ফ্যাশন টিপস

ফ্যাশনটিপস নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অন্যরকম ফ্যাশনেবল পোশাক কালেকশনঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাঁকি। এই দিনটিকে ঘিরে উৎসাহ উদ্দীপনার কোন কমতি নেই। কিভাবে ঈদের এই সময়টাতে নিজেকে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করে প্রিয় মানুষটির কাছে আরও বেশি প্রিয় হয়ে ওঠা যায় সে চেষ্টা সকলের মাঝেই থাকে। কিভাবে নিজেকে আরও একটু ফ্যাশনবেল করা যায় তাই নিয়ে তরুণ-তরুণীদের জল্পনা কল্পনা শুরু হয়ে গেছে। তবে যে যাই বলুক এই দিনটাতে পোশাকে একটু ভিন্নতা থাকতেই হবে। তাই এই ঈদে অসাধারণ আকর্ষণীয় লুক আনতে পরুন নিচের ড্রেস গুলো।

শাড়ি

কিনতে ক্লিক করুন

বাঙালি ললনাদের নাকি শাড়িতে বেশি মানায়। কাথায় বলে, শাড়িতে অনন্যা বাঙালি ললনা। তাই ঈদে সত্যিকারের ললনা হয়ে উঠতে আকর্ষণীয় শাড়ি পরুন। বিশেষ করে যারা একেবারেই শাড়ি পরেন না তারা এই ঈদে বাঙালিয়ানা শাড়ি পরে ভালোবাসার মানুষটিকে চমকে দিতে পারেন। তবে শাড়ি পরার সময় অবশ্যই মাচিং করে ব্লাউজ পরবেন।

পাঞ্জাবি

কিনতে ক্লিক করুন

ঈদে ছেলেদের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় পোশাক হচ্ছে পাঞ্জাবি। আকর্ষনীয় ডিজাইনের সব নান্দনিক পাঞ্জাবি আপনি হয়ে উঠতে পারেন আরও স্টাইলিশ। যেহেতু ঈদে নতুন পোশাকের দিকে একটা ঝোঁক সবারই থাকে সেজন্য আপুরা ভাইয়াদের উপহার হিসেবেও পাঞ্জাবি দিতে পারেন। বর্তমান বাজারে ভাল মানের অনেক বৈশাখী পাঞ্জাবি পাওয়া যাচ্ছে পছন্দ অনুযায়ী সেরাটি কিনে নিন।


টি-শার্ট

কিনতে ক্লিক করুন
টি-শার্টেই যদি ভালো বাসার বহিপ্রকাশ ঘটে তাহলে দোষ কোথায়? ঈদে ঐতিহ্যবাহী টি-শার্ট আপনাকে দিতে পারে আরও আকর্ষণীয় লুক। তাছাড়াও এই গরমে আবহাওয়ার সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে হলে টিশার্টের বিকল্প নেই। তাই আর দেরী না করে আজই কিনে নিন আকর্ষণীয় টি-শার্ট।

ফ্যাশনেবল কূর্তি

কিনতে ক্লিক করুন
ঈদে ফ্যাশন মানেই অন্যরকম ফূর্তি। ঈদ আনন্দে যেন ভাটা না পড়ে সে কারনেই নারীরা আগে থেকেই সচেতন। ফ্যাশন সচেতন নারীরা মনে করেন, ভালো একটি স্টাইলিশ পোশাক যদি পরনে থাকে তাহলে তো ফূর্তির কোন অভাব থাকে না। বিশেষজ্ঞদেরও একই কথা, কারো মন খারাপ থাকলে ভাল পোশাক পরলেই নাকি মনটা অটোমেটিক ভাল হয়ে যায়। যদি তাই হয় তাহলে বর্তমান সময়ের স্টাইলিশ পোশাক কুর্তি পরলে ফূর্তিতো এমনিতে মনের ভেতর আকডুম বাগডুম করবে।

শার্ট

কিনতে ক্লিক করুন
ফ্যাশনপ্রিয় ছেলেরা কিসে তুষ্ট শার্ট নাকি টিশার্টে? এই প্রশ্নের উত্তরে অনেকেই শার্টকে এগিয়ে রাখবে । কারণ অফিস কিংবা আত্মীয়স্বজনের বাসায় বেড়াতে গেলে শার্টকেই ১নম্বর তালিকায় রাখতে হয়। তাছাড়াও শার্ট ছেলেদের ফ্যাশনে সর্বাধিক পরিধেয় পোশাক। তাই এই ঈদে ফ্যাশনের অন্যরকম একটু ঝলক দিতে কিনে নিন স্টাইল কিংবা ফর্মাল শার্ট।

থ্রী পিস

কিনতে ক্লিক করুন
থ্রী পিস হতে পারে এই ঈদে আপনার সেরা পরিধেয়। স্টাইলিশ এই থ্রী পিস গুলো আপনার আউটলুক দিগুণ করে তোলবে। প্রিয় মানুষটির সাথে ঘুরে বেড়াতে ফ্যাশনেবল স্টাইলিশ থ্রী পিস কিনে নিতে পারেন। বর্তমানে বাজারে ঈদ উপলক্ষে আকর্ষণীয় থ্রি-পিস পাওয়া যাচ্ছে। আপনি আপনার পছন্দেরটি বেছে নিন।

প্যান্ট

কিনতে ক্লিক করুন
জিন্স প্যান্ট বর্তমান তরুণ তরুণীদের ফ্যাশনের অন্যতম অনুসঙ্গ । ঈদকে সামনে রেখে জিন্স প্যান্টের বাজার বেশ নড়ে চড়ে বসেছে। স্টাইলিশ সব জিন্সের পশরা সাজিয়ে পসেছে ফ্যাশন হাউজ গুলো। এবারে বিভিন্ন বয়সের লোকেরা পছন্দের পোশাকের তালিকায় একটি বড় জায়গা দখল করে আছে আঁটসাঁট-প্রকৃতির জিন্স। অনেকেই আবার একটু ঢিলেঢালা প্যান্ট পরতেই বেশি পছন্দ করে। কেউ বা আবার গ্যাবাটিন প্যান্টের দিকে ঝোঁক দিচ্ছে। ফ্যাশনে আকর্ষণ বাড়িয়ে দিতে আপনিও আপনার পছন্দেরটি বেছে নিন।

