বান্দরবান ভ্রমন

বান্দরবানভ্রমন নিয়ে কি ভাবছো?
ছবি

দীপ্তি: ফটো পোস্ট করেছে

৪/৫

নীলছায়া ইকো রিসোর্ট

বান্দরবান

*বান্দরবানভ্রমন* *ট্যুরপ্যাকেজ* *অল্পতেভ্রমন* *ছুটিতেভ্রমন* *রিসোর্ট*

উদয়: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 পাহাড়ে উঠার আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদি কোথায় কিনতে পাওয়া যায় ?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*হাইকিং* *পাহাড়* *ভ্রমনটিপস* *বান্দরবানভ্রমন* *শপিং* *খাগড়াছড়িভ্রমন*

দীপ্তি: একটি টিপস পোস্ট করেছে

ভ্রমন বাংলাদেশ
http://www.kachalong.com/index.php/en/publications/vromon-bangladesh
কাচালং ট্যুরিজম ...বিস্তারিত
*ভ্রমনটিপস* *কক্সবাজারভ্রমন* *রাঙামাটিভ্রমন* *বান্দরবানভ্রমন* *থাইল্যান্ডভ্রমন* *ট্যুরপ্যাকেজ* *নেপালভ্রমন* *মালয়েশিয়াভ্রমণ* *দার্জিলিংভ্রমন* *অল্পতেভ্রমন* *সুন্দরবনভ্রমন* *বিদেশভ্রমন* *সিলেটভ্রমন*
৬০৬ বার দেখা হয়েছে

তৌফিক রুদ্র: *বান্দরবানভ্রমন * সবাই জিপে করে উঠলেও আমি কিন্তু পায়ে হেঁটেই উঠে গেলাম ৩৫০০ ফুট উঁচু বগালেকে। লেকের জলের অদ্ভুত ও বর্ণীল খেলায় সেদিন বুঝতে পেরেছিলাম বান্দরবনের রূপমূর্তি কত হিংস্র ও আবেদনময়ী। পুরো ভ্রমণেই তার এই আবেদনে আত্মসমর্পণ করেছি বার বার।

*বান্দরবানভ্রমন*
শপিং

শাহান: কেনাকাটা সংক্রান্ত একটি তথ্য দিচ্ছে

ট 7,500 / person only
http://www.amazingtoursbd.com/dhaka-bandarban-dhaka/

*বান্দরবান* *ট্যুরপ্যাকেজ* *বান্দরবানভ্রমন*
৩২৫বার দেখা হয়েছে

সুপ্ত দিয়া: কেউ যদি জিজ্ঞেস করে,বাংলাদেশের এমন কোন জায়গা আছে যেখানে তুমি বারবার যেতে চাও? আমার একবাক্যে উত্তর হবে 'নীলগিরি,বান্দরবান'। (ইয়েয়ে) পাহাড়ে চূড়োয় দাঁড়িয়ে মেঘ ছোঁয়ার লোভ খুব বেশি তাই! (লজ্জা)

*বান্দরবানভ্রমন* *প্রিয়জায়গা* *শখ*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

শখের ফটোগ্রাফি

বান্দরবানে গিয়ে ক্যামেরাবন্দী করি কিছু মুহূর্ত

*বান্দরবানভ্রমন* *শখেরফটোগ্রাফি* *বান্দরবন*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যাতায়াত ব্যবস্থা

