বড়দিন

বড়দিন নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিনতে ক্লিক করুনদু’দিন বাদেই খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড় দিন। বড় দিন মানে বাড়তি আনন্দ আর বড় বড় গিফট পাওয়া। মহা আনন্দের এই দিনটিকে ঘিরে সকল প্রস্তুতি যারা শেষ করেছেন তারা একটু ফুরফুরা কিন্তু এখনো যারা কেনাকাটা ও অন্যান্য আয়োজন সারতে পারেননি তাদের খানিকটা টেশনটা আমাদের হাতে ছেড়ে দিন। আমরা অন্তত্ব আপনার কেনাকাটার কাজ সহজ করে দেই। হ্যাঁ বন্ধুরা, বড়দিনকে সামনে রেখে বড় অফার নিয়ে এসেছে আজকেরডিল। ঘরে বসেই আজকের ডিল থেকে কিনে নিতে পারেন আপনার পছন্দের পণ্যটি। দু’দিনের মধ্যে পণ্য হাতে পেতে এক্ষনি অর্ডার করুন।

উৎসব মানেই আনন্দ। আর উৎসবের আনন্দ দ্বিগুণ বেড়ে যায় উপহার পেলে। সামনে আসছে আনন্দের দিন বড়দিন। বড়দিন ঘিরে কত জল্পনা আর কল্পনা থাকে। প্রিয়জনকে খুশি করতে সবাই নানা ধরনের উপহার দিয়ে থাকেন। সময়টা শীত, তাই উপহার হিসেবে অনেকেই বেছে নিচ্ছেন শীতের পোশাক।

পোশাক ছাড়াও কিন্তু দোকান আর গিফট শপগুলো ঝলমল করছে নানা উপহারসামগ্রীতে। শিশুদের জন্য খেলনা, পুতুল, ডেকোরেশন পিস—আরও কত কী। শুভেচ্ছাবার্তা দেওয়ার জন্য কার্ড আর পছন্দের চকলেট তো চাই-ই।

বড়দিনে উপহার হিসেবে ইলেকট্রিক গ্যাজেট দিতে পারেন অথবা কিনে নিতে পারেন নিজের জন্য। আজকের ডিলে রয়েছে নানা রকমের স্মার্টওয়াচ, ভিআরবক্স, ওটিজি ডিভাইস ও মোবাইল ট্যাবসহ আরও অনেক কিছু। আপনার পছন্দেরটি এখনি কিনে নিন।

শীতের এই সময়টায় উষ্ণতার পরশ পেতে কিনে নিতে পারে ছেলে মেয়ে উভয়ের জন্য বিভিন্ন ধরনের শীতের প্রশাধনী ও উইন্টার কসমেটিক্স। এছাড়াও বড় দিনের উৎসবে সেজে উঠতে নিয়ে নিতে পারেন বিভিন্ন ধরনের মেকআপ  আইটেম। 

বড়দিনে ঘর সাজানোর জন্য নিতে পারেন বিভিন্ন ধরনের বেডশীট।

বড়দিনের উপহার হিসেবে মিক্স চকলেট বক্স বেশ আগে থেকেই জনপ্রিয়। এই দিনে বড়রা ছোটদের জন্য বিভিন্ন ধরনের চকলেট আইটেম সমৃদ্ধ বক্স মিশুদের উপহার দিয়ে থাকেন। আপনিও ইচ্ছে করলে এখান থেকে চকলেট কিনে নিতে পারেন। 

এতো গেল সামান্য কিছু আইটেম-এগুলো ছাড়াও উপহার হিসেবে দেবার ও কেনার মত অনেক সামগ্রী আজকের ডিলে পেয়ে যাবেন। আপনি ইচ্ছে মত, শার্ট, প্যান্ট, শীতের সোয়েটার, শাড়ি, ঘড়ি, ফুলস্লিফটিশার্ট, সানগ্লাস, ফুলদানি, শীতের শু, থ্রিপিস, কুর্তি ও ট্রাভেল ব্যাগসহ গৃহস্থালি সব রকমের পণ্য পাবেন। 

কিনতে ক্লিক করুন

বন্ধুরা, আপনি দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে ঘরে বসেই বড়দিনের আকর্ষণীয় সব পণ্য কিনে নিতে পারবেন। সাথে দ্রুত ডেলিভারী তো থাকছে। দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে বড়দিনের আগেই পন্য পেতে চাইলে এখনি এখানে ক্লিক করুন

*বড়দিন* *উৎসব* *কেনাকাটা* *শপিং* *অফার* *স্মার্টশপিং*

Mahi Rudro: এ বছর কী কী আছে সান্তাক্লজের পোটলায় ? আমার একটা বাচ্চা ভূত চাই। যা কিছু খারাপ ঘটছে চারপাশে, সব ঠিক করে ফেলবো। দিতে পারবেন সান্তা ? (মাইরালা২) (ইয়েয়ে)

*সান্তাক্লজ* *বড়দিন*

আঁকাবাঁকা: শুভ বড়দিন সবাইকে বড়দিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা

*বড়দিন*
ছবি

Risingbd.com: ফটো পোস্ট করেছে

বড়দিনের শুভেচ্ছা

রাইজিংবিডির পরিবারে পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই বড়দিনের শুভেচ্ছা

*শুভেচ্ছা* *বড়দিন* *আড্ডা*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রতিটি  উৎসব অনুষ্ঠান মানুষের মনে বয়ে আনে  একরাশ আনন্দের অনুভুতি। বছর ঘুরে আবারো আসছে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সব থেকে জাকজমকপুর্ণ বড়দিন বা ক্রিসমাস ডে । 
যেকোন উৎসব শিশুদের কাছে সবথেকে বেশি আনন্দের হয়ে থাকে। আর বড় দিন মানেই তো রাশি রাশি উপহার, নতুন জামা, ভিন্ন ধরনের খেলনা নিয়ে মেতে ওঠার সময়। বড়দিনে তাদের আনন্দকে আরো বাড়িয়ে দিতে উপহার দিতে পারেন নিচের বিভিন্ন গিফট আইটেম। তো চলুন এমনই কিছু উপহার সামগ্রীর সাথে পরিচিত হয় যেগুলো পেলে শিশুরা অনেক বেশি খুশি হবে। 


কিডস সুপারম্যান কস্টিউম

৬২০ টাকা দামের এই 
কিডস সুপারম্যান কস্টিউম হতে পারে আপনার শিশুটির জন্য বড়দিনের সেরা গিফট। 
ফেব্রিক: অক্সফোর্ড স্লিভ 
লেন্থ : ফুল 
মেটারিয়াল : পলিস্টার 
সাইজ : S,L S- 
এই কস্টিউমটি দুই থেকে পাঁচ বছর এর বাচ্চার জন্যে 
L- ছয় থেকে দশ বছর এর বাচ্চার জন্যে প্রযোজ্য। 
কিনতে চাইলে ক্লিক কিডস সুপারম্যান কস্টিউম




কিডস স্কুটার

৩,৩৫৫ টাকা দামের এই 
কিডস স্কুটারটি আপনার ছেলে বা মেয়েশিশুটি সহজে ব্যবহার করতে পারবে।
 হাই-কোয়ালিটি ম্যাটেরিয়াল থেকে তৈরি তাই এটি ব্যবহার করতে পারবে অনেকদিন।
 যেকোনো বয়সী বাচ্চাদের জন্য উপযোগী
দেখতে খুবই আকর্ষণীয় ও মজবুত
স্কুটারটি কিনতে বা এমন পণ্য আরো দেখতে ক্লিক কিডস স্কুটার




কিডস টেন্ট প্লে হাউজ

কিডস টেন্ট প্লে হাউজ ছোট বাচ্চাদের জন্য দারুণ একটি উপহার। 
এতে রয়েছে বাচ্ছাদের জন্য তাবু সহ খেলাধুলার নানা উপকরণ।
আকর্ষণীয় রঙের এই প্লে হাউজ পেলে আপনার বাচ্চা অনেক খুশি হবে।
এটির রয়েছে বিভিন্ন সাইজঃ 
যেমন (L) x (w) x (h): 84 cm x 84 cm x 90 cm/33 ”x 33” x 35 ”(appr.) 
ম্যাটেরিয়ালঃ পলিস্টার
এই  টেন্ট প্লে হাউজটির দাম পড়বে ২,৫৫০ টাকা 
কিনতে চাইলে ক্লিক করুন কিডস টেন্ট প্লে হাউজ




স্পেশাল টেডি বিয়ার
মেয়েশিশুদের কাছে খুব আকর্ষণীয় একটি উপহার হলো টেডি বিয়ার।

এটি পুতুলের মতো করে খেলতে ভালবাসে বাচ্চারা।
মাত্র ১,২০০ টাকা দামের এই টেডি বিয়ারটি পাবেন বিভিন্ন কালারে।
কালার: পিঙ্ক 
সাইজঃ ১৮" x ২২"
ওজনঃ ১৫০০ গ্রাম
আপনার প্রিয়সন্তানকে খুশি করার জন্য চমৎকার একটি উপহার
কিনতে চাইলে বা অর্ডার করতে ক্লিক স্পেশাল টেডি বিয়ার




