ফিটনেস

ফিটনেস নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বডি ফিটনেস ধরে রাখতে কী করণীয়?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*বডিফিটনেস* *ফিটনেস*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ব্যায়াম শুরু করার কিছুদিনের মধ্যে ওজন কমার বদলে উল্টো বাড়তে থাকে কেন?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*ব্যায়াম* *এক্সারসাইজ* *ফিটনেস* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পেটের চর্বি কমানোর সবচেয়ে ভাল এক্সারসাইজ হলো প্লাঙ্ক। শুধু তাই নয়, এই বিশেষ ব্যায়ামের রয়েছে অন্য অনেক সুবিধেও। আর তাই আজকাল সেলেব্রেটি থেকে আমজনতা সবারই পছন্দের এই ব্যায়াম হচ্ছে প্লাঙ্ক। 

বাসায় যেভাবে এই এক্সারসাইজ করতে পারেন :

প্রথম দিকে টানা ১০-২০ সেকেন্ড করার চেষ্টা করুন। পরে ধীরে ধীরে বাড়াবেন। টানা এক মিনিট করতে পারলে বুঝবেন, আপনার ফিটনেস লেভেল বাড়ছে। প্লাঙ্কের রকমফের রয়েছে। বেসিক প্লাঙ্ক এবং এলবো প্লাঙ্ক দিয়ে শুরুটা করতে পারেন। তারপর লেগ রেজ, ওয়ান সাইডেড প্লাঙ্কও চেষ্টা করে দেখুন।

এই এক্সারসাইজ করার সময় পেটের মাসল টেনে রাখবেন। কিন্তু নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস যেন স্বাভাবিক থাকে। নিজে থেকে একেবারেই এটা করতে যাবেন না। ইউটিউব দেখেও করতে পারেন, তবে সাবধানে। কোমরে ব্যথা হলে বুঝবেন, ঠিক মতো হচ্ছে না এক্সারসাইজটা। 

বাসায় করতে না চাইলে জিমে গিয়ে পেশাদারের সাহায্য নিয়ে করুন।

প্লাঙ্কের উপকারিতা অনেক, কিছু তুলে ধরছি :

  • পেটের চর্বি কমাতে সবচেয়ে ভাল এক্সারসাইজ।
  •  আপার-লোয়ার অ্যাবডোমেনের চর্বি স্রেফ প্লাঙ্কেই কমে যাবে।
  •  কোমরে যাঁদের ব্যথা, তাঁদের জন্য এটা উপকারী।
  • মেরুদণ্ড মজবুত করতে প্লাঙ্কের জুড়ি নেই।
  • অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাবে।
  • বেশ কিছুদিন প্লাঙ্ক করলে দেখবেন, আপনার মেটাবলিজম রেট বাড়ছে। -
  • দেহের গঠন সুন্দর করবে। কারণ, শুধু পেটই নয়, কোমরের শেপ ঠিক করার জন্যও এই এক্সারসাইজ জরুরি।
  • নিয়মিত এটা করতে থাকলে দেখবেন, ফ্লেক্সিবিলিটি বেড়ে গিয়েছে। 
*ব্যায়াম* *ফিটনেস* *শরীরচর্চা* *পেটেরচর্বি* *স্লিমিংটিপস* *মেদভুঁড়ি* *লাইফস্টাইলটিপস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আর মাত্র ক’দিন পরই ঈদ-উল-আজহা। কোরবানী ঈদ মানেই খাওয়া আর খাওয়া| মাংসের হরেক রকমের পদের পাশাপাশি মিষ্টি খাবার, শীতের পিঠা, ইত্যাদি থাকে আমাদের প্লেটে| বেশি খাবার সামনে থাকলে খেতে ইচ্ছা করবেই, আবার নিমন্ত্রণে গেলেও খাবার দেখে লোভ সংবরণ করাই দায়, আর বেশি চাপাচাপি করলে তো আরো খেতে হয়।