ঢাকা থেকে বান্দরবান যেতে আপনি ২/৩ টি রুট ব্যবহার করতে পারেন। ঢাকা থেকে ট্রেনে, বাসে বা প্লেনে প্রথমে চট্টগ্রাম তারপর চট্টগ্রাম থেকে সোজা বান্দরবান। বান্দরবন হতে ৭৯ কিমি. দুরে অবস্থিত থানচি। বান্দরবন হতে পাবলিক বাস অথবা জীপ অথবা চান্দের গাড়িতে করে থানচি যেতে হয়। তবে পাবলিক বাসের চাইতে জীপ অথবা চান্দের গাড়িতে করে গেলে পথের সুন্দর সুন্দর দৃশ্য উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে। সাঙ্গু নদীর পাড়ে অবস্থিত থানচি বাজার। থানচি পৌছানোর পর সেখান থেকে যেতে হবে ক্রেমাক্রী বাজার। রেমাক্রী বাজার হতে নাফাখুম ঝর্নার কাছে যাওয়ার একমাত্র অবলম্বন সাঙ্গু নদীর নৌকা। এখানে আপ-ডাউন ইঞ্জিনচালিত নৌকা পাওয়া যায়। এই নৌকা ভাড়া করার জন্য পর্যটকদের থানচি ঘাটে অবস্থিত নৌকাচালক সমিতির সাথে কথা বলতে হয় এবং সেখান থেকে বিজিবি-র তালিকাভুক্ত একজন গাইড নিতে হয়। এই পথে ভ্রমণে গাইড নেওয়া বাধ্যতামূলক। শুধু তাই নয় নৌকাচালক সমিতির অফিসে পর্যটকদের নাম, ঠিকানা, পিতার নাম, মোবাইল নম্বর, নৌকার মাঝির নাম প্রভৃতি রেজিস্টার করে ভ্রমণের অনুমতি নিতে হয়। রেমাক্রী থেকে নাফাখুম ঝর্নায় যাওয়ার কোনো পরিবহন ব্যবস্থা নেই। অবশিষ্ট পথটুকু পর্যটকদের পায়ে হেটে পাড়ি দিতে হয়। রেমাক্রী পৌছার পর থানচি বাজার থেকে সাথে নেওয়া গাইডকে রেখে রেমাক্রী থেকে নতুন আরেকজন গাইড সাথে নিতে হয় এবং বিজিবি ক্যাম্পে পর্যটকদের নাম, ঠিকানা রেজিস্ট্রার করে ভ্রমণের অনুমতি নিতে হয়। উল্লেখ্য দিনে গিয়ে দিনেই নাফাখুম ঝর্না থেকে থানচি ফিরে আসাটা খুবই কষ্টকর। তাই আপনি চাইলে রেমাক্রীতে রাত্রি যাপন করে চারপাশটা ভালোভাবে ঘুরে ফিরে দেখে আসতে পারেন। আর যারা দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসতে চান তাদেরকে ভোর ৬/৭ টার মধ্যে থানচি থেকে যাত্রা শুরু করতে হবে। রেমাক্রী বাজার হতে জোরে হাটলে ২ ঘন্টা এবং ধীর পায়ে হাটার ক্ষেত্রে নাফাখুম ঝর্নায় পৌছতে ৩ ঘন্টার মতো সময় লেগে যায়।

সাঙ্গু নদীর বর্ণনা

থানচি বাজারের পাশে সাঙ্গু নদী অবস্থিত। এই সাঙ্গু নদী ধরে রেমাক্রীর দিকে ধীরে ধীরে উপরে উঠতে হয় নৌকা বেঁয়ে। উপরে উঠতে হয় এই কারনে যে বস্তুত নদীটা রেমাক্রী হতে থানচির দিকে ধীরে ধীরে ঢালু হয়ে এসেছে আর এই কারনে এখানে সবসময় স্রোত থাকে। নদীর কিছুদূর পর পর ১-২ ফুট এমন কি কোথাও কোথাও ৪/৫ ফুট পর্যন্ত ঢালু হয়ে নিচে নেমেছে।

খরচের হিসাব

ঢাকা হতে বান্দরবান (নন-এসি বাস) ৩৫০ টাকা হতে ৪০০ টাকা
বান্দরবান হতে থানচি (পাবলিক বাস) ২০০ টাকা
বান্দরবান হতে থানচি (জীপ/চান্দের গাড়ি) ৪,০০০/৫,০০০ টাকা
থানচি হতে রেমাক্রী নৌকা ভাড়া ৪,৫০০ টাকা
রেমাক্রীতে পর্যটক যতদিন থাকবেন তার প্রতি রাতের জন্য নৌকা ভাড়া বাবদ ১,৫০০ টাকা করে অতিরিক্ত গুণতে হয়।
গাইড (থানচি হতে রেমাক্রী) ৫০০ টাকা
গাইড (রেমাক্রী হতে নাফাখুম) ৬৫০ টাকা  
খাবার খরচ পর্যটকদের ইচ্ছার উপর ভিত্তি করে। তবে মোটামুটি ১০০/১২০ টাকার মধ্যে প্রতি বেলায় পেট পুরে হরেক রকমের খাবার খাওয়া যায়।
থাকার খরচ (থানচি) জনপ্রতি ৬০/৭০ টাকা
থাকার খরচ (রেমাক্রী) জনপ্রতি ৬০/৭০ টাকা
 
