বাবাদিবস

বাবাদিবস নিয়ে কি ভাবছো?

সাদাত সাদ: *বাবাদিবস* দুনিয়ার সব বাবাদের জন্য লাখো বিনম্র শ্রদ্ধা এবং ভালবাসা দুনিয়ার সব বাবা সুখে থাকুক সন্তানের মাথার মুকুট হয়ে (দোয়া) (দোয়া) (দোয়া) (দোয়া)

*বাবা* *বাবাদিবস* *আমারবাবা*

সুখীমানুষ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

- ইকোনো ডিএক্স কলম তখন নতুন নতুন বের হয়েছে। আমার এক কাজিন দুইটা কলম এনে আমাকে দেখালো। বললাম, আমারে একটা দেন, তিনি দিবেন না। আব্বা বললেন, সন্ধায় বাজার থেকে এনে দিবেন। কিন্তু আমার এক্ষুনি চাই, চাইই চাই...। ফলাফল, আমার গালে আব্বার হাতের চার আঙ্গুলের ছাপ।

এমন কয়েকটা স্মৃতি নিয়ে বাপ'কে ভয় পেয়ে পেয়ে বড় হওয়া। ভয় বড় মজার জিনিস। মানুষ খুব কাছে গিয়ে তা জয় করতে চায়। তাই হিংস্র সিংহের খাঁচার সামনে গিয়ে মানুষ দুরুদুরু বুকেও রোমাঞ্চ নিয়ে দাঁড়ায়। ভয়ংকর এভারেষ্টের চূড়ায়ও মানুষ ভয়ের দূরত্ব কমাতেই যায়। অথচ এই ভয় যখন কোন মানুষের প্রতি কাজ করে, তখন তা কেবল দূরত্বই বাড়ায়...।

- কয়দিন আগে প্রিয়কে আদর করতে গিয়ে দেখি, আমার দাড়ির খোঁচায় ও খুব বিরক্ত হচ্ছে। মনে পড়লো, আব্বা আদর করতে আসলেও আমি এমনই বিরক্ত হতাম। এবং এইটা প্রতিদিন বহুবার ঘটতো।
- গিফ্ট পাওয়া একটা আইপড প্রিয় আছাড় দিয়ে ভেঙ্গে ফেলেছিলো। এত জোরে ধমক দিয়েছিলাম, ও অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে ছিলো। পরে খুব অপরাধ বোধে ভুগলাম। আর মনে পড়লো, ঐ সময়ে আব্বার প্রায় এক মাসের বেতনের টাকায় কেনা তার একটা সৌখিন টু-ব্যান্ড প‌্যানাসোনিক রেডিও ছিলো। আমি তা বেশী ভোল্টেজে উল্টা কানেকশন দিয়ে নষ্ট করে ফেলেছিলাম, আব্বা কিচ্ছু বলেন নাই।

মা মারা যাবার পর আব্বারে বলছিলা, এখন আপনিই বাপ, আপনিই মা। কিন্তু কোথায় যেন একটা দূরত্ব তবু রয়ে গেছে। জীবনে সমস্ত চাহিদা মা'র কাছেই ছিলো। মা'কে কারনে, অকারনে বকাঝকা করতাম, ঝাড়তাম, রাগ করতাম। অথচ আব্বার সাথে ভালো কথাটা বলতে গেলে আজও মুখে আসতে চায় না।

ঘুম থেকে উঠে আব্বাকে ফোন দিয়া বললাম
- আব্বা আজকে নাকি বাবা দিবস।
আব্বা হাসলেন। আর কোন কথা খোঁজে না পেয়ে জিজ্ঞাসা করলাম
- আব্বা সকালে কী খাইছেন?
আব্বা হাসি দিয়ে বললেন, সকালে না তো, ভোর বেলা খাইছি।