এই ঈদে অনেক দিন ধরে চলে খাওয়া-দাওয়া, দাওয়াত, অনেক দিন ধরে মাংশ থাকে ফ্রিজে। তাই ঈদ এবং ঈদ-পরবর্তী সময়ে সুস্থ্য থাকা ও ফিটনেস ধরে রাখাটা অনেক কষ্টকর। কিন্তু যদি থাকে ইচ্ছাশক্তি আর একটু সচেতনতা, খাবার ও ব্যায়াম সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞান, তবে ফিটনেস ধরে রাখা কোনো ব্যাপারই না। আর ফিটনেস বাংলাদেশে ব্লগের পাঠকরা তা পারবে বলেই আমার বিশ্বাস| তাই আপনাদের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখুন, পরিমিত আহার করুন। বেশি খেয়ে ওজন বাড়াবেন না বা অসুস্থ্য হবেন না।

ঈদ-উল-আজহার উৎসবে সুস্থ্য থাকার বা ফিটনেস ধরে রাখার কিছু টিপস —

কিভাবে খাবেন?

খাবার দেখেই ঝাপিয়ে না পড়ে, আস্তে আস্তে খাওয়া শুরু করুন, নিজেকে সংযত করুন, পরিমিত আহার করুন।খাবারকে নয়, সবার সাথে সাক্ষাত করে উৎসবের আনন্দ উপভোগ করুন, কোরবানীর ত্যাগের আনন্দ উপভোগ করুন।


বেশি ক্ষুধা লাগিয়ে না খেয়ে অল্প ক্ষুধা লাগলে খান, এতে কম খাওয়া হবে, খাবার আগে পানি খেয়ে নিন, অথবা দাওয়াতে যাওয়ার আগে সালাদ, ফল ইত্যাদি কম ক্যালরির সহজ পাচ্য খাবার বা পানীয় খেয়ে নিন, তাহলেও কম খাওয়া হবে ।


কোরবানী ঈদে যেহেতু লাল মাংশ(গরু,খাসি)ছড়াছড়ি, তাই মাংশ খেতেই হয়, কিন্তু যখন খাবেন, তখন একবারে অল্প পরিমানে খান। কেননা, লাল মাংসে অনেক ফ্যাট থাকে।
লাল মাংস যে আমাদের শরীরের জন্য কি ভয়ংকর তা মনে রাখুন। লাল মাংস, যেমন:  গরু, খাসির মাংশে যে প্রচুর স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা সম্পৃক্ত চর্বি থাকে, তা স্থূলতা বাড়ানোর পাশাপাশি, রক্তনালিতে চর্বি জমায়, রক্তচাপ বাড়ায়, ডায়াবেটিস বাড়ায়, স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের দিকে আপনাকে নিয়ে যায়, বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারও হতে পারে এই লাল মাংসের কারণে।মাংশ বেশি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, বদহজম, ডায়রিয়া, গ্যাস্টিকের/আলসারে সমস্যা ইত্যাদিও হতে পারে। 
কিন্তু তাই বলে কি এই ঈদে লাল মাংশ খাবেন না? খাবেন,তবে মাংশ খাবেন খুবই পরিমিত পরিমানে।
যাঁরা স্থূলতা, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, কিডনির সমস্যা, Arthritis (গেটেবাত ), হৃদরোগ ইত্যাদিতে ভুগছেন, তাঁরা অবশ্যই ডাক্তারের বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ মত ও পরিমিত পরিমানে  খাবেন।


মাংশ যখন খাবেন তখন একবারে কতটুকু খাবেন? আপনার হাতের তালুর সমান মাংশ একবারে খেতে পারবেন।
ডাক্তার বা পুষ্টিবিদের বলেন: “আমাদের  দৈনিক খাদ্যতালিকায় চর্বিজাতীয় খাদ্য থাকবে সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ। এবং তার মধ্যে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকবে মাত্র ৭ শতাংশ।”
আর ভাত জাতীয় খাবার একবারে খাবেন এক থেকে আধা কাপ। 
প্রতি বেলা মাংশ না খেয়ে একবেলা হলেও মাছ খান। যেমন: রাতের খাবারে মাছ রাখতে পারেন| কারণ মাছে আছে ওমেগা-৩ ফ্যাট, যা শরীরের জন্য ভালো। কোনো দিন বেশি মাংশ খাওয়া হয়ে গেলে, তারপর দিন সবজি, সালাদ, ফল, ডাল খেয়ে ব্যালান্স করুন।


