বাংলাদেশ না শ্রীলঙ্কা

বাংলাদেশ-না-শ্রীলঙ্কা নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

টাইগাররা ম্যাচে ভালভাবেই ছিল! মাশরাফির প্রথম ওভারে থিরুমান্নের ক্যাচটা আনামুল নিতে পারলে ম্যাচের দিকটাই হয়ত পরিবর্তন হয়ে যেত। দিলশান প্রথম দিকে খেলতেই পারছিল না, নন-স্ট্রাইকে ছিল বেশির ভাগ সময়। সাঙ্গা আগের দুই ম্যাচে একেবারেই নিষ্প্রভ ছিল। তাই প্রথমে চাপটা যদি বাংলাদেশ ফেলতে পারত, আজকেও ওই অবস্থায় সে কতখানি ভাল করত সে প্রশ্ন থেকেই যায়। টাইগাররা একের পর এক ক্যাচ, স্টাম্পিং মিসের মহড়া দিয়ে গেছে। ২৫ ওভারের পরেও সার্কেলে মিনিমাম ৩ ফিল্ডার নিয়ে টাইট ফিল্ডিং দিয়েছিল, আশা ছাড়ে নাই, এটা দেখতে ভাল লেগেছিল। কিন্তু সেই নিয়ম একটা আগের, ব্যাটসম্যান যদি ক্রিজে সেট হয়ে যায় এমসিজির মত বড় মাঠে অনেকটা অভ্যাসের মত হয়ে যায় রান নেয়া।
*বিশ্বকাপ২০১৪* *ক্রিকেটবিশ্বকাপ* *বাংলাদেশ-না-শ্রিলংকা* *ক্রিকেট*
৪০ ওভার পর্যন্ত উইকেট উইকেট ১ টা পড়লেও রান যা ছিল, এক সময় মনে হচ্ছিল ২৭০-৮০ হতে পারে। তাসকিন ১৬ রান দেবার পর সেটা মনে হতে থাকে ৩০০। কিন্তু লেইট ওভারে সেই পুরনো দশা, লাইন লেংথের দিশেহারা অবস্থা, মড়ার উপর খাড়ার ঘাঁ এর মত ক্রিজে দুই সেট ব্যাটসম্যান। যা হবার তাই হল। স্কোর বোর্ডে ৩৩২/১।
বোলিং এ করনীয়ঃ
১। ক্যাচ মিসের মহড়া, মিসড স্টাম্পিং
২। মাশরাফি দেশের সবচেয়ে পুরনো পেসার এবং ইনজুরিতে বার বার আক্রান্ত হওয়া একটা মানুষ। হাঁটুতে ২ বার সার্জারি করে ফিরে আসার অনন্য দৃষ্টান্ত তার। বয়সের সাথে তার রানাপ কমেছে, কমেছে বলের গতিও। কিন্তু এই মাশরাফি এখনও ১ নম্বর বোলার। কারণ তার আত্নত্যাগ, ভাল কিছু করার সুতীব্র ইচ্ছা। নিখুঁত লাইন লেংথে বল করে আজও প্রথম ওভারেই ব্রেক থ্রু দিতে পারত, ক্যাচ মিস না করলে। কিন্তু আমাদের বাকি দুই পেসার তাসকিন আর রুবেল। এরা উইকেট টু উইকেট বল করতে ব্যার্থ। লাইন লেংথ ঠিক ছিল না অনেক ওভারেই। ওদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হল, বলের গতি। কিন্তু মাশরাফির বলে গতি নেই, আছে নিখুঁত নিশানা। মাশরাফির কাছ থেকে শেখা উচিত দুই পেসারের।

