প্রেসিডেন্ট

প্রেসিডেন্ট নিয়ে কি ভাবছো?

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বসনিয়ার প্রেসিডেন্ট কতজন?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*বসনিয়া* *প্রেসিডেন্ট* *সাধারণজ্ঞান*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেবেন নতুন নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেসময় পরিবারের অন্তত দশ সদস্যকে নিয়ে প্রেসিডেন্টের বাসভবনে উঠবেন তিনি।

চলুন দেখে নেয়া যাক কাদের সঙ্গে থাকবেন ট্রাম্প: 

মেলানিয়া ট্রাম্প: স্লোভেনিয়ায় জন্ম নেয়া সাবেক মডেল মেলানিয়া এখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী। স্বাভাবিকভাবেই তিনি পাচ্ছেন ফাস্ট লেডির মর্যাদা। ২০০৫ সালে তাকে বিয়ে করার আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও দুটি বিয়ে করেছিলেন। তাদের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মেলানিয়ার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান ট্রাম্প। 

ব্যারন ট্রাম্প: এই দম্পতির একমাত্র পুত্র ১০ বছরের ব্যারন ট্রাম্প। যদিও নির্বাচনী প্রচারণার সময় তাকে ভালোভাবেই দেখা গেছে, তারপরেও দশ বছরের ব্যারনকে নজর থেকে দূরেই সরিয়ে রাখা হয়েছে। সে তার বাবার সঙ্গে গলফ খেলতে ভালোবাসে।

জারেড কুশনার: ডোনাল্ড ট্রাম্পের বড় মেয়ে ইভানকার স্বামী জারেড কুশনার। তিনি নিউইয়র্কের একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের মালিকের ছেলে এবং সাপ্তাহিক অবজারভার পত্রিকার মালিক।

ইভানকা ট্রাম্প: ডোনাল্ড ট্রাম্পের বড় মেয়ে, যাকে অনেকেই ভালোভাবে চেনেন। প্রথম স্ত্রী ইভানার মেয়ে। প্রথম দিকে তিনি মডেলিং করলেও, এখন তিনি ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ট্রাম্পের রিয়েলিটি শো অ্যাপ্রেন্টিসের একজন বিচারক। ইহুদি স্বামী জারেডকে ২০০৯ সালে বিয়ে করার পর তিনিও ইহুদি ধর্ম গ্রহণ করেন।

টিফান্নি ট্রাম্প: দ্বিতীয় স্ত্রী মারলা ম্যাপেলসের ঘরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় সন্তান। সাবেক অভিনেত্রী ও টিভি তারকা। নিজের লাইফস্টাইল নিয়ে টুইটার এবং ইন্সটাগ্রামের তার অনেক পোস্ট রয়েছে। নির্বাচনী প্রচারণার সময় তাকে খুব কমই দেখা গেছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র: ইভানা আর ডোনাল্ড ট্রাম্পের বড় ছেলে, ইভানকা ট্রাম্পের ভাই। তিনি ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট। বিভিন্ন সময় প্রাণী শিকারের পর সেগুলোর সঙ্গে ছবি তুলে তিনি সমালোচনার শিকার হয়েছেন।

ভেনেসা ট্রাম্প: ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের স্ত্রী। ২০০৫ সালের তাদের বিয়ে হয়। এই দম্পতির পাঁচটি সন্তান রয়েছে। ছোটবেলায় তিনি মডেলিং করতেন। একসময় লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিওর সঙ্গে তার প্রেম ছিলো। তিনি নিয়মিত শুটিং প্রাকটিস করেন।

কাই ট্রাম্প: ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র এবং ভেনেসা ট্রাম্পের বড় ছেলে। তার আরও চারজন ভাই বোন রয়েছে।

এরিক ট্রাম্প: ইভানা আর ডোনাল্ড ট্রাম্পের তৃতীয় সন্তান। তিনিও ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট। তিনি ট্রাম্প ওয়াইনারির প্রেসিডেন্ট এবং গলফ ক্লাবের দেখভাল করেন। ২০০৬ সালে তিনি এরিক ফাউন্ডেশন তৈরি করেন, যেটি শিশুদের জীবনের ঝুঁকি রয়েছে, এমন রোগ প্রতিরোধে গবেষণা করে। ভাইয়ের মতো তার বিরুদ্ধে বুনো প্রাণী শিকার আর সেগুলোর সঙ্গে ছবি তোলার অভিযোগ রয়েছে।

