ফতুয়া

ফতুয়া নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বৈশাখে কালবৈশাখীর দাপট চোখে না পড়লেও গ্রীষ্মের এই সময়টা গরম যে দাপট দেখাচ্ছা তা নেহাত কম নয়! বাইরে বের হলেই প্রচণ্ড তাপদাহ। অল্প একটু সময় বাইরে থাকলেই ঘেমে-নেয়ে একাকার অবস্থা। পোশাক ভিজে বিশ্রী পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে যখন তখন। এমন দিনে তাই মোটা কাপড় পরার প্রশ্নই আসে না। এমনকি পাতলা টি-শার্টেও কষ্ট হয় তীব্র গরমে। গরমের এমন তীব্রতায় স্বাচ্ছন্দ্যে পরার জন্য বেছে নিতে পারেন ফতুয়া।

ফ্যাশন হাউজ ও ফতুয়া:


গরমে আরামের কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যেই দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলো নানা রকম ফতুয়া এনেছে বাজারে। রঙ-বর্ণ ও ডিজাইন বৈচিত্র্যে পরিপূর্ণ একটি ফতুয়া কিনে ফেলতে পারেন এখনই। তীব্র গরমের দিনগুলো কাটাতে পারেন দারুণ আরামে। তবে বেশকিছু ফ্যাশন হাউস ফতুয়া এবং পাঞ্জাবির সংমিশ্রণে বাজারে এনেছে ফতুঞ্জি। আপনার জন্য বেছে নিতে পারেন এটিও। যেহেতু গ্রীষ্মকাল চলছে তাই ফতুয়ার ধরন ও বৈচিত্রে না পরিবর্তন আনা হয়েছে। বাজারে আনা নতুন ফতুয়ার রঙের ক্ষেত্রে সাদাকে পাধান্য দেওয়া হয়েছে। অনেক ফ্যাশন হাউজ এ সময়ের ফতুয়ার জন্য কাপড় হিসেবে পাতলা সুতি কাপড়ে বেছে নিয়েছে। এতে গরমের যন্ত্রণা থেকে যেমন রেহাই পাওয়া যাবে, তেমনি পাওয়া যাবে দারুণ আরামও।

ফতুয়াটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন


তরুণ-তরুণী ও শিশু, সবার জন্যই ফতুয়া আনছে দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলো। ফতুয়ার আরাম থেকে বঞ্চিত হবেন না মুরব্বিরাও। তরুণদের জন্য সব সময়ের মতো জনপ্রিয় ডিজাইনগুলোই থাকছে। তরুণীদের ফতুয়ার ক্ষেত্রে শর্ট ও কিছুটা লং কাটের ফতুয়া আনা হয়েছে। বয়স্কদের ফতুয়ার ক্ষেত্রে রঙচঙে কিছুটা গম্ভীরতা আনা হয়েছে। যাতে বয়সের সঙ্গে যথাযথভাবে খাপ খাইয়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রিন্ট ও অ্যাম্ব্রয়ডারিতেও দেয়া হয়েছে বাড়তি মনোযোগ। রঙের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি ও দৃষ্টিনন্দনভাবে তুলে ধরা হয়েছে শিশু ও তরুণীদের ফতুয়ায়।

ফতুয়াটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন

দরদাম:

ফতুয়াটি কিনুন

সুতি কাপড়ের প্রিন্ট বা অ্যাম্ব্রয়ডারি করা প্রতিটি ফতুয়ার দাম আপনার হাতের নাগালেই। অ্যাম্ব্রয়ডারির চেয়ে প্রিন্ট করা ফতুয়াগুলো কিনতে আপনাকে খরচ করতে হবে কিছুটা কম মূল্য। ছেলেদের প্রতিটি ফতুয়ার দাম পড়বে ৫৫০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। মেয়েদের ক্ষেত্রে দাম কিছুটা বাড়বে। খরচ করতে হবে ৬০০ টাকা থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত।

কোথায় পাবেন:

ফতুয়া কেনার জন্য আপনার সেরা বাজার হতে পারে আজিজ সুপার মার্কেট। এ ছাড়াও পাবেন বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক, নিউমার্কেটসহ প্রায় সবগুলো বিপনীবিতানে। এ ছাড়া যে কোনো দেশীয় ফ্যাশন হাউসের যে কোনো শাখায় যেতে পারেন ফতুয়া কিনতে। আর যারা গরমে বাড়তি ঘাম না ঝরিয়ে বাসায় বসেই ফতুয়া কিনতে চান তারা ঢুঁ মারতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপ আজকের ডিলের ওয়েব সাইটে। তাদের কাছে ছেলেদের ও মেয়েদের বিভিন্ন ধরনের ফতুয়ার কালেকশন রয়েছে। সেখান থেকে দেখেশুনে বাছাই করে আপনার পছন্দেরটি কিনে নিতে পারেন। 