আর কোন কথা খোঁজে না পেয়ে বললাম, আব্বা রাখি।

*বাবাদিবস*

আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী: *বাবাদিবস* সব বাবাই যেন হয় তার সন্তানের কাছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা।

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাবার জন্য সেরা উপহার পাবেন এখানেবাবা পৃথিবীর পরম শ্রদ্ধেয় একজন মানুষ। ছোটবেলা থেকে বন্ধুর মত বাবার হাত ধরেই আমাদের পথচলা শুরু হয়েছে। তাই যে কোন উপলক্ষ্যতে বাবাকে নতুন কিছু উপহার দিতে পারলে মনের মধ্যে কি জানি একটা প্রশান্তি বয়ে যায়। আগমীকাল বাবা দিবস আমরা কি বাবাদের জন্য কোনো বিশেষ উপহার দিতে পারি না? চুপি চুপি বেশ কিছু এমন বিশেষ উপহার সামগ্রী যা বাবারা পেলে হয়তো খুবই খুশি হবেন এমন উপহার দিয়ে বাবাদের খুশি করালে কেমন হয়? বেশ কিছু উপহার সামগ্রীর লিস্ট নিচে তুলে ধরলাম আপনি আপনার বাবার জন্য সেরাটি বেছে নিন।

চশমা
বাবার জন্য উপহার কিনতে ক্লিক করুন
বাবা দিবসে বাবাকে দিতে পারেন চশমা কিংবা চশমার ফ্রেম। অনেক বাবা আছেন যারা চশমা পরেন তাদের জন্য বাবা দিবসে এটিই হতে পারে সন্তানের কাছ থেকে পাওয়া সবচেয়ে বড় উপহার। বাবার বয়েস ভেদে চশমার ডিজাইন বেছে নিন। বয়স খুব একটা বেশি না হলে স্টাইলিশ চশমা উপহার হিসেবে নিতে পারেন।

শেভার/সেভিং ক্রিম
বাবার জন্য উপহার কিনতে ক্লিক করুন
সব বাবাই পরিপাটি থাকতে ভালোবাসে। তাই বাবার পরিপাটির সামগ্রী হিসেবে আপনি বাবাকে সেভিং ক্রিম ও শেভার উপহার হিসেবে দিতে পারেন। সাথে ফ্রেশ ওয়াস ‍কিংবা আফটার সেভিং ক্রিমও দিতে পারেন। বাবা দিবসে এটি হতে পারে বাবার জন্য বিশেষ উপহার। বাজারে এখন ইলেকট্রনিক্স সেভিং মেশিন পাওয়া যাচ্ছে যা সহজেই রিচার্জেবুল। আপনি এই প্রডাক্টটি বেছে নিতে পারেন।

পাঞ্চাবি
বাবার জন্য উপহার কিনতে ক্লিক করুন
বাবার জন্য কিনে ফেলুন কোনো ভালো ফ্যাশন ব্র্যান্ডের পাঞ্জাবি। বাবার পছন্দের কালারের পাঞ্জাবি কিনলে আরো ভালো হয়। কারণ দিনটা তো বাবার জন্যই স্পেশাল। এছাড়াও সাথে সৌখিন বাবারা যারা আছেন তারা তো কিছু নতুনত্ব চান। তাই বাবাকে যদি আরো নতুন কিছু উপহার দিতে চান তবে তাকে দিতে পারেন কোট কিংবা শার্টের পিন বোতাম। এগুলোর সাথে ইচ্ছে করলে টাইও দিতে পারেন।