লারা ইয়োনাস্কা: এরিক ট্রাম্পের স্ত্রী। সাবেক টেলিভিশন প্রোডিউসার লারা ২০১৪ সালে এরিককে বিয়ে করেন। বিয়ের মাত্র দুই সপ্তাহ আগে ঘোড়ায় চড়তে গিয়ে তার দুই হাতের কজ্বি ভেঙ্গে যায়। যদিও তার স্বামীর বুনো প্রাণী শিকারের শখ রয়েছে, কিন্তু লারা প্রাণী রক্ষা বিষয়ক একজন আইনজীবী। তিনি ট্রাম্প ফাউন্ডেশনের সঙ্গেও জড়িত।

সূত্র: বিবিসি

*ফার্স্টফ্যামিলি* *ডোনাল্ডট্রাম্প* *প্রেসিডেন্ট*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে


গত শতাব্দীর শীর্ষস্থানীয় দার্শনিক এবং মনোবিজ্ঞানী উইলিয়াম জেমস খুব সুন্দরভাবে বলেছেন, আমার প্রজন্মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হলো, দৃষ্টিভঙ্গি বদলে একজন মানুষ পারে তার জীবনকে বদলে ফেলতে। এ কথার সত্যতা সম্বন্ধে এখন বিজ্ঞানীমহলেও মিলছে সমর্থন। নিউরোসায়েন্টিস্টরা বলেন, মানুষের মস্তিষ্কের রয়েছে যেকোনো চিন্তাকে বাস্তবায়িত করার এক অসাধারণ ক্ষমতা। মন ও মস্তিষ্কের সম্পর্ক নিয়ে দশকের পর দশকব্যাপী গবেষণার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে সাইকোনিউরো-ইমিউনলজি নামে বিজ্ঞানের নতুন শাখা ।

এ বিষয়ে ডা. অ্যালেন গোল্ডস্টেইন, ডা. জন মটিল, ডা. ওয়াইল্ডার পেনফিল্ড ও ডা. ই রয় জন দীর্ঘ গবেষণার পর বলেছেন, একজন প্রোগ্রামার যেভাবে কম্পিউটারকে পরিচালিত করে, তেমনি মন মস্তিষ্ককে পরিচালিত করে। মস্তিষ্ক হচ্ছে হার্ডওয়ার আর মন হচ্ছে সফটওয়ার। নতুন তথ্য ও নতুন বিশ্বাস মস্তিষ্কের নিউরোনে নতুন ডেনড্রাইট সৃষ্টি করে। নতুন সিন্যাপসের মাধমে তৈরি হয় সংযোগের নতুন রাস্তা। বদলে যায় মস্তিষ্কের কর্মপ্রবাহের প্যাটার্ন। মস্তিষ্ক তখন নতুন দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে নতুন বাস্তবতা উপহার দেয়। নতুন বাস্তবতা ভালো হবে না খারাপ হবে, কল্যাণকর হবে না ক্ষতিকর হবে তা নির্ভর করে মস্তিষ্কে দেয়া তথ্য বা প্রোগ্রাম এর ভালো-মন্দের উপর। কল্যাণকর তথ্য ও বিশ্বাস কল্যাণকর বাস্তবতা সৃষ্টি করে আর ক্ষতিকর তথ্য বা বিশ্বাস ক্ষতিকর বাস্তবতা উপহার দেয়। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায়, জীবনের নতুন বাস্তবতার চাবিকাঠি হচেছ দৃষ্টিভঙ্গি বা নিয়ত।

 

বিজ্ঞানীরা বলেন দৃষ্টিভঙ্গি দু’ধরনের।
১) প্রো-একটিভ।
২) রি-একটিভ।

জীবনকে বদলাতে হলে একজন মানুষকে জানতে হবে রি-একটিভ নয়, প্রো-একটিভ দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করতে হবে।

একজন প্রো-একটিভ মানুষের বৈশিষ্ট্য ৩ টি :
১. তারা উত্তেজিত বা আবেগপ্রবণ না হয়ে ঠান্ডা মাথায় চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত ও প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

