বাংলাদেশী

বাংলাদেশী নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পিরামিডের যুগে দেয়ালে দেয়ালে আঁকা হয়েছিল হাইরোগ্লিফিক, পাবলো পিকাসো, লিওনার্দো দা ভিঞ্চি মোনালিসা এঁকেছিলেন ক্যানভাসে। শিল্পের আচার্য আমাদের 'শিল্পাচার্য' জয়নুল আবেদিন দুর্ভিক্ষ-চিত্রমালা, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, ঝড় এবং আরো অনেক ছবি, সবই এঁকেছিলেন ক্যানভাসে। এস এম সুলতান, বাংলাদেশী প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী। তার জীবনের মূল সুর-ছন্দ খুঁজে পেয়েছিলেন বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবন, কৃষক এবং কৃষিকাজের মধ্যে। মানুষ যে শক্তিময়তার দিক থেকে অনেক বড়- এ সত্যের পরিচয় মেলে সুলতানের সৃষ্টি করা ক্যানভাসে চোখ রাখলেই। তাঁর ছবিতে কখনো কৃশকায় মানুষ দেখা যায় না, দেখা যায় পেশীবহুল স্বাস্থ্যবান অবয়ব। আর এখন চিত্রকলায় লেগেছে প্রযুক্তির ছোঁয়া। অনেকেই বেছে নিচ্ছেন ডিজিটাল মাধ্যম, যা এমন একধরনের শিল্পমাধ্যম কাগজ, পেনসিল, রঙের বদলে ব্যবহৃত হয় কম্পিউটারে। দেশীয় শিল্পীদের ডিজিটাল চিত্রকর্ম চোখে পড়বার মতো। দৃশ্য বা অদৃশ্য কোনো ভাবরূপ শিল্পীর চিত্তরসে নবরূপায়িত হয়ে যে স্থিতিশীল রূপপ্রকাশ ঘটে তা-ই শিল্প । সারা বিশ্বে বর্তমানে ডিজিটাল চিত্রশিল্পীরা তাদের চিত্রশিল্পের মাধ্যমে যে গভীর অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ ঘটাচ্ছেন সেটি এককথায় অতুলনীয়। আমাদের দেশে মানুষ এখন কার্টুনের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছে, সন্দেহ নেই। 

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা কি না, হরহামেশাই প্যাসকেল আর্ট ক্যাম্পেইন থেকে বিভিন্ন ডিজিটাল আর্টিস্টের ছবি লাইক ও শেয়ার করছেন কিন্তু আমরা ক' জন জানি বলুন তো আমাদের বাংলাদেশের এসময়কার জনপ্রিয় কিছু ডিজিটাল চিত্রশিল্পী সমন্ধে? হয়তো খুব কম সংখ্যক লোকেরাই জানেন এনাদের সমন্ধে। আজকে থাকছে আমাদের দেশের এমন নয় জন প্রতিথযশা ডিজিটাল চিত্রশিল্পীর কথা, যাদেরকে আপনার অবশ্যই ফেসবুকে ফলো করা উচিৎ, নইলে তাদের সৃজনশীলতার মুগ্ধতা থেকে আপনি বঞ্চিত  থাকবেন। শুধু তাই নয়, এদের অনেকের কার্টুনের প্রদর্শনী হয়েছিল সুদূর বিলেতেও। 

চলুন জেনে নেই তাদের সমন্ধে এবং দেখি বাংলাদেশের সমকালীন কার্টুনিস্টদের কিছু নান্দনিক কাজ: 

• তন্ময় কার্টুনস: তন্ময় এ সময়ের অন্যতম মেধাবী ও জনপ্রিয় একজন কার্টুনিস্ট।  তিনি আধুনিকতার সংমিশ্রণে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেন মানুষের অন্তর্নিহিত শক্তির উত্থানকে। তার কাজের মধ্যে একে অন্যের প্রতি কথোপকথন, যোগাযোগ, সামাজিক বিষয়, সমাজে মানুষের ভূমিকা ইত্যাদি বিষয়গুলো অনায়াসেই ফুটে উঠে। সৈয়দ রাশেদ ইমাম (তন্ময়) আমাদের সকলের কাছে অতি পরিচিত আরো একটি কারণে, কারণ ইনিই প্রথম আমাদের দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের পাবলিক ফেসগুলোর  তাদের নিজস্ব ঢংকে অনুকরণ করে ক্যারিকেচার এঁকেছিলেন। কি মনে পড়ে, রুনা লায়লার সেই বিখ্যাত ক্যারিকেচারের মুখটা কিংবা সাকিব আল হাসানের ! শুধু তাই নয়, সৈয়দ রাশেদ ইমাম তন্ময়ের আঁকা কার্টুনে নাগরিক জীবনের বিপত্তি ও অস্থিরতা বারবার উঠে এসেছে চমৎকারভাবে। ঈদ উৎসবের শুরুতে নগরের রাস্তায় গাড়ি, পথচারী, দোকানির বিরক্তি আর হতাশা স্পষ্ট করে দেন তিনি। তার ছবিতে পটচিত্রের প্রভাব স্পষ্ট। ছবির বিষয়ে কোনো পরিপ্রেক্ষিত ছাড়াই ছবিটি উপস্থাপন করেন তিনি। আরেকটি বলার কথা হলো, এ শিল্পী পটচিত্রের আদলে গ্রাফিক স্টোরি স্ক্রল উপস্থাপন করেছেন। পাশ্চাত্য কমিক আর্টের ধরনে যুক্ত করেছেন পটচিত্রের ফর্ম। রাশেদের এ উপস্থাপনায় লোকচিত্রের প্রতি আকুতি বোঝা যায়। ঠিকানা: Tanmoy Cartoons