বিঃ দ্রঃ- বন্ধুরা ঈদের আকর্ষণীয় কালেকশন আপনি এখন ঘরে বসে কিনতে পারবেন। ঘরে বসে ঈদের কেনাকাটা করতে এখানে ক্লিক করুন

*ঈদফ্যাশন* *ফ্যাশনটিপস* *ঈদশপিং* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাসন্তী পোশাক কিনতে ক্লিক করুনপ্রকৃতিতে নব আনন্দের সাজ সাজ রব বিরাজ করছে। আর মাত্র ক’দিন পরেই প্রকৃতিকে নতুন সাজে রাঙাতে ঋতুরাজ বসন্তের আগমন ঘটবে। বসন্ত মানেই বাসন্তী সাজে নিজেকে একটু বদলে নেওয়া। রাস্তার পাশে ফুটে থাকা পলাশ-শিমুল-কৃষ্ণচূড়া, কচি সবুজ পাতা আর লাল-হলুদ ফুলের রঙ্গিণ সাজের সাথে নিজেকে মানিয়ে না নিলে বসন্তের রঙ আপনাকে ফাঁকি দেবে এটাই স্বাভাবিক। তাই আসছে ফাগুনে স্টাইলিশ ফ্যাশনের ছোঁয়ায় নিজেকে সাজিয়ে নিন নতুন করে। কি কি রাখবেন বাসন্তী সাজে চলুন জেনে নেই।
 
নারীদের বাসন্তী শাড়ি
১লা ফাগুনে বসন্তকে বরণ করতে বেরিয়ে পড়বে সবাই। বাসন্তী রং শাড়ি পরে ললনারা ডাক দেবে মেলায় যাওয়ার। সে দিনের সাজটা কেমন হবে আপনার? বসন্তের প্রকৃতিতে রঙের ছড়াছড়ি। 
পয়লা ফাল্গুনের সাজে তাই রঙের ছোঁয়া তো থাকবেই। নতুন ফুল, পাতার রংগুলো তুলে আনুন পোশাকে। শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়া যা-ই পরা হোক, তাতে তো বসন্তের উজ্জ্বল রংগুলোর ছোঁয়া থাকা চাই। বাসন্তী, কমলা, লাল, সবুজ, রানিং রং এগুলোই তো থাকবে শাড়িতে । শাড়িতে থাকতে পারে ব্লক ও জরির কাজ। ব্লাউজের কাটে ভিন্নতা আনতে পারেন ম্যাগি বা ঘটি হাতা দিয়ে। 
ললনাদের বাসন্তী শাড়ির কালেকশন দেখতে ও কিনতে এখানে ক্লিক করুন। 
 
বাসন্তী ফ্যাশনে গয়না
 
হালকা সাজ পোশাকের সঙ্গে গয়নাও হালকা হওয়া চাই। সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে মাটি, কাঠ বা মেটালের দুল পরুন। গলায় পাতলা নেকলেস পরে নিতে পারেন। হাতে চুড়ি পরতে পারেন। এখানেও বেছে নিন কাঠ, মাটি, মেটাল বা কাচের রেশমি চুড়ি। শাড়ি পরলে কানের দুলের সঙ্গে গলায় লম্বা পুঁতির মালা পরুন। সঙ্গে হাতভর্তি চুড়ি। সাজের পূর্ণতা আনতে ব্যবহার করুন হালকা সুগন্ধি।
বাসন্তী সাজের গয়না কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
 
 
 
ছেলেদের  বাসন্তী ফ্যাশন
বসন্ত বরণে শুধু মেয়েরাই শাড়ি আর গহনায় নিজেকে সাজাবে তা কি হয়? ছেলেরাও ১লা ফাগুনে নিজেকে সাজিয়ে নিতে পারেন বাসন্তী সাজে।  বাসন্তী রংয়ের পাঞ্জাবি পরেই যে ফাল্গুন পার করতে হবে এমন কোনো কথা নেই। প্রকৃতির যেকোনো উজ্জ্বল রংয়ের সঙ্গে মিলিয়ে কমলা, লাল, সবুজ, হলুদ পাঞ্জাবি পরতে পারেন। এদিন কমলা রঙের পোলোশার্ট ও টিশার্টেও বেশ মানাবে। সঙ্গে চোজ-পায়জামা। পাঞ্জাবি পরতে না চাইলে উজ্জ্বল রংয়ের শার্টও পরতে পারেন। সেক্ষেত্রে জিন্স-প্যান্ট বেশ মানিয়ে যাবে।
ছেলেদের বাসন্তী ফ্যাশনে মন মাতানো পোশাক কিনতে এখানে ক্লিক করুন। 
*বসন্তফ্যাশন* *ফ্যাশন* *সাজসজ্জা* *ফ্যাশনটিপস* *কেনাকাটা* *স্মার্টশপিং*

★ছায়াবতী★: একটি টিপস পোস্ট করেছে

কম উচ্চতার নারীদের জন্য ৭টি ফ্যাশন টিপস্‌
http://bangla.rupcare.com/%e0%a6%95%e0%a6%ae-%e0%a6%89%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a7%ad/#
লম্বা নয় এমন নারীরাও আকর্ষণীয় ফ্যাশনের অধিকারী হতে পারেন। আর তাদের ফ্যাশনেরও বহু সুযোগ রয়েছে। কিন্তু অনেকেই এসব বিষয় ঠিকঠাক না জানার কারণে তা ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারেন না। এ লেখায় রয়েছে তেমন কয়েকটি বিষয়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। ১. অনেকেই উঁচু হিল জুতা পরে স্টাইল করতে পছন্দ করেন। যদিও বিষয়টি সব সময় যে প্রয়োজনীয়, তা নয়। আপনার উঁচু জুতার প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রয়োজনে বেরিয়ে আসতে পারেন। মাঝারি উঁচু জুতা কিংবা ফ্ল্যাট জুতাও অনেক কম লম্বা মেয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে পায়ের আরাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ২. থাই হাই বুট বা উঁচু জুতা সব সময় যে আপনার জন্য কাজ হবে এমনটা নয়। এ ক্ষেত্রে হিডেন হিল সহ হাই বুট হতে পারে একটি ভালো সমাধান। ...বিস্তারিত
*ফ্যাশনটিপস* *লাইফস্টাইলটিপস*
২৯৭ বার দেখা হয়েছে

