ফুলদানি

ফুলদানি নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: ফুলদানির গোলাপের কুঁড়ি ফুটতে দেরি হচ্ছে। ফুলদানির পানিতে খানিকটা চিনি মিশিয়ে দিন। গোলাপের পাপড়ি দ্রুত খুলে যাবে।

*কুঁড়ি* *গোলাপেরকুঁড়ি* *ফুলদানি* *গৃহস্থালিটিপস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঘরের পরিবেশকে মোহময় করতে চাই সুগন্ধি ফুল। সে ফুলকে ধারণ করতেও দরকার দৃষ্টিনন্দন ফুলদানি। ফুলের সৌন্দর্য মূলত ফুটে ওঠে নকশাদার ফুলদানিতেই। ফুল আর ফুলদানির রঙের সমন্বয় ঘটাতে পারলে তো কথাই নেই। ঘর হয়ে উঠবে একদম ফিট। 
 
 
ঘরের কোণ, শোকেসের ওপরে ফাঁকা জায়গা, টিভির ওপর, ড্রেসিং টেবিলের ওপর বা
বেডসাইড টেবিলে রাখতে পারেন মনের মতো ডিজাইনের ফুলদানী।
ফুলের ঘ্রাণ বেশি নিতে চাইলে বিছানার কাছেই রাখতে পারেন।
তবে যেখানেই ফুলদানি রাখুন না কেন, ঠিক মানিয়ে যাবে। 
 
 
 
 
ছোট, মাঝারি কিংবা বড় তিন উচ্চতার ফুলদানি বাজারে পাবেন। 
ত্রিভুজ, চৌকোনা, সিলিন্ডার কিংবা ডিম্বাকৃতির ফুলদানি আছে রুচির ভিন্নতা দেখাতে।
তবে অন্দর সজ্জার ক্ষেত্রে মেঝেতে ফুলদানি রাখলে সেটা বড়
আকারের এবং টেবিলে রাখলে মাঝারি বা ছোট আকারের ফুলদানি হওয়া উচিৎ।
 
 
 
ফুল নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত পুরোটাই আপনার।
ঘ্রাণের কথা চিন্তা করলে সাদা ফুল বেশি প্রাধান্য পাবে।
রঙ আর সৌন্দর্যের কথা চিন্তা করলে বাহারি নানা জাতের ফুল বেছে নিতে পারেন।
 
 
 
শুধু ফুল রাখার পাত্র হিসেবেই নয়, শোপিস হিসেবেও ফুলদানির থাকে সমান কদর। ক্রেতাদের বিচিত্র রুচির প্রতি খেয়াল রেখে বিক্রেতারা দোকানে রাখেন রকমারি সব ফুলদানি। দেশি ফুলদানির পাশাপাশি চাইনিজ, জাপানিজ, থাই, ইরানি ও ইন্ডিয়ান ফুলদানিও জায়গা করে নিয়েছে। বাজারে একটু ঘুরলে বাঁশ, কাঠ, বেত, মাটি থেকে শুরু করে সিরামিক, ক্রিস্টাল, কাচ, শক্ত প্লাস্টিক, ফাইবারসহ সব উপাদানের তৈরি ফুলদানি পাওয়া যাবে। ছোট, বড় কিংবা মাঝারি তিন উচ্চতার ফুলদানি বাজারে পাবেন। 
 
 
 
ঘরে দেশীয় আমেজ ধরে রাখতে আজকাল মাটির ফুলদানি বেশ ভালোই চোখে পড়ছে।
কিছু ফুলদানিতে ঘড়ি কিংবা পেনহোল্ডার লাগানো,
কোনোটা দেয়ালে ঝুলানো, আবার কোনোটা টেবিল ল্যাম্প সেট করা আছে।
ফুলদানির এমন বহুমুখী বৈশিষ্ট্যই ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণে বাড়তি ভূমিকা পালন করছে।
 
 
 
ফুলদানিগুলোর দামও থাকছে হাতের নাগালে।
পাওয়া যায় আশেপাশের দোকানে। শুধু রুচির বহিঃপ্রকাশ
আর সামান্য উদ্যোগে আপনার ঘরের আবেদনটায় পুরো পাল্টে যেতে পারে। 
 
