বাদ্যযন্ত্র

বাদ্যযন্ত্র নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গুনগুনিয়ে গান না গেয়ে এবার গলা ছাড়ুন জোরে। কারণ অবিশ্বাস্য কম মুল্যে বিভিন্ন ধরনের মিউজিক্যাল ইন্সট্রুমেন্ট এখন কিনতে পাচ্ছেন অনলাইনে। শুধু কয়েকটি ক্লিক করেই বাসায় বসে ডেলিভারি পাবেন বিভিন্ন ধরনের গিটার, ড্রাম, ভায়োলিন, পিয়ানো ইত্যাদি । তো চলুন কয়েকটি বাদ্যযন্ত্রের সাথে পরিচিত হয়ে নিই এবং এক পলকে দেখ নিই এসবের মুল্য কেমন পড়বে।

ব্লুটুথ Q7 ক্যারাওকে স্পিকার মাইক্রোফোন

ক্যারাওকে স্পিকার মাইক্রোফোন মিউজিক্যাল ইন্সট্রুমেন্টের নতুন সংযোজন। যারা খালি গলায় গান করেন মিউজিকের সাথে গান করার জন্য এটি হতে পারে তাদের জন্য অন্যতম একটি অনুসঙ্গ। এখনো বিভিন্ন ধরনের গানের মিউজিক সেট করার রয়েছে আপনি ব্লুটুথের সাহায্যে আপনার মোবাইল ফোনের সাথে কানেক্ট করে মিউজিকের সাথে গলা মিলিয়ে গান গাইতে পারবেন। যন্ত্রটির দাম মাত্র ১১৫০ টাকা।

বাঁশি

বাঁশি এক ধরনের সুষির অর্থাৎ ফুৎকার (ফুঁ) দিয়ে বাজানো যায় এমন বাদ্যযন্ত্র । বাঁশ (বংশ) দিয়ে তৈরি হত সেই কারণে এর নাম বাঁশি । বাংলায় বাঁশিকে মুরালি, মোহন বাঁশি, বংশী অথবা বাঁশরিও বলা হয় । বাঁশির পাশ্চাত্য সংস্করনের নাম ফ্লুট(flute)। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বাঁশি তৈরিতে তরলা বাঁশ ব্যবহার করা হয় । ছবিতে দৃশ্যমান ১৩ পিস বাঁশির দাম মাত্র ৭০০০ টাকা।

ঢোল

ঢোল চর্মাচ্ছাদিত এক প্রকার আনদ্ধ বাদ্যযন্ত্র। এটি বাংলাদেশের অন্যতম লোকবাদ্যযন্ত্র।। বিভিন্ন লোকসঙ্গীতের আসরে ঢোল এক প্রধান বাদ্যযন্ত্র। টাকডুম টাকডুম আওয়াজ শুনলেই বুঝা যায় কোথাও ঢোল বাজছে। ঢোল আর ঢাক অভিন্ন নয়।ঢোল ঢাকের চেয়ে ছোট। কিন্তু উভয় বাদ্যযন্ত্রেরই দুই প্রান্ত চামড়া দিয়ে ঢাকা থাকে। ঢাক বাজানো হয় দু’টি কাঠি দিয়ে একই প্রান্তে। ঢোলটির দাম ৪৫০০ টাকা। কিনতে ছবিটির উপর ক্লিক করুন।

ভায়োলিন

বেহালার ইংরেজী নাম ভায়োলিন। যার সুর শুনে আমরা মুগ্ধ হই, যার সুর শুনে ব্যথায় মন ভরে উঠে সেই যন্ত্রের সম্পর্কে কিছুটা জ্ঞান শিল্পীমনের সকলের জানা উচিত। তবে, আগে পরিস্কার করে নেই যন্ত্র সংগীত চার ধরণের হয়। যার মধ্যে তার দিয়ে তৈরি কিছু বাদ্যযন্ত্র দেখা যায় তাকে সংগীতের ভাষায় বলে তত্ যন্ত্র যেমন বেহালা, গীটার।