মোবাইল ফোন
বাবার জন্য উপহার কিনতে ক্লিক করুন
বাবার মোবাইলটা বেশ কয়েকদিন হচ্ছে ডির্স্টাব দিচ্ছে। বাবাও কাজের ব্যস্ততায় সময় পাচ্ছে মোবাইলটা বদলাতে। এইতো সুয়োগ নতুন বছরে বাবার হাতে তুলে দিন আপনার কেনা নতুন মডেলের মোবাইল আর মোবাইলের কভার। আধুনিক অনেক বাবাই অনলাইনে, অফিসিয়াল বা ব্যক্তিগত সময় কাটাতে অভ্যস্ত। দৈনন্দিন কার্যাদির জন্য যেসব গ্যাজেটস বিশেষভাবে সহজলভ্য করবে জীবনকে তা কিনে দিতে পারেন প্রিয় বাবাকে। অনলাইন বা প্রিয় কোন মূহূর্তের ছবি অথবা ভিডিও দেখতে পারে এমন স্মার্ট ফোন বা ট্যাবও হতে পারে পারফেক্ট উপহার। দেখুন বাবা খুশি হবেন।


সুগন্ধি
বাবার জন্য উপহার কিনতে ক্লিক করুন
সুগন্ধি কিনে ফেলুন বাবা যে ব্র্যান্ডটা বেশি ব্যবহার করে। সাথে আপনার পছন্দের কোনো সেন্ট বা বডি স্প্রেও কিনতে পারেন। বাবা দিবসের উপহারের তালিকায় থাকুল আপনার দেওয়া সুগন্ধিটি এমন কিছুই উপহার দিবেন এটাই কামনা। বাবাকে ব্র্যান্ডেড পারফিউম উপহার দিন।

ম্যানিবাগ ও ঘড়ি

বাবার জন্য উপহার কিনতে ক্লিক করুন
কিনে ফেলুন বাবাকে দেবার জন্য ম্যানিব্যাগ আর বাবাকে ম্যানিব্যাগটি দিয়ে চমকে তুলুন কারন তিনি তো কাজের চাপে অনেক দিনই ম্যানিব্যাগটি বদল করার সময় পান না।
ঠিক ম্যানিব্যাগের মতো হাতে দেবার জন্য কোনো ভালো ব্র্যান্ডের ঘড়ি কিনে ফেলুন আর বাবাকে বাবা উপহার হিসেবে তার জন্য কেনা সামগ্রীটি হাতে পরিয়ে দিন।

জুতা
বাবার জন্য উপহার কিনতে ক্লিক করুন
বাবার পছন্দ কালো রঙ্গে জুতো কিন্তু কিছুদিন আগে তিনি কিনতে গিয়ে পছন্দ করতে না পেরে চকলেট কালারের জুতো কিনে এনেছে। এবার আপনার সুযোগ আপনি নতুন বছরে বাবার সেই পছন্দের মূল্যয়ন করে ফেলুন বেশ কয়েকটি দোকান ঘুরে কিনে ফেলুন দেখতে সুন্দর জুতো আর বিশেষ উপহার নিউইয়ার গিফটি দিয়ে ফেলুন।

কোথায় থেকে কিনবেন?
উপহার কিনতে ঢুঁ মারতে পারেন যে কোনো গিফট শপে। এছাড়াও উপহার কেনার জন্য রাজধানীসহ দেশের সব শপিংমল গুলোতেই যেতে পারবেন। একসাথে পছন্দের সবধরনের আইটেম গুলো কিনতে ঘরে বসেই দেশের বড়বড় অনলাইন শপিংমল গুলোর ওয়েবসাইটে নক করতে পারেন। বাবার জন্য সব ধরনের উপহার আইটেম পছন্দ করতে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপ আজকের ডিল থেকে ঘুরে আসুন।

*গিফটআইডিয়া* *বাবাদিবস* *স্মার্টশপিং*
৫/৫

রং নাম্বার: বাবা মা'র জন্য আলাদা কোন দিবসের কোন প্রয়োজন নেই। এই কথাটাও বাবা মা দিবসে এসেই মনে পরে।