CADBURY‬-BOURNVILLE চকলেট

চকলেট খেতে কে না ভালবাসে ?
ছেলে বুড়ো সবার কাছে প্রিয় এই চকলেট বক্সটিতে পাবেন ৩২ পিস CADBURY‬- চকলেট
তাও মাত্র  ২,২০০ টাকায়।
কোকোয়া,বাদাম আর Cranberry ফ্লেভার দেয়া খুবই স্বাস্থ্যকর।
এই চকলেট উপহার হিসেবে দারুণ ১ টির প্যাক এর ওজন-৩৩ গ্রাম 
১ বক্সে আছে-৩২ টি 
এটি India থেকে আমদানিকৃত
কিনতে চাইলে ক্লিক করুন CADBURY‬-BOURNVILLE চকলেট
*উপহার* *বড়দিন* *ক্রিসমাসডে* *ক্রিসমাসউপহার* *স্মার্টশপিং*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সারা বিশ্বে, সাংস্কৃতিক ও জাতীয় ঐতিহ্যগত পার্থক্যের পরিপ্রেক্ষিতে বড়দিন উৎসব উদযাপনের রূপটিও ভিন্ন হয়ে থাকে। যে সকল দেশে খ্রিষ্টান সংস্কার প্রবল, সেখানে দেশজ আঞ্চলিক ও লোকসংস্কৃতির সঙ্গে মিলনের ফলে বড়দিন উদযাপনে নানা বৈচিত্র্য চোখে পড়ে। বড়দিন উপলক্ষ্যে বিশেষ ধরনের সাজসজ্জার ইতিহাসটি অতি প্রাচীন। প্রাক-খ্রিষ্টীয় যুগে, রোমান সাম্রাজ্যের অধিবাসী শীতকালে চিরহরিৎ বৃক্ষের শাখাপ্রশাখা বাড়ির ভিতরে এনে সাজাত। খ্রিষ্টানরা এই জাতীয় প্রথাগুলিকে তাদের সৃজ্যমান রীতিনীতির মধ্যে স্থান দেয়। 
 
বড়দিন পালনের মূলভাব আর প্রথাগুলো ঠিক রেখে সময়ের সাথে দেশে দেশে বড়দিনের উদযাপনে যুক্ত হয়েছে তাদের নিজেদেরও বিভিন্ন আকর্ষণীয় আর মজার প্রথা।

নরওয়ে : ক্রিসমাস ইভে নরওয়েতে কোনো ঝাড়া-মোছা করা হয়না। সব ঝাড়ু নিরাপদ স্থানে লুকিয়ে রাখা হয় যাতে কোনো ডাইনী বা দুষ্ট প্রেতাত্মা তা চুরি করে নিয়ে যেতে না পারে।


জাপান: ১৯৭৪ সালে করা এক ক্যাম্পেইনের পর থেকে ক্রিসমাস ইভেতে কেএফসিতে খাওয়া জাপানি পরিবারগুলোর মাঝে এক ধরণের প্রথাতেই পরিণত হয়েছে। তাছাড়া এদিন জাপানিরা তার প্রিয়জনদের গ্রিটিংস কার্ড পাঠিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করে।তবে কার্ডটির রঙ হতে হয় সাদা।


জার্মানি: জার্মানরা ক্রিসমাস ইভে ক্রিসমাসট্রিতে আচার লুকিয়ে রাখে। পরদিন সকালে যে বাচ্চা সবার আগে সেটা খুঁজে পায় তার জন্য থাকে বিশেষ উপহার।


নিউজিল্যান্ড: নিউজিল্যান্ডে ক্রিসমাস ট্রি হিসেবে ঐতিহ্যবাহী কনিফার গাছের পরিবর্তে পহুটুকাওয়া গাছকে সাজানো হয়।


পর্তুগাল: প্রতি ক্রিসমাসের সকালে বিশেষ প্রাতঃভোজের আয়োজন করা পর্তুগালের অন্যতম ঐতিহ্য। বিশেষ এ ঐতিহ্যবাহী ভোজের নাম কনসোডা।নিজেদের সে সকল প্রিয়জন যারা আর তাদের মাঝে নেই তাদের এসময় স্মরণ করাই এ ভোজের রীতি।


ইউক্রেন: ইউক্রেনে ক্রিসমাস ট্রি সাজানোর প্রথাগত সামগ্রী ও খেলনার পরিবর্তে কৃত্রিম মাকড়সা ও মাকড়সার জাল দিয়ে সাজানো হয় ক্রিসমাস ট্রি।


সুইডেন: সুইডিশ ট্র্যাডিশন অনুযায়ী উৎসবের অন্যতম সংযোজন হল রাইস পুডিং। পুডিংয়ের মাঝে একটি খোসা ছাড়ানো almond রাখা হয়। ধরে নেয়া হয়, যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম বাদামটি খুঁজে পাবে তার আগামী এক বছরের মধ্যে বিয়ে হয়ে যাবে। তাছাড়া ক্রিসমাস ইভে খড় দিয়ে বানানো ছাগলের প্রতিকৃতি আগুনে পোড়ানোও সুইডেনে ক্রিসমাস উদযাপনের একটি বিশেষ ঐতিহ্য।

গ্রেট ব্রিটেন: ব্রিটেনে বহুবছরের পুরনো এক অদ্ভুত প্রথা আছে। এ প্রথা অনুযায়ী পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে ক্রিসমাসের বিশেষ ডেজার্ট- ক্রিসমাস পুডিংটি বেইক করার আগে তার মিশ্রণটি ক্লকওয়াইজ নাড়াতে হয় আর কোনো উইশ করতে হয়।

