বাবা

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: আলহামদুলিল্লাহ !! বাবাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ যে তিনি আমার অদ্ভুত সব আবদার রাখেন ।। স্যামস্যাং তার S9 মার্কেটে লঞ্চ করতেছেন । বাবাকে বললাম বাবা আমার S8 আপনি নিয়া নেন আমারে S9 কিনে দেন ।। অবশ্য প্রথমে রাজী হননি ব্যাস তারপর কি আমার মেইন হাতিয়ার কান্না জুড়ে দিলাম সংসদে বিল পাস হয়ে গেল ।। ব বাবা অনেক ভালোবাসি তোমায় ।। কিনে না দিলেও ভালোবাসি ।। রেকর্ড করবো এইবার ।। কিসের রেকর্ড জানতে চাহিয়া লজ্জ্বা দিবেন না এই অধমকে (শয়তানিহাসি)

*মোবাইল* *এস৯* *বাবা* *ভালোবাসা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজ অনেকদিন পর নিজের পানে তাকিয়ে ভাবছি আমি এতোটা পাল্টে গেলাম ?? অবাক আমি (ফুঁপিয়েকান্না) ।

এইতো সময়ের শ্রোতে হারিয়ে ফেলেছি শৈশব,কৈশর কদিন আগেও তো বেশ ভালোই ছিলাম বেচে থাকার জন্য সংগ্রাম করতে হতো না ।। একটা সামান্য জামা পাজামা কেনার জন্য ঈদ পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হতো ।। কেননা বাবা -মা খুব হিসেব করে চলতেন ।। তখন খুব রাগ হতো কেন এমন করে টাকা তো অনেক আছে কিন্তু বুঝতে পারিনি সবকিছু ছিল আমাদের ভালোর জন্য ।। আজ দামী ব্রান্ডের জামা কাপর পরি কিন্তু সেই পুরনো রঙিন জামাটার মতো আর আনন্দ পাই না ।।

মনে পড়ে তখন শায়ান এর গানটাঃ

হঠাৎ করেই চোখ পড়েছে
আমার প’রে আমার
মাঝখানে তো পাইনি সময়
একটুখানি থামার
পেছনটাতে চোখ বুলাতে
ঘামছি মনে মনে
আড়চোখেতে সেই আমি’কে
দেখছি সংগোপনে
'আমার চোখের সামনে দিয়েই
বদলে গেছি আমি
নিয়ম হলো যা হারালো
হারিয়ে গেলেই দামী'2
হঠাৎ করেই চোখ পড়েছে
আমার প’রে আমার
মাঝখানে তো পাইনি সময়
একটুখানি থামার

ইর্ষা ভরে তাকাই আমি
সেই আমি’টার দিকে
এই আমি’টা কেমন যেন
পানসে, কেমন ফিকে
আমারই তো সেই দু’টো চোখ
উচ্ছলতায় ভরা
খরায় জরায় সবুজ শুন্য
এ চোখ স্বপ্নহারা
সময় যেন স্বপ্ন মোছার
পা মাড়ানো পাপোষ
সেই আমি’টার সঙ্গে আমার
আর কি হবে আপোষ
আমার যত সবুজ ছিল
আর কি ফিরে পাবো
সময় তোমার স্রোতে ভেসে
উল্টো দিকেই যাব
আমার চোখের সামনে দিয়ে
এমন পুকুরচুরি
টের পেয়েছি এতক্ষনে
চোরের বাহাদুরী
করবো কাকে দায়ী আমি
সময় নাকি ভাগ্য
জবাব দেবেন তারা
যারা জীবন বিশেষজ্ঞ
আগামীতে অন্য কোন
আমি’র দেখা পেলে
সেই আমি’টার আমায় দেখে
চম্‌কাবে কি পিলে
সেই আমি’টা বলছে আমায়
মুঠো করিস হাতে
এখনও যা সবুজ আছে
জড়ো করিস তাতে <3 ♥

শত ব্যস্ততার মাঝে দিনগুলো পার করার পর ও প্রত্যেকটা মানুষ রাতে ঘুমাতে যায় বিশাল একটা শূন্য হৃদয় নিয়ে ।।

দিন শেষে আমি আপনি একা ।। ভাবিয়ে তুলে পুরনো স্মৃতি পুরনো বন্ধু ।।

 