২. তারা কি কি নেই তা নিয়ে হা হুতাশ না করে যা আছে তা নিয়েই সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করেন।

৩. তারা সাময়িক ব্যর্থতায় ভেঙে পড়েন না।

 

নিচের গল্পটি পড়ুন:


বাবা, ছেলে ও গাধার গল্প

বাবা ও ছেলে বিশেষ প্রয়োজনে বাড়ির পোষা গাধাটিকে বিক্রি করার জন্যে হাটের পথে যাত্রা শুরু করল। বাবা, ছেলে ও গাধা তিনজনই হেঁটে যাচ্ছে। কিছুদূর যাওয়ার পর তাদেরকে দেখে একজন বললো লোক দুটো কি বোকা। গাধা থাকতে হেঁটে যচ্ছে। একজন তো গাধার পিঠে উঠে আরাম করে যেতে পারে। বাবা ছেলেকে গাধার পিঠে উঠিয়ে দিলেন। ছেলে গাধার পিঠে আর বাবা হেঁটে চলছেন। কিছুদূর যাওয়ার পর আরেকজন বলল, কী বেয়াদব ছেলে। নিজে গাধার পিঠে আরাম করে যাচ্ছে আর বুড়ো বাপকে হাঁটিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এ মন্তব্য শোনার পর বাবা ও ছেলে স্থান পরিবর্তন করলো। বাবা গাধার পিঠে আর ছেলে হেঁটে। আরও কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পর আরেক ব্যক্তি মন্তব্য করল, কী নিষ্ঠুর পিতা! নিজে গাধার পিঠে আরাম করছে আর মাসুম বাচ্চাটাকে হাঁটিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এ মন্তব্য শোনার পর বাবা ও ছেলে দু’জনই গাধার পিঠে উঠল। গাধা চলতে শুরু করল। কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পর একজন পশুপ্রেমিকের নজরে পড়ল তারা। পশুপ্রেমিক তাদের দেখে আক্ষেপ করে বলতে শুরু করল, কী অত্যাচার! কী অবিচার! একটি গাধা তার উপর দুটি লোক!

বাবা ও ছেলে পড়ল সমস্যায়। কী মুশকিল! গাধার সাথে হেঁটে গেলে দোষ। ছেলে উঠলে দোষ! বাবা উঠলে দোষ! দু’জন উঠলে দোষ! এখন কি করা যায়? বাবা ছেলে দুজন মিলে নতুন এক বুদ্ধি বের করল। বাঁশ ও রশি জোগাড় করল। গাধার চার পা ভালো করে বাঁধল। তারপর পায়ের ফাঁক দিয়ে বাঁশ ঢুকিয়ে দিল। বাবা সামনে আর ছেলে পিছনে বাঁশ কাঁধে নিয়ে হাঁটতে শুরু করল। গাধা রইল ঝুলে। গাধাকে কাঁধে নিয়ে পুল পার হওয়ার সময় গাধা ভয় পেয়ে চিৎকার করে নড়ে উঠল। বাবা, ছেলে ও গাধা পড়ে গেল খালে। গাধার মেরুদণ্ড ভাঙল। বাবা ও ছেলের ভাঙল পা। গাধা আর বেচা হলো না। বাবা ও ছেলে আহত অবস্থায় ফিরে এল ঘরে।

 

এই বাবা-ছেলে হলেন রি-একটিভ। রি-একটিভ হলে নিয়ন্ত্রণ তখন নিজের হাতে থাকে না। নিয়ন্ত্রণ চলে যায় অন্যের হাতে। আপনি যখন অন্যের কথায় কষ্ট পান, অন্যের কথায় রেগে যান, অন্যের আচরণে ক্রোধে ফেটে পড়েন, অন্যের তোষামোদিতে উৎফুল্ল হয়ে ওঠেন, অন্যের চাটুকারিতায় গলে যান, অন্যের কথায় নাচেন, তখন নিয়ন্ত্রণ আর আপনার হাতে থাকে না। নিয়ন্ত্রণ চলে যায় অন্যের হাতে। গল্পের এ বাবা-ছেলের মতোই রি-একটিভ দৃষ্টিভঙ্গি সবসময় ব্যর্থতা, হতাশা ও অশান্তি সৃষ্টি করে।