আর্টিস্ট অসীম'স ক্রিয়েশন : অসীম চন্দ্র রায় যেন এক কোথায় রংতুলির অসীম। অসীমের ফেসবুক প্রোফাইল ঘাঁটলে রীতিমত দ্বন্দ্বে পড়ে যাবেন যে কেউ, যে পোট্রেটগুলো অসীম এঁকেছেন একেবারেই তা যেন অবিকল ক্যামেরায় তোলা আলোকচিত্র। এতোটাই নিখুঁত অসীমের তুলির আঁচড়। অসীম মূলত বাস্তবধর্মী ছবি আঁকতে পছন্দ করেন। শিল্পের সব ক্ষেত্রে অসীমের বিচরণ হলেও ক্যারিকেচার মাধ্যমটি তাঁর অন্যতম ভালোলাগার ক্ষেত্র। ক্যারিকেচারকে বাংলাদেশে আরও জনপ্রিয় করে তুলতে চান। অসীমের খুব কাছের কিছু বন্ধু মিলে ফেসবুকে অসীমের শিল্পকর্মগুলো নিয়ে একটি পেজ পরিচালনা করেন ৷ চাইলে আপনিও একবার ঢুঁ মারতে পারেন সেখানে ৷ ঠিকানা: Artist Asim’s Creation  

রয়েলের ছবি : টাইপোগ্রাফি আর লেখার থেমেটিক ইন্টারপ্রিটেশনেই মুগ্ধতা দেখতে হলে আপনাকে এই পেজে  যেতেই হবে ৷ ওনার চিত্রকর্ম দেখে আপনি অবাক হয়ে যাবেন যে, মানুষ আসলে কিভাবে এতটা সৃজনশীল হতে পারে ৷ ঠিকানা: Royalerchobi

মেহেদী হক কার্টুনস : মেহেদী হককে কে না চেনেন বলুন তো ! মেহেদী হক নিজেও একজন প্রখ্যাত কার্টুনিস্ট। জীবনে অসংখ্য কার্টুন এঁকে খ্যাতি অর্জন করেছেন। সামাজিক উন্নয়ন আর নগরে প্রাত্যহিক বিষয় হয়ে উঠেছে তার কার্টুনের বিষয়। কার্টুনিস্ট মেহেদী হক বর্তমানে ইংরেজি দৈনিক নিউএজ-এ কার্টুনিস্ট হিসেবে কর্মরত। তার কাজগুলো দেখতে হলে যেতে হবে এই ঠিকানায় : Mehedi Haque Cartoons 

আর্টস বাই রাটস : আসিফুর রহমান দিনযাপন নিয়ে আঁকতে বেশি ভালোবাসেন। তার কাজগুলো দেখতে যেতে হবে এই ঠিকানায়: Arts By Rats Page

মোর্শেদ মিশু'স ইলাস্ট্রেশন : সময়ের মেধাবী তরুণ কার্টুনিস্ট মোরশেদ মিশু। আঁকাআঁকি শুধু তার নেশা নয়, পেশাও। ইলাস্ট্রেশনের দ্বারা মানুষের পার্সোনালিটিকে এতো সাবলীল ভাবে ফুটিয়ে তোলার দক্ষতা বোধয় শুধু ওনারই রয়েছে, তাই তার কাজগুলো দেখতে ভিজিট করুন এই ঠিকানায়: Morshed Mishu’s Illustration

কার্টুন পিপল : শিল্প সত্ত্বা মোটামোটি সবার মধ্যে থাকে। কার্টুন পিপল এমন একটি পেজ যেখানে আপনি কিচ্ছুক্ষন থাকার পর, চিত্রকর্মগুলো দেখার পর নিজের মধ্যে একটা শিল্প সত্ত্বা নতুনভাবে আবিষ্কার করতে পারবেন এবং একজন কার্টুনিস্ট হবার যে রোমাঞ্চ সেটা কিছুটা হলেও উপলব্ধি করতে পারবেন। পেজটি ঘুরে দেখতে পারেন কিন্তু একবার Cartoon People

