বান্দরবান

বান্দরবান নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বান্দরবানের থানচি যাওয়ার বিস্তারিত তথ্য জানতে চাই।

উত্তর দাও (০ টি উত্তর আছে )

*বান্দরবান* *থানচি* *ভ্রমণ* *ভ্রমণটিপস*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বান্দরবানের নীলাচল যাওয়ার বিস্তারিত তথ্য জানতে চাই।

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*বান্দরবান* *নীলাচল* *ভ্রমণ* *ভ্রমণটিপস*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঈদের ছুটি বান্দরবানের নীলগিরি ঘুরতে যেতে চাই ; কিছু ভ্রমণ টিপস প্রয়োজন?

উত্তর দাও (৪ টি উত্তর আছে )

.
*ঈদেরছুটি* *বান্দরবান* *নীলগিরি* *ভ্রমণটিপস*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বান্দবানের নীলগিরির আশেপাশে কি কি দর্শনীয় স্থান রয়েছে?

উত্তর দাও (৮ টি উত্তর আছে )

.
*বান্দরবান* *নীলগিরি* *ভ্রমণটিপস* *দর্শণীয়স্থান*

Nahidul Islam Nahid: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 একাকি কেওক্রাডং ঘুরতে চাই। কিভাবে কি করলে ভাল হয়?? আমার যাওয়াই লাগবে

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*কেওক্রাডং* *বান্দরবান* *ভ্রমণ* *ভ্রমণটিপস*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বান্দরবান জেলার বগা লেক কিভাবে সৃষ্টি হয়েছিল?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*বান্দরবান* *বগালেক* *লেক*

Shaima Siddika: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বান্দরবানের পাহাড়ি অঞ্চলে বেড়াতে আসা দর্শনার্থীদের জন্য সুখবর হলো, এখানে গড়ে উঠেছে একটি আন্তর্জাতিক মানের কুমির প্রজনন প্রকল্প এবং চাষাবাদ কেন্দ্র। যেখানে প্রতিদিন অসংখ্য পর্যটক আসছেন এবং খুব কাছে থেকে কুমিরের এই প্রকল্পটি পরিদর্শন করছেন।


বাংলাশের বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম নামের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে তোলা এই প্রকল্পটি সম্পর্কে সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০০৯ সালে পাহাড়ি এলাকায় ২৫ একর জায়গার উপর এ বৃহৎ কুমির চাষ প্রকল্পটি শুরু করেন - দেশের বৃহত্তর বহুজাতিক শিল্প প্রতিষ্ঠান আকিজ ওর্য়াল্ড লাইফ ফার্ম লিমিটেড। এর স্বত্ত্বাধিকারী হলেন সাংসদ শেখ আজিজ উদ্দিন।

 

মালয়েশিয়া থেকে ৫০টি কুমিরের বচ্চা আমদানি করে ঘুমধুমের পাহাড়ে আধুনিক ও প্রযুক্তির মাধ্যমে কুমিরের চাষ পরিচালনা শুরু হয়। কয়েক মাসে প্রায় ৮শ’ কুমিরের বাচ্চার প্রজনন হয়। নিবিড় পরিচর্যা, চিকিৎসা ও পর্যাপ্ত খাবার প্রয়োগ করায় বর্তমানে সকল বাচ্চা সুস্থ অবস্থায় দিন দিন বড় হচ্ছে। উদ্যোক্তারা আশা প্রকাশ করেন, কুমির চাষের পাশাপাশি এ প্রকল্পে প্রজাপতির চাষ, বার্ড পার্কসহ কটেজ ও মিউজিয়াম হাউজ গড়ে তুলে প্রকল্পটিকে একটি পর্যটন স্পট হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এতে দেশি-বিদেশী পর্যটকের আগমন ঘটলে সরকার পর্যটন খাতেও প্রচুর রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হবে।


প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, ঘুমধুমের পাহাড়ে আধুনিক পদ্ধতিতে গড়ে ওঠা দেশের সর্ববৃহত্তম ও দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম কুমির চাষ প্রকল্প। শুধু নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমই নয় , তিন পার্বত্য জেলার প্রতিটি জেলা উপজেলার মাটি, আবহাওয়া ও পরিবেশ কুমির চাষের জন্য উপযোগী। সরকারি কিংবা বেসরকারি উদ্যোগে পাহাড়ে এ চাষের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পাশাপাশি বেকারস্ত দূরীকরণে বিরাট ভূমিকা পালন করবে।

