ফ্যান

ফ্যান নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সময়টা বর্ষাকাল হলেও আম পাকানো গরম কিন্তু এখনো যায়নি। প্রকৃতিতে গরমের উত্তাপ তো আছেই সেই সাথে যুক্ত হয়েছে লোডশেডিং এর বাড়তি বিড়ম্বণা। এই সময়টাতে নিজেকে ফ্রেশ ও কুল রাখতে ঘরে কিংবা অফিসে থাকা চাই ফ্যান। বর্তমানে প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় বাজারে এসেছে নানা রকমের ফ্যান। তবে তরুণ প্রজন্মের আকর্ষণ এখন ছোট ছোট ইউএসবি ও চার্জার ফ্যানের প্রতি। নিজে বাতাস খাওয়া আর সেই সাথে বিদ্যুৎ চলে গেলে ই্‌উএসবি কানেক্ট করে কুল থাকার জন্যই এই ফ্যান গুলো বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। চলুন সেরকমই কিছু ফ্যান দেখে নেই।

 

লাইফটাকে ইজি করতে গরমের প্রয়োজনীয় অনুসঙ্গের সাথে যুক্ত হয়েছে ইউএসবি ও রিচার্জ্যাবল ফ্যান। এগুলো সাইজে তুলনামূলকভাবে ছোট। ল্যাপটপ/মোবাইল চার্জারের ইউএসবি পোর্ট দিয়ে চালানো সম্ভব। পোর্টেবল হিসেবে ইউজ করতে চাইলে, এটা পুরাই পারফেক্ট চয়েজ। এটার বাতাস কম, কিন্তু ওজনে হাল্কা ও দামে সস্তা। বাতাস কম হলে কি হবে একজনকে কুল রাখতে এই ছোট ফ্যানগুলোই আপনার জন্য যথেষ্ঠ।

 

বর্তমানে ফ্যানের সাথেও যুক্ত হয়েছে নানান সব নান্দনিক টুলস। এই ধরুন আপনি চাইলে বাজার থেকে রিচার্জএবল ফ্যান কিনে নিয়ে সেটা দিয়ে বাতাস খাওয়ার কাজ করার পাশাপাশি সুগন্ধি ছড়ানোর কাজে এমনকি বরফ লাগিয়ে ঘরকে এসি ঘরের মত করেও তুলতে পারবেন।  রাতের বেলা বিদ্যুৎ চলে গেলে লাইট হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন। 

 

কিছু ফ্যান এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে যেগুলো টাওয়ার এসি ফ্যান হিসেবে পরিচিত। এই ফ্যান গুলো আপনার একার জন্য এসির বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এছাড়াও বাজারে অনেক ইউএসবি ফ্যান রয়েছে যেগুলোতে লাইটের ব্যবহার ছাড়া দেওয়া হয়েছে এফএম রেডিও শোনার ভিন্ন ব্যবস্থা।

বন্ধুরা, গরমের এই সময়টাতে আরাম থাকতে চাইলে আজই বেছে নিতে পারেন আপনার পছন্দের ই্উএসবি ফ্যান। ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে দেশের সবচেয়ে বড় অনলােইন শপিংমল আজকেরডিল থেকে কিনে নিতে পারবেন এই ফ্যানগুলো। অনলাইনে কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*ফ্যান* *কুলিংফ্যান* *ইউএসবিফ্যান* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ইউএসবি ফ্যানের বাহারি কালেকশনসময়টা এখন বসন্তকাল। শীতকে ফাঁকি দিযে জনমনে গরমের আর্বিভাব হয়েছে সেই সাথে যুক্ত হচ্ছে লোডশেডিং এর বাড়তি বিড়ম্বণা। এই সময়টাতে নিজেকে ফ্রেশ ও কুল রাখতে ঘরে কিংবা অফিসে থাকা চাই ফ্যান। বর্তমানে প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় বাজারে এসেছে না রকমের ফ্যান। তবে তরুণ প্রজন্মের আকর্ষণ এখন ছোট ছোট ইউএসবি ও চার্জার ফ্যানের প্রতি। নিজে বাতাস খাওয়া আর সেই সাথে বিদ্যুৎ চলে গেলে ই্‌উএসবি কানেক্ট করে কুল থাকার জন্যই এই ফ্যান গুলো বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। চলুন সেরকমই কিছু ফ্যান দেখে নেই।