ভালো থাকুক সবাই ভালো থাকুক সকল বন্ধুগুলো ।। ভালো থাকুক বাবা মা বেচে থাকুক না হয় আর সমান বয়স পর্যন্ত ।। 

*আবেগ* *বাবা* *মা* *কষ্ট*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: তোমার প্রেমে বল পেয়েছি, তোমার প্রেমে সাহস; সবাইকে কই—আয় দেখি তুই, বাঘ অথবা যা হোস! হঠাৎ এল তোমার বাবা—হায় রে এ কোন ফাঁপর! ঊর্ধ্বশ্বাসে দৌড়টা দিয়ে হারিয়ে গেল কাপড়!

*দৌড়* *বাবা* *কাপড়* *প্রেম* *কবিতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শুনলাম বন্ধু নাকি accident করেছে ,তাও আবার রিকশা এর সাথে । জন্মদিনে  আমাদের রেখে girlfriend নিয়ে ঘোরার শাস্তি স্বরূপ টিটকারি মারতে ফোন দিলাম ।
ফোন রিসিভ করতে না করতেই
- ঐ বেটা , শুনলাম রিকাশার সাথে accident করছিস?ঠিক হয়েছি একদম, শুনে খুবই মজা পাইছি । হাজারবার বলছি হাঁটার সময় girlfriend এর দিকে না তাকায়ে থেকে রাস্তায় তাকায়ে চলবি । girlfriend সুন্দর হইছে তো কি হইছে ? btw রিকাশা তোরে মারছে না তুই রিকশারে মারছিস? তোর যে ভুরি !!! রিকশা ঠিক আছে তো ?
- হম !!
- কি হম ? আর তোর গলা এত মোটা হইল কিভাবে?রিকশা গলা দিয়ে চলে গেছে নাকি?
- আমার গলা এমনই ।
- থাবড়ায়ে দাঁত ফালায়ে দিমু,তোর ভয়েস আমি চিনব না? এত দিন ফাটা বাশের মত গলা ছিল ,এখন তৈলাক্ত ফাটা বাঁশ । মনে হচ্ছে তুই রনক না, অন্য কেউ ।
- ঠিকই ধরেছ ,আমি ওর বাবা বলছি ।ও ঘুমাচ্ছে ।
- খাইছে .........আসসালামু আলাইকুম আঙ্কেল ।
- হম !! রনক কার সাথে ছিল সেদিন? ও তো তোমাদের সাথে বেড়াবে বলে বের হয়েছিল ।
- না মানে আঙ্কেল.........হ্যালো , হ্যালো ...শোনা যাচ্ছে না ।

*বাবা* *রসিকতা* *বন্ধু* *গার্লফ্রেন্ড*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: প্রচণ্ড ভিড়ের মাঝে শিশুটির হাত থেকে রঙ্গিন গ্যাসবেলুনগুলো উড়ে গেল আকাশের নীলে। বাবা কোথায়? মা কোথায়? জগতভরা মানুষ! কেবল হাত পা, মুখ আর মুখ। তার কান্না পাচ্ছে, কে জানে! গ্যাস বেলুনের জন্য? না বাবা মায়ের জন্য?

*জীবন* *বাবা* *মা* *ছেলে* *বাস্তবতা* *কষ্ট* *নীল* *বেলুন*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: প্রথম বার যখন বাবাকে ছেড়ে ঢাকায় আসলাম বাবা বাসে তুলে দেয়ার সময় হাসি মুখে বিদায় দিয়ে বলে সাবধানে যাস বাবা ! ভেঙ্গে পরতে দেখিনি তখনো ।। আসার সময় শুধু পিছনে ফিরে দেখি বাবা হাতটা দিয়ে তার চোখটা মুছে ফেলছে !!! প্রত্যেকটা আবেগে মা মিশে থাকে কিন্তু বাবারা থাকে নিঃশব্দে ।। বাবারাও থাকে এইভাবে নিঃশব্দে নীরবে !!! ভালো থকুক পৃথিবীর সব বাবারা ভালো থাকুক তাদের সন্তানরা !! #কোন_বাবাকেই_যেন_বৃদ্দ্বাশ্রমে_না_যেতে_হয় !!

