বাংলাদেশ ক্রিকেট

বাংলাদেশক্রিকেট নিয়ে কি ভাবছো?

দস্যু বনহুর: [স্বাধীনতা-এইদেশআমার] ক্রিকেট থেকে মাশরাফির বিদায় আমার মত একজন শক্ত মানুষের চোখেও যখন পানি চলে আসে তখন আম জনতার মন আর চোখের অবস্থা কি তা ভালই অনুমান করতে পারছি। !! আচ্ছা এইসব পাপন-ফাপনদের ফাঁপড় দিয়ে কাপন ধরিয়ে দাফন করিয়ে দেয়া যায়না!!!

*মাশরাফি* *বাংলাদেশক্রিকেট*

ক্রিকেট: বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে এযাবৎ অনেক সমালোচনা হয়েছে। তবে আর সমালোচনা নয় এবার সময় এসেছে, সমালোচকের মুখে গরম পানি ঢালার। অনেক সহ্য করেছি আর(না) আমরা এখন সত্যিকারের বাঘ। বাঘের আক্রমণ থেকে কেউ বাঁচতে পারবে (না) কেউ (না)

*বাংলাদেশক্রিকেট* *ক্রিকেট*

অনি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আইসিসির সর্বশেষ প্রকাশিত ওডিআই র‍্যাংকিংয়ে ৮ নং দলটি বাংলাদেশ। কারন আইসিসির নিয়ম অনুযায়ি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলতে পারবে আয়োজক দেশ সহ পয়েন্ট তালিকায় উপরে থাকা প্রথম ৮টি দেশ। তাই প্রিয় দেশটি প্রথম বারের মত ক্রিকেটের এই মর্যাদাপুর্ন আসরে খেলবে এমনই স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে ভক্তরা।  কিন্তু সেটা করতে কিছুটা কাঠ-খড় পোড়াতে হবে টাইগারদের। নানা পরিসংখ্যান এই স্বপ্নকে কিছুটা আড়াল করে রাখায় পাড়ি দিতে হবে এক বন্ধুর পথ। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগামি আসর বসছে ক্রিকেটের জন্মভুমি ইংল্যান্ডে। ২০১৭ সালের পহেলা জুন শুরু হতে যাওয়া ক্রিকেটের এই আসরে বাংলাদেশকে খেলতে হলে চলতি বছরের ৩০শে  সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম ৮ এর মধ্যেই থাকা চাই।  

লড়াইটা মুলত হতে যাচ্ছে তালিকার ৭, ৮ ও ৯ নং এ থাকা যথাক্রমে ওয়েষ্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশে এবং পাকিস্তানের মধ্যে। ৮৮ পয়েন্ট নিয়ে ৭ নং আছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েষ্ট ইন্ডিজ আর সমান পয়েন্ট নিয়ে ৮ নং এ প্রথমবারের মত পাকিস্তানকে পিছনে ফেলা বাংলাদেশ। পাকিস্তানের পয়েন্ট ৮৭, অবস্থান ৯। আগামি সেপ্টেম্বরের আগে চলতি সিরিজে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩ টি এবং জুলাইতে শ্রীলংকার সাথে ৫ টি এই মোট ৮ টি একদিনের ম্যাচ  খেলবে পাকিস্তান। পক্ষান্তরে বাংলাদেশ পাচ্ছে জুনে ভারত ও জুলাইতে দক্ষিন আফ্রিকার সাথে তিনটি করে মোট ৬ টি একদিনের ম্যাচ। তবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে কোন সিরিজ নেই ওয়েষ্ট ইন্ডিজের তাই তাদেরকে তাকিয়ে থাকতে হবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সিরিজ গুলোর দিকে।

এবার চলুন দেখি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলতে হলে টাইগারদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা পরিসংখ্যানগুলোঃ

পরিসংখ্যান একঃ  

জুনে ভারতের বিপক্ষে একটি ম্যাচ আর জুলাইতে দক্ষিন আফ্রিকার বিপক্ষে একটি ম্যাচ জিতলে বাংলাদেশের পয়েন্ট হবে ৯১। আর এটা হলেই কোন রকম হিসাব নিকাশ ছাড়াই বাংলাদেশ পৌছে যাবে চ্যাম্পয়ন্স ট্রফির আসরে। আর ভারতের সাথে সিরিজ জিততে পারলেতো একেবারে সোনায়-সোহাগা।  