ভারত: পাইন গাছের অপ্রতুলতার কারণে ভারতীয়রা ক্রিসমাস ট্রি সাজায় আমগাছ বা কলাগাছ দিয়ে। আবার দক্ষিণ ভারতে, তামিলনাড়ু কেরালা- কর্ণাটক- অন্ধ্রপ্রদেশের মানুষেরা এই দিন ঘরের ছাদে ছোট ছোট মাটির প্রদীপ জ্বালায়।


ইতালি: ইতালিতে স্যান্টাক্লসের পরিবর্তে শিশুরা অপেক্ষা করে বিফানা নামের এক বন্ধুসুলভ ডাইনীর। যে কিনা ৫ জানুয়ারিতে শিশুদের খেলনা আর মিষ্টি উপহার দেয়।

ইথিওপিয়া: ইথিওপিয়ায় ক্রিসমাস পালিত হয় জানুয়ারির ৭ তারিখ।এ দিন সবাই সাদা কাপড় পরে আর ইথিওপিয়ান পুরুষরা ganna নামের একটি খেলা খেলে থাকে।এটি একটি দ্রুত গতির খেলা যা লাঠি আর কাঠের বল দিয়ে খেলা হয়।

কিউবা: কিউবাতে ক্রিসমাস উপলক্ষে আয়োজন করা হয় parrandas festival এর। এর আয়োজক শহর থাকে রেমেডিওস।ক্রিসমাস ইভ উপলক্ষে এশহরকে দু’ভাগে ভাগ করে প্রত্যেকটা বিল্ডিংকে বিভিন্ন থিম অনুযায়ী আলো দিয়ে সাজানো হয় স্কাল্পচারের মত করে।

বাভেরিয়া: উৎসব উপলক্ষে আতশবাজি বা পটকা ফোটানোর চল রয়েছে বহুদেশেই । তবে বাভেরিয়ার উদযাপনটি একেবারে অন্যরকম। এখানে পালন করা হয় অনেক হৈচৈ পূর্ণ ক্রিসমাস। বাভেরিয়ার পার্বত্যাঞ্চলবাসীরা এদিন জাতীয় পোষাক পরে আকাশে কামান দাগে।

স্লোভাকিয়া : স্লোভাকিয়াতে রয়েছে ক্রিসমাসের আজব ঐতিহ্য। বাড়ির সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ ব্যক্তিটি এদিন চামচ ভর্তি loksa পুডিং নিয়ে সিলিং এ ছুঁড়ে মারেন। আর পুডিং যত বেশি আটকে থাকবে ব্যাপারটা হবে ততই ভাল।

নাইজেরিয়া : নাইজেরিয়ায় বড়দিন অনেকটা আমাদের দেশের ঈদের মতো আবহ তৈরি করে; সব লোকজন বড় বড় শহর ছেড়ে তাদের গ্রামের দিকে ছুটতে শুরু করে। ফলে কয়েকদিনের মধ্যে শহরগুলো ফাঁকা হয়ে যায়; আর লোকজন বাজারগুলোতে ভিড় করে কেনাকাটা করতে।

স্ট্রেলিয়া :  ওখানে ক্রিসমাস যখন আসে, তখন ওদের গ্রীষ্মকাল। তারপরও কিন্তু জাঁকজমক কম হয় না। ওরা ইউরোপ-আমেরিকানদের মতো করেই বড়দিন পালন করে; সান্তাকে মাঝেমাঝেই ওদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিয়ে দেন, সান্তার মাথায় চাপিয়ে দেন ঐতিহ্যবাহী ‘আকুব্রা’ হ্যাট। আর সেই ঐতিহ্যবাহী সান্তার স্লেজ গাড়িটি তখন কারা টানে বলুন তো? অস্ট্রেলিয়ার প্রতীক পেটে-থলে-ওয়ালা অদ্ভুত প্রাণী ‘ক্যাঙ্গারু’!

ব্রাজিল : ওরা কিন্তু সান্তা ক্লজকে ডাকে অন্য একটা নামে, পাপাই নোয়েল বলে। আবার ওদের খাবারের তালিকাতেও থাকে বিশেষ একটা খাবার। চকলেট আর কনডেন্সড মিল্ক দিয়ে তৈরি এই বিশেষ খাবারটির নাম- ব্রিগেডেইরো। আবার ওদের উৎসবেও থাকে এক বিশেষ অংশ; ২৪ ডিসেম্বর রাত ১২ টা বাজলেই, মানে ২৫ ডিসেম্বর হওয়ার সাথে সাথে ওদের চার্চগুলোতে ‘মিসা দ্য গ্যালো’ উদযাপন করা হয়।

মেক্সিকো : মেক্সিকানদের ক্রিসমাসের উৎসবও চলে অনেক দিন ধরে। শুরু হয় ১২ ডিসেম্বর ‘লা গুয়াদালুপানা’ নামের ভোজ দিয়ে। আর শেষ হয় ৬ জানুয়ারি, ‘এপিফানি’ নামের ভোজ দিয়ে। আর তারা বিশ্বাস করে, মাঝরাতে শিশুদের স্টকিং (মোজা) উপহারে ভরে দিয়ে যায় ৩ জ্ঞানী ব্যাক্তি (থ্রি ওয়াইজ ম্যান)। 