থাকার ব্যবস্থা

পর্যটকদের থাকার জন্য থানচিতে একটি রাষ্ট্রীয় রেষ্ট হাউজ রয়েছে। এছাড়া থানচি নৌকা ঘাটে পর্যটকদের থাকার জন্য স্থানীয় লোকজন কিছু ঘর বানিয়ে রেখেছে। এসব ঘরে থাকার জন্য অতিরিক্ত কোনো টাকা দিতে হয় না। ঐই ঘরের মালিকের দোকানে তিনবেলা খাওয়া-দাওয়া করলেই থাকা ফ্রি।
তিন্দুতে পর্যটকদের থাকার জন্য উপজাতীয়দের ঘর রয়েছে। নির্ধারিত ভাড়ার বিনিময়ে উপজাতীয়রা এসব ঘর পর্যটকদের কাছে ভাড়া দেয়।
রেমাক্রী বাজারেও একটি রেষ্ট হাউজ রয়েছে। এছাড়া থানচির মতো উপজাতীয়দের দোকানে তিন বেলা খাবার খেলে থাকা ফ্রি।   
 
ভ্রমণে করণীয় ও পালনীয়

ঢাকা বা বান্দরবান থেকে যাত্রা শুরু করার আগে পর্যটকদের নিজ নিজ নাম, ঠিকানা, পিতার নাম, মোবাইল নাম্বার প্রভৃতি একটি কাগজে লিখে সেই কাগজটি ১০/১২টি ফটোকপি করে সাথে নিতে হবে। পথিমধ্যে বিভিন্ন স্থানে এই কাগজ জমা দিতে হয়।  
বান্দরবান থেকে নাফাখুম যেহেতু অনেকটা পথ এবং পথিমধ্যে অনেক বন্ধুর পথ পাড়ি দিতে হয় তাই সাথে ভারী কোনো জিনিস না নেওয়াই ভালো।
যতটা কম সম্ভব কাপড়-চোপড় নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
মশা হতে নিজেকে রক্ষা করার জন্য ওডোমস ক্রিম সাথে করে নিতে হবে।
যেহেতু বেশ কিছুটা পথ নদীপথে হাটতে হবে তাই পিছলে যায় না এমন রাবার বা প্লাস্টিকের পায়ের সাথে সাইজ অনুযায়ী স্যান্ডেল পরতে হবে। ছোট/বড় হলে তা আরও বিপত্তি বয়ে নিয়ে আসতে পারে।
ভ্রমণে আনন্দদায়ক করতে যাত্রাপথে টি-শার্ট ও থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট পড়তে হবে।
রেমাক্রী বাজার হতে নাফাখুম এর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করার আগে রেমাক্রী হতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ শুকনো খাবার ও খাবার পানি সাথে করে নিতে হবে।
ফাস্ট এইড বক্স ও টর্চ লাইট সাথে রাখতে হবে।
সবশেষে আপনাদের ভ্রমণ আনন্দ, নিরাপদ ও সুন্দর হোক এই কামনা করছি।
 
*বান্দরবানভ্রমন* *ভ্রমনটিপস*

সাইফ: [বাঘমামা-ভাগো]*বান্দরবানভ্রমন * এখনো করা হয়নি (মাইরালা) ইচ্ছে আছে মঙ্গল গ্রহ থেকে পৃথিবী ভ্রমন করার জন্য যখন যাবো বান্দরবান ঘুরে আসবো (খুশী২)(খিকখিক)

