্র শাস্তি। বড় একটা কাগজে লেখা ‘আমি পড়া পারি নাই। আমি গাধা’ সেই কাগজ গলায় ঝুলিয়ে দেওয়া হলো। স্যার একজন দপ্তরিকে ডেকে আনলেন এবং কঠিন গলায় বললেন, ‘এই ছেলেকে সব কটা ক্লাসে নিয়ে যাও। ছাত্ররা দেখুক।’ আমি অপমানে নীল হয়ে গেলাম। টান দিয়ে গলার কাগজ ছিঁড়ে স্যারের দিকে তাকিয়ে তীব্র গলায় বললাম, ‘আপনি গাধা।’ তারপর এক দৌড় দিয়ে স্কুল থেকে বের হয়ে গেলাম। সন্ধ্যাবেলা লোক পাঠিয়ে শঙ্খ নদীর তীর থেকে বাবা আমাকে ধরিয়ে আনলেন। আমি আতঙ্কে কাঁপছি। না জানি কী শাস্তি অপেক্ষা করছে আমার জন্য। বাবা শান্ত গলায় বললেন, ‘স্যাররা তোমাকে পড়ান। শাস্তি দেওয়ার অধিকার তাঁদের আছে। তুমি আমার সঙ্গে চলো। স্যারের কাছে ক্ষমা চাইবে।'

বাবার সঙ্গে কাঁদতে কাঁদতে রওনা হলাম। স্যারের কাছে ক্ষমা চাইলাম। এর পর বাবা বললেন, ‘মাস্টার সাহেব, আমার এই ছেলেটা খুব অভিমানী। সে বড় ধরনের কষ্ট পেয়েছে। অপমানিত বোধ করেছে। তাকে আমি কোনো দিন এই স্কুলে পাঠাব না। সে বাসায় থাকবে।’

বাবা আমাকে কোলে নিয়ে বাসায় ফিরলেন। পরদিনই স্কুলের সব শিক্ষক বাসায় উপস্থিত। তাঁরা বাবাকে রাজি করাতে এসেছেন, যাতে আমি আবার স্কুলে যাই। বাবা রাজি হলেন না।

৫। হুমায়ূন আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নিচ্ছেন। হঠাৎ এক ছাত্র প্রশ্ন করলো, ‘স্যার, আপনি নাকি গরুর কথাও বুঝতে পারেন?’ হুমায়ুন আহমেদের ‘ছেলেবেলা’ বইটি পড়ে হয়তো এমন ধারণা হয়েছিলো ছাত্রটির। ক্লাসের মাঝখানে অপ্রাসঙ্গিক বিষয় চলে আসায় হুমায়ুন আহমেদ বিরক্ত হলেন। বললেন, ‘হ্যাঁ, পারি। নইলে তোমাদের ক্লাস নিচ্ছি কীভাবে?’

৬। এক সাংবাদিক টেলিফোনে হুমায়ূন আহমেদের কাছে তার অবসর সময় কীভাবে কাটে জানতে চাইলেন। উত্তরে হুমায়ুন আহমেদ বললেন, ‘অবসর সময়ে আমি একটা কাঁচি নিয়ে বসি। কাঁচি দিয়ে কেটে সময় কাটাই!’

৭।গভীর রাতে হুমায়ূন আহমেদকে এক বিখ্যাত অভিনেতা ফোন করল। এত রাতে ফোন পেয়ে তিনি কিছুটা বিরক্ত।

অভিনেতা ফোন দিয়ে বললেন, হুমায়ূন ভাই আমার অবস্থা খুব খারাপ।

হুমায়ুন আহমেদ বললেন, কেন কী হয়েছে?

অভিনেতা বললেন, পেটে প্রচুর গ্যাস হয়েছে।

হুমায়ূন আহমেদ আরও বিরক্ত হয়ে বললেন, পেটে গ্যাস হয়েছে তো আমাকে কেন? তিতাস গ্যাসকে ফোন দেন।

৮।হুমায়ূন আহমেদ প্লেনে করে দেশের বাইরে যাচ্ছেন। ওনার সিগারেট খাওয়ার অভ্যাস সম্পর্কে তো কম বেশি সবারই জানা আছে। প্লেনের মধ্যে হঠাৎ তাঁর সিগারেট খাওয়ার নেশা চেপে বসলো।

হুমায়ূন আহমেদ এয়ার হোস্টেসকে ডেকে বললেন, ‘সিগারেট খাওয়া যাবে?’