মাংশ মানেই আমিষ। এই আমিষের চাহিদা পুরণে, প্রতিদিন বা প্রতিবেলা লাল মাংশ না খেয়ে ডাল, মাছ, কম ফ্যাটের মুরগির মাংশ ইত্যাদি খেতে পারেন। মাংশ, পোলাও,বিরিয়ানি ইত্যাদি গুরুপাক খাবার যখন খাবেন, তখন খাবারের সাথে প্রচুর সালাদ খাবেন| কারণ সালাদ খাবার হজমে সাহায্য করে। এছাড়া প্রতি বেলার খাবারে অবশ্যই বেশি বেশি সবজি খাবেন।


আঁশ বা ফাইবার রাখবেন প্রতি বেলার খাবারের তালিকায়|কারণ এই আঁশ খাবার হজমে ও হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে, কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়, চর্বিও জমতে বাঁধা দেয়|এই আঁশ আমরা পেতে পারি রান্না বা কাঁচা শাক-সবজি,ফল মূল, সালাদ, লাল আটা,বাদাম ইত্যাদি থেকে।


ওজন কমাতে ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে কম ক্যালরি যুক্ত খাবার খেতে চেষ্টা করুন সবসময়। তাই মাথায় রাখুন বিরিয়ানি, পোলাউ, ভাত, তেলেভাজা, মিষ্টি খাবার, কোমল পাণীয়তে প্রচুর ক্যালরি।


এই ঈদে যেহেতু অনেক রকম খাবারের সমরোহ থাকে সবার বাড়িতে, তাই অন্যান্য বেশি ক্যালোরির খাবার যেমন: ফাস্ট ফুড, কেক, সিঙ্গারা,পেয়াজু, বেশি তেলে ভাজা খাবার, চিপস ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন। প্রতিদিন নিয়ম করে ফল, সবজি, সালাদ, আর প্রচুর পানি খেতে ভুলবেন না। টক দই, বোরহানি, লেবুর শরবত (চিনি ছাড়া) ইত্যাদি খাবার হজমে সহায়ক| এগুলো খাবার পরে খেতে পারেন। সকালে উঠেই লেবু আর মধু এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে গুলে খেলে তা হজমের জন্য এবং মেদ কমাতে সহায়ক। 


কাবাব,গ্রিল, সেদ্ধ করা মাংশ খান। ভাজা বা ভুনা, মশলাদার মাংশ বেশি খেলে স্বাস্থ্য ও পেটের সমস্যায় পড়তে হবে|এগুলোতে ক্যালরি বেশি থাকায় ওজনও বাড়তে পারে। 
মাংশের যে জায়গায় চর্বি কম, সেখানকার মাংশ খেতে পারেন, যেমন: রানের মাংশ
মাংসের চর্বি পরিহার করুন, চর্বি/ কোলেস্টেরল যুক্ত অঙ্গ, যেমন: মগজ, কলিজা ইত্যাদি যথাসম্ভব কম খান, বা বাদ দিন।
কোনো বেলা বেশি খেয়ে ফেললে বা দাওয়াত থাকলে অন্য বেলা রুটি,সালাদ বা স্যুপ খেয়ে ব্যালান্স করুন। 
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে শর্করা( ভাত, চিনি ) জাতীয় খাবার কম খেতে হবে। 
আর মিষ্টি খাবার/চিনি যুক্ত খাবার দুই, একদিনের বেশি না খাওয়াই ভালো। খেলেও খুবই অল্প পরিমানে। সেক্ষেত্রে সেবেলা শর্করা জাতীয় অন্যান্য খাবার কম খাবেন অথবা খাবেন না।


কোমল পাণীয় চিনি যুক্ত পানীয় না খাওয়াই ভালো। বদলে, ফলের চিনি ছাড়া জুস,  বোরহানি, টক দই, পুদিনা লাচ্ছি, ডাবের পানি ইত্যাদি খেতে পারেন। মিষ্টি খাবার, গুরুপাক খাবার যেদিন খাবেন, সেদিন প্রচুর পানি খাবেন। গুরুপাক খাবারের সাথে বা মাংসের সাথে লেবুর রস খেলে তা হজমে সাহায্য করে ।