*বাবা* *ভালোবাসা* *আবেগ*

দীপ্তি: বাবা, আজ তুমি নেই যেনো কতো কিছুই নাই । সবকিছুই নিয়ে চলে গেছো যেনো । সৃষ্টিকর্তা খুব স্বার্থপরের মতো কাজ করেছ। সৃষ্টি যেমন স্বার্থপর, তেমনি স্রষ্টাও! আজও যখন একা হাটি, তোমার আঙুল খুব মিস করি বাবা ! তবুও যেনো তোমার স্পর্শ আজও লেগে আছে আমার আঙুলে... তুমি ছাড়া আমাদের জীবনটা অথৈ সাগরের মতো । তুমি চলে যাবার পর এই তিন মাসে কতো যে হাবুডুবু খাচ্ছি সেই সাগরে! আজও কূল-কিনারা হাতড়ে বেড়াই নিরুদ্দেশ আমি ! খুঁজেফিরি তোমার মতো নতুন কাউকে, যে তুমি হয়ে ফিরে আসবে

*বাবা*
জোকস

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি জোকস পোস্ট করেছে

ছেলে: বাবা, ইডিয়ট কাকে বলে? বাবা: ইডিয়ট হলো সেই সব বোকা ব্যক্তি যারা নিজেদের বক্তব্য এত বেশি প্রলম্বিত করে যে কেউ তার কথা বুঝতে পারে না। বুঝতে পেরেছ? ছেলে: না।
*রসিকতা* *জোকস* *বাবা* *ছেলে* *ইডিয়ট*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নারীপ্রেম ও বাস্তবতা গুরুত্ববহ কথা।প্রত্যেকটা মানুষ এগুলো চায়।ফেসবুক এর কল্যানে আজ এগুলো ২-১ঘন্টার ব্যাপার।আর ছেলেদের জীবনের একটা বিশাল পার্ট জুড়ে থাকে মেয়ে পটানো।
.
.
আব্বু বলে, একটা মেয়ে কারো প্রেমে পড়তে ১টা কারনই যথেষ্ট। কিভাবে?  
তুমি ভাল লিখতে পারো ফেসবুক এ, তোমার প্রেমে হাজার বালিকা ক্রাশট, তুমি গিটার বাজাতে পারো,পাশের বাসার মেয়েটা তোমার প্রেমে ফিদা,তুমি ভায়োলিন বাজাতে পারো, পাড়ার সকল মেয়ে তোমার জন্য পাগল, তুমি কলেজে ভাল গাইতে পারো, জুনিয়র সিনিয়র অনেক আপুও তোমার সুরে পাগলী, তুমি নিউ মডেল BMW নিয়ে প্রাইভেট ভার্সিটি যাও, তোমার প্রেমে তোমার ডিপার্টমেন্ট এর অবিবাহিত ম্যাডাম ও পাগল।
.
.
মেয়েদের প্রেম সময় নির্ভর। আজ আপনার সুসময় শেষ কাল কে আপনি তার কাছে তার  অতীত।কাল অন্য কেউ তার কাছে প্রিয়। আসলে মেয়েরা প্রেমে পড়ে সুধু অল্প কিছু বিষয় এর উপর। একটা মেয়ের থেকে যদি আপনি কোন কিছুতে বেশি পারদর্শী হন তাহলে সে আপনার প্রেমে পড়বে। কিভাবে?
আচ্ছা এই ঢাকা শহরে অনেক গরিব ছেলেরা টিঊশনি করে অনেক বড় ঘরের মেয়েদের কে।তারা কি দেখে ওই ছেলের প্রেমে পড়ে ভেবেছেন কি? ওই যে, তার থেকে ম্যাথটা ভাল পারে ছেলেটা। তাই ওই ছেলের প্রেমে পড়েছে সে।
.
.
একটা মেয়ে চাইলেই একসাথে অনেক ছেলের সাথে প্রেম চালিয়ে যেতে পারে কোন অসুবিধা ছাড়াই।আর ইচ্ছে হলেই ব্রেক আপ।পার্ক এ গিয়ে মেয়েটা ব্রেক আপ করে চলে যাচ্ছে ছেলেটা একটু জোর করে কিছু বললেই মেয়েটা চিতকার করে উঠে বলে তাকে উত্তক্ত করছে ছেলেটা। আর সাথে সাথেই ২০-২৫জন যুবক এগিয়ে যায় মেয়েটার সাহায্যকারী হিসেবে।ব্যস