পরিসংখ্যান দুইঃ

তবে বাংলাদেশ যদি একটি মাত্র ম্যাচ জেতে তবে তাকিয়ে থাকতে হবে পাকিস্তান – জিম্বাবুয়ের এবং পাকিস্তান শ্রীলংকা সিরিজ দুটির দিকে।  যেখানে পাকিস্তান যদি কমপক্ষে ১ টি ম্যাচ হারে তাহলে বাংলাদেশ যাচ্ছে ইংল্যান্ডে।

পরিসংখ্যান তিনঃ

বাংলাদেশ যদি ভারত এবং সাউথ আফ্রিকার সাথে একটি ম্যাচও না জিততে পারে তবুও সুযোগ থাকছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার। সেজন্য পাকিস্তানকে ৮ টি একদিনের ম্যাচের মধ্যে যেকোন ২ টি ম্যাচ হারতে হবে। তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একটি ম্যাচ হারলেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে ছিটকে পড়বে পাকিস্তান। তখন ৭ নং ও ৮ নং স্থান ধরে রাখবে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রপিতে পতপত করে উড়বে লাল সবুজের পতাকা। আনন্দ অশ্রুতে ভিজে যাবে এদেশের কোটি কোটি ক্রিকেট প্রেমীর চোখ আর বিশ্ব দেখবে টাইগারদের ক্রিকেট পরাশক্তি হয়ে ওঠার এক সংগ্রামী গল্প – এই প্রত্যাশায় আমি-আপনি-আমরা-১৬ কোটি বাঙালী। 

*বাংলাদেশক্রিকেট* *চ্যাম্পিয়ন্সট্র্ফি*

খেলার খবর: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হাটি হাটি পা-পা করে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ নতুন একটি ক্রিড়ার সাথে পথচলা শুরু করেছিল বাংলাদেশ দল। দেখতে দেখতে নানা অর্জনের মধ্য দিয়ে ২৯টি বছর পূর্ণ করলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। মেলবোর্নে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ দিয়ে ১৯৭১ সালে ওয়ানডে ক্রিকেটের জন্ম হয়েছিল। তবে রঙিন পোশাকের এই ক্রিকেটে বাংলাদেশ যুক্ত হয়েছে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ। এশিয়া কাপের ঐ অভিষেক ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল পাকিস্তান। এরপর দেখতে দেখতে কেটে গেছে ২৯টি বছর। এক-দুই-তিন করে বাংলাদেশ খেলে ফেলেছে ৩০০টি ওয়ানডে ম্যাচ।

গত ২৯ বছরে ‘টাইগার’ খ্যাত বাংলাদেশ দলের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পালন করেছেন ১৩ ক্রিকেটার। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের প্রথম অধিনায়ক ছিলেন গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। এর পর একে একে দায়িত্ব পালন করেছেন- মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, আকরাম খান, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, নাঈমুর রহমান দুর্জয়, খালেদ মাহমুদ সুজন, রাজিন সালেহ, খালেদ মাসুদ পাইলট, হাবিবুল বাশার সুমন, মোহাম্মদ আশরাফুল, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম ও মাশরাফি বিন মতুর্জা। এদের মধ্যে হাবিবুল বাশার সর্বোচ্চ ৬৯টি ম্যাচে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পালন করেছেন।

এই ৩০০ ম্যাচে লাল-সবুজের জার্সিতে মোট ১১৬ ক্রিকেটার মাঠে নেমেছে, ওয়ানডে ক্যাপের ছায়ায়। সর্বশেষ বাংলাদেশের ওয়ানডে অভিষিক্ত ক্রিকেটারের নাম তাইজুল ইসলাম। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তার অভিষেক হয়েছে গত বছর। ২৯ বছরে ৩০০ ওয়ানডে ম্যাচের ৮৮টিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। দেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ১৭৫টি ম্যাচ খেলেছেন মোহাম্মদ আশরাফুল।

এই দীর্ঘ ২৯ বছরে খুব বেশি প্রাপ্তি না থাকলেও তামিম-সাকিব-মাশরাফি ও মুশফিকদের মতো ক্রিকেটাররা দেশের বড় সম্পদ হয়ে উঠেছেন। আর ২০১৫ বিশ্বকাপে তাসকিন-সৌম্য-সাব্বিরের মতো তরুণ ক্রিকেটারের সৃষ্টি হয়ে উঠার মধ্যদিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা।

ওয়ানডে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসরটির নাম বিশ্বকাপ ক্রিকেট। যার যাত্রা শুরু ১৯৭৫ সালে। বাংলাদেশ এই আসরে প্রথম খেলেছে ১৯৯৯ সালে। এরপর সদ্য সমাপ্ত আসরটিসহ মোট ৫টি বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশের সাফল্যও কম নয়। প্রথম আসরে পাকিস্তানকে, ২০০৭ সালে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে, ২০১১ ও ২০১৫ সালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে প্রমাণ রেখেছে বড় দলগুলোর বিপক্ষে কম যায় না টাইগাররা।