এই কুমির চাষ প্রকল্পের সম্পর্কে আরও জানা যায়, প্রকল্পে থাকা স্ত্রী কুমিরগুলো এক সাথে গড়ে ৫০-৫৫টি ডিম ছাড়ে। এসব ডিম সমূহ সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নজর রাখা হলে প্রতিটি ডিম থেকেই বাচ্চা ধারণ করা সম্ভব। আশা করা হয় , ২০১৮ সালের শুরুতেই বিদেশে রপ্তানি প্রক্রিয়া শুরু হবে তার মধ্যে কোরিয়ায় রপ্তানি করা হবে কুমিরের মাংস, জাপানে রপ্তানি করা হবে চামড়া ও হাড় অন্যান্য সামগ্রী যাবে চীনে।
স্হানীয়গণ মনে করছেন, দুর্গম পাহাড়ি একটি ইউনিয়নে কুমির চাষ প্রকল্পের মত একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠায় এলাকার অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হয়েছে। পাশাপাশি আকিজ গ্রুপের সদিচ্ছায় এবং কল্যানে এখানে যদি একটি পর্যটন স্পট গড়ে তোলার পরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করা হয় তাহলে ঘুমধুম একটি বাণিজ্যিক নগরীতে পরিণত হবে।

*ভ্রমণ* *কুমিরচাষ* *বান্দরবান* *ভ্রমনটিপস* *ঘুরাঘুরি*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঢাকা থেকে নাফাখুম জলপ্রপাত ঘুরতে যাবার বিস্তারিত তথ্য কেউ দিতে পারেন কি?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*নাফাখুমজলপ্রপাত* *বান্দরবান* *ভ্রমণ* *ছুটিতেভ্রমণ* *ভ্রমণটিপস*

Partha: *বান্দরবান* ঘোরাঘুরি যারা পছন্দ করেন তারা এই গ্রুপ এ join করতে পারেন !! share করতে পারেন বেড়ানো নিয়ে আপনার অনুভূতি ..ছড়িয়ে দিতে পারেন আপনার তোলা ছবি ... https://www.facebook.com/groups/ExploreBangladesh4tour/ join করেন এবং share করেন আপনার ভালো লাগা

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পাহাড়ি সবুজ বন, মেঘমালা, পাহাড়ি ঝরনা আর সাংগু নদীর একমুখী ছুটে চলার দৃশ্য আপনাকে হাতছানি দেবে বান্দরবানের পথে পথে। বান্দরবান থেকে থানচির পথে যেতে প্রায় ১০ কিলোমিটার পর শৈলপ্রপাত। পাহাড়ি ঝরনা। যদিও এটি এখন শুকিয়ে গেছে। এর কিছু দূর যাওয়ার পর মিলবে চিমবুক পাহাড়। বান্দরবান থেকে চিমবুকের দূরত্ব ২৪ কিলোমিটার। এ পাহাড়ের চূড়া থেকে আপনি বঙ্গোপসাগর, চট্টগ্রাম বন্দর দেখতে পাবেন। মেঘের আনাগোনার দিনে হাত বাড়ালেই শীতল ছোঁয়া পাবেন।

আকাশ আর মেঘ যেখানে ভ্রমন পিপাসু মানুষকে হাতছানি দিয়ে ডাকে। অবারিত সবুজ প্রান্তর যেখানে মিশে যায় মেঘের ভেলায়। মেঘের সাথে পাহাড়ের যেখানে আজন্ম বন্ধুত্ব। বলছি নীলগিরি পর্যটনের কথা। এখানে পাহাড় ও মেঘের সাথেই বসবাস করে পাহাড়ি আদিবাসী ম্রো সম্প্রদায়ের অধিবাসীরা। সমুদ্র পৃষ্ঠ হতে ২ হাজার ২ শত ফুট উচ্চতায় এই নীলগিরি পাহাড়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখানে একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলেছে। চিমবুকের পর চলতে চলতে একটা জায়গায় এসে থমকে দাঁড়াতে হয়। একটি সাইনবোর্ড। তাতে লেখা_ 'বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সড়ক'। এবার সামান্য পথ যেতেই নীলগিরি। পর্যটন স্পট। বান্দরবান থেকে দূরত্ব ৪৮ কিলোমিটার। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩ হাজার ৬০০ ফুট উঁচু এ পাহাড়ে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন সাতটি বিশ্রামাগার। মেঘদূত, আকাশনীলাসহ নানা বাহারি নামের এসব বিশ্রামাগারে রাত কাটানোর জন্য ৩ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ পড়ে।


তবে এমনিতে ৫০ টাকার টিকিট কেটে নীলগিরির চূড়া থেকে পাহাড়ের চারদিকের সবুজ দৃশ্য অবলোকন করা যায়। নীলগিরিতে করা হয়েছে একটি হেলিপ্যাডও। এখানকার বিশ্রামাগার ভাড়া নিতে হলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আগে যোগাযোগ করতে হয়। নীলগিরি থেকে যত দক্ষিণে যাবেন, ততই আস্তে আস্তে সর্বোচ্চ সড়ক থেকে নিচের দিকে নামতে থাকবেন। কখনো দুই পাহাড়ের মাঝ দিয়ে, কখনো বা পাহাড়ের পাশের সরু সড়ক ধরে চলে যাবে চাঁদের গাড়ি কিংবা নিজস্ব জিপ। পাহাড়ের ঢালে আদিবাসীদের ছোট ছোট ঘরবাড়ি থেকে মাঝেমধ্যে উঁকি দেবে কোনো নারীমুখ কিংবা ছোট্ট শিশু। জুম চাষও দেখতে পাবেন। বর্ষার এই সময়টাতে আদিবাসী নারী-পুরুষ ব্যস্ত থাকে জুমের মাঠে।