প্রো-একটিভ অর্থ হচ্ছে যেকোনো পরিস্থিতিতে উত্তেজিত বা আবেগপ্রবণ না হয়ে ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা-ভাবনা করে সিদ্ধান্ত ও প্রদক্ষেপ গ্রহণ। প্রো-একটিভ অর্থ হচ্ছে অন্যের কাজের প্রতিক্রিয়া হিসেবে কোন কাজ বা আচরণ না করা। সর্বাবস্থায় নিজের লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে আচরণ ও কর্মপন্থা অবলম্বন করা। প্রো-একটিভ অর্থ হচ্ছে কি কি নেই তা নিয়ে হা-হুতাশ না করে যা আছে তা নিয়েই সুপরিকল্পিতভাবে কাজ শুরু করা। প্রো-একটিভ দৃষ্টিভঙ্গি সবসময় সাফল্য ও বিজয় ছিনিয়ে আনে।
প্রো-একটিভ মানুষই অন্যকে প্রভাবিত করে, পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণ করে নিজের পক্ষে নিয়ে আসতে পারে। এই জন্যেই মহামানবরা সবসময় প্রো-একটিভ ছিলেন। নবীজী (স)-র জীবন দেখুন। তিনি সবসময় প্রো-একটিভ ছিলেন। ফলে প্রভাবিত করতে পেরেছেন সবাইকে।

এক বৃদ্ধা প্রতিদিন নবীজী (স)-র পথে কাঁটা বিছিয়ে রাখত। উদ্দেশ্য নবীজীকে কষ্ট দেয়া। নবীজী (স) প্রতিদিন কাঁটা সরিয়ে পথ চলতেন। যাতে অন্যের পায়ে কাঁটা না বিঁধে। একদিন পথে কাঁটা নেই। দ্বিতীয় দিনও পথে কাঁটা নেই। নবীজী (স) ভাবলেন, একদিন হয়তো ভুল করে বৃদ্ধা কাঁটা বিছায় নি। দুই দিন তো ভুল হতে পারে না। নিশ্চয় বৃদ্ধা অসুস্থ। তিনি খোঁজ নিলেন। বৃদ্ধা ঠিকই গুরুতর অসুস্থ। আমরা হলে হয়তো বলতাম, ‘বেটি বুড়ি আমার পথে কাঁটা বিছিয়েছিস! আল্লাহ তোকে উপযুক্ত শাস্তি দিয়েছে।’ কিন্তু নবীজী বৃদ্ধার প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করলেন। তার চিকিৎসা ও সেবা শুশ্রূষার ব্যবস্থা করলেন। বৃদ্ধা সুস্থ হয়ে উঠলেন।

 

সুস্থ হওয়ার পর বৃদ্ধার মনে প্রশ্ন জাগল, যাদের কথায় নবীর পথে কাঁটা বিছিয়েছি, তারা তো কেউ আমাকে দেখতে আসে নি। বরং যাকে কষ্ট দেয়ার জন্যে কাঁটা বিছিয়েছি, তিনিই আমার সেবা শুশ্রূষার ব্যবস্থা করলেন। মানুষ হিসেবে নবীজীই ভালো মানুষ। বৃদ্ধা নবীজীর ধর্ম গ্রহণ করলেন। নবীজী (স) প্রো-একটিভ ছিলেন বলেই বৃদ্ধাকে প্রভাবিত করতে পেরেছিলেন। বৃদ্ধা যা-ই করুক না কেন, বৃদ্ধার আচরণ দ্বারা নবীজী (স) প্রভাবিত হন নি। নবীজী (স) বৃদ্ধার সাথে সেই আচরণই করেছেন, যা তিনি সঙ্গত মনে করেছেন। সে কারণেই বিরুদ্ধাচরণকারী বৃদ্ধা নবী অনুরাগীতে রূপান্তরিত হলো।

 

তারা কি কি নেই তা নিয়ে হা হুতাশ না করে যা আছে তা নিয়েই সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করেন।

 