ক্রেতাদের বিচিত্র রুচির প্রতি খেয়াল রেখে বিভিন্ন মার্কেটের বিক্রেতারা দোকানে রাখেন রকমারি সব ফুলদানি। দেশি ফুলদানির পাশাপাশি চাইনিজ, জাপানিজ, থাই, ইরানি ও ইন্ডিয়ান ফুলদানিও জায়গা করে নিয়েছে। বাজারে একটু ঘুরলে বাঁশ, কাঠ, বেত, মাটি থেকে শুরু করে সিরামিক, ক্রিস্টাল, কাচ, শক্ত প্লাস্টিক, ফাইবারসহ সব উপাদানের তৈরি কারুকার্যমণ্ডিত ফুলদানি পাওয়া যাবে। এছাড়া অনলাইন শপ আজকের ডিলেও পেয়ে যাবেন ঘর সাজানোর বাহারি ফুলদানি l আজকের ডিল থেকে কিনতে ক্লিক করুন এখানে l
 
 
 
 
*ফুলদানি* *গৃহসজ্জা*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ফুলদানিতে রাখা ফুল কিভাবে ঘরোয়া পরিবেশে তাজা রাখা যেতে পারে?

উত্তর দাও (৬ টি উত্তর আছে )

.
*ফুলদানি* *তাজাফুল* *ফুলসতেজরাখারউপায়*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ফুলদানি কিনতে ক্লিক করুনঘর সাজাতে আমরা সকলেই ভালোবাসি। যার ঘর যত গোছানো সে ফ্যাশন এবং রুচিতে সবার চেয়ে একধাপ এগিয়ে। বর্তমানে গৃহসজ্জায় নতুনত্ব যুক্ত হয়েছে বাহারি ফুল দানি। ঘরের পরিবেশকে মোহময় আবহ দিতে চাই সুগন্ধি ফুল। আর সেই ফুলকে ধারণ করতে দরকার দৃষ্টিনন্দন ফুলদানি। ফুলের সৌন্দর্য মূলত ফুটে ওঠে নকশাদার ফুলদানিতে। ফুল আর ফুলদানির রঙের সমন্বয় ঘটাতে পারলে তো কথাই নেই। সো আর দেরী না করে আজই রকমারি ফুলদানিতে ফুটিয়ে তুলুন আপনার ঘরের নান্দনিক সৌন্দর্য্য।
 
 
সিরামিক ফুলদানি
ঘরের সৌন্দর্য্যে নতুন মাত্রা যোগ করবে আকর্ষণীয় ডিজাইনের সিরামিক ফুলদানি ফুলদানি। এটি বেশ টেকসই এবং নান্দনিক । ঘরের কোণ, শোকেসের ওপরে ফাঁকা জায়গা, টিভির ওপর, ডেসিং টেবিলের ওপর বা বেডসাইড টেবিলে এই ফুলদানি রাখতে পারেন। ফুল আর ফুলদানির রঙের বাহারি রঙ্গে আপনার ঘর সাজাতে চাইলে সিরামিক ফুলদানির জুড়ি নেই। বাজারে সিরামিক ফুলদানির অনেক রকম কালেকশন রয়েছে। সেখান থেকে আপনি আপনারটি বেছে নিন।  
 
 
ক্লাসিক ফুলদানি
ঘরে আভিজাত্য ও শৈল্পিকতার পরিচয় ফুটিয়ে তুলতে ব্যবহার করুন ক্লাসিকাল ফুল দানি। এই ফুল দানিগুলো দেখতে খুব দারুন। চমৎকার ফ্লাওয়ার অ্যারেঞ্জমেন্ট করতে পারলে এই ফুলদানি আপনার  আপনার ঘরের শোভা শতভাগ বাড়িয়ে দেবে। এই ক্লাসিকাল ফুলদানি গুলো আপনার ঘরের কোণ, শোকেসের ওপরে ফাঁকা জায়গা, টিভির ওপর, ডেসিং টেবিলের ওপর বা বেডসাইড টেবিলে রাখতে পারেন।
 