*বান্দরবানভ্রমন*

রিয়াজুল ইসলাম: *বান্দরবানভ্রমন * এখনো করিনি তবে এবার শীতে যাব।

*বান্দরবানভ্রমন*

Mehedi hasan: *বান্দরবানভ্রমন * মাত্র একবার গিয়েছিলাম, ওখানের অনেক জায়গায় ঘুরেছি বন্ধুরা দল বেধে l আমার কাছে সবচে ভালো লেগেছে পাহাড়ের উপর স্বর্ণ মন্দির এর রূপ (জোস)

*বান্দরবানভ্রমন*

প্যাঁচা : @admin *বাদলাদিনেরসাজ* আর *বান্দরবানভ্রমন* এই দুটো স্টার ওয়ার্ডে শেষ স্টারের আগে স্পেস পড়ায় কিছু লেখার পর তা স্টার ওয়ার্ড সেকশানে শো করে না।হাহাহাহা...তাহলে ফার্স্ট প্লেইসে এটা স্টার ওয়ার্ড হিসাবে আসলে কেমনে?(ভাগোওওও)

*বাদলাদিনেরসাজ* *বান্দরবানভ্রমন*

প্যাঁচা : *বান্দরবানভ্রমন* এটা কি আসলেই বান্দরবান নাকি বান্দরবন?গেছলাম তো...সবচেয়ে কম দামে সবচেয়ে বড় মাছের মাথা খাইতাম মনে লয়...হাহাহাহাহা...ভুল হচ্ছে কিনা আবার...সামনের মাসে যামুনে আবার...ডানা শুকায়ে গেছে,আবার ছোটার সময়...হাহাহাহাহ...

Afroza Farhana: *বান্দরবানভ্রমন * একবার গিয়েছি ২০১২ তে.....সময় এর কারণে অনেক জায়গা তে যেতে পারিনি কিন্তু যেটুকু দেখেছি তাতে আমার চোখ সার্থক.....আবার যেতে ইচ্ছে করে.

*বান্দরবানভ্রমন*

মন্টি মনি: *বান্দরবানভ্রমন * এ কখনো যাওয়া হয়নি তবে ইচ্ছে আছে (খুশী২)