ব্যাটিং এর শুরু থেকেই বিপর্যয়ের শুরু। তামিম এতদিন খেলার পরেও তার অফস্ট্যাম্প কোথায় সেটাই মাঝে মাঝে ভুলে যায়! তার ফুট ওয়ার্কও ছিল আলসে ধরনের। তাই ওভারের ২য় বলেই ক্লিন বোল্ড। এর পরে যা ফেবুতে যা হওয়ার তাই হল, ভাতিজা কোটা বাদ দেবার দাবীতে সোচ্চার আজ সব টাইগার সমর্থক। মুদ্রার অপর পিঠ আরকি। কিন্তু এ কথা ভুলে গেলে কী হবে যে তামিমই আসলে এখন এদেশের সবচেয়ে ভাল ওপেনার। অন্তত ওর চাইতে ভাল কেউ খেলার আগ পর্যন্ত ওকে বাদ দেবার কথা চিন্তা করা বোকামী। আপনি ওর জায়গায় কাকে খেলাবেন। সামসু, ইমরুল কায়েস ? সবাইকেই চেষ্টা করা হয়েছে। এটা ঠিক যে তার খেলার এপ্লিকেশনে সমস্যা আছে, সে নিজেকে হয়ত অবধারিত ধরে নিয়েছে দলের খাতিরে, তার প্রভাবও পড়তে পারে। কিন্তু তার নিজের তাগিদ থেকে ভাল খেলা না আসলে অন্তত এই বিশ্বকাপে দেখা ছাড়া আর অন্য পথ নেই। কারণ আর দলে আর ওপেনার নাই।
ওয়ান ডাউনে সৌম্য সরকারের শুরুটা অসাধারণ ছিল। ম্যাচে সুনীল গাভাস্কারের ধারাভাষ্যের ধরন পর্যন্ত আমুল বদলে গিয়েছিল ওর ব্যাটিং এর সময়! কিন্তু বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেনি।
৪ নম্বরে মুমিনুল কেবলই টাইগার শিবিড়ে একটা জায়গার অপচয়। ওর জায়গায় স্পিনার অথবা নাসির হোসেন কে জায়গা দিলেও হত। টেস্টে মুমিনুল ভাল, ওয়ানডেতে আপাতত না।
৫ আর ৬ এ খেলা সাকিব, মুশফিকের আসলে এই দুই পজিশনে খেলারই কথা না, উচিতও না। সবচেয়ে অভিজ্ঞ এবং সবচেয়ে ইনফর্ম ব্যটসম্যান কে এত পরে খেলানোর কী যৌক্তিকতা থাকতে পারে আমার বোধগম্য না। কারণ হিসেবে সম্প্রতি জিম্বাবুয়ে সিরিজে এবং অস্ট্রেলিয়ার অফিসিয়াল-আনঅফিসিয়াল ম্যাচে ৪ এ ভাল খেলা মাহমুদুল্লাহর কথা বলতে পারেন অনেকে। কিন্তু একজনের একটু ভাল ফর্ম মানে কিন্তু এই না যে আসল ভাল ফর্ম করা, কাজের সময় বল কম নষ্ট করে যেই ব্যাটসম্যান রান করছে, তাকে ৫-৬ এ খেলানো। এটা অবশ্য মাহমুদুল্লাহর দোষ না। দোষ ম্যানেজমেন্টের। লোয়ার অর্ডারে সাব্বির নতুন হিসেবে বেশ ভাল খেলেছে। তার ব্যাপারে কিছু বলার নাই। টাইগাররা বলের গতিতে রান নেয়ার জন্যে ছুটেছে, এটা ভাল, আগেই হার মেনে নেয়নি। এই করতে গিয়ে মেরে খেলতে গিয়ে উইকেট দ্রুত পড়েছে। কিন্তু ৩০ ওভারের ভেতর ১৮০-২০০ এর কাছাকাছি রান হলে হয়ত টাইগাররা জেতার আশা করতে পারত, এই উদ্দেশ্যই ছিল