*বাবাদিবস* *মাদিবস*

আড়াল থেকেই বলছি: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

বাংলাদেশে অনেক সন্তান তাদের পিতাকে ভাবে অভাজন। পিতার বুকফাটা আর্তনাদ না শোনার মত সন্তানও এই সমাজে আছে।বাবাদের জায়গা যেন বৃদ্ধাশ্রমে না হয়।
*বাবাদিবস* *আমারবাবা*

আড়াল থেকেই বলছি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গ্রামে বন্ধুর  বাবার ছোট্ট একটা রুটির দোকান ছিল,বন্ধুর বাড়ি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থানার চরম্বা ইউনিয়নে,আমার বন্ধু ঢাকায় থেকে পড়াশুনা করতো,
থাকতো ঢাকার সেওড়া পাড়ায়,টং দোকানে ফল বেঁচে এমন একজন চাচার কাছে.
আমরা তখন মেট্রিক এর ক্লাসে মানে ৯ম শ্রেণী পাস করে দশে উঠলাম,
একদিন ইচ্ছা হলো বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে যাবো,বন্ধু ও তার বাড়িতে যাওয়ার জন্য অনেক দিন ধরে বলে আসতেছিল,কিন্তু আমরা সবাই জানি গ্রামের মানুষ খুবই সহজ সরল হয়ে থাকে বিধায় তারা শহুরে কোনো মানুষ গ্রামে গেলে অনেকটা হত বিচলিত হয়ে পড়ে,ঠিক মত খাবার-দাবার দিতে পারবে কিনা,কথা-বার্তায় কোনো অসুবিদে হচ্ছে কিনা ,এইসব চিন্তায় মগ্ন থাকে,তাই আমার বন্ধু আমাকে তাদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া নিয়েও তার ব্যতিক্রম হয়নি 
এখন আসল কথায় ফিরছি,
একদিন স্কুল ছুটির এক ফাঁকে আমার বাবার কাছ থেকে কিছু টাকা নিয়ে রওনা দিলাম বন্ধুর বাড়ি চট্টগ্রামের দিকে ,
আমরা সঙ্গে ছিলাম,বন্ধুর চাচা-চাচি এবং উনাদের এক মেয়ে এক ছেলে,
প্রায় সকাল ৭ টায় বন্ধুর বাড়িতে পৌছুলাম,
বন্ধুর বাড়িতে যাওয়ার পথে পরিচয় করিয়ে দিলেন একজন রুটি দোকানের মালিক মানে বন্ধুর বাবার সাথে.
এখন ফিরছি হৃদয়বিদারক পর্বে:
বন্ধুর বাবার যে দোকান ছিল তা হচ্ছে উপরে ছনের ছাওনি,চার পাশে বাঁশের বেড়া,বন্ধুর বাবা মানে আঙ্কেল আমাদের কে অনেক সেধে রুটি খেতে দিলেন,
আমি রুটি খেতে খেতে দোকানের ভেতরটা ভালো করে লক্ষ্য করেছিলাম,দোকানে বিক্রি করার মত আছে ৩/৪ বান্ডিল আবুল বিড়ি,২ প্যাকেট হিলম্যান সিগারেট,৩ প্যাকেট পাতার বিড়ি,এবং কয়েকটা খোলা উইলসনস সিগারেটস ..
আজ থেকে প্রায় ১৫ বছর আগের কথা,
বন্ধুর বাড়িতে ৩ দিন ছিলাম,গ্রামের মনোরম পরিবেশ আমার কাছে বেশ লেগে উঠেছিল,কিন্তু হঠাত ঢাকা ফিরে যাওয়ার ঘন্টা বেজে উঠলো,সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আঙ্কেল এর দোকানে আসলাম আমি,বন্ধু এবং বন্ধুর চাচা,
আমি ও বন্ধুর সাথে তার বাবাকে সালাম করতে দোকানে ঢুকলাম,এক পর্যায়ে দেখলাম আঙ্কেল বন্ধুর হাতে কিছু টাকা দিচ্ছিল এবং সেই সাথে আঙ্কেল এর দু'চোখ ভরা পানি দেখে আমি জানতে চাইলাম বিস্তারিত,
আঙ্কেল বললেন,
আমার এই ছোট্ট একটা দোকান.সকালে ৩ কে.জি ময়দার রুটি বানায়,রুটি গুলো শেষ হয়ে গেলে ২৫ টা বন রুটি ১৭ টাকায় কিনে ২৫ টাকা বিক্রি করে কোনো মতে সংসার চালায়,এরমধ্যে আবার ১০/২০ টাকা করে জমাতে হয় ছেলের জন্য (আমার বন্ধুর লেখা পড়ার জন্য)সে আসলে (মানে আমার বন্ধু ফরিদ) তাকে ৬/৭ শ' টাকা দিতে হয়,তারপর আমার ভাই (বন্ধুর বাবার ভাই আর আমার বন্ধুর চাচা) ফরিদের লেখাপড়ার সব খরচ বহন করে বলেই আমি এখনো বেঁচে আছি এবং আমার ছেলে একটা ভালো স্কুল এ লিখাপড়া করতে পারে,আমার ভাই যদি খরচ না দিত তাহলে ১৫০ টাকার তুন্দুলের রুটি, ২৫ টাকার বন রুটি (যাতে লাভ হয় মাত্র ৮ টাকা) এবং ২/১ প্যাকেট বিড়ি-সিগারেট বেছে আমি ৪ বিশিষ্ট পরিবারের ভরণ পোষণ চালিয়ে ফরিদের লেখাপড়ার খরচ হয়ত চালাতে পারতাম না বলেই কেঁদে ফেললেন  
তখন বন্ধুর বাবার কষ্ট এবং কষ্টের চোখের পানি দেখে মনটা ভিশন খারাপ হয়ে গিয়েছিল,আমি ও নিরবে কেঁদে ফেললাম (কান্না৩)(কান্না৩)(কান্না৩)..
তাই আজকের বাবাদিবসে এই বাবাকে আমি শ্রেষ্ট বাবা হিসাবে পুরুস্কৃত করতে চাই..
''বাবা তোমার পদ ধুলিতে মোরে একটু দিও ঠাই..
তোমার মত বাবাকে হাজারো সালাম জানাই''
........................................................................*ভুলকে-মার্জনা-করবেন*
*বাবা* *অমারবাবা* বাবাদিবস*