ইউএসবি ফ্যানঃ

ফ্যানটি কিনতে ক্লিক করুনফ্যানটি কিনতে ক্লিক করুন

লাইফটাকে ইজি করতে গরমের প্রয়োজনীয় অনুসঙ্গের সাথে যুক্ত হয়েছে ইউএসবি ফ্যান। এগুলো সাইজে তুলনামূলকভাবে ছোট। ল্যাপটপ/মোবাইল চার্জারের ইউএসবি পোর্ট দিয়ে চালানো সম্ভব। পোর্টেবল হিসেবে ইউজ করতে চাইলে, এটা পুরাই পারফেক্ট চয়েজ। এটার বাতাস কম, কিন্তু ওজনে হাল্কা ও দামে সস্তা। বাতাস কম হলে কি হবে একজনকে কুল রাখতে এই ছোট ফ্যানগুলোই আপনার জন্য যথেষ্ঠ।

ফ্যানটি কিনতে ক্লিক করুনফ্যানটি কিনতে ক্লিক করুন

বর্তমানে ফ্যানের সাথেও যুক্ত হয়েছে নানান সব নান্দনিক টুলস। এই ধরুন আপনি চাইলে বাজার থেকে রিচার্জএবল কিনে নিয়ে সেটা দিয়ে বাতাস খাওয়ার কাজ সাথে মোবাইল চার্চ ও রাতের বেলা লাইট হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন।

ফ্যানটি কিনতে ক্লিক করুন

কিছু ফ্যান এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে যেগুলো টাওয়ার এসি ফ্যান হিসেবে পরিচিত। এই ফ্যান গুলো আপনার একার জন্য এসির বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এছাড়াও বাজারে অনেক ইউএসবি ফ্যান রয়েছে যেগুলোতে লাইটের ব্যবহার ছাড়া দেওয়া হয়েছে এফএম রেডিও শোনার ভিন্ন ব্যবস্থা।

ফ্যানটি কিনতে ক্লিক করুন

বন্ধুরা গরমের এই সময়টাতে আরাম থাকতে চাইলে আজই বেছে নিতে পারেন আপনার পছন্দের ই্উএসবি ফ্যান। ঘরে বসে অনলাইন থেকেই কিনে নিতে পারবেন এই ফ্যানগুলো। অনলাইনে কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*ফ্যান* *ইউএসবিফ্যান* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গরমে জনজীবন হয়ে পড়েছে অতিষ্ট। প্রচণ্ড গরমে শরীর যেমন ক্লান্ত হয়ে যায় তেমনি কাজকর্ম করাটাও অসহনীয় হয়ে পড়ে। সারাদিন কাজ শেষে ঘরে এসে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে সবারই মন চায়। তাই গরমের সময় বৈদ্যুতিক পাখার কদর বেড়ে যায়। গরমে স্বস্তি দিতে বাজারে রয়েছে বিভিন্ন ব্রান্ডের ফ্যান। সাধ্যের মধ্যে রয়েছে দাম। আপনার হাতের পাশেই পাবেন এসব বৈদ্যুতিক পাখা। ঘরে একটু শান্তিতে আরাম করতে, ঘুমতে এ পাখার কোন জুুড়ি নাই। 

কিনতে ক্লিক করুন 4 in 1 ফ্যান LED লাইট টর্চ ফ্যান পাওয়ার ব্যাঙ্ক: 26000mAh

চৈত্রের এ সময়টা থেকেই আবহাওয়া একটু গরম হতে থাকে। হালকা গরমে অথবা কাঠফাটা দাবদাহে একটুখানি শীতল বাতাস দেহ মন দুটোতেই শান্তির পরশ বুলিয়ে দেয়। প্রাকৃতিক হাওয়া সবারই কাম্য। কিন্তু সর্বদা এর উপস্থিতি ঘটে না বিধায় মানুষ কৃত্রিম আশ্রয় খোঁজে। আর তখন ফ্যান বা বৈদ্যুতিক পাখার বিকল্প কিছু নেই। উচ্চবিত্তের কাছে এয়ার কন্ডিশনার থাকলেও মধ্যবিত্তকে ছুটতে হয় বৈদ্যুতিক পাখার কাছেই। আবার এটাও সত্যি যে, এসি-এয়ারকুলার যত যাই হোক না কেন, বৈদ্যুতিক পাখার আবেদন তাতে কমছে না। কেননা শীতল বাতাস তো দিচ্ছেই, উপরন্তু বৈদ্যুতিক পাখা বেশ সস্তা ও সহজলভ্য। তাই বলা যেতে পারে উচ্চবিত্ত-মধ্যবিত্ত গরমে সবার বৈদ্যুতিক পাখাই ভরসা।

কিনতে ক্লিক করুন ৪ ব্লেড যুক্ত পোর্টেবল সিলিং ফ্যান এরগোনমিক ডিজাইন এই গরমে আপনাকে দেবে শীতল পরশ হাই কোয়ালিটি ব্র্যান্ড নিউ প্রোডাক্ট