হারমোনিয়াম

হারমোনিয়াম বিদেশী বাদ্যযন্ত্র। এর উদ্ভব পাশ্চাত্যে হলেও কালক্রমে যন্ত্রটি প্রাচ্যের যন্ত্রতালিকায় বিশেষ স্থান করে নেয়। এ বাদ্যযন্ত্রটি ‘ক্যাবিনেট অর্গ্যান’ নামেও পরিচিত। হারমোনিয়াম দেখতে একটি বাক্সের মতো। বেলোর সাহায্যে ভেতরে বায়ু চালিয়ে যন্ত্রটি বাজাতে হয়। এতে একটি রিডবোর্ড থাকে এবং ধাতব রিডগুলি বোর্ডে সপ্তকের অন্তর্গত স্বরস্থান অনুযায়ী ক্রমোচ্চ পদ্ধতিতে সাজানো থাকে। বেলোর সাহায্যে চালিত বায়ু ভেতরে গিয়ে রিডে আঘাত করে এবং তা থেকে ধ্বনি সৃষ্টি হয়। আজকেরডিলে হারমোনিয়াম পাচ্ছেন মাত্র ১৮ হাজার টাকায়। দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে এটি কিনে নিতে পারবেন।

ম্যানডোলিন

ম্যানডোলিন বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় একটি বাদ্যযন্ত্র হলে অনেক আগে থেকেই এটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটি মূলত সঙ্গীতে মিষ্টি মেলোডি সৃষ্টি করতে ব্যবহারিত হয়। প্রফেশনাল Mandolin প্লেয়ারদের জন্য আদর্শ । বিগিনাররাও শেখার জন্য বেছে নিতে পারেন এটিকে। যন্ত্রটির দাম মাত্র ৮৫০০ টাকা। কিস্তিতেও টাকা পরিশোধের সুযোগ রয়েছে।

গিটার

গিটার একটি বহুল পরিচিত এবং প্রচলিত বাদ্যযন্ত্র। এটি মূলত ৬টি তার বিশিষ্ট একটি বাদ্যযন্ত্র। গিটার ব্র্যান্ড সঙ্গীতের জন্য বর্তমানে ব্যপক হারে ব্যবহৃত হয়। Ebony Les Paul ষ্ট্যাণ্ডার্ড ইলেকট্রিক গিটারটি বেশ আধুনিক ও ভালো মানের। যারা বাজাতে পারেন তারা তো বুঝবেন আর যারা বাজাতে পারেন না তারা ইউটিউব থেকেও এই গিটারটি কিভাবে বাজানো শিখবেন তার টিউটোরিয়াল পাবেন। গিটারটির দাম মাত্র ৩৫,৫০০ টাকা। কিস্তিতে কেনার সুযোগ রয়েছে আজকেরডিল থেকে।

আধুনিক সব বাদ্যযন্ত্রের কালেকশন দেখতে ও কিনতে এখানে ক্লিক করুন। 

*বাদ্যযন্ত্র* *মিউজিক্যালইন্সট্রুমেন্ট* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আপনার জানা আছে এমন ১০টি বাদ্যযন্ত্রের নাম বলুন?

উত্তর দাও (৪ টি উত্তর আছে )

.
*বাদ্যযন্ত্র*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

করতাল একটি বাদ্যযন্ত্র। দুই করতলে ধরে বাজাবার যন্ত্রবিশেষ; ধাতু নির্মিত ঘন জাতীয় ঘাত বাদ্যযন্ত্র। এর আকার মন্দিরা'র চেয়ে আকারে ছোট। তালের লয় এবং ছন্দ রক্ষাকারী যন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর আওয়াজ বেশ তীব্র এবং ততটা সুখশ্রাব্য নয়। দুই করতলে ধরে বাজানো হয়, এই থেকে এর নামকরণ করা হয়েছে করতাল। দুই হাতের আঙুলের সাথে এর রজ্জু পেঁচিয়ে পরস্পরের গায়ে আঘাত করে এই যন্ত্র বাজানো হয়। অনেকে একে খরতাল বলে।

এটি বাংলা করতাল 


মণিপুরী করতাল
ভারতীয় লোকগানে প্রাচীনকাল থেকে করতাল ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে চৈতন্যদেবের আমল থেকে করতাল কীর্তন গানে ব্যবহৃত হওয়া শুরু হয় ব্যাপকভাবে। বিশেষ করে পথ-কীর্তনে এই যন্ত্রটি অপরিহার্য যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ভারতের প্রায় সকল লোকগানে করতালের ব্যবহার আছে। তবে সকল করতালের গড়ন বাংলা করতালের মতো নয়। উড়িষ্যায় দেবদাসীদের নৃত্যগীতের সময় করতালের ব্যবহার করা হতো।