হয়ে গেল ভাল ভাবেই চলে গেল মেয়েটা।  আর ওই মেয়ের যায়গায় যদি কোন ছেলে চিতকার করে বলতো ভাই কেউ বাঁচান আমাকে এই লোকগুলো ছিনতাই কারী আমাকে মেরে ফেলছে। কেউ ফিরেও তাকাবে না মৃত্যু যন্ত্রনায় আর্তনাদ করা ছেলেটার দিকে।
.
.
আজ যেই মেয়েটা ফেসবুক  পাসওয়ার্ড আপনাকে দিল কাল কেই হয়তো আপনার জন্যই পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করবে, হয়তো ব্লক,না হয় id  ডি একটিভ করবে, নাম্বার টা বদলে ফেলবে। সেদিন রাতেও সে রাত জেগে ফোন এ গল্প করবে শুধু বদলে যাবে ফোনের অপর পাশের মানুষটা।আবার কাউকে স্বপ্ন দেখাবে, আবার নতুন নামে নতুন কারো সাথে করবে রিলেশন। মেয়েদের রিলেশন শুরু কখন হয় & শেষ কখন হয় সেটা তারা নিজেও জানে না।কেউ একজন বলেছিল মেয়েদের মন অনেক পরিস্কার হয় কারন তারা প্রতি মাসে মন আপডেট করে।
.
.
প্রেমিকার এর জন্য ছেলেরা  বাবার কাছ থেকে মিথ্যা বলে হাজার টাকা দিয়ে গিফট দেয়।তারা হয়তো জানেও না যে তার বাবা অসুধ না কিনে টাকা টা তাকে পাঠাইছে।
এই মেয়ের প্রেমের জন্য ছেলেটা জীবন দিতে প্রস্তত।আর জীবনের ২০-২৫টা বছর তাকে দেয়া তার মা-বাবার ভালবাসা আজ তার কাছে কিছুই না।
আব্বু বলে, একটা ছেলেকে যোগ্য করতে তার মা বাবার লাগে ১৮-২৫বছর। আর তাকে নষ্ট করতে একটা মেয়ের লাগে ১৮-২৫মিনিট।
হায় রে ভালবাসা!!!!   
.
.
প্রেমিকা সকালে খাইছে কি না সেটা জানতেই যুবকের সময় থাকে না।বাড়িতে থাকা তার মা-বাবা গত ২দিনে কিছু খাইছে কিনা সেটা জানার আগ্রহ ছেলের নেই।ঈদ এ প্রেমিকা কে গিফট দিতেই টাকা শেষ। একবার মনে পড়ে না তার বৃদ্ধ-বৃদ্ধা মা বাবা ঈদ এ একটা গেঞ্জি ও না কিনে টাকা টা তাকে দিয়েছে।
প্রতিটা মেয়ে একাসাথে ২-৩টা চরিত্র নিয়ে চলতে পারে।প্রতিটা মেয়েই খারাপ শুধু ব্যক্তি বিশেষে সেটা প্রকাশ পায়।কেউ প্রকাশ করে কেউ করেনা।নোংরা কাজ সবাই করে কারো টা জানা যায় কারো টা যায় না।
.
.
একটা মেয়ে চাইলেই একটা ছেলের জীবন নিয়ে মধুর খেলা খেলতে পারে।মেয়েরা প্রেম করার জন্য অপশন রাখে।একটা মেয়ে একি সাথে ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার ২জন এর সাথে প্রেম করে। একটার সাথে না হলে অন্য টা তো আছেই।মেয়েরা প্রেম করার সময় জানতে চায় না ছেলে কি করে, শুধু প্রেম এর মজা থাকলেই হল।কিন্তু বিয়ের কথা বললেই তার বাবাকে বলতে হবে & তার  আব্বু  তাকে বলছে কোন বেকার ছেলের সাথে না কোন ডাক্তার এর সাথে তার বিয়ে দিবে। কেন প্রেম শুরুর আগে মেয়েটা জানতো না যে ছেলেটা বেকার???
.
.
আব্বু বলে, মেয়েরা মরিচিকার মত।দেখা যায় ধরা যায় না।মেয়েদের মন বুঝার মত বয়সে পুরুষ রা কখনই পৌছায় না।
একটি মেয়ে কে কখনই কেউ বুঝতে পারে নি পারবেও না।  
তাই মেয়ে নামক এই মরিচিকার পিছনে না ছুটে পরিবার কে ভালবাসতে শিখুন। যখন ২০-২৫টা বছর আপনার পরিবার আপনার ভাল চেয়েছে তখন বাকি জীবন টা তাদের উপর ভরসা রাখুন।  
.
.
অনেকেই বলতে পারেন লেখকের কাছে "আঙুর ফল টক"।বেটা নিজে ছ্যাকা খাইছে তাই সবাইকে প্রেম করতে দিবে না। না রে ভাই ছ্যাকা খাই নাই কিন্তু নিজের জীবন & নিজের পরিবার কে ভালবাসি।
.
.
বি:দ্রঃ ব্যতিক্রম কখনো উদাহরণ নয়।ভাল মানুষ & ভাল মেয়ে আছে বলেই আমরা আমাদের মা বোন কে ভাল জানি।
সব মেয়েই খারাপ হতে পারে  কিন্তু কোন/কারো মা অথবা কারো বোন কখনই খারাপ না। ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