*বান্দরবানভ্রমন* *বান্দরবান*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এই লেখাটিও সংগ্রহীত l লেখকের নাম পেলাম না l আর্টিকেলটি শেয়ার করছি আপনাদের সাথে l
শহরের কোলাহলময় জীবন আর একরাশ ব্যস্ততায় অনেকটা হাঁপিয়ে উঠেছিলাম। জীবন যেন মুক্তির নিঃশ্বাস খুঁজে ফিরছিলাম। যেন প্রকৃতির অনাবিল সৌন্দর্যের মহিমায় নিজেকে বারবার হারিয়ে খুঁজে ফিরছিলাম। সত্যিই এক অকল্পনীয় ভালোলাগার অনুভূতি। চোখে যেন দারুণ এক ভালোলাগার প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠছে।শহরের গণ্ডি পেরিয়ে সবুজের বুকে হারিয়ে যাবার স্বপ্নে বিভোর ছিলাম। অসাধারণ সুন্দর পাহাড়ের মনোরম দৃশ্য আমাকে এক অন্য ভুবনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছিল। সাগরের পানি যেমন কৈশোরের দুরন্তপনা ছড়িয়ে দেয় সবার মাঝে, বৃষ্টির পানিতে একবার ভিজতে না পারলে বছরটাই যেমন অর্থহীন মনে হয়, ঠিক তেমনি হিমশীতল ঝর্নার পানিতে শরীরখানা একবার ভেজানোর জন্যও মরুভূমি হয়ে থাকে বুকের উষ্ণ জমিনটুকু। আজ ঠিক তেমনি এক ঝর্নার কথা শোনাব সবাইকে, যে ঝর্নার পাশ দিয়ে এসে থমকে দাঁড়ায় দিনের বাতাস, যে ঝর্নায় প্রবেশের জন্য আকাশসমান গাছের কাছে অনুমতি চেয়ে বেড়ায় ভোরের রোদ্দুর, যে ঝর্নায় এখনো কাচের মতো স্বচ্ছ টলটলে পানি আয়না হয়ে অপেক্ষা করে নতুন কোনো বিস্ময়ে বিহ্বল চোখের জন্য, যে ঝর্না এখনো শহুরে মানুষের চোখে অদেখা এক জাদুকরিঝর্না,যে ঝর্না এখনো ইট-পাথরে ঘেরা মানুষের চোখে অদেখা এক রহস্যম ঝর্না। যা লুকিয়ে আছে নিজেকে আড়াল করে এই গহীন পাহাড়ী অরন্যে। নিজেকে আর সবার কাছ থেকে আড়াল করে বান্দরবানের গহিন অরণ্যে বয়ে চলা এ ঝর্নাটির নাম ‘জাদিপাই ঝর্না’।‘জাদিপাই’ শব্দের অর্থ কী এ নিয়ে ওখানকার লোকদের প্রশ্ন করলে (পাসিং পাড়ার লোক) তারা যে উত্তর দেয় তাতে বিষয়টি স্পষ্ট হবে না। কারণ ওখানকার আদিবাসী পাসিং সম্প্রদায়ের মানুষরা স্পষ্ট করে বাংলা বলতে পারে না। তাই কিছু জিজ্ঞেস করলে এড়িয়ে যায়। আস্তে আস্তে করে তাদের সাথে সঙ্গে ভাঙা ভাঙা বাংলায় কথা বলে যা বুঝতে পারলাম তাহলো আগুনের শিখা। তারা আরো বললো, এখানে প্রতিমাসে এক থেকে দুইবার পাহাড়ের কাছে আগুনের শিখা জ্বলতে দেখা যায়। ওদের কথা শুনে যা বুঝা গেল তা হলো আগুনের শিখা (তাদের ভাষায় “জাদি”)।আর সবশেষে যা বুঝলাম তা হল জাদি থেকেই সম্ভবত ‘জাদিপাই’ শব্দের উৎপত্তি। অপরুপ সৌন্দর্যে ভরা বান্দরবানের গহিন পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিতজাদিপাই ঝর্না। অরণ্যের আড়ালে যে কী বিস্ময় লুকিয়ে আছে, তা কেবল জাদিপাই ঝর্নায় গেলেই দেখা যায়।আমার দেখা অন্যসব ঝর্নার সাথে জাদিপাই ঝর্নার কোন তুলনা চলেনা। এই ঝর্নার পানি খুব শান্ত এবং স্বচ্ছ।