মার্বেল ফুলদানী
বর্তমানে বাংলাদেশ পাওয়া যাচ্ছে চীনের তৈরী মারাকানা মারবেলের ফুলদানি। এটির বেশ অনেকগুলো ডিজাইন রয়েছে। এটিতে তাজা ফুলও রাখতে পারবেন। তাই ফুলের ঘ্রাণ বেশি নিতে চাইলে বিছানার কাছেই রাখতে পারেন এটি। শুধু ফুল রাখার পাত্র হিসেবেই নয়, শোপিস হিসেবেও এধরনের ফুলদানির রয়েছে সমান কদর। এটির বাজারে প্রাপ্ত অন্যান্য ফুলদানি গুলোর চেয়ে দামে একটু বেশি। তবে সৌখিন মানুষের জন্য এটি মোটেও বেশি দাম নয়। 
 
পুতির ফুলদানি
শুধ ক্লাসিক, মার্বেল ও সিরামিকের ফুলদানিই নয় বাজারে সম্পূর্ণ হস্তশিল্পের তৈরী নান্দনিক পুতির ‍ফুলদানি ও পুতির ফুলের ঝুঁড়ি পাওয়া যায়। এটি বাসায় শো-পিস হিসেবে খাওয়ার টেবিলে রাখতে পারবেন অথবা অফিসে শো-পিস হিসেবে ও ব্যাবহার করতে পারবেন। এধরনের ফুলদানি ঘরের কোণ, শোকেসের ওপরের ফাঁকা জায়গা, টিভির ওপর, ডেসিং টেবিলের ওপর বা বেডসাইড টেবিলে রাখতে পারেন। এই ফুলদানিতে তাজা ফুল না রেখে নানা রঙের কৃত্রিম ফুল রাখতে পারেন।
 
 
কোথায় থেকে কিনবেন
ক্রেতাদের বিচিত্র রুচির প্রতি খেয়াল রেখে দেশি ফুলদানির পাশাপাশি চাইনিজ, জাপানিজ, থাই, ইরানি ও ইন্ডিয়ান ফুলদানিও জায়গা করে নিয়েছে। বাজারে একটু ঘুরলে বাঁশ, কাঠ, বেত, মাটি থেকে শুরু করে সিরামিক, ক্রিস্টাল, কাচ, শক্ত প্লাস্টিক, ফাইবারসহ সব উপাদানের তৈরি কারুকার্যমণ্ডিত ফুলদানি পাওয়া যাবে। রাজধানীর নিউমার্কেট, আড়ং, এলিফ্যান্ডরোড, দোয়েলচত্বর সহ সারা দেশের বিভিন্ন শপিংমলে এধরনের ফুলদানি পেয়েযাবেন। যদি একসাথে সব ধরনের ফুল দানি কিনতে চান তাহলে অনলাইন শপিং মল গুলোর উপরও ভরসা রাখতে পারেন। আমি নিচে একটি লিংক দিলাম আশাকরি লিংকটি থেকে ঘুরে আসলে বিস্তারিত জানতে পারবেন। 
*ফুলদানি* *গৃহসজ্জা* *শপিং* *স্মার্টশপিং*

লিজা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

   উপহার কিংবা ঘরসজ্জার উপকরণের তালিকায় এখন অনায়াসে জুড়ে নিতে পারেন ফুলদানি। এটি যেমন মানানসই উপহার হিসেবে, তেমনি উপযুক্ত ঘরের সৌন্দর্যবর্ধনে। চলুন জেনে নিই, ফুলদানির খুঁটিনাটি।