*ফতুয়া* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আর মাত্র ক’টা দিনের অপেক্ষা! তার পরেই আনন্দে ভাসিয়ে দিতে বাংলা নববর্ষের আগমন ঘটবে। প্রশ্ন হলো এবারের বৈশাখে কী পরছেন? পাঞ্জাবী, টি-শার্ট নাকি ফতুয়া? একটু ভেবে নিন এই বৈশাখের কড়া রোদে আরাম করে ঘুরতে হলে কোনটির বেশি প্রয়োজন? আমি অবশ্য ফতুয়াকেই এগিয়ে রাখবো কারণ বৈশাখী উৎসবের কয়েকটা দিন ভালো ভাবে আরাম করে উদযাপনের জন্য বাঙ্গালিয়ানা ফতুয়ার বিকল্প নেই। আর তাই ফ্যাশন হাউজ গুলো বৈশাখী চাহিদার বিষয় মাথায় রেখে  তাদের সংগ্রহে রেখেছে বিভিন্ন রং ও নানা ধরনের ফতুয়া। পাশাপাশি কাটছাঁটেও নিয়ে এসছে এসেছে ভিন্নতা। এই বৈশাখে ছেলে মেয়ে  উভয়ই নিজেকে রাঙিয়ে নিতে বেছে নিতে পারেন আপনার পছন্দের আরামদায়ক ফতুয়া।
(কনটেন্টটির ছবিগুলোতে ক্লিক করে পছন্দের ফতুয়া কিনে নিতে পারবেন)
 
ফতুয়া ফ্যাশন:
বাহারি কাজ, আরামদায়ক কাপড় আর দামও হাতের নাগালে থাকার কারণে ফ্যাশন সচেতন ছেলে মেয়েদের বৈশাখী পোশাকের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে ফতুয়া। অনেকর মতে বৈশাখের এই সময়টাতে যে আবহাওয়া চলে তাতে সুতি কাপড়ের কোনো বিকল্প নেই। আর এই গরমে সুতির কাপড়ে তৈরি ফতুয়াই আরামদায়ক।
ফতুয়াটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
জিন্স বা গ্যাবারডিনের প্যান্টের সঙ্গে ফতুয়া এখন তরুণীদের পছন্দের ফ্যাশন। ইদানীং কামিজ ধাঁচের লম্বা ফতুয়ার পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে নানা রকম ফিতা দিয়ে ডিজাইন করা ফতুয়াগুলো। দৈহিক গড়ন ও বয়স বুঝে ফতুয়া বেছে নিলে সেটা হবে আপনার স্টাইলিশ ফ্যাশনের অন্যতম অংশ। যাদের স্বাস্থ্য কিছুটা ভালো তাদের জন্য লম্বা ফতুয়া বেছে নেওয়া উচিত। তাছাড়া নিচের দিকে কিছুটা ছড়ানো এবং দু’পাশে কাটা আছে এমন ফতুয়া তাদের দৈহিক গঠনের সঙ্গে মানানসই। অন্যদিকে যারা কিছুটা শুকনা তাদের জন্য দু’পাশে কাটা ছাড়া এবং ছড়ানো ফতুয়া পরা ভালো।
 
যারা প্রিন্টেড লেগিংস বা পালাজ্জো পরেন তারা অবশ্যই এক রংয়ের ফতুয়া কেনায় পাধান্য দিবেন। যারা একটু মোটা তারা প্রিন্টের ফেব্রিকের ফতুয়া পরতে পারেন। এতে তাদের গড়ন কিছুটা স্বাভাবিক মনে হবে। অন্যদিকে যারা শুকনা তারা একরঙা বা কাজ করা ফতুয়া পরতে পারেন। বৈশাখে সুতি কাপড়ের উপর ব্লক, বাটিক, হাতের কাজ ইত্যাদির ফতুয়া বেশি জনপ্রিয়। পশ্চিমা  এই ফ্যাশনটিকে বৈশাখ উপলক্ষে দেশীয় আমেজে ফুটিয়ে তোলা  হয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমা স্টাইলের সঙ্গে এতে ব্যবহার করা হয়েছে দেশীয় রং, মোটিফ আর কাপড়। দুই ধারার ডিজাইনের এই মেলবন্ধন এবারের বৈশাখী ফ্যাশনে বেশ গ্রহণযোগ্যতা পাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। 
ফুতয়াটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
কোথায় পাবেন:
রাজধানীসহ দেশের ছোট বড় প্রায় সব মার্কেটেই বিভিন্ন ধরনের ফতুয়া পাওয়া যায়। রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট, বসুন্ধরা সিটি, নিউ মার্কেট, গাউছিয়া, বদরুদ্দোজা মার্কেটগুলোতে তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে এই পোশাক। তবে বৈশাখী ফতুয়ার বাহারি কালেকশন দেখতে হলে ঢুঁ মারতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলের ওয়েব সাইটে। ঘরে বসে বৈশাখী ফতুয়া কিনতে আজকের ডিল হতে পারে আপনার বিশ্বস্থ সঙ্গী। আজকের ডিল থেকে ফতুয়াসহ সব ধরনের বৈশাখী অনুসঙ্গ কিনতে এখানে ক্লিক করুন। 
*ফতুয়া* *বৈশাখীফ্যাশন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★