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

জাম্পস্যুট গরমের উত্তম পোশাক হিসেবে বিবেচিত। পাশ্চাত্যের পোশাক হলেও এখনো জাম্পস্যুটের বেশ কদর রয়েছে। তাই এই গরমে নিজে একটু নতুন করে সাজিয়ে নিতে বেছে নিতে পারেন রংচঙা জাম্পস্যুট। আধুনিক ফ্যাশনে আমাদের দেশে এই পোশাক বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। জাম্পস্যুটের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো এটি খুবই আরামদায়ক এবং ফ্যাশনেবল।

একটা সময় ফ্যাশনে ট্রেন্ড ধরে রেখেছিল ফিটিং পোশাক। পালাজ্জো বা লেগিংসের মতো বেশ কিছু নতুন ট্রেন্ডও যোগ হয়েছে এর সঙ্গে। তবে আবারও ঢিলেঢালা পোশাকের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। তাই ধীরে ধীরে ফ্যাশন অঙ্গনে ঢিলেঢালা পোশাকের চলন শুরু করেছে জাম্পস্যুট।

ডিজাইন ও ধরন
আজকাল বিভিন্ন ধাঁচের জাম্পস্যুট পাওয়া যাচ্ছে। এই পোশাকে দেশীয় প্যাটার্ন ও ডিজাইনে এসেছে নতুনত্ব। যার গড়নে রয়েছে পাশ্চাত্যের ছোঁয়া আর ডিজাইনে রয়েছে দেশীয় আমেজ।

ঢিলেঢালা ও স্টাইলিশ দুটোরই কম্বিনেশন জাম্পস্যুট তৈরী হয়। ফুলস্লিভ, স্লিভলেস, ব্যাকলেস যেকোনো প্যাটার্নের জাম্পস্যুটই আপনাকে দিতে পারে আরো বেশি আধুনিক ও আকর্ষণীয় লুক। পোশাকটি যেকোনো ধরনের গলার কাটিংয়ের সঙ্গে মানানসই। জাম্পস্যুটে দুটি ভাগ থাকে। আর এ দুই ভাগের মধ্যে সামঞ্জস্য আনে চওড়া একটি বেল্ট। সেটা কাপড়ের হতে পারে, আবার লেদারেরও হতে পারে। তবে কালার কন্ট্রাস্টের সঙ্গে মিলিয়ে বেল্টের রংকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত, যা পোশাকটিকে অনেক বেশি ফুটিয়ে তুলবে। আর সঙ্গে পালাজ্জোটাই বেশি মানানসই। তবে চাইলে সাধারণ কুচি দেওয়া পাজামাও পরতে পারেন।

কাপড়ে বৈচিত্র্য
সাধারণত লিলেন, সিনথেটিক, জর্জেট, শার্টিন, হাফসিল্ক ও সিল্ক কাপড়ের হয়ে থাকে এসব জাম্পস্যুট, যা পরতে খুবই আরামদায়ক এবং স্বস্তির। ডিজাইনার তাননাজ জানান, জাম্পস্যুট তৈরি করার জন্য তাঁরা লিলেন, সফ্ট জর্জেট ও সিল্ক কাপড় বেছে নেন, যা সব বয়সীর কাছেই পছন্দের। জাম্পস্যুট পার্টি পোশাক হিসেবে দারুণ মানানসই। রঙের ক্ষেত্রে এই পোশাক একরঙাও হতে পারে। আবার স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য পরতে পারেন প্রিন্টেড কাপড়ের জাম্পস্যুট।

যেখানে পাবেনঃ
বিভিন্ন ডিজাইনের জাম্পস্যুট পাওয়া যাবে ইয়েলো, এক্সট্যাসি, ক্যাটস আই, ফ্রি-ল্যান্ড, সোল ড্যান্স, পিঙ্ক সিটি, ও-টু, মান্ত্রা, বসুন্ধরা সিটি শপিংমল, যমুনা ফিউচার পার্কের বিভিন্ন শোরুম এবং বদরুদ্দোজা সুপার মার্কেটে। এ ছাড়া অনলাইন শপ পালসে অর্ডার দিতে পারেন এসব বাহারি ডিজাইনের জাম্পস্যুট। আর নিজের পছন্দ অনুযায়ী জাম্পস্যুট বানাতে চাইলে আপনাকে ঢুঁ মারতে হবে পরিচিত দর্জিপাড়ায়।
(সংকলিত)

*ফ্যাশন* *ফ্যাশনটিপস* *গরমেরফ্যাশন* *জাম্পস্যুট*
ছবি

AjkerDeal.com: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

এই গরমে পড়ুন স্টাইলিশ ও আরামদায়ক জেন্টস থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট।

এই গরমে পড়ুন স্টাইলিশ ও আরামদায়ক জেন্টস থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট। বিস্তারিত - http://www.ajkerdeal.com/Merchant/4984/raj-super-shop ফোনে অর্ডার দিন - ০৯৬১২ ০০৭ ০০৭ এ কিংবা আপনার নম্বর আমাদেরকে ইনবক্স করুন। সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল

*শপিং* *থ্রি-কোয়ার্টারপ্যান্ট* *ফ্যাশন* *গরমেরফ্যাশন* *ফ্যাশনটিপস* *অনলাইনশপিং*

পূজা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সাজগোজের ক্ষেত্রে মেকআপ নেওয়ার সময় যে নামটি সর্ব প্রথমে আমাদের মাথায় আসে তা হল ফাউন্ডেশন । তবে আমরা অনেকেই জানি না যে কোন ফাউন্ডেশনটি নিজের ত্বকের জন্য মানানসই,অথবা ফাউন্ডেশনের শেড বাছাই করতে গিয়ে কি পড়ে যাই বিপাকে! যদি এমন হয়ে থাকে আপনার সমস্যাগুলো তাহলে আর চিন্তা না করে পড়ে নিন আর্টিকেলটি ।আশা করি সে সমস্যার সমাধান হবে সহজেই।