 মনিপুরী করতাল 

মণিপুরী নৃত্যে করতাল ব্যবহৃত হয়। তবে ওই করতাল বাংলাদেশে ব্যবহৃত করতালের মতো নয়। মণিপুরী করতালের ধাতব অংশ কাঠের কাঠামোর ভিতরে আবদ্ধ থাকে। জোড়া হিসেবে দুই হাতে এই করতাল বাজানো হয়। মণিপুরী করতালের কাঠের দণ্ডের দুই মাথায় ধাতব পাত থাকে। আর আঙুল প্রবেশের জন্য আংটা থাকে। এই আংটার ভিতরে আঙুল ঢুকিয়ে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ করে ছন্দ রক্ষা করে বাজাতে হয়। পাশ্চাত্য ড্রাম সেটের সাথে করতাল যুক্ত থাকে।

"এক অজানা পথের আঁকে বাঁকে
বাজিয়ে যাবো তোমার করতাল।"

তথ্যসূত্র :

ভারতের নৃত্যকলা । গায়ত্রী বসু। নবপত্র প্রকাশন। নভেম্বর ১৯৮৯।
http://www.e-pao.net/epSubPageExtractor.asp?src=manipur.Arts_and_Culture.Lai_Haraoba_Practices.Lai_Haraoba_Practices_1
http://manipuri.20m.com/

*করতাল* *বাদ্যযন্ত্র* *খরতাল*

মিউজিক ম্যাশ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমাদের প্রিয় বাদ্যযন্ত্রের তালিকায় খুব সহজেই ছয় তারের গিটারের নাম এসে পরে । গিটার বাদ্যযন্ত্রটি বাজানোর ক্ষেত্রে অনেক আগে থেকেই এর ব্যাবহার চলে আসছে । লেখক মরিস জে. সামারফিল্ড এর মতে স্পেনে ৪০০ খ্রিস্টাব্দে রোমানরা " সিথারা " নামক একটি বাদ্যযন্ত্র নিয়ে আসেন, যা থেকেই গিটার বাদ্যযন্ত্রটির উদ্ভব । আরবরা "উদ" নামে একটি বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করত। তবে আবার অনেকে ধারণা করেন, চার তার সম্বলিত "তানবুর" নামক বাদ্যযন্ত্র থেকে গিটার বাদ্যযন্ত্রটির উদ্ভব। খ্রিস্টপূর্ব ১৪০০ শতকে বর্তমান সিরিয়ায় "হিটরাহিট" নামক এক জাতি বাস করত, তারা এই "তানবুর" বাজাত। গ্রিকরাও এমন একটি বাদ্যযন্ত্র তৈরি করেছিলেন যা থেকে পরবর্তীতে রোমানরা " সিথারা " নামক বাদ্যযন্ত্রটি তৈরি করেন ।


"তানবুর","উদ" ও "সিথারা" এর থেকেই মূলত গিটারের উদ্ভব । ১২০০ সালে চার তার বিশিষ্ট গিটারের দুটি রুপ বের হয় ,যার একটি হচ্ছে - "মূরিশ গিটার"। যার পিছনের দিক গোলাকার, একটু কম প্রশস্ত ফ্রেটবোর্ড এবং বেশ কয়েকটি সাউন্ড হোল ছিল। অপরটি হচ্ছে -"ল্যাটিন গিটার"। যার ছিল একটি সাউন্ড হোল ও প্রশস্ত ফ্রেটবোর্ড । ১৭৮৮ সালের দিকে এসে জেকব অটো নামে একজন জার্মান বাদ্যযন্ত্রনির্মাতা পাঁচ তার বিশিষ্ট গিটারে ৬ষ্ঠ তার সংযোজিত করেন যা পরবর্তীতে জনপ্রিয় হয়ে উঠে। এরপর ১৯ শতকে শুরুতে স্পেনের অগাস্টিন কারো, ম্যানুয়াল গিটারেজ এবং অন্যান্য ইউরোপিয়ান গিটার প্রস্তুতকারক গিটারকে বর্তমান রুপ দেন, যা বর্তমানে সকলে ব্যবহার করছে ।




গিটারের প্রাথমিক পরিচিতিঃ
গিটার একটি বহুল পরিচিত এবং প্রচলিত বাদ্যযন্ত্র। এটি মূলত তারের উপর নির্ভরশীল একটি বাদ্যযন্ত্র। মূলত গিটার তিন প্রকার। যেমনঃ
১) স্প্যানিশ গিটার
২) হাওয়াইয়ান গিটার
৩) বেস গিটার
আবার অনেকের মতে গিটার প্রধাণত ২ প্রকার।
১) স্টীল স্ট্রীং গিটার
২) নাইলন স্টীং গিটার