লেখকঃনিলয় আহসান নিশো

*নারী* *বাস্তবতা* *প্রেম* *পুরুষ* *বাবা* *মা*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

২৮ শে মার্চ বাবা হারিয়ে যাওয়ার দিন। আমার বাবার শেষনিঃশ্বাস রাখার দিন। আজ যদি বাবা থাকত, কত আনন্দ হতো। বাবা তো তার সব কাজ গুছিয়ে তবেই না অনন্ত জগতে হারিয়ে গেছেন স্রষ্টার নির্দেশে। কিন্তু সন্তানের সাফল্যের আশায় জ্বলজ্বল করা দুটি চোখ এত তাড়াতাড়ি চলে গেল। এ কেমন যাওয়া তার! আমাদের সাথে নিয়ে বাবা যেতে চেয়েছিল অনেকটা পথ। কেবল স্বপ্নভরা চোখ তার দূরের আলোয় দিশেহারা হতো। মা তার সঙ্গীকে, আমাদের বাবাকে হারিয়ে যেন বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে, অনর্গল কথা বলা আমার মা হঠাৎ করেই যেন অতিমাত্রায় নিশ্চুপ হয়ে গেলো। জানি মায়ের বুকের পাঁজরের অর্ধেকই ভেঙে গেছে। বাবা অসুস্থ্য অবস্থায় একদিন হুইল চেয়ারে বসে বলছিলো আমার মাকে, "শোনো আমার দুই ছেলেমেয়ে আমার বুকের দুই পাঁজর ..... আমি হুইল চেয়ার ধরে দাঁড়িয়ে ছিলাম বলে হয়তো বলতে চায় নি, তবে খানিকক্ষণবাদে মাকে বলছিলো শুধু ছেলেমেয়েই না, আমার বুকের পাজরে তুমিও আছো" .... বাবাকে হারিয়ে মা দিশেহারা আর আমরা অসহায়। সকলে বলে বাবা তার পুণ্যের জোরে ভগবানের কাছে চলে গেছে। আকাশের তারা হয়ে গেছে, প্রকৃতিতেই নাকি মিশে রয়েছে আমার বাবার আত্মা। 

সেই বাবা তুমি কি এখন কেবলই ছবি !

বাবা .....

‘... তুমি কোন কাননের ফুল 
কোন গগনের তারা...’
চেয়ে চেয়ে দেখি রাত্রি নিশীথে নিস্তব্ধ আঁধারে... ওই আকাশে কোন তারায় নীল তুমি। আজ ‘তুমি কি কেবলই ছবি। শুধু পটে আঁকা...।’

*বাবা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমি তার বড় ছেলে। যদিও তিনি বলেন যে তিনি তার মেয়েকে আমার থেকেও  বেশি ভালোবাসেন তারপরও আমার প্রতি যেন তার একটা আলাদা আবেগ কাজ করে। আবেগ বলাটা কি ভুল হল? নাকি একে বলবো মমতা?