রাশিয়া : জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে ওরা ৬ জানুয়ারি বড়দিন পালন করে। আর রাশিয়ার ক্রিসমাসে আরেকটা মজা আছে; ওখানে ক্রিসমাস আর নববর্ষ একসঙ্গে পালিত হয়। আর তাই ওদের নববর্ষের উদযাপনেও দেখবে ঠিক মধ্যেখানে একটা ক্রিসমাস ট্রি আছে। ওরা অবশ্য ক্রিসমাস ট্রি’কে ডাকে ইয়োল্কা নামে। আর ওরা ক্রিসমাস ট্রি হিসেবে পাইন গাছের বদলে বেশিরভাগ সময়েই ব্যবহার করে স্প্রাস গাছ।
*ক্রিসমাস* *ক্রিসমাসট্রি* *বড়দিন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বড়দিন প্রধান সবচেয়ে আকর্ষণীয় ক্রীসমাস ট্রি। প্রতিটি খ্রিস্টান পরিবার নিজের বাড়ীতে বা বাসায় ক্রিসমাস ট্রি সাজিয়ে থাকে। গ্রামে-শহরে অনেকে গাছের ডাল কেটে তাতে নানা রং এ সাজিয়ে আকর্ষণীয় জমকালো করে তোলে উৎসবমুখর বাস-বাড়ীকে। সেই  অনেকে কাগজ-কাপড়-বাশ-পাট কাঠি ইত্যাদিি দয়ে সৃদৃশ্য ক্রসি মাস ট্রি তৈরি করে ছোট ছোট গৃহপালিত পমুর মূর্তিি দয়ে গাছের মধ্যে চোট ছোট বাতি ও জরীর লেইস লাগিয়ে জমকালো করে তোলে। তবে এত সব ঝক্কি না করে অনলাইনে অর্ডার করে কিনে ফেলুন দারুন সব ক্রিসমাস ট্রি। বক্স থেকে খুলে পার্ট পার্ট জোড়া দিয়ে পূর্ণাঙ্গ ট্রি অতি অল্প সময়ে সাজানো যায়। বড়দিনের আনন্দকে শতগুণে বাড়িয়ে দিতে চলুন দেখে নিই এমন কিছু সামগ্রী।



Vickerman আর্টিফিশিয়াল ক্রিসমাস ট্রি
 বৈদ্যুতিক বাতিও তার আলাদা দেওয়া আছে।
 সাজানোর বাতি ও তার সাজিয়ে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিলে ঝলমলে আলো ছড়াতে থাকে।
উচ্চতা: ৬ ফুট
ন্যাচারাল লুকিং
ডায়ামিটার: ২৮ ইঞ্চি
৫,৭৫০ টাকা
কিনতে চাইলে ক্লিক করুন আর্টিফিশিয়াল ক্রিসমাস ট্রি



আর্টিফিশিয়াল ক্রিসমাস ট্রিউচ্চতা: ৫ ফুট
ন্যাচারাল লুকিং
এই ট্রিগুলো পার্ট পার্ট খোলা যায় আবার বক্সে ভাজ করে গুছিয়ে রাখা যায় পরের বৎসর  ব্যবহার করার জন্য।
ডায়ামিটার: ২৮ ইঞ্চি
এসব ক্রিসমাস ট্রিগুলো পার্ট পার্ট খোলা যায় আবার বক্সে ভাজ করে গুছিয়ে রাখা যায়। 
মুল্য মাত্র ৬,৯৯৯ টাকা
কিনতে চাইলে ক্লিক করুন  ক্রিসমাস ট্রি


SILVERADO স্লিম ক্রিসমাস ট্রি
সাত ফুট উচ্চতার এই ক্রিসমাস ট্রি আপনার বড়দিনকে করে তুলবে আরো আনন্দময় ও জাকজমকপুর্ণ। 
 প্রত্যেকটা ট্রী ছোট বড় ক্রীসমাস ট্রি সুদৃশ্য ও জমকালো হয়। 

টি আরো সুন্দর করতে গাছের নিচে গরু, ছাগল, ভেড়া ও উটের ছোট ছোট মুর্তি দিয়ে সাজিয়ে গাছের উপর বাতি সেট করে সাজানো হয়।
Silverado স্লিম আর্টিফিশিয়াল ক্রিসমাস ট্রি
উচ্চতা: ৭ ফুট
মুল্য ৭,০৯৯ টাকা
কিনতে হলে ক্লিক করুন আর্টিফিশিয়াল ক্রিসমাস ট্রি

*ক্রিসমাস* *বড়দিন* *ক্রিসমাসট্রি* *স্মার্টশপিং*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজ ২১ জুন (রবিবার)। উত্তর গোলার্ধে বছরের সবচেয়ে বড় দিন। আজ সূর্য একটি নির্দিষ্ট সময়ে কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর লম্বাভাবে অবস্থান করছে। কর্কটক্রান্তি রেখা বা অংশ বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
 
