বাংলাধারাভাষ্য

বাংলাধারাভাষ্য নিয়ে কি ভাবছো?

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ধারাভাষ্যকার সামসুল ইসলাম এর প্রোফাইল কেউ জানাতে পারবেন?

উত্তর দাও (০ টি উত্তর আছে )

*ধারাভাষ্যকার* *সামসুলইসলাম* *বাংলাধারাভাষ্য*

খেলার খবর: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের জনপ্রিয় ক্রীড়া ভাষ্যকার নূর আহমেদের তৃতীয় প্রয়ান দিবস আজ (১৩/০১/১৯৩৫ – ২৯/০১/২০১৪)। ১৯৩৫ সালের ১৩ জানুয়ারী তাঁর জন্ম হয় পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনায়। পিতা মোরশেদ আলী এবং মাতা হামিদা খাতুন। উত্তর চব্বিশ পরগনার কাজীপাড়া হযরত একদিল শাহ উচ্চ বিদ্যালয়ে তাঁর শিক্ষা জীবন এবং খেলোয়াড়ি জীবনের শুরু। কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৯ সালে স্নাতক পাশ করেন। ১৯৬৪ সালে ক্রীড়া ভাষ্যকার মোহাম্মদ শাহজাহান সাহেবের অনুপ্রেরণায় ক্রীড়া ধারাভাষ্যে আসেন। তিনি ঐতিহ্যবাহী কোলকাতা মোহামেডানের সাবেক ফুটবলার ছিলেন। ষাটের দশকে ঢাকার ফুটবলেও তিনি নিয়মিত অংশগ্রহণ করতেন। এছাড়া তিনি ছিলেন ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় ও কোচ। পেশাজীবনে তিনি সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের ম্যানেজার হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। নূর আহমেদ বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতি ও বাংলাদেশ স্পোর্টস কমেন্টেটরস ফোরামের আজীবন সদস্য ছিলেন। উপমহাদেশের বিখ্যাত সংগীত শিল্পি মান্নাদের ঘনিষ্ট বন্ধু ছিলেন তিনি। মান্নাদের বিখ্যাত গান ‘‘কফি হাউস” এর মঈদুল চরিত্রটি ক্রীড়া ভাষ্যকার নূর আহমেদকে নিয়েই রচিত হয়েছিল।


বাংলাদেশে স্পোর্টস কমেন্টেটরস ফোরামের সভাপতি আলফাজ উদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি শামিম আশরাফ চৌধুরী, সহ-সভাপতি ডা. অনুপম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাঈদুর রহমান, সিনিয়র সদস্য নিখিল রঞ্জন দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সামসুল ইসলাম, সদস্য পলাশ খাঁন, কাজল সরকার, জামিলুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম বোরহান, এস.এম আবদুস শাকুর, মোঃ কামরুজ্জামান, মোঃ মাহফুজুল আলম সহ ফোরামের সকল সদস্যবৃন্দ নূর আহমেদের ৩য় মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন।

নিউজ সোর্স:

মো. সামসুল ইসলাম

ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন

*ধারাভাষ্যকার* *নূরআহমেদ* *বাংলাধারাভাষ্য*

খেলার খবর: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলাদেশ বেতার এবং টেলিভিশন এর জনপ্রিয় ক্রীড়া ভাষ্যকার মোহাম্মদ মুসার চতুর্থ প্রয়াণ দিবস আজ। ২০১৩ সালে ১৭ জানুয়ারি তিনি পরলোক গমন করেন। জন্ম ১৯৪৮ সালের ১ নভেম্বর পশ্চিমবংগের বারাসাতে। বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে সকলের প্রিয় মুসা ভাই তাঁর নম্রতা, ভদ্রতা আর বিনয়ের জন্য অধিক পরিচিত ও জনপ্রিয় ছিলেন। অজাতশত্রু্ এই মানুষটি খুব সহজেই সবার সাথে মিশে যেতেন বন্ধুর মতো।

পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনার বারাসাতে জন্মগ্রহণকারী মুসার বাবা মোঃ মোসলেম আলী এবং মাতা মহিদুননেসা খাতুন। মতিঝিল সেন্ট্রাল গভঃ বয়েজ হাই স্কুলেই তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু। জগন্নাথ কলেজ থেকে আইএসসি এবং বিএসসি পাশ করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় ডিপ্লোমা এবং এম.এ পাশ করেন। ছাত্র জীবন থেকেই খেলোয়াড় হিসেবে ক্রিকেট, ফুটবল, হকি এবং এ্যাথলেটিকসের বিভিন্ন ইভেন্টে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেতেন।ছাত্রজীবনে সাংবাদিকতা পেশার সাথেও যুক্ত হন।

মোহাম্মদ মূসা বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতির আজীবন সম্মাননা পাওয়া একজন সদস্য। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি দৈনিক ইনকিলাবের সহকারী সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি ১৯৭৭ সালে বেতারে এবং ১৯৮২ সালে টেলিভিশনে তিনি ক্রীড়া ভাষ্যকার হিসেবে কাজ করা শুরু করেন। মৃত্যুর আগ পযর্ন্ত প্রায় ৩৫ বছরব্যাপী তিনি ক্রীড়া ভাষ্যকার হিসেবে কাজ করেছেন। ফুটবল, ক্রিকেট এবং হকিসহ যেকোন ইভেন্টেই ভাষ্যকার হিসেবে তিনি ছিলেন খুবই সাবলীল। সংশ্লিষ্ট খেলা সমন্ধে প্রচুর হোমওয়ার্ক, পরিসংখ্যান সংগ্রহ এবং উপস্থাপনে তিনি ছিলেন অনন্য। বিভিন্ন বিখ্যাত মনিষীদের উক্তি, নানা রকম উপমা-উদাহরণ, স্মৃতি রোমন্থন করতেন তাঁর ধারাভাষ্যে, যা তাঁকে খুব সহজেই অন্যদের চেয়ে আলাদা করে চেনাতো শ্রোতা-দর্শকদের কাছে।
তিনি লড়াই এবং গুগলি নামে দুটি সাইন্স ফিকশন উপন্যাস লিখেছেন।
ঢাকার মাঠের অনেক কালজয়ী খেলার বর্ণনা তিনি বেতারের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন ইথারে। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আমরা তাঁকে গভীর শ্রদ্ধা এবং ভালবাসায় স্মরণ করছি। তার প্রয়ান দিবসে আমরা ক্রীড়া ভাষ্যকারদের পক্ষ থেকে তার আত্মার শান্তি কামনা করছি।

নিউজ সহযোগিতা: 

মো. সামসুল ইসলাম, ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার।

*ধারাভাষ্য* *বাংলাধারাভাষ্য*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলা ধারাভাষ্যকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছেন বাংলাদেশের মহান রেডিও চ্যানেলগুলো। শুরুতে শুধু ওভারের ফাঁকে ফাঁকে বিজ্ঞাপন দিত। তারপর শুরু হইলো, বাউন্ডারি- উইকেট পতনের পরেও বিজ্ঞাপন দেয়া। এখন শুরু হইছে প্রতিটা টার্ম স্পন্সর করা, যেমন, প্রাণ ফ্রুটো স্কোর, প্রাণ লেয়ার পার্টনারশিপ, পাওয়ার এনার্জি ড্রিংক পাওয়ার-প্লে, ফ্রেশ চার, এলপেনলিপে ডাবল রান, তিব্বত কদুর তেল ছক্কা।
 