এর বাইরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নিউজিল্যান্ডের মতো দলগুলোকে হোয়াইটওয়াশ করার কৃতিত্ব, ২০১২ সালে এশিয়া কাপের ফাইনালের খেলার কৃতিত্ব বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম সাফল্য।

২৯ বছরে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য পরিসংখ্যান-
•    বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পেয়েছে ১৯৯৭ সালে।
•    বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ, পাকিস্তানের বিপক্ষে। ওই ম্যাচে বাংলাদেশ ৭ উইকেটে হেরে যায়।
•    বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডেতে ৯৪ রান সংগ্রহ করেছে।
•    ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ প্রথম জয় পায় কেনিয়ার বিপক্ষে ১৯৯৮ সালের ১৭ মে। ওই ম্যাচে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে কেনিয়াকে হারিয়েছে।
•    বাংলাদেশ দলের হয়ে প্রথম উইকেট নিয়েছেন জাহাঙ্গীর শাহ বাদশা।
•    ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম বলটি মোকাবেলা করেছেন রকিবুল হাসান।
•    বাংলাদেশের হয়ে প্রথম হাফসেঞ্চুরি করেছেন আজহার হোসেন, ১৯৯০ সালের ২৮ এপ্রিল।
•    ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি করেছেন মেহরাব হোসেন অপি, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৯৯৯ সালের ২৫ মার্চ।
•    ওয়ানডেতে প্রথম ৫ উইকেট নিয়েছেন আফতাব আহমেদ; নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০০৪ সালের ৫ নভেম্বর।
•    ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি রান সংগ্রাহক সাকিব আল হাসান। তিনি ৪১৭৩ রান করেছেন।
•    ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক; ২০৭ উইকেট।
•    ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি শূন্য রানে আউট হয়েছেন হাবিবুল বাশার; ১৮ ম্যাচে।
•    ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি ক্যাচ ধরেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা; ৪৪টি।
•    ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন হাবিবুল বাশার; ৬৯ ম্যাচে।
•    ওয়ানডেতে সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। তিনি ১৭টি ম্যাচে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মধ্যে জয় ১১টিতে ও পরাজয় ৬টিতে। জয়ের হার : ৬৪.৭০%।
•    ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন মোহাম্মদ আশরাফুল; ১৭৫টি ম্যাচ।
•    ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রানের পার্টনারশিপ করেছেন রাজিন সালেহ-হাবিবুল বাশার। কেনিয়ার বিপক্ষে ১৭৫ রানের পার্টনারশিপ করে অপরাজিত ছিলেন।
•    ওয়ানডে ম্যাচে সবচেয়ে বেশি ডিসমিসিয়াল করেছেন মুশফিকুর রহিম। তিনি ১৪৬টি ডিসমিসিয়াল করেছেন।
•    ওয়ানডেতে এক ইনিংসে বেস্ট ইকোনমি বোলার সাকিব আল হাসান। তিনি ১০ ওভারে ১১ রানে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন। ইকোনমি রেট ১.১০।
•    ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি ৪ উইকেট পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। তিনি ৬ বার ৪ উইকেট নিয়েছেন।
•    ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি ৫ উইকেট পেয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক। তিনি ৪ বার ৫ উইকেট পেয়েছেন।
•    ওয়ানডে ক্রিকেটে সেরা বোলিং ফিগার মাশরাফির। ২০০৬ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে ১০ ওভারে ২৬ রান দিয়ে নিয়েছিলেন ৬ উইকেট।
•    ওয়ানডে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস তামিম ইকবালের। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৯ সালে ১৫৪ রান।
•    ওয়ানডে সবচেয়ে বেশি ব্যাটিং গড় বর্তমান ওপেনার এনামুল হক বিজয়ের। ৩০ ম্যাচে ৩৫.১৮ গড়ে তার সংগ্রহ ৯৫০ রান।
•    ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি সাকিব আল হাসানের। ১৪৭ ম্যাচে ৬টি সেঞ্চুরি।
•    ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি হাফসেঞ্চুরি সাকিব আল হাসানের। ১৪৭ ম্যাচে ৩৪টি।
•    ওয়ানডেতে রানের হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। ২০১২ সালের ডিসেম্বরে ১৬০ রানে বাংলাদেশের কাছে হেরেছে ক্যারিবিয়ানরা।
•    ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন স্কোর ৫৮। ২০১১ সালের ৪ মে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের এবং ২০১৪ সালের ১৭ জুন ভারতের বিপক্ষে সর্বনিম্ম এই স্কোর গড়ে বাংলাদেশ।
•    ওয়ানডে ক্রিকেট বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩২৬। যদিও গত বছর এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে এই রান করেও জয় বঞ্চিত হয়েছিল টাইগাররা।
•    ওয়ানডেতে উইকেটের হিসাবেও বাংলাদেশের বড় জয় ওয়েস্টইন্ডিজে বিপক্ষে, ৯ উইকেটে। ওই ম্যাচে বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৬১ রানে অল আউট করেছিল।
(সংকলিত) 
*ক্রিকেট* *টিমবাংলাদেশ* *বাংলাদেশক্রিকেট* *টাইগার* *টাইগার্স*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে


জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। চট্রগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ম্যাচটি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

তৃতীয় টেস্টের বাংলাদেশ একাদশে এসেছে ২টি পরিববর্তন। পরপর দুই ম্যাচে ভালো করতে না পারায় শেষ টেস্টে শামসুর রহমান শুভর জায়গায় স্থান পেয়েছেন ওপেনার ইমরুল কায়েস। অন্যদিকে পেসার শাহাদাতের পরিবর্তে ফিরেছেন পেসার শফিউল ইসলাম। এছাড়া জিম্বাবুয়ে দলেও ২টি পরিবর্তন এসেছে। বুধবার থেকে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বসুন্ধরা সিমেন্ট টেস্ট সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্ট।

যদিও এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে টাইগাররা। শেষ ম্যাচটি জিতে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়েই আজ বাংলাদেশ মাঠে নামবে।

বাংলাদেশ দল: মুশফিকুর রহিম (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল (সহ-অধিনায়ক), ইমরুল কায়েস, সাকিব আল হাসান, মুমিনুল হক, শুভাগত হোম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, জুবায়ের হোসেন লিখন, শফিউল ইসলাম, রুবেল হোসেন ও তাইজুল ইসলাম।

জিম্বাবুয়ে দল: ব্রেন্ডন টেলর (অধিনায়ক), সিকান্দার রাজা, রেগিস চাকাবভা, শিঙ্গি মাসাকাদজা, এল্টন চিগুম্বুরা, ক্রেইগ আরভিন, টাফাডজওয়া কামুঞ্জোজি, হ্যামিল্টন মাসাকাদজা, জন এনউম্বু, টিনাশে পানিয়ানগারা, ভুসিমিজি সিবান্দা।
*বাংলাদেশক্রিকেট* *ক্রিকেট* *খেলাধুলা*

তৌফিক পিয়াস: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

ক্রিকেটরঙ্গ: ১
প্রতিটা ম্যাচ এর আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম এর ফ্যান রা...
আর ম্যাচ শেষে ...!
*বাংলাদেশক্রিকেট* *ফ্যান* *ক্রিকেটরঙ্গ*

সুজন: আজকেও হবে ইনশাল্লাহ ...............।। সাবাস বাংলাদেশ এগিয়ে যাও,

*বাংলাদেশক্রিকেট*

আশিকুর রাসেল: ভাবতে ভালই লাগে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে থুক্কু এখনও এই উল্টোরথের দেশে সকল ভেদাভেদ মিলে যায় ক্রিকেট দলের জয়ে, আনন্দে সকল ভেদ মুছে যায় এই একটি বিন্দুতে।অসংখ্য শুভেচ্ছা বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে।এই জন্যই আজও বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী দেশ গুলর তালিকায় থাকে

*বাংলাদেশক্রিকেট* *বাংলাওয়াশ* *সুখীদেশ*

আশিকুর রাসেল: দাদা (ভারত) কবে আইবা মোগো দেশে রে/ দেশে রে দেশে রে দেশে রে /দিমু বাংলাবাঁশ (ধবল ধোলাই) কষে রে /কষে রে কষে রে কষে রে।বাংলাদেশের সাথে ভারতের খেলা দেখার জন্যে মন ছটফট করতেছে !!এই বাংলাদেশ এখন তো আর সেই বাংলাদেশ নাই,ওদের সাথে খেলতে গেলেই লজ্জা্য ডুবে জাই

*বাংলাওয়াশ* *বাংলাদেশক্রিকেট*

আশিকুর রাসেল: CONGRATULATION বাংলাদেশ ক্রিকেট দল (চুম্মা)(গ্যাংনাম)(চুম্মা)

*বাংলাদেশক্রিকেট* *বাংলাওয়াশ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★