ফরমালিন

ফরমালিন নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ফরমালিনমুক্ত আম চেনার উপায় কি?

উত্তর দাও (৫ টি উত্তর আছে )

.
*ফরমালিন* *আম*

নিরাপদ নিউজ: [গ্রীষ্ম-আমকাঁঠালেরমাস]জেনে রাখুন কোন কোন ফলে ফরমালিন মেশানো যায় না জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ফুড সেফটি ল্যাবরেটরিতে ২৭টি ফলের নমুনা পরীক্ষা করেছে। এর মধ্যে ১৬টি নমুনা আমের, ৬টি লিচুর ও কলা, খেজুর, আঙুর, আপেল ও মাল্টার একটি করে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এসব নমুনায় ফরমালডিহাইডের উপস্থিতি পাওয়া গেছে... তাহলে জেনে নিন কোনগুলোতে ফরমালিন মেশানো যায় না - http://www.nirapadnews.com/2016/04/17/news-id:146975/

*ফরমালিন* *ফরমালিন_মেশানো_যায়_যেসব_ফলে* *আড্ডা* *হেলথটিপস* *ফরমালিন_ফ্রী_ফল*

ঈশান রাব্বি: খাদ্যে ফরমালিন ভালবাসায় ও ফরমালিন। আজকাল মোবাইলে ভাইরাসের আক্রমণ খুব বেশী। জাতি করবে টা কি? সরকারের কাছে জাতির প্রশ্ন এটাই (ভেঙ্গানো)

*ফালতুপোস্ট* *ফরমালিন* *জাতি* *সরকার*
ছবি

নাবিক সিনবাদ: ফটো পোস্ট করেছে

মো আকছাদুর রহমান: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 খাবারে ফরমালিন মেশালে কি ফাঁসি হওয়া উচিত না?

উত্তর দাও (৬ টি উত্তর আছে )

*ফরমালিন* *আইন*

সাইফ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ফর্মালিন (-CHO-)n হল ফর্মালডিহাইডের (CH2O) পলিমার। ফর্মালডিহাইড দেখতে সাদা পাউডারের মত। পানিতে সহজেই দ্রবনীয়। শতকরা ৩০-৪০ ভাগ ফর্মালিনের জলীয় দ্রবনকে ফর্মালিন হিসাবে ধরা হয়। ফর্মালিন সাধারনত টেক্সটাইল, প্লাষ্টিক, পেপার, রং, কনস্ট্রাকশন ও মৃতদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ফরমালিনে ফরমালডিহাইড ছাড়াও মিথানল থাকে, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। লিভার বা যকৃতে মিথানল এনজাইমের উপস্থিতিতে প্রথমে ফরমালডিহাইড এবং পরে ফরমিক এসিডে রূপান্তরিত হয়। দুটোই শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

ফরমালিন কি:

ফরমালিন হল এক ধরনের কেমিক্যাল রসায়ন বিজ্ঞানের ভাষায় মিথান্যাল আর অ্যালকোহল এর জলীয় দ্রবণ। এটি সাধারণত মেডিক্যাল সাইন্স ও বায়োলজি এর বিভিন্ন ল্যাব গুলোতে নানা জীবজন্তুর বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংরক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হয়। ফরমালিনের খুব কাছাকাছি আর একটি জিনিস আছে নাম ফরমিক এসিড যা পিঁপড়ার কামড়ে থাকে। প্রিয় পাঠক পিঁপড়া কিন্তু তাঁর খাবার সংরক্ষণ করে অনেকটা অসাধু ব্যাবসায়িদের মত ফরমালিন এর কাছা কাছি একটা জিনিস দিয়ে।

ফরমালিন এ কি হয়:

এক কেজি মাছে যে পরিমাণ ফরমালিন দেওয়া হয় সেটা যদি সবচেয়ে কম করেও ধরি, তাহলে তা প্রায় কয়েক শত কোটি বড় লাল পিঁপড়ার কামড়ের ফরমিক এসিড থেকে অনেক বেশী। তাই, একবার ভাবুন, একটা বড় লাল পিঁপড়া কামড় দিলে শরীরের কি অবস্থা হয়! যদি শত শত কোটি পিঁপড়া কামড় দিত তাহলে কি হত? আর খাবারের সাথে ফরমালিন খাবার ফলে তা হজমের সময় রক্তে চলে যায় এবং ধীরে ধীরে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ যেমন পাকস্থলী, লিভার, কিডনি ইত্যাদি কে অকার্যকর করে ফেলে। এমনকি ক্যান্সারের মত মারাত্নক রোগ হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়িয়ে দেয় কয়েকশত গুন।

ফরমালিন সনাক্তকরণ কিটবক্স’:

বতর্মানে সারাদেশে বিভিন্ন বাজার ও প্রতিষ্ঠানে ৮৭টি ফরমালিন সনাক্তকরণ কিটবক্সরয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। খাদ্য মন্ত্রণালয় এই কিটবক্স বিতরণ করে।

চার অর্থবছরে ফরমালিন আমদানি:

ফরমালিন প্রধানত গবেষণার কাজে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ওষুধ শিল্পে ব্যবহার করা হয়। কোনো এজেন্টের মাধ্যমে ফরমালিন আমদানি করা হয় না। গত চার অর্থবছরে দেশে প্রায় ১১০০ টন ফরমালিন আমদানি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

ফরমালিনের ক্ষতিকর দিক:

ফরমালডিহাইড চোখের রেটিনাকে আক্রান্ত করে রেটিনার কোষ ধ্বংস করে। ফলে মানুষ অন্ধ হয়ে যেতে পারে।

তাৎক্ষণিকভাবে ফরমালিন, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, কারবাইডসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহারের কারণে পেটের পীড়া, হাঁচি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, বদহজম, ডায়রিয়া, আলসার, চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগ হয়ে থাকে।

ধীরে ধীরে এসব রাসায়নিক পদার্থ লিভার, কিডনি, হার্ট, ব্রেন সব কিছুুকে ধ্বংস করে দেয়। লিভার ও কিডনি অকেজো হয়ে যায়। হার্টকে দুর্বল করে দেয়। স্মৃতিশক্তি কমে যায়।

ফরমালিনযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করার ফলে পাকস্থলী, ফুসফুস ও শ্বাসনালিতে ক্যান্সার হতে পারে। অস্থিমজ্জা আক্রান্ত হওয়ার ফলে রক্তশূন্যতাসহ অন্যান্য রক্তের রোগ, এমনকি ব্লাড ক্যান্সারও হতে পারে। এতে মৃত্যু অনিবার্য।

মানবদেহে ফরমালিন ফরমালডিহাইড ফরমিক এসিডে রূপান্তরিত হয়ে রক্তের এসিডিটি বাড়ায় এবং শ্বাস-প্রশ্বাস অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করে।

ফরমালিন ও অন্যান্য কেমিক্যাল সামগ্রী সব বয়সী মানুষের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ। তবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ শিশু ও বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে। ফরমালিনযুক্ত দুধ, মাছ, ফলমূল এবং বিষাক্ত খাবার খেয়ে দিন দিন শিশুদের শারীরিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়ে যাচ্ছে। কিডনি, লিভার ও বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নষ্ট, বিকলাঙ্গতা, এমনকি মরণব্যাধি ক্যান্সারসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে শিশু-কিশোররা। শিশুদের বুদ্ধিমত্তা দিন দিন কমছে।

গর্ভবতী মেয়েদের ক্ষেত্রেও মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে। সন্তান প্রসবের সময় জটিলতা, বাচ্চার জন্মগত দোষত্রুটি ইত্যাদি দেখা দিতে পারে, প্রতিবন্ধী শিশুর জন্ম হতে পারে।

এ ধরনের খাদ্য খেয়ে অনেকে আগের তুলনায় এখন কিডনি, লিভারের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগের সমস্যায় ভুগছেন। দেখা যাচ্ছে, কয়েক দিন পরপর একই রোগী ডায়রিয়ায় ভুগছেন, পেটের পীড়া ভালো হচ্ছে না, চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

কিভাবে মাছ থেকে ফর্মালিনের দূর করবেন:

পরীক্ষায় দেখা গেছে পানিতে প্রায় ১ ঘন্টা মাছ ভিজিয়ে রাখলে ফর্মালিনের মাত্রা শতকরা ৬১ ভাগ কমে যায়।

লবনাক্ত পানিতে ফর্মালিন দেওয়া মাছ ১ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখলে শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ ফর্মালিনের মাত্রা কমে যায়।

প্রথমে চাল ধোয়া পানিতে ও পরে সাধারন পানিতে ফর্মালিন যুক্ত মাছ ধুলে শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ ফর্মালিন দূর হয়।

সবচাইতে ভাল পদ্ধতি হল ভিনেগার ও পানির মিশ্রনে (পানিতে ১০ % আয়তন অনুযায়ী) ১৫ মিনিট মাছ ভিজিয়ে রাখলে শতকরা প্রায় ১০০ ভাগ ফর্মালিনই দূর হয়।

কিভাবে ফল ও সবজি থেকে ফর্মালিনের দূর করবেন:

খাওয়ার আগে ১০ মিনিট গরম লবণ পানিতে ফল ও সবজি ভিজিয়ে রাখতে হবে।

*ফরমালিন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★