জেনে নিন ফাউন্ডেশনের ধরণ :
বাজারে অনেক রকমের ফাউন্ডেশন পাওয়া যায় । এর মধ্যে রয়েছে
লিকুইড,স্টিক,ক্রীম,মুজ,ম্যাট লিকুইড,পাউডার,,বিবি ক্রীম ইত্যাদি ।

এবার আপনাদের মনে প্রশ্নের আসতেই পারে কে কোনটি ব্যবহার করবেন । তাই চলুন প্রতিটি টাইপ সম্পর্কে জেনে নেই বিশদভাবে –


লিকুইড ফাউন্ডেশন :
লিকুইড ফাউন্ডেশন হচ্ছে ফাউন্ডেশনের চিরাচরিত রূপ । যখন থেকে বাজারে ফাউন্ডেশন আসতে শুরু করেছিল,তার শুরুই হয়েছিল লিকুইড ফাউন্ডেশন দিয়ে। আজ যত রকমের ফাউন্ডেশন আমরা বাজারে দেখি তার সবই লিকুইড ফাউন্ডেশনের রূপভেদ । লিকুইড ফাউন্ডেশনও কয়েক প্রকারের হয়ে থাকে,ভিন্ন ভিন্ন ত্বকের জন্য বিশেষ ভাবে তৈরি হয় একেকটি। এটি লিকুইড থাকার কারণে ব্যবহার করা অনেক সহজ। তবে প্রচলিত লিকুইড ফাউন্ডেশন তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কিছুটা অনুপযোগী ,কিছু সময় পরে ত্বককে আরো তেলতেলে করে দেয় যদি না ফাউন্ডেশনের গায়ে ওয়েল ফ্রি কথাটা লেখা থাকে ।তবে শুষ্ক ত্বকে তা আদর্শ । মিশ্র ত্বকেও মানিয়ে যায় সহজেই।


ক্রিম ফাউন্ডেশন :
ক্রিম ফাউন্ডেশন অনেকটা লিকুইড ফাউন্ডেশনের মতই। এটি আরেকটু থিক হয়। সাধারণ ক্রিমের মতই ব্যবহার করা যার ।শুষ্ক ত্বকে এ ধরণের ফাউন্ডেশন ব্যবহার করা হয় । তবে শীতে অন্যান্য ত্বকেও ব্যবহার করা যাবে ।


পাউডার ফাউন্ডেশন :
আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বাজারে এসেছে পাউডার ফাউন্ডেশন । এটি ব্যবহার করা যেমন সহজ,তেমনি কম সময় সাপেক্ষ ।তাই এই ব্যস্ত জীবনে পাউডার ফাউন্ডেশন খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে । আর এর সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে ব্যবহার করলে এতে পাওয়া যায় লিকুইড ফাউন্ডেশনের ইফেক্ট । তবে কভারেজ পাওয়া যায় একটু কম । পাউডার ফাউন্ডেশন সব ধরণের ত্বকে মানানসই,শুষ্ক ত্বক হলে আগে একটু ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিলেই হবে । গরমের দিনে এর চেয়ে ভাল কিছু হতে পারে না ।


মুজ ফাউন্ডেশন :
তৈরির প্রযুক্তিগত দিক থেকে মুজ ফাউন্ডেশন এখনো পর্যন্ত সব গুলোর শীর্ষে । এটি যেমন কভারেজও দেয় ভাল তেমনি সব সময় সবখানে ব্যবহার করা যায় সহজেই । আর সব ধরণের ত্বকেও মানিয়ে যায় । এটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ । অনেকেই তৈলাক্ত ত্বকে ফাউন্ডেশন ব্যবহার করতে চান না,তাদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি এই মুজ ফাউন্ডেশন। এর গঠন অনেক মসৃণ হয়,তাই ত্বকের সাথে খুব সহজেই মানিয়ে যায়।


বিবি ক্রিম :
বিবি ক্রিমএকটি আধুনিক ফাউন্ডেশন ।খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে ভীষণ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বিবি ক্রিম । এটি খুবই আরামদায়ক এবং হালকা অনুভূতিপূর্ণ । এটি যেমন ফাউন্ডেশনের ঝক্কি কমায় তেমনি চেহারায় আনে প্রাকৃতিক কোমলতা ও মসৃণতা যার জন্য এটি এত বেশি সমাদৃত । সব ধরণের ত্বকেই মানানসই এই বিবি ক্রিম । ভাল ব্র্যান্ডের বিবি ক্রিমগুলোতে শেডও পাওয়া যায়।
স্টিক ফাউন্ডেশন :
স্টিক ফাউন্ডেশনের একটি অসুবিধা হচ্ছে এটি লাগানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই কেকি হয়ে যায় ,আর সাদা সাদা হয়ে ত্বককে অসুন্দর করে দেয়। তাই যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা এই ফাউন্ডেশনটি এড়িয়ে চলাই ভালো। এটি শুষ্ক ত্বকের জন্য বেশি ভাল । অনেক ভারী মেকআপ নিতে গেলে প্রয়োজন পড়ে স্টিক ফাউন্ডেশনের।

তাহলে আর দেরি না করে বেছে নিন আপনার ত্বক উপযোগী ফাউন্ডেশনটি আর সাজুন আপনার মনমতো।
*ফ্যাশনটিপস* *ত্বকেরযত্ন* *বিউটিটিপস* *মেকআপ* *পার্টিসাজ*

