বালক

সাদাত সাদ: দুনিয়াতে এমন বালক ও আছে যে হাজার হাজার টাকা রোজগার করে অথচ তাঁর পকেট থাকে শুন্য। তাদের জন্যে মনের গভীর থেকে জানাই সমবেদনা, অভিমানী বালক তোরা বেঁচে থাক অনন্তকাল (কান্না)

*অভাগাছেলে* *বালক*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

২০০৪ সালের ১৬ অক্টোবর। লা-লিগার ম্যাচ চলছে। মুখোমুখি বার্সেলোনা-ইস্পানিওল। ইতিমধ্যে খেলার ৮১ মিনিট পেরিয়ে গেছে। বার্সেলোনা ১-০ গোলে এগিয়ে আছে। ঠিক এই সময়ে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মাত্র ১৭ বছর এবং ১১৪ দিন বয়সী; ১.৬৯ মি (৫ ফু ৬ ১⁄২ ইঞ্চি) উচ্চতার একজন খেলোয়ার; যার নাম লিওনেল আন্দ্রেস “লিও” মেসি কুচ্চিত্তিনি। এখন অবশ্য অতবড় নাম পড়ার দরকার পড়ে না। সেই যে শুরু…। বাকীটা যেন ইতিহাসের এক ‘সোনালী পাতা’র গল্প। মেসির প্রথম কোচ ছিলেন ফ্রাংক রাইকার্ড। মেসি তার সম্পর্কে বলেন: ‘‘আমি কখনও ভুলবনা যে তিনি আমার ক্যারিয়ার শুরু করিয়েছিলেন, মাত্র ১৬ বা ১৭ বছর বয়সে আমার প্রতি তার আস্থা ছিল।’’ দুনিয়ার আর কোন খেলোয়ার কোচের আস্থার এমন প্রতিদান দিয়েছেন কি?



গতরাতে রিয়াল বেটিসকে বছরের শেষ ম্যাচে ৪-০ ব্যবধানে পরাজিত করেছে বার্সেলোনা। লা-লিগার ম্যাচ দিয়েই মেসি ৫০০তম ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। এই ম্যাচে তিনি একটি গোলও করেছেন। ম্যাজিক্যাল মেসিকে এর জন্য আগাম শুভেচ্ছা জানাই।

সময়ের পরিক্রমায় মেসি নিজেকে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে অনেক ধারাভাষ্যকার, কোচ এবং খেলোয়াড় তাকে বর্তমান সময়ের সেরা এবং সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে দাবী করে থাকেন।

২০০৪ সালে ক্লাবের হয়ে ডেব্যু ম্যাচের পর থেকেই ২৮ বছর বয়সী এই ফুটবল যাদুকর ক্যাম্প ন্যু তে অসাধারণ সময় কাটাচ্ছেন। পরপর ৪টি ব্যালন ড্যি অর জয় করে পঞ্চমটির স্বপ্নে বিভোর আছেন তিনি।

৫০০তম ম্যাচের মাইলস্টোনে পৌছার এই আনন্দঘন মুহুর্তে চলুন দেখি এ যাবত মেসির ১০টি অনন্যসাধারণ রেকর্ডঃ

- বার্সেলোনার হয়ে এ যাবত সকল প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তিনি সর্বমোট ৪৯৯টি ম্যাচে ০.৮৫ গড়ে মোট গোল করেছেন ৪২৪টি।

- মেসি সবচেয়ে বেশী গোল করেছিলেন ২০১১-২০১২ সেশনে। ঐ বছর লা-লিগায় সর্বোচ্চ ৫০টি; চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বোচ্চ ১৪টি সহ তিনি সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সর্বমোট ৭৩টি গোল করেছিলেন তিনি।

- ক্লাবের হয়ে তিনি সর্বমোট ২৬৬টি গোল করেছেন। তিনি গোল করেছেন এমন ৯টি ম্যাচে তিনি হারের মুখ দেখেছেন যার গড় ৩.৪%।

- ক্যাম্প ন্যু তে তিনি ২৩৬টি গোল করেছেন। এর মধ্যে ১৭৪টি এওয়ে এবং ১৪টি নিরপেক্ষ মাঠে।

- রিয়াল মাদ্রিদ এর ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে সবচেয়ে খতরনাক প্রতিপক্ষ আর কেউ নয়; স্বয়ং মেসি। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে তিনি মোট ১২ গোল করেছেন। এ ক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্থানে আছে ভিনসেন্ট ক্যালদেরন, মানে এথলেটিকো মাদ্রিদের ঘরের মাঠ। এখানে তিনি ১১ গোল করেছেন। দেখা যাচছে প্রবল প্রতিপক্ষদেরই তার অধিক পছন্দ।