সকালের নাস্তা, দুপুরের ও রাতের খাবারে শর্করা, সবজি, আমিষ রাখতে চেষ্টা করুন। প্রতিদিনের খাবারে সব খাবারের উপাদান যেমন: শর্করা,আমিষ, ভিটামিন, ফ্যাট,দুধ,মিনারেলস ইত্যাদি যেন থাকে তা নজর দিন। 


বেশি বেশি সচেতন হয়ে আবার মজাদার খাবার না খেয়ে নিজেকে সব খাবার থেকে বঞ্চিত করেবেন না। মনে রাখবেন দৈনিক ৫০০ ক্যালরি বেশি খেলে, আপনার ওজন বাড়বে এক সপ্তাহে এক কেজি বা দুই পাউন্ড।
আপনার প্রতিদিনের শারীরিক ক্যালোরির চাহিদা অনুযায়ী ক্যালরি মেপে খাবার খান।


যারা ওজন কমাতে বা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তারা সেভাবেই বুঝে শুনে খাবার খাবেন। উৎসবের আনন্দে ভেসে, মজার খাবারের জোয়ারে ডুবে, আপনার ডায়েট নষ্ট করবেন না। এতে আপনার সব কষ্ট মাটি হয়ে যাবে। অল্প খাবার খেয়েই খাবারের মজা নিন। 


কিভাবে মাংস রাঁধলে স্বাস্থ্যসম্মত হবে?

মাংস ভাজতে হলে, হালকা বা খুব কম তেলে ভাজুন। উৎসবের রান্নার সময় তেল, ঘি, মাখন, ক্রিম, ডালডা ইত্যাদি কম ব্যবহার করুন। মাংশেই যে পরিমান সম্পৃক্ত চর্বি বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, তা শরীরের জন্য যথেষ্ট ক্ষতিকর। মাংশ রান্নার সময় লবন দিয়ে সেদ্ধ করে, পানি ফেলে দিলে কিছুটা হলেও চর্বি পানির সাথে চলে গিয়ে দূর হবে। কাবাব, গ্রিল, সেদ্ধ করে মাংশ রাঁধলে কিছুটা হলেও ক্যালরি বা ফ্যাট কমবে। কম মশলায় ও তেলে মাংশ রাধলে হজমে সহায়ক হবে। 


ব্যায়াম করা ছাড়বেন না

ব্যায়ামের অভ্যাস থাকলে সেটা অব্যাহত রাখুন। কোনো ভাবেই ব্যায়াম বন্ধ করা যাবে না| উৎসবের ব্যায়াম কিভাবে করবেন?
জিম বন্ধ? দেশের বাড়িতে ঈদ করবেন? তারপরেও ব্যায়াম করা যায়। ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়। যেমন: ফাঁকা জায়গায় হাঁটুন, দৌড়ান, সিঁড়ি দিয়ে উঠুন ও নামুন, আর একটু ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করুন। পুশ আপ দিন, কিছু পেটের ব্যায়াম করুন। ব্যাস আর কি লাগে? বাসায় কিছু ব্যায়ামের যন্ত্রপাতি থাকলেতো কথাই নেই। যেমন: ট্রেড মিলে হাঁটুন। সব সময় অলস সময় না কাটিয়ে একটু ঘরের কাজ করুন, শরীরটাকে কর্মচঞ্চল রাখুন। দেখবেন কেমন ঝরঝরে লাগছে। 


বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয় সজন নিয়ে হাঁটতে বের হোন, পারলে দৌড়ান, সাইকেল চালান। হাটাহাটি এবং ব্যায়াম করবেন সেদিন বেশি বেশি, যেদিন বেশি খাওয়া হবে। ব্যায়ামের মাধ্যমে আপনার বাড়তি ক্যালরি যা খেয়েছেন, তা বার্ন হয়ে দৈনিক ক্যালোরির চাহিদার সমতা আনবে। ফলে আপনার শরীরে বাড়তি ক্যালরি জমে, ওজন বাড়বে না। 