সেলিম মাহমুদ মেন্ডা: একটি বেশব্লগ লিখেছে


ফোল্ড করে প্যান্ট পরা ইদানিং একটি নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও অনেকেই মনে করেন যে, হয়ত প্যান্ট একটু বড় বলে ফোল্ড করে পরা হয়েছে। কিন্তু এখন প্যান্ট মাপমতন থাকলেও অনেকেই প্যান্ট এর নিচের দিকটা ফোল্ড করে পরেন। এই লুকটা নতুন এবং বেশ ফ্যাশনেবল। ইউরোপ এবং আমেরিকার দেশগুলোতেও এখন এটি নতুন ফ্যাশন হিসেবে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। প্যান্ট ফোল্ড করে পরার ক্ষেত্রে অবশ্যই কিছু বিষয় মেনে চলতে হবে, অন্যথায় ফ্যাশনেবল লুক এর পরিবর্তে সেটা ফ্যশনহীন লুক এ পরিণত হতে পারে।
প্যান্ট ফোল্ড করে পরার কিছু টিপস এখানে দেয়া হল,
১। জিন্স বা গ্যাভারডিন এর ক্যাজুয়াল প্যান্ট ফোল্ড করে পরতে পারেন। ফরমাল প্যান্ট কখনই ফোল্ড করে পরতে যাবেন না, এটা মোটেও ফ্যাশনেবল কিছু হবে না।
২। ফোল্ড করে প্যান্ট পরতে চাইলে অবশ্যই স্লিম ফিট কিংবা রেগুলার ফিট প্যান্ট পরবেন। লুজ ফিটিঙ্গের প্যান্ট-এ ফোল্ড করাটা মোটেও ফ্যাশনেবল কিছু না।
৩। জিন্স প্যান্ট এর চাইতে গ্যাভারডিন প্যান্ট ফোল্ড করে পরলে বেশী ফ্যাশনেবল লাগবে।
৪। ফোল্ড করে করার জন্য চিনো প্যান্ট সবচাইতে উপযোগী। এক্ষেত্রে একটু ভিন্ন ধরণের রং যেমন, নীল, আকাশী, সবুজ কিংবা গাড় কমলা বা বাদামি রং এর প্যান্ট পরলে সেটা আরও ফ্যাশনেবল হবে।
৫। কখনই বেশী লম্বা প্যান্ট এ ফোল্ড করবেন না এবং দুইটির বেশী ফোল্ড করবেন না। সবথেকে ভাল হলে দুইটি ফোল্ড করলে।
৬। ফোল্ড করে প্যান্ট সাধারণত মোজা পরা হয় না। মোজা পরলেও সেটা যেন অবশ্যই শর্ট বা খাটো মোজা হয়, কখনই লম্বা বা রেগুলার সাইজের মোজা পরবেন না। মোজা একটু কালারফুল বা একটু ভিন্ন ডিজাইনের হলে সেটা আরও ফ্যাশনেবল লুক এনে দিতে পারে, তবে ছেলে মানুষের ক্ষেত্রে কোনভাবেই এক কালারের লাল, সবুজ, নীল মোজা পরা উচিত হবে না।

নিচের ছবিটা এক্ষেত্রে অনুসরন করতে পারেন।

*ফ্যাশন* *নতুনফ্যাশন* *ফ্যাশনটিপস*

★ছায়াবতী★: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হাত ও আঙুলের গড়ন অনুযায়ী আংটি পরলে ভালো দেখায়। বড় পরতে চাইলে যেকোনো একটি আঙুলে একটি আংটিই পরুন, ভালো দেখাবে। একটা সময় ছিল, যখন শুধু অনামিকাতেই আংটি পরা হতো। আজকাল সব আঙুলে, এমনকি বৃদ্ধাঙ্গুলেও আংটি পরার চল রয়েছে। হাত ও আঙুলের গড়ন খাটো হলে চারকোনা, গোলাকার বা এক ফুলবিশিষ্ট আংটি পরলে ভালো দেখাবে। চিকন ও লম্বা গড়নের আঙুলে সব ধরনের আংটিই মানিয়ে যায়। বৃদ্ধা ও কনিষ্ঠা আঙুলের জন্য যতটা সম্ভব সমতল ডিজাইনের আংটি নির্বাচন করুন। বৃদ্ধাঙ্গুলে জিগজ্যাগ, পেঁচানো বা কয়েকটা চিকন আংটি একসঙ্গে নিয়ে বড় আংটির মতো করে পরতে পারেন। তর্জনী, মধ্যমা আর অনামিকায় পরতে পারেন যেকোনো ডিজাইনের আংটি।

কোন আঙুলে কেমন আংটি
আঙুলের ধরন ও সাইজ ভেবে রিং বেছে নিতে হবে। গয়নার ডিজাইনার লায়লা খাইর কনক জানালেন, হাতের আঙুলের আকার যদি লম্বাটে হয়, তাহলে পার্ল কিংবা ওভাল আকারের রিংগুলো সব সময় ভালো নাও লাগতে পারে। সে ক্ষেত্রে রাউন্ড চাংকি রিং ভালো মানাবে। অন্যদিকে ওভাল শেপের রিং বেশি মানায় ছোট আঙুলে। এ ছাড়া জিওম্যাট্রিক শেপের রিংগুলো ছোট আঙুলের জন্যও মানানসই। এতে আঙুলের আকার বড় দেখাবে। অনেকের আঙুল সরু হতে পারে। তাদের জন্য রাউন্ড শেপের স্টোন রিং হাতের সৌন্দর্যকে আকর্ষণীয় করে তুলবে। মোটা ও পুরু রিংও সরু আঙুলকে কিছুটা মোটা দেখাতে সাহায্য করবে। বড় সাইজের স্টোন দিয়ে তৈরি চাংকি রিং একটু মোটা আঙুলের জন্য ভালো। কেননা এতে আঙুল সরু দেখাবে।

এ তো গেল আঙুলের শেপ অনুযায়ী রিংয়ের কথা। যাদের শুধু আঙুল নয়, পুরো হাতটিও বড় ধরনের, তাদের ছোট স্টোন অথবা ছোট ধরনের যেকোনো রিং ব্যবহার করা উচিত নয়, সেখানে পরা উচিত বড় সাইজের স্টোনের চাংকি রিং। ছোট আকারের হাতের জন্য সব সময় ওভারসাইজড রিং এড়িয়ে চলা দরকার। বোঝা যাচ্ছে, আংটি বাছাইয়ের কাজে হাত ও আঙুলের ধরন গুরুত্বপূর্ণ।