- ৪৯৯ ম্যাচের এই ম্যারাথন ইনিংসে তিনি মোট ৫ জন কোচের অধীনে খেলেছেন। পেপ গার্দিওলার অধীনে তিনি সর্বোচ্চ ২১৯টি এবং টাটা মাটিনোর অধীনে সবচেয়ে কম ৪৬টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি।

- মেসি এ যাবত তার ৪৯৯ ম্যাচের মধ্যে ৩৪৯টিতে জয়ের স্বাদ পেয়েছেন। এর মধ্যে এনরিকের অধীনে সর্বোচ্চ ৭৭% ম্যাচে (৭৭ ম্যাচে ৭৪ জয়) তিনি জয়ের মুখ দেখেছেন। আর টাটা’র অধীনে সবচেয়ে কম ৬৩% ম্যাচে জয় পেয়েছেন (৪৬ ম্যাচে ২৯ জয়)।

- ৪৯৯ ম্যাচে মেসি সর্বমোট পিচে ৩৯,৬৭০ মিনিট সময় খরচ করেছেন। দিনের হিসেবে এখন অবধি তিনি বার্সেলোনায় ৪,০৯২ দিন কাটিয়েছেন।

- নিজের গোল ক্ষুধা মেটানোর পাশাপাশি ৪৯৯ ম্যাচে তিনি টীম-মেটদের ১৫৯টি গোলে এসিস্ট করেছেন।

- মেসির সরব ও কার্যকরী উপস্থিতি বার্সেলোনাকে ২৬টি ট্রফি জিততে সাহায্য করেছে। তার মধ্যে ৭বার লা-লিগা, ৪বার চ্যাম্পিয়ন্স লীগ, ৩বার কোপা ডেল রে, ৬টি স্প্যানিশ সুপার কাপ, ৩টি উয়েফা সুপার কাপ, এবং ৩টি ক্লাব বিশ্বকাপ ট্রফি জিতেছেন তিনি।

জয়তু মেসি…।

রেফারেন্সঃ
http://sports.yahoo.com/news/424-goals-26-trophies-mind-162016417.html

http://www.pastemagazine.com/articles/2015/12/leo-messi-will-play-his-500th-game-for-barcelona-t.html

https://bn.wikipedia.org/wiki/%C3%80%C2%A6%C2%B2%C3%A0%C2%A6%C2%BF%C3%A0%C2%A6%E2%80%9C%C3%A0%C2%A6%C2%A8%C3%A0%C2%A7%E2%80%A1%C3%A0%C2%A6%C2%B2_%C3%A0%C2%A6%C2%AE%C3%A0%C2%A7%E2%80%A1%C3%A0%C2%A6%C2%B8%C3%A0%C2%A6%C2%BF

*মেসি* *ফুটবল* *যাদুকর* *সেরা* *বিশ্বয়* *বালক* *৫০০* *ম্যাচ* *খেলয়াড়*
*ফুটবল* *যাদুকর* *সেরা* *বিশ্বয়* *বালক* *৫০০* *ম্যাচ* *খেলয়াড়*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গতকাল সন্ধ্যার দিকে গ্রীন রোডে লোকজনের জটলা দেখে এগিয়ে গেলাম । ভাবলাম চোর বা এক্সিডেন্ট । গিয়ে দেখি যে প্রেম সংক্রান্ত ঝামেলা। মেয়েটা হাউমাউ করে চিৎকার করছে, আর ছেলেটা মেয়েটাকে বুঝানোর চেষ্টা করছে । ছেলেটার অপরাধ খুবই গুরুতর । দীর্ঘ ৩ বছরের রিলেশনে এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মত ছেলেটাকে মেয়েটা ওয়েটিং পাইছে । মেয়েটার একটাই কথা ওয়েটিং পাইলো কেন ? ছেলেটা বুঝাইতেছে আমিওতো তোমাকে কত ওয়েটিং পাই, মেয়েটা আরো চিৎকার করছে "তুমি আমাকে সন্দেহ কর ?
ছেলেটা যত বুঝায় মেয়েটা তত চিল্লায়া চিল্লায়া কান্না করে । সব মানুষ দাড়ায়া মজা দেখতেছে ।