ব্যাটিং এ যা করনীয়ঃ
১। টপ অর্ডারে দায়িত্ব নিয়ে খেলা, খেলতে না পারলে স্বেচ্ছায় জায়গা ছেড়ে দেয়া।
২। মুশফিক, সাকিব কে যথাক্রমে ৪, ৫ এ খেলানো যাতে তারা বেশি বল পায় খেলার জন্যে।
৩। মুমিনুল কে বাদ দেয়া, তার জায়গায় অন্য স্পিনার বা নাসির কে খেলানো।
*ক্রিকেটবিশ্বকাপ* *বাংলাদেশ-না-শ্রিলংকা* *ক্রিকেট* *বাংলাদেশ-না-শ্রীলঙ্কা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের খেলার আগের দিন এবং খেলার দিন ফেইসবুক স্ট্যাটাস দেখে খুব অবাক লাগে। খেলার আগেরদিন থাকে আশাবাদী সব স্ট্যাটাস...ফাটাইয়া দিমু, ধরাইয়া দিমু, বাঘের কামড় কেমন বুঝবি অমুক দল...গো টাইগার্স গো...ইত্যাদি ইত্যাদি এরপর থাকে বিশেষজ্ঞ মতামতা এটা আমার বেস্ট ইলেভেন, অমুককে বাদ দিয়ে তমুককে দলে নিতে হবে...ব্যাটিং অর্ডারে চেঞ্জ আনতে হবে এরকম আরো অনেক কিছু....এরপর যদি বাংলদেশ খেলায় জয়লাভ করে তাহলে টাইগর্সদের শুভকামনায় ফেইসবুকের ওয়াল ভরে ওঠে...এটি আমার খুবই ভালো লাগে, কারণ এত এত সমস্যা এবং বিভেদের মাঝেও এই ক্রিকেট দল মাঝে মাঝে আমাদেরকে একাট্টা করে এবং আমাদের মলিন মুখে হাসি ফোটায়। কিন্তু এই ক্রিকেট দল সবসময় জিততে পারে না...আমরা নবীন ক্রিকেট জাতি...কুলীন দলগুলোর সাথে আমরা মাঝে মাঝে ভালো খেলি, জিতি কিন্তু বেশিরভাগ সময় হারি। এটাই স্বাভাবিক। আমরা যদি সহজ হিসাব ধরি তাহলে দেখব কুলীন দলগুলো আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছে। যদি ১০০ মাইল পথকে গন্তব্য ধরি তাহলে ওরা ৬০ থেকে আশি মাইল পথ অতিক্রম করে বসে আছে আর আমরা শূন্য থেকে শুরু করে ২০ কিংবা ৩০ মাইল পথ অতিক্রম করেছি। তাই ওদেরকে হারাতে গেলে আমাদেরকে সেই বিশেষ দিনে অনেক অনেক বেটার ক্রিকেট খেলতে হয়। এখন আমরা সমর্থকরা যদি ভেবে থাকি আমাদের ক্রিকেট দল অজেয়। তারা সবসময় জিতবে কিংবা ভালো খেলবে তাহলে সেটি অন্যায় হবে। তাই আমাদের সমর্থকদের আরো ধৈর্যশীল হতে হবে, আরো উদার হতে হবে...আমরা সমালোচনা করব কিন্তু সেটি মাত্রারিক্ত হলে তা ক্রিকেট দলকে উপকারের চেয়ে অপকারই করবে ওরা সমর্থকদের ভয়ে উল্টো গুটিয়ে থাকবে..তাই আমরা আমাদের ক্রিকেট দলের প্রতি আর একটু সদয় হতেই পারি..
*বিশ্বকাপ২০১৪* *ক্রিকেটরঙ্গ* *বাংলাদেশ* *ক্রিকেট*
*ক্রিকেটরঙ্গ* *বাংলাদেশ* *ক্রিকেট* *বাংলাদেশ-না-শ্রীলঙ্কা*