উৎসবে একটু হলেও আপনার স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখুন। খাওয়া দাওয়ার সঠিক নিয়ম মেনে চলার পাশাপাশি ব্যায়ামটাও চালিয়ে যান আগের মতই।  নিজেকে বোঝান, যে আপনি কিছুতেই ওজন বাড়াতে দেবেন না এবং সুস্বাস্থ্য বজায়  রাখবেন। চিন্তা   করুন , বেশি খেয়ে   ওজন বাড়াবেন, ডায়বেটিস, রক্তচাপ, গেটেবাতের সমস্যা বাড়াবেন, পেটের সমস্যা করবেন , নাকি  সুস্থ্য থাকবেন ও  ওজন নিয়ন্ত্রণে  রাখবেন?

আপনার বন্ধু, আত্মীয়, স্বজন, এবং প্রিয়জনকে এই টিপস গুলো দিয়ে উপকার করুন। ভালো থাকবেন সবাই,  সবার জন্য রইল ঈদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা...

(সংকলিত)

মূল অনুপ্রেরণা: কাজী চন্দ্রিমা।

*ফিটনেস* *লাইফস্টাইলটিপস* *ঈদেফিটনেস* *সুস্থ্যথাকা*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ফিটনেস টুলস কিনতে ক্লিক করুনসুন্দর ফিগার আর সুস্বাস্থ্য সবারই কাম্য। তাইতো সবার চাওয়া কিভাবে ফিট থেকে নিজের ফিগার সুন্দর রাখা যায়? কিন্তু সুস্থ জীবন আর মেদবিহীন ঝরঝরে থাকতে কি করণীয় তা হয়তবা অনেকেই জানেন না। শরীর ফিট রাখতে নিয়মিত ওয়ার্ক আউট এর কোন বিকল্প নেই। সময় বের করে যারা জিমে যেতে পারেন না তারা বাড়িতে বসেই ওয়ার্ক আউটের জন্য কিনে নিতে পারেন নিচের সামগ্রীগুলো।

ডাম্ববেল:

ডাম্বেলের জন্য ক্লিক করুন

বাড়িতে শরীরচর্চা শুরু করতে হলে প্রথমেই একজোড়া ডাম্বেল কিনে নিতে হবে । যে কোনও সাধারণ স্টোরেই পেয়ে যেতে পারেন ডাম্বেল । এর ফলে ওয়েট লিফটিং, ওয়েট ট্রেনিং করা যাবে সহজেই । বিভিন্ন ওজনের ডাম্বেল পাওয়া যায় । প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে আপনি তা ব্যবহার করতেই পারেন ।

ফিটনেস জিম বল:

বলটি কিনতে ক্লিক করুন

বাড়িতে পর্যাপ্ত জায়গা থাকলে, আর্থিক ক্ষমতা থাকলে কিনে নিতে পারেন এক্সারসাইজ় বল । এই বল জিমের ক্ষেত্রে আপনাকে একাধিক সুবিধে দেবে । এই বলের সাহায্যে এক্সারসাইজ় করতে পারলে একদিকে যেমন পেশির শক্তিবৃদ্ধি ঘটবে, অন্যদিকে পেশির ভারসাম্য ও সামঞ্জস্যও রক্ষা পাবে ।

পুশ আপ বার:

টুলসটি কিনতে ক্লিক করুন
বাড়িতেই নিয়মিত শরীরচর্চা করে সুন্দর ও সবল ট্রাইসেপস্ তৈরি করে নিতে পারেন । এর জন্য আপনাকে একটি পুলআপ বার নিয়ে আসতে হবে । মূল্য মোটামটি সাধ্যের মধ্যেই । কিনতে না চাইলে বাড়িতেই মেটাল ফার্নিসিং থেকে মেকশিফট্ পুলআপ বার বানিয়ে নিতে পারেন । বাড়িতে থেকে শারীরিক কসরতেই বানিয়ে ফেলতে পারেন মনের মতো ট্রাইসেপস্ ।

এক্সারসাইজ বাইক:

ফিটনেস টুলস কিনতে ক্লিক করুন
শরীরচর্চার জন্য জিমে গিয়ে অনেকেই সাইক্লিং করেন । আপনি সেই জিমের সাইকেলটি বাড়িতেও কিনে এক্সারসাইজ় করতে পারেন । নিতান্তই যদি সম্ভব না হয়, রাস্তায় সাইকেল চালানোর অভ্যেস করে নিন । নিয়মিত কয়েক কিলোমিটার সাইকেল চালান । শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিক থাকবে । পেশির সুস্থতা বজায় রাখতে পারবেন ।

ট্রেডমিল:

পণ্যটি দেখতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুন
জিমে গিয়ে ট্রেডমিলে দৌড়ে অনেকেই নিজেকে ঝরঝরে রাখেন । শরীরে বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ফেলেন । বাড়িতে জায়গা পারমিট করলে আপনিও কিনে নিতে পারেন একটি ট্রেডমিল । যদিও এই যন্ত্র যথেষ্ট ব্যয়সাপেক্ষ । তবে ট্রেডমিল কেনার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না যেন । ট্রেডমিল কেনার আগে যন্ত্রের টেকনলজিও ভালো করে খুঁটিয়ে দেখে নেবেন ।

এবার তাহলে নিয়মিত ঘরে বসেই জিম করে সুন্দর ফিগার গড়ে তুলুন। বাড়িতে জিম করার সকল অনুসঙ্গ এক জায়গা থেকেই কিনে নিতে পারবেন। কিনতে ও দেখতে এখানে ক্লিক করুন

*ফিটনেস* *ব্যায়াম* *ফিটনেসটিপস* *ফিটনেসটুলস* *ওয়ার্কআউট* *স্মার্টশপিং*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নিজের মোটা ফিগার নিয়ে অনেকেই চিন্তিত! তাদের মাথায় একটি বিষয় ঘুরপাক খায় তা হলো কিভাবে স্লিম হওয়া যায়। স্লিম হয়ে ওঠা এখন খুবই সহজ। যদি আপনার সঠিক কৌশল জানা থাকে তাহলে মাত্র ৫ মিনিটেই আপনি পেতে পারেন স্লিম ফিগার। একটু বুদ্ধি খাটালেই প্রতিদিনই আপনি হয়ে উঠতে পারেন আকর্ষণীয় ও সুন্দর, আপনার যে ওজন আছে ঠিক সেই ওজন নিয়েই। মনে রাখবেন, সৌন্দর্য আর কিছুই নয়, নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা মাত্র। জেনে নিন এমন ১০টি কৌশল যেগুলো আপনাকে প্রতিদিনই করে তুলবে স্লিম ও স্মার্ট। এবং এগুলোর কোনটাই করতে ৫ মিনিটের বেশি সময় লাগবে না।

১. আপনি কেমন মোটা, কত বেশি আপনার ওজন এসবে কিছুই যায় আসে না যদি আপনাকে দেখতে ভালো লাগে। দেখতে ভালো লাগার জন্য প্রথমেই নিজের শরীরের ভাঁজ বা বাড়তি মেদগুলোকে দেখে ফেলুন। খুব বেশী টাইট কোন কাপড় বা খুব পাতলা কাপড় পরিধান করবেন না। এতে আপনার ভাঁজগুলো বিশ্রীভাবে দেখা যাবে। এমন পোশাক পরিধান করুন যেটা গায়ে চেপে বসে না আবার খুব ঢিলেঢালাও নয়।

২. পোশাক পরুন এক রঙের। সালোয়ার ও কামিজ বা শার্ট-প্যান্ট সবই এক রঙের পরলে দেখতে দারুণ স্লিম লাগে। ওজন কমে প্রায় অর্ধেক দেখা যাবে। বৈচিত্র্য আনতে রঙিন টাই বা ওড়না ব্যবহার করুন। খুব মোটা মানুষদের ক্ষেত্রে এই টেকনিক দারুণ কাজে দেয়।

৩. জিনসের প্যান্ট বা যে কোন প্যান্ট পড়লে এমন প্যান্ট পরুন যেটার পেছনের পকেটগুলো বড় বড় এবং দুটো পকেট পরস্পরের কাছে। এটা আপনার হিপ দেখাবে একদম স্লিম।