অনেকে হার্ট, ওভাল কিংবা রাউন্ড শেপের চাংকি রিং পছন্দ করেন না। তারা বিভিন্ন অক্ষর, শব্দ অথবা সিম্বলিক ডিজাইনের রিং পরতে পারেন।

তবে এটি যেন অবশ্যই আপনার ব্যক্তিত্ব, বয়স ও পরিবেশ উপযোগী হয়।

পাশাপাশি আংটিটি মানানসই হতে হবে আপনার হাতের গড়ন ও পোশাকের সঙ্গেও।

ফ্যাশন ডিজাইনার লিপি খন্দকার বলেন, আজকাল সব আঙুলে আংটি পরতে দেখা যায়। ফুল, তারা, প্রজাপতি- সব কিছুই চলতে পারে আংটির ডিজাইনে। আংটি থেকে ঝালরের মতো ঝুলতে পারে ঝুনঝুনি কিংবা চাবির গোছার মতো নকশাও। তবে ঝালরের মতো আংটিগুলো তরুণ বয়সীদের জন্যই অধিক মানানসই। আর পাথরের কারুকাজ করা আংটি সব বয়সীরাই পরতে পারেন।’

কোন পোশাকে কেমন আংটি

ফতুয়া-জিনসের মতো পাশ্চাত্য পোশাকের সঙ্গে নানা রঙের জিগজ্যাগ আংটিও বেশ মানিয়ে যায়। জমকালো অনুষ্ঠানে সোনার প্রলেপ দেওয়া আংটি পরতে পারেন। এতে থাকতে পারে কুন্দন ও পাথরের কারুকাজ। শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ উভয়ের সঙ্গেই মানিয়ে যায় এ আংটিগুলো। রঙিন মিনা করা আংটিও পরতে পারেন। এ সময়ে বেশ চলছে ডায়মন্ড কাটের আংটিগুলো। ফতুয়া ও জিনসের সঙ্গে দেশি ঢঙের রঙিন পুঁতি, নারিকেলের মালা, বোতামের একটি বড় আংটি বেশ ভালো লাগবে। শুধু একটি বড় পাথরের আংটি হতে পারে। বড় আংটির সঙ্গে নিশ্চয়ই হাতভর্তি চুড়ি পরলে ভালো দেখাবে না। সেক্ষেত্রে অন্য আঙুলে আংটি না পরাই ভালো। হাতটা বরং খালি হলেই সুন্দর দেখাবে। *সংগৃহীত*
*আংটি* *ফ্যাশনটিপস*

তিথি মনি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হেয়ার স্টাইল যে শুধু মেয়েদের তা কিন্তু একদমই ঠিক কথা না। মেয়েদের পাশাপাশি ছেলেদের ফ্যাশনেও পরিবর্তন এসেছে। তাইতো হেয়ার স্টাইলে মেয়েদের চাইতে কোনো অংশে পিছিয়ে নেই ছেলেরাও। ফ্যাশন সচেতন তরুণরা জানে, স্টাইলিশ হেয়ার মানে স্মার্ট লুক। বয়স, পেশা বা শারীরিক গঠনের ওপর ভিত্তি করে সাধারণত ছেলেদের হেয়ার স্টাইল নির্বাচন করাটা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে খেয়াল রাখতে হবে চুলের ধরন, গায়ের রঙ বা লাইফ স্টাইলের বিষয়টিতেও। 

ছেলেদের হেয়ার এক্সপার্টরা বলছেন, এই সময়ে লেয়ার কাট, ক্রু কাট, ক্ল্যাসিক কাট, চপি কাট, ক্ল্যাসিক ট্যাপার, ওয়েভি বা ঢেউ খেলানো, স্পাইক কাট, ইমো কাট প্রভৃতি হেয়ার স্টাইল বেশি চলছে। আবার আজকাল অনেকেই চুলে জেল ব্যবহার করছেন। কেউ কেউ চুল রিবন্ডিংও করছেন।

লেয়ার কাট
চুলের নানা ধরনের কাটের মধ্যে বেশি চলছে লেয়ার কাট। লেয়ার কাটের ধরনটা হলো পেছনের দিকে একটু ছোট এবং কানের দুই পাশে একটু ঢেকে ছোট করে কাটা। আর সামনের চুল খুব ছোটও থাকবে না আবার খুব বড়ও থাকবে না। মোটামুটি সব বয়সের ছেলেদেরই এ ধরনের চুলের কাট মানাবে।

স্পাইক কাট
স্পাইক কাট এখন তরুণদের কাছে সমান জনপ্রিয়। অনেকে শুধু সামনের অংশ স্পাইক করছেন। যাদের মুখ কিছুটা গোল, তারা কানের দুই পাশে চুল একটু ছোট রাখতে পারেন। এতে মুখটা ভালোমতো ফুটে উঠবে। আবার একইভাবে যাদের মুখ কিছুটা লম্বা ধরনের, তারা কানের দুই পাশে কিছুটা চুল রেখে দিলে ভালো মানাবে।

ক্ল্যাসিক ট্যাপার
ক্ল্যাসিক ট্যাপার হেয়ার স্টাইল নিতে হলে থাকতে হবে মাঝারি লম্বা চুল। এই স্টাইল করতে মাথার পেছনে ও কানের ওপরের চুল খাটো করে কাটা হয়। কিন্তু কপালের চুল রাখা হয় লম্বা, যাতে চুলগুলো কপালের ওপর ছড়িয়ে রাখা যায় বা ব্যাক ব্রাশ করা যায়।

ইমো কাট
ইমো স্টাইলের জন্যও মাঝারি লম্বা চুল থাকা প্রয়োজন। ইমো স্টাইল করতে অনেকটা এলোমেলোভাবে চুল কাটা হয়। কিন্তু সামনের চুল বড় রাখা হয়। আর মাথার পেছনের চুল স্পাইক স্টাইলে ছোট রাখা হয়। সামনে এবং কানের পাশের বড় চুলগুলো মুখমন্ডলের ওপর প্রায় ছেয়ে থাকে। এটিকে ‘ইমো সুইপ’ বলে।

