বাবুই পাখি

বাবুইপাখি নিয়ে কি ভাবছো?

Lutfun Nessa: শুধু কি মানুষই , তাল পাতার নীচে ও সে পাতা দিয়েই বাবুই পাখীও করে রচনা কারুকার্যময় মোহনীয় নীড়খানা , কুড়ে ঘর হলেও সে তো করতেই পারে অপরূপ শিল্পের বড়াই , যার দিকে চোখ তুলে সকলে তাকাই । (ফুঁপিয়েকান্না)

*তালগাছ* *বাবুইপাখি*
ছবি

সাদাত সাদ: ফটো পোস্ট করেছে

বাবুই পাখির বাসা

বরই গাছে বাবুই পাখির বাসা। জীবনে প্রথম দেখলাম, তাও আবার বিদেশের মাটিতে (ইয়েয়ে)

*পাখিরবাসা* *বাবুইপাখি* *আমারছবি* *সাদফটোগ্রাফি* *ফটোগ্রাফি* *সাদ* *গাছ* *বিচিত্রছবি* *অন্যরকমছবি* *আরব* *প্রকৃতি*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রায় বছর পাঁচেক হলো বাবুই পাখির বাসা চোখে পড়ে নি। অথচ আগে হরহামাশাই দেখা মিলত বাবুই পাখির। কিন্তু এখন আর খুঁজে পাওয়া যায় না মনোরম সুন্দর সেই বাসাটি। স্কুলে যখন  কবি রজনীকান্ত সেনের কালজয়ী কবিতা- “বাবুই পাখিরে ডাকি বলিছে চড়াই, কুঁড়ে ঘরে থেকে করো শিল্পের বড়াই” কবিতাটি পড়েছি তখন পড়তাম আর বাইরে বাবুই পাখির বাসার সাথে মিলিয়ে নিতাম। কিন্তু সময়ের বিবর্তন ও পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে আজ হারিয়ে যাচ্ছে শিল্পী,সম্প্রীতি এবং সামাজিক বন্ধনের কারিগর বাবুই পাখি ও তার বাসা। গ্রামবাংলায় এখন আর আগের মতো বাবুই পাখির বাসা চোখেই পড়ে না।

কোথায় গেল বাবুই পাখি?
কালের বিবর্তনে বিলুপ্তির দিকে বাবুই পাখি। বাবুই আবহমান বাংলার শোভন পাখি । তালগাছের পাতায় দলবেধে বাসা বাঁধে তারা। তাদের বাসা সুউচ্চ তালগাছ আরও নয়নাভিরাম করে তোলে। এমন সুন্দর চমৎকার নিপুণ কারিগরী বাসা আর কোন পাখি বুনতে পারেনা। জানা মতে, মানুষের পক্ষেও সম্ভব নয় এমন সুন্দর বাসা তৈরী করা । তাই বাবুই পাখির শিল্পিত বাসা নিসর্গকে যেমন দৃষ্টিনন্দন তাদের বাসা ঠিক তেমনি মজবুত। প্রবল ঝড়-বাতাসেও টিকে থাকে তাদের বাসা। খড়ের ফালি, ধানের পাতা, তালের কচিপাতা, ঝাউ ও কাশবনের লতাপাতা দিয়ে উঁচু তালগাছে চমৎকার আকৃতির বাসা তৈরি করত বাবুই পাখিরা। একান্নবর্তী পরিবারের মত এক গাছে দলবদ্ধ বাসা বুনে এদের বাস। বাবুই পাখি একাধারে শিল্পী, স্থপতি এবং সামাজিক বন্ধনেরও প্রতিচ্ছবি। শক্ত বুননের এ বাসা দিনে দিনে উজার হচ্ছে তালগাছ। তার সাথে উজার হচ্ছে বাবুই পাখির বাসা। দুই চার বছর আগেও গ্রাম-গঞ্জের তাল, নারিকেল ও সুপারি গাছে ব্যাপকভাবে বাবুই পাখির বাসা চোখে পড়ত।

কিন্তু এখন আগের মতো বাবুই পাখির চোখে পড়ে না। এসব বাসা শুধু শৈল্পিক নিদর্শনই ছিল না, মানুষের মনে চিন্তার খোরাক যোগাত এবং স্বাবলম্বী হতে উৎসাহিত করত। এদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো “তারা রাতের বেলায় ঘর আলোকিত করার জন্য জোনাকি পোকা ধরে নিয়ে বাসায় রাখে। সকাল হলেই আবার তাদের ছেড়ে দেয়”। সাধারণত তাল, খেজুর, নারিকেল, সুপারি ও আখক্ষেতে বাসা বাঁধে।  অনেকেই বলছেন  তাল জাতীয় গাছ হারিয়ে যাবার কারনে বাবুই পাখিও হারিয়ে যাচ্ছে।  আমারও কেন জানি তাই মনে হয় আগের মতো তাল গাছো নাই আর বাবুই পাখিও নাই। তাহলে এখন কি হবে? আমাদের ছেলে-মেয়েরা তো আর কবিতার সাথে মিল খুঁজে পাবে না!
*বাবুইপাখি* *পাখিরবাসা* *বাসা* *বাংলাদেশেরপাখি*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★