৪. মোটা মানুষেরা চুলে কখনো রঙ করবেন না। করতে চাইলেও চুলের গোঁড়ায় কখনই রঙ করবেন না এবং খুব বেশি হালকা রঙ দেবেন না। গাঢ় রঙের চুল এমনভাবে কাটুন যেন মুখের দুইপাশে পড়ে থাকে, এতে আপনার মুখটা এমন স্লিম দেখাবে।

৫. চুল উঁচু করে টানটান পনিটেল করতে পারেন, এতেও মুখ লম্বাটে দেখাবে। ফলে ওজন কম মনে হবে। এছাড়া মাথার উপরে চুল একটু ফুলিয়ে তবেই বাঁধুন। এতেও আসবে স্লিম লুক।

৫. কখনও আড়াআড়ি ডোরা কাটা বা আড়াআড়ি ডিজাইনের কিছু পরবেন না ভুলেও। এতে আপনাকে অনেক বেশী চওড়া ও মোটা দেখাবে। লম্বালম্বি ডিজাইনের যে কোন পোশাক নিয়ে আসবে স্লিম লুক।

৬. সম্ভব হলে একটুখানি উঁচু জুতো পরুন। কয়েক ইঞ্চি লম্বা দেখালে ওজন অনেকটাই কম মনে হবে। উঁচু পরতে না চাইলে ফ্ল্যাটি পরুন তবে খুব ঝলমলে ও রঙিন জুর পরবেন না। জুতোর রঙ রাখুন স্কিন টোনের কাছাকাছি।

৭. নিজের শরীরের যে অংশটি বেশি মোটা, কৌশলে সেটা ঢেকে রাখুন। যেমন হাত মোটা হলে কোয়াটার স্লিভ পোশাক পরুন, ফুল স্লিভে কিন্তু আরও মোটা লাগবে। পেট মোটা হলে পেটের কাছে ঢিলেঢালা পোশাক পরুন বা এমন ডিজাইনের পোশাক পরুন যাতে পেট ঢেকে যায়। এই সমস্যাগুলো ঢেকে ফেললেই আপনার লুক হয়ে উঠবে দারুণ। শরীরের যে অংশগুলো ঢেকে রাখতে চান, সেখানে গাঢ় রঙের পোশাক ব্যবহার করুন, সুন্দর অংশে হালকা। দেখবেন অনেকটাই স্লিম লাগবে।

৮. একটা খুব ভুল ধারণা আছে যে, মোটা মেয়েদের ছোট গলার জামা পরতে হয়। এটা ভীষণ বড় একটি ভুল ধারণা। ছোট গলার জামায় মূলত আরও মোটা লাগে। নিজের শরীরের সঙ্গে মানানসইভাবে জামার গলার ডিজাইন বেছে নিন। বিশেষ করে গলা ও ঘাড় খাটো হলে অবশ্যই বড় গলার পোশাক পরুন।

৯. প্রিন্টের পোশাক মোটা মানুষের এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। একান্তই পরতে চাইলে একদম ছোট ছোট প্রিন্ট পরুন। খুব বেশী চকচকে পোশাক ও এক্সেসরিজ অবশ্যই এড়িয়ে চুল।

১০. অবশ্যই অবশ্যই সঠিক মাপের ব্রা ও প্যান্টি পরুন। বাজারে মোটা মানুষদের জন্য বিশেষ ডিজাইনের ব্রা ও প্যান্টি পাওয়া যায় যা শরীরের বাড়তি মেদ লুকিয়ে রাখতে দারুণ সহায়তা করে। এইগুলো ব্যবহার করুন।
-সংকলিত

*ফিটনেস* *স্লিমহওয়ারটিপস* *লাইফস্টাইলটিপস*

শুভাশীষ: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 শরীর চর্চা, মেকআপ, জিম নিয়ে কতটুকু সচেতন আপনারা? ফিটনেস ঠিক রাখার জন্যে কে কি ধরনের ডায়েট মেনে চলেন?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*শরীরচর্চা* *মেকআপ* *জিম* *ফিটনেস* *সচেতন* *ডায়েট* *লাইফস্টাইল*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★