এ ছাড়া ঘুরে আসা যায় আদিবাসীদের বিভিন্ন ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের বাগানে। পাহাড়ি ঝরনা থেকে আদিবাসী নারীদের পানি সংগ্রহ করার দৃশ্য দেখতে ভুলবেন না যেন। এ ছাড়া দুই পাহাড়ের মাঝখানে উন্মত্ত বর্ষায় ছুটে চলা সাংগু নদীও টানবে আপনাকে। আদিবাসীপাড়ার কার্বারি কিংবা কারো সহযোগিতায় ডিঙি কিংবা নৌকায় চড়ে আপনিও চলে যেতে পারেন আশপাশের কোনো মারমা পাড়ায়। আদিবাসীদের জীবনযাত্রা আপনার প্রাণ ছুঁয়ে যাবে। ঈদের ছুটিটা উপভোগ্য না হয়ে পারেই না!


যেভাবে যাবেন
ঢাকা কিংবা চট্টগ্রাম থেকে বাসযোগে বান্দরবান। সেখানে রাতযাপনের জন্য বিভিন্ন হোটেল রয়েছে। এরপর কোনো এক সকালে বান্দরবান থেকে চাঁদের গাড়িযোগে আরো গহিন অরণ্যে যাত্রা করা যায়। এ জন্য ভাড়া পাওয়া যায় চাঁদের গাড়ি। বান্দরবান থেকে থানচি পর্যন্ত একটি গাড়ি আসা-যাওয়ায় ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত নেয়। নিজস্ব গাড়ি নিয়েও যাওয়া যায়। তবে পাহাড়ি পথ, বিশেষ করে বান্দরবানের অাঁকাবাঁকা দুর্গম পাহাড়ি রাস্তা সম্পর্কে চালক অভিজ্ঞ হলে ভালো। শহর থেকে চাঁদের গাড়ীগুলো নীলগিরি পর্যন্ত ৩/৪ হাজার টাকা ভাড়া নিয়ে থাকে। এসব চাঁদের গাড়ীগুলো একসাথে ২০/২৫ জন পর্যন্ত যাত্রী পরিবহণ করে। 

কোথায় থাকবেন
বান্দরবানে এসেই আপনাকে কোন আবাসিক হোটেলে রুম নিয়ে বিশ্রাম নিতে হবে। শহরের মধ্যে বিভিন্ন বাজেটের মধ্যে এসি/ ননএসি হোটেল পাওয়া যায়। পর্যাপ্ত হোটেল থাকায় রুম পেতে কোন ঝামেলা পোহাতে হয় না। তবে পর্যটনের ভরা মৌসুমে আগেভাগে বুকিং দিয়ে আসা ভালো। এখন বেশির ভাগ আবাসিক হোটেলের সাথেই খাবারের রেস্তোরা রয়েছে। শহরের রুমা বাসষ্টেশন থেকে বিভিন্ন চাঁদের গাড়ী, জীপ ইত্যাদি নীলগিরী পর্যটন কেন্দ্রে চলাচল করে। আপনাকে এসব গাড়ী রিজার্ভ করেই যেতে হবে গন্তব্যে। কারণ রিজার্ভ গাড়ীতে না গেলে আপনাকে পথে অনেক ঝামেলা পোহাতে হতে পারে। যা আপনার ভ্রমনের আনন্দকে ম্লান করে দিতে পারে। গন্তব্যে পৌঁছাতে এসব গাড়ী ২-৩ ঘন্টা সময় নিতে পারে। নীলগিরি পৌঁছে আপনি সেখানে রাত যাপনও করতে পারবেন। এখানকার কটেজগুলো একটু ব্যয়বহুল। এখানকার প্রতিটি কটেজের ভাড়া রাতপ্রতি ৪/৫ হজার টাকার মধ্যে। আর থাকতে না চাইলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আপনাকে আবার বান্দরবান শহরের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে হবে।

*ঈদেরছুটি* *ছুটিতেভ্রমন* *বান্দরবান* *নীলগিরি* *ভ্রমনটিপস*

মুস্তাফা: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কেওকারাডং কিভাবে যেতে হয়? কখন গেলে ভালো হয়? থাকার কি কোনো জায়গা আছে?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

*কেওকারাডং* *ছুটিতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *বান্দরবান*

মুস্তাফা: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বগালেকে কিভাবে যেতে হয় এবং সেখানে থাকার ব্যবস্থা কি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*ছুটিতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *অল্পতেভ্রমন* *বান্দরবান* *বগালেক*

আব্দুল্লাহ আল কাফি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বান্দরবানের কোন জায়গাটা বেশি সুন্দর?

উত্তর দাও (৮ টি উত্তর আছে )

*বান্দরবান* *ভ্রমনটিপস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★