• সৌরভ’স  আর্টস্টেশ : সৌরভের ছবিগুলোতে আপনি বিভিন্ন ধরণের পেইন্টিংয়ের একটা সংমিশ্রণ দেখতে পারবেন একচ্ছটায়। সে তার কাজগুলো ছোট ছোট অংশে ভাগ করে ব্যক্তিগত বা পরিবেশ নিয়ে কার্টুন আঁকেন। রং ব্যবহারে তাই অত্যন্ত সাবধানী দেখা যায় তাকে। তার কাজের একটি বৈশিষ্ট্য এমন, কার্টুনে নির্দিষ্ট অংশে রং প্রয়োগ করেন তিনি। ফলে কার্টুনগুলোও ভিন্ন মাত্রা পায়। তার কাজগুলো দেখুন এই পেজে : aurav’s ArtStash

দ্রোগ : মানিক-রতন যমজ ভাই। চেহারাও একরকম। কে মানিক কে রতন বোঝা ভার। কার্টুনিস্ট হিসেবে যথেষ্ট পরিচিত। দুই ভাই মিলেই যেন এক। কার্টুন আঁকা বা কম্পিউটার গ্রাফিক্স যা-ই করেন একসঙ্গে। আমাদের অধিকাংশ মানুষেরই দ্রোগ সমন্ধে জানা প্রয়োজন। কারণ আন্তর্জার্তিকভাবে স্বীকৃত এই কাজগুলো আমরা পেয়েছি আমাদের দেশের এই মানিক-রতনের কাছ থেকে। কিন্তু মানিক-রতন নামের এই যমজ দুই ভাই কাজের মতো নামেও মূল্যবান মানিক আর মূল্যবান রতন। এই দুই ভাইয়ের কাজ দেখে মাঝে মাঝে চোখ কপালে উঠে, আবার কখনও হেসে মরতে হয়। সম্প্রতি তাদের একটি ড্রয়িং সিরিজ বেশ আলোড়ন তুলেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে। তাদের কাজ দেখুন আর হাসুন : Drogo

প্রসূন'স পোর্টফোলিও : যদিও এই ব্লগটিতে কথা হচ্ছে দেশের বরেণ্য ডিজিটাল কার্টুনিস্টদের নিয়ে, তবুও বর্তমান সময়ে দুজন অনবদ্য আর্টিস্টকে কিছুতেই ব্যাড দেয়া উচিৎ না, তাদের অবদানের জন্য। তাই তাদের নিয়ে সংক্ষেপে একটু পরিচিতি জানাই। প্রথম জন হলেন প্রসূন। প্রসূন পোর্টফোলিও আসলে পেইন্টিং, স্কেচ আর পোর্ট্রেট এর কালেকশন। তার নানা ধরণের কাজের পরিসীমা দেখে আপনি অনায়সে কিছু ভালো সময় ফেসবুকে কাটিয়ে দিতে পারেন। তার কাজ দেখুন এই ঠিকানায়  : Prosun’s Portfolio

ইনকস্মিথ : ইনকস্মিথ চরিত্র নিয়ে এই পেজটির কাজ মূলত। কাজগুলো দেখতে পারেন এই ঠিকানায়: Inksmith

(চলতে থাকবে ....... কি এতো তাড়াতাড়ি হাঁপিয়ে গেলেন? ভাবছেন মাত্র এ কজন ডিজিটাল আর্টিস্ট আমাদের দেশে ! মোটেই তা নয়, বাকিদের সম্বন্ধেও জানাবো নিশ্চয়ই। সেই পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকুন।) 

*ডিজিটালআর্টিস্ট* *কার্টুনিস্ট* *বাংলাদেশী*

সাদাত সাদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

আইপিএলে যদি সাকিব মুস্তাফিজ না থাকে তবে বাংলার মানুষ আইপিএল শব্দটা ভুলেই যাবে (তালি)
KKR হেরেছে SRH এর কাছে KKR এর এই পরাজয়ে বাংলার মানুষ অনেক খুশী হয়েছে কারণ সাকিব এই ম্যাচে ছিলনা, অন্যদিকে মুস্তাফিজ জিতেছে সেই সাথে বাংলার সব মানুষ ও যেন জিতেছে (মাইরালা) বাংলাদেশীদের এই আত্মার টান কখনোই হারাবেনা কেননা বাংলার মানুষ আইপিএল দেখেনা, বাংলার মানুষ তাদের আপনজনদের কে দেখে (গ্যাংনাম)
*বাংলারমানুষ* *বাংলাদেশী* *আইপিএল* *ক্রিকেট*