    হরেক রকম ফুলদানি

    বাজারে নানা রকমের ফুলদানি পাবেন একটু ঘুরলেই। নানা উপাদানের, আকৃতির, রঙের ও ঢঙের। বাঁশ, কাঠ, বেত, মাটি থেকে শুরু করে তামা, ক্রিস্টাল এমনকি ফাইবারের ফুলদানিও পাবেন পছন্দ অনুযায়ী। খাটো, মাঝারি ও বড়—এই তিন উচ্চতার ফুলদানি পাবেন ত্রিভুজ, চৌকোনা, সিলিন্ডার কিংবা ডিম্বাকৃতিতে। আর্চিস গ্যালারির পান্থপথ শাখার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শাহীন মাহমুদ জানান, আজকাল ফাইবারের ফুলদানি বেশি রাখছেন তাঁরা। নকশা ও রঙের বৈচিত্র্যের কারণে এর চাহিদা বাড়ছে। তবে ক্রেতাদের সব সময়ই পছন্দ সিরামিকের ফুলদানি। বললেন আড়ংয়ের বিক্রয় সহকারী রাহুল। তিনি জানালেন, সিরামিক যেমন টেকসই, তেমনি এতে নানা রঙের সমাহার ঘটানোও সহজ। যেকোনো ঘরে যেকোনো পরিবেশে সিরামিকের ফুলদানি মানিয়ে যায়। অন্যদিকে দুর্লভের স্বত্বাধিকারী মো. রাসেল মজুমদার জানালেন, যাঁরা দেশি ঘরানার সাজ পছন্দ করেন, তাঁদের চাহিদার শীর্ষে আছে বাঁশ, বেত, কাঠ ও মাটির ফুলদানি। কাঁচা ফুলের পাশাপাশি কৃত্রিম ফুলও দেশি ঘরানার ফুলদানিতে চমৎকার লাগে। মোটকথা, আপনার রুচি, সামর্থ্য কিংবা প্রয়োজন অনুযায়ী ফুলদানি পাবেন হাতের কাছেই।

    ফুলদানিতে ঘর সাজানো

  প্রবেশপথ থেকে শুরু করে খাবার ঘর, এমনকি রান্নাঘরটিও সাজাতে পারেন ফুলদানিতে। ফুল ছাড়াও ফুলদানি সাজানো যায় বৈচিত্র্য আনতে। প্রবেশপথে বড় আকারের বেশ কয়েকটি ফুলদানি রাখুন। এসবের আকৃতি হতে পারে একেক রকম। শুধু ফুল না সাজিয়ে ফুলদানিতে ঝুলিয়ে দিন মানিপ্লান্টের লতা। অনেকেই প্রবেশপথে জুতার তাক রাখেন। সে ক্ষেত্রে ওপরের তাকটি খালি রেখে ছোট ফুলদানিতে সাজিয়ে নিন। তাতে রাখুন কাপড় কিংবা নরম প্লাস্টিকের ফুল। ছোট পাতাবাহারের গাছও সাজিয়ে নিতে পারেন ওই ফুলদানিতে।

    ঘরের কোনায় বড় ফুলদানি রাখুন। সিরামিকস কিংবা মাটির রংবেরঙের ফুলদানিতে সাজিয়ে দিন লম্বা ডাঁটির প্লাস্টিক বা কাপড়ের ফুল। বড় ফুলদানির ওপর আলাদা বসিয়ে দিতে পারেন প্লেটে বসানো ইকেবানা কিংবা বনসাই। ঘরের পর্দা কিংবা কার্পেটের সঙ্গে মিলিয়ে রাখলে ফুটে উঠবে ঘরের কোনার স্নিগ্ধ রূপটিও।

    খাবারের টেবিলে ছোট বা মাঝারি আকৃতির সিরামিক কিংবা ক্রিস্টালের ফুলদানি মানানসই। আকৃতি যা-ই হোক না কেন, ফুলদানি ও ফুলের উচ্চতা যেন টেবিলের অন্য পাশে বসা মানুষের চেহারা ঢেকে না ফেলে। এ ক্ষেত্রে ঝুড়ি আকৃতির ফুলদানি বেছে নিন।