এয়ার হোস্টেজ উত্তরে বললেন, ‘না। প্লেনের ভিতর ধুমপান করলে দুইশত ডলার ফাইন।'

হুমায়ূন আহমেদ চারশো ডলার দিয়ে বললেন, ‘আমি এখন দুইটা সিগারেট খাব।'

এয়ার হোস্টেস ছুটে গেল পাইলটের কাছে। পরে পাইলট হুমায়ূন আহমেদকে ডেকে পাঠালেন ককপিটে। তারপর বললেন, ‘ডলার দিতে হবে না। তুমি এখানে বসে সিগারেট খাও।’

৯। হুমায়ূন আহমেদের ৫২তম জন্মদিনের কথা। শাহবাগ থেকে তাজা দেখে ৫২টা গোলাপ নিয়ে হুমায়ূন আহমেদের বাড়ি গেলেন একজন। গিয়ে দেখলেন বগুড়া থেকে এক লোক এসেছেন। উনি হুমায়ূন আহমেদকে বলছেন, 'স্যার, আপনি চাইলে আমি আমার জান দিয়ে দিবো! আপনি আপনার নাটকে আমাকে একটা চান্স দেন।' হুমায়ূন আহমেদ তার সহকারীকে ডেকে বললেন, 'তুমি এর নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার লিখে রাখো তো। এ আমার জন্য জীবন দিতেও রাজি।' সহকারী সব টুকে নিলে চলে গেল।

এরপর হুমায়ূন আহমেদ ওই লোককে বললেন, 'তুমি বাড়ি ফিরে যাও। যদি কখনো কিডনি লাগে তো তোমাকে ফোন দিবো। চলে এসো।’

১০। হুমায়ূন আহমেদ চলচ্চিত্র বানাবেন। আগুনের পরশমণির প্রধান চরিত্র বদিউল আলমকে খুঁজছেন। একদিন শিল্পী ধ্রুব এষকে দেখে তিনি সেই চরিত্রের জন্য পছন্দ করে ফেললেন। কারণ, বদিউল আলমের নির্লিপ্ত ভঙ্গি ধ্রুব এষের মধ্যে পুরোপুরিই আছে। প্রস্তাব শুনে ধ্রুব এষ বললেন, ‘অসম্ভব! আমি জীবনে অভিনয় করিনি’। হুমায়ূন আহমেদ মুচকি হেসে বললেন, ‘তাতে কী? আমিও তো জীবনে সিনেমা বানাই নি!’

১১। ভীষণ গান ভালবাসতেন হুমায়ূন আহমেদ। বিভিন্ন সময় চমৎকার কিছু গান লিখেছেন। এর মধ্যে ‘যদি মন কাঁদে’ গানটি নিয়ে একটি মজার ঘটনা রয়েছে। নিউইয়র্কে একবার এই গানটি গেয়েছিলেন শাওন। সেখানে কয়েকজন দর্শক-শ্রোতা মন্তব্য করলেন ‘এই রবীন্দ্রসঙ্গীতটা তো আগে শুনিনি। এটা তো চমৎকার।’

এরপর হুমায়ূন আহমেদ মঞ্চে বক্তব্যের সময় বললেন, ‘যাক, এবার তবে রবীন্দ্রসঙ্গীতও লিখলাম।’

১২। একবার এক ব্যক্তি হুমায়ূন আহমেদকে বললেন, অমুক তো আপনাকে একেবারে ধুয়ে দিয়েছে। আপনার লেখায় নাকি শিক্ষামূলক কিছু নাই। শুনে হুমায়ূন আহমেদ বললেন, ‘ঠিকই তো বলেছে, আমি তো পাঠ্যবই লেখি না!’

১৩। সিনেমা তৈরির প্রয়োজনে হুমায়ূন আহমেদ একবার সেনাবাহিনীর প্রধানের সঙ্গে দেখা করতে তাঁর অফিসে গেছেন। কথা শেষ করে চলে আসার সময় হুমায়ূন আহমেদ হঠাৎ জানতে চাইলেন, ‘আপনাদের কোনো পুরোনো ট্যাংক আছে?’