আজ দিন থাকবে ১৩ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট ২ সেকেন্ড। এই দিনে সূর্য তার উত্তরায়নের সর্বোচ্চ বিন্দুতে অবস্থান করে এবং সর্বোচ্চ উত্তরে উদয় হয় ও সর্বোচ্চ উত্তরে অস্ত যায়। কর্কট রেখায় সূর্যকে মধ্যাহ্নে আকাশের ঠিক মাঝখানে দেখা যায় আজ।
*২১জুন* *বড়দিন*

নিউজ ফ্ল্যাশ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের  বড় ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে আজ। এদিনটি সরকারী ছুটির দিন। এ দিনে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ধর্মগুরু যীশুর পুনরুত্থান ঘটে। সারা পৃথিবীর মতো বাংলাদেশের খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে দিনটি পালন করে থাকেন।

দিনটি উপলক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের কৃত্য পালন করা হয়। তবে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বিভক্তির সঙ্গে সঙ্গে দিবসটি পালনেও ভিন্নতা দেখা যায়। যেমন- ক্যাথলিকরা এর আগের চল্লিশ দিন উপবাস পালন, অনুতাপ ও প্রার্থনা করে থাকেন। যীশুর চল্লিশ দিনের উপবাস অনুসারেই এ উপবাস পালন করা হয়। মানুষের আধ্যাত্মিক মঙ্গল সাধনের জন্য এ চল্লিশ দিনের উপবাস, প্রার্থনা, ত্যাগ স্বীকার, প্রায়শ্চিত্ত ও অনুতাপের মধ্য দিয়ে জীবনকে মূল্যায়ন করা হয়। প্রায়শ্চিত্তকাল হল আত্মশুদ্ধির সময়। অর্থাৎ যীশুর পুনরুত্থানের জন্য নিজের আধ্যাত্মিক প্রস্তুতি নেওয়ার সময়। অন্যভাবে, যীশুর ক্রুশীয় মৃত্যু ও যাতনার কথা স্মরণ করে নিজের অন্তরে অনুতপ্ত হওয়া আর শুদ্ধ হয়ে ওঠার চূড়ান্ত সময়। তবে প্রট্যোস্টানরা উপবাস পালন করেন না। তাদের মতে, এ চল্লিশ দিনের শেষ সপ্তাহকে বলায় পবিত্র সপ্তাহ। এর মধ্যে পড়ে ইস্টার ট্রিডুম, হলি ট্রাসডে, শেষভোজ, পা ধৌতকরণ ও সর্বোপরি গুড ফ্রাইডে।

প্রচলিত গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে ইস্টারের তারিখ নির্ধারিত হয় না। তাই কখনও কখনও পৃথিবীর পশ্চিমাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলে এটি আলাদা তারিখে পালিত হয়। প্রথমদিকের খ্রিস্টন, ইহুদি ও জেন্টাইলরা যে হিব্রু ক্যালেন্ডার অনুসরণ করত, তাতে খ্রিষ্টানদের কোনো বার্ষিক উৎসবের প্রমাণ নেই। দ্বিতীয় শতাব্দীর মাঝামাঝিতে এসে ইস্টার উদযাপনের প্রমাণ পাওয়া যায়।

৩২৫ সালের রোমের ফার্স্ট কাউন্সিল অব নিচেয়াতে ইস্টার পালনের দিন নির্ধারিত হয়। এতে বলা হয়, মার্চের একুনিক্স (এ দিন দিন-রাত সমান থাকে) অনুসারে পূর্ণ চন্দ্রের (শেষভোজের দিন) পরের প্রথম রোববার হলো ইস্টার সানডে। পশ্চিমাঞ্চলে সাধারণত ইস্টারের সময় ২২ মার্চ থেকে ২৫ এপ্রিলের মধ্যে পড়ে। অন্যদিকে, পূর্বাঞ্চলের খ্রিস্টানরা নির্ভর করে জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের ওপর। এখানে সাধারণত ৪ এপ্রিল থেকে ৮ মের মধ্যে দিনটি পড়ে।

দিনটির সঙ্গে ইহুদিদের পাসওভারের সম্পর্ক রয়েছে। এটা অনেকটা ক্যালেন্ডারের সঙ্গে সম্পর্কিত। কোনো কোনো ভাষায় ইস্টার ও পাসওভার অভিন্ন বা খুব কাছাকাছি। পাসওভারের দিনে ইহুদিদের ব্যাবিলনের বন্দীদশা শেষ হয়।

দিনটি খ্রিস্টান বিশ্বের সব জায়গায় পালিত হয়। এ উপলক্ষ্যে বিশেষ ভোজ ও চার্চ সাজানো হয়। যীশুর শূন্য কবরের প্রতিকরূপে ডিম সাজানো হয়। প্রার্থনা অনুষ্ঠান ছাড়াও বিভিন্ন খ্রিস্টীয় সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এই বিশেষ দিনটি পালনের জন্য নানা কর্মসূচি পালন করে।
(সংকলিত)
*ইস্টারসানডে* *বড়দিন*