সিলিং ফ্যান, টেবিল ফ্যান ছাড়াও এখন ভালোই ব্যবহূত হচ্ছে চার্জার ফ্যান। লোডশেডিংয়ের সময় চার্জার ফ্যান ভালো কাজ দেয়। কিছু কিছু চার্জার ফ্যানের সঙ্গে আবার আলোর উত্স হিসেবে বৈদ্যুতিক বাতিও সংযুক্ত থাকে। সিলিং ফ্যানের ক্ষেত্রে এখন তিন পাখা নয়, চার ও দুই পাখার ফ্যানও পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন রঙের ও ধরনের নকশা করা ফ্যান শুধু যে ঠাণ্ডা বাতাসের উত্স হিসেবে কাজ করছে, তা নয় বরং নকশা করা ফ্যানগুলো ঘরের সৌন্দর্যেও খানিকটা ভূমিকা রাখছে। তবে দুই পাখার ফ্যান শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ঘরের জন্যই উত্তম। টেবিল ফ্যান ব্যবহার করতে পারেন অতিরিক্ত বাতাসের উত্স হিসেবে। কেননা টেবিল ফ্যান কিংবা স্ট্যান্ড ফ্যান বহন করা যায় খুব সহজেই আবার প্রয়োজনবোধে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরিয়ে ফেলাও যায়। অতিরিক্ত গরমে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে টেবিল ফ্যানেরও বেশ ব্যবহার হয়। গরম পুরোপুরি আসার আগেই জেনে নিন ফ্যানের দরদাম।

কিনতে ক্লিক করুন ম্যাটেরিয়ালl: স্টিল কেস উইথ অ্যালুমিনাম ফ্যান ব্লেডর USB পাওয়ার্ড ডায়ামিটার: 14cm / 5.5'' পাওয়ার সাপ্লাই: DC5V ক্যাবল লেন্থ: 115cm / 45.3" বেস সাইজ: 14 x 8 x 8.5cm

বাজারে ন্যাশনাল, যমুনা, সিঙ্গার, ফিলিপস ইত্যাদি ব্রান্ডের পাখা রয়েছে। পাখাগুলো দুই ধরনের হয়ে থাকে, ৫৬ ইঞ্চি ও ৪৮ ইঞ্চির। বিভিন্ন রকম ন্যাশনাল ফ্যানের দাম ৫৬ ইঞ্চি ১ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার টাকা এবং ৪৮ ইঞ্চি দাম ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকার মধ্যে। যমুনা ফ্যানের দাম পড়বে ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে। সিঙ্গারের ফ্যানের দাম পড়বে দেড় হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে।

কিনতে ক্লিক করুন Mira VIP স্ট্যান্ড ফ্যান ব্র্যান্ড: Mira মডেল: M-1691 সাইজ: 16 inch ভোল্টেজ: 220 V/50 Hz পাওয়ার: 47 W স্পীড: 1200 RPM এয়ার ভলিউম: 66 পাওয়ার কন্ট্রোল: লেভেল ৩ মেইড ইন থাইল্যান্ড ১ বছরের ওয়ারেন্টি

ব্র্যান্ড ছাড়াও নন-ব্র্যান্ডের পাখাও পাওয়া যায়। তবে তা আপনাকে দামাদামি করে কিনতে হবে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গুলোর শোরুমেও পাওয়া যাবে এসব ফ্যান। ডিলারের মাধ্যমেও প্রতিষ্ঠান গুলো দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রয় করে থাকে। নিউমার্কেট, বিজয় সরণি, স্টেডিয়াম মার্কেট, মিরপুর, কাওরান বাজার সহ অনেক শোরুমে ফ্যান পাওয়া যাবে। তবে কেনার সময় অবশ্যই আপনার সেবাসমূহ লক্ষ রাখতে হবে। আর অনলাইনে কিনতে চাইলে আজকের ডিলের চেয়ে ভালো এবং বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান আর একটাও হতে পারে না l ছবি গুলোর সকল ফ্যানই আজকের ডিলে পাওয়া যাচ্ছে l কিনতে ক্লিক করুন ছবিগুলোতে আর অর্ডার করুন আজকের ডিলে l