ক্রু কাট
ক্রু কাটের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, মাথার পেছনের ও পাশের চুল খুব ছোট করে কাটা হয়, কিন্তু ওপরের চুলগুলো ক্রমান্বয়ে কিছুটা বড় ও খাড়া করে রাখা হয়। ক্রু কাট পরিচর্যা করা খুব সহজ। সাধারণত ক্রু কাট দুইরকম হয়ে থাকে এক্সটা শর্ট এবং হাই অ্যান্ড টাইট। ক্ল্যাসিক কাটে মাথার এক পাশে সিঁথি করে চুল আঁচড়ানো হয়।

ছেলেদের হেয়ার স্টাইলের জন্য রাজধানীতে নামকরা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এগুলো হলো পারসোনা এডামস, হেয়ারোবিক্স ফোন ফেস ওয়াস, সুপার কাট স্যালন অ্যান্ড কিডস কর্নার। এসব প্রতিষ্ঠানে ১৫০ টাকা থেকে পাঁচ হাজার টাকায় আপনার পছন্দের কাট দিতে পারবেন। 
সংকলিত
*হেয়ারস্টাইল* *ফ্যাশন* *ফ্যাশনটিপস*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বর্তমানে ফ্যাশন নিয়ে তরুণদের ভাবনার শেষ নেই। যে ভাবেই হোক ফ্যাশনে ওভারস্মার্ট হওয়া চাই-ই-চাই। তাইতো ফ্যাশন নিয়ে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে তরুণরা ওভারকোট বেছে নিয়েছে। ফ্যাশন প্রিয় তরুণ তরুণীরা মনে করেন,ওভারকোট মানে ওভারস্মার্ট। এটা শুধু স্মার্টনেস-ই দেয় না সাথে সাথে শীতে উষ্ণতা এবং আরামের পরশ ছড়ায়। ওভারকোট পরলে শীত যেমন আপনাকে ছুঁতে পারে না, তেমনি আপনাকে দেখতেও চমৎকার লাগবে। ভীষণ ট্রেন্ডি এ পোশাকে নিজের লুকটাতে চমৎকার একটা ভিন্নতা নিয়ে আসে। চলুন তাহলে ওভার কোটের ওভার স্মার্টনেস নিয়ে আলোচনা শুরু করা যাক...

কাটিং-ফিটিং
ফ্যাশনের মধ্য দিয়েই রুচিবোধের পরিচয় মেলে। তাই পোশাক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে রুচির দিকটাতেও নজর রাখতে হবে। ওভারকোট হাঁটু পর্যন্ত লম্বা আবার একটু খাটোও হয়। কোমরের কাছাকাছি থাকে বেল্ট সিস্টেম। বেল্টে স্টিল অথবা প্লাস্টিকের বকলেসের ব্যবহার বেশ লক্ষ্যণীয়। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে কিংবা নিজেকে একটু ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে ব্লেজারের পাশাপাশি ওভারকোটের চাহিদা এখন তুঙ্গে। যে কোনো পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে পরা যায় ওভারকোট । স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহারের জন্যও এর জুড়ি মেলা ভার। বর্তমানে বাজারে কয়েক ধরনের ওভারকোট পাওয়া যায়। আর বিভিন্ন স্টাইলের কাটিং ও ডিজাইনে বেশ আকর্ষণীয় এ পোশাকগুলো। সাধারণত ব্লেজার কাপড় দিয়েই এগুলো তৈরি করা হয়। তবে পাশাপাশি কটন, উলেন, সফট লেদার ইত্যাদিও ব্যবহার করা হয়। ব্লেজার কাপড়ের পাশাপাশি মিক্সড উলের স্ট্রাইপের ওভার কোটগুলোই মেয়েদের বেশি পছন্দ। রঙের ক্ষেত্রে কালো, সাদা, চাপা সাদা, ছাই, ধূসর ছাড়াও হলদে সবুজ, লাল, গোলাপি, নীল ইত্যাদি বিভিন্ন রঙের স্ট্রাইপ বা অন্য ডার্ক রঙগুলোই বেশি প্রাধান্য পায়।

অনুষঙ্গ
ওভারকোট জিন্সের সঙ্গেই বেশি মানানসই। ভেতরে একটু মোটা কাপড়ের টপস কিংবা টি-শার্ট পরলে ওভারকোটের বুকের অংশটা খোলা রেখেই পরতে পারেন। আবার চাইলে সব বোতাম আটকে দিয়ে বডির সঙ্গে ফিটিং করেও পরতে পারেন। দুটি স্টাইলই চলছে এখনকার ট্রেন্ডে। ওভারকোট পরলেও গলায় এক্সেসরিজ হিসেবে জড়াতে পারেন ছোট স্কার্ফ। প্রিন্টেড ন্যারো স্কার্ফ তরুণীদের জন্য খুবই ট্রেন্ডি। মাথায় মিক্সড উলেন টুপি, হাতে মোটা ব্রেসলেট পরতে পারেন ওভারকোটের সঙ্গে মিল রেখে। পায়ে এক্ষেত্রে গাম বুটটাই বেশি মানানসই। অফিসে গেলে উজ্জ্বল রঙের শার্টের সঙ্গে মানিয়ে অ্যাশ কিংবা ব্ল্যাক ওভারকোট পরতে পারেন। সাদা শার্টের সঙ্গে খাকি বা ইয়োলো কোট কিংবা মেরুন শার্টের সঙ্গে ডিপ ব্ল– কোট পরা যেতে পারে। সঙ্গে মানানসই জুতা। পার্টিতে গেলে কানে-গলায় পরতে পারেন জ্যামিতিক শেপের গয়না, হাল্কা পাথরের রঙিন পেনডেন্ট বা শুধুই জমকালো ব্রেসলেট!