এক ছিলো বুড়ি। তার দুটিই মেয়ে। বড় মেয়ের জামাই একজন ছাতা বিক্রেতা। আর ছোট মেয়ের জামাই সেমাই বানিয়ে বিক্রি করে। এই বুড়িকে কেউ কখনো হাসতে দেখে নি। সারাক্ষণই সে শুধু কাঁদতো। যখন রোদেলা দিন তখন বড় মেয়ের কথা মনে করে। আর বৃষ্টির দিনে ছোট মেয়ের কথা মনে করে। কারণ রোদ হলে বড় মেয়ের জামাইয়ের ছাতার বিক্রি তেমন ভালো হয় না। আর গ্রীষ্ম ফুরিয়ে বৃষ্টির দিন যখন আসে তখন আবার ছোট মেয়ের জামাইয়ের ব্যবসায় মন্দা যায়। দুই মেয়ের কথা ভেবে রোদ বা বর্ষা কোনোসময়ই তার কোনো সুখ ছিলো না।

একদিন এক সাধুর সাথে তার দেখা হলো। সাধু যখন জানতে চাইলেন সে কেন এভাবে সবসময় কাঁদে। সে ঘটনা বললো। সাধু বললেন, এখন থেকে তুমি তোমার চিন্তাটাই বদলে ফেলো। রোদের দিন তুমি তোমার বড় মেয়ের কথা ভাববে না। ভাববে ছোট মেয়ের কথা। কত সুন্দর করে সে এই চমৎকার রোদে সেমাই শুকোচ্ছে। আর গ্রীষ্ম শেষে যখন বর্ষা আসবে, ভাববে বড় মেয়ের কথা। যে এখন দেদারসে ছাতা বিক্রি করছে। তখন ছোট মেয়ের কথা মনে করার দরকার নেই।

বুড়ি তাই করলো। সমাধানও হয়ে গেলো তাড়াতাড়ি। এখন আর তাকে কাঁদতে হয় না।

 

২১ বছর বয়সে তিনি ব্যবসায়ে লস করেন। ২২ বছর বয়সে তিনি রাজনীতিতে পরাজিত হন। ২৩ বছর বয়সে আবারও ব্যবসায়ে লস করেন। ২৬ বছর বয়সে হারান প্রিয়তমা স্ত্রীকে । ২৭ বছর বয়সে তার নার্ভাস ব্রেকডাউন হয়। ৩৪ বছর বয়সে কংগ্রেস নির্বাচনে হেরে যান। ৪৫ বছর বয়সে সিনেট নির্বাচনে হেরে যান। ৩৭ বছর বয়সে ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হলো। ৪৯ বছর বয়সে আবারও সিনেট নির্বাচনে পরাজিত হন। এবং ৫২ বছর বয়সে তিনি হন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট।

 

তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন। এতগুলো হারের পরও যিনি কখনো ভাবেন নি, রাজনীতি আমার জন্যে নয়। আর তাইতো তিনি হতে পেরেছিলেন আমেরিকার সর্বকালের ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত প্রেসিডেন্টদের একজন।
সফল মানুষদের জীবনে বাধা বা প্রতিকূলতা নেই, এ কথাটি ঠিক নয়। বরং তাদের জীবনে বাধা বা সমস্যা সাধারণ মানুষদের চেয়েও বেশি এবং বিচিত্রতর। কিন্তু তাদের তফাৎ হচ্ছে তারা কখনো বাধার মুখে ভেঙে পড়েন না। বাধাটাকে জয় করেন।
আসলে কোনো পরাজয়ই পরাজয় নয়, যদি তা মানসিকভাবে আপনাকে পরাজিত করতে না পারে। প্রো-একটিভ মানুষেরা এ সত্যটিই উপলব্ধি করেন এবং সাময়িক ব্যর্থতায় ভেঙে না পড়ে কাজ করে যান। ফলে তারা লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেন।

 

সুতরাং আপনি যেখানে আছেন সেখান থেকেই শুরু করুন। যা আছে তা নিয়েই শুরু করুন। সাময়িক ব্যর্থতায় মুষড়ে পড়বেন না। নেতিবাচক লোকদের কথায় প্রভাবিত হবেন না। আপনি জয়ী হবেনই।