কিনতে ক্লিক করুন ব্র্যান্ডঃ Mira মডেলঃ M-28 টাইপঃ টেবিল ফ্যান এয়ার ভলিউম (কিউবিক মিটার/ মিনিট): ১৪ প্রপেলার সাইজঃ ৮" ভোল্টেজঃ 220 V, 50 Hz পাওায়ারঃ ২৫ ওয়াট স্পিডঃ ২১০০ RPM পাওয়ার কন্ট্রোলঃ লেভেল ২ সুইচ কন্ট্রোলঃ পুশ বাটন ওয়েটঃ ১.২ কেজি অরিজিনঃ থাইল্যান্ড কালারঃ Random ১ বছরের ওয়ারেন্টি

ফ্যান কেনার আগে যেসব বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখবেন: ফ্যান কেনার আগে ৫ টি জিনিস মাথায় রাখতে হবে, সেটা কত ওয়াটের, সেটা কোন ব্র্যান্ডের, সেটার বাহ্যিক গঠন, পাখাগুলো কিসের তৈরি এবং এবং সেটার মুল্য কত ? প্রথমে আসি ওয়াটের প্রসংগে, বর্তমানে ঢাকা সহ প্রায় সব জায়গায় বাড়িওয়ালারা ভাড়াটিয়াদের আলাদ মিটার দিয়েছেন এবং সবাইকে আলাদা বিদ্যুৎ দিতে হয়, এছাড়া অনেকেই বাসায় আইপিএস ব্যবহার করেন তাই ফ্যান কেনার সময় সেটির ওয়াট বেশী হলে বিদ্যুৎ খরচ বেশী হবে এবং আইপিএস বেশী শক্তি খরচ করবে। সাধারণত ৬০/ ৭৫ ওয়াটের ফ্যান কেনাই উত্তম।

কিনতে ক্লিক করুন ব্র্যান্ডঃ Mira মডেলঃ M-167 টাইপঃ টেবিল ফ্যান প্রপেলার সাইজঃ ১৬" ভোল্টেজঃ 220 V, 50 Hz পাওায়ারঃ ৪৯ ওয়াট স্পিডঃ ১২০০ RPM অরিজিনঃ থাইল্যান্ড কালারঃ Random ১ বছরের ওয়ারেন্টি

এবার আসুন ব্র্যান্ডের ব্যাপারে কিছু জানি, বাজারে একটি কথা চালু আছে যে, নতুন যে পন্য এসেছে সেটাই কিনে নিলে ভাল মানের জিনিস পাওয়া যায়। কথাটি আংশিক সত্য, আসলে কিছু হাতে গোনা ব্রান্ড ছাড়া সব ফ্যানই কিছু নির্ধারিত কারখানায় তৈরি হয়ে থাকে, অর্থাৎ একটি কারখানায় একাধিক ব্র্যান্ডের ফ্যান তৈরি হয়ে থাকে।আপনি ভালো মানের ফ্যান কিনতে চাইলে টঙ্গীর ন্যাশনাল, বিআরবি, মিল্লাত, সিটি, এশিয়া এবং যমুনা ফ্যান কিনতে পারেন। এগুলোর দাম ১৮০০ টাকা থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে।ফ্যানের বাহ্যিক গঠনও বাতাস বেশী, নাকি কম হবে সেটার উপর প্রভাব ফেলে, তাই পাখার গঠন দেখে ফ্যান কেনা উচিৎ। ফ্যানের পাখা এলুমিনিয়ামের হলে তাতে সহজে মরিচা ধরে না এবং সহজেই বার বার পরিস্কার করা যায়।অনেক সময় আমরা মুল্যের কম বেশী দেখে পণ্যের মান যাচাই করি যেটা ঠিক নয়।

*ফ্যান*
ছবি

খুশি: ফটো পোস্ট করেছে

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গরমকালে লোডশেডিং, যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। তবে ঘরে যদি থাকে চার্জার লাইট আর ফ্যান তবে গরমে কষ্ট করতে হবে না। অন্ধকারেও থাকতে হবে না।  সিলিং ফ্যান, টেবিল ফ্যান ছাড়াও এখন ভালোই ব্যবহৃত হচ্ছে চার্জার ফ্যান। লোডশেডিংয়ের সময় চার্জার ফ্যান ভালো কাজ দেয়। কিছু কিছু চার্জার ফ্যানের সঙ্গে আবার আলোর উত্স হিসেবে বৈদ্যুতিক বাতিও সংযুক্ত থাকে। এমন কিছু টেবিল ফ্যান নিয়ে আজকের পোস্ট।
এই গরমে আরাম থাকতে এখনি পোস্টের ছবিগুলোতে ক্লিক করুন
 
টেবিল ফ্যান কিনলে প্লাস্টিক পাখা ভালো বাতাস পাবেন I 
পাখার ডিজাইন বা কারুকার্য দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। 
সহজে বহনযোগ্য বলে টেবিল ফ্যানের ব্যবহারও কম নয়। 
বাজারে টেবিল ফ্যানও পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন আকার ও দামে। 
 