এইভাবে চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে কমেন্ট্রি যে রকম হতে পারে, গ্রামীনফোন থ্রিজি স্পিডে দৌড়ে আসছেন মুস্তাফিজুর রহমান, পাওয়ারড বাই রবি ফোর জি। ফ্রেশ সয়াবিন প্রান্ত থেকে বল করছেন তিনি। কদুর তেল আম্পায়ারকে অতিক্রম করলেন, জাম্প কেডস ছোট্ট একটা লাফ দিলেন, মেন্টোস ফ্রেশ বল করলেন। ওপাশে প্রস্তত ব্যাটসম্যান ওয়ালটন শেন ওয়াটসন, পেছনে স্যামসাং গ্লাভস হাতে প্রস্তুত উইকেটকিপার মুশফিকুর রহিম,পাওয়ার্ড বাই গোল্ডমার্ক বিস্কুট। মেন্টস বল করলেন মুস্তাফিজ, পেপসি গুডলেংথ বল, রাঁধুনি অফ কাটার, বাটা ফ্রন্টফুটে এসে হরলিকস কাভার ড্রাইভ করলেন ওয়ালটন ওয়াটসন। প্রাণ চাটনি বল চলে গেল রুপায়ন সিটি মাটি কামড়ে টেলিটক সীমানার দিকে, ডাচ- বাংলা
ব্যাংক চার হওয়ার সম্ভাবনা! কিন্তু না! সাকিব আল হাসান, পাওয়ার্ড বাই বাংলালিংক, লাইফবয় ঝাঁপিয়ে পরে বাঁচালেন নিশ্চিত ল্যাবএইড চার! তবে
ম্যাগি নুডুলস দুই রান নেয়া থেকে বিরত রাখতে পারলেন না দুই ফেয়ার এন্ড হ্যান্ডসাম ব্যাটসম্যানকে! প্রাণ ফ্রুটো স্কোর আপডেট, ইয়েলো অস্ট্রেলিয়া দুই রান, কোকাকোলা শূন্য উইকেটের বিনিময়ে! 
(সংকলিত)
*বাংলাধারাভাষ্য* *ধারাভাষ্য* *রেডিও* *বিজ্ঞাপন* *বেশম্ভব*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

লাখো লাখো দর্শক শ্রোতাকে হতাশার সাগরে ভাসিয়ে ৫ বছর আগে ঠিক এই দিনটিতে অজানা পথে পাড়ি জমিয়েছিলেন বাংলা ধারাভাষ্যের অন্যতম রূপকার বিশিষ্ট ক্রিড়া ধারাভাষ্যকার খোদা বক্স মৃধা। যেকজন গুণী ধারাভাষ্যকারদের হাত ধরে  বাংলা ধারাভাষ্য প্রতিষ্ঠা লাভ করতে সক্ষম হয়েছে তাদের মধ্যে মরহুম খোদা বক্স মৃধা অন্যতম। সাবলীল উচ্চারণ আর সুমিষ্ট কণ্ঠের জাদু ছড়িয়ে বাংলা ধারাভাষ্যেকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন খোদা বক্স মৃধা। মরহুম আব্দুল হামিদ, মুহাম্মদ মুসা , মুঞ্জুর হাসান মিন্টু ও খোদা বক্স মৃধার মত প্রতিষ্ঠিত ক্রিড়া ব্যক্তিত্বদের অনুপ্রবেশ বাংলা ধারাভাষ্যে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছে।

আজ ৩০ মার্চ জনপ্রিয় ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রফেসর খোদা বক্স মৃধার ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। এ উপলক্ষ্যে তাঁর পরিবার, খোদা বক্স মৃধা ফ্যান ক্লাব এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানারকম কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। তার আত্মার শন্তি কামনা করে সোমবার বাদ আসর রাজশাহীর বাসভবনে মৃধার পরিবারের পক্ষ থেকে ফাতেহা পাঠ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। মৃধা ১৯৪৫ সালের ২২ জানুয়ারী রাজশাহীর হেতেমখাঁতে জন্ম গ্রহণ করেন।

১৯৭০ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪০ বছরব্যাপী বেতার ও টেলিভিশনে ক্রীড়া ধারাভাষ্য দিয়ে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। বেতারের প্রথম শ্রেনীর সংবাদ পাঠক ও সংগীত শিল্পিও ছিলেন তিনি। প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটার ও ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও তাঁর ব্যপক সুনাম ছিল। বাংলাদেশ স্পোর্টস কমেন্টেটরস ফোরামের সভাপতি ছিলেন খোদা বক্স মৃধা। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এই দিনটি স্মরণ করবে
বাংলাদেশ স্পোর্টস কমেন্টেটরস ফোরাম। ২০১০ সালের ৩০ মার্চ দেশের খ্যাতনামা ধারাভাষ্যকার খোদা বক্স মৃধা ইন্তেকাল করেন ।

*ধারাভাষ্য* *খোদাবক্সমৃধা* *বাংলাধারাভাষ্য* *মৃতুবার্ষিকী*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★