কোথায় পাবেন ওভারকোট
রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোড, ধানমণ্ডি, গুলশান, বনানী ও উত্তরার বিভিন্ন শপিং কমপ্লেক্স ঘুরলেই পেয়ে যাবেন আপনার পছন্দের এ পোশাকটি। এবার এক্সটাসি, ক্যাটস আই, ইনফিনিটি, ওয়েস্ট্যাক্স, ট্রেন্ডস, ইয়েলো, আর্টিস্ট, রিচম্যান, ইনফিনিটি, স্মার্টেক্স, ব্যাঙ, প্লাস পয়েন্ট এবং অন্য ফ্যাশন হাউসগুলো ওভারকোটের ক্ষেত্রে বেশ বৈচিত্র্য এনেছে। সব হাউসেই বিভিন্ন রঙের ও স্টাইলের ওভারকোট পাওয়া যাবে। তাই পছন্দের পোশাকটি কিনতে হলে ঢুঁ মারতে পারেন যে কোনো হাউসে। আর যদি রেডিমেড কিনতে না চান সে ক্ষেত্রে কাপড় কিনে নিজ পছন্দ অনুযায়ী বানিয়েও নিতে পারেন। কাপড় কিনতে পারেন পরিচিত কোনো ভালো টেইলার্স থেকে। যেমন: ভিনটেজ, ট্রপিক্যাল, লান্সে সেশন ইত্যাদি। বাজেট একটু বেশি থাকলে যেতে পারেন কোনো ব্র্যান্ডেড দোকানে। যেমন রেমন্ড, ডিক জ্যাম, ইতালিয়ান ভারসেস, অ্যালিসন ও ডরমেনি।

*ওভারকোট* *ফ্যাশন* *ফ্যাশনটিপস*
ছবি

কেয়া _নাহিদা: ফটো পোস্ট করেছে

কেয়া _নাহিদা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

উলঃ সাধারণত ডিটারজেন্ট বা লিকুইড ডিটারজেন্ট ভালো করে পানির সাথে মিশিয়ে ২০/৩০ ভিজিয়ে রেখে উলের কাপড় হালকা হাতে কেঁচে ধুয়ে ফেলতে হবে। মনে রাখতে হবে বেশি জোরে কাঁচা বা নিংড়ানো যাবে না। উলের কাপড় ওয়াশিং মেশিনেও ধোয়া যাবে, কিন্ত তার জন্য আপনাকে wool mode রাখতে হবে। উলের কাপড়ে যদি কোনো দাগ পড়ে তাহলে ঐ দাগের উপর লেবু ঘষে নিতে হবে।

ফ্লানেলঃফ্লানেল কাপড় ডিটারজেন্ট বা লিকুইড ডিটারজেন্ট ভালো করে পানির সাথে মিশিয়ে ২০/৩০ ভিজিয়ে রেখে কেঁচে ধুয়ে ফেলা যায়। এ কাপড় ওয়াশিং মেশিনে ধোয়ার জন্য জেনারেল mode রাখতে হবে। কিন্তু ধোয়ার আগে কিছুক্ষণ ভিনেগার পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। কারণ ফ্লানেল কাপড়ের বাড়তি রং থাকলে চলে যাবে।
আঙ্গুরা বা পশমিঃআঙ্গুরা বা পশমি কাপড় ধোয়ার জন্য আপনাকে একটু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। এই কাপড় ওয়াশিং মেশিনে ধোয়া যাবে না এবং শুধু মাত্র winter wash বা লিকুইট ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুতে হবে। তার জন্য আপনাকে মাত্র ৫/১০ মিনিট ভিজিয়ে নিয়ে কচলে ধুয়ে ফেলতে হবে এবং পানি চেপে চেপে ফেলতে হবে। পশমি কাপড় গুলোকে কখনো অন্য কাপড়ের সাথে ভিজানো বা ধোয়া যাবে না তাহলে পশম গুলো অন্যান্য কাপড়ে লেগে যাবে। আপনি চাইলে ড্রাই ওয়াশ করাতে পারেন। কাপড় ধোয়ার পর টিসু পেপার দিয়ে মুড়িয়ে ভাজ করে পলিথিনে করে বা হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

লেদারঃলেদারের জ্যাকেট বারবার ওয়াশ করা যায় না। তাই মাঝে মাঝে অল্প রৌদ্রে দিয়ে ব্রাশ করে ঝেড়ে ফেলতে হবে। বছরে ১/২ বার ড্রাই ওয়াশ করানোই ভালো। অবশ্যই লেদারের জ্যাকেট হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। অনেক দিন ব্যবহার না করার ফলে জ্যাকেটের জিপার জ্যাম হতে পারে। জিপারের চেইনে মোম বা নারিকেল তেল দিয়ে ঘষে নিলেই জিপার ইজি হয়ে যাবে।
কাশ্মিরিঃকাশ্মিরি শাল বা সোয়েটার লিকুইট ডিটারজেন্ট দিয়ে ঘরেই ধোয়া যায়। তবে হালকা ধোয়ার পর তোয়ালে দিয়ে চেপে চেপে পানি বের করতে হবে এবং ছায়া যুক্ত স্থানে হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে শুকাতে হবে। ইস্ত্রি করার সময় একটি তোয়ালে বা সুতির কাপর বিছিয়ে নিয়ে তার উপর আয়রন করতে হবে। কাশ্মিরি শাল বা সোয়েটার শুকানোর পর হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে বা ভাঁজ করে পলিথিন ব্যাগে করে ন্যাপথালিন দিয়ে রাখুন।

শীতের কাপড় গুলোকে মাঝে মাঝে রৌদ্রে দিতে হবে কিন্ত খেয়াল রাখতে হবে যাতে বেশি রৌদ্র না পায় তাহলে আপনার শখের পোশাকটির রং জ্বলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।তাই সকালে ১০-১২ মিনিট রৌদ্রই যথেষ্ট। দুপুর বেলার কড়া রৌদ্রে কাপড় নষ্ট হবার সম্ভাবনা থাকে। অবশ্যই আলমারিতে রাখার আগে ন্যাপথালিন দিয়ে রাখুন। ভুলেও কখনো কাপড়ে পারফিউম দিয়ে রাখবেন না তাহলে কাপড়ে দাগ পড়ে থাকবে।


*ফ্যাশনটিপস* *শীতেরফ্যাশন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★