*অমারবাবা* *বাবাদিবস*
ছবি

আড়াল থেকেই বলছি: ফটো পোস্ট করেছে

ছবি

রোমেল বড়ুয়া: ফটো পোস্ট করেছে

অনি: *বাবাদিবস* বাবা তোমার জন্য কিছুই করতে পারি নাই, দুমুঠো ভাত,জামা বলতে সস্তা কিছু কাপড়,হাত খরচ বলতে অল্প কিছু টাকা;এর বাইরে কিছুই করতে পারি(না), ক্ষমা করো বাবা! আজ একদিন তোমাকে নিয়ে মেতে থাকতে চাই(না), চাই শেষ পর্যন্ত তোমার পাশে থাকতে!(না)পারাটুকু করো!

অলিন আরজু: আমার বাবা সহ পৃথিবীর সকল বাবাকে বাবা দিবসের শুভেচ্ছা.......

*বাবাদিবস*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

ছবি

তিথি মনি: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

বাবা তোমায় খুব মনে পড়ছে

আমার বাবা আমার মতই...সব কিছুতেই একটু বেশি বেশি। বাবা তোমায় খুব বেশি ভালবাসি।

*বাবা* *বাবাদিবস* *আমারবাবা*
ছবি

Md Obydullah ফটোটি শেয়ার করেছে
"*বাবাদিবস*"

গতকাল ছিলো বাবা দিবস l একজন বাবা'র জন্য তার ছোট সন্তানের এর চেয়ে ভালো উপহার কি কিছু হতে পারে ?

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★