: কেন বলুন তো?

: আমার একটা কেনার ইচ্ছা।

: ট্যাংক দিয়ে কী করবেন?

: ইউনিভার্সিটিতে ক্লাস নিতে হয়। ট্যাংকে করে গেলে অনেক সুবিধা, তাই...।

---আজ এই কিংবদন্তী লিখকের জন্ম দিন। এই দিনে তাঁর পারলৌকিক মঙ্গল কামনা করছি।

সুত্র-

http://www.earki.com/humor/article/

*হুমায়নআহমেদ* *রসিকতা* *রসবোধ* *জন্মদিন* *প্রেম* *ভালোবাসা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: তোমার প্রেমে বল পেয়েছি, তোমার প্রেমে সাহস; সবাইকে কই—আয় দেখি তুই, বাঘ অথবা যা হোস! হঠাৎ এল তোমার বাবা—হায় রে এ কোন ফাঁপর! ঊর্ধ্বশ্বাসে দৌড়টা দিয়ে হারিয়ে গেল কাপড়!

*দৌড়* *বাবা* *কাপড়* *প্রেম* *কবিতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: তুই যে আমার প্রাণের প্রিয়া,তুই যে আমার হৃদয়! তোর দেখা পাই যে-দিন আমি, সে-দিন আমার ঈদ হয়! হুট করে তুই করলি ব্রেকাপ,লাগিয়ে দিলি দুয়োর। দূর হয়ে যা সামনে থেকে ধুমসি,গাধা,শুয়োর!

*প্রেম* *প্রিয়া* *ঈদ* *শুয়োর* *গাধা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: প্রেম তো বড়ই পবিত্র চীজ এই দুনিয়ার মাঝার! বিয়ের আগেই প্রেম করি তাই একশো,দুশো,হাজার! শেষ বয়সে বিয়েয় বসে ভাঙল প্রেমের বাজার। বউকে এখন ভাল্লাগে না—কল্কে টানি গাঁজার!

*বউ* *প্রেম* *প্রেমিকা* *রসিকতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

লিটনের ফ্ল্যাট খালি আছে
চলো যাই ঘুরে আসি,
তোমার কী ভাল্লাগছেনা
বসে আছি পাশাপাশি?

সবসময় তো বসেই থাকি
করা হয় না কিছু,
বাজে চিন্তা মাথায় থাকলে
ছাড়ো আমার পিছু।

রাগ করো না প্রিয়া আমার
তুমিই আমার জান,
তাহলে এসব কথা বলে আর
কমিও না মান।

আমায় তুমি অবিশ্বাস কর
অথচ করবে বিয়ে,
বিশ্বাস করি প্রমাণ হবে
লিটনের ফ্ল্যাটে গিয়ে?

বিয়ের আগে সবার কিন্তু
এমন সুযোগ হয় না,
সত্যি বলতে মাঝে মাঝে
আমারও তর সয় না।

তাহলে আর দেরি কেন
চলো যাই আজি,
তুমি না বড্ড শয়তান
এত্তগুলা পাজি।

I N T E R V A L

স্যার,
সে আগে বলেছিল
করবে আমায় বিয়ে,
নিয়মিত করেছে ধর্ষণ
লিটনের ফ্ল্যাটে নিয়ে।

ধর্ষণ হয় জোর করে
আছে কী কোন প্রুফ?
এখনই তাকে ধরার জন্য
পাঠাইয়া দেই ট্রুপ।

হবু স্বামী আবদার করেছে
মেনে নিয়েছি দাবি,
বিশ্বাস করে ভেঙেছিলাম
সতীত্বের চাবি।

নিজের ইচ্ছায় সেক্স করলে
হয়না সেটা রেপ,
মুরুব্বীরা কইলে বল
জেনারেশন গ্যাপ।

আমি না হয় ভুল করেছি
তোমরা সতর্ক থাকো,
বিয়ের আগে লিটনের ফ্ল্যাটে
কখনো যেও নাকো।।

*লিটন* *ফ্লাট* *প্রেম* *ভালোবাসা* *ধর্ষন* *বাস্তবতা* *অবক্ষয়*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★