 
ফ্যানের ডিজাইন বা কারুকার্য দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। 
বাতাস কেমন হয় সেটা দেখে কিনুন। 
হেভি ডিউটির জন্য ষ্টীলের ব্লেডওয়ালা পাখা ভাল (দামও বেশি), 
তবে টেবিল ফ্যানের জন্য প্লাস্টিকের ব্লেডেও ভাল বাতাস পাবেন। 
কমদামে রিচার্জেবল ফ্যান পাবেন, 
তবে সেটা একজন মানুষের জন্য চললেও কয়েকজনের জন্য ভাল হবে না। 
 
 
 
সিল্ভার বা ষ্টীলের পাখার রঙ নষ্ট হয়ে যায় যা ঠিক করা ব্যয় সাপেক্ষ ব্যাপার। 
আর প্লাস্টিকের পাখা হলে রঙ নষ্টও হবেনা 
আবার কখনও ভেঙ্গে গেলে বা পরিবর্তন করতে চাইলে মার্কেট থেকে কিনে নিতে পারবেন। 
কিন্তু ষ্টীলের পাখা আলাদা ভাবে মার্কেটে কিনতে পাবেন না। 
তাই প্লাস্টিকের পাখাযুক্ত ফ্যানই ভাল।
 
 
 
 
 
ফ্যানের বাতাস ঠান্ডা হবে কি না তার নির্ভর করে পরিবেশের উপর। 
আর বেশি বাতাশ নির্ভর করে ফ্যান কত ওয়াটের তার উপর। 
বেশি ওয়াটের ফ্যান বেশি বাতাস দিবে। 
ফ্যান কিনতে গেলে অবশ্য বিক্রেতারা ওয়াটের কথা বলে না।
 কিন্তু বেশিরভাগ ফ্যানের গায়েই লেখা থাকে কত ওয়াট।  আমার মতে দুটো জিনিষই দেখা দরকার ফ্যান কিনতে গেলে।
 
 
 
 
১। ফ্যান কতটা ছড়িয়ে বাতাস দিচ্ছে?
২। ফ্যানের বিল্ড কোয়ালিটি কেমন?
যে ফ্যানের পাখা গুলো একদম সোজা না থেকে পরিধীর দিয়ে  একটু পেছনে বাকা থাকে
তা দিয়ে বাতাস ছড়ায় বেশি। ফ্যান ছেড়ে সামনে দিয়ে আড়াআড়ি করে হাটলে
বাতাসের ব্যাপ্তি বোঝা যায়। যত বেশি ব্যাপ্তি তত বেশি ভাল
 
 
কোথা থেকে কিনবেন ভালো ফ্যান ?
 
ভালোমানের টেবিল ফ্যান বা রিচার্জেবল ফ্যান কিনতে ঢাকার নিউ্মার্কেট, বায়তুল মুকাররম মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেট, নবাবপুর মার্কেটসহ সব অভিজাত মার্কেটে ইলেকট্রনিক্স দোকানগুলোতে পাবেন আপনার পছন্দের ফ্যানটি। তাছাড়া বাসায় বসে অর্ডার করে পছন্দের টিবিল ফ্যানটি কিনতে ঘুরে আসুন দেশের সবথেকে বড় অনলাইন শপ আজকেরডিল থেকে। 
 
*টেবিলফ্যান* *ফ্যান* *স্মার্টশপিং*

শিহাব: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ভাতের মাড় কি কি কাজে ব্যাবহার করা যায়?

উত্তর দাও (৫ টি উত্তর আছে )

*ভাতেরমাড়* *ভাতেরফ্যান* *ফ্যান*
ছবি

অনি: ফটো পোস্ট করেছে

Supporter of Bangladesh Cricket Team!

*ফ্যান* *বাংলাদেশক্রিকেটটিম*

তৌফিক পিয়াস: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

ক্রিকেটরঙ্গ: ১
প্রতিটা ম্যাচ এর আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম এর ফ্যান রা...
আর ম্যাচ শেষে ...!
*বাংলাদেশক্রিকেট* *ফ্যান* *ক্রিকেটরঙ্গ*

আরেফিন রাব্বী: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

এতো গরম ক্যারে?
মাথার সামনে একটা ফ্যান, পেছনে আরেকটা এবং হাতের ডান-পাশে আরেকটা ফ্যান ,, তবুও গরম লাগে ক্যারে??????
এটাই স্বাভাবিকরে বলদা!! কারন এইডা গরম কাল,
*গরম* *ফ্যান* *ক্যারে*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★