নিরাপদ নিউজ: অস্ট্রেলিয়ায় বন্দিশিবিরে অনশন করছেন ১৮ বাংলাদেশী অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে অনশন ধর্মঘট করছেন ১৮ জন বাংলাদেশী আশ্রয় প্রত্যাশী। ডারউইনের একটি বন্দিশিবিরে তারা ধর্মঘট পালন করছেন......বিস্তারিত- http://www.nirapadnews.com/2015/12/18/news-id:115841/

*দেশে-বিদেশে* *বাংলাদেশী* *অনশন* *অস্ট্রেলিয়া*

প্যাঁচা : এই কিছুক্ষণ আগে হঠাৎই দোয়েল পাখির ডাক শুনলাম,তারস্বরে চেচাচ্ছে...জানি না কেন যেন মনে হল,আরে আমি তো বাঙ্গালী,বাংলাদেশে থাকি।আমি তো আধুনিক,উদার মানসিকতা রাখি।অথচ চার দেয়ালের মাঝে নিজের পৃথিবী নিয়ে থাকি।হাহাহাহাহা...হিপোক্রেসি ও হিপোক্রেট(হাসি-৩)

*ব্যাঙ্গ* *বাঙ্গালী* *বাংলাদেশী* *আধুনিক* *আধুনিকতা* *রসিকতা* *হিপোক্রেসি*

মনুষ্য: দেশের জন্য অনেকেই অনেক ভালো ভালো কাজ করেছেন এবং করে যাচ্ছেন। নিজের অবস্থানে থেকে আমিও যথাসাধ্য চেষ্টা করি দেশটাকে কিছু দেয়ার। প্রথম প্রথম মনে হতে পারে এটি খুবই ক্ষুদ্র একটি প্রচেষ্টা, কিন্তু ক্ষুদ্র থেকেই তো বিশালের জন্ম। (খুকখুকহাসি) নিজেকে নিজেই প্রশ্ন করে দেখুন না, কে কি করেছেন দেশের জন্য? https://www.youtube.com/watch?v=-5kUA9OtHFs

*Proud_to_be_a_Bangladeshi* *গর্বিত* *বাংলাদেশী*

হাফিজ উল্লাহ: সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষাবিদ স্যার জন বোরিং তিনি ২০০টি ভাষা জানতেন, ২য় ছিলেন ফ্রান্সের জর্জেস স্কেমিডিট তিনি ৩০টি ভাষা জানতেন আর ৩য় ছিলেন বাংলাদেশী ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ তিনি জানতেন ১২টি ভাষা (জোস)(গুরু)

*বাংলাদেশী* *ভাষা* *জানো*
জোকস

হাফিজ উল্লাহ: একটি জোকস পোস্ট করেছে

একটি আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাশ চলিতেছে শিক্ষক জিজ্ঞাসা করলেনঃ কিভাবে ফোর(4) কে ফাইভ(5) এর ভেতর ঢুকিয়ে লেখা যায়? আমেরিকান ছাত্রের উত্তরঃ মজা করেন নাকি? (অবাক) পাকিস্তানী ছাত্রের উত্তরঃ অসম্ভব! (রাগী) ভারতীয় ছাত্রের উত্তরঃ ইন্টারনেটে সার্চ করেও পাইলাম না! (মনখারাপ) চীনের ছাত্রের উত্তরঃ অপেক্ষা করেন, আবিষ্কার করে ফেলবো! (চুপ২) অবশেষে বাংলাদেশী ছাত্রের উত্তরঃ স্যার, F(IV)E (গ্যাংনাম)(গ্যাংনাম)(গ্যাংনাম)
*বাংলাদেশী*
জোকস

হাফিজ উল্লাহ: একটি জোকস পোস্ট করেছে

এক চাইনিস, জাপানিস আর বাংলাদেশী ৩জন এক রুমে l এমন সময় একটা মাছি ডুকলে চাইনিস দৌড়ে গিয়ে মাছিটাকে ৪ টুকরা করে বলল আমাদের শত্রুদের এই হাল করি l আরেকটা মাছি ডুকলে জাপানিস গিয়ে ওটাকে ৩ টুকরা করে একই কথা বলল l এরপর আরেকটা মাছি ডুকলে বাংলাদেশী আস্তে আস্তে গিয়ে আধা ঘন্টা দস্তা দস্তি করে মাছিটাকে ছেড়ে দিল... চাইনিস-জাপানিস দুইজনই একসাথে বলে উঠলো ছেড়ে দিলা .... দিলাম তয় ওর বংশ বিস্তারের পথ বন্ধ করে দিছি ........... l :D
*বাংলাদেশী* *উপস্থিতবুদ্ধি*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★