খেলার খবর: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শিরোনাম পড়ে অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ার কিছুই নেই। কারন গ্যালারিতে যারা রয়েছেন তারা আমাদের টাইগারদের উৎসাহ ও উনুপ্রেরণা দিতেই মাঠে উপস্থিত হয়েছেন। আজকে মাঠে রয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান, উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান মুশফিক ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের পত্নীরা। বিয়ের পর এই প্রথম মুশফিকের খেলা দেখতে দেশের বাইরে এসেছেন মুশফিকের স্ত্রী।
*গ্যালারি* *ক্রিকেটবিশ্বকাপ* *বিশ্বকাপ* *বাংলাদেশ-না-শ্রীলঙ্কা*

খেলার খবর: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ক্রিকেটে একটি কথা আছে ক্যাচ মিস তো ম্যাচ মিস। তবে কি আজ তাই ঘটতে যাচ্ছে? নাকি ব্যাটে রানের ফুলঝুরি ছড়িয়ে ৩৩৩ রানের লক্ষ্যমাত্রা টপকে বিশ্বরেকর্ডে নাম লেখাবে বাংলাদেশের টাইগাররা। আজকের ম্যাচে অঘটন দেখার প্রত্যাশায় বাংলাদেশের কোটি কোটি ক্রিকেট ভক্তরা। সবার একটাই প্রত্যাশা সাকিব, তামিম, মুশফিকদের ব্যাট আজ জ্বলে উঠুক। একটু পরেই মাঠে নামছে বাংলাদেশ দল। দেখা যাক কতটুকু এগুতে পারে টাইগাররা।

এর আগে, দিলশান ও সাঙ্গারকারার জোড়া সেঞ্চুরিতে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৩৩২ রান সংগ্রহ করেছে শ্রীলঙ্কা। দিলশান ১৬১ ও সাঙ্গারকারা ১০৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ
শ্রীলঙ্কা: ৩৩২/১, ওভার: ৫০
তিলকরত্নে দিলশান - ১৬১ (১৪৬)
কুমার সাঙ্গাকারা - ১০৫ (৭৬)
*বাংলাদেশ-না-শ্রীলঙ্কা* *ক্রিকেটবিশ্বকাপ* *বিশ্বকাপ* *বিশ্বকাপ২০১৫*

★ছায়াবতী★: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

৪/৫
ধৈর্য বিজয়কে সুনিশ্চিত করে।
*বাংলাদেশ-না-শ্রীলঙ্কা* *ক্রিকেট* *ক্রিকেটবিশ্বকাপ*

সমুদ্র তীর: আমরা miss করি প্লেয়ারদের আর প্লেয়াররা miss করে ক্যাচ (রাগী)(চিৎকার)

*ক্রিকেটরঙ্গ* *বাংলাদেশ-না-শ্রীলঙ্কা*

আমানুল্লাহ সরকার: [ক্রিকেটরঙ্গ-ক্যাচটাভালইফেলছস] এর জন্যই হয়তবা মাশুল গুনতে হচ্ছে.. শ্রীলঙ্কা 221/১ (৪০.৩)

*বাংলাদেশ-না-শ্রীলঙ্কা* *ক্রিকেটবিশ্বকাপ* *বিশ্বকাপ* *বিশ্বকাপক্রিকেট* *টিমবাংলাদশে*

শাকিল: *বাংলাদেশ-না-শ্রীলঙ্কা* এই মুহুর্তে শ্রীলঙ্কা . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .. . . . . . . . . ভালো খেলছে (ব্যাপকটেনশনেআসি)

৫/৫

তোফায়েল আহমদ: [ক্রিকেটরঙ্গ-ক্যাচটাভালইফেলছস]

*বাংলাদেশ-না-শ্রীলঙ্কা* *ক্রিকেটবিশ্বকাপ* *বিশ্বকাপক্রিকেট* *টাইগার্স* *বিশ্বকাপ* *টিমবাংলাদেশ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★