    বসার ঘরটির সৌর্ন্দযের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখেন সবাই। বসার ঘর দিয়েই গৃহকর্ত্রী বা কর্তার রুচি ফুটে ওঠে। এ ক্ষেত্রে ফুলদানি আপনাকে অনেকখানি সাহায্য করবে। বসার ঘরের কোনায় রাখুন পর্দা, কার্পেট কিংবা সোফার কুশনের সঙ্গে মেলানো ফুলদানি। বড়, মাঝারি কিংবা ছোট ফুলদানিতে পছন্দ অনুযায়ী সাজান ফুল, ইকেবানা ও বনসাই। ফুলদানির পাশাপাশি শোপিস রাখলেও বসার ঘরের কোনা ঝলমলে হয়ে উঠবে। সোফার বা চেয়ারের মাঝের টেবিলের ফুলদানিতে ছেড়ে দিন একগোছা তাজা ফুল। সাইড টেবিলেও কাঁচা ফুল সাজিয়ে দিন রংবেরঙের ফুলদানিতে। তারপর দেখুন, আপনার বসার ঘরটি কীভাবে বদলে যায়।

    বাথরুমে ফুল সাজান সিঙ্কের সঙ্গে মানানসই ফুলদানিতে। দেয়ালে ছোট গ্লাস কর্নার করে নিন। এর ওপর ছোট ফুলদানিতে ঝুলিয়ে দিন মানিপ্লান্টের লতা।

    বাথরুমের কোনায় বড় বা মাঝারি রঙিন ফুলদানিতে সাজান লম্বা ডাঁটির ফুল।

     ফুলদানি সরাসরি টেবিলে বা তাকে না রেখে ম্যাট ব্যবহার করুন। ফুলদানির রঙের সঙ্গে মিলিয়ে ছোট আকৃতির ম্যাট বেছে নিন। ম্যাটের ক্ষেত্রেও গোল, চৌকোনা, ত্রিভুজ বা তারার আকৃতি বৈচিত্র্য বাড়াবে। এতে টেবিলের ক্ষতি হবে না।

    এক সপ্তাহ পরপর নরম ব্রাশ দিয়ে ফুলদানি ও কৃত্রিম ফুল পরিষ্কার করুন। ক্রিস্টাল, গ্লাস কিংবা সিরামিকের ফুলদানি গ্লাস লাইনার দিয়ে মুছে নিন। তাহলেই ফুলদানির চাকচিক্য বজায় থাকবে। কাঁচা ফুল পানিতে ভেজালে অবশ্যই পানি বদলে নেবেন। নতুবা দাগ পড়ে যাবে।

    কেনার সময়
 ফুলদানি কেনার সময় টোকা দিয়ে দেখা উচিত, ফুলদানিটি ফাটা কি না। তা ছাড়া নকশার বৈচিত্র্যের প্রতিও খেয়াল রাখা ভালো। ফিনিশিং সুন্দর কি না দেখে নেবেন। ক্রিস্টালের বদলে অনেকেই কাচের ফুলদানি বিক্রি করেন। রং পাকা কি না তা খেয়াল করাও প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

    দরদাম

    আকৃতি এবং তৈরির উপকরণের ওপর ফুলদানির দাম নির্ভর করে। আকার-আকৃতিভেদে বাঁশ, বেত ও কাঠের ফুলদানির দাম পড়বে ১৫০ থেকে ৪০০ টাকা। সিরামিকের দাম ২৫০ থেকে ৭০০ এবং মাটির ফুলদানি পাবেন ৫০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে; পিতল ও তামার ফুলদানি পাবেন ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকা পর্যন্ত দামে। আর ক্রিস্টালের ফুলদানির দাম পড়বে ৬০০ থেকে তিন হাজার টাকার মধ্যে।

    কোথায় পাবেন

    যেকোনো গিফট শপেই পাবেন পছন্দের ফুলদানি। আড়ং, মেলা, যাত্রা, দুর্লভ কিংবা আর্চিস, হলমার্কের মতো দোকানগুলোতে পাবেন বৈচিত্র্যময় ফুলদানি। ঢাকার কলাবাগান, নিউমার্কেটে পাবেন হরেক রকমের ফুলদানি। গুলশান ডিসিসি মার্কেটে রয়েছে ফুলদানির অনেক দোকান। তাই আজই বেছে নিন আপনার পছন্দের ফুলদানি, উপহার কিংবা ঘরের সাজসজ্জায় নিয়ে আসুন বৈচিত্র্য।
*গৃহসজ্জা* *ফুলদানি* *টিপস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★