ছোটবেলা থেকেই আমার মায়ের সাথে আমার সম্পর্কটা বন্ধুত্বপূর্ণ। যদিও কিন্ডারগার্টেনে থাকতে তার ভয়ে ভীষণ ভীত ছিলাম। একবার হল কি, কিন্ডারগার্টেনে বার্ষিক পরীক্ষার (তখন কোন ক্লাসে পড়ি মনে পড়ছে না) বাংলা পরীক্ষায় একটা শব্দার্থ পারতাম না। পাশেরজনেরটা দেখে ঠিক উত্তরটাই লিখেছিলাম। কিন্তু বাসায় এসে মায়ের কাছে মিথ্যা বলেছিলাম পাছে আরেকজনেরটা দেখে লেখার অপরাধে মা আমার পিঠে বেত চালান করেন।

আরেকবার হল কি যে আমি তখন কেজি ২তে পড়ি। তখন বিটিভিতে বাংলা ছবি দেখে নায়কের বেশ কিছু ডায়লগ শিখেছিলাম। সেগুলোই একটা কাগজে লিখে স্কুলের ব্যাগে রেখে দিয়েছিলাম। মা বই-খাতা বের করতে গিয়ে ওই নোটটা পায়। তারপর আমার উপর পড়ল উরাধুরা মাইর। মা ভেবেছিলেন কাউকে প্রেমপত্র লিখেছি।

ছোটবেলা থেকেই মাকে খুব ভালোবাসি। তাই কখনো মার মন খারাপ থাকলে কিছুই ভালো লাগতো না আমার। ভালোবাসা থেকেই মনে হয় অধিকার আদায়ের একটা ব্যাপার এসে পরে। আমাকে ছাড়া মা কোথাও গেলে খুব মন খারাপ হত। একবারতো এতোই রাগ হয়েছিলো যে পুতির গুলিওয়ালা খেলনা পিস্তল দিয়ে মাকে গুলি করেছিলাম। ব্যাপারটা আব্বুর কাছে একদমই ভালো লাগলো না। ধরে দিলো মাইর। আব্বুর সেই মাইর থেকে বাঁচালো কিন্তু মা-ই। আরেকবার আমার জ্যাঠাতো বড়ভাইয়ের সাথে একটা হাফপ্যান্ট আর একটা সেন্ডো গেঞ্জি পড়ে মিরপুর বেড়ীবাঁধ দিয়ে হাটতে হাটতে চলে গিয়েছিলাম চিড়িয়াখানায়। তখন আমি খুবই ছোট। সকালে বের হয়েছি দুপুর হয়ে যাচ্ছিলো কিন্তু বাসায় ফিরছিলাম না। বাসায় রাষ্ট্র হয়ে গেলো আমরা হারিয়ে গেছি কিংবা ছেলেধড়ায় ধরে নিয়ে গেছে। তখন অবশ্য এই ছেলেধরার খুব উৎপাত ছিল। বাসায় কান্নাকাটি। আরেকটু পর মাইকিং করা হবে। এমন সময় আমরা বাসায় এলাম। আব্বুর কাছে সকল প্রশ্নের জবাবদিহিতার পর বেদম মাইর খেলাম। না না। আমার আব্বু আমাকে শাসন করার জন্যই মেরেছেন। কখনোই বিনাকারনে মারেন নাই। সকলে হয়তো ভাবতে পারেন আমার বাপ মনে হয় আমাকে আদর করেন না বরং সবসময় মারের উপর রাখেন। এমনটা আসলে নয়। আব্বুও আমাকে খুবই ভালোবাসেন এবং আদর করেন। যদিও জানি মা বেশি আদর করেন তারপরও মাঝে মাঝে কনফিউজ হয়ে যাই আসলে আমাকে কে বেশি আদর করে? মা? নাকি আব্বু? যাইহোক ঘটনায় ফিরে আসি। তো সেবারও আব্বুর মাইর থেকে মা-ই রক্ষা করেন।

 

সেই বাবা যখন বললো তুই যেই বাইক টা চালাস সেইটা তো ১বছরের পুরনো হইয়া গেছে ওইটা আমারে দিয়া তুই নতুন একটা নে তখন মনে পরে বাপ কি জিনিস এতো মাইর আর এতো ভালোবাসা আসলেই আল্লাহর মহান শ্রেষ্ঠ একটা দান ।।

পৃথিবীর কোন বাবা মা এর যেন যায়গা হয়না বৃদ্দ্বাশ্রমে ।।

*বাবা* *মা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★