*বেশটেক* *মানসিক* *দৃষ্টিভঙ্গি* *চেতনা* *সমাজ* *বাস্তবতা* *বেশম্ভব* *আব্রাহামলিংকন* *প্রেসিডেন্ট*

নিরাপদ নিউজ: ১০৬ বছর বয়সে কোমর দুলিয়ে চমকে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ওবামা ও মিশেলকে [ভিডিওসহ] রোববার হোয়াইট হাউজ থেকে এ ঘটনার একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, ম্যাকলরিন দুই হাত প্রসারিত করে ওবামাকে স্বাগত জানাচ্ছেন... বিস্তারিত- http://www.nirapadnews.com/2016/02/22/news-id:132734/

*প্রেসিডেন্ট* *ওবামা* *মিশেলওবামা* *যান্ত্রিকজীবন* *আড্ডা* *বিনোদন*

Risingbd.com: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

প্রেসিডেন্ট এর চেয়েও বেশি কিছু তিনি ...!!! আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা
ক্যালিফোর্নিয়ায় এক বিয়ের আসরে যোগ দিয়ে পুরো বিয়েবাড়িকেই চমকে দিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বিয়েবাড়িতে এমন এক অপ্রত্যাশিত অতিথির আগমন কখনও ভাবতেই পারেননি নবদম্পতি স্টিফানি আর ব্রায়ানও।- http://bit.ly/1Pus48Y
*আমেরিকা* *প্রেসিডেন্ট* *বিয়ে* *চমক* *ভাগ্য*

Risingbd.com: ওবামাকে নিয়ে ‘ভয়ংকর’ গুজব (ভিডিও) ২৪ জুলাই কেনিয়া সফরে যান ওবামা। সেই দিন নাইরোবিতে অবতরণের পর বিমানবন্দরের ভেতরে অভ্যর্থনাকারীদের সঙ্গে করমর্দন করছিলেন ওবামা। তখনই ঘটে যায় ভয়ংকর সেই ঘটনা...বিস্তারিত - http://bit.ly/1EhsdUP

*ওবামা* *প্রেসিডেন্ট* *গুজব* *বারাক-ওবামা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে



যিনি ছোটবেলায় রাস্তায় কফি আর কলা ভাজা বিক্রি করতো ছেলেটি। কুকুরকে ভীষণ ভয় পেত সে। পথে কোনো কুকুর দেখলেই ভয়ে দৌড়াতে শুরু করতো। এই ভয়
তাকে অস্থির করে তুলতো। প্রচণ্ড ভয় পেয়ে একদিন হঠাৎ ছেলেটি প্রতিজ্ঞা করলো আর ভয় পাবে না সে। সিদ্ধান্ত হলো- যখনই কুকুর দেখবে তখনই চোখ
রাঙিয়ে তাকিয়ে থাকবে। সিদ্ধান্ত কাজে দিল। এই সিদ্ধান্তই পাল্টে দিলো তার জীবনের মোড়। কারো রক্তচক্ষুই আর ভয় পেত না ছেলেটি। কোনো সমস্যা এলে ভয় পেয়ে তা থেকে পালিয়ে না গিয়ে তাকে মোকাবিলা করা, সমস্যা উৎস
খুঁজে বের করা পরিণত হয় তার স্বভাবে। এবং এই মন্ত্রই তাকে পৌছেঁ দেয় সাফল্যের চূড়ায়।যার কথা বলছি তিনি আর কেউ নন,তিনি আধুনিক মালয়েশিয়ার রূপকার ডাঃ মাহাথির মোহাম্মদ।

মাহাথিরের পূর্বপুরুষ চট্টগ্রামের! চট্টগ্রাম জেলার উত্তরাংশে রাঙ্গুনিয়া উপজেলাধীন
চন্দ্রঘোনা ও কাপ্তাইগামী সড়কের সামান্য পূর্বে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত একটি প্রসিদ্ধ গ্রাম মরিয়ম নগর। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে এ গ্রামের এক যুবক ব্রিটিশ শাসিত মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান। তিনি ছিলেন জাহাজের নাবিক মালয়েশিয়ায় আলোর সেতার গিয়ে এক মালয় রমনীর সঙ্গে সম্পর্কে আবদ্ধ হন। তাদের ঘরেই জন্ম নেয় বিখ্যাত মাহাথিরের পিতা মোহাম্মদ ইস্কান্দার। এ সূত্রে মাহাথিরের রক্তে মিশে আছে বাংলাদেশের রক্ত।বাংলাদেশের ফজলি আম আর দই তার প্রিয় খাবার।