আবার ফ্ল্যামেনকো গিটার নামের এক জাতের গিটার আছে । এ ছাড়া নানা নামের গিটার রয়েছে কিন্তু সাবমেনুর মত । যেমন স্টীল স্ট্রীং গিটার এর সাব মেনুর মত কিছু গিটার রয়েছে যেমন – রীদম, লিট, বেজ, হাওয়াইন গিটার। তো এই থেকে বোঝা যায় সাব মেনুর মত সাব গিটার রয়েছে নানা প্রকারের।



স্প্যানিশ গিটার একটি ওয়েস্টার্ন মিউজিকাল ইন্সট্রুমেন্ট এবং এটি খুবুই জনপ্রিয় । বাংলাদেশে অনেকে এই গিটার নিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করার চেষ্টা করলেও ৭০ দশকে গুরু আজম খান, ও ফকির আলমগীর বাংলা গানের জগতের নতুন ধারা সৃষ্টি করেন পপ ব্যান্ড ।এই থেকে শুরু হয়ে গেল বাংলাদেশে স্প্যানিশ গিটার এর প্রভাব ।

এই স্প্যনিশ গিটারেও ভাগ রয়েছে ।
১) এ্যাকোস্টিক
২) ক্লাসিক্যাল
৩) ইলেকট্রিক বা বৈদ্যুতিক

গিটারের বিভিন্ন অংশঃ
হেডস্টক
টিউনার
নাট
ফ্রেটস
ফ্রেটবোর্ড
সাউন্ড হোল
স্ট্রিংস
পিক গার্ড
সাউন্ড বোর্ড
পিক-আপস
ব্রিজ
ভলিউম অ্যান্ড টোন কন্ট্রোল



গিটার অনেক ধরনের আছে। দোকানে বেশি ভাগ ক্ষেত্রে স্প্যানিশ গিটার পাওয়া যায়। স্প্যানিশ গিটার একটি ওয়েস্টার্ন মিউজিকাল ইন্সট্রুমেন্ট। তবুও বিশ্বের সকল দেশেই সংগীতের জগতে এই বাদ্যযন্ত্রটির চাহিদা ব্যাপক । আমাদের তরুণ সমাজের সংগীত শ্রোতাদের মধ্যে গিটার শেখার প্রতি চরম একটি আগ্রহ দেখা যায়।

গিটার শেখার কিছু কৌশলঃ
গিটার শেখার জন্য প্রথমত আপনার দরকার হবে একটি একষ্টিক গিটার। বাজারে বিভিন্ন মানের একষ্টিক গিটার পাওয়া যায়। আপনি ৪০০০-৬০০০ এর মধ্যে একটি ইন্ডিয়ান গিটার দিয়ে শুরু করতে পারেন। আপনার বাজেট যদি একটু কম হয় তাহলে ১৫০০-২৫০০ এর মধ্যে বাংলাদেশী গিটার দিয়েও শুরু করতে পারেন। গিটারের নোট বলতে মূলত সুর কে বুঝানো হয় । বাংলায় আমরা যেটাকে সা, রে, গা, মা, পা, ধা , নি দিয়ে সম্বোধন করি , ইংরেজিতে সেটাকে C D E F G A B এভাবে সম্বোধন করা হয়। গিটার যেহেতু একটি বিদেশী বাদ্যযন্ত্র , তাই এর ইংরেজি গ্রামার ব্যাবহার করলেই শিখতে সুবিধা হয়।



সাইন গুলোর পাশাপাশি নিচের নোট সিরিয়ালটিও মুখস্থ করে নিন। এটি অবশ্যই কাজে লাগবে।
A–A#–B–C–C#–D–D#–E–F–F#–G–G#–A
[B এবং E এর কোন # (শার্প) নোট হয়না]

টিউনিং হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় গিটারের স্ট্রিং (তার) গুলোকে টাইট করা। যাতে সঠিক সুর টি আসে। টিউনিং ছাড়া গিটার দিয়ে কখন কোন সঠিক সুর তোলা সম্ভব নয়। টিউনিং হলো মিউসিক সেন্স এর ব্যপার। এবার আপনার গিটারের তার গুলোকে হেডস্টক এর টিউনারগুলোকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে সাউন্ড ঠিক করতে হবে।