সত্যি বলতে শর্ত দিয়ে ভালবাসা হয়না । আপনি কাউকে শর্ত দিবেন আর শর্ত পুরা হলেই ভালবাসবেন এটা ভালবাসা নয় । এটা এক ধরনের বিকিকিনি ।দোকানে যান, টাকা দিলে পন্য মিলবে না দিলে মিলবে না ।
তবে হ্যা, ভালবাসার মানুষের জন্য সর্বোচ্চ কিছু করাটাই হলো ভালবাসা । ধরুন আপনি একজন মেয়েকে ভালবাসেন । আপনাকে তার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে । যেন সে মাথা উচু করে আপনার কথা সবাইকে বলতে পারে । মেয়েদের মনে জন্মগত ভাবেই এক ধরনের হিংসা থাকে । তারা অন্যের প্রশংসা শুনতে পারে না । ধরুন আপনার গার্লফ্রেন্ডের সামনে তার অন্য বান্ধবীর বয়ফ্রেন্ড এর সুনাম কেউ করলো ,এটা তার একদম পছন্দ হবে না। সে চাইবে তার বয়ফ্রেন্ডকে সবাই বড় বলুক । সো, আপনাকে কি করতে হবে ? আপনার উচিত হবে সবার চেয়ে ভাল কিছু করা । তাহলেই রিলেশন টিকবে , আর এটাই মেয়েদের চাওয়া । রিলেশনের সময় আরেকটা চাওয়া থাকে তা হলো সময় । সব মেয়েই চায় তাকে তার বয়ফ্রেন্ড কেয়ার করুক, সময় দিক । সারাদিন সময় না হোক, ঘুমানোর সময় একটা গুডনাইট আর সকালে একটা গুড মর্নিং সব মেয়েই চাই । দেখুন, রিলেশন অবস্থায় তাকে আপনি কিছুই দিতে পারবেন না মন খুলে । না ড্রেস, না গিফট, না শারীরিক সুখ । বাট সময় দিতে পারবেন । আর সময় এমন এক মহামুল্যবান উপহার , যা টাকা দিয়ে কেনা যায়না । আপনি বলবেন আপনি সারা দিন বিজি থাকেন । ওকে মানলাম , কিন্তু ঘুমানোর আগেতো একটা মেসেজ দিতে পারেন ? পারেন না , কারন আপনি অনেক ট্রায়ার্ড থাকেন । হা হা হা ব্রো, জোকসটা খুব মজার ছিল । আমি আপনাকে চ্যালেঞ্জ করছি আপনি ভালবাসেন না । কারন ঘুমানোর আগে সবচেয়ে প্রিয় মানুষের মুখ অবশ্যই মনে পড়বে । সে আপনি অসুস্থ সুস্থ বিপদ আপদ ক্লান্তি এমনকি মৃত্যু শয্যায় থাকলেও । যদি মনে না পড়ে তাহলে আপনি শিউর থাকেন ,আপনি তাকে ভালবাসেন না । নেভার ,নেভার ,নেভার ।
যাইহোক শুরুর কাহিনি থেকে অনেক দূরে এসেছি । মেয়েটা যখন ওয়েটিং পায়, স্বাভাবিক ভাবেই তার মনে হিংসা হয় ,আপনি তাকে সময় না দিয়ে অন্য কাউকে সময় দিচ্ছেন । এমনি ভাবে ছেলেটারও হয় । তবে এক্ষেত্রে শর্ত রিয়েল লাভ হতে হবে । আর যদি রিয়েল লাভ না হয় , তবে তার সন্দেহ হবে আপনি অন্য কোথাও রিলেশন করতেছেন ।আর সন্দেহ মানেই আপনার লাভ রিয়েল না । কারন ভালবাসা মানে বিশ্বাস আর সন্দেহ মানে অবিশ্বাস । তবে আপনার খারাপ লাগলে আপনি তাকে সরাসরি জিজ্ঞেস করতে পারেন । সে যদি সত্যি ভালবাসে তাহলে সত্যি টা বলবে, আর মিথ্যে হলে সে মিথ্যে বলবে ।
বালিকা, ভালবাসার ক্ষেত্রে সিগারেট হইয়ো না, যে মানুষ যখন প্রয়োজন তোমাকে খাবে, তারপর নি:শেষ হওয়ার পর ফেলে দিবে। প্রেমের ক্ষেত্রে ড্রাগ হও। তোমাকে ছাড়া কেউ যেন এক মুহুর্ত থাকতে না পারে।

ভালবাসার কথা লিখলাম তার মানে এই নয় যে আমি আবার ভালবাসায় ফিরে গেছি । আমি ঘৃনা করি ভালবাসাকে । তোমাদের এই প্রেমহীন মিথ্যে কথার শহর বাধ্য করেছে আমায় ভালবাসাকে ঘৃনা করতে । আমি এখনো ঘৃনা করি ভালবাসাকে ।

*ভালোবাসা* *প্রেম* *বালিকা* *বালক* *চিরসত্য* *অমরপ্রেম*
*প্রেম* *বালিকা* *বালক* *চিরসত্য* *অমরপ্রেম*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★