সাদমান রহমান: [নিউইয়ার১৫-গিফট] সবাইকে বড়দিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা! (সারপ্রাইজ)

*বড়দিন* *ক্রিসমাস*
ছবি

রোমেল বড়ুয়া: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

Merry Christmas

শুভ বড়দিন (সারপ্রাইজ) (কিমজা)

*merry-christmas* *বড়দিন*
৫/৫

রনি রহমান: . (আতশবাজি)(আতশবাজি) সবাইকে বড়দিনের শুভেচ্ছা (আতশবাজি)(আতশবাজি)

*বড়দিন*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বছর ঘুরে আবারও এসেছে বড়দিন। বড়দিন মানে বাড়তি আনন্দ, বাড়তি উল্লাস আর সারাদিন জুড়ে মজার মজার সব খাবার আয়োজন। বড় দিনের স্পেশাল রেসিপিতে কি কি রাখা যায় তা নিয়ে জল্পনা কল্পনার শেষ নেই। আপনাদের সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটাতে বেশ কিছু রেসিপি তুলে ধরলাম। চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক কি কি থাকছে রড়দিনে স্পেশাল রেসিপিতে।

কেকঃ
বড়দিন মানেই কেক। কারন এ দিনটি যে যিশুর জন্মদিন।

রেড ভেলভেট চিজ কেক

উপকরণ
কেকের জন্য যা যা লাগবে : ময়দা আড়াই কাপ, ভ্যানিলা এসেন্স ১ চা চামচ, বেকিং পাউডার ১ চা চামচ, কোকো পাউডার ২ চা চামচ, বাটার ১/২ কাপ, লাল রং(ফুড কালার) ৩ টেবিল চামচ, লবণ ১/২ চা চামচ, চিনি দেড় কাপ, ডিম ২টি, বাটারমিল্ক ১ কাপ।

ফ্রস্টিংয়ের জন্য
ক্রিম চিজ ২ কাপ, বাটার ২ কাপ, চিনি ২ কাপ, ভ্যানিলা এসেন্স ১ টেবিল চামচ।

প্রণালী

প্রথমে একটা পাত্রে ডিম ভালোভাবে ফেটে নিন। অন্য একটা পাত্রে ময়দা, কোকো পাউডার, বেকিং সোডা, চিনি, লবণ একসাথে মেশাতে হবে। তারপর মিশ্রণটি ফাটানো ডিমের মিশ্রণের সাথে মিশিয়ে একটু বাটার মিল্ক দিয়ে ব্লেন্ড করতে হবে। এরপর এতে লাল রং (ফুড কালার), ভ্যানিলা এসেন্স যোগ করতে হবে। ২৯ ইঞ্চি অথবা ৩৮ ইঞ্চি কেক প্যানে কেকের মিশ্রণটি ঢেলে ছড়িয়ে দিতে হবে। ৩৫০ ডিগ্রি প্রি হিটেড ওভেনে ২০-৩০ মিনিট বেক করতে হবে। কেকে মাঝখানে টুথপিক ঢুকিয়ে দেখুন বেক হয়েছে কিনা বেক হয়ে গেলে কেকটি নামিয়ে ঠাণ্ডা করুন। কেকের উপরের অংশ কেটে সমান করে নিন। এবার ফ্রস্টিংয়ের জন্য একটি বাটিতে ক্রিম চিজ, বাটার, চিনি, ভ্যানিলা দিয়ে বিট করে নিতে হবে। এরপর মিশ্রণটি কেকের উপরে এবং চারপাশে ছুরি দিয়ে বিছিয়ে সমান করে দিতে হবে। হয়ে গেল রেড ভেলভেট চিজ কেক। মনের মতো করে চেরি, জেমস ছড়িয়ে ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিয়ে পরিবেশন করুন।


বাটারফ্লাই কাস্টার্ড চকলেট কেক

উপকরণ
ময়দা ১ কাপ, বেকিং পাউডার ১ চা-চামচ, ঘি বা বাটার ৩ টেবিল চামচ, চিনি ২৫০ গ্রাম, ডিম ৪টা, গুঁড়ো দুধ ২ টেবিল চামচ ও কোকো পাউডার ১ টেবিল চামচ।

কাস্টার্ডের জন্য
গুঁড়ো দুধ দেড় কাপ, কাস্টার্ড পাউডার দেড় টেবিল চামচ, চিনি ১ কাপ, পানি ১ কাপ ও ডিম ১টা।

প্রণালি
কাস্টার্ডের সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিয়ে কাস্টার্ড তৈরি করে নিতে হবে। ডিম, চিনি ও ঘি বিট করে এর সঙ্গে ময়দা, বেকিং, কোকো পাউডার ও দুধ বিট করে নিন। ডাইসে মাখন বা ঘি ব্রাশ করে কেকের মিশ্রণ ঢেলে দিতে হবে। এরপর প্রি-হিট ওভেনে ১৯০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট তাপে ২০ মিনিট বেক করতে হবে। ডাইস থেকে কেক বের করে ঠান্ডা হলে মাঝখান থেকে কেক কেটে নিতে হবে। এবার ভেতরে কাস্টার্ড ঢুকিয়ে নিন। ভেতরে কাটা কেক দিয়ে বাটারফ্লাই বানিয়ে কেকের ওপর বসাতে হবে। এবার সুইটবল, বেদানা অথবা অন্য যেকোনো ফল দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন।