গিটারের ফিঙ্গার বোর্ডের বিভিন্ন ফ্রেটস এ আঙ্গুল রেখে বাজালে কোন সুর (note) টি বাজবে সেটি মনে রাখতে হবে। যখন ফিঙ্গার বোর্ডে কোনরুপ আঙ্গুল না দিয়ে বাজালে তখন ওপেন নোটগুলো বাজবে। গিটার শেখার সময় পিক দিয়ে এবং পিক ছাড়া উভয় ভাবে বাজানোর প্রাক্টিস করতে হবে। পিক হচ্ছে ছোট্ট একটি প্লাস্টিকের ত্রিভুজ আকৃতির খণ্ড, যা দিয়ে গিটার বাজানো হয়। প্র্যাকটিসের সময় চিন্তা করতে হবে - কি বাজানো হচ্ছে, কেমন সাউন্ড হচ্ছে এবং তা আপনার পছন্দ হচ্ছে কি না? যখন বিরক্ত লাগবে, তখন হালকা রেস্ট নিয়ে আবার শুরু করতে হবে। ভাল গিটারিস্ট হতে হলে অবশ্যই প্রচুর প্র্যাকটিস করতে হবে।



ওয়েস্টার্ন ওয়ার্ল্ড মিউজিকাল সিস্টেমে ইংলিশ অ্যালফাবেট এর প্রথম সাতটি বর্ণ নোট অথবা সাউন্ড এর পিচ রূপে ব্যবহৃত হয়। বর্ণগুলি হল - A B C D E F G । ঐতিহাসিক কারণে বর্ণ গুলো কীবোর্ড অথবা হারমোনিয়ামে শুরু হয় C থেকে। অর্থাৎ এভাবে- CDEFGABC. তাই বেশি ভাগ ক্ষেত্রেই গিটারেও এই রুলটি ব্যবহার করা হয়।

নোটঃ
নিদিষ্ট সাউন্ড বা স্বরকে নোট বলে । নোট মোট ১২টি যথা—
C-C#-D-D#-E-F-F#-G-G#- A- A#-B

অথবা এভাবে বলা যায় -
A#-B -C-C#-D-D#-E-F-F#-G-G#

অকটেভঃ
একটি নোট থেকে একই নামের আরেকটি নোট এর দূরত্বকে অকটেভ বলা হয়। যেমন- A B C D E F G A – দেখুন এখানে A টি সব নোট শেষে করে আবার A কে টাচ করেছে। এটি একটি অকটেভ।

অবসর:
প্রথমবারেই ১ঘণ্টা ধরে বাজাতে পারবেন না। শুরুতে ৫/১০ মিনিট করে চালু রাখুন, আধঘণ্টা বিশ্রাম নিন, পরে আবার শুরু করুন। বাম হাতের আঙুল এ ধরনের কাজে অভ্যস্ত নয় বলে একটু ব্যথা করবে। আঙুলের মাথাগুলো একটু করে ফোস্কার মতো হবে। নিয়মিত বাজালে তা অনুভুতিহীন হয়ে শক্ত আকার নেবে। তখন আর ব্যথা লাগবে না। এ ব্যাপারে ধৈর্য ধরতে হবে।

অনুশীলনী:

১. বাম হাতের চারটি আঙুলকে খাড়া করে টেবিলের উপর রাখুন। এবার মধ্যমা ও কনিষ্ঠাকে টেবিলে যুক্ত রেখেই তর্জনী ও অনামিকাকে তুলতে চেষ্টা করুন। এখন তর্জনী ও অনামিকাকে আগের জায়গায় ফেরত নিয়ে এ দুটিকে টেবিলে যুক্ত রেখে মধ্যমা ও কনিষ্ঠ আঙুলকে তুলতে চেষ্টা করুন। নিয়মিত এ ব্যয়ামটি করলে আঙুলের পেশীগুলো দক্ষ হয়ে উঠবে। একই ব্যয়াম গিটারের ফ্রেট বোর্ডেও করতে পারেন। এর জন্য সুবিধামত চারটি ফ্রেট বেছে নিন। ভালো মতো বুঝার জন্য ভিডিও দেখুন।

২. ফ্রেট বোর্ডে সুবিধামতো একটা জায়গা বাছুন যেখানে বাম হাতের চারটি আঙুল পর পর চারটি ফ্রেটে রাখুন। নীচের তার থেকে শুরু করে এক একটা আঙুল এক একটা ফ্রেটে রেকে পিক দিয়ে ঐ তারটি বাজান। প্রথম তার শেষ করে দ্বিতীয় তারে যান, শেষ করে তৃতীয় তারে যান। শেষ তার থেকে আবার উল্টো ক্রমে নীচের তারে আসুন। আঙুলের জোড় বাড়ানোর জন্য এ কাজটি প্রতিদিন ১০/১৫ মিনিট ধরে করুন। প্রথম প্রথম ধীরে ধীরে করুন, পরে দ্রুততা বাড়াতে পারেন। অভ্যস্ত হয়ে গেলে ফ্রেটবোর্ডের মাথার দিকে, অর্থাৎ গিটারের নেকের দিকের চারটা ফ্রেট বেছে নিন।