১৯৮১ সালের ১৬ জুলাই ৫৫ বছর বয়সে মালয়েশিয়ার চতুর্থ প্রধানমন্ত্রী হন ড. মাহাথির মোহাম্মদ।আর দশজন প্রধানমন্ত্রীর মতো তিনি ছিলেন না। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি এদিক- ওদিক ঘুরে বেড়াই। দেহরক্ষী আছে তবে তাদের অনেক
দূরে থাকতে হয়। আমি মনে করি, যেসব নেতা জনগণ থেকে শারীরিকভাবে বিচ্ছিন্ন
থাকেন, আমি তাদের মতো নই। আমি একজন সাধারণ মানুষ হয়ে থাকতেই পছন্দ করি। পছন্দ করি নিজে বাজার করতে। সবার সাথে মিশে কফি পান আমার
পছন্দ।’ মাহাথিরই পৃথিবীর একমাত্র প্রধানমন্ত্রী যিনি নিজের নাম লেখা ব্যাজ পরতেন।

‘আমাকে দশজন যুবক দাও, তাহলে আমি সারা বিশ্বকে তোলপাড় করে দেব’- বলেছিলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট সুকর্ণ। কিন্তু মাহাথিরের কাছে ব্যাপারটি ছিল - ‘ দশজন যুবক দেওয়া হলে মালয়ীদের সাথে নিয়ে আমি বিশ্বজয় করে ফেলবো।’ বাস্তাবে হয়েছেও তাই। মালয়েশিয়ার নতুন প্রজন্মকে তিনি স্বদেশপ্রেমে
এমনভাবে উদ্বুদ্ধ করেছেন যে, তারা নিজেদের জীবন বাজি রেখে দেশকে উন্নতির শিখরে পৌছেঁ দিয়েছেন।নিরহংকারী এই মানুষটি বলেছিলেন, "জনগণ আমাকে ভুলে গেলেও আমার কোনো দুঃখ থাকবে না। মন্দটাই মনে রাখে মানুষ। ভালোটা হাড়গোড়ের সঙ্গে মাটিতে মিশে যায়। জনগণ আমাকে মনে রাখল কি রাখল না তাতে আমার কিছুই যায় আসে না। "

আশা করি চমৎকার এই মানুষটির মতো এদেশেরও একদিন কেউ হাল ধরবেন। পরিবর্তন আসবে এ দেশের। সে দিনের অপেক্ষায় রইলাম আমরা সবাই .
*মহাননেতা* *প্রেসিডেন্ট* *আদর্শ* *নেতা*
*প্রেসিডেন্ট* *আদর্শ* *নেতা*

শওকত জামান (জিবন): একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 একটা কনফিউজিং প্রশ্ন রাখলাম ! বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে ? ;)

উত্তর দাও (৬ টি উত্তর আছে )

*প্রেসিডেন্ট* *১মপ্রেসিডেন্ট*

পাগলী: ১. আব্রাহাম লিংকন কংগ্রেসে নির্বাচিত হন ১৮৪৬ সালে। কংগ্রেসে নির্বাচিত হন ১৯৪৬ সালে। ঠিক ১০০ বছর পরে ! ২. আব্রাহাম লিংকন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ১৮৬০ সালে। জন এফ কেনেডি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ১৯৬০ সালে। ঠিক ১০০ বছর পর ! ৩. দুজনেই তাঁদের সন্তানদের হারান হোয়াইট হাউজে থাকাকালীন সময়ে। ৪. দুজনেই শুক্রবারে আত্মীয়র হাতে খুন হন। (নিচেদেখ)

*কাকতালীয়* *পুনরাবৃত্তি* *প্রেসিডেন্ট* *কাকতালীয়*
জোকস

কবি: একটি জোকস পোস্ট করেছে

মজা পাইলাম...!
*জোকস* *জিয়া* *প্রথমপ্রেসিডেন্ট* *প্রেসিডেন্ট*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★