চকলেট পুডিং

উপকরণ
ঘন দুধ ১ কাপ, ডিম ৬টা, চিনি আধা কাপ, ক্রিম আধা কাপ, চকলেট ২ টেবিল চামচ, কোকো পাউডার ১ টেবিল চামচ ও মাখন ১ টেবিল চামচ।

প্রণালি
ডিম ভালোভাবে ফেটে এর সঙ্গে সব উপকরণ দিয়ে ভালোভাবে মেশাতে হবে। এবার পুডিং ডাইসে বাটার মেখে মিশ্রণ ঢেলে ফয়েল পেপার অথবা ঢাকনা দিয়ে ঢেকে একটি পাত্রে সামান্য পানি দিয়ে এর ওপর পুডিং ডাইস বসিয়ে ২০ থেকে ২৫ মিনিট ভাপিয়ে দিতে হবে। ডাইস থেকে পুডিং বের করে ঠান্ডা হলে সাজিয়ে পরিবেশন।


সল্টেড অরেঞ্জ জুস

উপকরণ
কমলালেবু ৪টি, পানি এক কাপ, লবণ আধা চা-চামচ, বিট লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া সামান্য।

প্রণালি
কমলার খোসা ছড়িয়ে নিতে হবে। কোয়ার ওপরের স্বচ্ছ পর্দা ও বিচি ফেলে নিতে হবে। এরপর এক কাপ খাওয়ার পানিতে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। এবার এই পানিসহ ব্লেন্ড করে নিতে হবে। রস ছেঁকে নিয়ে আধা চা-চামচ লবণ, সামান্য বিট লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া মিশিয়ে নিতে হবে। এবার গ্লাসে ঢেলে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে পরিবেশন করতে হবে।


খাসির কোরমা

উপকরণ
খাসির মাংস -এক কেজি, আদাবাটা -এক টেবিল চামচ, দারচিনি বড় -চার টুকরা, তেজপাতা -দুটি, লবণ -দুই চা চামচ, ঘি -আধা কাপ, কাঁচা মরিচ -আটটি, কেওড়া -দুই টেবিল চামচ, তরল দুধ -দুই টেবিল চামচ, পেঁয়াজবাটা -সিকি কাপ, রসুনবাটা -দুই চা চামচ,
এলাচি -চারটি, টক দই -আধা কাপ, চিনি -চার চা চামচ, দেশি পেঁয়াজকুচি -আধ কাপ, লেবুর রস -এক টেবিল চামচ, জাফরান -আধা চা চামচ (দুই টেবিল চামচ তরল দুধে ভিজিয়ে ঢেকে রাখুন)।

প্রণালি
মাংস টুকরো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। সব বাটা মসলা, গরম মসলা, টক দই, সিকি কাপ ঘি ও লবণ দিয়ে মেখে হাত ধোয়া পানি দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে চুলায় বসিয়ে দিন। মাংস সেদ্ধ না হলে আরও পানি দিন। পানি অর্ধেক টেনে গেলে কেওড়া ও কাঁচা মরিচ দিয়ে আবার হালকা নেড়ে ঢেকে দিন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর পাশের চুলায় বাকি ঘি গরম করে পেঁয়াজকুচি সোনালি রং করে ভেজে মাংসের হাঁড়িতে দিয়ে ফোঁড়ন দিন। তারপর চিনি দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিন।

পাঁচ মিনিট পর ঢাকনা খুলে দুধে ভেজানো জাফরান ওপর থেকে ছিটিয়ে দিয়ে আরও পাঁচ মিনিট ঢেকে রাখুন। এবার ঢাকনা খুলে লেবুর রস দিয়ে হালকা নেড়ে আঁচ একেবারে কমিয়ে তাওয়ার ওপর ঢেকে প্রায় ২০ মিনিট থেকে আধা ঘণ্টার মতো দমে রাখুন। যখন কোরমা মাখা মাখা হয়ে বাদামি রং হবে এবং মসলা থেকে তেল ছাড়া শুরু করবে, তখন নামিয়ে পরিবেশন।

বন্ধুরা এতো দারুন দারুন সব রেসিপি দিলাম আশাকরি দাওয়াত পাব। সবাইকে বড়দিনের শুভেচ্ছা...

*ক্রিসমাস* *বড়দিন* *রেসিপি* *মজারখাবার*
ছবি

নাহিন: ফটো পোস্ট করেছে

৪/৫

বড়দিন উপলক্ষ্যে সিঙ্গাপুরের আলোকসজ্জিত রাজপথ।

*বড়দিন* *ক্রিসমাস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★