উদ্ধত পাহাড়কে ক্রমাগত ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে ভিজিয়ে তার গায়ে রংধনুর রং এঁকে ঝিরঝির করে ঝরছে জাদিপাইঝর্না। এইঝর্নার কাছে নিজেকে নিতান্তই তুচ্ছ বলে মনে হয়। কাকচক্ষু জল নিয়ে অনবরত ছুটে চলছে অদৃশ্যের টানে। প্রকৃতির এই নয়নাভিরাম সৃষ্টির কারণে দু’দণ্ড সময় কাটাতে বার বার ছুটে আসি এখানে। কারণ প্রকৃতির সব সুখ বুঝি এখানেই। তবে আমার মনে হয় বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু গ্রাম/পাড়া হিসেবে বিবেচনা করা হয় কেওক্রাডং এর কাছাকাছি পাসিং পাড়াকে। প্রায় ৩২৭০ ফুট উচ্চতার কেওক্রাডং এর পরেই প্রায় ৩০৭৫ ফুট উচ্চতায় এই পাসিং পাড়া। আমাদের দেশের অন্য কোন পাহাড়ে এত উঁচুতে কোন গ্রাম/পাড়া/জনবসতি নেই। পাসিং পাড়ার লোকজন প্রায় সারা বছরই মেঘে ঢাকা থাকে। পাসিং পাড়া থেকে একেবারে খাড়া ৫০মিনিট নামতে নামতে সামনে পড়বে জাদিপাই পাড়া। তীব্র বেগে নামতে হবে এখানে। নামতে গিয়ে দাঁড়ানো যাবে না। আপনার গতি অনুযায়ী আপনাকে নামতে হবে আর দাঁড়াতে গেলেই পড়ে যাওয়ার সম্ভবনা বেশি। তবে কিছুদূর যাওয়ার পর পাবেন সবচেয়ে বিপদজনক এবং জাদিপাই যাওয়ার শেষ অংশটুকু। একসময় সামনে পড়বে বড় বড় গাছে ঘেরা পুরো সমতল একটা বন। যার নিচের দিকে নামলেই পাওয়া যাবে রহস্যময় জাদিপাই ঝর্না। পাহাড়ের পানি গড়িয়ে নামতে নামতে পুরো পথের অনেক অংশই বিপদজনকভাবে পিচ্ছিল হয়ে থাকে। আর এর শেষ অংশটুকু এতই বিপদজনক যে, আপনাকে খুব সাবধানতা অবলম্বন করে নামতে হবে। একেবারে খাড়া রাস্তা, গাছ ধরে, কখনো গাছের লতা ধরে আপনাকে নামতে হবে। দুর্গম আর চরম ঝুঁকির পথ শেষে যখন নামবেন তখন মনে হবে এ যেন অন্য এক পৃথিবীতে এলেন আপনি।
*বান্দরবানভ্রমন*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমি নিজে কখনো বান্দরবানে যায় নি l তবে বান্দরবান নিয়ে অনেক আর্টিকেল পড়েছি l আজ নতুন একটি স্টারড ওয়ার্ড দেখে আবারও ঘাটলাম ইন্টারনেট আর সেখান থেকে পেলাম একটি বাচ্চার বান্দরবানে যাবার অনুভুতি l আমার খুব ভালো লাগলো পড়ে, তাই আমি বাচ্চাটির বিনা অনুমতিতেই তার এই লেখাটি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি l "মাগো, তুমি আবার রাগ করো না" যাই হোক, লেখাটি পড়ুন ---- আমার বাবা, মা, ছোট ভাই এবং আমি, 'সবাই মিলে, বান্দরবান গিয়েছিলাম। সেখানে আমরা হিল ভিউ নামক একটি হোটেলে উঠেছিলাম। কিযে সুন্দর বান্দরবান! রাস্তার দুইপাশে পাহাড় আর পাহাড়। গাছ আর গাছ চারিদিকে তাকালে শুধ সবুজ আর সবুজ। বান্দরবান থেকে আমরা গেলাম নীলগিরি পাহাড় দেখতে। সেটাতো আরো সুন্দর জায়গা আকাঁ বাকাঁ রাস্তার দুপাশে পাহাড়। পাহাড়ের উপর নানা রংবেরং-এর গাছ, কাশফুল আর কলাগাছ। রাস্তার পাশে উপজাতিদের ঘর, তাদের দোকানপাট। তারা হাত নেড়ে আমাদের শুভেচ্ছা জানালো। সেখানের আবহাওয়াটা খুব ঠান্ডা। আমাদের গাড়ি যতই উপরে উঠছে ঘন কুয়াশার জন্য দূরের পাহাড়গুলোকে দেখা যাচ্ছে না। দুই ঘন্টা পর আমরা নীলগিরি পাহাড়ে পৌঁছেছিলাম। গাড়ি থেকে নেমে আমার খুশি লাগছিল। কারণ অমাদের বাংলাদেশে এত সুন্দর জায়গা আছে এটা ভেবে পাহাড়ের উপর থেকে মনে হয় আকাশটা ধরা যাবে। নীলগিরি পাহাড়ের স্মৃতি আমি কোনদিন ভুলবা না, আর একটা কথা বলতে ভুলে গিয়েছিলাম সেটা হলো আমরা যে গাড়িতে করে নীলগিড়ি পাহাড়ে বেড়াতে গিয়েছিলাম সেই গাড়িটার নাম হলো "চান্দের গাড়ি"। নাম : মায়মুনা এনাম আকন্দ শ্রেণী : প্রথম স্কুল : নতুন কুঁড়ি নার্সারী স্কুল
*বান্দরবানভ্রমন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★