 

ঘরে বসে গিটার শেখার কোনো উপায় আছে কি:

মিউজিক নিয়ে ধারণা না থাকলে শেখা একটু মুশকিল হতে পারে যেমনঃ গিটার টিউনিং এর বিষয়টা। আইডিয়া না থাকলে যতই ইউটিউব দেখেন খুব বেশী লাভ নেই। কর্ড হয়তো দেখে/পড়ে কিছুটা রপ্ত করতে পারবেন, কিছু রিদমও হয়তো পারতে পারেন। তবে উৎসাহে ভাটা পরতে পারে। ভাল হয় ১-২ মাস কারো কাছ থেকে বেসিকটা দেখে এর পর নিজে নিজে রিদমগুলো/কর্ডগুলো পিক করা। এর পর যখন আবার লিড/বেস শেখার সময় হবে তখন আবার কারো কাছে যেতে হবে। ঘরে বসে গিটার শিখতে চাইলে ইন্টারনেট কানেকশন লাগবে l ইউটিউবে "how to play guiter" দিলে চলে আসবে l সেখানে ডিটেলস দেয়া থাকবে l আশা করি উপকার হবে l আর এজন্য আপনাকে একটা গিটার কিনতে হবে l ভালমানের গিটার পেয়ে যাবেন সায়েন্স ল্যাব, এলিফ্যান্ট রোডের মিউজিক্যাল ইনস্ট্রুমেন্টালের দোকানে l এছাড়া অনলাইনে কিনতে হলে আজকের ডিল একমাত্র ভরসা l এখানে উন্নতমানের এবং নাম করা ব্রান্ডের গিটার বিভিন্ন রেঞ্জে পাওয়া যাচ্ছে l কিনতে ক্লিক করুন ছবিগুলোতে আর আজকের ডিলের পেজে l

*গিটার* *বাদ্যযন্ত্র*

আব্দুল্লাহ আল কাফি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আমাদের উপমহাদেশের বাদ্যযন্ত্র গুলোর music instrumental কোন website এ পাব ?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*মিউজিক* *বাদ্যযন্ত্র* *ওয়েবসাইট*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

৪/৫
[বৈশাখ-বাউল] বৈশাখের প্রথম দিনে বেশ কয়েক জায়গায় কনসার্ট দেখলাম কিন্তু এততারা, দোতারা চোখ পড়ল না।
[বৈশাখ-ঢুলি] তবলা চোখে পড়লেও ঢোল ও ঢুলি চোখে পড়েনি। আধুনিক যন্ত্রপাতির কাছে একতারা ও ঢোল আজ পরাজিত!
*বৈশাখবরণ* *বাদ্যযন্ত্র* *পহেলাবৈশাখ* *নববর্ষ* *বৈশাখীবরণ* *বরণমেলা*

আশিকুর রাসেল: গিটার বাজানো শেখার প্রবল ইচ্ছে ছিল একসময়। এখনো নেই যে টা নয়। নিজেই শেখার চেষ্টা করছি। এছাড়া মিউজিক্যাল ইন্সট্রুমেন্ট সংগ্রহের একটা বাতিক রয়েছে আমার। বাসায় রয়েছে বিভিন্ন স্কেলের বাঁশি,ভায়োলিন,তবলা, গিটার,একতারা,মাউথ অর্গান।আজ কিনলাম হারমনিয়াম।(লালালা)

*বাঁশি* *গিটার* *ভায়োলিন* *তবলা* *একতার* *হারমোনিয়াম* *বাদ্যযন্ত্র* *সংগ্রহ* *ইচ্ছা* *একতারা*

আশিকুর রাসেল: আমার *বাদ্যযন্ত্র* ~~ অবসর আর বোরিং সময়ের সঙ্গী নাম্বার-১ ... বাজাতে পারিনা (ভেঙ্গানো২).. কিন্তু আমার আর আমার সঙ্গীর কেও কেও এর যন্ত্রণায় গত ৮ বছর যাবত বাসার সবার কানের ১৪ টা বেজে গেছে (খিকখিক)

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★